12/01/2025
সকলের রইল সাদর আমন্ত্রণ। 🙏
উদ্বোধন- বিকাল ৪ ঘটিকায়।
স্থান - বসিরহাট টাউন হল ময়দান।
💚
Basirhat Municipality was established on 1st April, 1869. The entire area covered was 22.01 sq km. Municipality is constituted with 23 wards.
Basirhat is located at 22.66° N 88.89° E.
12/01/2025
সকলের রইল সাদর আমন্ত্রণ। 🙏
উদ্বোধন- বিকাল ৪ ঘটিকায়।
স্থান - বসিরহাট টাউন হল ময়দান।
💚
বসিরহাট পৌরসভার উদ্যোগে বসিরহাট কোর্টের সামনে থেকে কদমতলার মোড় পর্যন্ত হাই ড্রেনটি সংস্কারের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে।
03/10/2024
ইছামতি ব্রিজের আলোকমালার ও বাতিস্তম্ভের শুভ উদ্বোধনের কিছু সুন্দর মুহূর্ত।
#বসিরহাট_পৌরসভা
02/10/2024
বসিরহাট বোট ঘাট ও শ্মশান ঘাটের তর্পনের সুন্দর কিছু মুহূর্ত ।
#বসিরহাট_পৌরসভা
02/10/2024
RRR center
Reduce - Re - use - Re cycle.
পুরানা জিনিস পুনরায় ব্যবহার এর উপযোগী করে গরীব মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে তাদের পছন্দ মতো বিতরণ করবার প্রতিষ্ঠান এর শুভ উদ্বোধনের
কিছু মুহূর্ত ।
#বসিরহাট_পৌরসভা
*একটি* *ব্যতিক্রমী* *বাঙালি* *প্রতিষ্ঠানের* *ইতিহাস* ।
তার নাম হল সাধনা ঔষধালয়,ঢাকা। আজকের দিনে বড় বেমানান এই প্রতিষ্ঠান।
দোকান বন্ধ। অথচ কর্মচারীদের এখনও বসিয়ে বসিয়ে মাহিনা দেয়। সারা ভারতবর্ষে একটি বিরল ঘটনা।
আজ ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।
১৯০৫ সাল বঙ্গভঙ্গ।
চারিদিকে তখন স্বদেশি আন্দোলনের জোয়ার।
বিদেশি পণ্য বয়কট কর।
দেশিয় শিল্প গড়ে তুলতে নেমে পড়লেন একদল উদ্যোগী বাঙালি যুবক।
একের পর এক দেশিয় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠল।
এইচ বোসের কলের গান,কেশতেল, দেলখোশ সুবাস, সি কে সেনের জবাকুসুম, বেঙ্গল পটারি,বেঙ্গল গ্লাস ফ্যাক্টরি, পি এম বাকচির কালি, সুগন্ধি, মোহিনী মিলের কাপড়ের কারখানা,সেন রেলের সাইকেল কারখানা এবং আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যাল আরো কত শিল্প।
আর এই পথ ধরে এক বাঙালি যুবক গড়ে তুললেন ঢাকায়, সাধনা ঔষধালয়।
--------------------------------------------------
নাম তার যোগেশচন্দ্র ঘোষ।
সেই আমলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের এম এ।
ভাগলপুরে অধ্যাপনার চাকরি ছেড়ে মাস্টারমশাই আচার্য পি সি রায়ের অনুপ্রেরণায় গড়ে তুললেন আয়ুর্বেদ ঔষধের কারখানা।
তার নাম হল সাধনা ঔষধালয় ঢাকা।
অচিরেই এই প্রতিষ্ঠানের নাম সারাভারতে ছড়িয়ে পড়ল।
সুভাসচন্দ্র বসু, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই প্রতিষ্ঠানের ওষুধ ব্যবহার করতেন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জ্বর হলেই এই প্রতিষ্ঠানের ওষুধ খেতেন।
