ইন্দোপ্রাচ্য জাতীয়তাবাদী মঞ্চ

ইন্দোপ্রাচ্য জাতীয়তাবাদী মঞ্চ

Share

ভারত মাতা কি জয়।
জয় ইন্দোপ্রাচ্য।

26/03/2026

ত্বং হি দুর্গা দশপ্রহরণধারিণী
কমলা কমলদলবিহারিণী
বাণী বিদ্যাদায়িনী, নমামি ত্বাম্‌।
নমামি কমলাম্‌ অমলাং অতুলাম্‌
সুজলাং সুফলাং মাতরম্‌॥

22/03/2026

আজ ২২ মার্চ, ভারতমাতার বীর সন্তান মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্মতিথি।
আজকের এই পবিত্র দিনেই অখণ্ড ভারতের চট্টগ্রামের রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন ভারতমায়ের এই মহান কৃতি সন্তান।
যিনি দেশের মুক্তির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন নির্ভয়ে।
ব্রিটিশরা যখন অমানবিক নির্যাতনের পর তাঁকে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝোলাচ্ছিল, তখনও হয়তো তাঁর বুকের পাঁজরে একটাই মন্ত্র বেজে উঠছিল— আমার ভারত স্বাধীন হবে, আমার দেশ মাতৃকা মুক্তি পাবে, বন্দেমাতরম।
​কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, যে মানুষটা দেশের অখণ্ডতা আর স্বাধীনতার জন্য নিজের সর্বস্ব বিলীন করে দিলেন, তাঁর নিজের জন্মভূমি চট্টগ্রাম আজ এক অচেনা মৌলবাদী রাষ্ট্রের দখলে।
মাস্টারদা কি এই মৌলবাদী পাকিস্তান বা বাংলাদেশের জন্য স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছিলেন?
না, তিনি তা করেননি।
তিনি লড়াই করেছিলেন অখণ্ড ভারতবর্ষের জন্য, তাঁর আদি ও প্রকৃত মাতৃভূমির জন্য।
তাই সেই চট্টগ্রামকে ছাড়া ভারতের স্বাধীনতা আজও অপূর্ণ।
যে চট্টগ্রামে দাঁড়িয়ে মাস্টারদার নেতৃত্বে মৃত্যুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে 'বন্দেমাতরম' ধ্বনি দিয়ে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, নির্মল সেন, অপূর্ব সেন, হরিগোপাল বলের মতো বিপ্লবীরা হাসতে হাসতে জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন, সেই তপোভূমি তো ভারতেরই অভিন্ন অংশ।
​চট্টগ্রামকে ছাড়া যেমন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম অসম্পন্ন, ঠিক তেমনি চট্টগ্রামকে ছাড়া ভারতের স্বাধীনতাও অপূর্ণ।
প্রতিবারই দেখি আজকের দিনে মাস্টারদাকে নিয়ে বহু মানুষ লেখালেখি করেন, শ্রদ্ধা জানান— যা জানানো অবশ্যই উচিত।
কিন্তু এতে কি মাস্টারদা সূর্যসেনের আত্মা একটুও শান্তি পায়?
না, পায় না।
কারণ যে মানুষটা সারা জীবন সংগ্রাম করলেন নিজের ভারত মাতাকে স্বাধীন করতে, আজ সেই ভারত মাতাই মৌলবাদীদের দ্বারা দ্বিখণ্ডিত।
তাঁর স্বপ্নের চট্টগ্রামে আজ উড়ছে মৌলবাদী রাষ্ট্রের পতাকা, অথচ সেখানে তো ভারতের তেরঙা ওড়ার কথা ছিল।
যতদিন না চট্টগ্রামে পুনরায় ভারতের পতাকা উড়ছে, ততদিন মাস্টারদার আত্মা শান্তি পাবে না, আর ভারতের স্বাধীনতাও পূর্ণতা পাবে না।
​ভেবে দেখুন, মাস্টারদাকে যখন ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হয়েছিল, তিনি বন্দেমাতরম বলতে বলতে এগিয়ে গিয়েছিলেন।
তিনি হয়তো ভেবেছিলেন ভারতবর্ষের মাটিতেই তাঁর শেষ কৃত্য সম্পন্ন হবে।
কিন্তু নিষ্ঠুর ব্রিটিশরা সেটিও হতে দেয়নি; ফাঁসির পর তাঁর দেহ লোহার খাঁচায় ভরে বঙ্গোপসাগরের অতল জলে নিক্ষেপ করেছিল।
