জান্নাতের টিকেট বিক্রি করেন যারা সাবধান হোন
Bangladesh Nationalist Law Student Forum,UK.
গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বদ্ধ পরিকর
01/01/2026
সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) টর্নেডোর কথা মনে আছে নিশ্চয়। ১৯৮৯ সালের ২৬শে এপ্রিল ২০ রোজার দিন ইফতারির একটু আগের সেই টর্নেডো সবকিছু ওলটপালট করে দিয়েছিল। গণস্বাস্থ্যের কর্মীরা কাজ শুরু করেছেন। সেনাবাহিনী লোকজনো আছে।একদিন খালেদা জিয়াও আসলেন।সেদিন বেঁচে যাওয়া মানুষদের জন্য মাটির সানকিতে সামান্য ইফতারির ব্যবস্থা ছিল। সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াও সানকিতে ইফতার করলেন। ছবি ও তথ্য সংগৃহীত।
আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসকে নিয়ে আমাদের নেত্রী সংসদে যা বলেছিলেন—
তিনি দেশপ্রেমিক এবং যারা মেধাবী তাদেরকে সব সময়ই সম্মান করতেন মুল্যায়ন করতেন।এটাই জাতীয়তাবাদীর রাজনীতি
আমরা ধরে নিয়েছিলাম, বেগম জিয়ার একাকী মৃত্যু হবে। তার ছেলে বিদেশে বসে অসহায়ভাবে মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনবেন। চোখের জল আর চাপা দীর্ঘশ্বাস ছাড়া- তার আর কিছুই করার থাকবে না।
কিন্তু জীবন কত বিচিত্র দেখেন।
বিদেশে চিকিৎসা করতে না দেয়া, জেলে বন্দী রাখা, বাসা থেকে উচ্ছেদ করা, অপমান করা- এতকিছু সত্ত্বের বেগম জিয়ার ধৈর্য্য এবং একাগ্রতার কাছে ইতিহাস নত হলো। শেখ হাসিনা বিদায় নিলেন। যে অপমান তিনি অহরহ সবাইকে করতেন, বাংলার কোটি মানুষ তাকে সেই অপমান কড়ায় গন্ডায় ফিরিয়ে দিয়ে, এক প্রকার ধাওয়া দিয়ে, চল্লিশ মিনিট সময় বেঁধে দিয়ে দেশ ছাড়া করলো।
বেগম জিয়া নীরবে এবং পরিমিতভাবে জনতার বিজয় উদযাপন করলেন, জনতার সাথে। সেই বহুল প্রতীক্ষিত বিদেশে চিকিৎসাও হলো।
যে বড় পুত্র ১৬ বছর আগে- হুইল চেয়ারে করে দেশ ছেড়েছিলেন, সেই পুত্রই তাকে এয়ারপোর্টে বরণ করলেন, নিজে গাড়ি চালিয়ে মাকে নিয়ে গেলেন হাসপাতালে। পারিবারিক মিলনের একটা স্বর্গীয় দৃশ্য রচিত হলো।
তারপর পুত্র ফিরলো মায়ের কাছে। যে বেগম জিয়ার মৃত্যু হবার কথা ছিলো একাকী, নিকট পরিবারহীন অবস্থায়। সেখানে পুরো উল্টো ঘটনা ঘটলো। পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্য আর বেগম জিয়ার সত্যিকারের যে পরিবার, বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ দাঁড়িয়ে রইলেন তাঁর শয্যাপাশে। বেগম জিয়া বিদায় নিলেন। অথবা বিদায় আসলে তিনি নিলেন না, আরও গভীরভাবে প্রোথিত হলেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের। বাংলার মানুষের হৃদয়ে।
তিনি যখন নিপীড়িত হচ্ছিলেন, তখন গণমাধ্যম ছিলো পরাধীন অথবা স্বেচ্ছায় নতজানু। বেগম জিয়ার বিদায়কালে দেখে গেলেন, গণমাধ্যম স্বাধীন। প্রথম আলো পত্রিকা তার লাল সূর্য কালো করে ফেললো। এবং স্বতস্ফুর্তভাবে মানুষ তাকে নিয়ে নির্ভয়ে লিখছে। ভালো, মন্দ, আলোচনা, সমালোচনা। সবকিছুই।
মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন, এক বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশে অন্তত একটি নির্বাচন হবার সম্ভাবনা আছে। যে সম্ভাবনার নির্বাচন বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারে।
বাংলায় যেটাকে বলে অন্তেস্টিক্রিয়া, ইংরেজিতে ফুনেরাল, সেই ফুনেরালে আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বেগম জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে। যখন দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত শীতল। ইতিহাসের সবচেয়ে ঠাণ্ডা সময় পার করছে প্রতিবেশি এই দুই রাষ্ট্র।
ঠিক সেই ভারতে এখন অবস্থান করছেন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা। রাজনৈতিক আশ্রয়ে। সেদিন একটা টক শো-তে দেখলাম, ভারতের কোনো এক অখ্যাত রাজনীতিবিদ বলছেন, আচ্ছা, শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বের করে দেয়া যায় না? বিনা সিক্রি সেই রাজনীতিবিদকে উত্তর দিলেন, না না। ওটা খারাপ দেখা যাবে।
ঠিক সেই ভারতের প্রতাপশালী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ছুটে আসতে হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।
বেগম জিয়ার জানাজা হবে মানিকমিয়া এভিনিউ। আমরা যেটাকে খাস বাংলায় বলি -সংসদ ভবন এলাকা। যে এলাকায় শায়িত আছেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এবং আওয়ামীলীগ সরকার একটা উদ্যোগ নিয়েছিলো, জিয়াউর রহমানের গোটা কবরটিকেও উচ্ছেদ করার। সেই কবরেই খুব সম্ভবত ইতিহাসের আরেকটি বৃহত্তম জানাজার মধ্যে বেগম জিয়া শেষ আশ্রয় নেবেন।
