Grassroot Social Media Community

Call Directions Contact the organization

Grassroot Social Media Community Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Grassroot Social Media Community, 30-B, Harish Chatterjee Street, , Kalighat, Kolkata/, Calcutta Bara Bazar.

(রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকারের কাজের ভুল ত্রুটির সমালোচনা করতে পারেন!! কিন্তু কোনো কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রী কে কোন গালাগালি নয় অন্যথা ব্যান করতে বাধ্য থাকিবো 🙏)

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর পরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া মানুষ আবার নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা ইআরও-র কাছে নাম তোলার...
28/09/2026

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর পরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া মানুষ আবার নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা ইআরও-র কাছে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। ফর্ম ৬ জমা দিয়ে নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগও রয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর এমন সিদ্ধান্তই একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অথচ এই একই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি ট্রাইবুনালে নাম ফেরানোর জন্য ২২ লক্ষেরও বেশি বাদ পড়া ভোটারের আপিল ঝুলছে।

এই বিপুল আপিলের চাপ সামলাতে কমিশন কয়েক দিন আগেই ট্রাইবুনালের সংখ্যা ১৯ থেকে ৪২ করার প্রস্তাব দিয়েছিল। কারণ ৩৭ লক্ষেরও বেশি মামলা তখনও নিষ্পত্তি হয়নি। তার পরেই বাদ পড়া ভোটারদের জন্য আবার ইআরও-র মাধ্যমে নাম তোলার পথকে সামনে আনা হল।

ইআরও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার ব্যবস্থা অবশ্য নতুন নয়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেও ‘ধারাবাহিক হালনাগাদ’-এর মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তি ফর্ম ৬ জমা দিয়ে নিজের নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের জটিলতা তৈরি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ ব্যবস্থার কারণে।

ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে ‘অনাস্থা’-র কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর-এর প্রায় ৬০ লক্ষ বিতর্কিত নামের দাবি ও আপত্তি বিচার করার দায়িত্ব সাধারণ প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের দেয়।

১০ মার্চ আদালত আরও স্পষ্ট করে জানায়, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনও প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে আপিল করা যাবে না। সেই আপিল শুনতে প্রাক্তন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতিদের নিয়ে বিশেষ ট্রাইবুনাল তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়।

১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এই ট্রাইবুনাল বাদ পড়া ভোটারের নাম ফেরানোর আবেদন যেমন শুনবে, তেমনই তালিকায় রাখা কোনও নামের বিরুদ্ধে ওঠা আপত্তিও বিচার করবে। অর্থাৎ ট্রাইবুনাল ছিল এসআইআর-এর জন্য তৈরি আলাদা বিচারিক আপিল ব্যবস্থা।

এখন বাদ পড়া একজন ভোটারের সামনে দু’টি পথ থাকছে। আগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ট্রাইবুনালে আপিল চলতে পারে। আবার ফর্ম ৬ দিয়ে ইআরও-র কাছেও নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করা যায়।

আইনি ভাবে দু’টি এক নয়। একটি আগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল। অন্যটি নতুন অন্তর্ভুক্তির আবেদন। কিন্তু বাস্তবে একই ভোটারের নাম নিয়েই দু’টি প্রক্রিয়া চলতে পারে। ট্রাইবুনালে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ইআরও নাম তুলে দিলে সেই আপিলের কী হবে? ট্রাইবুনাল পরে অন্য সিদ্ধান্ত নিলে কোনটি কার্যকর হবে? কমিশনের নতুন পদক্ষেপে এই সম্পর্ক এখনও স্পষ্ট নয়।

এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে, যখন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েই দেশজুড়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ২৫ সেপ্টেম্বর কংগ্রেস একাধিক রাজ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে পাঁচ বাম দলও কমিশনের বিরুদ্ধে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে।
ফলে প্রশ্ন শুধু ফর্ম ৬-এর নয়। আইনে ইআরও-র পথ আগে থেকেই ছিল। কিন্তু ২২ লক্ষেরও বেশি বাদ পড়া ভোটার যখন ট্রাইবুনালে অপেক্ষা করছেন, তখন কমিশন কেন এখন সেই প্রশাসনিক পথকেই নতুন করে সামনে আনছে?

