JOHAR KOROM RAJA

Directions

JOHAR KOROM RAJA Please Like and Follow this Paga.
কুড়মালি ভাষা সংস্কৃতির এক একজন বিশ্বস্ত সেবক। A fighter for Culture

07/10/2026

Koradir Diary


পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যোদ্ধার নাম "মা"_____________________________________ঝাড়খণ্ডের রামগড়ে হোমগার্ড নিয়োগে এক মহিলা শা...
07/10/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যোদ্ধার নাম "মা"
_____________________________________

ঝাড়খণ্ডের রামগড়ে হোমগার্ড নিয়োগে এক মহিলা শাড়ি পরে, জুতো ছাড়া খালি পায়ে দৌড়ালেন। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে। চলুন জেনে নিই এই মহিলার কাহিনী...

এই মহিলার নাম কবিতা মাহাতো। তাঁর স্বামী স্বর্গীয় দীপক মাহাতো, তিনি রামগড় জেলার দুলমি ব্লকের সোসো গ্রামের বাসিন্দা।

প্রায় তিন বছর আগে অসুস্থতার কারণে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়। এর পর বৃদ্ধ শ্বশুর শাশুড়ি এবং দুই সন্তানের দায়িত্ব কবিতার কাঁধে এসে পড়ে।

পরিবার চালানোর জন্য কখনও জঙ্গলের পাতা এনে সেলাই করেছেন, কখনও পড়সীর জমিতে ধান রোপনের কাজ করেছেন, কখনও বা ইঁটভাটার শ্রমিক হিসেবে গায়ে গতরে খাটতে গেছেন। প্রয়োজনের তাগিদে তিনি সিকিউরিটি গার্ডের চাকরিও করেছেন।

সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সরকারি চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন এবং প্রস্তুতি শুরু করেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, কবিতা ভোর প্রায় ৪টায় উঠে দৌড়ের প্রস্তুতি নিতেন। গ্রামের গরিব বিধবা মহিলা; ট্রাক স্যুট, জুতা কেনার পয়সা টুকুও নেই। এমনকি পায়ে দেওয়ার একজোড়া চপ্পল পর্যন্ত নেই।

এরেই মধ্যে ঝাড়খণ্ডে হোমগার্ড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বের হলে কবিতা দেবী ফর্ম পূরণ করেন। ট্রায়ালের ময়দানে গিয়ে দেখেন, অন্যান্য প্রতিযোগীদের সাথে এসেছেন কারও বাবা, কারও ভাই, কারও স্বামী, কারও দেওর।
কিন্তু কবিতাকে একগ্লাস জল দেওয়ার মতো কেউ নেই।

এমতাবস্তায় শুরু হয় দৌড়............

রামগড়ের সিধো-কানহু ময়দানে হোমগার্ড নিয়োগের ট্রায়াল চলাকালীন কবিতা শাড়ি পরে এবং খালি পায়ে ১৬০০ মিটারের দৌড় শেষ করতে হতো ১০ মিনিটের মধ্যে কিন্তু কবিতা দেবী মাত্র ৬ মিনিটে শেষ করেন। তাঁর কাছে না ছিল জুতো, না কোনো বিশেষ স্পোর্টস ড্রেস— কিন্তু আত্মবিশ্বাস এতটাই দৃঢ় ছিল যে তিনি দৌড় সম্পূর্ণ করে ফেলেন।

কবিতা মাহাতোর কাহিনী শুধু একটি ভাইরাল ভিডিওর কাহিনী নয়। এটি এমন এক মায়ের কাহিনী, যিনি কঠিন পরিস্থিতি সত্ত্বেও তাঁর সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ক্রমাগত সংগ্রাম করে চলেছেন।
সম্পদ কম হতে পারে, কিন্তু আত্মবিশ্বাস বড় হলে গন্তব্যের পথ অবশ্যই বেরিয়ে আসে।

