⭕ ৯ যিলহজ্ব তথা আরাফার দিন রোজা রাখার ফজিলত
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ” صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ إِنِّي أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ “
রাসূল ﷺ বলেছেন, আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহ তা'য়ালার নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। [তিরমিযি - ৭৪৯, ইবনে মাজাহ - ১৭৩০]
🔲 তাছাড়া রাসূল ﷺ থেকে সুস্পষ্টভাবে ৯ ই যিলহজ্ব তারিখে রোজা রাখার কথা হাদীসে পাকে বর্ণিত হয়েছে-
کَانَ رَسُولُ اللّٰهِ ﷺ یَصُومُ تِسْعَ ذِی الحِجَّةِ وَیَومَ عَاشُورَاء.
রাসূলুল্লাহ ﷺ যিলহজ্বের ৯ম তারিখ ও মুহাররামের ১০ম তারিখ রোজা রাখতেন৷ [আবু দাউদ- ২৪৩৭, নাসাঈ- ২৩৭২ আহমদ - ২২৩৩৪, সনদ সহীহ]
⭕ আরাফার দিনের রোজাটি মূলত কবে রাখতে হবে..??
🔸 আরাফার রোজা সম্পর্কে হাদীসে পাকে “ইয়াওমে আরাফাহ” অর্থাৎ আরাফার দিনের কথা বলা হয়েছে। আর ইয়াওমে আরাফাহ হচ্ছে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ। সুতরাং বাংলাদেশ অনুযায়ী আরাফার দিনের রোজাটি রাখতে হবে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ ২৭ শে মে রোজ বুধবার।
🔹 তবে কিছু সংখ্যক আলেমগন বলে থাকেন আরাফার দিনের রোজাটি রাখতে হবে সৌদি আরব অনুযায়ী অর্থাৎ ২৬ শে মে রোজ মঙ্গলবার। কিন্তু অধিকাংশ মুহাক্কিক আলেমগনের ফতুয়া হচ্ছে, বাংলাদেশ অনুযায়ী আরাফার দিনের রোজাটি রাখতে হবে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ [অর্থাৎ ২৭ শে মে বুধবার, ঈদের পূর্বের দিন]।
🔲 কারন রাসূল ﷺ বলেছেন, “তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ভঙ্গ করো অর্থাৎ ঈদ পালন করো।” [সহীহ বুখারী - ১৯০৬]
🔸 তাই এক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, চাঁদ অনুযায়ী আরাফার রোজা রাখা। কারন আমল করার ক্ষেত্রে রাসূল ﷺ চাঁদকে অনুসরণ করতে বলেছেন, সৌদি আরবকে নয়!
🔹 সৌদি আরবও তাদের দেশের চাঁদ অনুযায়ী রোজা এবং ঈদ পালন করে থাকে, সৌদি আরব আমাদের মতো অন্য কোনো দেশকে অনুসরণ করে রোজা এবং ঈদ পালন করে থাকে না। তাই বিশুদ্ধ মত অনুসারে, বাংলাদেশে ০৯ ই যিলহজ্ব তারিখেই আরাফার রোজাটি রাখা সর্বোত্তম হবে।
⭕ তবে কেউ যদি সৌদি আরব অনুযায়ী মঙ্গলবার দিন আরাফার রোজাটি রাখতে চান, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই, আপনার রোজাটি আরাফার রোজা হিসেবে গন্য হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ। আর কারো পক্ষে যদি সম্ভব হয় তাহলে তিনি ৮ এবং ৯ ই যিলহজ্ব অর্থাৎ মঙ্গল এবং বুধবার উভয় দিনই রোজা রাখার চেষ্টা করবেন ইন শা আল্লাহ।
🔲 অর্থাৎ একদিন সাধারন নফল রোজার নিয়তে রোজা রাখবেন এবং অন্য দিন আরাফার রোজার নিয়তে রোজা রাখবেন। তাহলে একদিকে যেমন আরাফার রোজা রাখার ফজিলত লাভ করবেন, ঠিক অপরদিকে দুইটি নফল রোজা রাখারও সওয়াব লাভ করবেন ইন শা আল্লাহ 💝✅
আমার দেখা জ্ঞানের আলো
This is my favourite page. you know about religion of Islam and some policy for your changing life.