সেইসময় প্রায় চারশোর বেশি শাখা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছিল।
পণ্য রফতানি হত আমেরিকা,চীন, ইরাক, ইরান, আফ্রিকার দেশে।
এবার এল সেই দিন! ১৯৭১ সাল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
যোগেশচন্দ্র পরিবারের সকলকে কলকাতায় পাঠিয়ে দিলেন।
শত বলা সত্বেও বাংলাদেশ ছেড়ে গেলেন না।
বললেন, মরলে এখানেই মরবো।
তবু এদেশ ছেড়ে কোথাও যাবো না।
ফলে যা হবার হল।
১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস।
সশস্ত্র খান সেনেরা কারখানায় এলো।
গুলি করে খুন করল যোগেশচন্দ্র ঘোষকে।🙂
তবু ফ্যাক্টরি বন্ধ হল না।
কারণ সাধনা ঔষধালয়ের প্রডাক্টের চাহিদা তখনও ভারতজুড়ে।
------------------------------------------------
একশো তিরিশটা দোকান চলছে ভারতে।
কলকাতায় তিরিশটা শাখা।
দাক্ষারিস্ট,চ্যবনপ্রাশ, সারিবাদি সালসা, জ্বরের ওষুধ,বিউটি ক্রিম আরো কত প্রডাক্টের তখনও হেভি ডিমান্ড।
৮০ সাল পর্যন্ত কোম্পানি চার কোটি টাকা লাভ করেছে।
তারপর ২০০৮ থেকে ২০১২ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায় আধুনিকীকরণের অভাবে।
অনেক দোকান তবু খোলা ছিল।
কিন্তু যোগেশচন্দ্রের অলিখিত নিয়ম অনুযায়ী কর্মীদের বেতন দেওয়া বন্ধ হল না।
তাদের চলবে কিভাবে?
সারা ভারতবর্ষে এই ঘটনা এক বিরল দৃষ্টান্ত।
যেখানে মালিকরা শ্রমিক কর্মচারীদের পি এফ, গ্র্যাচুয়াটির টাকা মেরে দেয় সেখানে যোগেশচন্দ্ররা ব্যতিক্রম তো বটেই।
সব মালিক যদি এরকম হত!
এই কোম্পানির জীবিত একমাত্র বংশধর হলেন শীলা ম্যাডাম।
তিনিই উত্তরাধিকার সূত্রে বর্তমানে কোম্পানির মালিক।
তিনি বিবাহ করেননি।
তিনি আধ্যাত্মিকতা নিয়ে থাকেন।
এই কোম্পানির বর্তমানে কিছু দোকান এখনও খোলা আছে।
অনেক ওষুধই নেই।
বিক্রি একরকম নেই।
কর্মচারীরা বলেন আজকের দিনে ৩৪ টাকা কিংবা ৫৫ টাকায় কোন ওষুধ পাওয়া যায়?
দাম বাড়ানো দরকার।
কিন্তু শীলা ম্যাডাম অনড়।
তিনি বলেন অল্প লাভ রেখে গরীব মানুষের পাশে একটু দাঁড়ালে ক্ষতি কি?
অত টাকা করে কী লাভ?
যতদিন পারে চলুক।
তবু টিমটিম করে জ্বলছে শতবর্ষের বেশি প্রাচীন সাধনা ঔষধালয়।
এখনও কলকাতা ও রাজ্যের বুকে দু'একটা রঙচটা সাধনা ঔষধালয়ের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে,
" সাধনা ঔষধালয়, ঢাকা" একটি আয়ুর্বেদিক প্রতিষ্ঠান।
কালের নিয়মে একদিন হারিয়ে যাবে এই প্রতিষ্ঠান।
শুধু জেগে থাকবে এক দেশপ্রেমিক বাঙালির স্বপ্ন,
"সাধনা ঔষধালয়। "
শ্রদ্ধা ছাড়া আর কিবা জানাতে পারি আপনাকে যোগেশচন্দ্র ঘোষ মহাশয়।
তথ্যসূত্রঃ
আনন্দবাজার পত্রিকার নিবন্ধ।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
(শ্রী প্রবীর বরণ বসুর সৌজন্যে)
02/10/2023
১লা অক্টোবর অর্থাৎ স্বচ্ছতা অভিযানের দিন।
সেই উপলক্ষে বসিরহাট পৌরসভার পক্ষ থেকে কিছু সুন্দর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তারই কিছু বিশেষ মুহূর্ত।
