আল্লামা সাইদীর দাফনের দৃশ্য,,,
Arman hossan
আরমান হোসেন এই পেইজে শিক্ষনিয় ভিডিও এবং পোস্ট করা হয় বালো কিছু পেতে পেইজটি পোলো দিয়ে রাখুন
এইসব ফালতু tension ছাড়ো,,
12/04/2023
ইতেকাফে বসার নিয়ম ও প্রস্তুতিঃ
এ ইতেকাফ কী? কেন ইতেকাফে বসবে রোজাদার? ইতেকাফের শর্ত ও তথ্যগুলো কী? ইতেকাফে বসার আগে সেসব বিষয়গুলো জেনে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া জরুরিঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফে বসা। তিনি রমজানের শেষ দশ দিন এ ইবাদত করতেন। এ দশকে লাইলাতুল কদর পাওয়া এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইতেকাফ অনেক জরুরি বিষয়। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম নিয়মিত ইতেকাফ করতেন।
ইতেকাফ কী?
ইতেকাফ শব্দটি আরবি। এর অর্থ হচ্ছে- অবস্থান করা, স্থির থাকা বা আবদ্ধ থাকা। ইসলামি শরিয়েতের পরিভাষায় রমজানের শেষ দশক তথা ২০ রমজান ইফতারের আগেই মসজিদ কিংবা ঘরের নির্ধারিত নির্জন স্থানে অবস্থান গ্রহণ করা এবং ঈদের চাঁদ দেখে উক্ত স্থান হতে বাড়ি ফিরা। দুনিয়ার সব প্রয়োজন থেকে মুক্ত হয়ে শুধু আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেকে আত্মনিয়োগ করাই হলো ইতেকাফ।
ইতিকাফে বসবেন কেন?
মহান আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুহাম্মাদির জন্য দান করেছেন মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর। যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যা রমজানের শেষ দশকের যে কোনো এক বেজোড় রাতে সংঘঠিত হয়। ইতেকাফকারীদের অধিকাংশেরই এ রাতটি পাওয়ার সৌভাগ্য হয়ে থাকে। কারণ আগের সব নবি-রাসুলগণ তাদের উম্মতগণ শ’ কিংবা হাজার বছর হায়াত (জীবন) পেয়েছেন। তারা বছরের পর বছর আল্লাহ ইবাদাত-বন্দেগিতে কাটাতেন। সে হিসেবে আল্লাহ তাআলা আমাদের অল্প আয়ু বা জীবনকাল দিয়েছেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য এটি বড় এক নেয়ামত।
এ কারণেই মুসলিম উম্মাহ রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর পাওয়ার আশায় ইতেকাফে বসেন। ইতেকাফে বসা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যখন তোমরা মসজিদ ইতিকাফে বসো তখন স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো না। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা; এর ধারে কাছেও যেও না।’
ইতিকাফে বসার অর্থই হচ্ছে, রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে অবস্থান করা এবং এই দিনগুলোকে আল্লাহর জিকিরের জন্য নির্দিষ্ট করা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার জীবনে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করে গেছেন। (বুখারি, মুসলিম)।
ইতেকাফের বসার নিয়মঃ
১. ২০ রমজান সূর্যাস্তের আগে অর্থাৎ ইফতারের আগেই ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক।
২. ইতেকাফের জন্য নিয়্ত করা আবশ্যক। এক সঙ্গে দশদিনের জন্য নিয়ত না করলে সুন্নাত ইতেকাফ আদায় হবে না, বরং তা নফলে পরিণত হবে।
৩. মাসনুন ইতেকাফের নিয়ত করলে অবশ্যই তা পূর্ণ করা আবশ্যক। ওজর ছাড়া তা ছেড়ে দেওয়া বৈধ নয়।
৪. ইতেকাফকারীর জন্য ইতেকাফ অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘আর যতক্ষণ তোমরা ইতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সঙ্গে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৮৭)
