Bijoyer Hashi

Bijoyer Hashi

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bijoyer Hashi, Political organisation, London.

24/08/2025

ছাএলীগ থেকে শিবিরের কর্মী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এদের রাজনীতি করতে দেওয়া যাবে না ।

এদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে,
সাদিকরা তো হেলমেট বাহিনীর সদস্য ছিল। এখন শিবির হয়ে গেছে।

ছাত্রলীগ ছিলো এখন তারা ছাত্রশিবির সেজেছে ।
এদের বিচার করতে হবে? কারন এরা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলো, ছাত্রলীগের কর্মীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজনীতি করতে দেয়া যাবে না।

যদি কোন কারণে আওয়ামী লীগ আসে, তখন দেখা যাবে সাদিক ও ফরহাদ আবার আরেক টা নাটক করে আওয়ামী লীগে যোগ দিবে।
এটা কি অস্বীকার করতে পারবে শিবির?
তারা কি দেখাতে পারবে এমন ফটো ভিডিও ?
সাদিক ফরহাদ কি দেখাতে পারবে তারা রাস্তায় মার খেয়েছে খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে?
যা দেখতে পারবেন সাদিক কায়েম বা ফরহাদ তা হলো আওয়ামী লীগ এর নেতাদের সাথে ফটো,ভিডিও.
দেখতে পারবেন তারা ছাত্র লীগ এর কমিটি তে ছিলো ?
দেখতে পারবেন সাদেক কায়েম, ফরহাদ রা হেলমেট পরে নিরিহ ছাত্র জনতা কে মারছে,
আর আজকে তারা নাকি জুলাই যুদ্ধা,
বাহ চুদির ভাইয়েরা বাহ,
বাহ বানচোদেরা বাহ,
বাহ রাজাকার আল বদর বাহিনীর বীজে তৈরী সমর্থকেরা,
বাহ আবেগী স্বপ্ন দেখে বেহেশতে যাওয়া লোকেরা,
বাহ ইসলামের নামধারী মুনাফেকেরা।

01/07/2025

*উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ অস্ত্র পেলেন ২৭ বছর বয়সেই?*

আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন “নিরাপত্তার স্বার্থে” তার নাকি লাইসেন্স করা বৈধ অস্ত্র আছে! প্রশ্ন হলো: তার বয়স কত? আমরা জানি তার বয়স ২৭ বছর। বাংলাদেশের আইনে অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে নূন্যতম ৩০ বছর বয়স হওয়া লাগে। সুতরাং তিনি কোন আইনে অস্ত্র পেলেন ২৭ বছর বয়সেই? তাছাড়া এ ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র বহন করার জন্য প্রতি বছর সরকারকে নূন্যতম তিন লক্ষ টাকা আয়কর দেয়া লাগে। পাশাপাশি নিজের টিন সার্টিফিকেটও প্রদর্শন করা লাগে। ২৭ বছর বয়সী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রতি আমার অনুরোধ; উনি যেন ওনার সমবয়সী বা জুনিয়র ভাই-বোনদের জন্য একটা ওয়ার্কশপের আয়োজন করেন। সেই ওয়ার্কশপের মাধ্যমে তারাও শিখতে চায়, ২৭ বছরেই টিন সার্টিফিকেট অর্জন করার নিনজা টেকনিক! তারাও জানতে চায় ২৭ বছর বয়সেই লাইসেন্সড আগ্নেয়াস্ত্র বহন করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়ার রহস্য!

08/03/2025

চুমুর ডাক্তার শফিকুর রহমান! চুম্বন বাবা

03/03/2025

কাউয়া কাদের পালাবে না? খেলা হবে..

05/12/2024

আওয়ামী লীগ সংগঠিত হচ্ছে, কে সংগঠিত করছে, কে দায়িত্ব নিয়েছে এ তথ্য আমার কাছে আছে- অলি আহমেদ

