06/10/2026
ভূস্বর্গ কাশ্মীর পর্ব-১
স্বপ্নের ভূস্বর্গ কাশ্মীরে বারে বার
- মেত্তা ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস
দীর্ঘ কয়েক মাস আগেই ট্যুর প্ল্যান ছিল ২ রা অক্টোবর হাওড়া থেকে দিল্লি যাত্রা করে ৩ রা অক্টোবর দিল্লি থেকে জম্মু পর্য্যন্ত ট্রেনে গিয়ে কাশ্মীরে পদার্পন করব ৪ ঠা অক্টোবর ।
প্রথমে দিকে সফরসঙ্গীর তালিকায় ছিলেন---
খাগড়াছড়ির---
ডাঃ আশুতোষ চাকমা
শ্রীমতি ইরিনা চাকমা
মিঃ দিলীপ কুমার দেওয়ান
শ্রীমতি সুদেষ্ণা চাকমা
শ্রীমতি মীনাক্ষী চাকমা
মিঃ সুচিত্ত চাকমা
মিঃ রন্টু চাকমা
শ্রীমতি সুমিত্রা বড়ুয়া
মিঃ সুদত্ত প্রকাশ চাকমা
শ্রীমতি রিপু চাকমা
শ্রীমতি কনিকা চাকমা
শ্রীমতি চম্পা চাকমা
মিঃ শিমুল চাকমা
রাঙ্গামাটির---
মিঃ হেমন্ত বিকাশ চাকমা
মিঃ রণক দেওয়ান
শ্রীমতি সোমা চাকমা
মিঃ কাজল তালুকদার
শ্রীমতি জোৎস্না তালুকদার
মিঃ প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান
শ্রীমতি জয়তী চাকমা
মিস পহেলা দেওয়ান
মিঃ রিংকু চাকমা
মিঃ অনুপম চাকমা
শ্রীমতি আল্পনা চাকমা
মিঃ ধণমুনি তালুকদার
শ্রীমতি করুণা দেওয়ান
মিঃ মিহির কুমার চাকমা
অতি দুঃখের বিষয় এদের মধ্যে ১২ জনের ভিসা না হওয়ায় ভ্রমণ সাথী হতে পারলেন না। এর মধ্যে ৫ জন শুধুমাত্র দক্ষিণ ভারত ভ্রমণে থাকার কথা ছিল ।
অবশেষে ১ অক্টোবর রাতের মধ্যেই কোলকাতায় পৌঁছে গেলাম ২১ জন। বোধিচরিয়তে থাকার ব্যাবস্থা হলো।
পরদিন ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ন টায় বেড়িয়ে পড়ি ১৩ জনের দল। তার মধ্যেই ১০ জনই কোলকাতায় প্রথম । শ্রদ্ধেয় বিমল ভান্তের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের পর কোলকাতা ভ্রমণ বেরুই। প্রিন্স অব ঘাটে গিয়ে পার্কে মর্নিঙ ওয়াক সেরে নিলাম। পরে হুগলি নদীর ফেরীতে পারাপারের পর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল দেখে দূপুরের খাওয়া খেয়ে সবাই একে একে হাওড়া স্টেশনে একত্রিত হলাম। চুড়ান্ত পর্যায়ে আমাদের ২১ জনের ভ্রমণ সঙ্গী হলেন -
ডাঃ আশুতোষ, ইরিনা, দিলীপ কুমার, সুদেষ্ণা, মীনাক্ষী, সুচিত্ত, রন্টু, সুমিত্রা, সুদত্ত, রিপু, কনিকা, চম্পা, শিমুল, মিতু বিকাশ, নয়ন্তি
চিত্রা, অন্তিমা, রিতা, মসৃণ
পার্থ ও রেগা।
হাওড়া স্টেশনের ৯ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে রাজধানী এক্সপ্রেস (১২৩০১) ছাড়ল বিকাল ৪-৫০ টায়।
৩ রা অক্টোবর, ২০২৬, সকাল ১০ টায় নিউ দিল্লী পৌঁছেই দিল্লীতে ঝটিকা সফর শুরু। প্রথমে রেডফোর্ট। তারপর রাজঘাট। ওখান থেকে ইন্ডিয়া গেইট। পরে সময় না পাওয়ায় লোটাস টেম্পল আর কুতুব মিনার দেখা হলোনা। সরাসরি রেলওয়ে স্টেশন।
রাত ৮-৩৫ টায় (১২৪২৫) রাজধানী এক্সপ্রেসে যাত্রা করেছিলাম দিল্লী থেকে জম্মু তাওয়াই। রাতভর আরামদায়ক ট্রেনে পৌঁছে গেলাম জম্মু ভোরবেলা । জম্মু হলো কাশ্মীরের শীতকালীন রাজধানী। কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর এখান থেকে আরো অনেক দূর। পাকিস্তান সীমান্তবর্তী ভারতের সর্বোউত্তরের রাজ্য জম্মু- কাশ্মীর।