ফলে দেশজোড়া চাপের মুখেই কি কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত? ট্রাইবুনালের দীর্ঘ জট কাটাতে পুরনো আইনি পথকেই সামনে আনা হল? তাহলে ট্রাইবুনালে ঝুলে থাকা ২২ লক্ষেরও বেশি আপিলের ভবিষ্যৎ কী? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

তথ্যসূত্র: সুপ্রিম কোর্টের ২০ ফেব্রুয়ারি, ১০ মার্চ ও ১৩ এপ্রিল ২০২৬-এর নির্দেশ; নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর; ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ১৮–২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬; দ্য প্রিন্ট/পিটিআই, ২৫–২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

27/09/2026

পুরো কাঁচা 🤣🤣বিজেপি কে বিজেপি র ভাষা তে ই জবাব

Kunal Ghosh দাদা 🔥🔥🔥🔥




ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। নির্বাচন কমিশন আজকে মিটিং ডেকে বলে দিয়েছে, যাদের নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি, তাদের বাড়...
27/09/2026

ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। নির্বাচন কমিশন আজকে মিটিং ডেকে বলে দিয়েছে, যাদের নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি, তাদের বাড়িতে বিএলও'রা যাবে, নাম তোলার বন্দোবস্ত করা হবে। তার মানে ট্রাইবুনালের শুনানি আর হবে না? বিহার এবং বাংলার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে?

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল বিচারাধীন থাকা প্রায় ২৭ লক্ষ অসহায় নাগরিক, যারা প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ভাসছেন, তাদের কী হবে, তা কাউকে স্পষ্ট করতে হবে। যৌক্তিক অসঙ্গতি ও গত বছরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির মারাত্মক মিশ্রণ এবং একটি জবাবদিহিহীন ও দিশেহারা প্রশাসনের সাথে এই পুরো এসআইআর কাহিনীটি একটি দুর্বল জনগোষ্ঠীকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। এর জন্য দায়ীদের পদত্যাগ করতেই হবে। শুধু প্রেস বিজ্ঞপ্তি যথেষ্ট নয়।

তবে যাই হোক এই নতুন নিয়ম চালু হোক বা না হোক, উত্তর দিতে হবে কেন এত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হলো, সেই উত্তর কিন্তু গণেশকে দিতে হবে, বলতে হবে, কে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল? এত লোক যে মারা গেল, তার জন্য দায়ী কে? পদত্যাগ করতেই হবে, উপায় নেই জেঠু।

শমীক বাবু ক্রমশঃ "ভাটাচার্য" হয়ে যাচ্ছেন | কাল যারা আক্রমণ করেছে তারা আপনাদের মন্ডল সভাপতি ও সাঙ্গপাঙ্গ সেটা ছবি সহ প্র...
27/09/2026

শমীক বাবু ক্রমশঃ "ভাটাচার্য" হয়ে যাচ্ছেন |
কাল যারা আক্রমণ করেছে তারা আপনাদের মন্ডল সভাপতি ও সাঙ্গপাঙ্গ সেটা ছবি সহ প্রমানিত হয়েছে |
তাছাড়া, ব্যর্থতা প্রশাসনের | ইনি কেন "আমি তো কলা খাইনি " বলে হুপ হুপ করেন বুঝিনা |




বেশীরভাগ ভারতবাসী এদের চেনেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এদের চেনেন এবং প্রতিটি মানুষের জীবনকে নরক ক...
27/09/2026

