suman

Call Directions Website

suman I am a teacher

18/09/2026
29/08/2026

I got over 20 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

Self Enumeration শুরু হচ্ছে! 🏠📲নিজের Census তথ্য এবার নিজেই submit করুন.Portal-এ login করুন, Family Registration সম্পূর্...
27/07/2026

Self Enumeration শুরু হচ্ছে! 🏠📲
নিজের Census তথ্য এবার নিজেই submit করুন.
Portal-এ login করুন, Family Registration সম্পূর্ণ করুন, Location verify করুন এবং Final Submit করুন। তারপর আপনার SE ID সংরক্ষণ করুন, যা Enumerator Verification-এর সময় কাজে লাগবে।

🌐 স্ব-গণনার জন্য নিবন্ধন করুন: se.census.gov.in
📞 হেল্পলাইন: ১৮৫৫

Press Information Bureau - PIB, Government of India
Ministry of Home Affairs, Government of India
Census India 2027

১৯৪০-এর দশকের গোড়ার দিক। দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু এবং ফারি জং এলাকা তখন বরফে ঢাকা এক দুর্গম জনপদ, যেখানে সাধারণ পর্যটকরা য...
18/07/2026

১৯৪০-এর দশকের গোড়ার দিক। দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু এবং ফারি জং এলাকা তখন বরফে ঢাকা এক দুর্গম জনপদ, যেখানে সাধারণ পর্যটকরা যাওয়ার সাহস পেত না। কিন্তু সেই হাড়হিম করা উচ্চতাতেই দিনের পর দিন তাঁবু খাটিয়ে বসে থাকতেন এক বাঙালি তরুণী। তাঁর সঙ্গী ছিল কিছু অদ্ভুতদর্শন যন্ত্রপাতি এবং ইলফোর্ড হাফ-টোন ফটোগ্রাফিক প্লেট। তরুণীর নাম বিভা চৌধুরী, আর তাঁর লক্ষ্য ছিল মহাকাশ থেকে ভেসে আসা এক অদৃশ্য রহস্যের সমাধান করা। তিনি এবং তাঁর মেন্টর দেবেন্দ্রমোহন বসু তখন খুঁজছিলেন 'কসমিক রে' বা মহাজাগতিক রশ্মির উৎস। তাঁরা লক্ষ্য করলেন, ফটোগ্রাফিক প্লেটে এমন কিছু কণার দাগ পড়েছে, যা পরিচিত ইলেকট্রন বা প্রোটনের মতো নয়। সেই দাগগুলো ছিল বাঁকানো, ভারী এবং রহস্যময়। তাঁরা এই নতুন কণার নাম দিলেন 'মেসোট্রন', যা আজকের দিনে 'মেসন' নামে পরিচিত। এই আবিষ্কার ছিল পদার্থবিজ্ঞানের জগতে এক যুগান্তকারী ঘটনা, যা ভারতের মাটি থেকেই প্রথম হতে পারত।

কিন্তু ঠিক সেই সময়েই ইতিহাসের চাকা উল্টোদিকে ঘুরল। শুরু হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। বিভা চৌধুরীর গবেষণার জন্য প্রয়োজন ছিল আরও উন্নত মানের 'ফুল-টোন সেনসিটিভ প্লেট', যা একমাত্র ইংল্যান্ড থেকেই আসত। যুদ্ধের কারণে ব্রিটিশ সরকার ভারতে সবরকম বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম পাঠানো বন্ধ করে দিল। বিভা চৌধুরীর গবেষণা মাঝপথে থমকে গেল, তাঁর হাতের মুঠোয় থাকা সাফল্য বালির মতো ঝরে পড়ল। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগাল পশ্চিমী বিশ্ব। যুদ্ধের শেষে, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী সেসিল ফ্র্যাঙ্ক পাওয়েল ঠিক একই পদ্ধতি ব্যবহার করে, সেই উন্নত প্লেটগুলোর সাহায্যে কণাটিকে পুনরায় 'আবিষ্কার' করলেন। ১৯৫০ সালে পাওয়েল পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেলেন। তিনি তাঁর নোবেল বক্তৃতায় স্বীকার করেছিলেন যে ডি.এম. বসু এবং বিভা চৌধুরীর কাজই তাঁকে পথ দেখিয়েছে, কিন্তু নোবেলের সোনার মেডেল বা ইতিহাসের পাতায় নাম—কোনোটাই বিভার কপালে জুটল না। এটি ছিল এক নীরব চুরি, যা আজও ভারতীয় বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক দগদগে ঘা হয়ে আছে।