সাগরের জলে নিক্ষিপ্ত হয়ে মাস্টারদার আত্মা বোধ হয় ততটা কষ্ট পায়নি, যতটা কষ্ট পেয়েছিল ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট চট্টগ্রামের বুকে পাকিস্তানের পতাকা উড়তে দেখে।
​তাই মাস্টারদাকে যদি সত্যি ভালোবেসে থাকেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হন, তবে আসুন আমাদের সঙ্গে, যোগ দিন ইন্দোপ্রাচ্য জাতীয়তাবাদী মঞ্চের সংগঠনে।
আজ মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্মতিথিতে এই সংকল্প গ্রহণ করুন যে— আমরা মাস্টারদার জন্মভূমিকে পুনরায় ভারতের মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে আনব।
চট্টগ্রামে আবারও ভারতের পতাকা উড়াবো এবং মা চট্টেশ্বরী ও ভগবান চন্দ্রনাথের পবিত্র মন্দিরকে পুনরায় মহান ভারতবর্ষের অন্তর্ভুক্ত করব।
সেটাই হবে মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রতি আমাদের শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আর এটা আমাদের করতেই হবে, কারণ ওই ভূমি তো আমাদের, ওই ভূমি তো অখণ্ড ভারতের।
আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের মূল ভিত্তি ধর্ম হলেও চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে সেই নীতি মানা হয়নি।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ৯৮ শতাংশের বেশি মানুষ অমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও ব্রিটিশ সরকার অনৈতিকভাবে তা পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করে দেয়।
চট্টগ্রাম শহরের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল।
​১৯৪১ সালের আদমশুমারি (Census) অনুযায়ী চট্টগ্রাম শহরের মোট জনসংখ্যা ছিল ৯১,৪১৫ জন।
যার পরিসংখ্যান ছিল নিম্নরূপ:
​হিন্দু: ৪৩,২৬৩ জন (৪৭.৩৩%)
​মুসলিম: ৪০,৫৬৫ জন (৪৪.৩৭%)
​বৌদ্ধ: ৩,৬১৭ জন (৩.৯৫%)
​খ্রিস্টান: ৩,৫১৯ জন (৩.৮৫%)
​অন্যান্য অমুসলিম: ৪৫১ জন (০.৫০%)
​এই পরিসংখ্যান থেকে পরিষ্কার হয় যে, তৎকালীন চট্টগ্রাম শহরে অমুসলিমদের সংখ্যা ছিল ৫৫.৬% এবং মুসলিমদের সংখ্যা ছিল ৪৪.৪%।
এ ছাড়াও চট্টগ্রামের মুসলিম সমাজের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ জাতীয়তাবাদী মুসলমান শেষ নির্বাচনে ভারতের পক্ষে কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলেন।
সেই হিসেবে চট্টগ্রাম শহরের ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ ছিল ভারতপন্থী, যারা কোনোদিন দেশভাগ বা পাকিস্তান চায়নি।
অথচ ব্রিটিশ সরকার এই ভারতপন্থী বিপুল জনসংখ্যার ওপর বর্বর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে চাপিয়ে দিয়েছে।
​শুধু জনসংখ্যাই নয়, ব্রিটিশ সরকারের দেশভাগের অন্যতম শর্ত ছিল ধর্মীয় জনসংখ্যার পাশাপাশি সম্পদের মালিকানার ভিত্তিতে সীমানা নির্ধারণ করা।
ব্রিটিশ সরকার এই শর্তটিও ভঙ্গ করেছে।
বৃহত্তর চট্টগ্রামের মোট আয়তন ২০,৯৬৪ বর্গকিলোমিটার; যার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের আয়তন ১৩,১৮৯ বর্গকিলোমিটার।
এই বিশাল অঞ্চলের ৯৯ শতাংশের বেশি জমির মালিকানা ছিল হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের। এমনকি সমতলের ৭,৭৭৫ বর্গকিলোমিটারের মধ্যেও প্রায় ৭০ শতাংশ জমি ছিল অমুসলিমদের।