বেশীরভাগ ভারতবাসী এদের চেনেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এদের চেনেন এবং প্রতিটি মানুষের জীবনকে নরক করে দেওয়ার জন্যও চেনেন।
সুতরাং, ঐ সব বিষয়ে এই পোষ্টে কিছু উল্লেখ করছি না।
দুটো ভিন্ন ঘটনায়, এদের অমানবিক ও পৈশাচিক পরিচিতি আপনাদের জানাতে চাই।
এক: নরেন্দ্র মোদী ।
নরেন্দ্র মোদী তখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। গুজরাটে ২০০২ সালে, সরকারের মদতে, ভয়ঙ্কর দাঙ্গা বাধানো হলো। ফেব্রুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ থেকে মার্চ মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত ঐ দাঙ্গা চলেছিল।
খবর পেয়েই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী গুজরাট সরকারকে দাঙ্গা থামাতে সাহায্য করার জন্য মিলিটারি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু মোদী ঐ ফোর্সকে দাঙ্গা পীড়িত জায়গায় মোতায়েন ( deployment) করে নি। ফোর্সকে পুলিশ ব্যারাকে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। রাজ্য পুলিশ এবং আধা পুলিশ বাহিনীকেও, ইচ্ছাকৃত ভাবে দাঙ্গা রোধে ব্যবহার করা হয় নি।
ঐ দাঙ্গায় সরকারি হিসেবে ১০৪৩ জন খুন হয়েছিল, ২২৩ জন মিসিং হয়ে গিয়ে ছিল এবং আড়াই হাজার জন আহত হয়েছিলেন। কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছিল। অগনিত মহিলা ধর্ষিতা হয়েছিল। এমনকি, ত্রিশূল দিয়ে গর্ভবতী মায়েদের পেট চিরে ভ্রুণ বার করা হয়েছিল।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী ঐ দাঙ্গা স্রেফ টিভির পর্দায় দেখতো। দাঙ্গা থামানোর... বলা ভালো, একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ দের বাঁচানোর কোন চেষ্টা করে নি।
পরবর্তীতে লোকটা, ঐ দাঙ্গা বাধানোর এবং দাঙ্গায় তার ভূমিকার কথা সদর্পে প্রচার করে , অর্থাৎ, ধর্মের তাস খেলে, ভোটে জয়ী হয়েছিল।

অমিত শাহ্ -র নাম" টাডিপার" ( externed বা বহিষ্কৃত ) এবং জেল খাটা কয়েদী।
অমিত শাহ্, পাঁচটা খুনের ঘটনায় জড়িত। তার মধ্যে সোহরাব উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে এবং তুলসিরাম প্রজাপতিকে ফেক একাউন্টার করে মারার সময় অমিত শাহ্-র বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছিল, সেই তদন্তের স্বার্থে ওকে গুজরাট হাইকোর্ট গুজরাট থেকে বহিস্কার বা "টাডিপার" করে দিয়েছিল। দু বছর রাজ্যের বাইরে ছিল।
এই সময়ে অমিত শাহ্ তিন মাস জেল খেটেছিল। পরে জামিন পেয়ে ছিল।
অমিত শাহ্ -র বিরুদ্ধে বাকি যে দুজনকে মার্ডার করার অভিযোগ ছিল, তাদের মধ্যে একজন হলেন বিচারপতি লোয়ার ( ইনি অমিত শাহ্ -র ফেক এনকাউন্টার কেসের বিচারপতি ছিলেন ... এনার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল ) এবং দ্বিতীয় জন হলেন, জনৈক পান্ডিয়া, যিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে, নরেন্দ্র মোদীর প্রবল প্রতিপক্ষ ছিলেন।
এই দুটো লোক, মোদী এবং অমিত শাহ্, দেশের ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করছে এবং সমস্ত অগণতান্ত্রিক , স্বৈরাচারী ও নারকীয় ঘটনার জন্য সরাসরি বা অপ্রত্যক্ষভাবে জড়িত । আক্ষেপের বিষয়, এদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত আমরাই করেছি।
যা ভুল হবার হয়ে গেছে। সময় আসছে। এই দুটোকে তাড়িয়ে একটা গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন সরকার গঠন করতে হবে।
⚠️ সম্পাদকীয় নোট:
এটি একটি AI-assisted ব্যঙ্গাত্মক/প্রতীকী রাজনৈতিক শিল্পকর্ম। ব্যবহৃত ছবি, shadow, চরিত্র ও সংলাপ মতামত ও ব্যঙ্গের উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত; এগুলিকে কোনো ব্যক্তির হুবহু বক্তব্য বা বাস্তব ঘটনার সরাসরি প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
“AI-সহায়তায় নির্মিত ব্যঙ্গাত্মক সম্পাদকীয় উপস্থাপনা • প্রতীকী চরিত্র • মতামতমূলক বিষয়বস্তু”


সীমা ছাড়ানো  #মা_সিমা‼️ #আরোগ্য_সেতু এ্যাপের কথা মনে পড়ে আপনাদের⁉️ মাত্র ২১ দিনে তৈরি হওয়া একটা এ্যাপ যাকে নিয়ে ভয়া...
27/09/2026