কবিতা মাহাতোর অদম্য জেদকে স্যালুট। 🇮🇳🙏

03/10/2026
03/10/2026

জিতা পরব: মাটিমায়ের উৎসব
জিতা পরব এসে গেল। প্রশ্ন ওঠে, জিতা মানে কী? জিতা ঠাকুর কাকে বলে? কেউ কেউ একে জিমূতবাহন ব্রাহ্মণের পূজা বলেন, সেটাই বা কী?
জিতা শব্দের অর্থ
জিতা মানে জয়ী হওয়া। লড়াইয়ে যেমন কেউ জেতে আর জয়ের চিহ্ন নিয়ে ফেরে, তেমনি বিয়ের পর নতুন বধূ যখন সন্তানের মা হয়, তখনই সে "জিতে"। মা হতে না পারলে সে "হারে"। আমাদের সমাজে তখন বরের আবার বিয়ে দেওয়ার রীতি ছিল। সংসারজীবনে তাই জিতা মানেই সন্তানের মা হওয়া।
জিতা ঠাকুর কে
জিতা ঠাকুর বা জিতা মা হলেন সৃষ্টিমা, অর্থাৎ সমস্ত জীবজগতের মা। আমার মা, আমার বাবার মা, আমার ভাইয়ের মা, তোমার মা, পৃথিবীর সব প্রাণীর মা। ইনিই ধরিত্রী, ইনিই বসুমতী। তাই জিতা পরব আসলে সৃষ্টিমায়ের পরব, আর সৃষ্টিমা মানে এই মাটি।
মা ও মাটির সম্পর্ক
আমার মা আমাকে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরেছিলেন। জন্মের পর একুশ দিন পর্যন্ত কোলে-কাঁখে রাখেন, মাটিতে নামান না, কারণ মাটি ছুঁতে নেই। একুশ দিন পরে শিশুকে প্রথম মাটিতে ছোঁয়ানো হয়। সেদিন সৃষ্টিমাকে স্মরণ করে বটতলায় বা গাছের ডালের নিচে পূজা করা হয়। জন্মদাত্রী মা তখন বলেন, "হে সৃষ্টিমা, আমি দশ মাস দশ দিন একে গর্ভে রেখেছি, একুশ দিন কোলে-কাঁখে রেখেছি। এর পর আর আমি রাখতে বা খাওয়াতে পারব না। এবার তুমি এর খাবারের জোগান দাও, তোমার কোলে ঠাঁই দাও। দুঃখে-বিপদে রক্ষা কোরো। সারাজীবন আমার সন্তানের ভার নিয়ো। একটা লাউয়ের কাঁটাও যেন ওর গায়ে না ফোটে।" এ কথা মা সন্তানের মঙ্গলের জন্যই বলেন।
মায়ের ক্ষমা, মাটির ক্ষমা
আমরা যখন মায়ের কোলে আসি, মা হাজার যন্ত্রণায় ছটফট করেন, রক্ত ঝরিয়ে আমাদের জন্ম দেন। আমরা তাঁর কোলে প্রস্রাব-পায়খানা করি, কামড়াই, আঁচড়াই। তবু মা আমাদের আদর করেন, চুমু খান, ভালোবাসেন, ঘেন্না করেন না।
ঠিক তেমনি এই মাটি, এই বসুমতী আমাদের জল দেয়, খাবার দেয়, দিনরাত নিজের কোলে ঠাঁই দেয়। আমরা তার বুকেই প্রস্রাব-পায়খানা করি, তবু সে আমাদের ওপর রাগ করে না, ঘৃণাও করে না। নীরবে আমাদের লালনপালন করে।
সৃষ্টিমাকে না মানার পরিণাম
যারা সৃষ্টিমাকে মানে না, তাঁর পূজা করে না, অহংকার করে, তারা দেখবে এক পলকেই মায়ের গ্রাসে চলে যায়। তাই সৃষ্টিমাকে মানা উচিত, তাঁর পূজা করা উচিত, তাঁর অবদান বোঝা উচিত।
আমাদের একটি রীতিও আছে। ছোট শিশু খাট থেকে বা কোথাও পড়ে গেলে আমরা বলি, "সৃষ্টিমা লুফে নিয়েছেন।" অর্থাৎ জাগ্রত সৃষ্টিমা নিজেই কোলে তুলে নেন, তাই শিশু পড়ে গেলেও তার কিছু হয় না।
জোহার সৃষ্টিমা,
জোহার জিতা মা,
জোহার আমাদের মা।
তোদের জন্যই আজ দেশদেশান্তরে ঘুরে বেড়াই। দুঃখে-বিপদে তুমিই আমাদের তরিয়ে দিয়ো, মা।