৪ ঠা অক্টোবর একটা টেম্পো ট্রাভেলারে সড়ক পথে ভ্রমণ শুরু হলো। আমাদের গন্তব্য রূপের রাণী পেহেলগাম।
পার্থ আর রেগা বাদে এবারের কাশ্মীর ও লাদাখ ভ্রমণ সবাইয়ের জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা।
জম্মু থেকে আমাদের প্রায় ৬ ঘন্টায় বাস নিয়ে এলো কাশ্মীর উপত্যকার অতি সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র পেহেলগাম। জম্মু থেকে এর দূরত্বও প্রায় ২৫০ কি মি।
পহেলগাম জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার একটি বিখ্যাত শৈলশহর ও স্বাস্থ্যকর অবকাশ কেন্দ্র, যা লিডার নদীর তীরে ২,১৩০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
পহেলগাম শব্দের অর্থ মেষপালকদের গ্রাম এবং শীতের সময় এখান থেকে পাইন বন ও তুষারাবৃত হিমালয় পর্বতশৃঙ্গের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।
বিখ্যাত হিন্দু তীর্থ যাত্রা অমরনাথ এই পহেলগাম দিয়ে শুরু হয়। এখানকার প্রধান আকর্ষণ গুলোর মধ্যে রয়েছে বেতাব ভ্যালি (এখানে চিত্রায়িত একটি বলিউড চলচ্চিত্রের নামে নামকরণ করা হয়েছে), আরু ভ্যালি এবং বাইসারান, যাকে প্রায়শই "মিনি সুইজারল্যান্ড" বলা হয়। তবে, এখন বন্ধ আছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে ২২ এপ্রিল, ২০২৫-এর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন পর্যটককে হত্যা করা হয়।
কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর: ভারতের ভূস্বর্গ কাশ্মীর। এই শহরের স্নিগ্ধ ও সূক্ষ্ম সৌন্দর্যকে ভাষায় প্রকাশ করার মতো কোনো বিশেষণেরই যেন সাধ্য নেই। বরফাচ্ছাদিত ও বন্ধুর পর্বতশৃঙ্গের পটভূমিতে এবং কাশ্মীর উপত্যকার বুকে রত্নখচিত কোনো অলংকারের মতো শোভা পাচ্ছে শ্রীনগর যা নবগঠিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী।
জম্মু ও কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগরের আদি নাম রাখা হয়েছিল সূর্য-নগর (সূর্যের শহর), যা ২,০০০ বছরেরও বেশি আগে রাজা প্রবরসেনা (দ্বিতীয়) দিয়েছিলেন।
এখানে প্রথম মুসলিম রাজা ছিলেন একজন বৌদ্ধ: চতুর্দশ শতকের লাদাখের রাজপুত্র রিনচান, যিনি লাদাখ অঞ্চল থেকে গোপনে কাশ্মীর উপত্যকায় গিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন।
রাজা রিনচান (জন্ম নাম লাচেন রিনচান ভোটি), যিনি রিনচান শাহ নামেও পরিচিত, ছিলেন চতুর্দশ শতাব্দীর একজন লাদাখি রাজপুত্র, যিনি ১৩২০ থেকে ১৩২৩ সাল পর্য্যন্ত কাশ্মীর সালতানাতের প্রথম মুসলিম শাসক ও প্রতিষ্ঠাতা ।
শৈশব ও লাদাখ থেকে পলায়ন
লাদাখি রাজপুত্র (গ্যালবু রিনচেন) হিসেবে জন্মগ্রহণকারী তিনি ছিলেন এক স্থানীয় শাসকের পুত্র, যাকে প্রায়শই লহা-চেন দ্নোস-গ্রাব নামে চিহ্নিত করা হয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা, পরিবারের সাথে দ্বন্দ্ব, কিংবা প্রতিবেশী বালতিদের হুমকির কারণে তিনি পলাতক বা নির্বাসিত হিসেবে লাদাখ ত্যাগ করেন।
