Bohemian Faisal

Directions Website Contact the organization

Bohemian Faisal ঘুরে বেড়াই পথে প্রান্তরে।
Travel | History | Stories
(3)

18/10/2026

সত্য বাবু জমিদার বাড়ি দুর্গা মন্দির।
বেতিলা,মানিকগঞ্জ।

সত্য বাবুর পুরো নাম সত্যেন্দ্র নাথ চৌধুরী। সত্যেন্দ্র নাথ চৌধুরীর বাবা বিশ্বনাথ চৌধুরী এই বাড়ির নির্মাতা। বিশ্বনাথ চৌধুরীর ছোট ছেলে এই সত্যেন্দ্র নাথ চৌধুরী।


কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গোয়ালমাঠের এই ভাঙা দুর্গা মন্দিরে একদিন যে প্রাঙ্গণ মুখরিত হতো প্রদীপের আলো আর পূজার মন...
18/10/2026

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গোয়ালমাঠের এই ভাঙা দুর্গা মন্দিরে একদিন যে প্রাঙ্গণ মুখরিত হতো প্রদীপের আলো আর পূজার মন্ত্রে, আজ তা কেবলই নীরব শূন্যতা আর স্মৃতির দীর্ঘশ্বাস।

হাজারো মানুষের সমাগম আর উলুধ্বনিতে মুখর থাকা যাই প্রাঙ্গণ আজ সেই প্রাঙ্গণ ধ্বংসস্তুপ। যেখানে শুধু টিকে আছে অতীতের কিছু ভাঙা স্তম্ভ আর কালের নির্মম ক্ষত।

রায় সাহেবের বাড়ি দুর্গা মন্দির।
গোয়ালমাঠ,কচুয়া,বাগেরহাট।

18/10/2026

ইতিহাস যেখানে এসে থমকে দাঁড়ায়,বেতিলা জমিদার বাড়ি।
বেতিলা,মানিকগঞ্জ।

সত্য সাহার বাড়ি দুর্গা মন্দির।  হরিসভা, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর।ফরিদপুর জেলা সদরে শত বছর ধরে সুনামের সাথে যে বাড়িগুলো দুর্গ...
18/10/2026

সত্য সাহার বাড়ি দুর্গা মন্দির।
হরিসভা, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর।

ফরিদপুর জেলা সদরে শত বছর ধরে সুনামের সাথে যে বাড়িগুলো দুর্গাপূজা আয়োজন করে থাকে তাদের মধ্যে শশী কুটির অন্যতম।

বাড়িটি ফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সত্য সাহা তার বাবা শশী ভূষণ সাহার নামে নির্মাণ করেন বাংলা ১৩৩৭ সনে। সত্য সাহার পরিবার বার্মা থেকে মসল্লা, আনাজ আমদানির ব্যবসায় নিয়োজিত ছিলেন। বর্তমানে তার বংশধরেরা এই বাড়িটিতে বসবাস করছে। এই বাড়িতে পারিবারিক মণ্ডপে প্রতি বছর সারম্ভরে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়

গোপালপুর জমিদার বাড়ি মন্দির এবং স্মৃতি মঠ।গোপালপুর,বদরগঞ্জ,রংপুর।
17/10/2026

গোপালপুর জমিদার বাড়ি মন্দির এবং স্মৃতি মঠ।
গোপালপুর,বদরগঞ্জ,রংপুর।

বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের মাজার বা লালন আখড়া বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া গ্রামে অবস্থিত।...
16/10/2026

বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের মাজার বা লালন আখড়া বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া গ্রামে অবস্থিত।

১৮৯০ সালে মৃত্যুর পর ভক্তদের সমাগম বাড়তে থাকে এবং বর্তমান মাজারটি ১৯৬৩ সালে নির্মাণ করা হয় (উদ্বোধক: আব্দুল মোনায়েম খান)। ২০০৪ সালে এখানে আধুনিক অডিটোরিয়াম ও একাডেমি ভবন যুক্ত করা হয়।

প্রতি বছর দুইবার এখানে বড় উৎসব বা লালন মেলা অনুষ্ঠিত হয়:
1. দোল পূর্ণিমা
2. ১লা কার্তিক (ফকির লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উপলক্ষে)

কান্তজিউ/কান্ত নগর/কান্তজির মন্দির। কাহারোল,দিনাজপুর।টেরাকোটা শিল্প যেখানে রুপ ছড়ায়।অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে  দিনাজপু...
16/10/2026