তাই সম্পদের মানদণ্ডেও সমগ্র চট্টগ্রাম ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত ছিল।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫%।
কিন্তু গত কয়েক দশকে পরিকল্পিত উপায়ে এই জনসংখ্যায় পরিবর্তন করা হয়েছে।
ষাটের দশকে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে হাজার হাজার বৌদ্ধ ও আদিবাসী পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়, যাদের একটি বড় অংশ ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
এরপর সত্তরের দশকের শেষভাগ থেকে আশির দশকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সমতল থেকে লক্ষ লক্ষ 'সেটেলার' মুসলিমদের পার্বত্য অঞ্চলে পুনর্বাসিত করা হয়।
এই কৃত্রিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এবং আদিবাসীদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতনের কারণে আজ বৌদ্ধ জনসংখ্যা ৮৫% থেকে কমে ৪৪% এর নিচে এসে দাঁড়িয়েছে।
এটি কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন নয়, বরং একটি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব মুছে ফেলার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র।
​আজ পাকিস্তান ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে সেখানে বহিরাগতদের ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
যে চট্টগ্রাম শহরে হিন্দুদের সম্পত্তি ছিল ৮৫ শতাংশ, আজ সেখানে তারা অস্তিত্ব সংকটে।
দেশভাগের এই কয়েক বছরে হিন্দু জনসংখ্যা চট্টগ্রাম শহরে ৪৭ শতাংশ থেকে নেমে ১০ শতাংশের নিচে চলে এসেছে।
​ব্রিটিশ সরকারের সেই ঐতিহাসিক ভুলের মাশুল আজ আমাদের ভাইয়েরা দিচ্ছে।
তাই আজ সময় এসেছে সেই ভুল সংশোধনের।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও প্রাক্তন মুসলিমসহ সকল ভারতপন্থী মানুষ—যারা ১৯৪৭ সালের পর থেকে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন কিংবা এখনো সেখানে কষ্টে জীবন কাটাচ্ছেন—তাদের আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।
আমাদের এমন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে যাতে চট্টগ্রামের বুকে পুনরায় ভারতের পতাকা উত্তোলন করা যায় এবং চট্টগ্রামকে পুনরায় ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
​মাস্টারদা সূর্য সেন, স্নেহ কুমার চাকমা ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারদের জন্মস্থানকে পুনরায় ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
কারণ চট্টগ্রামের এই পবিত্র মাটি ভগবান চন্দ্রনাথ, মা চট্টেশ্বরী এবং ভগবান বুদ্ধের শান্তিবাণীর ভূমি।
এই ভূখণ্ডের প্রতিটি কণা আমাদের কাছে পবিত্র এবং তা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
যারা এই পবিত্র ভূমিকে 'নাপাক' বলে পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিল, তাদের জেনে রাখা উচিত—এই মাটি হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান, শিখ, পারসিক ও জাতীয়তাবাদী মুসলমানদের।
যাদের আদর্শ আরবে, তাদের জন্য এই ভারতীয় উপমহাদেশ নয়।
এই পবিত্র ভূমিতে কোনো মৌলবাদ বা বহিরাগতদের স্থান নেই।

