Womens Awareness and Helping Hands -WAHH

Call Directions Website Contact the organization

Womens Awareness and Helping Hands -WAHH NON PROFIT ORGANIZATION :-Womens Awareness and Helping Hands
Founder -Mr.

Biltu Chowdhury (Siliguri's padman )
🟢Our main objective is to work selflessly for this society and world environment.

17/09/2026

পুজোর আনন্দের অপেক্ষায় আমাদের বাবা-মায়েরা

দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, নতুন জামাকাপড়, ভালো-মন্দ খাবার আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কয়েকটা সুন্দর মুহূর্ত। আমাদের অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয় স্থলের বাবা ও মায়েরাও তাই এবার পুজোর দিনগুলোর জন্য ছোট ছোট স্বপ্ন বুনছেন।

তাঁদের ইচ্ছে, দুর্গাপুজোর কয়েকটা দিন সবাই মিলে একসঙ্গে আনন্দ করবেন, গল্প করবেন, হাসবেন এবং ভালো-মন্দ খাবার খেয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেবেন। তাঁদের কাছে এই আনন্দের মূল্য হয়তো অনেক বড়—কারণ আপনজনের মতো করে একসঙ্গে বসে উৎসব কাটানোর সুযোগই তাঁদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।

আর মহালয়ার ভোর? সেই চিরচেনা রেডিওতে মহিষাসুরমর্দিনী শোনার জন্যও তাঁরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। ভোরের সেই পবিত্র আবহে রেডিওর শব্দে যখন দেবীপক্ষের সূচনা হবে, তখন হয়তো তাঁদের চোখেমুখেও ফুটে উঠবে এক অন্যরকম আনন্দ।

আমাদের কাছে পুজো শুধু উৎসব নয়—পুজো মানে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দ করা, ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়া এবং কারও মনে যেন একাকিত্ব না থাকে, সেই চেষ্টা করা।

এই পুজোয় আমাদের বাবা-মায়েদের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলোই হয়ে উঠুক আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ। ❤️

“We care, we help, we transform.”
Womens Awareness and helping hands

13/09/2026

এবার পুজোর আনন্দ আমরা একসাথে হাতেহাত রেখে আনন্দ উৎসব পালন করি, একটি বস্ত্র (আনুমানিক মূল্য -৪৫০টাকা )উপহার দেওয়ার মধ্যে দিয়ে আপনিও আমাদের সাথে থাকতে পারেন,সকলের এই একটু একটু করে সহযোগিতাতে শতাধিক ছেলে, মেয়েদের ও বয়স্ক বাবা ও মায়েদের মুখে হাসি ফোটাতে পারবো আমরা।
Womens Awareness and helping hands


আজ সন্ধ্যায় আমি থাকছি Red FM আপনাদের সাথে 🙏
05/09/2026

আজ সন্ধ্যায় আমি থাকছি Red FM আপনাদের সাথে
🙏

05/09/2026
01/09/2026

ন্যায় সংহিতা প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণ—একজন সমাজকর্মী হিসেবে আমাদের গর্বের ও স্মরণীয় মুহূর্ত

শিলিগুড়ির কাওয়াখালি ময়দানে ২১ থেকে ২৬ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত ‘ন্যায় সংহিতা প্রদর্শনী’ ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশের নতুন ফৌজদারি আইন ও আধুনিক বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে আমাদের NGO Womens Awareness and Helping Hands -WAHH -কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। একজন সমাজকর্মী হিসেবে এই আমন্ত্রণ আমাদের কাছে শুধু সম্মানের নয়, এটি আমাদের সামাজিক কাজের প্রতি প্রশাসনের একটি মূল্যবান স্বীকৃতি বলেও মনে হয়েছে।

২১ আগস্ট ২০২৬ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। কাওয়াখালি ময়দানে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে দেশের নতুন তিনটি ফৌজদারি আইন—ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন (BSA)—সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার পরিবর্তন, তদন্ত প্রক্রিয়া এবং নাগরিকদের আইন সম্পর্কে সচেতন করার বিভিন্ন বিষয়ও প্রদর্শিত হয়।

