Progressive Blood Donors Association
SOCIAL SERVICES
*স্বেচ্ছায় সমাজ সেবী করতে গেলে শুনতে হবে গুণ্ডার তকমা ও ঘাড় ধাক্কা খেয়ে লজ্জিত হয়ে ব্লাড ব্যাংক থেকে বেরোতে হবে*
ইনি হচ্ছেন চাঁচল ব্লাড ব্যাংকের সাধারণ কর্মী Arabida Mandal যিনি ব্লাড ব্যাংকে পৈতৃক সম্পত্তি ভাবেন এবং বরাবরই যেকোনো স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে ঝামেলায় জড়িত।
গতকাল চাঁচল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর হিমোগ্লোবিন ২.২৬ এবং ব্যাংকে রিকুইজিশন জমা হয় দুপুর ২ নাগাদ, সেখানে ব্লাড ব্যাংকের করণীয় ছিল সেই রোগীকে রক্ত দিয়ে তার প্রাণ বাঁচানোর কিন্তু ব্যাংক দিতে পারেনি অতঃপর রোগীর পরিবার একতাবন্ধন যুব সমিতির সদস্যদের সাথে সন্ধ্যায় যোগাযোগ করে এবং সদস্যরা রাত্রি প্রায় ১১ নাগাদ ডোনার নিয়ে যায়। তারপর তারা ব্লাড ব্যাংকে পৌঁছালে দেখে তালা বন্ধ এবং প্রায় ১ ঘণ্টা মতো তারা দরজায় আওয়াজ দিতে থাকে তারপর দরজা খুললে তারা বলে ডোনার নিয়ে এসেছি যেই কথা শুনে ব্লাড ব্যাংকের কর্মী তাদের কথার উত্তরে বলে কে ডেকেছে তোমাদের কেনো এসেছো অনেক হয়রানি করে এবং অবশেষে সিকিউরিটি দিতে তাদের ধাক্কা দিতে দিতে ব্লাড ব্যাংক থেকে বের করে দেয়। শেষ পর্যন্ত আমি ব্লাড ব্যাংকের উচ্চপদস্থ Dr PK Mandal কে কল করে সব কথা বলাই ব্যাংক থেকে ১ ইউনিট ব্লাড দেই ও সেই কর্মী রোগীর পরিবারকে ব্লাড দেওয়ার সময় বলে গুণ্ডা নিয়ে এসেছো ঝগড়া করার জন্য।
এমনিতেই ব্লাড ব্যাংকে রক্তের বেহাল অবস্থা আর তারা এমন অপ্রত্যাশিত আচরণ করলে NGO গুলো কেমন করে রোগীদের পাশে দাঁড়াবে...?
18/05/2026
পশ্চিমবঙ্গ সরকার
পরিচালকের কার্যালয়,
রক্ত সঞ্চালন মেডিসিন ও ইমিউনোহেমাটোলজি ইনস্টিটিউট
205, বিবেকানন্দ রোড, মানিকতলা
কলকাতা - 700 006 ই-মেইল: [email protected]
স্মারক নং IBTMI/Admin-Coreular
/২০২৬/৫০৮
তারিখ: ১৮-০৫-২০২৬
সার্কুলার
কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন অ্যান্ড ইমিউনোহেমাটোলজিতে আয়োজিত অভ্যন্তরীণ রক্তদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায়, সংশ্লিষ্ট সকলের কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য নিম্নলিখিত শ্রেণীর রক্তদান এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধাসমূহ এতদ্বারা বিজ্ঞাপিত করা হলো। এটি জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী অনুসরণ করতে হবে।
১. বিনিময় অনুদান:
এটিকে সম্পূর্ণরূপে একটি বিনিময় অনুদান হিসেবে গণ্য করা হবে।
রক্তদাতাকে কোনো রক্তদাতার ক্রেডিট কার্ড প্রদান করা হবে না।
আইবিটিএমএন্ডআইএইচ, কলকাতা-এর সমাপ্তির পর কোনো খাবারের প্যাকেট বা জলখাবার সরবরাহ করা হবে না।
২. একই ইউনিট প্রতিস্থাপন:
এই বিভাগে, দাতা এক ইউনিট রক্ত দান করেন এবং সেই দান করা রক্তই
প্রক্রিয়াজাত করে সংশ্লিষ্ট দাতা/রোগীকে প্রদান করা হয়েছে।
এটিকে একই ইউনিট প্রতিস্থাপন অনুদান হিসেবে গণ্য করা হবে।
রক্তদাতাকে কোনো রক্তদাতার ক্রেডিট কার্ড প্রদান করা হবে না।
আইবিটিএমএন্ডআইএইচ, কলকাতা-এর সমাপ্তির পর কোনো খাবারের প্যাকেট বা জলখাবার সরবরাহ করা হবে না।