এমনকি স্ত্রীকে চুমু খাওয়া, আলিঙ্গন করাও বৈধ নয়।
৫. মাসনুন ইতেকাফ শুরু করার পর কোনো ব্যক্তির যদি দু’একদিন ছুটে যায়, তখন ছুটে যাওয়া দিনের ইতেকাফ পরে কাজা করে নিতে হবে।
৬. পারিশ্রমিক বা ইফতার-সেহরির বিনিময়ে ইতেকাফ করা ও করানো কোনোটিই বৈধ নয়।
৭. ইতেকাফকালীন সময়ে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল করা, দ্বীনি বিষয়াদি আলোচনা করা, নিজে শিক্ষা অর্জন করা এবং অন্যকে শিখানো উত্তম এবং বৈধ।
৮. ইতেকাফে বসে চুপচাপ থাকাকে ইবাদাত-বন্দেগি মনে করলে সে চুপচাপ থাকা ইতেকাফ মাকরূহ হবে। তবে মুখের গুনাহসমূহ থেকে বিরত থাকতে চুপ থাকাও অনেক বড় ইবাদাত।
৯. ইতেকাফের স্থানকে ব্যবসাস্থল বানানো মাকরূহ। ওয়াজিব ইতেকাফ ফাসিদ বা বাতিল হয়ে গেলে তার কাজা আদায় করা ওয়াজিব। ইতেকাফকারী নিজের কারণে ফাসিদ/বাতিল হোক অথবা হায়েজ (ঋতুস্রাব) বা নিফাসের (রক্তস্রাব) কারণে বাতিল হোক। পরবর্তীতে তা আদায় করা ওয়াজিব।
১০. নারীরা নিজেদের ঘরে ইতেকাফের স্থানকে কাপড় দিয়ে পর্দা টেনে নেবে, যাতে বেগানা পুরুষসহ যে কেউ এলে ইতেকাফের স্থান ত্যাগ করতে না হয়।
ইতেকাফের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যরমজানের ইতেকাফের জন্য রোজা রাখা শর্ত। রমজানের বাইরে অন্য সময় ইতেকাফের জন্য রোজা শর্ত নয়। রমজানে শেষ দশ দিন ইতেকাফ করা। ন্যূনতম শেষ তিন দিন ইতেকাফ করা। রমজানের বাইরে ইতেকাফের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নেই।
ইতেকাফ বিশুদ্ধ হওয়ার শর্ত
১. মুসলমান হওয়া;
২. জ্ঞানবান হওয়া; প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া ইতেকাফের জন্য শর্ত নয় বরং জ্ঞানবান নাবালেগের জন্যও ইতেকাফ শুদ্ধ হবে।
৩. জানাবাত (অপবিত্রতা), হায়েজ (ঋতুস্রাব) ও নিফাস থেকে পবিত্র হওয়া।
৪. নারীদের ইতেকাফের জন্য স্বামীর অনুমতি শর্ত। স্বামী অনুমতি দেওয়ার পর ইতেকাফ থেকে বারণ বা বিরত রাখা যাবে না।
ইতেকাফ কোথায় করবেনঃ
১. ইতেকাফ এমন মসজিদে করা, যেখানে নামাজের জামাআত হয়।
২. ইতেকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হলো মসজিদুল হারাম (বাইতুল্লাহ)।
৩. এরপর মসজিদে নববি (মদিনা)।
৪. তারপর বাইতুল মুকাদ্দাস (মসজিদে আকসা)।
৫. যে মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা বেশি হয়।
৬. যে কোনো জামে মসজিদ।
৭. নারীরা নিজ ঘরে নির্দিষ্ট স্থানে ইতেকাফ করবে। মসজিদে নারীদের জন্য ইতেকাফ করা বৈধ নয়।
ইতেকাফে বসার আদবঃ
১. ইতেকাফ করাকালীন সময়ে ভালো কথা ও কাজ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা। শ্রেষ্ঠ মসজিদকে ইতেকাফের জন্য নির্ধারিত করা।
২. ইতেকাফ অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন, হাদিস অধ্যয়ন, দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা এবং শিক্ষা দেয়া।
সর্বোপরি দুনিয়াবি কাজ-কর্ম থেকে বিরত থেকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও লাইলাতুল কদর পেতে ইবাদাত-বন্দেগিতে মশগুল থাকাই হলো ইতেকাফের আদব।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইতেকাফের বিষয়গুলো যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। বিশেষ করে লাইলাতুল কদরের ফজিলত দান করুন। আমিন।
অসাধারণ কথা,,
05/04/2023
নিশ্চয়ই আল-কুরআন আমি অবতীর্ণ করেছি এবং এর হেফাজতকারী আমি নিজেই।
সুরাঃআল হিজর,(আয়াত-৯)