আমাদের মতো একটি Non-Profit NGO, যারা সমাজের প্রান্তিক, অসহায় ও গৃহহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে, তাদের কাছে আইন ও ন্যায়বিচার সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের অনেক সময় নিজেদের অধিকার, আইনগত সুরক্ষা এবং সরকারি পরিষেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা থাকে না। তাই এই ধরনের প্রদর্শনী সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি সচেতনতা ও আস্থা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে আমাকে এবং আমাদের সংগঠনকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোয় আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। একজন সমাজকর্মী হিসেবে পুলিশের সঙ্গে প্রশাসনের বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করার সুযোগ আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। সমাজের মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে প্রশাসন, পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিশ্বাস অত্যন্ত জরুরি।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আমার মনে হয়েছে, আইন শুধু আদালত বা আইনজীবীদের বিষয় নয়—আইন সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার এবং দায়িত্ব। একজন সাধারণ মানুষ তার অধিকার সম্পর্কে যত বেশি সচেতন হবেন, ততই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সঠিক পথে দাঁড়াতে পারবেন এবং নিজের পাশাপাশি সমাজের অন্য মানুষের অধিকার রক্ষাতেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আমাদের NGO-এর পক্ষ থেকেও আমরা ভবিষ্যতে সমাজের প্রান্তিক মানুষের মধ্যে আইনগত সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে আরও বেশি করে যুক্ত হতে চাই। বিশেষ করে গৃহহীন, অসহায়, নারী, শিশু এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তাদের অধিকার ও সরকারি সহায়তার বিষয়গুলি সহজ ভাষায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের সামাজিক দায়িত্বের অংশ বলে আমরা মনে করি।

কাওয়াখালি ময়দানে অনুষ্ঠিত এই ন্যায় সংহিতা প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকার সুযোগ আমাদের জন্য তাই একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাদের যে সম্মান দেওয়া হয়েছে, তার জন্য শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আমরা বিশ্বাস করি—
“ন্যায়বিচার তখনই সার্থক হয়, যখন তার আলো সমাজের শেষ প্রান্তে থাকা মানুষের কাছেও পৌঁছে যায়।”

একজন সমাজকর্মী হিসেবে আমাদের সংগঠনের লক্ষ্যও সেই আলোকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া—মানবিকতা, সচেতনতা, অধিকার এবং ন্যায়ের পথে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

এই গর্বের মুহূর্ত আমাদের সামাজিক কাজের পথে আরও অনুপ্রেরণা দেবে এবং আগামী দিনে আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শক্তি জোগাবে।
Siliguri Police Commissionerate
Kolkata Police
Dr Shankar Ghosh
Suvendu Adhikari



30/08/2026

শহর তখন ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে পড়ছে। দিনের ব্যস্ততা শেষ করে মানুষ যখন আপন আপন ঘরে ফিরে যাচ্ছে, তখনও শিলিগুড়ি শহরের কিছু রাস্তা জেগে আছে। সেই রাস্তাগুলোর পাশে, ফুটপাতে, রেলস্টেশনের আশপাশে কিংবা কোনো দোকানের বন্ধ শাটারের সামনে—কেউ শুয়ে আছেন, কেউ বসে আছেন, আবার কেউ নিঃশব্দে তাকিয়ে আছেন শহরের আলো-আঁধারির দিকে।

তাঁদের কারও মাথার উপর ছাদ নেই। কারও কাছে বিছানা নেই, কারও কাছে আগামীকালের খাবারের নিশ্চয়তাও নেই।

সেদিন অবশ্য রাতটা একটু অন্যরকম ছিল।

কারণ সেদিন ছিল ছোট্ট আত্রিকার জন্মদিন।

জন্মদিন মানেই সাধারণত বাড়িতে আনন্দ, কেক, মোমবাতি, উপহার, নতুন জামাকাপড় আর প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো। কিন্তু আত্রিকার জন্মদিনে তার পরিবারের মনে হলো—এই আনন্দ যদি শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আরও কিছু মানুষের জীবনে পৌঁছে যায়, তাহলে জন্মদিনটা আরও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।

তাই সেদিন কেক কাটার আনন্দের পাশাপাশি নেওয়া হলো এক অন্যরকম সিদ্ধান্ত।

শিলিগুড়ি শহরের যেসব মানুষ দিনের পর দিন, রাতের পর রাত রাস্তায় কাটান, যাঁদের নিজের বলে কোনো ঘর নেই, যাঁরা সমাজের ব্যস্ততার ভিড়ে অনেক সময় অদৃশ্য হয়ে যান—তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে রাতের খাবার।

খাবার হিসেবে ছিল সুস্বাদু বিরিয়ানি।

প্রত্যেকটি প্যাকেট যেন শুধু খাবার নয়—তার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল ভালোবাসা, সম্মান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক ছোট্ট প্রচেষ্টা।