সীমা ছাড়ানো #মা_সিমা‼️
#আরোগ্য_সেতু এ্যাপের কথা মনে পড়ে আপনাদের⁉️ মাত্র ২১ দিনে তৈরি হওয়া একটা এ্যাপ যাকে নিয়ে ভয়াবহ করোনা আবহে #থালা_বাটি_ঘটি সহ বেজায় ঢাকঢোল পিটিয়েছিলো কেন্দ্র সরকার, মনে পড়ছে⁉️
আগা পাশ তলা না ভেবেই আমরা, আপামর ভারতীয়রা করোনা সংক্রমনের খবরাখবর জানতে নিজেদের মুঠোফোনে নামিয়েছিলাম এই এ্যাপটাকে। আমরা তখন ভেবে উঠতেই পারিনি যে স্বভাবসিদ্ধ বিশ্বসে সরকারকে নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আমরা নিজেরাই নিজেদের নাগরিকত্বকে খাদের কিনারায় নিয়ে যাচ্ছি‼️২০২০ সালের ২রা এপ্রিল এই এ্যাপ বাজারে আনে ভারত সরকার। মুহুর্তের মধ্যে তা ডাউনলোড হয় #কয়েকশো_কোটি এ্যান্ড্রয়েড ফোনে‼️ আর তাতেই সরকারের করায়ত্ত হয়ে যায় #ডেটা। প্রশ্ন উঠতেই পারে এখানে #সীমা_খান্না কি করেছেন⁉️ #নাগপুরের_গোয়ালঘরের বদান্যতায় #পেছনের_দরজা দিয়ে এই #মা_সিমা তখন NIC (National Informatics Centre) এর ‼️তার সঙ্গেই আরোগ্য সেতু এ্যাপ নির্মাণকারী দলের #গুরুত্বপূর্ণ_আধিকারিক, দায়িত্ব পেয়েছেন Data/Massaging এর। অর্থাৎ ভারতবর্ষের অধিকাংশ নাগরিকের যাবতীয় তথ্য #সীমার_সীমায়_বন্দি‼️
২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে হোঁচট খেয়েই #গুজরাট_লবি বুঝে যায় #হাওয়া_খতম। সুতরাং........ #নির্বাচন_নিষেধ‼️ #পোষা জ্ঞানের গুপ্তা কে বসিয়ে দেওয়া হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনের চেয়ারে। কিন্ত ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলেই তো সমুহ বিপদ‼️ এইখানেই ডাক পড়ে সীমা খান্নার। ২০২৫ সালে NIC থেকে Deputation এ ECI (Election Commission Of India) আনা হয় #মা_সিমা কে তাও আবার Director General (IT) বানিয়ে‼️তামাম ভারতবাসীর তথ্য সেই করোনাকাল থেকে #আরোগ্য_সেতুর দৌলতে যার #কোল_কম্পিউটারে (Laptop) গচ্ছিত রয়েছে তার হাতেই দায়িত্ব এলো পরবর্তীতে এর। শুরু হয়ে গেলো #নজিরবিহীন SPECIAL INTENSIVE REVISION (SIR)‼️
Chronology বুঝুন। বাজার গরম করতে মহল্লায় মহল্লায় ছেড়ে দেওয়া হলো ELECTORAL REGISTRATION OFFICERS (ERO), তাঁরা তথ্য সংগ্রহ করছেন, হেয়ারিং করছেন, রিপোর্ট তৈরি করছেন, ব্যাস ঐ টুকুই‼️ আসল খেলোয়াড় তো তাঁর #কোল_কম্পিউটারের বোতামের এক খোঁচাতেই ভারতবর্ষের তামাম ভোটারদের নিয়ে #জাগলিং করে যাচ্ছেন। দরকারে হয় ভোটার তালিকায় জুড়ে দিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ নাম নয় #কাটছেন_কোটিতে‼️আজ পর্যন্ত #মোট_তেরো_কোটি বৈধ ভোটার #তালিকার_বাইরে, এর প্রত্যক্ষ #খলনায়ক যদি জ্ঞানেশ হয়, নেপথ্যের #খলনায়িকা অবশ্যই #সীমা_খান্না‼️
দেশের গণতন্ত্রকে শেষ করে দিয়ে কাদের সুবিধা করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছিলো এটা বলে আবার দেশদ্রোহীতার মামলা খেতে চাই না‼️
জুঝে নিন আজ, বুঝিয়ে দিন আগামীতে‼️

আবার পর্দা ফাঁস জ্ঞানেশ কুমারের! চেয়ারে বসেই বিজেপি পার্টির হয়ে কাজ! কেরালার প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে বিজেপি’র প্রার্থী হওয়া...
27/09/2026

আবার পর্দা ফাঁস জ্ঞানেশ কুমারের! চেয়ারে বসেই বিজেপি পার্টির হয়ে কাজ! কেরালার প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে বিজেপি’র প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমার!