রিনচান একদল অনুগত অনুচর ও ব্যবসায়ীকে সঙ্গে নিয়ে জোজিলা হয়ে পর্বতমালা অতিক্রম করে কাশ্মীর উপত্যকায় প্রবেশ করেছিলেন। তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগে প্রাথমিকভাবে বৌদ্ধধর্ম পালন করতেন এবং পরে এই অঞ্চলের প্রথম মসজিদটি নির্মাণ করেন ।
সমগ্র উপত্যকার নাম শ্রীনগর: মধ্যযুগীয় সুলতানি শাসনামলে শ্রীনগর শহরটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল যে বহিরাগতরা প্রায়শই সমগ্র কাশ্মীর উপত্যকাকে কেবল "শ্রীনগর" বলে উল্লেখ করত। আকাশের দ্বীপ (ডাল লেক):সোনা লঙ্ক এবং রূপা লঙ্কের বিখ্যাত হ্রদ দ্বীপগুলি (যাদের সম্মিলিতভাবে চার চিনারি বলা হয় ) পঞ্চদশ শতাব্দীতে দয়ালু শাসক সুলতান জাইন-উল- আবিদিন কৃত্রিমভাবে তৈরি করেছিলেন।
একমাত্র টিকে থাকা রানীর সমাধিসৌধ: শ্রীনগরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে পঞ্চদশ শতকে সুলতান জাইন-উল-আবিদিন কর্তৃক তাঁর মায়ের জন্য নির্মিত এই সমাধি কাশ্মীরে কোনো নারীকে উৎসর্গীকৃত এটিই একমাত্র টিকে থাকা মধ্যযুগীয় রাজকীয় সমাধিসৌধ। প্রাচীন বৌদ্ধ কেন্দ্র: ইসলামিক ও মুঘল স্থাপত্য এই অঞ্চলের আকাশরেখাকে রূপ দেওয়ার অনেক আগেই, খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে সম্রাট অশোক কাছাকাছি একটি প্রাথমিক বসতি স্থাপন করেন, যা এই অঞ্চলটিকে সর্বাস্তিবাদ বৌদ্ধ শিক্ষার একটি প্রধান প্রাচীন কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।
কাশ্মীর উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত শ্রীনগর শহরটি দুটি পাহাড়ের (শঙ্করাচার্য ও হরি পর্বত) মাঝে অত্যন্ত মনোরমভাবে গড়ে উঠেছে। এর চারপাশে রয়েছে ডাল হ্রদ, ঝিলাম নদী এবং একটি খাল যা হ্রদ ও নদীকে সংযুক্ত করে শহরের কেন্দ্রস্থলটিকে একটি দ্বীপে পরিণত করেছে। সুসজ্জিত হাউসবোট, মনোরম বাগান, হাশিশ বিক্রেতাদের অত্যধিক পীড়াপীড়ি এবং পাহাড় ও হ্রদের নয়নাভিরাম দৃশ্যের জন্য এই শহরটি সুপরিচিত।
প্রায় ১১ লক্ষ মানুষের আবাসস্থল শ্রীনগর হলো জম্মু ও কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী (জম্মু হলো শীতকালীন রাজধানী)। শহরের পুরনো এলাকাগুলোতে কাঠ ও প্লাস্টারের সমন্বয়ে তৈরি বাড়িঘর দেখা যায়। এখানকার বিক্রেতারা আখরোট কাঠের খোদাই করা শিল্পকর্ম, প্যাপিয়ার-ম্যাশে (কাগজের মণ্ড দিয়ে তৈরি) বাক্স, হাতে বোনা পশমি ও রেশমি গালিচা এবং কাশ্মীরি পশম (মূলত কাশ্মীরের ছাগলের লোম থেকে পাওয়া গেলেও অনেক সময় চীন বা মঙ্গোলিয়া থেকে আসা পশমও ব্যবহৃত হয়) দিয়ে তৈরি নানা ধরনের পোশাক বিক্রি করেন। এখানকার খাল ও নদীর ওপর দিয়ে অনেক সুন্দর কাঠের ও পাথরের সেতু চলে গেছে; ঝিলাম নদীর ওপর রয়েছে নয়টি সেতু। ঐতিহ্যগতভাবে ঝিলাম নদীর ওপরের প্রাচীন সেতুগুলোই ছিল প্রধান কেনাকাটার কেন্দ্র। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেতুর মধ্যবর্তী এলাকাটি একসময় রৌপ্যশিল্পী ও কাঠখোদাই শিল্পীদের কেন্দ্রস্থল ছিল।