👦 বাচ্চাদের জ্বীন/আছর সংক্রান্ত সমস্যায় করণীয় (সুন্নাহভিত্তিক আমল)
📖 প্রধান আয়াত:
সূরা সোয়াদ – আয়াত ৩৪
وَلَقَدۡ فَتَنَّا سُلَیۡمٰنَ اَلۡقَیۡنَا عَلٰی کُرۡسِیِّهٖ جَسَدًا ثُمَّ اَنَابَ
✦ আমলের নিয়ম:
1️⃣ আয়াতটি ৩ বার পড়ে
2️⃣ বাচ্চার বাম কানে ফুঁক দিবে
🔹 ফলাফল (ইনশাআল্লাহ):
বেহুশ থাকলে হুঁশ ফিরে আসবে
ভয়, কান্না, অস্বাভাবিক আচরণ কমবে
👉 যদি তাতেও হুঁশ না আসে:
📖 নিচের আমল করুন—
সূরা ফাতিহা – ১ বার
সূরা ইখলাস – ১ বার
সূরা ফালাক – ১ বার
সূরা নাস – ১ বার
আয়াতুল কুরসি – ৩ বার
🫗 সবগুলো পড়ে পানিতে ফুঁক দিন
➡️ সেই পানি
✔️ বাচ্চাকে খাওয়াবেন
✔️ অথবা শরীরে ছিটিয়ে দিবেন
🎅 বয়স্ক রোগীর জ্বীন/আছর সমস্যায় করণীয়
📖 প্রথম আয়াত:
সূরা ইউসুফ – আয়াত ৪ (১ বার)
اِذۡ قَالَ یُوۡسُفُ لِاَبِیۡهِ...
📖 দ্বিতীয় আয়াত:
সূরা আর-রাহমান – আয়াত ৩৩
یٰمَعۡشَرَ الۡجِنِّ وَ الۡاِنۡسِ...
✦ আমলের নিয়ম:
1️⃣ আয়াতগুলো পড়ে
2️⃣ পানিতে ফুঁক দিন
3️⃣ রোগীর
✔️ শরীরে ছিটিয়ে দিবেন
✔️ অথবা খাওয়াবেন
🔹 ফলাফল:
জ্বীন/আছরের প্রভাব দুর্বল হবে
বুকের চাপ, ভয়, অস্থিরতা কমবে (ইনশাআল্লাহ)
🦠 জাদু, টোনা, বদ নজর, তাবিজ সংক্রান্ত সমস্যা হলে করণীয়
📖 সূরা নাহল – আয়াত ৯৮–৯৯
فَاِذَا قَرَاۡتَ الۡقُرۡاٰنَ...
اِنَّهٗ لَیۡسَ لَهٗ سُلۡطٰنٌ...
✦ আমলের নিয়ম:
✍️ দুইটি আয়াত পড়ে পানি এবং তেলের মধ্যে দম করতে হবে
এরপরে পানি ব্যবহার করবে এবং তেল ব্যবহার করবে
🔹 ফলাফল:
শয়তান ও জাদুর প্রভাব কেটে যাবে
আল্লাহর হেফাজত তৈরি হবে
👬🌱 সন্তান বা সম্পদের উপর বদ নজর লাগলে করণীয়
📖 সূরা কলাম – আয়াত ৫১
وَ اِنۡ یَّکَادُ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا...
✦ আমলের নিয়ম:
1️⃣ আয়াতটি ৩ বার পড়ুন
2️⃣ পানিতে ফুঁক দিন
➡️ যদি সন্তান হয়
✔️ তাকে খাওয়াবেন
➡️ যদি ফসল/বাগান হয়
✔️ গাছ বা জমিতে ছিটিয়ে দিবেন
🔹 ফলাফল:
বদ নজর কেটে যাবে
বরকত ফিরে আসবে (ইনশাআল্লাহ)
🤲 জাদু-টোনা থেকে বাঁচার স্থায়ী আমল
📖 সূরা নিসা – আয়াত ১০০
وَ مَنۡ یُّهَاجِرۡ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ...
✦ আমলের নিয়ম:
🕋৫ ওয়াক্ত নামাজের পরে
রাতে ঘুমানোর আগে
➡️ আয়াতটি ১ বার পড়বে
🔹 ফলাফল:
আল্লাহর বিশেষ হেফাজত
জাদু-টোনা থেকে নিরাপত্তা ও
রুহানি শক্তি বৃদ্ধি পাবে। ইনশাআল্লাহ
#কাউকে #কিছু #বলার #আগে #নিজের #বিষয় #নিয়ে #ভাবা #উচিত।
ইনশাআল্লাহ এক দিন কালেমার পতাকা উরবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Gazipur
Tongi
1230