আবার পর্দা ফাঁস জ্ঞানেশ কুমারের! বিজেপি’র প্রার্থী হওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। পরে যিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আসীন হন।
জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যে এই দাবি জানালেন কেরালার প্রাক্তন মুখ্যসচিব জিজি থমসন।
অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক জিজি থমসন জানিয়েছেন কেরালার পথনমথিত্তা লোকসভা কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী হতে বলেছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পদ নিতেও বলেছিলেন।
থমসন জানিয়েছেন ২০১৯’র লোকসভা ভোটের জন্য প্রার্থী হতে বলেছিলেন জ্ঞানেশ কুমার।
থমসন বলেছেন, ‘‘২০১৬ সালে একটি বিমানে দু’জনেই এক সঙ্গে যাচ্ছিলাম। জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে আমার ভালই সম্পর্ক ছিল। সেই বছরই আমার অবসর নেওয়ার কথা ছিল। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইছিলেন তিনি। সেই আলোচনাতেই বলেন বিজেপি’র প্রার্থী হতে। জয়ী হলে কেন্দ্রে মন্ত্রী হওয়ার কথাও বলেন তিনি। আমি তাঁর প্রস্তাবে রাজি হইনি।’’
সংবাদমাধ্যমে থমসনের মন্তব্য, আমার কাছে আশ্চর্যের যে কোনও বিজেপি নেতা নন, একজন কর্মরত আইএএস আধিকারিক কিভাবে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিতে পারেন!
এদিকে লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল ‘এক্স’-এ লিখেছেন, প্রথমে জ্ঞানেশ কুমার কর্মরত আইএএস আধিকারিক পদে আসীন থেকে বিজেপি’র পক্ষে লোক নিয়ে আসার কাজ করতেন। তারপর মোদী এবং শাহ তাঁকে আম্পায়ার নিয়োগ করেন যাতে ভারতের নির্বাচনে ম্যাচ ফিক্সিং করা যায়!
তথ্যসূত্র :CSM MEDIA
https://www.facebook.com/GrassrootOfficial
Pls Pls follow the link above and share the post to your friends and relatives 🙏🙏
#পশ্চিমবঙ্গ #বাংলারখবর #বাংলারকথা #বাংলাররাজনীতি #জনতারকথা #জনমত


কাল একটা নির্বাচন কমিশন চ্যাট জিপিটি থেকে বানিয়ে কি একটা পোস্ট করেছে জানি না।কিন্তু: যেসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি নি...
27/09/2026

কাল একটা নির্বাচন কমিশন চ্যাট জিপিটি থেকে বানিয়ে কি একটা পোস্ট করেছে জানি না।
কিন্তু: যেসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে।

১-ফর্ম ৬ (Form 6) সংক্রান্ত বিতর্ক: কমিশন জানিয়েছে নির্ধারিত নিয়ম মেনেই ফর্ম কার্যকর হবে, কিন্তু অনলাইনে (ECINet) বাবা-মায়ের পরিচয় সংক্রান্ত যে অতিরিক্ত প্রশ্নটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল, সেটি আদৌ সরানো হয়েছে কি না বা কার নির্দেশে তা যুক্ত করা হয়েছিল, সে বিষয়ে কমিশন নীরব।

২-পশ্চিমবঙ্গের আপিল বিতর্ক: আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ভোটার তালিকায় নাম তোলা আটকানোর জন্য কারা কমিশনের নামে আপিল দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, তার কোনো স্পষ্ট জবাব মেলেনি।

৩-সফটওয়্যার চালু না করা: গোয়ায় বাদ পড়া নাম পুনরুদ্ধারের জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছিল, তা কেন চালু করা হয়নি, তা ব্যাখ্যা করা হয়নি।