জনশ্রুতি অনুযায়ী, খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে ভারতীয়-বৌদ্ধ সম্রাট অশোক শ্রীনগর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 'রাজতরঙ্গিনী'-র রচয়িতা কলহন উল্লেখ করেছেন যে, সম্রাট অশোক 'শ্রীনগরী' নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন—যা সম্ভবত বর্তমান শ্রীনগর শহর থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত ছিল। তবে বর্তমান শ্রীনগর শহরটি প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব দেওয়া হয় বাকাটক রাজবংশের রাজা প্রবরসেন দ্বিতীয়কে (৪০০-৪১৫ খ্রিস্টাব্দ)।
আকবর ছিলেন প্রথম মুঘল সম্রাট যিনি কাশ্মীর উপত্যকা জয় করেন; তিনি এবং তাঁর পুত্র জাহাঙ্গীর শ্রীনগরে মসজিদ ও সমাধিসৌধের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম সুপরিকল্পিত কিছু বাগান নির্মাণ করেছিলেন। বাগানগুলি আজো মোগল গার্ডেন বলা হয়।
বহু শতাব্দী ধরে শ্রীনগর হিন্দু, শিখ ও মুসলিম শাসকদের শাসনাধীনে ছিল, যারা প্রায়শই এই শহরটিকে গ্রীষ্মকালীন আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহার করতেন।
শ্রীনগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গোপাদ্রি পাহাড়ের ওপর স্থাপিত শঙ্করাচার্য মন্দিরটি ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে নিবেদিত এবং এটি কাশ্মীর উপত্যকার অন্যতম প্রাচীন হিন্দু তীর্থস্থান বলে মনে করা হয়। প্রায় দশ শতাব্দী আগে মহান দার্শনিক শঙ্করাচার্য এই উপত্যকা ভ্রমণ করেছিলেন এবং তাঁর নামানুসারেই এই মন্দিরটির নামকরণ করা হয়েছে। একটি উঁচু অষ্টভুজাকৃতির বেদির ওপর নির্মিত এই মন্দিরে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয় এবং এখান থেকে শহরের চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
শ্রীনগরের পর্যটন আকর্ষনের কেন্দ্র দাল লেক ছাড়াও রয়েছে মোঘল উদ্যানগুলি।
যেখানে শালিমার বাগ, নিশাত বাগ এবং চশমা শাহীরমতো বিখ্যাত স্থানগুলি রয়েছে - সপ্তদশ শতকে ডাল লেকের তীরে নির্মিত হয়েছিল এবং এগুলি পারস্যের স্বর্গীয় উদ্যানের নকশা দ্বারা ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত।
শালিমার বাগ: ১৬১৯ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর স্ত্রী সম্রাজ্ঞী নূরজাহানের জন্য এটি নির্মাণ করেন। এটি উপত্যকার বৃহত্তম মুঘল উদ্যান এবং পরবর্তীকালে শাহজাহানের শাসনামলেফয়েজ বখশ টেরেস নির্মাণের মাধ্যমে এর সম্প্রসারণ করা হয়।
নিশাত বাগ: ১৬৩৩ সালে নূর জাহানের বড় ভাই আসিফ খান কর্তৃক 'আনন্দের বাগান' হিসেবে নকশাকৃত, যা জাবারওয়ান পর্বতমালার পটভূমিতে বারোটি সোপানযুক্ত স্তর নিয়ে গঠিত।
চশমা শাহী: ১৬৩২ সালে গভর্নর আলী মর্দন খান শাহজাহানের আদেশে তাঁর পুত্র দারা সিকোহের জন্য একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি জলের ঝর্ণাকে কেন্দ্র করে এটি নির্মাণ করেন।
পরি মহল, যা 'পরীদের প্রাসাদ' নামেও পরিচিত, হলো একটি ঐতিহাসিক সপ্ত-স্তরবিশিষ্ট বাগান যা ১৬০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ পুত্র মুঘল রাজপুত্র দারা শিকোহ নির্মাণ করেন।
চলবে---