✍️ কঙ্কন মন্ডল।
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
ইন্দোপ্রাচ্য জাতীয়তাবাদী মঞ্চ।


19/03/2026

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা প্রাতঃস্মরণীয় ডাঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারজীর শুভ আবির্ভাব দিবসে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম।

19/03/2026

#হিন্দু_নববর্ষ 🧡✨
কলিযুগাব্দ – ৫১২৮
বিক্রম সম্বৎ – ২০৮৩
সবাইকে হিন্দু নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 🙏
এই নতুন বছর আপনার জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলময়তায় ভরে উঠুক। 🌼🪔
শুভ নববর্ষ। 🙏🧡🚩

16/03/2026

আজ পূর্ণব্রহ্ম শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের পবিত্র জন্মতিথি।

এই মহাপুণ্য দিনে সকল মতুয়া ও নমঃশূদ্র সমাজের কাছে আমার আন্তরিক আহ্বান।
প্রথমত, যারা নিজেদের সনাতন হিন্দু নমঃশূদ্র মতুয়া হিসেবে মনে করেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই— ঠাকুরনগর আমাদের তীর্থস্থান নয় আমাদের প্রকৃত তীর্থস্থান সেই স্থানগুলো, যেগুলো সরাসরি শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের লীলার সঙ্গে যুক্ত।
তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন সাপলিডাঙ্গায় এবং তাঁর লীলা সমাপ্ত হয়েছে ওড়াকান্দিতে।
তাই এই দুটি স্থান আমাদের কাছে চিরপবিত্র তীর্থভূমি।
আজকের দিনে আমরা যদি সত্যিই শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরকে ভালোবাসি ও শ্রদ্ধা করি, তবে আমাদের উচিত নিজেদের ঐতিহাসিক তীর্থস্থানগুলোর প্রতি আস্থা ও সংযোগ অটুট রাখা। ভবিষ্যতে এমন একটি সময়ের স্বপ্ন দেখা যেতে পারে, যখন ভক্তরা নির্বিঘ্নে ওড়াকান্দি ও সাপলিডাঙ্গায় গিয়ে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন।
এই স্বপ্ন বাস্তব রূপ পেতে পারে তখনই, যখন আমাদের পবিত্র তীর্থভূমি ওড়াকান্দি এবং সাপলিডাঙ্গা পুনরায় ভারতবর্ষের সঙ্গে যুক্ত হবে।
কারণ এই স্থানগুলো কেবল ভৌগোলিক অবস্থান নয়, এগুলো আমাদের আধ্যাত্মিক ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অংশ।
এই ভাবনা থেকেই ইন্দোপ্রাচ্য আন্দোলনের মতো ধারণা জন্ম নিয়েছে—যেখানে লক্ষ্য হলো ভারতীয় সভ্যতা, ঐতিহ্য এবং ঐতিহাসিক তীর্থভূমিগুলোর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পুনরসংযোগের স্বপ্নকে জীবিত রাখা।
এই আন্দোলনের মূল বার্তা হচ্ছে নিজেদের শেকড়কে স্মরণ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাসকে পৌঁছে দেওয়া।
ইতিহাসে আমরা দেখেছি, ইহুদি জাতি দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রহীন অবস্থায় থেকেও তাদের ঐতিহ্য ও তীর্থভূমির স্মৃতি ভুলে যায়নি।
১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে পর্যন্ত তারা প্রতিবছর নববর্ষে সংকল্প করত—“আগামী বছর আমরা জেরুজালেমে নিজেদের দেশে নববর্ষ পালন করব।”
সেই সংকল্পই একসময় বাস্তবে রূপ নিয়েছিল।
ঠিক সেইভাবেই আজ আমাদেরও সংকল্প নেওয়া উচিত—একদিন আমরা শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি তাঁর জন্মভূমিতে পালন করব।
এমন এক দিনের স্বপ্ন দেখব, যখন ভক্তরা বিনা বাধায় ওড়াকান্দি ও সাপলিডাঙ্গায় গিয়ে প্রণাম জানাতে পারবেন এবং সেই পবিত্র ভূমিতে ভারতীয় জাতীয় পতাকা উড়বে।
সবশেষে সনাতনী মতুয়াদের কাছে আমার অনুরোধ—নিজেদের শেকড়, ইতিহাস ও তীর্থভূমিকে কখনো ভুলে যাবেন না। ওড়াকান্দি ও সাপলিডাঙ্গা আমাদের আত্মপরিচয়ের অংশ, আমাদের ঐতিহ্যের আলো।

তাই সকল সনাতনী মতুয়া নমঃশূদ্র সমাজের কাছে আমার আন্তরিক অনুরোধ—আসুন, আজকের এই পবিত্র দিনে আমরা একটি দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করি। যাঁকে আমরা ভগবানরূপে হৃদয়ে ধারণ করি, সেই শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের পবিত্র জন্মভূমির মর্যাদা ও স্মৃতিকে আমরা কখনো বিস্মৃত হব না।
আমাদের তীর্থভূমির প্রতি আস্থা, ভালোবাসা ও অধিকার অটুট রেখে আমরা সেই দিনের স্বপ্ন দেখি—যেদিন আমরা আমাদের সেই পবিত্র তীর্থস্থানে স্বাধীনভাবে, বিনা বাধায় গিয়ে প্রণাম জানাতে পারব।
শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মভূমির সঙ্গে আমাদের আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক চিরন্তন, আর সেই সম্পর্ককে মর্যাদা দেওয়াই আমাদের কর্তব্য।
আসুন, তাঁর আশীর্বাদে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও তীর্থভূমির মর্যাদা রক্ষার সংকল্প গ্রহণ করি।