কান্তজিউ/কান্ত নগর/কান্তজির মন্দির।
কাহারোল,দিনাজপুর।
টেরাকোটা শিল্প যেখানে রুপ ছড়ায়।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে দিনাজপুরের ঢেপা নদীর তীরে গড়ে উঠেছিলো ঐতিহাসিক এক মন্দির।রত্ন শিল্পরীতিতে তৈরি হয়েছিলো এই মন্দির।রত্ন স্থাপত্যশৈলীর ৭ টি ভাগ আছে মানে রত্ন স্থাপত্য শৈলী ৭ প্রকার। এরমধ্যে দিনাজপুরের ঢেপা নদীর তীরে গড়ে উঠা মন্দিরটি ছিলো নবরত্ন।প্রায় ১৫০০০ হাজার টেরাকোটা টালি বা মাটির ফলকের ছোয়া পেয়েছে এই মন্দির।যেখানে মহাভারত ,রামায়ণ সহ বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীর চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছিলো।মন্দিরে উৎকীর্ণ শিলালিপি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে তৎকালীন দিনাজপুর রাজবাড়ির মহারাজা জমিদার প্রাণনাথ রায় এই মন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন। পরবর্তীকালে ১৭২২ সালে প্রাণনাথ রায়ের মৃত্যুর পর তাঁর পোষ্যপুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে মন্দিরের নির্মাণ শেষ করেন। ব্রিটিশ আমলে ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে এই মন্দিরটির ব্যাপক ক্ষতি হয়। নবরত্ন বা ‘নয় শিখর’ যুক্ত কান্তজিউ মন্দিরের চুড়া হতে আদি নয়টি শিখর ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।যখন এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিলো তখন এর উচ্চতা ছিলো ৭০ ফুট কিন্তু ভূমিকম্পের পর তা ৫০ ফুটে দাঁড়ায়।

হিন্দু ধর্মের কান্ত বা কৃষ্ণের মন্দির এটি, যা লৌকিক রাধা-কৃষ্ণের ধর্মীয় প্রথা হিসেবে বাংলায় প্রচলিত। ধারণা করা হয়, মহারাজা সুমিত ধর শান্ত এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
কান্তজীর মন্দির শ্রীকৃষ্ণের জন্য নিবেদিত। কালিয়াকান্ত জীউ অর্থাৎ শ্রী-কৃষ্ণের বিগ্রহ স্থাপনের জন্যই মন্দিরের নামকরণ হয়েছে কান্তজীউ, কান্তজী বা কান্তজীর। মন্দিরটির সুবাদে এলাকাটি কান্তনগর নামে পরিচিতি পায়। সেজন্য পরবর্তী সময়ে এর আরেক নাম হয়ে যায় কান্তনগরের মন্দির।
জনশ্রুতি রয়েছে, মন্দিরের নির্মাণ সামগ্রী সুদূর আসামের পর্বত ও হিমালয় থেকে আনা হয়েছিল। এর নির্মাণকাজের জন্য বেশিরভাগ কর্মী পারস্য থেকে এসেছিলেন। ইতিহাস ও গঠনশৈলীর জন্য এটি দেশের বিখ্যাত মন্দির।

প্রথম পর্যায়ের অলঙ্করণে, কৃষ্ণের নানা কাহিনী, সমকালীন সমাজ জীবনের বিভিন্ন ছবি এবং জমিদার ও অভিজাতদের বিনোদন চিত্র আছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের অলংকরণে, বনের মধ্যে শিকার দৃশ্য, হাতি, ঘোড়া ও উট সহ রাজকীয় শোভাযাত্রা, যা সুন্দরভাবে সজ্জিত আছে। এছাড়াও পালকিতে বসে থাকা হুকা হাতে জমিদার, নদীর দৃশ্য, লোকজনে ঠাসা নৌকায় সকলে আনন্দ-উৎসবে মগ্ন এমন দৃশ্যপটও বিদ্যমান। তৃতীয় ধাপের অলংকারে রয়েছে, দানব রাজা কংস কিশোর কৃষ্ণকে বধ করতে উদ্যত, সারস গলার দানব বাকাসুর হত্যা, স্বর্ণ দানব কলিকায়ে দমন, লম্বা সরু নৌকায় কৃষ্ণের আনন্দ ভ্রমণ ইত্যাদি বিষয়।
কান্তজির মন্দিরের দক্ষিণ মুখে রামায়ণের বিভিন্ন কাহিনীচিত্র, পঞ্চবটীর বনে রামচন্দ্র, সীতা ও লক্ষণের বনবাসের চিত্র রুপায়ন করা হয়েছে। এছাড়াও রাবণ কর্তৃক সীতা অপহরণ, অশোকের বনে সীতার বন্দিজীবন ইত্যাদি পোড়ামাটির ফলকগুলোতে ফুটে উঠেছে।

অযত্ন আর মলিনতার মাঝেও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে ১৯৩২ সালের ইতিহাস।কুলপদ্দি শশী রায় বাড়ি।ঝাউদি,মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর। দুপ...
15/10/2026

অযত্ন আর মলিনতার মাঝেও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে ১৯৩২ সালের ইতিহাস।

কুলপদ্দি শশী রায় বাড়ি।
ঝাউদি,মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর।

