09/08/2022
পেজটি লাইক ও ফলোকরে পাশে থাকুন,
জান্নাতে যুবকদের সর্দার, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র, কারবালার প্রান্তে নির্মমভাবে শহীদ হন।
দিনটি প্রতিটি মুসলমান ব্যক্তির হৃদয়ে এক হৃদয়বিদারক স্মৃতি বহন করে। মনের অজান্তেই গুমরে কাঁদে উঠে মুসলিম কোমল হৃদয়ের প্রতিটি মানুষ।
কারবালার প্রান্তরের প্রতিটি ঘটনাই মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীনের পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা মাত্র। যে শোককে মুসলিম জাতি শক্তিতে রূপান্তরিত করে হাজার হাজার বছর স্মৃতির মনিকোঠায় অক্ষত ভাবে লালন পালন করে যাচ্ছে।
যা চলমান থাকবে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত।
তাই বলে মহান আল্লাহ তায়ালার দেওয়া আমানত স্বরূপ এই শরীরে ক্ষতবিক্ষত করে উম্মতের মত কোনো কিছু করা আল্লাহ তায়ালার নিকট কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।
হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত থাকা অবস্থায় কারবালার প্রান্তরে শহীদ হন প্রিয় নবীর প্রিয় দৈহিত্র। সেই শোকের জন্য যদি কোন আনুষ্ঠানিকতা থেকে থাকতো, তাহলে পেয়ারে নবী তার দিক নির্দেশনা দিয়ে যেতেন।
আজকের এই দিনটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান নানান ভাবে স্মরণ করে যাচ্ছেন। কেউ রোজা রেখে, কেউ নামাজ পড়ে, কেউ অসহায় দরিদ্র এতিম দের মাঝে খাবার বিতরণের মাধ্যমে।
কারণ ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলাম এমন কিছু করেনা কখনো যেটাতে মানুষের মধ্যে ভীত সৃষ্টি হয়, আল্লাহতালার দেয়া আমানত স্বরূপ জীবের ক্ষতি হয়।
মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েতের মাধ্যমে সঠিক বুঝ দান করুন, আমীন।
07/08/2022
আয় আল্লাহ আমাকে সহ সকল মুমিন মুসলমান ভাইদের আপনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের জন্য কবুল করুন ( আমিন)
যারা ফজরে এখনো অনিয়মিত তারা একটু মনোযোগ সহকারে পড়ে দেখি কী হারাচ্ছি আসলেঃ
ফজরের নামাজের ১০টি ফজিলত
১.নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ”মুনাফিকদের জন্য ফজর ও ‘ইশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। এ দু’ নামাজের কী ফযীলত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো। রসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামত করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা নামাজে আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই”।(সহিহ বুখারী, ৬৫৭)
২.রাসূল (ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি–২১৮৪)
৩.রাসূল (ﷺ বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
(বুখারী-মুসলিম)
৪. রাসূল (ﷺ বলেছেন,”যে ব্যক্তি ফজর নামাজসালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)
৫. রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
(আবু দাউদ ৪৯৪)
৬.যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।(বুখারী-৫৭৩)
৭.যে নিয়মিত ফজরের নামাজ আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)
৮.ফজরের নামাজ আদায়কারী,রাসূল (ﷺ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)
৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
(জামে তিরমিজি – ৪১৬)
১০. ফজরের নামাজ আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।
(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)
30/07/2022
বড়শীতে আটকানোর আগে
যদি উনাকে বুঝানো হতো--উপরে মানুষ আছে।
মানুষের কাছে--দা, বটি, ছাই, হলুদ, মরিচ, লবন, কড়াই, গরম তেল, আগুন আছে,
যাতে উনাকে ফ্রাই করা হবে।
উনি কখনও বিশ্বাস করতো না---করলে এই বড়শীর ধারে কাছে আসতো না।
তেমনই আমাদেরকে ও বার বার সর্তক করা হচ্ছে,
মৃত্যুর পর, "জান্নাত-জাহান্নাম" আছে--আমরা বিশ্বাস করি না--যদি করতাম--তাহলে আমাদের চরিত্র কখনও এতটা কুৎসিত হতো না-- আমরা হতাম পরিশুদ্ধ মানুষ। আমরা ঘুষ, রিবা, হারাম আয় থেকে দুরে থাকতাম।
এই মাছটির মতই আমাদের একদিন ঐ সত্যের মুখোমুখি হতে হবে নিশ্চিত জেনে রেখো।
27/07/2022
গুরুত্বপূর্ণ কিছু দোয়া, সবার প্রতি অনুরোধ সাদাকায়ে জারিয়া মনে করে শেয়ার করুন ।
22/07/2022
মুসলমানরা প্রায় ১৫শ বছর ধরে হাদিসের আলোকে যা শুনে এসেছে তা আজ বাস্তবে সবার সামনে,স্বেত পাথর +সাদা পাথর, রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিভিন্ন হাদিসের বয়ানে যেরকম উল্লেখ করেছেন সেই রকমই হচ্ছে, হয়েছে, নিঃসন্দেহে এটাই প্রমাণিত আল্লাহর নির্দেশের বাইরে প্রিয় নবী একটি কথাও বলেননি। এখনো কি বিধর্মী মূর্তি পূজারীরা শেষ নবীর উপর ঈমান আনবে না?এখনো কি নাস্তিকরা সৃষ্টি জগতের মালিকের উপর ঈমান আনতে অস্বীকার করবে?