৩. স্বেচ্ছায় রক্তদান:
এই বিভাগটি ইনস্টিটিউট কর্তৃক সময়ে সময়ে আয়োজিত স্বেচ্ছামূলক অভ্যন্তরীণ রক্তদান শিবির/কর্মসূচি সম্পর্কিত।
এইরূপ রক্তদান স্বেচ্ছাকৃত রক্তদান হিসেবে গণ্য হবে।
প্রত্যেক স্বেচ্ছাদাতাকে একটি রক্তদাতার ক্রেডিট কার্ড এবং খাবারের প্যাকেট/পানীয় প্রদান করা হবে।
এই নির্দেশিকাগুলি ২০২৬ সালের ২০শে মে থেকে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে উপরোক্ত নির্দেশিকাগুলি সজ্ঞানে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
ডিরেক্টো ৮/০৫/২৬ ইনস্টিটিউট অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন অ্যান্ড ইমিউনোহেমাটোলজি বাউম কলকাতা
মেমো নং। IBTMI/অ্যাডমিন-কোরিউলার/2026/508/1(1)
তারিখ: ১৮-০৫-২০২৬
অবগতির জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হলো:-
১. উপ-পরিচালক, আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
২. সহকারী পরিচালক, আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
৩. এ.ও., আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
৪. সকল এম.ও., আইবিটিএমএন্ডআইএইচ,
৫. এম.টি.এস (ল্যাব)-ইন-চার্জ, আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
৬. সকল এম.টি. (ল্যাব), আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
৭. স্টোর কিপার, আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
৮. সাব-স্টোর ইন-চার্জ, আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
৯. আইবিটিএমএন্ডআইএইচ-এর হিসাব বিভাগ/প্রচার বিভাগ/ভলিউম বিভাগের সকল কর্মী।
১০. সকল নার্সিং কর্মী, আইবিটিএমএন্ডআইএইচ।
১১. অফিস কপি।
পরিচালক ১৮/০৫/২৬ রক্ত সঞ্চালন চিকিৎসা ও ইমিউনোহেমাটোলজি ইনস্টিটিউট ভোল্ট কলকাতা
17/05/2026
ভারতের প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন তারকা জোয়ালা গুট্টা সম্প্রতি মা হওয়ার পরবর্তী এক বছরে প্রায় ৬০ লিটার মাতৃদুগ্ধ দান করে এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। হায়দ্রাবাদ ও চেন্নাইয়ের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (NICU) চিকিৎসাধীন অপরিনত শিশুদের জীবন বাঁচাতে তাঁর এই উদ্যোগ এখন দেশজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে জোয়ালা সবসময়ই সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, কিন্তু मातৃত্বের এই পর্যায়ে এসে তিনি যে লড়াই লড়লেন, তা বহু শিশুর প্রাণদায়ী সঞ্জীবনী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাডমিন্টন কোর্টে তাঁর জয়গান তো অনেক হয়েছে, কিন্তু মাতৃত্বের প্রথম এক বছর তিনি যে নিভৃত যুদ্ধ চালিয়েছেন, তার সুফল পেয়েছে সমাজের সবচেয়ে অসহায় নবজাতকেরা।