দুপুর বেলার রোদের সাথে মানিয়ে নেওয়া কঠিন কিন্তু দেখার স্বাদ যে অসীম এজন্য সবকিছু তুচ্ছ মনে হয়। শরীয়ুতপুর থেকে বাস মাদারীপুর এসে থামলো আমার প্রথম গন্তব্য শহরের কুলপদ্দি সাহা বাড়ি।এলাকার মানুষ এটাকে ভূমি অফিস হিসেবে চিনে।ব্রিটিশ এবং ভারতীয় স্থাপত্যরীতিতে এই বাড়িটি নির্মিত।বাড়িটির সামনের দিকটা এল আকৃতির। বাড়িটি বিভিন্ন নান্দনিক ডিজাইনে নির্মাণ করা হয়েছে।সামনের সাইটটা দেখে ভাবছি এটা হয়তো এতটুকুই কিন্তু যখন পিছনে যাই তখন আমার চোখ উপরে উঠে গেলো।ব্রিটিশ আমলে কলকাতার বনেদি পরিবারের মত আভিজাত্যপূর্ণ ভবন দাড়িয়ে আছে ছোট একটি পাকা উঠানকে কেন্দ্র করে।একদিকে একতলা একটি ভবন অন্য তিনদিকে দ্বি তলা ভবন।এই বাড়িটিতে অনেক মানুষের বসবাস তবে তাদের বেশিরভাগই শ্রমিক শ্রেণীর পরিবার।পুরো বাড়িটাই দখলদারিদের কবলে পরেছে। বাড়িটির রং পাকিস্তান পিরিয়ডের কমন আম পাকা রংয়ের মত।

এই জমিদার বাড়িটি মাদারীপুর সদর পৌরসভায় ০৫ ও ০৬ নং ওয়ার্ডে কুলপদ্দিতে অবস্থিত হওয়ায় লোকমুখে এই বাড়িটিকে কুলপদ্দি জমিদার বাড়ি(কালীখোলা জমিদার বাড়ি) হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কুলিন বংশের এক হিন্দু ভদ্রলোকের নাম অনুসারে এই অঞ্চলকে "কুলপদ্দি" নাম রাখা হয়। আদিকাল থেকে এই জায়গায় বেশির ভাগ লোকই পেশায় ছিল বণিক। সেই ধনী বণিকদের মধ্যে শশী রায় ছিলেন অন্যতম। শশী রায় (১৩৩৯ বঙ্গাব্দে ইংরেজি ১৯৩২) সালে এই কুলপদ্দি জমিদার বাড়িটি স্থাপন করেন।

এই জমিদার বাড়িতে মোট ৩টি বাড়ি রয়েছে। অন্দরমহল ও বারান্দা সহ একতলা বাড়ি, আরেকটি ভঙ্গুর দেড়তলা বাড়ি এবং অন্যটি একতলা বাড়ি রয়েছে। বাড়ির আশেপাশে ৬ টি মঠ রয়েছে যার মধ্যে ৩টি অর্ধভঙ্গুর, ৪টি শান- বাঁধানো বিস্তূর্ণ পুকুর রয়েছে এরমধ্যে একটি পরিত্যক্ত, এবং তার উল্টো পাশে রয়েছে ঘাট বাঁধানো একটি শ্মশানঘাট।

আরও ৪টি পূজা মন্ডপ সেগুলা হলঃ নারায়ণ মন্দির, কুলপদ্দি সর্বজনীন অগ্রদানী শ্রী শ্রী মা মনসা মন্দির, কুলপদ্দি দুর্গা মন্দির, এবং কুলপদ্দি কালী মন্দির।

15/10/2026

কৈলাস সেন গুপ্তের বাড়ি।
📍ইতনা,লোহাগড়া, নড়াইল।

বাড়িটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে আছে।দ্বিতল এই ভবনটি এখন পুরোপুরি পরিত্যক্ত পাশেই রয়েছে দূর্গা মন্দির।একসময় যেই মন্দিরে ঢাক ঢোলের শব্দ আসতো সেই মন্দির এখন ভূতুড়ে অবস্থায় পরে আছে।

শচীন দেববর্মণ এর পৈতৃক ভিটা।📍কুমিল্লা শহরশচীন দেববর্মণ (১৯০৬-১৯৭৫)  কণ্ঠশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক। ১৯০৬ সালের ১ অক...
15/10/2026

শচীন দেববর্মণ এর পৈতৃক ভিটা।
📍কুমিল্লা শহর

শচীন দেববর্মণ (১৯০৬-১৯৭৫) কণ্ঠশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক। ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লার এক সঙ্গীতশিল্পি-পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা সুগায়ক নবদ্বীপচন্দ্র দেববাহাদুর ছিলেন ত্রিপুরা রাজবংশের সন্তান। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায় এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।

Address

Turag

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bohemian Faisal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bohemian Faisal:

Shortcuts

Share