12/10/2025
টাংগাইল জেলা কি তার সেই পুরোনো বেদনা ফিরে পেতে চায়?
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার ১৯১ পাতায় এমন একটি মানচিত্র প্রকাশ করে টাংগাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলা কে আবারো তাদের পূর্বের ঠিকানা ময়মনসিংহ (বিভাগ) এ যুক্ত করার একটি প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে!
প্রস্তাবনা আসলে অনেক দিক বিবেচনায় হতে পারে। কিন্তু এর রিস্ক বেনিফিট রেশিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এই প্রস্তাবনা কিশোরগঞ্জের জনগনের মতামতের প্রতিফলন হবে কি না সে বিষয়ে জানা নেই তবে টাংগাইলের কোন অংশের মানুষের এমন ইচ্ছে নেই যে তারা আবার ময়মনসিংহে ফিরতে চায়।
তার জনমত গুরুত্ব বিবেচনায় এই প্রস্তাব কেবলই একটি প্রস্তাব বলাই বাহুল্য।
টাংগাইলের মানুষ এর আগেও এমন প্রস্তাবনা কে প্রত্যাখ্যান করেছে এবারও তার ব্যাতিক্রম নয়।
তাই টাংগাইল কে আর ময়মনসিংহ বিভাগে নয়!
#টাংগাইল #বিভাগ #ঢাকা
11/10/2025
ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সেবা সমূহ ও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি।।
09/10/2025
এন্টিভেনমের জন্য যোগাযোগ করুন, নিচের দেয়া নাম্বারে।
(শেয়ার করে রাখুন)
#আটিয়া
23/09/2025
সুখবর সুখবর সুখবর!!!
টাংগাইল মেডিকেল কলেজে স্বল্প মূল্যে নিম্নলিখিত টেস্ট গুলো করাতে পারবেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নয় মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ভবন(সরকারি)।
15/09/2025
করটিয়া রেলওয়ে স্টেশন 💥
টাংগাইলের একমাত্র রেলওয়ে স্টেশন যেটি নির্মানের পর একদিনের জন্যও চালু হয় নি।
স্থানীয়দের নাম নিয়ে দ্বন্দ্ব আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। তারপর সেই সমস্যা সুরাহা হলেও চালুর কোন সম্ভাবনা নেই।
#করটিয়া #রেলস্টেশন #আটিয়া #টাঙ্গাইল
13/09/2025
অসাধারণ ১৯টি টিপস দেরী না করে দেখে নিন।
১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবে এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
২. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।
৩. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
৪. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর
খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন।
এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।
৫. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে।
এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের
উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।
৬. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক
সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ
গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ
পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
৭. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা,
শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
৮. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ
কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস
একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন
আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর
ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
৯. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই
সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের
খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
১০. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ
বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।
১১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন
১৫ গ্রাম করে মৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম
সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
১২. মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল
বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ
রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।
১৩. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ
এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট
ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ
উঠে যায়।
১৪. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য
আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে।
আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর
সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের
মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।
১৫. হাত পায়ের সৈন্দৌয্য অক্ষুন্ন
রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের
খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক
বেশী ফর্সা দেখাবে।
১৬. মুখের বাদামী দাগ
উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান,
পরে ধুয়ে ফেলুন।
১৭. নিঃশ্বাসের দুগন্ধ
থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই
কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ
সমস্য থাকবেনা।
১৮. সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস
একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত
মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
১৯. অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু,
দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত।
এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।
সবার জন্য শেয়ার করুন৷
********************************************
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷
#আটিয়া #নিমগাছ #নিমপাতা
10/09/2025
✅ডিটক্স ওয়াটারের উপকারিতা
1. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়ঃ পানির সাথে লেবু, শসা, আদা ইত্যাদি শরীর পরিষ্কারে সহায়তা করে।
2. ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ মেটাবলিজম বাড়ায়, ফ্যাট বার্নে সহায়তা করে।
3. ত্বক উজ্জ্বল করেঃ শরীর হাইড্রেটেড থাকায় স্কিন গ্লো করে।
4. হজমে সহায়তা করেঃ লেবু ও আদা হজমশক্তি বাড়ায়।
5. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করেঃ ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে।
6. শক্তি যোগায়ঃ চিনি ছাড়া প্রাকৃতিক ফ্লেভারড ওয়াটার শরীরকে এনার্জি দেয়।
✅ ডিটক্স ওয়াটার প্রস্তুত প্রণালী
ডিটক্স ওয়াটার বানানো খুবই সহজ। সাধারণত লেবু, শসা, পুদিনা পাতা, আদা, পিংক সল্ট ব্যবহার করা হয়।
একটি সাধারণ রেসিপি:
>১ লিটার পানি (পানি শেষ হলে আবার পানি যুক্ত করা যাবে)
>১টা লেবু গোল গোল টুকরা করে কাটা
>১/২টা শসা পাতলা করে কাটা
>কয়েকটি তাজা পুদিনা পাতা
>সামান্য আদা কুচি
> সামান্য পিংক সল্ট
👉 সব উপকরণ একটি জারে পানি দিয়ে মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন।তারপর পান করুন।একবার বানিয়ে ১২-১৪ ঘন্টা পান করতে পারবেন।
09/09/2025
📌📌 #ক্যান্সার” শব্দটা যতটা ভয়াবহ শোনায়, তার পেছনের গোপন খেলা তার চেয়েও ভয়ংকর। এটা কেবল একটা রোগ না, বরং একটি বহুজাতিক চিকিৎসা ও ফার্মাসিউটিক্যাল দানবের আখড়া, যেখানে মানুষকে রোগী বানিয়ে আজীবন শোষণ করা হয়।
#ক্যান্সারের প্রকৃত কারণ গোপন করা হয় কেন জানেন?
কারণ ক্যান্সার হচ্ছে “দেহের প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া”ক্যান্সার কোষ অনেক সময় শরীরের ডিটক্স বা টক্সিন বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবেও তৈরি হয়।
টক্সিন, রেডিয়েশন, হরমোনাল ইমব্যালেন্স, এবং বিষাক্ত খাদ্য শরীরের কোষগুলোকে মিউটেট করে তোলে।
কিন্তু এই root cause গুলো তারা সরিয়ে না দিয়ে শুধু লক্ষণ (symptoms) কন্ট্রোল করে।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে এই ক্যান্সার দিয়ে-
এক কথায় ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট = ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা।
একবার ক্যান্সার ধরলে রোগী অন্তত ১০–৫০ লাখ টাকায় শেষ হয়ে যায়। কেমো, রেডিওথেরাপি, ওষুধ, হসপিটাল বিল… সবই লাভের খনি।
তাদের দরকার ক্যান্সার সারানো না, রোগীকে বাঁচিয়ে রেখে ধীরে ধীরে শেষ করা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে বড় বড় তারকারা, বিলিওনিয়ার, রাজনীতিকেরা ক্যান্সার হলে কেন তারা বেশিরভাগ সময় বেঁচে যায়? অথচ সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ক্যান্সার মানেই প্রায় মৃত্যু?
এর পেছনে ৩টা স্তরে লুকানো সত্য আছে
১-তারা মুলত Alternative গোপন চিকিৎসা পায় যা সাধারণ মানুষ জানে না।
বিশ্বের এলিটদের জন্য রয়েছে
Gerson Therapy > শরীরকে ডিটক্স করে, লিভার রিকভার করে, ক্ষারীয় খাবার দিয়ে ক্যান্সার কোষকে মারে।
Ozone Therapy > শরীরে অতিরিক্ত অক্সিজেন ঢুকিয়ে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে।
High-dose Vitamin C IV therapy > IV এর মাধ্যমে শরীরে বিশাল মাত্রার ভিটামিন C ঢুকিয়ে কোষকে শক্তিশালী করে।
Hyperbaric Oxygen Chamber > বায়ুচাপ ও অক্সিজেন দিয়ে ক্যান্সার কোষের পরিবেশ নষ্ট করে
Alkaline therapy + raw food > শরীরের pH এমন জায়গায় নিয়ে যায়, যেখানে ক্যান্সার টিকতেই পারে না।
এই থেরাপিগুলোকে FDA / WHO কখনো অনুমোদন দেয় না কারণ ফার্মা মাফিয়ারা এতে টাকা কামাতে পারে না। তাই এসব পদ্ধতি “unscientific” বলে দমন করা হয়।
২-তাদের Chemotherapy-ও হয় “customized & cleaner version”
আমরা যেটা পাই-
Toxic chemo যা ভালো কোষও ধ্বংস করে দেয়। চুল পড়ে যায়, ইমিউন সিস্টেম ভেঙে পড়ে।
তারা যা পায়-
Ultra-high tech personalized chemo + targeted therapy + stem cell support
Supplement + ইমিউন সিস্টেম বুস্টার দিয়ে side effect কমিয়ে ফেলে
৩. তারা জানে ক্যান্সার হলো “Metabolic Disease”Genetic না!