৪-আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ: আইটি বিভাগের ডিজি সীমা খান্না এবং বরিষ্ঠ উপ-নির্বাচন কমিশনার মণীশ গর্গের বিরুদ্ধে দুই কমিশনার ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন; তাঁদের বিষয়ে কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা জানানো হয়নি।
⚠️ সম্পাদকীয় নোট:
এটি একটি AI-assisted ব্যঙ্গাত্মক/প্রতীকী রাজনৈতিক শিল্পকর্ম। ব্যবহৃত ছবি, shadow, চরিত্র ও সংলাপ মতামত ও ব্যঙ্গের উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত; এগুলিকে কোনো ব্যক্তির হুবহু বক্তব্য বা বাস্তব ঘটনার সরাসরি প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।“AI-সহায়তায় নির্মিত ব্যঙ্গাত্মক সম্পাদকীয় উপস্থাপনা • প্রতীকী চরিত্র • মতামতমূলক বিষয়বস্তু”
https://www.facebook.com/GrassrootOfficial
Pls Pls follow the link above and share the post to your friends and relatives 🙏🙏




মমতা আজ শ্রীরামপুরে বড় সভা করেছেন। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, গুছিয়ে লোক, তবুও ডিম্মিডিয়া ঢাকঢোল পিটিয়ে বলেই চলেছে, লোক নাই। সে...
27/09/2026

মমতা আজ শ্রীরামপুরে বড় সভা করেছেন। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, গুছিয়ে লোক, তবুও ডিম্মিডিয়া ঢাকঢোল পিটিয়ে বলেই চলেছে, লোক নাই। সে যে কী গুপিগিরি, সঙ্গের ছবিটা দেখলেই টের পাবেন। কুনাল ঘোষ ডিম এবং মার দুইই খেয়েছেন এই সভায় যাবার পথে। শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ওরা কেউ বিজেপির লোক না, এসব বিজেপির সংস্কৃতি না। তাহলে পুলিশ কোথায় ছিল? কেউ মনে হয় জিজ্ঞাসা করেনি। করলে কী বলতেন, তাও আমরা জানি - "সেটা পুলিশকে জিজ্ঞাসা করুন"।আগের দিন তিনি জ্ঞানেশ কুমার প্রসঙ্গে এই বাঁধা গতটা থেকে সরে এসে পদ্মভূষণ দেবার দাবী জানিয়েছিলেন। নোবেল শান্তি পুরষ্কার দেবার দাবী জানাননি এই আমাদের কপাল। কিন্তু আজ আবার তোতাপাখিবৃত্তিতে ফিরে এসেছেন। বেচারি।

ওদিকে অনেক বিরাট মহীরূহসম ইনফ্লুয়েন্সার এবং কিছু সংবাদমাধ্যম গত বিধানসভা নির্বাচনে লাখে লাখে টাকা নিয়েছিল বিজেপির প্রচারের জন্য। তাঁরা সদলবলে সাফাই দিতে শুরু করেছেন, টাকা নিলেও তাঁরা যা করেছেন, সেসবই হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে বানানো। সে তো ঠিকই আছে, রাজনৈতিক দলের প্রচারও অনেক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী একদম মন থেকেই করে থাকেন। কিন্তু সেটা বলে দিলেই হত। বলেননি কেন? কোনো উত্তর নেই।

সব মিলিয়ে অবস্থাটা ভাবুন। এ এমন এক দল, যার প্রচারকরা টাকা নিয়ে বলে আমরা প্রচার করিনি। আমরা ওদের কেউ না। তাদের কর্মীরা ডিম ছুঁড়েই চলেছে, আর সভাপতি বলে চলেছেন, ওরা আমাদের কেউ না, এমনকি পিসতুতো ভাইওনা। তাহলে বিজেপি করেটা কে? কেউ না। শুধু একজনকে ডিফেন্ড করতেই দেখা যাচ্ছে সব্বাই এককাট্টা। তিনি হলেন জ্ঞানেশ কুমার। এরা কীকরে ক্ষমতায় এসেছে, তার এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর হয়না।