দাজ্জালের_মরন_গেইট!
দাজ্জালকে কোথায় কতল করা হবে জানেন?
ইহুদিদের দেশে স্বেত পাথরের বিশাল এক গেইট এর নীচে।
সেই গেইট ইতিমধ্যে ইহুদিরা নির্মাণ করে ফেলছে তেলআবিব থেকে প্রায় ১৫কিলোমিটার দূরে।
গুগলে সার্চ দিলেই পাবেন।
কে কতল করবেন জানেন?
হযরত ইসা (আঃ)তিনি আকাশ থেকে দুই ফেরেশতার কাধে ভর করে সিরিয়ার দামেস্ক শহরের বিশাল মসজিদের সাদা মিনারে এসে নামবেন।
খোঁজ নিয়ে জানলাম সেই বিশাল মসজিদ আজ থেকে ৭০০ বছর আগেই তৈরী হয়ে গেছে।
একি স্থানে একি বর্ণনা অনুযায়ী, একদম হযরত আবু হুরায়রা (রঃ) এর বর্ণনানুযায়ী।
তখন সমুদ্রের নীচে আগুন থাকবে আগুনের নীচে পানি থাকবে।
শুনতে আজব লাগছে তাই না?
প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন স্থানে পানির নীচ থেকে এখন দাউ দাউ করে আগুন বের হচ্ছে!
তখন আরব দেশে বরফ জমতে থাকবে। গত দুই বছর ধরে সেটাই হচ্ছে।
তখন ইরাক সিরিয়ার মধ্যবর্তী ফুরাত নদী শুকিয়ে যাবে।
সেখানে বিশাল এক স্বর্নের পাহাড় ভেসে উঠবে, এটা নিয়ে সবাই যুদ্ধ করবে।
এখন ফুরাত নদী প্রায় ৯৫ ভাগ শুকিয়ে গেছে, বিভিন্ন দেশের আর্মিরা সে জায়গাটা ঘিরে রেখেছে।
এর আগে ইমাম মাহদি ( অর্থাৎ সু পথ প্রাপ্ত নেতা) আত্ম প্রকাশ করবেন। যার নাম হবে মোহাম্মদ, পিতার নাম আব্দুলাহ।
তিনি হুবহু হযরত মোহাম্মদ সঃ এর মতো সুন্দর ও সুঠাম দেহের অধিকারী হবেন। সুবহানাআল্লাহ।
ইমাম মাহদি যেদিন আত্ম প্রকাশ করবেন সেদিন হবে রোজ শুক্রবার এবং মক্কার ১৫ রমজানের দিন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো গত ২০১০ সাল থেকে মক্কার প্রতিটা ১৫ই রমজান ছিলো শুক্রবার এবং ক্যালেন্ডার দেখলে জানতে পারবেন আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত মক্কার প্রতিটি ১৫ রমজান হবে শুক্রবার।
কি মনে হয় কেয়ামত খুব দূরে?
আল্লাহ্ তায়ালা ভালো জানেন। প্রস্তুত থাকুন!!
হে আল্লাহ আমাদের গুনাহ গুলো মাফ করে,
সঠিক পথে চলার এবং ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন...