03/10/2026

জিতা পরব: মাটিমায়ের উৎসব
জিতা পরব এসে গেল। প্রশ্ন ওঠে, জিতা মানে কী? জিতা ঠাকুর কাকে বলে? কেউ কেউ একে জিমূতবাহন ব্রাহ্মণের পূজা বলেন, সেটাই বা কী?
জিতা শব্দের অর্থ
জিতা মানে জয়ী হওয়া। লড়াইয়ে যেমন কেউ জেতে আর জয়ের চিহ্ন নিয়ে ফেরে, তেমনি বিয়ের পর নতুন বধূ যখন সন্তানের মা হয়, তখনই সে "জিতে"। মা হতে না পারলে সে "হারে"। আমাদের সমাজে তখন বরের আবার বিয়ে দেওয়ার রীতি ছিল। সংসারজীবনে তাই জিতা মানেই সন্তানের মা হওয়া।
জিতা ঠাকুর কে
জিতা ঠাকুর বা জিতা মা হলেন সৃষ্টিমা, অর্থাৎ সমস্ত জীবজগতের মা। আমার মা, আমার বাবার মা, আমার ভাইয়ের মা, তোমার মা, পৃথিবীর সব প্রাণীর মা। ইনিই ধরিত্রী, ইনিই বসুমতী। তাই জিতা পরব আসলে সৃষ্টিমায়ের পরব, আর সৃষ্টিমা মানে এই মাটি।
মা ও মাটির সম্পর্ক
আমার মা আমাকে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধরেছিলেন। জন্মের পর একুশ দিন পর্যন্ত কোলে-কাঁখে রাখেন, মাটিতে নামান না, কারণ মাটি ছুঁতে নেই। একুশ দিন পরে শিশুকে প্রথম মাটিতে ছোঁয়ানো হয়। সেদিন সৃষ্টিমাকে স্মরণ করে বটতলায় বা গাছের ডালের নিচে পূজা করা হয়। জন্মদাত্রী মা তখন বলেন, "হে সৃষ্টিমা, আমি দশ মাস দশ দিন একে গর্ভে রেখেছি, একুশ দিন কোলে-কাঁখে রেখেছি। এর পর আর আমি রাখতে বা খাওয়াতে পারব না। এবার তুমি এর খাবারের জোগান দাও, তোমার কোলে ঠাঁই দাও। দুঃখে-বিপদে রক্ষা কোরো। সারাজীবন আমার সন্তানের ভার নিয়ো। একটা লাউয়ের কাঁটাও যেন ওর গায়ে না ফোটে।" এ কথা মা সন্তানের মঙ্গলের জন্যই বলেন।
মায়ের ক্ষমা, মাটির ক্ষমা
আমরা যখন মায়ের কোলে আসি, মা হাজার যন্ত্রণায় ছটফট করেন, রক্ত ঝরিয়ে আমাদের জন্ম দেন। আমরা তাঁর কোলে প্রস্রাব-পায়খানা করি, কামড়াই, আঁচড়াই। তবু মা আমাদের আদর করেন, চুমু খান, ভালোবাসেন, ঘেন্না করেন না।
ঠিক তেমনি এই মাটি, এই বসুমতী আমাদের জল দেয়, খাবার দেয়, দিনরাত নিজের কোলে ঠাঁই দেয়। আমরা তার বুকেই প্রস্রাব-পায়খানা করি, তবু সে আমাদের ওপর রাগ করে না, ঘৃণাও করে না। নীরবে আমাদের লালনপালন করে।
সৃষ্টিমাকে না মানার পরিণাম
যারা সৃষ্টিমাকে মানে না, তাঁর পূজা করে না, অহংকার করে, তারা দেখবে এক পলকেই মায়ের গ্রাসে চলে যায়। তাই সৃষ্টিমাকে মানা উচিত, তাঁর পূজা করা উচিত, তাঁর অবদান বোঝা উচিত।
আমাদের একটি রীতিও আছে। ছোট শিশু খাট থেকে বা কোথাও পড়ে গেলে আমরা বলি, "সৃষ্টিমা লুফে নিয়েছেন।" অর্থাৎ জাগ্রত সৃষ্টিমা নিজেই কোলে তুলে নেন, তাই শিশু পড়ে গেলেও তার কিছু হয় না।
জোহার সৃষ্টিমা,
জোহার জিতা মা,
জোহার আমাদের মা।
তোদের জন্যই আজ দেশদেশান্তরে ঘুরে বেড়াই। দুঃখে-বিপদে তুমিই আমাদের তরিয়ে দিয়ো, মা।

মূল রচনা- সতীশ চন্দ্র মাহাত

List of Kudmi freedom fighters jailed in Hazaribagh central jail.
02/10/2026

List of Kudmi freedom fighters jailed in Hazaribagh central jail.

02/10/2026

কড়াডির ডায়েরি
Koradir diary

01/10/2026

“কুড়মি মানে কেবল অতীতের উত্তরাধিকার নয়; নিজের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ভবিষ্যতের হাতে তুলে দেওয়ার দায়ও।”JKR

Bengal district Gazàtteer-Manbhum  and journal of adivasi studies . Published  under the authority of the Government of ...
01/10/2026

Bengal district Gazàtteer-Manbhum and journal of adivasi studies . Published under the authority of the Government of Bengal Calcutta, Bengal secretariat press 1911. Chapter IV. Th chuar rebellion 1798-1816. VI. Look at the "tribal composition and the rebels".

Address

Satyban Polli
Jhargram
721507

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JOHAR KOROM RAJA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category