25/02/2025
কমল সায়র উন্নয়ন কমিটির অফিসের বিভিন্ন মেরামতি এবং নতুন করে রং করার কাজ।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kamal Sayar Unnayan Committee কমল সায়র উন্নয়ন কমিটি, Kamal Sayar, PO/Rajbati, Bardhaman.
25/02/2025
কমল সায়র উন্নয়ন কমিটির অফিসের বিভিন্ন মেরামতি এবং নতুন করে রং করার কাজ।
22/07/2024
"একটি গাছ একটি প্রাণ" এই মন্ত্রকে সম্বল করে 'কমল সায়র উন্নয়ন কমিটি'র উদ্যোগে এবং 'বর্ধমান রোটারি ক্লাব' ও 'ইন্টেরাক্ট ক্লাব অব বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়' এর যৌথ সহযোগিতায় গোদা হেল্থ সিটি সংলগ্ন মহল্লার নিজস্ব কবরস্থানের ফাঁকা জায়গায় ৫০০ টি বিভিন্ন প্রজাতির উৎকৃষ্ট মানের চারাগাছ রোপন করা হলো। রোটারি ক্লাবের সদস্যগণ এবং পাড়ার ছেলেদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের ফল ও ফুলের গাছ সহ ভিন্ন প্রকৃতির ঔষধি গাছ, মশলার গাছ এবং বহুপ্রকার কাষ্ঠল প্রজাতির বৃক্ষ লাগানো হলো। সারাদিন ধরে এই কর্মযজ্ঞ চলে। সকলকে নিয়ে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল। গাছগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জলের পাইপ লাইন ও ঠেকা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে কবরস্থানের বিভিন্ন জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। মেঘ বৃষ্টির আড়ালে সারা দিনের ক্লান্তির শেষে পুব আকাশে রংধনুর হাসিতে পড়ন্ত বিকালে আমাদের এই কর্মসূচি শেষ হয়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির নেপথ্যে বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় সুবীর কুমার দে মহাশয়ের সক্রিয় অবদান এবং অংশগ্রহণের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো।
04/06/2023
আজ ৫ই জুন। বিশ্ব পরিবেশ দিবস। অত্যন্ত গরমের সময়ও বটে। অত্যধিক গরমের একটা প্রধান কারণ হচ্ছে অনিয়মিত বৃক্ষচ্ছেদন। আর এই গরম কমাতে একটাই সমাধান। সেটা হচ্ছে বৃক্ষরোপণ।
এই গরমে আমরা কমবেশী প্রত্যেকেই প্রায় বিভিন্ন ধরনের মরশুমী ফল-ফলাদি খাচ্ছি। যেমন আম, লিচু, কাঠাল, জাম, খেজুর, সফেদা, আতা, পেঁপে প্রভৃতি। সকলের কাছে অনুরোধ এই যে মরশুমী ফল খাবেন, খাবার পর তার বীজ/আঁটি/Seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে জলে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন। সেগুলো আমাদের দিন। আমরা কবরস্থানের ফাঁকা জমিতে ছড়িয়ে দেবো। অথবা যদি কখনও কোথাও গাড়ি করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন।
আসন্ন বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে। কতকটা নিজে নিজেই। যদি এদের মধ্যে কিছু গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। ফলের গাছ শুধু ছায়া দান বা পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। তারাও ফলের বীজ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দিয়ে পৃথিবীতে স্বাভাবিক উদ্ভিদের জন্মানো নিশ্চিত করে। যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।
এছাড়াও আপনি গাছ লাগানোর ধর্মীয় লাভ উদ্বৃত্ত হিসেবে তো পাবেনই। এই গাছ হতে যারা ফল খাবে বা যেকোনো ভাবে উপকৃত হবে তার ফলাফল স্বরূপ আপনার জন্য পরকালের পুণ্য ও সওয়াব থাকবে ইনশাআল্লাহ। আর এটা সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে আপনার আমলনামায় যোগ হবে। অর্থাৎ আপনি একটি গাছ লাগালেন, অতঃপর আপনি মারা গেলেন। কিন্তু আপনার সেই লাগানো গাছটি থেকে সৃষ্টিকূল (মানুষ,পশু-পাখি, অন্যান্য জীব) উপকৃত হতে থাকলো। এর জন্য আপনি কবরে শুয়ে থেকেও সওয়াব (পুণ্য) পেতে থাকবেন ইনশাআল্লাহ!