দ্বিতীয় আহ্বান সেই সকল নমঃশূদ্রদের প্রতি, যারা নিজেদেরকে হিন্দু বলে মানেন না, যারা ১৯৪৭ সালে বলেছিলেন হিন্দুদের সঙ্গে বাস করা যায় না, দলিত মুসলিম ভাই ভাই হিন্দুদের রক্ত চাই।
তারা আমাদের দেশে কি করছেন?
তারা ঠাকুরনগরে বা কি করছেন?
আপনারাই তো ভারত ভাগ করেছিলেন মুসলিম লীগের সাথে মিলে।
এই আপনারাই তো পাকিস্তান তৈরি হওয়ার পরে আমাদের মতো জাতীয়তাবাদী নমঃশূদ্রদের বাড়ি লুটপাট করেছিলেন।
আপনারা আমাদের দেশে কি করছেন?
আপনারা আপনাদের বাপের দেশ পাকিস্তান বা বাংলাদেশ গিয়ে এগুলো করুন।
কেউ বাধা দেবে না।
কিন্তু অযথা আমাদের বাপের দেশে এসে আমাদের দেশের খাবেন, আমাদের দেশের পোশাক পরবেন, এরপর আমাদের দেশকে গালি দেবেন, আমাদের ধর্মকে গালি দেবেন—এটা তো মানা যায় না।
তাই আপনাদের অ-হিন্দু নমঃশূদ্রদের প্রতি আমার আবেদন—অনুগ্রহ করে নিজেদের বাপের দেশে গিয়ে এগুলো করুন।
আগামীতে ভারতবর্ষে যদি আপনারা এগুলো করেন, আমরা ভারতীয় জাতীয়তাবাদী নমঃশূদ্ররা আপনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

সবশেষে তৃতীয় আহ্বান সমগ্র ভারতবাসীর প্রতি—সনাতনী নমঃশূদ্র ও মতুয়া গোসাই দেখলে শ্রদ্ধা করুন, প্রণাম করুন।
আর ভারতবিদ্বেষী কোনো মতুয়া দেখলে তাকে উচিত শিক্ষা দিন এবং তাদের বাপের দেশ অর্থাৎ পাকিস্তান ও বাংলাদেশে পাঠানোর বন্দোবস্ত করুন।

✍️ কঙ্কন মন্ডল।
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
ইন্দোপ্রাচ্য জাতীয়তাবাদী মঞ্চ।


16/03/2026

পূর্ণব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৫ তম আবির্ভাব তিথিতে শ্রীশ্রী ঠাকুরের চরণে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। 🙏

আজ এই পবিত্র দিনে শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের শ্রীচরণে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম।
তাঁর দেখানো সূক্ষ সনাতন ধর্ম, সমতা ও মানবতার বাণী আমাদের সকলের জীবনে আলোর পথ দেখাক।

জয় হরিবোল। 🙏

08/03/2026

আজ আবার প্রমাণ হলো—এই মাটির শক্তি, এই দেশের সাহস আর কোটি মানুষের ভালোবাসা মিলেই তৈরি হয় বিজয়ের ইতিহাস।
ভারত আজ নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে গৌরবের আরেকটি অধ্যায় লিখল।
যখন মাঠে তেরঙ্গা উড়ে, তখন মনে হয় এ শুধু একটি ম্যাচ নয়—এ আমাদের দেশের সম্মান, আমাদের গর্ব, আমাদের আত্মার জয়।
আমরা ভারতবাসী, আমরা হার মানি না।
খেলায় জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু আজকের দিনটা শুধুই ভারতের গর্বের দিন।
গর্বে বলি—
আমার দেশ, আমার গর্ব, আমার ভারত। 🇮🇳✨

05/03/2026

ভারতের জন্য এক বড় কূটনৈতিক সাফল্য। 🇮🇳✨
Alexander Stubb, Finland-এর রাষ্ট্রপতি, United Nations Security Council-এ ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারত আজ শক্তি, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই আজকের বিশ্বে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের অন্তর্ভুক্তি সময়ের দাবি।
একজন গর্বিত দেশপ্রেমিক ভারতীয় হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি—
ভারত আরও শক্তিশালী হবে এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ভারত মাতা কি জয়। 🇮🇳✨

05/03/2026

আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই।
বিশ্ব নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে ইরানের পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় যে দৃঢ় ও সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।
যখন উগ্র ও দায়িত্বজ্ঞানহীন শক্তির হাতে পারমাণবিক অস্ত্র যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, তখন পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও মানবতার স্বার্থে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
বিশ্বকে নিরাপদ রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গড়তে এমন দায়িত্বশীল ও দৃঢ় নেতৃত্বকে সাধুবাদ জানাই।