তারা বিশ্বাস করে না যে ক্যান্সার হলো “দুর্ভাগ্যজনিত জেনেটিক রোগ”।
তাদের চিকিৎসকরা জানে:
“ক্যান্সার কোষ = অস্বাভাবিকভাবে গ্লুকোজ খাওয়া কোষ”
তাই চিনি বন্ধ করে, ক্ষারীয় খাবার দিয়ে, শরীর ডিটক্স করে ফলে ক্যান্সার কোষ না খেয়ে মারা যায়।
অথচ সাধারণ মানুষকে শেখানো হয়:
“এটা কপাল, জেনেটিক, কেমো ছাড়া উপায় নাই।ক্যান্সার মানেই মৃত্যু। আপনাকে হতাশ করে তুলবে। আপনাকে চিন্তিত করে তুলবে। এবং এই সুযোগে ক্যান্সার আপনার শরীরে আরও ভয়ানক রুপ ধারন করে।”
তাহলে ক্যান্সার কি আসলেই “অপরিবর্তনীয় মৃত্যুদণ্ড?
না। প্রচলিত মেডিকেল সিস্টেম যে চিত্র তুলে ধরে ক্যান্সার মানেই মৃত্যু সেটা অনেকাংশে মিথ্যা।
ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়ার প্রকৃত পথ হচ্ছে
Alkaline Diet (pH ব্যালেন্স করে):
ক্যান্সার কোষ এসিডিক পরিবেশে বাড়ে, আলকালাইন খাদ্য এটা বন্ধ করে।
Dr. Sebi নামে এক হোলিস্টিক হিলার ছিলেন যিনি শুধু alkaline food খাইয়ে হাজারো ক্যান্সার রোগীকে সারিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু তাকে পরে “ভুয়া চিকিৎসক” বলে হঠাৎ করে May 2016 এ গ্রেফতার করে মেরে ফেলা হয়।
Vitamin B17 (Laetrile):
প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান, যা FDA নিষিদ্ধ করেছে।
Vitamin B17 নামে পরিচিত এই জিনিসটা আসলে একটুও ভিটামিন না।
এটি হলো একটি প্রাকৃতিক ক্যান্সার-নাশক যৌগ যার প্রকৃত নাম Amygdalin, এবং প্রক্রিয়াজাত রূপ হলো Laetrile।
এটি প্রাকৃতিকভাবে কিছু নির্দিষ্ট ফলের বীজ থেকে নেওয়া হয়। বিশেষ করে আপেল, খেজুর, তেঁতুল, আঙ্গুর, বিশেষ করে আবেগ বিচি (Apricot kernel) এ।
এটা শরীরে গিয়ে সায়ানাইড (cyanide) ছাড়ে। কিন্তু শুধু ক্যান্সার কোষের মধ্যেই।
তাই স্বাভাবিক কোষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ে শুধু ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হয়।
১৯৭০ দশকে Dr. Ernst Krebs নামে একজন গবেষক বলেন:
“B17 হচ্ছে প্রকৃত ক্যান্সার প্রতিরোধক। ক্যান্সার আসলে B17 ঘাটতির রোগ।”
তিনি Laetrile দিয়ে বহু ক্যান্সার রোগী সুস্থ করেছিলেন।কিন্তু পরে FDA এটাকে নিষিদ্ধ করে।
কারণ:
ক্যান্সার একটি ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।
তারা ক্যান্সার সারাতে চায় না। চায় রোগীকে চিরস্থায়ী খদ্দর বানাতে।
আমাকে নিয়ে আপনারা যা-ই বলুন না কেন, তাতে আমার কোন সমস্যা নাই কারণ আপনাদের মন্তব্য করার অধিকার আছে।
তবে আমি মানুষ, ভুল হতেই পারে। যদি কোনো ভুল বলে ফেলি, দয়া করে ভালোবাসার সাথে আমাকে সেই ভুলটা ধরিয়ে দিন। 💙
ইনশাল্লাহ, আমি সেটি শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করবো।
(সংগ্রহীত)