বঙ্গবাজারের সবকিছু পুড়ে ছাই হলেও ২৪ ঘণ্টায়ও অক্ষত পবিত্র কোরআন শরীফ
মাশাল্লাহ.!'🖤
04/04/2023
আলহামদুলিল্লাহ বিশ্বের সর্ব বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
পুরস্কার হিসেবে বাংলাদেশী টাকায় ৮০ লক্ষ টাকা পেয়েছে
04/04/2023
"রাজধানীর বঙ্গ বাজারে ভয়াবহ আগুন।
৪১ টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে,।পাশাপাশি
মাইকে করে
এলাবাসীকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হচ্ছে।
হে আল্লাহ তুমি রক্ষা করার মালিক।
03/04/2023
✍️হিজবুত তাওহীদ..... …
একবিংশ শতাব্দীর ধেয়ে আসা ফেতনাসমূহের অন্যতম একটি বড় ফিতনার নাম হলো " হিজবুত তাওহীদ "
১৯৯৫ সালের ২ রা ফেব্রুয়ারী চরম ধোঁকাবাজ ও মিথ্যুক বায়জিদ খান পন্নীর হাত ধরে সংগঠিত হয় এই সংগঠনটি।
অর্থের প্রলোভন ও মিথ্যা প্রতিশ্রতি দিয়ে নারী পুরুষ সংমিশ্রণে ভিড়াতে থাকে এই সংগঠনে। ভ্রান্ত আকীদা ও ইসলাম বিদ্বেষ জন্মিয়েদেয় তাদের অন্তকরণে।
তাদের এই ভূঁইফোড় সংগঠনের প্রতিবাদ্য শ্লোগান হলো-- ইসলাম ধর্ম রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর ৬০ -৬৫ বছরের মধ্যে বিকৃত হয়ে গিয়েছে। অতপর আল্লাহ তায়ালা বায়জিদ খান পন্নীর মাধ্যমে বিকৃত ইসলামকে সঠিকরুপে রুপায়ন করেন ( নাউজুবিল্লাহ)
তাদের ভ্রান্তবিশ্বাষ শুধু এটিই নয় বরং শতশত এরকম ভ্রান্তবিশ্বাষ নিয়ে সাধারণ মানুষকে ধোঁকার জালে পেচিয়ে এগিয়ে চলছে এই সংগঠনটি।
কাজেই নিজেদেরকে তাদের ধোকা থেকে সচেতন রাখতে হবে এবং অন্য মুসলিম নর- নারীকেও তাদের সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
✍️সচেতেনতাই হোক একবিংশ শতাব্দীর মুসলিম উম্মাহর দাবি।
23/03/2023
আলোনিয়া আমার শহর আমার আলোনিয়া
আলহামদুলিল্লাহ, পবিত্র রমজানের সুঘ্রাণ ছড়াচ্ছে চারোদিকে,,, -اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ اللهউচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
23/03/2023
কলকাতায় এক কেজি গরুর গোশতের দাম ১৭৫ রুপি বা বাংলাদেশী টাকায় ২২৪ টাকা। তার ৩০০ কিলোমিটার দূরে ঢাকায় সেই গরুর গোশত বিক্রী হয় ৮০০ টাকা কেজিতে এমনকি মাত্র ১২৭ কি: মি: দূরেও সেই গোশতের কেজি ৬০০ টাকা।
ব্যর্থ রাষ্ট্র পাকিস্তানে গরুর গোস্ত পাওয়া যায় ৬০০ রুপিতে যা কিনা বাংলাদেশী ২৩০ টাকার সমান। প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ০.৭৬ ইউএস ডলার মানে ৮০ টাকা, ভুটানে ১৬০ নুল বা ২০৭ টাকা, মিয়ানমারে ৫.৬৬ ইউএস ডলার বা ৫৬৭ টাকা।
মোটামুটি দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ার সমস্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশে গরুর গোস্তের দাম সবচেয়ে বেশি।
এখন তো আপনারা বলবেন, এই দেশ মুসলমানদের দেশ , গরুর গোশত খায় বেশি, তাই দাম ও বেশি।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গরুর গোশত খাওয়ার তালিকায় ভারতের অবস্থান ৫ম, ২০২২ সালে সেখানে গরুর গোশত খাওয়া হয়েছে ২৯ লক্ষ মেট্রিক টন।
এই তালিকায় পাকিস্তান আছে ৮ম অবস্থানে ২০২০ এ ওরা ১৭.৫ লক্ষ্য মেট্রিক টন গরুর গোশত খেয়েছে
অদ্ভুত, ব্যাপার হচ্ছে এই দেশের মানুষের গরু গোশত খাওয়ার তেমন কোন রেকর্ড খুঁজে পেলাম না কোথাও !
নিরবে কাঁদছে আমার প্রিয় মাতৃভূমি।
(সংগৃহীত)
মেগনা নদী, আলেকজান্ডার,,,
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Emplacement
Type
Site Web
Adresse
Democratic Republic Of The