03/03/2026

দোল পূর্ণিমার পবিত্র রাতে নবদ্বীপধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন প্রেম ও ভক্তির সাগর—শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু। তিনি শুধু এক সাধক নন, ছিলেন ভক্তি আন্দোলনের নবজাগরণের অগ্রদূত, যিনি হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে সমগ্র মানবজাতিকে প্রেম ও ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন।
শৈশবে নিমাই নামে পরিচিত এই মহাপুরুষ পরবর্তীকালে জগতকে শিখিয়েছিলেন—
নামসংকীর্তনই কলিযুগের মহৌষধ,
প্রেমই পরম ধর্ম,
আর ভগবৎভক্তিই জীবনের পরম লক্ষ্য।
তিনি জাতি–ধর্ম–বর্ণের সংকীর্ণতা ভেঙে দিয়েছিলেন। তাঁর কীর্তনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিল নদীয়া থেকে পুরী, আর সেখান থেকে সমগ্র ভারতবর্ষে। নবদ্বীপ ও পুরী আজও তাঁর পদচিহ্নে পবিত্র।
কাজীর নিষেধাজ্ঞার মুখেও তিনি অহিংস প্রতিবাদ ও ভক্তদের নিয়ে মহাসংকীর্তনের মাধ্যমে ধর্মীয় স্বাধীনতার বার্তা দিয়েছিলেন।
তাঁর আদর্শ ছিল—অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়তা, কিন্তু হৃদয়ে প্রেম ও ক্ষমা।
গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু আমাদের শিখিয়েছেন—
হরে কৃষ্ণ নামেই মুক্তি,
প্রেমেই পরম সত্য,
আর ভক্তিতেই জীবনের পূর্ণতা।
আজ গৌর পূর্ণিমার পবিত্র তিথিতে আমরা স্মরণ করি তাঁর দয়া, তাঁর প্রেমময় আহ্বান ও তাঁর চিরজাগ্রত নামসংকীর্তনের ধ্বনি।
শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথিতে তাঁর চরণে জানাই শতকোটি প্রণাম, আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🙏

03/03/2026

দোল পূর্ণিমার পবিত্র আলোকোজ্জ্বল প্রভাতে যিনি আবির্ভূত হয়েছিলেন মানবমুক্তির বার্তা নিয়ে, তিনি আমাদের প্রিয় গুরুচাঁদ ঠাকুর।
তিনি ছিলেন এক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও কট্টর সনাতনী ধর্মবিশ্বাসী, যিনি নিজের আধ্যাত্মিক শক্তিকে সমাজজাগরণের পথে নিয়োজিত করেছিলেন।
তিনি শুধু এক ধর্মগুরু নন, ছিলেন অবহেলিত ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক নির্ভীক সমাজসংস্কারক।
পিতা হরিচাঁদ ঠাকুর–এর আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি শিক্ষা, সাম্য ও মানবধর্মের আলো ছড়িয়ে দেন বাংলার জনপদে জনপদে। তাঁর উদ্যোগে অসংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যাতে নমঃশূদ্র ও প্রান্তিক সমাজের সন্তানরা শিক্ষার আলো পায়। নারীশিক্ষা, সামাজিক সংস্কার ও আত্মমর্যাদার প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল দৃঢ় ও স্পষ্ট।
তিনি ধর্মকে দেখেছেন আত্মমর্যাদা ও ন্যায়ের শক্তি হিসেবে। অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন, সমাজকে সংগঠিত করেছিলেন অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে।
তাঁর সংগ্রাম ছিল শোষণের বিরুদ্ধে—মানবতার পক্ষে।
গুরুচাঁদ ঠাকুর আমাদের শিখিয়েছেন—
শিক্ষাই মুক্তির পথ,
ঐক্যই শক্তি,
আর মানবতাই সর্বোচ্চ ধর্ম।
আজ তাঁর জন্মতিথিতে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি তাঁর ত্যাগ, তাঁর সংগ্রাম এবং তাঁর অমলিন আদর্শকে। তাঁর দেখানো পথেই সমাজ গড়ে উঠুক জ্ঞান, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে—এই হোক আমাদের প্রার্থনা।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব তিথিতে তাঁর চরণে জানাই শতকোটি প্রণাম, আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🙏

26/02/2026

ভারত মাতার বীর সন্তান, বলিষ্ঠ জাতীয়তাবাদী নেতা, প্রখর চিন্তাবিদ ও সমাজসংস্কারক
বিনায়ক দামোদর সাভারকর–এর প্রয়াণ দিবসে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।
দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও অদম্য সাহসের যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করে গেছেন, তা যুগে যুগে ভারতবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে।
জাতির স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও সাংস্কৃতিক জাগরণের জন্য তাঁর অবদান ইতিহাসে অমলিন হয়ে থাকবে।
তাঁর স্মৃতি, আদর্শ ও সংগ্রামের প্রতি রইল বিনম্র প্রণাম। 🙏

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Kolkata