23/02/2023
মাধ্যমিক রুটিন
You respect your school so
Like our new school page
ex student and runnig student. Want to more deta Want to more details please LIKE this
PAGE.;
23/02/2023
মাধ্যমিক রুটিন
26/09/2022
২৬শে সেপ্টেম্বর এক মহামানবের জন্মদিন।
১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবাবিবাহ আইন পাস তো হলো, কিন্তু সেই আইন মেনে বিয়েটা করবে কে?
বিদ্যাসাগর বলেছিলেন, ‘বিধবার বিয়ে হবে, আমিই দেব।’ এরপর নিজের ছেলের সাথে একজন বিধবা নারীর বিয়ে দিয়ে তিনি ভেঙ্গে দিয়েছিলেন হাজার বছরের মিথ্যে এই প্রথা।
ঝাড়খণ্ডের মধুপুর ও জামতাড়ার মাঝের স্টেশন কর্মাটাঁড়। নির্জন পরিবেশ।। মাঝে শাল, পলাশ ও কর্মা গাছের জঙ্গল। সালটা আনুমানিক ১৮৭৩। সাঁওতাল সম্প্রদায় অধ্যুষিত এই জায়গাই পছন্দ হয়ে গেল বিদ্যাসাগরের। স্থানীয় এক ইংরেজ মহিলার কাছ থেকে প্রায় তিন একর ১৯ ডেসিমেলের এই জায়গাটি কেনেন।
এখানেই তিন কামরার একটি ছোট বাড়ি বানান বিদ্যাসাগর। নাম দেন ‘নন্দনকানন’। রাতের স্কুল চালানোর জন্য মাঝখানে একটি হলঘর, এক পাশে শোবার ঘর, অন্য পাশে অধ্যয়নকক্ষ। পিছনের দিকে রান্নাঘর, শৌচাগার ও স্নানাগার। খুব বাগানপ্রিয় ছিলেন। বাড়িতে ঢোকার ডান দিকে নিজের হাতে লাগিয়েছিলেন একটি কিষাণভোগ আমগাছ। ঝাঁকড়া সেই আমগাছ আজও দাঁড়িয়ে। শোওয়ার ঘরে অযত্নেই পড়ে আছে তার খাট। এক পাশে আছে লেখার জলচৌকিটাও। বাগানের দেখভালের জন্য কালী মণ্ডল নামের এক মালিও ছিল তার। ওই মালিকে দিয়েই বাগানের শেষ প্রান্তে লাগিয়েছিলেন একটি ভাগলপুরি ল্যাংড়া আমগাছ। একমাত্র ছেলে নারায়ণচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের আচরণে ক্ষুব্ধ বিদ্যাসাগর ১৮৭২ সালে তাকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেন। কিছু দিন পরেই মারা যান বিদ্যাসাগরের স্ত্রী দীনময়ী দেবী। নিঃসঙ্গ বিদ্যাসাগর একটু নির্জনতার সান্নিধ্য পেতে কর্মাটাঁড়ে এসে উপস্থিত হন। জীবনের শেষ ১৭ বছর তিনি এখানেই অতিবাহিত করেন। তবে বিদ্যাসাগর এই বসতবাড়ি তৈরি করেছিলেন বিশ্রামের জন্য নয়। তিনি নারীশিক্ষার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এখানে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তার প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ বুৎপত্তি ছিল তাঁর। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ করে তোলেন। বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। রচনা করেছেন জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয় সহ একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা।
অন্যদিকে বিদ্যাসাগর মহাশয় ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারকও। বিধবা বিবাহ ও স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন, বহুবিবাহ ও বাল্য বিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ দূরীকরণে তাঁর অক্লান্ত সংগ্রাম আজও স্মরিত হয় যথোচিত শ্রদ্ধার সঙ্গে। বাংলার নবজাগরণের এই পুরোধা ব্যক্তিত্ব দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘দয়ার সাগর’ নামে। দরিদ্র, আর্ত ও পীড়িত কখনই তাঁর দ্বার থেকে শূন্য হাতে ফিরে যেতো না। এমনকি নিজের চরম অর্থসংকটের সময়ও তিনি ঋণ নিয়ে পরোপকার করেছেন। তার পিতামাতার প্রতি তার ঐকান্তিক ভক্তি ও বজ্রকঠিন চারিত্রিক বল বাংলায় প্রবাদপ্রতিম। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর মধ্যে দেখতে পেয়েছিলেন প্রাচীন ঋষির প্রজ্ঞা, ইংরেজের কর্মশক্তি ও বাঙালি মায়ের হৃদয়বৃত্তি।
বাঙালি সমাজে বিদ্যাসাগর আজও এক প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরে তাঁর স্মৃতিরক্ষায় স্থাপিত হয়েছে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়। রাজধানী কলকাতার আধুনিক স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন বিদ্যাসাগর সেতু তাঁরই নামে উৎসর্গিত।
বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মগ্রহন করেন এবং ১৮৯১ সালের ২৯শে জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুরে পরলোকগমন করেন।
বিদ্যাসাগরের জীবনী থেকে সংকলিত।
10/09/2022
তাৎক্ষণিক বক্তৃতায় আমাদের বিদ্যালয় বসিরহাট 1এ প্রথম হয়েছে,তার পুরস্কার দিচ্ছে আমাদের মাননীয় বিধায়ক বসিরহাট দক্ষিন।
07/09/2022
আমাদের বিদ্যালয় এর ছাত্রছাত্রীদের youths parliament 07/09/22
05/09/2022
সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে জানাই শিক্ষক দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা
26/08/2022
25/08/2022
মিড-ডে মিলের নতুন মেনু
15/08/2022
Happy Independence Day
09/07/2022
সকলকে জানাই ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন
24/06/2022
Congratulation
Congratulation 1k like complite
সবাই কে অসংখ্য ধন্যবাদ
| Monday | 9am - 5pm |
| Tuesday | 9am - 5pm |
| Wednesday | 9am - 5pm |
| Thursday | 9am - 5pm |
| Friday | 9am - 5pm |
| Saturday | 9am - 2pm |