Prof K M Baharul Islam
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Prof K M Baharul Islam, Social service, Karimganj.
28/07/2025
28/02/2025
জনাব সেলিম উদ্দিন চৌধুরী (সেলিম চৌধুরী) সাহেবের ইন্তেকালের খবর শুনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকস্তব্ধ। আলগাপুর, সৈয়দবন্ধের বাসিন্দা এবং প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি শুধু তাঁর এলাকায় নয়, গোটা সমাজে এক অনন্য প্রতিভা ও মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। তাঁর মৃত্যু আমাদের সকলের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। এই দুঃখের মুহূর্তে আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিউন!
কিছু মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়ার প্রথম মুহূর্তেই মনে হয়, যেন তাদের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। প্রথম কথায়, প্রথম হাসিতে, প্রথম দেখাতেই তৈরি হয় একটি অদৃশ্য বন্ধন। হয়তো কয়েক ঘণ্টার আলাপ, কয়েক দিনের পরিচয়, অথবা কয়েক মুহূর্তের সান্নিধ্য—এতটাই গভীর প্রভাব ফেলে যে, মনে হয় যেন সেই মানুষটি আমাদের জীবনে বহুদিন ধরে ছিলেন। গত বছরের শেষের দিকে করিমগঞ্জের নির্বাচন এর আবহাওয়ায় ঘটনাচক্রে আমার দেখা হয় আলগাপুর, সৈয়দবন্ধের বাসিন্দা এবং প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনাব সেলিম উদ্দিন চৌধুরী (সেলিম চৌধুরী) সাহেবের সঙ্গে। বিষয়েঃ করে উনার ছেলে সাহিলের মাধ্যমেই পরিচয় । জীবনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে আমরা এমন কাউকে পাই, যিনি আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সঙ্গ দেন। এই সময় এবং প্রেক্ষাপট দুজন মানুষকে দ্রুতই একে অপরের কাছে নিয়ে আসে।
কিছু মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা খুব সহজ হয়। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বা সময় কাটাতে কোনো কৃত্রিমতা বা চাপ থাকে না। সেলিম চৌধুরী ছিলেন এমনই এক মানুষ – উনার মধ্যে একটি অন্তর্নিহিত ভালোবাসা ও সংযোগের প্রবণতা রয়েছে। উনি দ্রুতই আমাকে আপন করে নেন – শারীরিক দুর্বলতা সত্বেও আমাকে নিয়ে ভিন্ন জায়গায় যান, বিভিন্ন জনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। কিছুদিনের মধ্যেই আমার এক ঘরোয়া টিম তৈরি করে ফেলি যারা আমাকে জেলার আনাচে কানাচে নিয়ে যান। যদিও পরে আমার আর নির্বাচনের ময়দানে নামতে হয় নয়, কিন্তু উনার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, অনেক দিন খবর নিতেন। দলের মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে আমার থেকেও বেশি তিনি হতাশ গিয়েছিলেন।
সেলিম চৌধুরী সাহেবের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও সুসম্পর্কপূর্ণ। তিনি ছিলেন অমায়িক, সদালাপী এবং মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ সম্পন্ন একজন ব্যক্তি। তাঁর সহজ-সরল আচরণ ও নিঃস্বার্থ পরোপকারী মনোভাব তাঁকে সকলের কাছে প্রিয় করে তুলেছিল। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান ছিল প্রশংসনীয় এবং তিনি সবসময় ন্যায় ও সত্যের পক্ষে অবিচল ছিলেন। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের অভাব আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।
আজ এই মুহূর্তে দেশের আরেক প্রান্তে থাকায় এই দুঃসংবাদ আরও বেশি পীড়া দিচ্ছে। এই ধরনের সময় আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষের মধ্যে সংযোগ কতটা গভীর এবং অর্থপূর্ণ হতে পারে। আমরা যখন এমন কাউকে পাই, যিনি অল্প সময়েই আমাদের হৃদয়ের কাছাকাছি চলে আসেন, আবার যখন সেই মানুষকেই হারিয়ে ফেলি, তখন আমরা বুঝতে পারি যে তাদের না থাকার শূন্যতা।
মহান আল্লাহর দরবারে আমি প্রার্থনা করি, তিনি যেন মরহুমের রূহকে মাগফিরাত দান করেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মর্যাদায় আসীন করেন। মরহুমের পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ও সাহস দান করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি। আমিন।
সেলিম চৌধুরী সাহেবের স্মৃতি আমাদের মাঝে চিরভাস্বর থাকুক, এই কামনা করি।
In conversation with Sri Mrinal Talukdar on his YouTube Chanel - OpiNE. Topic: MUSLIM POLITICS.
In the 2024 Lok Sabha election, the Muslims of Assam completely rejected Ajmal and AIUDF, siding instead with the Congress. Like minorities across the world, the Muslims of Assam and India gravitated towards the power that could offer them political protection. In doing so, they chose to abandon AIUDF. On the other hand, the BJP has historically used Ajmal as a tool for polarization in the rest of Assam. Now, with the decline of AIUDF, who will be the BJP's next target for polarization?