এর মধ্যে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক বেবি মমতাকে চিঠি দিয়েছিলেন, ফোনে কথাও হয়েছে। ইন্ডিয়া জোট নাকি চাঙ্গা হবে। দেশের সবাইকে বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা হতে হবে। সবই খুব খাঁটি কথা। কিন্তু শুনলেই প্রশ্ন জাগে, এতদিন হয়নি কেন? বিজেপি যে ফ্যাসিস্ত, সেটা তো ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটা রিপোর্ট পড়ে জানা গেল তা নয়। এসআইআরের নামে কী হচ্ছে, সেটাও দিল্লিতে হচ্ছে, তবে সবই টের পেলেন, তাও নয়। তাহলে এককাট্টা হয়ে লড়াই করার কথা হয়নি কেন, সেকথা বললেই 'চটিচাটা' কেন বলা হত, আর বেবিকে কেন বলা হচ্ছেনা, তার কোনো জবাব নেই। এখনও, মহম্মদ সেলিমকে বলতে শুনলাম, ওসব সর্বভারতীয় ব্যাপার। পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচন, জোট, এসব কিচ্ছু হবেনা। কাদেরকে এই আশ্বাসবাণী? ছুপা রাম-বামদের? খুব পরিষ্কারভাবে বলে দেওয়া দরকার, ফ্যাসিবিরোধী লোকজন বৃহত্তম জোট চায়। ভোটে হোক, ভোট বয়কটে হোক।

এখনও যদি এইটুকু না করা যায়, তো বিরোধীদের কান্ডজ্ঞান নিয়েই প্রশ্ন উঠবে। কারণ জ্ঞানেশবাবু ভয়ানক চাপে। দিল্লিতে তাঁরা যা যা ঘোষণা করেছ্ন, সেগুলো কার্যত অভিযোগগুলোর স্বীকৃতি। সফটওয়্যারে সমস্যা? ঠিক আছে, রিভিউ হবে। তিনজনের কমিশনে দুজনকে না জানিয়ে কাজ হচ্ছিল? ঠিক আছে, এবার থেকে লিখিত অ্যাজেন্ডা এবং মিনিটস অফ মিটিং দেওয়া হবে। মানে, এসব এতদিন হচ্ছিলনা। এবং এটা হওয়ানোর জন্য প্রথমে চোদ্দটা চিঠি লিখতে হবে, তারপর সেটা ফাঁস হতে হবে, তারপর আরশোলাদের আন্দোলনের ডাক দিতে হবে। স্রেফ এইজন্যই তো মুখ্য কমিশনারের পদত্যাগ দরকার।

এই ছেলেভুলোনো কথায় কেউ ভুলছেনা। দিল্লিতে ৪৮ ঘন্টা পেরোনোর আগেই আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। দিল্লিতে বিরোধীরা সেটার সঙ্গে আছেন। অন্যত্র নেতারা যদি থাকতে পারেন তো খুবই ভালো। নইলে কিন্তু আন্দোলন তাঁদের ছাড়িয়ে অন্য মুখ খুঁজে নেবে। যে বিজেমূলরা পদ্মের আঁচলের তলায়, তাঁদের তো ইতিমধ্যেই সব গেছে। যে ছুপা রাম-বামরা সঙ্গের ছবিটা দেখেই, "দেকেচো লোকটা তৃণমূল" বলবেন, তাঁদেরও যাবে। খুব সোজা হিসেব, বিজেপি-বিরোধী বাঙালির সর্বাত্মক ঐক্য চাই।
https://www.facebook.com/GrassrootOfficial
Pls Pls follow the link above and share the post to your friends and relatives 🙏🙏
#পশ্চিমবঙ্গ #বাংলারখবর #বাংলারকথা #বাংলাররাজনীতি #জনতারকথা #জনমত


26/09/2026

সত্যিই যদি উনি উনার রাজত্ব কালে দূর্নীতি, চুরি করে থাকতেন ও সত্যিই যদি উনি নির্বাচনে পরাজিত হতেন তাহলে কি এই জনসমর্থন এখনও জুটতো??? আমি বাংলা সহ সারা দেশের জনতা কে প্রশ্ন টা করলাম!!! আজকের জনসমাবেশ ই প্রমান করে দিচ্ছে উনি পরাজিত হোন নি, উনি ফুরিয়ে যান নি!!! উনি বাংলার "অগ্নিকন্যা" ছিলেন আছেন ও থাকবেন ও!!! জয়তু জননেত্রী 🙏🙏
https://www.facebook.com/GrassrootOfficial
Pls Pls follow the link above and share the post to your friends and relatives 🙏🙏




Address

30-B, Harish Chatterjee Street, , Kalighat, Kolkata/
Calcutta Bara Bazar
700026

Telephone

+918768336686

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Grassroot Social Media Community posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Grassroot Social Media Community:

Shortcuts

Share