25/07/2022
পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় ভক্তবৃন্দ,
শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তিদল একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। মথুরায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মভুমি বলে মহামান্য সর্বোচ্চ আদালতে প্রতিষ্ঠিত মন্দিরের মোট ১৩.৩৭ একর জমির মধ্যে ১১ একর জমিতে শ্রী কৃষ্ণের জন্মস্থান প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ১৬৬৯ সালে ঔরঙ্গজেব এই মন্দির ধ্বংস করে সেখানে রাজকীয় ঈদগাহ মসজিদ নির্মান করেন যা বর্তমানে মূল মন্দিরের ২.৩৭ একর জমি দখল করে নির্মিত হয়েছে। এই সংগঠনটি আইনি ও গন আন্দোলনের মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমিকে উচ্ছেদ মুক্ত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এই আন্দোলনে আমরা অনেকাংশেই সফল ।
এই সংগঠনের রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষ মাননীয় শ্রী রাজেশ মনি ত্রিপাঠীজী, সংগঠন মন্ত্রী মাননীয় শ্রী বিপিন খুরানাজী ও আমি মহন্ত সুন্দর গিরী মহারাজ ইতিপূর্বে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের সাথে, শ্রীরাম জন্মভূমি আন্দোলনে প্রধান বাদী পক্ষ "শ্রীরামলালা বিরাজমান" হিসেবে, মাননীয় সর্বোচ্চ আদালতে আইনি জয় নিশ্চিত করার সাফল্য অর্জন করেছি, যা ২০১৯ সালে ৯ ও ১০ ই নভেম্বর দেশব্যাপী কমবেশী প্রায় প্রত্যেকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।
আগামী দিনে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তিদল আন্দোলনেও অনুরূপ ভাবে সাফল্য লাভ করব বলে আমরা নিশ্চিত।
তাই এই ঐতিহাসিক আন্দোলনে, সরাসরি আপনার যোগ্য ভূমিকায়, চীরকালের মত আপনার কীর্তি অমর করে রাখার অবসর, স্বয়ং পরমেশ্বরের ইচ্ছায় সম্পাদিত হতে চলেছে।
এই যুগ-পরিবর্তনকারী ঐশ্বরিক আন্দোলনে নিজেও স্বতস্ফূর্তভাবে সামিল হোন ও অন্যদেরও সামিল করুন ।
শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি, সনাতনী ভারতবর্ষের এক ঐতিহাসিক অতি প্রাচীন মন্দির, যার উল্লেখ কুষান যুগের বহু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ভাবে প্রমানিত। ১১ শ শতকে গজনীর বর্বর সুলতান মাহমুদ এর দিল্লি লুন্ঠন এর মধ্য দিয়ে, এই মন্দির ধ্বংস করা থেকে শুরু করে ১৬৬৯ খ্রীষ্টাব্দে মুঘল বাদশা ঔরঙ্গজেব দ্বারা এ পর্যন্ত বহুবার এই ঐতিহাসিক মন্দির ধ্বংস হয়েছে। তাই শ্রীকৃষ্ণ মুক্তিদল আন্দোলনের ইতিহাস বিরাট ও ব্যাপক । আগামী পোস্টে এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে। চোখ রাখুন।
পরমেশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন।
🙏 মহন্ত সুন্দর গিরী মহারাজ 🙏
প্রদেশ অধ্যক্ষ, পশ্চিমবঙ্গ,
।। শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তিদল।।