রাত বাড়তে শুরু করল।

শহরের ব্যস্ত রাস্তাগুলো কিছুটা ফাঁকা হয়ে এলো। গাড়ির সংখ্যা কমল। দোকানের আলো একে একে নিভতে লাগল।

আর সেই সময়েই শুরু হলো আত্রিকার জন্মদিনের আসল উদযাপন।

শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হলো বিরিয়ানির প্যাকেট।

কেউ খাবারের প্যাকেট হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। হয়তো বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, এই ব্যস্ত শহরে এখনও কেউ তাঁদের কথা ভাবে।

কেউ মৃদু হেসে বললেন, “আমাদের জন্য?”

সেই প্রশ্নের মধ্যে ছিল বিস্ময়, আনন্দ আর দীর্ঘদিনের অভাবের এক অদৃশ্য গল্প।

খাবার হাতে পেয়ে তাঁদের মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, সেটাই যেন আত্রিকার জন্মদিনের সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে উঠল।

কেউ ভালোবাসা দিয়ে আশীর্বাদ করলেন ছোট্ট আত্রিকাকে।

কেউ বললেন, “ভালো থাকুক মা।”

কেউ আবার শুধু চোখের দিকে তাকিয়ে হাসলেন।

কথা হয়তো খুব বেশি হয়নি। কিন্তু সেই কয়েক মুহূর্তের নীরবতাতেই যেন অনেক কথা বলা হয়ে গেল।

একটি ছোট্ট জন্মদিনের আনন্দ সেদিন ছড়িয়ে পড়ল শহরের ফুটপাত থেকে রাস্তায়, এক মানুষের হাত থেকে আরেক মানুষের হৃদয়ে।

সেদিন বোঝা গেল—জন্মদিনের আসল আনন্দ শুধু নিজের জন্য পাওয়ার মধ্যে নয়, অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেও লুকিয়ে থাকে।

কখনও কখনও একটি খাবারের প্যাকেটও হয়ে ওঠে ভালোবাসার উপহার।

একটি হাসিও হয়ে ওঠে আশীর্বাদ।

আর একটি জন্মদিন হয়ে ওঠে মানবতার উৎসব।

 #উপহার উৎসবে—পূজোর আনন্দ সকলের সাথে #দুর্গাপূজা শুধু আনন্দ, উৎসব ও নতুন পোশাক পরার মধ্যে সীমা বদ্ধ নয় —এটি ভালোবাসা, মা...
23/08/2026

#উপহার উৎসবে—পূজোর আনন্দ সকলের সাথে #

দুর্গাপূজা শুধু আনন্দ, উৎসব ও নতুন পোশাক পরার মধ্যে সীমা বদ্ধ নয় —এটি ভালোবাসা, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও একে অপরের পাশে দাঁড়ানোরও এক মহান উপলক্ষ। সমাজের প্রতিটি মানুষ যেন উৎসবের আনন্দে সামিল হতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই প্রতি বছরের মতো এবারও Womens Awareness and Helping Hands (WAHH)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে একটি বিশেষ মানবিক কর্মসূচি—“উপহার উৎসবে—পূজোর আনন্দ সকলের সাথে”।

আগামী ১১ই অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে, আমাদের অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয়স্থলে এই বিনামূল্যে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।আপনার উপস্থিতি একান্ত ভাবে কাম্য।

এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য একটাই—পূজোর আনন্দ যেন কারও একার না হয়, আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে।
একটি নতুন পোশাক হয়তো কারও কাছে খুব সাধারণ একটি উপহার, কিন্তু একজন শিশুর কাছে সেটিই হয়ে উঠতে পারে পূজোর সবচেয়ে বড় আনন্দ। নতুন পোশাক হাতে নিয়ে একটি শিশুর মুখে যে হাসি ফুটে ওঠে, কিংবা দীর্ঘদিন অবহেলিত একজন মা-বাবার চোখে যে আনন্দের ঝিলিক দেখা যায়—সেই হাসিই আমাদের কাছে এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

এই মানবিক উদ্যোগকে সফল করে তুলতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে প্রয়োজন।

আসুন, এই দুর্গাপূজায় আমরা শুধু নিজের জন্য আনন্দ না করে সেই আনন্দটুকু ভাগ করে নিই তাঁদের সঙ্গে, যাঁদের জীবনে আনন্দের সুযোগ অনেক কম। একটি নতুন পোশাক, একটি ছোট্ট উপহার, কিংবা আপনার সামান্য আর্থিক সহযোগিতা—সবকিছু মিলিয়েই গড়ে উঠতে পারে একটি সুন্দর মানবিক সমাজ।