04/05/2024
বহু বছর আগে, এক সন্ধ্যায় আমার বাবা মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে গুয়াহাটির রাজভবনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। তিনি তখন আসামের রাজ্যপাল শ্রী প্রকাশ মেহরোত্রার কাছ থেকে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন মাত্র। আমি তার সাথে যাওয়ার নাছোড় বায়না ধরলে কিন্তু তিনি তাড়াহুড়ো করে আমাদের পরে একদিন "রাজভবনে" নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। কিছু দিন পর একদিন বিকেলে তিনি সত্যিই আমাদের সবাইকে সপরিবারে আসাম রাজভবন দেখানোর জন্য নিয়ে গেলেন । পাহাড়ের চূড়ায় শক্তিশালী ব্রহ্মপুত্র নদীর পারে সেই রাজভবনের মহিমা দেখে যখন মুগ্ধ হয়ে ছুটোছুটি করছিলাম, তখনও আমার আব্বা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন - ভাল করে পড়াশোনা করো বাবারা, তবেই তোমরা একদিন এরকম রাজভবনে এসে নিজেই থাকতে পারব। এরকমই ছিলেন আমার বাবা, প্রয়াত অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম - তিনি সবসময় যেকোনো অজুহাতে কেবল আমাদের মনে করিয়ে দিতেন যে 'কঠোর অধ্যয়ন' ছাড়া কোন বিকল্প নেই ।
প্রায় অর্ধশতাব্দী পর এই সপ্তাহে এমনই একটা ‘রাজভবনে’ থাকার সুযোগ পেলাম। কেরালা রাজভবনে আমার আলিগড়ে অনেক সিনিয়র ছাত্রনেতা কেরালার মহামহিম রাজ্যপাল জনাব আরিফ মোহাম্মদ খান এর সাথে কিছু স্মরণীয় সময় কাটিয়ে এলাম। তাঁর অতিথি হওয়া আমার জন্য সত্যিই একটি সম্মানের বিষয় এবং আবারও আমরা বহু ঘন্টা ধরে সমসাময়িক অনেক বিষয়ে নিয়ে আড্ডা দিলাম।
নিজে প্রার্থী না হওয়ায় শাপে বর হয়েছে এই যে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এর মিডিয়া এবং যোগাযোগ বিভাগের সহযোগিতায় এই নির্বাচনের সময় এক বেশ কৌতুহল-উদ্দীপক গবেষণার জন্য ডাটা / রসদ যোগাড় করতে পেরেছি। আমাদের তথ্য-ভিত্তিক বিশ্লেষণ চলছে – গবেষণা পত্র প্রকাশ হবে ভোটের রেজাল্ট বেরুবার পর চূড়ান্ত পর্যালোচনা করেই। কিছুদিন আগে এই নিয়েই কিছুটা প্রাথমিক আলোচনা হল স্থানীয় এক টিভি চেনেলে।
আমরা এবারকার নির্বাচনে ভোটদানের দুটি বিপরীত রাজনৈতিক তত্ব নিয়ে তুলনামূলক অধ্যয়ন করছি। প্রথম দিকে মনে হয়েছে যে – করিমগঞ্জ আসনের সংখ্যালঘু ভোটাররা হয়ত "স্টকহোম সিনড্রোম" এর শিকার। এই শব্দটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক ঘটনাকে বোঝায় যেখানে নিপীড়িত মানুষরাই তাদের নিপীড়নকারীদের প্রেমে পড়ে যায়। অর্থাৎ এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে প্রান্তিক/সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররা এমন রাজনৈতিক নেতা বা দলগুলির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করতে শুরু করেছে যারা তাদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে পারে না বা এমনকি তাদের জন্য ক্ষতিকারক নীতি প্রণয়ন করতে পারে। এই ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু ভোটাররা রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে পদ্ধতিগত বৈষম্য বা বৈষম্যমূলক অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে উঠে, যার ফলে তারা ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা সংঘটিত অন্যায়কে মেনে নেয়। সময়ের সাথে সাথে, বৈষম্যের এই স্বাভাবিকীকরণ তাদের মধ্যে সেইসব রাজনৈতিক শক্তির প্রতি আনুগত্যের অনুভূতি তৈরি হয়।