অত্যন্ত সতর্কতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনায় অগ্রসর হতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি অলি আহমেদ। আওয়ামী লীগ সংগঠিত হচ্ছে এবং কে এর দায়িত্ব নিয়েছে সে তথ্যও তার কাছে আছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে এলডিপির কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালনা হয় সে বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা আছে উল্লেখ করে মি. আহমেদ বলেন, “বর্তমান সরকারের জন্য আগামী দিনগুলো অনেক বেশি কঠিন হবে। ইউনূস সাহেবের কাছে গিয়েছি, বলেছি আপনি নিরাপদে নাই। ষড়যন্ত্র হচ্ছে, দেশি এবং বিদেশিরা একত্রে মিলে। আপনাকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আগাতে হবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কিছু দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “বই পড়ে দেশ চালানো যায় না। দেশ চালাতে হলে বাস্তবতার আলোকে দেশ চালাতে হবে। আবেগে বশীভূত হয়ে যদি কোনো কাজ করি সেটা ভুল হবে। আমাদেরকে বিবেককে কাজে লাগাতে হবে। এখনও সময় আছে আমাদেরকে হুঁশিয়ার হতে হবে।”
কিছু রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতি এখনও দুর্বল এবং পুলিশ ও প্রশাসনে স্বৈরাচারের দোসর রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মি. আহমেদ।
“বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সজাগ করতে চাই। কিছু কিছু রাজনৈতিক দল আছে যারা আওয়ামী লীগের প্রতি খুবই দুর্বল। তাদেরকেও সাবধান করে দিতে চাই। আওয়ামী লীগ সংগঠিত হচ্ছে। এবং কে সংগঠিত করছে, কে দায়িত্ব নিয়েছে এ তথ্য আমার কাছে আছে। তিনি কোথায় কোন বাসায় আছেন সে তথ্য আমার কাছে আছে। তাকে কারা কারা সাহায্য করছে সে তথ্য আমার কাছে আছে। সুতরাং আমরা যদি মনেও করি স্বৈরাচারীরা বসে আছে এটা সঠিক নয়। স্বৈরাচারীর দোসররা প্রথম স্তর দ্বিতীয় স্তর, তৃতীয় স্তর পুলিশ , প্রশাসনের মধ্যে আছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বৈরাচারীর দোসরগুলি এখনও অবস্থানে আছে।”
কালবিলম্ব না করে স্বৈরাচারীর দোসরদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করতে প্রধান উপদেষ্টাকে আহ্বান জানান তিনি।
সরকারি কর্মকর্তাদের শুধু বদলি করে নয় বরং চাকরি থেকে বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের ব্যবস্থা (ইনকোয়ারির) করার কথাও বলেন তিনি।
বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে যোগ দিতে না পারার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরে সরকারের পক্ষ থেকে একজন উপদেষ্টা দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না। সুতরাং এটি নিয়ে আর কোনো কথা বলতে চাই না।

লেখা- সংগ্রহীত - বিবিসি বাংলা

08/11/2024

*প্রফেসর আসিফ নজরুলের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের এমন আচরণের নিন্দা জানাচ্ছি!!*

১৬ বছর ধরে দেশে মানুষের উপর নির্যাতন, হত্যা, জুলুম, নিপীড়ন এগুলো বৈধ ছিল রাজনৈতিক দলের নাম করে। অর্থাৎ কোন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে যদি হত্যা করা হয় জুলুম, নিপীড়ন করা হয় তাহলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যাটা হয়ে গেছে জুলাইয়ের মাছ্যাকার এবং গণহত্যায়। এখানে তারা কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নামে ট্যাগ দিতে পারেনি। ট্যাগ না দিতে পারার কারণে, জায়েজ না করার কারণে তারা ক্ষমতাচ্যুত এবং পলাতক।

এ কথাগুলি বলার কারণ হলো গতকালকে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল এর সাথে দেশের বাহিরে (সুইজারল্যান্ড) আওয়ামী লীগের যেসব জানোয়ার অশোভন আচরণ করেছে তাদের মুখে কিন্তু একবারের জন্য এই গণহত্যা কিংবা গণহত্যায় জড়িত থাকার অপরাধবোধ কাজ করেনি। ঠিক একইভাবে দেশের ভেতরে অবস্থান করা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে গত ১৬ বছরের অন্যায় অপকর্মের কথা বাদই দিলাম তিন মাস আগে ঘটে যাওয়া গণহত্যার বিষয়ে কোনো প্রকার অনুশোচনা বোধ নেই!
বরঞ্চ এরা আরো রক্ত ঝরিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়, ফ্যাসিষঠ হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরাতে চায়।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে ক্ষমা করা কিংবা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের প্রতি কোন সিমপ্যাথি দেখানোর সুযোগ নেই। যেসব রাজনৈতিক দলগুলো কিংবা গোষ্ঠি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের প্রতি সিম্পেথি দেখাতে চায় তাদের পরিণতিও এদের মতই হবে কোন সন্দেহ নেই।

দেশের ভিতরে এবং দেশের বাহিরে সর্বোত্তই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে। সংগঠিত হয়ে যাওয়া অন্যায়ের বিচার না করে অথবা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা না করে কখনোই নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা যায় না যাবেও না।

23/10/2024

আপনার আশেপাশে থাকা নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট এলাকার সেবাবাহিনীর হাতে তুলে দিন, কারণ আইনের চোখে এরা সবাই অপরাধী।

ভার্সিটি গুলোতে দখল বানিজ্য, ধর্ষনের সেঞ্চুরী এবং মাদকের আখড়াসহ সকল অপকর্মের হোতা, জনগনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সংগ্রামে নিরীহ জনতার উপর নির্মমভাবে আক্রমণ, প্রকাশ্যে দেশী-বিদেশী অস্র দিয়ে গুলি করে মানুষ হত্যা এবং হেলমেট বাহিনীর মাধ্যমে নির্মম প্রহার করে রক্তাক্ত করার নায়ক ছাত্রলীগকে শেষ পর্যন্ত জঙ্গি- সন্ত্রাসী আইনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে নিষিদ্ধ।
যে আইনে ইসলামী কর্মতৎপরতাকে জঙ্গি ট্যাগ
লাগানো হতো, আজ সে আইনেই সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো।