নোবেল না পেলেও বিভা চৌধুরী দমে যাওয়ার পাত্রী ছিলেন না। ১৯৪৫ সালে তিনি পাড়ি দিলেন ম্যানচেস্টারে, নোবেলজয়ী প্যাট্রিক ব্ল্যাকেটের ল্যাবে। সেখানেও তিনি নিজের জাত চিনিয়েছিলেন। ম্যানচেস্টারের স্থানীয় পত্রিকা 'দ্য ম্যানচেস্টার হেরাল্ড' তাঁকে নিয়ে বিশাল ফিচার করেছিল, শিরোনাম ছিল—"Meet India's New Woman Scientist: She has an eye for cosmic rays"। একজন ভারতীয় নারী, শাড়ি পরে বিদেশের ল্যাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, এটা সেই সময়ে ছিল এক অভাবনীয় দৃশ্য। কিন্তু বিদেশে তিনি যতটা সম্মান পেয়েছিলেন, দেশে ফিরে তার ছিটেফোঁটাও পাননি। ১৯৪৯ সালে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা নিজে তাঁকে ডেকে নিয়েছিলেন টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ (TIFR)-এ। তিনি ছিলেন সেখানকার প্রথম মহিলা গবেষক। কিন্তু সেখানেও তিনি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেননি, হয়তো পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার শিকার হয়েই তাঁকে সেই জায়গা ছাড়তে হয়েছিল।

পরবর্তীকালে তিনি যোগ দেন ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি (PRL)-এ। সেখানে তিনি কোলার গোল্ড ফিল্ডস বা কেজিএফ-এর গভীর সোনার খনিতে নেমে নিউট্রিনো কণা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। মাটির ৭০০০ ফুট গভীরে, যেখানে দমবন্ধ করা পরিবেশ, সেখানেও তিনি দিনের পর দিন কাটিয়েছেন বিজ্ঞানের নেশায়। তিনি চেয়েছিলেন মাউন্ট আবুতে একটি বিশাল ল্যাবরেটরি তৈরি করতে, যা নিয়ে বিক্রম সারাভাইয়ের সাথে তাঁর কথাও হয়েছিল। কিন্তু সারাভাইয়ের অকালমৃত্যু সেই স্বপ্নকেও ভেঙে চুরমার করে দেয়। বারবার বাধার মুখে পড়েও তিনি ছিলেন অবিচল। তিনি বিয়ে করেননি, সংসার পাতেননি, বিজ্ঞানের বেদীমূলে নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন। অথচ জীবদ্দশায় তিনি কোনো জাতীয় পুরস্কার পাননি, কোনো সায়েন্স একাডেমির ফেলো হননি। এমনকি ২০০৮ সালে প্রকাশিত ভারতীয় নারী বিজ্ঞানীদের নিয়ে লেখা বই 'লীলাবতী'স ডটারস'-এও তাঁর নাম জায়গা পায়নি।

১৯৯১ সালে কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ল্যাবে কাজ করতে করতেই তিনি নীরবে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। তাঁর মৃত্যুতে কোনো শোকসভা হয়নি, কোনো মিডিয়া তোলপাড় করেনি। তিনি ছিলেন এক নিঃসঙ্গ নক্ষত্র, যিনি নিজের আলোয় জ্বলে নিজেই নিভে গেছেন। মৃত্যুর বহু পরে, ২০১৮ সালে তাঁর জীবনী প্রকাশিত হওয়ার পর এবং ২০১৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন একটি নক্ষত্রের নাম 'বিভা' এবং তার গ্রহের নাম 'সান্তামাসা' রাখার পর বিশ্ব নতুন করে চিনল তাঁকে। আজ আকাশের দিকে তাকালে হয়তো সেই তারাটি মিটমিট করে জ্বলে, যেন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মেধার কদর করতে না জানলে আমরা কেবল নক্ষত্র হারাই না, হারাই আমাদের গর্বের ইতিহাসকেও। দার্জিলিংয়ের কুয়াশা থেকে কোলারের অন্ধকার খনি—সর্বত্রই মিশে আছে বিভা চৌধুরীর দীর্ঘশ্বাস, যিনি হতে পারতেন ভারতের মেরি কুরি, কিন্তু হয়ে রইলেন এক বিস্মৃত ইতিহাস।