“উপহার উৎসবে—পূজোর আনন্দ সকলের সাথে”
শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি অসংখ্য মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এক মানবিক অঙ্গীকার।

আসুন, এই পূজায় ভালোবাসা উপহার দিই।
আনন্দ ভাগ করে নিই।
মানবতার পাশে দাঁড়াই।
সহযোগিতা করতে
Bank details
Name:- Womens Awareness and Helping Hands
Bank name:-Bandhan Bank
A/C No:- 10220016718662
IFSC code:-BDBL0001401
(80G & 12A )

16/08/2026

একটি জন্মদিন, অনেকগুলো হাসি,
(টুবাই )সৌমেন ঘোষের জন্মদিন উৎযাপন আমাদের অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয় স্থলে।

মানবতার ছোঁয়ায় অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয়স্থলে ভালোবাসার উপহার

কখনও কখনও একটি জন্মদিন শুধুমাত্র আনন্দ-উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না—একটি জন্মদিন হয়ে উঠতে পারে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর এক সুন্দর উপলক্ষ। তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি হলো আমাদের অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয়স্থলে।

নদীয়া জেলার সোমেন ঘোষ (টুবাই )জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর প্রিয়জনেরা আজ আমাদের আশ্রয়স্থলে অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন। জন্মদিনের আনন্দকে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁরা সেই আনন্দ ভাগ করে নিলেন আমাদের আশ্রয়স্থলের সকল মা-বাবা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।

এই বিশেষ দিনে আমাদের আশ্রয়স্থলের সকল মা-বাবা ও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন ছাতা এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার। একটি ছাতা হয়তো বস্তুগতভাবে খুব সাধারণ একটি উপহার, কিন্তু একজন অসহায় মানুষের হাতে সেই ছাতা হয়ে উঠতে পারে রোদ-বৃষ্টি থেকে সুরক্ষার প্রতীক। আর তার সঙ্গে যখন যুক্ত হয় ভালোবাসা, সম্মান ও মানবিকতার স্পর্শ—তখন সেই উপহারের মূল্য হয়ে ওঠে অনেক বেশি।

আমাদের আশ্রয়স্থলের মা-বাবাদের মুখে হাসি এবং শিক্ষার্থীদের আনন্দ আমাদের কাছে এই দিনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাঁদের চোখের আনন্দ যেন বলে দেয়—সমাজ এখনও তাঁদের কথা ভাবে, এখনও তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কিছু হৃদয়বান মানুষ আছেন।

আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের জন্য কিছু করার জন্য সবসময় বড় কোনো সুযোগের প্রয়োজন হয় না। একটি জন্মদিনও হতে পারে মানবিকতার উৎসব। নিজের আনন্দের একটি অংশ যদি অন্য একজন মানুষের জীবনে একটু স্বস্তি, একটু আনন্দ কিংবা একটু নিরাপত্তা এনে দিতে পারে, তাহলে সেই আনন্দই হয়ে ওঠে প্রকৃত আনন্দ।

সোমেন ঘোষ (টুবাই দাদা )ও তাঁর সকল প্রিয়জনদের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। আপনাদের এই মানবিক উদ্যোগ আমাদের আশ্রয়স্থলের অসহায় মা-বাবা এবং শিক্ষার্থীদের মনে যে আনন্দ সৃষ্টি করেছে, তা সত্যিই অমূল্য।

আপনাদের এই ভালোবাসা আমাদের আরও উৎসাহিত করবে অসহায়, ভবঘুরে ও সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যেতে।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা, সৌমেন ঘোষ (টুবাই )
আপনার জীবনের প্রতিটি নতুন বছর যেন এমনই মানবিকতা, ভালোবাসা ও মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কাজে আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

মানবতার হাত বাড়িয়ে দিন—একটি ছোট্ট উদ্যোগও কারও জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

— Womens Awareness and Helping Hands (WAHH)
অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয়স্থল

আজ ৮০তমো স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন আমাদের অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয় স্থলে।
15/08/2026

আজ ৮০তমো স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন আমাদের অসহায় ও ভবঘুরে মানুষের আশ্রয় স্থলে।

Address

Dhubulia
741139

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Womens Awareness and Helping Hands -WAHH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Womens Awareness and Helping Hands -WAHH:

Shortcuts

Share

Category