28/01/2023
কমল সায়র মহল্লার কবরস্তানটি স্বাভাবিক নিয়মেই আগাছায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। তাই নির্দিষ্ট ব্যবধানে তা পরিস্কার করতে হয় নিয়মিত। এবারও তাই গত ২২শে জানুয়ারি রবিবার মহল্লার ছেলেদের স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে পরিস্কার করা হল গোটা কবরস্তানের প্রতিটি দিক। কাটা আগাছা এবং শুকনো পাতা জড়ো করে তা পুড়িয়ে দেওয়া হলো। এলাকার মানুষের অনুদানে সকল কর্মীর জন্য চা, টিফিন ও মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন ছিল। বশির ভাই এবং সুরাজ ভাই ছেলেদের কাজে খুশি হয়ে মিষ্টি উপহার নিয়ে এলো। পরিস্কার করার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল কাজের পর্যায়ক্রমে ছবি রইল।
পুকুর ঘাট, কলতলা ও নিত্য ঝামেলা অশান্তি; একটি দীর্ঘ বিশ্লেষণ
আজ ২৩ শে জানুয়ারি। নেতাজির জন্মবার্ষিকী। সকালে প্রভাত ফেরীর কুচকাওয়াজের কনসার্ট শুনে নয়, ঘুম ভাঙলো বাইরের রাস্তার কলতলায় ঝগড়াঝাঁটির ঝনঝনানি শুনে। কলতলায় এই ঝামেলা আজকের নতুন নয়। প্রায় প্রতি সপ্তাহের। কলতলার ব্যবহার নিয়ে লোকেদের ঝামেলা পুলিশ থানা এবং কোর্ট কাছারি পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তাই আজকে এই নিয়ে কিছু লেখার তাগিদ অনুভব করলাম।
আমাদের পাড়াতে পৌরসভার ট্যাপের লাইন যখন ছিল না, তখন পৌরসভার পক্ষ থেকে বসানো ৫-৬ টি টিউবওয়েল ছিল। সিলিন্ডার কলে বালতি করে জল ভরে মানুষ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তা ব্যবহার করত। তখন সাধারণত খাবার জলটাই নেওয়া হতো। আর গা ধোওয়া, বাসন মাজা, কাপড় কাচা ইত্যাদি কাজগুলো কমল সায়র পুকুরে করা হত। তখন পুকুরের চারপাশে খোলা পাড় থাকায় ঘাট ছিল অসংখ্য এবং যত্রতত্র। যাদের গরু ছিল তারা গরুর গাও ধোয়াত পুকুরে। খাটাল পাড়ার মোষ নামত পূর্ব পাড় দিয়ে। ধীরে ধীরে পুকুরপাড় গুলো কেনা বেচা হতে লাগলো। মানুষ নিজের নিজের পুকুরপাড়ের সীমানা ঘিরে নেওয়ার ফলে ঘাটের সংখ্যা গেল অতিমাত্রায় কমে। যার বাড়ির সীমানা তার ঘাট। পাড়ার রাস্তার পশ্চিম দিকের ঘর গুলি (যারা পুকুরপাড় কিনতে সুযোগ পায়নি) ঘাটে নামার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলো। ধীরে ধীরে পাড়ার বেশিরভাগ বাড়িতেই ক্রমে ক্রমে টিউবওয়েল তারপর মোটরপাম্প তারপর জেটপাম্প তারপর সাবমারসিবল হয়ে গেল। এদিকে পুকুরে অবৈজ্ঞানিকভাবে মাছ চাষ, পাড়ার দুটি মূল ড্রেন নামা, পুকুর পাড়ে মলমূত্র ত্যাগ, গ্যারেজের বর্জ্য-তেল, গৃহস্থালির ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক প্যাকেট, প্লাস্টিক বোতল ইত্যাদি পড়ে পুকুরের জল গেল পঁচে। সেই পুকুরে গা ধোওয়া এবং অন্যান্য কাজে পুকুরের জলের ব্যবহার একেবারে গেল কমে। মানুষ ধীরে ধীরে পুকুরের ঘাট পরিত্যাগ করল এবং রাস্তার ধারের পৌরসভার কলের মুখাপেক্ষী হয়ে গেল।
সিপিএম আমলের শেষদিকে পাড়ার বিভিন্ন অংশে প্রায় দশ জায়গায় ট্যাপ লাইন বসানো হয়েছিল। তখন মানুষের মনে একটি ধারণা পুঞ্জিভূত হয়েছিল যে এই জলে জীবাণুনাশক ওষুধ মেশানো আছে এই জল পান করা খুবই সাস্থ্যকর। সেই কারণে পারার অধিকাংশ মানুষ কল তলায় ভিড় জমাতো খাওয়ার জল নিতে। যাদের সামর্থ্য ছিল তারা বাড়ির ভিতর ট্যাপের লাইন নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সংখ্যা তখন ছিল নেহাতই কম। কলতলার প্রচন্ড চাপ এবং সেই নিয়ে মানুষের মধ্যে ঝামেলা দেখে তৃণমূলের আমলে কল গুলোর গ্যাপে গ্যাপে আরও দশটি বাড়তি কল লাগানো হলো। সব একনলা কলগুলিকে দুই নলা কলে পরিণত করা হলো। ড্রেনের স্লাবের উপর কলতলা বানানো হলো। ভাবা হয়েছিল কলের লাইনে এবার ভিড় কম হবে।