SOURCES

১. Wikipedia : "Bibha Chowdhuri"
২. Anandabazar : "Bibha Chowdhuri: অল্পের জন্য হাতছাড়া নোবেল! এই বাঙালি মহিলা বিজ্ঞানীর নামে রয়েছে নক্ষত্রও"
৩. The Telegraph : "The woman who could have won a Nobel"
৪. Prohor : "নোবেল পুরস্কার হয়তো পাননি বিভা। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলেও তিনি কি নোবেল পেতেন?"
৫. STEM Women : "Bibha Chowdhuri: A Woman of Firsts with No Recognition"

পেজটি ভালো লাগলে লাইক ও ফলো করে আমাদের উৎসাহ জোগাবেন, আর বন্ধুদের মেনশন/শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন।

বিধিকরণ সতর্কতা: ©Bangla Tweet — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এই লেখার কোনো অংশ অনুমতি ছাড়া কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। ব্যবহার করতে চাইলে পেজের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে—অন্যথায় তা কপিরাইট লঙ্ঘন হিসেবে ধরা হবে।

13/07/2026

ডাইনামাইটের ধ্বংসলীলা থেকে শান্তির নোবেল পুরস্কার—ইতিহাসের এক অদ্ভুত ও অনুপ্রেরণামূলক রূপান্তর! আজ আমরা যে মর্যাদাপূর্ণ 'নোবেল পুরস্কার' দেখি, তার পেছনে রয়েছে আলফ্রেড নোবেলের এক গভীর অনুশোচনা এবং মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার গল্প।
​১৮৬৭ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল ডাইনামাইট আবিষ্কার করেন। মূলত খনি খনন এবং সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ সহজ করার জন্য এটি তৈরি করা হলেও, খুব দ্রুতই এটি যুদ্ধের ভয়াবহ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। নিজের তৈরি আবিষ্কার মানবজাতির ধ্বংসের কারণ হচ্ছে দেখে তিনি ভেতরে ভেতরে ভীষণ অপরাধবোধে ভুগতে থাকেন।
​
​১৮৮৮ সালে আলফ্রেড নোবেলের ভাই লুদভিগ নোবেল মারা যান। কিন্তু একটি ফরাসি সংবাদপত্র ভুলবশত আলফ্রেড নোবেল মারা গেছেন ভেবে শিরোনাম ছাপে—"মৃত্যুর সওদাগর মৃত!" (The Merchant of Death is Dead)।

​নিজের জীবদ্দশায় নিজের এই কুখ্যাত উপাধি দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। তিনি ভাবলেন, ইতিহাসের পাতায় তিনি কি একজন ধ্বংসকারী হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবেন?

​এই ঘটনাটি তার জীবনকে পুরোপুরি বদলে দেয়। মৃত্যুর আগে ১৮৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর তিনি তার একটি ঐতিহাসিক উইল সই করেন। যেখানে তিনি তার বিশাল সম্পত্তির ৯৪% (প্রায় ৩১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা) মানবকল্যাণে নিয়োজিত বিজ্ঞানীদের পুরস্কৃত করার জন্য রেখে যান।
​তার এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯০১ সাল থেকে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে 'নোবেল পুরস্কার' দেওয়া শুরু হয়। ধ্বংসের কালিমা মুছে আলফ্রেড নোবেল আজীবন বেঁচে আছেন মানবতার শ্রেষ্ঠ সম্মাননার প্রতীক হয়ে।

13/07/2026

📝CENSUS_2027
📌1. Line Number (ক্রমিক নম্বর)

📌2. Building Number (বাড়ির নম্বর)

📌3. Census House Number (জনগণনার ঘর নম্বর)

📌4. Floor Material (মেঝে কী দিয়ে তৈরি)

📌5. Wall Material (দেওয়াল কী দিয়ে তৈরি)