মানুষের মধ্যে যদি আদর্শ থাকে, তাহলে তাকে ধ্বংস করা যায় না। বেগম খালেদা জিয়া সেই সত্যটা আবারো প্রমাণ করে গেলেন। তাঁকে ধ্বংস করার জন্য এমন কোনো কাণ্ড নেই, যেটা করা হয় নি। অথচ আজকের বাংলাদেশে পুবেপশ্চিমেউত্তরদক্ষিণে যেখানে তাকাবেন, বেগম জিয়াকেই দেখবেন। তিনি আরও বেশি জেকে বসলেন আমাদের মধ্যে।
আরেকটা ব্যাপার। ৫ আগস্টে জনতার নিরষ্কুশ বিজয়ের পর বেগম জিয়াকে একটি কটুবাক্য, ঘৃণামালা এবং বিদ্বেষ উৎপাদন করতে দেখা যায় নি। অথচ আমাদের ইতিহাস বলে, আমরা জয়ী হবার পর পরাজিত যাচ্ছেতাই ভাষায় গালাগালি করি। বিশেষ করে সেই পরাজিত পক্ষের কাছে আমার যদি নাজেহালের ঘটনা থাকে।
এমনকি তাকে যখন অনবরত খোঁচানো হচ্ছিলো, তখনও তিনি তার ডিসেন্সি হারান নি। অথচ বাংলাদেশের রাজনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে, বিদ্বেষ আর কটুবাক্য।
নিপীড়নে এবং বিজয়ে- দুটো ক্ষেত্রেই বেগম জিয়া দেখিয়ে গেলেন, ভদ্রভাবে রাজনীতি করা সম্ভব। এবং তাতেই প্রকৃত জয় আসে।
আজ বাংলাদেশ এমন একটা সময়ে যখন লাখ লাখ তরুণ রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছে। নেতৃত্ব নিচ্ছে। এই তরুণদের বলবো, বেগম জিয়ার কাছ থেকে পারলে একটি জিনিস শেখো। কথা ও বাক্যে পরিমিত বোধ আনো। ধৈর্য্য ধরতে শেখো। সবুর করতে শেখো। এবং আপোষ না করতে শেখো।
আপোষ না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম। এই স্লোগানটি বেগম জিয়া কোনোদিন মুখে উচ্চারণ করেন নি। অথচ তিনিই জীবন দিয়ে দেখিয়ে গেলেন, আপোষ না সংগ্রাম? সংগ্রাম, সংগ্রাম। আমৃত্যু সংগ্রাম।
তাঁর এই নীরব উচ্চারণ এতটাই শক্তিশালী যে, তাঁর শারীরিক মৃত্যু ঘটেছে কিন্তু তাঁর আদর্শের মৃত্যু ঘটে নি।
তিনি এতই প্রভাবশালী যে, তাঁর মৃত্যু হলো, কিন্তু তিনি আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে জীবন সঞ্চার করলেন।
ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।
31/12/2025
একটি কফিনের পাশে সারা বাংলাদেশ। আমরা যখন আমাদের নেত্রীকে ‘দেশমাতা’ বলতাম তখন নানাভাবে ওরা হাসি ঠাট্টা করতো
আমরা সঠিক লোককেই সম্মান করেছিলাম ভালবেসেছিলাম— আজ সারাদেশই দেশনেত্রীময়।
ছোট বেলায় একটা ছোট্ট কবিতা প্রায়শই শুনতাম
আমার ভুল ও হতে পারে, ভুল হলে ক্ষমা করবেন
‘এমন জীবন তুমি করিও গঠন
মরিলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন’
এই কথাটারই যেন বাস্তব রূপ পেলো আমাদের দেশনেত্রী বেগম জিয়ার কফিনের পাশে সমগ্র বাংলাদেশকে দেখে
কারও কাছে আম্মার কোনো ঋণ থাকলে, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি পরিশোধ করবো।
কেউ আমার মায়ের আচরণে বা কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন।
-তারেক রহমান
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
30/12/2025
বাংলাদেশের অভিভাবক, বিএনপি'র চেয়ারপারসন, সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের সকলের প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই।
আজ বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মহান আল্লাহ যেন প্রিয় নেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন- আমীন
29/11/2025
প্রিয় নেত্রীর জন্য দোয়া চাই।
03/11/2025
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি'র সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা
08/10/2025
শোকাহত
রংপুর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব, রংপুর জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান লাকু। ঢাকা থেকে রংপুর যাবার পথে পথিমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুম আনিসুর রহমান লাকু ছিলেন বিএনপি’র একজন বলিষ্ঠ নেতা। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর নীতি ও আদর্শে গভীরভাবে আস্থাশীল হয়ে ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেন। রংপুর জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তিনি নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে গেছেন। তার মতো একজন সজ্জন রাজনীতিবিদের পৃথিবী থেকে চিরবিদায় দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকার্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
06/10/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
25 New Road
London
E11HE