রাস্তার কলের উপভোক্তাদের কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা যেতে পারে। ১. বাড়িতে সাবমারসিবল থাকলেও কারেন্ট পুড়বে বলে বাইরের কল ব্যবহারকারী মানুষজন। ২. বাড়িতে টাইপের লাইন থাকলেও রাস্তার লাইনটি সরকারি, তাই আমিও সেটা ব্যবহার করতে পারি এই ধরনের মানসিকতার লোকজন। ৩. যাদের বাড়িতে এখনো পর্যন্ত সত্যিই কল বা সাবমারসিবল নেই। ৪. সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও খরচ হওয়ার ভয়ে ট্যাপলাইনের কানেকশন না নেওয়া মানুষ। ৫. পাড়ার এমন কিছু বাসিন্দা যাদের সংসার বেড়ে যাওয়ার কারণে পাড়ারই অন্যান্য বিভিন্ন ঘরে ভাড়া রয়েছেন। ৬. বহিরাগত ভাড়াটিয়া।
আগে কল থেকে বালতিতে জল ভরে নিজের নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তা ব্যবহার করা হতো। এখন এই কলগুলিতে তিন বেলা জল আসে। সকালে, দুপুরে এবং বিকালে। সকাল থেকে কলতলায় বসে লোকেদের ব্রাশ করা দিয়ে শুরু হয়, কেউ অনেকগুলো বোতলে খাবার জল ভরেন, কেউ কেউ কলতলাতে দাঁড়িয়ে বা বসে গা ধোন। সেই সকাল ছ'টা থেকে কলতলাগুলোতে হাঁড়ি বাসন মাজার এবং কাপড় কাচার আওয়াজ শুরু হয়। সেই সহ কলতলার লোকজনদের ক্যাঁচরম্যাঁচর। প্রতিবেলাতেই কলতলা গুলিতে বাসন মাজা এবং কাপড় কাচার ভিড় লেগেই থাকে। কেউ এই জল নিয়ে রাস্তায় ছেটান, কেউ গাড়ি বা বাইক ধোওয়ার কাজ করেন, কেউ আবার কলে পাইপ বেঁধে ফিক্স করে রেখে দেন। কেউ প্রয়োজনবশতঃ সেই পাইপ খুলে দিলে শুরু হয় গালাগালি। কুরবানির দিনে গরু-ছাগলকে গা ধোয়ান অনেকেই। গোবর এবং ল্যাদারি পড়েই রয়ে যায় রাস্তায়।
পাড়ার পার্টি অফিসে বেশিরভাগ অশান্তির খবর আসে কলতলা নিয়ে। কলতলাতেই কেউ মাছ বাছে। সেই নিয়ে অশান্তি। কলতলাতে গুয়ের ট্যানা ধোওয়া নিয়ে অশান্তি। কলতলাতে আমার ৩০ টা বোতল ভরা হলে তোমাকে ১ টা বোতল ভরতে দেবো এই নিয়ে অশান্তি। আগের রাত থেকে বালতি অথবা গামলা লাইন দিয়ে রাখা অথবা ঝুলিয়ে রাখা নিয়ে অশান্তি। আমার বালতি রাখা ছিল তাও সেটা সরিয়ে দিয়ে জল নিয়েছে কেন এই নিয়ে অশান্তি। আমি খাবার জল নিচ্ছিলাম ও কাপড় কাচছিল, খাবার জলে নিরমা জল লেগে গেল, অথবা ধোওয়া বাসনে ময়লা জল লাগিয়ে দিল এই নিয়ে অশান্তি। কলে পাইপ লাগিয়ে রেখে দেওয়া নিয়ে অশান্তি। কলতলায় জোয়ান মহিলাদের সামনে জোয়ান মরদদের ভেজা লুঙ্গিতে নির্লজ্জের মত অর্ধ উলঙ্গ হয়ে গা ধোওয়া নিয়ে অশান্তি। কে আগে জল নেবে, কে আগে কাপড় ধোবে, কে আগে বাসন মাজবে এই নিয়ে নিত্য ঝগড়া ও মারামারি। থানা পুলিশও হয়েছে এ নিয়ে। দক্ষিণ পাড়ার দুটো কলতলাতেই ঝামেলা। কোনের কলতলাতে নিত্য ঝামেলা। মাঝের পাড়ায় দুটি কলতলাতে প্রায়ই ঝামেলা। পাড়ার মোড়ের কলতলাতেও তাই। এই নিয়ে কলতলার আশেপাশের বাড়িওয়ালারা খুবই সমস্যায় রয়েছেন। হাঁড়ি বাসনের ঠোকাঠুকি শুনে ঘুম ভাঙ্গে তাদের। এই কাজগুলো বাড়িতে করতে বললে তারা বলে যে আমাদের বাড়িতে ড্রেন নেই, বাড়ির জল কোন দিকে যাবে? কলের জলের দখল নিয়ে কিছুদিন পরপরই উচ্চগ্রামে চেঁচামেচি করে ঝগড়া ঝামেলা। এর কি কোন সমাধান নেই তবে?