📌6. Roof Material ( ছাদ কী দিয়ে তৈরি)

📌7. Use of Census House ( বাড়ি/ঘর কী কাজে ব্যবহৃত হয়)

📌8. Condition of Census House ( বাড়ির অবস্থা)

📌9. Household Number (পরিবারের নম্বর)

📌10. Total Persons (পরিবারে সাধারণত বসবাসকারী মোট লোকসংখ্যা)

📌11. Name of Head ( পরিবারের প্রধানের নাম)

📌12. S*x of Head (পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ)

📌13. SC/ST/Other (পরিবারের প্রধান SC/ST/Other কোন শ্রেণির)

📌14. Ownership Status (বাড়িটি নিজের না ভাড়া)

📌15.Dwelling Rooms (পরিবারের দখলে থাকা বসবাসের ঘরের সংখ্যা)

📌16.Married Couples (পরিবারে বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা)

📌17. Main Source of Drinking Water (পানীয় জলের প্রধান উৎস)

📌18. Availability of Drinking Water ( পানীয় জলের উৎস কোথায়/কতটা উপলব্ধ)

📌19. Main Source of Lighting ( আলোর প্রধান উৎস)

📌20. Access to Latrine ( শৌচাগারের সুবিধা আছে কি না)

📌21. Type of Latrine ( শৌচাগারের ধরন)

📌22.Waste Water Outlet ( বর্জ্য জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা)

📌23. Bathing Facility ( স্নানের সুবিধা আছে কি না)

📌24. Kitchen & LPG/PNG ( রান্নাঘর এবং LPG/PNG সংযোগের সুবিধা(

📌25. Main Cooking Fuel ( রান্নার প্রধান জ্বালানি)

📌26. Radio/Transistor ( রেডিও/ট্রানজিস্টর আছে কি না)

📌27.Television (টিভি আছে কি না)

📌28. Internet Access (ইন্টারনেটের সুবিধা আছে কি না)

📌29. Laptop/Computer ( ল্যাপটপ/কম্পিউটার আছে কি না)

📌30.Telephone/Mobile/Smartphone ( টেলিফোন/মোবাইল/স্মার্টফোন আছে কি না)

📌31.Bicycle/Scooter/Motorcycle/Moped ( সাইকেল/স্কুটার/মোটরসাইকেল/মোপেড আছে কি না)

📌32. Car/Jeep/Van ( গাড়ি/জিপ/ভ্যান আছে কি না)

📌33. Main Cereal Consumed (পরিবারের প্রধান খাদ্যশস্য কী)

📌34.Mobile Number ( জনগণনা-সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর।)



: এই ধাপে Aadhaar Number(আধার নম্বর), Epic Number(ভোটার কার্ড নম্বর), PAN Number(প্যান নম্বর), Bank Account (ব্যাংক অ্যাকাউন্ট)বা Family income (পরিবারের আয় ) এই ফর্মে চাওয়া হচ্ছে না।

12/07/2026

I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

24/06/2026

৪১ বছর বয়সে লোকটা এখনো বিশ্বকাপ জেতেনি।
এইটা পড়ে হয়তো মনে হচ্ছে, আহারে, বেচারা। কিন্তু থামো। গল্পটা আহারের না। গল্পটা অন্য জায়গায়।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের লিস্টটা একটু দেখো। পাঁচটা ব্যালন ডি'অর। পাঁচটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ইউরো কাপ। নেশনস লিগ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল ১৪৩টা। সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ২২৭টা। ক্লাব আর দেশ মিলিয়ে ৯০০ এর বেশি গোল।
এই লিস্ট দেখে যেকেউ বলত, ভাই যথেষ্ট হয়েছে। এখন বাসায় বসো।
কিন্তু রোনালদো বসেনি।

কারণ একটা জিনিস এখনো নেই। বিশ্বকাপ।
২০০৬ সেমিফাইনালে থামল। ২০১০ কোয়ার্টারফাইনালে। ২০১৪ গ্রুপ স্টেজেই বিদায়। ২০১৮ রাউন্ড অফ সিক্সটিনে। ২০২২ কোয়ার্টারফাইনালে। পাঁচটা বিশ্বকাপ। একটাতেও ট্রফি নেই।
আর এখন ৪১ বছর বয়সে ষষ্ঠবার মাঠে নামছে।