Photos from Bijoyer Hashi's post 03/08/2024

জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে কোন ফ্যাসিস্ট টিকতে পারেনি, হাসিনাও পারবেনা। ভোটের সরকার হলে শেকড় থাকতো, ওদের তো শেকড়ই নাই দাড়াবে কোথায়।

ভয়ের কিছু নাই, সবাই মাঠে থাকুন।সবাই নিজেদের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করে রাস্তায় নামবেন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আপনাদেরকে জামাই আদর করবে না ,, তারা আপনাদের কে স্তব্ধ করে দিতে চাইবে , আপনি তাদেরকে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার মনোভাব নিয়ে মাঠে নামবেন।একজন পড়ে গেলে ১০ জন ঝাঁপিয়ে পড়বেন ,,সেই মনোভাব নিয়ে আন্দোলনে যাবেন ,,সবাই দলবদ্ধ থাকবেন “কেউ পিছপা হবেন না”।

আগামীকাল আওয়ামী লীগ সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামবে। এই করবে, ওই করবে। এই টাইপের মেসেজগুলা প্রোপাগান্ডার অংশ। ছাত্রলীগ, যুবলীগ দিয়ে গণআন্দোলন দমন করা গেলে হাসিনাকে কারফিউ দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হইতো না। মানুষ যেদিন কারফিউ ভেঙ্গে, সেনাবাহিনীকে উপেক্ষা করে রাস্তায় নামছে, সেদিনই হাসিনার পতন শুরু হইছে। আপনি যদি ছাত্রলীগ, যুবলীগের সদস্য হোন, তাইলে নিজের বাপ-মা-বউ-বাচ্চার কথা ভেবে বাসায় থাকেন। আপনাদের আপা চলে যাবে, হুদাই রিস্ক নিয়েন না। শেষ সময়ে ভালো একটা পরামর্শ দিলাম।

বাঁশের লাঠি তৈরী করো…
বাংলাদেশ স্বাধীন করো…
দফা ১ দাবি ১ খুনি হাসিনার পদত্যাগ।

23/07/2024

তুই কিতা বালের ছাড় দিতে! রাজাকারর ফুরি, India r দালাল!!

21/07/2024

আপীল বিভাগের রায় যেখানে সরকারের ইচ্ছা বাস্তবায়িত হয়েছে,
এবং সেখানে ছাত্র- জনতার অধিকার বাস্তবায়নের গ্যারান্টি নেই।

১. জনরোষ থেকে বাঁচানোর জন্য সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে এই রায়ে

২. এটি কোনো আইন নয় ; সরকার আপীল বিভাগের মতামত মানতে বাধ্য নয়

৩. সরকার টিকে থাকলে এই রায় বাস্তবায়ন কোনোক্রমেই করবেনা ও করতে পারবেনা

৪. এই পার্লামেন্ট টিকে থাকলে জাতি দেখবে পার্লামেন্ট এ আলোচনার পর ভিন্ন আইন হয়েছে

৫. কোর্ট আইন করতে পারেনা, কোর্ট আইনের ব্যাখ্যা করতে পারে, কোটা বিষয়ে আইন করবে পার্লামেন্ট । এই পার্লামেন্ট সুপ্রিম কোর্ট এর সাজেশন মানতে বাধ্য নয় সাংবিধানিকভাবেই

৬. এই রায়টি মৌখিক সংক্ষিপ্ত রায় মাত্র, বিচারপতি খাইরুল হকের ওপেন কোর্ট এর রায় লিখিত অবস্হায় পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং আওয়ামীলীগের পার্লামেন্ট সম্পূর্ণ রূপে কেয়ারটেকার সিস্টেম বাতিল করে দেয়।

পরিশেষে বলবো,
এই রায়ের মাধ্যমে ছাত্র - জনতার অধিকার বাস্তবায়িত হবেনা যেহেতু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের কাছ থেকেই আসতে হবে পার্লামেন্টের মাধ্যমে ।

>> এখন প্রশ্ন হলো দুই দিনের ঘোষিত ছুটির মধ্যে কোর্ট বসলো কেমন করে? আর সরকারী ছুটির মধ্যে যে কোর্ট বসে , সেই কোর্টের রায়ের বৈধতা আছে কিনা.
এই কোটা থাকবে না, দুদিন পর সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে হাইকোর্টে আপিল করাবে পূণরায় কোটা পদ্ধতি আগের অবস্থানে ফিরে যাবে এটি সরকারী সাজানো নাটক আন্দোলন বন্ধ করতে, শেখ হাসিনা কে বিশ্বাস করা পৃথিবীর সবচেয়ে বড়
ক্ষমতা টিকানোর রায়।
এতো এতো লাশের হিসাব কে দিবে ?

জাতির নিকট ক্ষমা চেয়ে হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে, গণহত্যার জন্যে হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে, এটাই সমাধান।

Want your business to be the top-listed Government Service in London?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


London