একবার আমাদের উন্নয়ন কমিটির ব্যানারে নিয়মাবলী লিখে চেষ্টা করেছিলাম। পাড়ার গ্রুপে কয়েকবার লিখেও কিছু হয়নি। ক্লাবে একবার ক্লাবের ব্যানারে কলতলার কাছাকাছি পোস্টার দিতে পরামর্শ দিয়েছিলাম। কাজ হয়নি। পার্টির পক্ষ থেকে বলেও কিছু কাজ হয় না। তাহলে কি কলতলা নিয়ে এই বিশৃঙ্খলা চিরকাল অব্যাহত থাকবে? এবার কি তাহলে কলতলার ব্যবহার নিয়ে গ্রামসভা ডাকতে হবে? মানুষের প্রয়োজনে বাড়তি কতগুলো জায়গায় এই কল বসিয়েছিলাম আমরা। কলতলার আশপাশের লোকেরা এই নিয়ে হয়তো আমাদেরকেই অভিসম্পাত করে চলেছে!
লিখনে: নুরুল ইসলাম
24/07/2022
কবরস্থানের মাঝখানের ময়দানের বিস্তৃত জমিতে, শেষকৃত্যে (জানাজাহ) অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রীষ্মের চড়া রোদ থেকে পরিত্রাণ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ৭৫টি বিভিন্ন ধরণের (মেহগনি, দেবদারু, শিরীশ, কৃষ্ণচূড়া, কাঁঠাল সহ আরও কয়েক প্রকার) বৃক্ষজাতীয় গাছ লাগানো হল।
মাঠের আগাছা ও ঘাস কেটে নিয়ে, বড় গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে ভালো মাটি, জল দিয়ে তারপর গাছ বসানো হল। প্রতিটা গাছের গায়ে একটা বাঁশের কঞ্চি অবলম্বন হিসেবে দাঁড় করিয়ে তাতে সাদা পলিপ্যাক বেঁধে দেওয়া হল যাতে পায়ে মাড়িয়ে না গিয়ে সহজেই পরিলক্ষিত হয়। কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল ছেলে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্ষান্ত হয়নি তাদের কমল সায়র উন্নয়ন কমিটির পক্ষ থেকে অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানাই।
07/07/2022
কমল সায়র মহল্লার কবরস্তান। অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই আগাছার জঙ্গলে ভরে গিয়েছিল চারিদিক। ২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাননীয়া নাজমুন আরা বেগমের সহযোগিতায় এবং মহল্লার ছেলেদের উপস্থিতিতে পরিস্কার করা হল কবরস্তানের প্রতিটি দিক। একই সঙ্গে ভেঙ্গে যাওয়া পাঁচিল মেরামত, প্রস্রাবখানায় মার্বেল ও টালি লাগানো ইত্যাদি কাজ করা হল। ঢালাই রাস্তাগুলো ঘঁষে ধুয়ে দেওয়া হল। সাবমার্সিবলের জন্য মিটার বক্স স্থাপন করা হল। সকল কর্মীর জন্য চা, টিফিন ও মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন ছিল। পরিস্কার করার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল কাজের পর্যায়ক্রমে ছবি দেওয়া হল।
কমল সায়র মহল্লাবাসীর জ্ঞাতার্থে নোটিশ
সুধী,
কমল সায়র মহল্লার কবরস্তান বিধায়ক রবিবাবুর বদান্যতায় ও পাড়ার ছেলেদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এক অনন্য মাত্রা পেয়েছিল। পরবর্তীতে উক্ত কবরস্তানের দেখাশোনা বিষয়ক নতুন কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু মাইয়াত বাড়ির রান্নার কাজ বা কবর কাটার কাজটি কিছু ছেলের স্বতঃস্ফূর্ততায় কোনোভাবে হয়ে গেলেও কবরস্তানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজটি ভীষণভাবে অবহেলিত। সাফাই ও মালীর কাজে নিয়োজিত এক ব্যক্তিকে কাজ থেকে ছুটি দেওয়া এবং সাফাই অভিযানে রান্নার আয়োজন না করতে দেওয়ার ফরমান স্বরূপ এবং জঙ্গল কাটা মেশিন খারাপ হয়ে যাওয়ার ফলস্বরূপ যে কবরস্তানটিকে বাগান রূপে সাজানো হয়েছিল তা বিগত তিন বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে অভেদ্য জঙ্গল হয়ে পড়ে থাকছে। ফলে কবরস্তানে জিয়ারতকারী মানুষদের যথেষ্ট সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