আবার শেষের দিকে আমরা লক্ষ্য করি যে এর উল্টো এক রাজনৈতিক তত্ব ধীরে কাজ করতে শুরু করে। সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে “বিপরীত একত্রীকরণ” (রিভার্স কনসলীডেশন)। এই রাজনৈতিক তত্ত্বে বলা হয় যে তুমুল বিভাজনমূলক বার্তার মুখোমুখি হলে, কোন দল/প্রার্থী দ্বারা তাদের সংখ্যালঘু ভোটার ব্লকগুলিকে বিভক্ত ও দুর্বল করার কৌশলগত প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে গিয়ে সংখ্যালঘু ভোটাররা তখন বিপরীত দিকেই ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। এই প্রতিক্রিয়া সাধারণত: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করে বিভাজনমূলক বার্তা বা এই গোষ্ঠীগুলির মধ্যে বিভেদ বপন করার কোন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেই সৃষ্টি হয়। ভোট পড়ার দিন কয়েক আগে থেকেই আমরা করিমগঞ্জে আনাচে কানাচে এমন একটি প্রতিক্রিয়া ছবি ফুটে উঠতে শুরু করে, যা হাফিজ রশিদ চৌধুরী সাহেবের পক্ষে যায়। এখন দেখা যাক ৪ জুন ২০২৪ এর ফলাফল আমাদের এই দুই তাত্বিক বিশ্লেষণের কোন দিকে যায়।
11/04/2024
আজ সকালে সপুত্র রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক জামা মসজিদে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ পড়লাম। মসজিদ-ই জাহান-নুমা বা জামে মসজিদ ভারতের অন্যতম বৃহত্তম একটি মসজিদ। মুঘল সম্রাট শাহজাহান ১৬৪৪ থেকে ১৬৫৬ সালের মধ্যে মুঘল রাজধানী, শাহজাহানাবাদে এই মসজিদটি তৈরি করেন এবং মসজিদটির প্রথম ইমাম, সৈয়দ আব্দুল গফুর শাহ বুখারী মসজিদটির উদ্ভোধন করেন।
নামাজ শেষে তখন ভোরের সূর্য পূর্বের আকাশে উদীয়মান। জনসমুদ্রের মাথার উপর তার লাল আভা। মনে পড়ে গেল ভারত দুই দেশে বিভক্ত হয়ে এক বেদনাপূর্ণ ক্ষত নিয়ে স্বাধীনতা লাভের পর এই দেশে থেকে যাওয়া মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ এই জামা মসজিদের প্রাঙ্গণে এক মর্মভেদী ভাষণ দিয়েছিলেন। আজ এই মসজিদের চাতালে দাড়িয়ে উনার সেই কথাগুলি মনে পড়ে গেল, উনার সেই আহ্বান আজও কত প্রাসঙ্গিক। সেই সময় প্রাণভয়ে পালিয়ে যেতে থাকা মুসলমানদের তিনি বলেছিলেন -
".... ভায়েরা, আপনারা কোথায় যাচ্ছেন, কেনই যাচ্ছেন? চোখ তুলুন, দেখুন এই জামে মসজিদের মিনার আপনাকে প্রশ্ন করছে । আপনারা কি ইতিহাস থেকে গৌরবময় পাতাগুলি কোথায় হারিয়ে ফেলেছেন? এই সেদিন এই যমুনা নদীর তীরে কি তোমার পূর্বপুরুষরা ওজু করে নি ? আজ তুমি এখানে থাকতে ভয় পাও। মনে রেখো দিল্লী তোমার রক্তে লালিত হয়েছে। ভাইয়েরা, নিজের মধ্যে একটি মৌলিক পরিবর্তন তৈরি করুন। আজ, অতীতে আপনাদের উল্লাস যেমন ছিল ভুল, আজ আপনাদের ভয়ও তেমনই অমূলক... ।"
(ভারত স্বাধীনতা লাভের কিছুদিন পরই, ২৩ অক্টোবর ১৯৪৭ সালে জামে মসজিদে মুসলমানদের একটি সভায় মৌলানা আজাদ কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ)
10/04/2024
জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে জানাই পবিত্র ইদ- উল ফিতরের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ইদের এই পুণ্যলগ্ন করিমগঞ্জ সহ বরাকে নিয়ে আসুক দেশের ক্রান্তিলগ্নের প্রাপ্য, পরিণত হয়ে উঠুক সকলের মনীষা, এই কামনায় অধ্যাপক ড. কে এম বাহারুল ইসলাম।
ব্যক্তিগত উন্নতি ও সামাজিক উন্নতির সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ঘরে ঘরে বেকারত্ব জিইয়ে রেখে শুধু মেডিকেল কলেজের কথা ভাবলে চলবে না।
করিমগঞ্জের রাতাবাড়ি-রামকৃষ্ণনগর প্রভৃতি এলাকার শিক্ষিত বেকারদের মঙ্গলযান দেখিয়ে লাভ নেই। দেশের জন্য সে গর্বিত বোধ করলেও তাঁর বেকারত্বের কান্না বড়োই মর্মান্তিক...
উত্তরাখণ্ড সরকার আমাকে রাজ্য ক্ষমতায়ন সমিতির সদস্য মনোনীত করলো। এনিয়ে দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ গণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। কাশিপুর আইআইএম থেকে এক জমকালো সংবর্ধনা দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়েছে, সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সেই সঙ্গে উত্তরাখণ্ড সরকারকেও জানাই অশেষ ধন্যবাদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
Karimganj
788010