এই পৃথিবীতে এইটা আগে কেউ করেনি।

কিন্তু যারা শুধু সংখ্যা দেখে তারা আসল গল্পটা মিস করে। আসল গল্পটা হলো কোথা থেকে এসেছে এই লোক।

পর্তুগালের ছোট্ট মাদেইরা দ্বীপ। বাবা মাতোয়া, মানে মাঠ দেখাশোনা করতেন। পরিবারের এতটাই টানাটানি ছিল যে চারজন একটা ছোট্ট ঘরে থাকত। আর সেই ছেলের হার্টে সমস্যা ধরা পড়ল ছোটবেলায়। অপারেশন হলো। ডাক্তার বলেছিল ফুটবল হয়তো হবে না।
সেই ছেলে এখন ৪১ বছর বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে।

মাঝখানে কী ছিল? শুধু কাজ। প্রতিদিন, প্রতিটা ট্রেনিং সেশনে সবার শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকা। ঘুমানোর আগে আলাদা করে ওয়ার্কআউট। খাওয়াদাওয়া নিয়ে এতটাই সিরিয়াস যে সতীর্থরা হাসত। বছরের পর বছর এই রুটিন একদিনও মিস করেনি।
দলের সতীর্থরা বলেছে, রোনালদো ৩৫ বছর বয়সেও ২২ বছরের ছেলেদের মতো ট্রেনিং করত। এখনো করে।

কিন্তু সবচেয়ে কঠিন রাতটা ছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে।
কোয়ার্টারফাইনালে মরক্কোর কাছে হারল পর্তুগাল। রোনালদো পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসে ছিল, কারণ কোচ তাকে প্রথম একাদশে রাখেনি। ১৪ বছর পর এই প্রথম কোনো বড় টুর্নামেন্টে সে বেঞ্চে। ম্যাচ শেষে মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ল চোখে জল।
সেই মুহূর্তে যেকেউ বলত, এইবার শেষ। ৩৭ বছর বয়সে এই অপমান সহ্য করে আর না।
কিন্তু রোনালদো ফিরে এল।

আবার পর্তুগাল জার্সিতে। আবার গোল। আবার রেকর্ড। আর এখন ৪১ বছর বয়সে আবার বিশ্বকাপে। শেষবারের মতো। একটাই স্বপ্ন নিয়ে, যেটা পাঁচবার চেষ্টা করেও পাওয়া হয়নি।
এইটাই রোনালদোর সবচেয়ে বড় গল্প। ট্রফি জেতাটা না। বারবার উঠে দাঁড়ানোটা।
এখন একটু ভাবো।

তুমি একটা পরীক্ষায় ফেল করেছ, দুইটা ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হয়েছ, একটা প্রজেক্ট কাজ করেনি। আর তুমি ভাবছ ছেড়ে দেওয়াই ভালো। কিন্তু রোনালদো পাঁচটা বিশ্বকাপে গিয়ে একটাও ট্রফি পায়নি। বেঞ্চে বসে কেঁদেছে। তারপরেও উঠে দাঁড়িয়েছে। আবার ট্রেনিং করেছে। আবার গোল করেছে। আবার স্বপ্ন দেখেছে।

কারণ সে একটা জিনিস বিশ্বাস করে। যতক্ষণ মাঠে আছি, সুযোগ আছে। মাঠ ছেড়ে গেলে সুযোগও শেষ।

তোমার ক্ষেত্রেও এইটাই সত্যি।
যতক্ষণ চেষ্টা করছ, সুযোগ আছে। থেমে গেলে গল্প শেষ। আর থেমে যাওয়াটা হারের চেয়েও বড় পরাজয়, কারণ হারলে আবার উঠে দাঁড়ানো যায়, কিন্তু থেমে গেলে আর শুরু করার ইচ্ছাটাই হারিয়ে যায়।
রোনালদো ৪১ বছর বয়সে মাঠে নামছে কারণ সে থামেনি।

আর তুমি কত বছর বয়সে থেমে গেছ?

Address

Kanthi
721401

Opening Hours

9am - 5pm

Telephone

+919734605539

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when suman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category