অতএব কারণে, আগামীতে কবরস্তানের যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি নতুন "কবরস্তান উন্নয়ন ও মাইয়াত ব্যবস্থাপনা কমিটি" গঠন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সুতরাং এই উদ্দেশ্যে আগামীকাল ৩রা জুলাই, ২০২২ রবিবার রাত্রি ৮:৩০ মিনিটে ক্লাবের সামনে একটি জরুরী মিটিং আহ্বান করা হল। উক্ত মিটিংয়ে মহল্লার সকলের উপস্থিতি কাম্য।
20/03/2022
যুব সম্প্রদায়ের তারুণ্যের শক্তিকে শুভ কাজে আবদ্ধ রাখতে পারলে তারা সমাজের সম্পদ হয়ে ওঠে। অলস অসাড়, স্বার্থপর ও সমাজবিমুখ হয়ে বসে থাকলে বিভিন্ন নেশায় বুঁদ হয়ে এই যুবসম্পদ অকেজো হয়ে যায় বরং পরিবার ও সমাজের পক্ষে তারা ক্ষতিকর হয়ে পড়ে। তাই অন্যান্য বারের মত এবারও কমল সায়র পাড়ার যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পাড়ার জঞ্জাল সাফাই অভিযান করা হলো। আমরা এলাকাবাসীকে আবার একটি জঞ্জালমুক্ত পরিচ্ছন্ন রাস্তা উপহার দিলাম। ময়লা আবার হয়তো হবে, কিন্তু বছরের পর বছর জমে থাকা নোংরা আবর্জনা, ইঁট, বালি, পাথরের অবশিষ্ট, মাটির স্তুপ, কাগজ, পলিথিন, পাতাপত্র, জমা ময়লা ইত্যাদি পরিষ্কার করা হলো। গাছের ডালপালা ছেঁটে দেওয়া হলো। ড্রেনের বন্ধ মুখগুলোকে খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করা হলো। বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকা রাবিশ পরিষ্কার করা হলো। পাড়ার ল্যাম্পপোস্টে ঝুলে থাকা বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং, রাজনৈতিক ব্যানার, পতাকা প্রভৃতি খুলে নেওয়া হলো। সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত কাজ করার শেষে অবশেষ হিসেবে পড়ে রইল পাড়ার এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত একটি ঝকঝকে চকচকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, জঞ্জালমুক্ত রাস্তা।
13/06/2021
কমল সায়র মহল্লার কবরস্থানগুলির মাঝখানের ফাঁকা জমিটি জানাজার নামাজ (মৃতের উদ্দেশ্যে বিশেষ প্রার্থনা) পড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। ফাঁকা মাঠ হওয়ায় গ্রীষ্মের দিনে প্রচণ্ড রোদে এই নামাজ পাঠে নামাজীদের খুব অসুবিধা হতো।
আজ এর সহযোগিতায় এই কবরস্থানের মাঠটির মাঝে মাঝে প্রায় ১০০ টি বৃক্ষজাতীয় ছায়াদার গাছ লাগানো হলো। কমল সায়র উন্নয়ন কমিটির সকল সদস্যের পক্ষে বর্ধমান ফুডিজ ক্লাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
| Monday | 5am - 10pm |
| Tuesday | 5am - 10pm |
| Wednesday | 5pm - 10pm |
| Thursday | 5am - 10pm |
| Friday | 5am - 10pm |
| Saturday | 5am - 10pm |
| Sunday | 5am - 10pm |