25/02/2022
মদিনার সনদে মোট ৪৭টি মতান্তরে ৫৩টি ধারা আছে। উক্ত সনদের প্রায় প্রত্যেকটি ধারাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপনের নিরলস প্রয়াস। এর প্রথম ১০ ধারায় বলা হয় যে, মুহাজির, বনু আউফ, বনু সাইদা, বনু হারিস, বনু জুশাম, বনু নাজ্জার, বনু আমর, বনু নবীত ও বনু আওস পূর্বহারে মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত নিয়মনীতি এবং ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পণের মাধ্যমে বন্দিদের মুক্ত করবে। ১১ থেকে ২০ ধারায় মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কিত আইন বিধৃত হয়। ২১ থেকে ২৬ ধারায় হত্যাকারীর শাস্তি, কোনো মুসলমান কোনো অন্যায়কারীকে আশ্রয় দিলে তার শাস্তি, কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে তার মীমাংসা পদ্ধতি, ধর্মীয় স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়ক আইন সন্নিবেশিত হয়। ২৭ থেকে ৩৬ ধারায় সন্নিবেশিত হয় বিভিন্ন গোত্রের স্বরূপ সম্পর্কিত বিধান। পরবর্তী ধারাসমূহে যুদ্ধনীতি, নাগরিকদের ক্ষতির ক্ষতিপূরণ, নিজ নিজ ব্যয় নির্বাহ, এ সনদে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কেউ যুদ্ধে লিপ্ত হলে তার ব্যাপারে ব্যবস্থা, বন্ধুর দুষ্কর্ম, যুদ্ধের ব্যয় নির্বাহ, নাগরিকের অধিকার, আশ্রয়দানকারী ও আশ্রিতের সম্পর্ক, নারীর আশ্রয়, সনদের স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে করণীয়, কুরাইশদের ব্যাপারে ব্যবস্থা, মদিনার ওপর অতর্কিত আক্রমণ হলে করণীয় ইত্যাদি সন্নিবেশিত হয়।
27/07/2019
★সতর্ক মূলক পোষ্টঃ-
-------------------------
১। মাগরিবের আজানের সময় পুকুরপাড়,বাঁশঝাড়,
তালগাছ, সুপারীগাছ, বাসার ছাদ অথবা অন্ধকার রুমে থাকবেন না। অস্বাভাবিক কিছু.দেখে ফেলতে পারেন।
২। গভীর রাতে একা রাস্তায় হাঁটার সময় যদি দেখেন কালো কুকুর বা কালো বিড়াল আপনার বামপাশ থেকে আপনাকে ক্রস করার চেষ্টা করছে, তবে এটাকে কোনভাবেই বামপাশ দিয়ে ক্রস করতে দেবেন না। আপনার ক্ষতি হতে পারে।
৩। চার রাস্তার মোড়ে গভীর রাতে একা দাঁড়াবেন না আপনি ভুল পথে যাবেন তাহলে। অর্থাৎ, আপনাকে ভুল পথে নিয়ে যাওয়া হবে।
৪। যদি দেখেন, বাঁশঝাড়ের কোন একটি বাঁশ কোন কারন ছাড়াই নিচু হয়ে আছে, তবে, ওই বাঁশের ওপর দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনার ক্ষতি হতে পারে।
৫। আপনি রাতের বেলা কোন লোকের পিছনে অনেকগুলো কুকুর লাইন বেঁধে যেতে দেখেন, তবে, ভুলেও ঐ পথে যাবেন না। কারন, লোকের পিছনে কুকুর ঘুরার ব্যাপারটা মানে খারাপ কিছু নির্দেশ করে।
৬। ঘুম ভাঙ্গার পর যদি আপনার মনে হয় রুমে অদৃশ্য
কেউ একজন আছে, তবে সাহসীকতার সাথে বিষয়টা অবহেলা করুন। আর চুপচাপ রুম থেকে বেরিয়ে যান।
৭। রাতে কেউ যদি আপনার নাম ধরে ডাকে, তবে ঐ ডাকে সাড়া দিয়ে বাইরে যাবেন না। যদি যান তো, আর নাও ফিরে আসতে পারেন।
৮। রাতে পথ চলার সময় যদি অনুভব করেন কিছু
একটা আপনার পিছন পিছন আসছে,কিন্তু আপনি তা দেখতে পাচ্ছেন না, তাহলে সাহস করে পাশাপাশি কোনো কবরস্থানে ঢুকে পরুন। কবরস্থান খুবই পবিত্রস্থান।
৯। পুরনো খালি বাড়ি ও স্মশানঘাট যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
১০। কখনোই ব্ল্যাক ম্যাজিক নিয়ে পরীক্ষা করবেন না। আপনি কি করছেন তা বোঝার আগেই আপনার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
১১। রাতের বেলা কখনোই মাজার বা কবরের পাশদিয়ে ফুল সাউন্ডে গান বাজিয়ে গাড়ি চালাবেন না। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আশা করি কথা গুলো আপনার মস্তিষ্কে রাখবেন। লাইক শেয়ার করে সাথে থাকুন,, কমেন্ট করে আপনার মতামত জানান, আরো কিছু জানতে কমেন্ট করুন।।
27/07/2019
সকল মুসলমান ভাইদের কাছে অনুরোধ,একবার হলেও শেয়ার করুন,
লা ইলাহা ইলল্লাহু মুহাম্মদ রসূলউল্লহ্