#স্বচ্ছতাঅভিযান
বসিরহাট পৌরসভা 🙏
29/08/2023
#দুয়ারে সরকার
বসিরহাট পৌরসভা
05/06/2023
বসিরহাট পৌরসভার উদ্যোগে বসিরহাট পৌরসভার সামনে থেকে কদমতলা পর্যন্ত এবং জেলখানার মোড় থেকে পায়েল বিয়ে বাড়ি পর্যন্ত ব্যাস্ততম শহরে রাত জেগে ঢালাই রাস্তার কাজ চলছে জোর কদমে ।
#বসিরহাট-পৌরসভা
গতকাল উড়িষ্যায় যে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে গেছে সেই অভিশপ্ত করমন্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনে যদি কোন বসিরহাট বাসী থাকেন, সত্ত্বর নীচের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন।
সৌজন্যে --
বসিরহাট পৌরসভা
৯৫৬৪২৩১৩৬২
৯৭৩২৭৬৭৭৬৭
৭০০১৬৫২৫৯২
৭৯০৮৯৩৭৪৬২
বসিরহাট পৌরসভা থেকে জনস্বার্থে প্রচারিত🙏
01/06/2023
বসিরহাট পৌরসভার তত্বাবধানে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড এর ছবি তোলা হবে। আগামী ইংরেজি 5 , 6 , 7 ই জুন 2023 সোম, মঙ্গল, বুধবার বোটঘাট অপরাজিতা অফিসে সকাল 11 টা থেকে ।
আধার কার্ড, URN নং
সাথে নিয়ে যেতে হবে ।
07/04/2023
আগামী 24 শে চৈত্র অর্থাৎ আগামীকাল শনিবার মধ্যরাতে বসিরহাট পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় বাবার ভক্তদের নিয়ে নিমাই তীর্থ ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হবে। সকল বাবার ভক্ত সন্ন্যাসীদের পৌরসভার পক্ষ থেকে বাসে করে আপনাদের নিমাই তীর্থ ঘাট পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনারা সকলেই সেই বাসে করে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে উঠে বাবার ধামের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন সকলকে বসিরহাট পৌরসভার পক্ষ থেকে জানাই প্রণাম ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা। সবাই তারকেশ্বর বাবার ধাম থেকে ভালোভাবে পুজো দিয়ে ফিরে আসুন এই শুভ কামনা রহিলো বসিরহাট পৌরসভার পক্ষ থেকে।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*বাস ছাড়িবার নির্দিষ্ট স্থান* :
ওয়ার্ড নং ১ : ফায়ার ব্রিগেড অফিসের মোড়
ওয়ার্ড নং ২৩ : জেলেপাড়া মোড়
ওয়ার্ড নং ৩ : দন্ডিরহাট সবুজ সংঘ
ওয়ার্ড নং ৪ : মন্দির হাটখোলা
ওয়ার্ড নং ৬ : পশ্চিম দন্ডির হাট পারুই পাড়া
ওয়ার্ড নং ৭ : পায়েল মোড়
ওয়ার্ড নং ৮ : মুন্সির বাগান লিভাগড বাড়ির সন্নিকটে
ওয়ার্ড নং ৯ : দেশবন্ধু ক্লাব
ওয়ার্ড নং ১০ : জামরুলতলা বালিঘাট
ওয়ার্ড নং ১১ : দেবদূত সংঘের মাঠ
ওয়ার্ড নং ১২ : আনন্দময়ী স্কুলের মাঠ
ওয়ার্ড নং ১৪ : হালদার হোন্ডা শোরুম
ওয়ার্ড নং ১৫ : প্রান্তিক ফুটবল ময়দান
ওয়ার্ড নং ১৬ : হরিশপুর মোড়
ওয়ার্ড নং ১৭ : ওয়ার্ড এর পার্টি অফিসের সন্নিকটে
ওয়ার্ড নং ২০ : ট্যাটরা বাজার
ওয়ার্ড নং ১৮ : ভ্যাবলা রেলগেট
ওয়ার্ড নং ২১ : ভ্যাবলা রেলগেট করাত কলের সন্নিকটে।