২০২৫ সালের এপ্রিলে জোয়ালার কন্যা মীরার জন্মের পর থেকেই তিনি লক্ষ্য করেন যে তাঁর শরীরে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি স্তনদুগ্ধ উৎপন্ন হচ্ছে। এই অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান নষ্ট না করে তিনি তা অভাবী শিশুদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন। মাতৃত্বের প্রথম বছরে একজন নতুন মায়ের জন্য শরীর এবং মনের ওপর দিয়ে যে ধকল যায়, তার মাঝে নিয়ম করে পাম্প করে তা সংগ্রহ করা, যথাযথভাবে লেবেলিং করা এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। জোয়ালা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, তিনি প্রায় প্রতিদিন নিয়ম করে এই কাজ করেছেন। প্রতিটি ব্যাগে সময় এবং তারিখ লিখে রাখা থেকে শুরু করে ডিপ-ফ্রিজে তা সুরক্ষিত রাখা—সবটাই ছিল এক নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। হায়দ্রাবাদ ও চেন্নাইয়ের সরকারি হাসপাতালগুলিতে যেখানে অভাবী পরিবারের প্রিম্যাচিউর শিশুরা ভর্তি থাকে, সেখানেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে তাঁর এই অমূল্য দান।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে এই অবদানের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়। জোয়ালা জানিয়েছেন, একটি ১ কেজি ওজনের প্রিম্যাচিউর শিশুর পুষ্টির জন্য মাত্র ১০০ মিলি ডোনার মিল্ক কয়েক দিন পর্যন্ত যথেষ্ট হতে পারে। সেই হিসেবে তাঁর দান করা ৬০ লিটার বা ৬০,০০০ মিলিলিটার তরল সোনা কয়েকশ শিশুর প্রাণ বাঁচাতে বা সুস্থ করতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে যে সমস্ত মায়েরা প্রসব পরবর্তী জটিলতার কারণে সরাসরি স্তন্যপান করাতে পারেন না, তাদের শিশুদের কাছে এই পাস্তুরাইজড মানব দুগ্ধ আশীর্বাদের মতো। জোয়ালা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন 'নেক্রোটাইজিং এন্টারোকোলাইটিস' (NEC) নামক এক ভয়াবহ অন্ত্রের রোগের কথা। অপরিনত শিশুদের ক্ষেত্রে কৃত্রিম ফর্মুলা দুধের চেয়ে প্রাকৃতিক মাতৃদুগ্ধ এই রোগের ঝুঁকি প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। তাঁর এই সংগৃহীত উৎস সরকারিভাবে স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে শিশুদের দেওয়া হয়েছে, যা নিওনেটাল কেয়ারের ক্ষেত্রে একটি নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
জোয়ালা গুট্টার এই পদক্ষেপ ভারতের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার এক অন্ধকার দিককেও আলোকবর্তিকা দেখিয়েছে। আমাদের দেশে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ শিশু নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভূমিষ্ঠ হয়, যাদের জন্য মায়ের দুধ ওষুধের মতো কাজ করে। অথচ সচেতনতার অভাবে ভারতের হিউম্যান মিল্ক ব্যাঙ্কগুলিতে চাহিদার তুলনায় যোগান অত্যন্ত নগণ্য। জোয়ালা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, রক্তদানের মতোই এই দানকেও একটি সাধারণ ও সামাজিক कर्तव्य হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। ৪১ বছর বয়সে আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে মা হওয়ার পর নিজের শারীরিক কষ্টের কথা লুকিয়ে না রেখে তিনি যেভাবে মাতৃত্বের বাস্তবতাকে তুলেด้าน এনেছেন, তা অন্যান্য মায়েদেরও অনুপ্রাণিত করছে। তাঁর এই নীরব বিপ্লব কেবল পুষ্টির জোগান নয়, বরং মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য এবং নবজাতকদের জীবন রক্ষায় এক নতুন সামাজিক চেতনার জন্ম দিয়েছে যা আগামী দিনে ভারতের শিশু মৃত্যুহার রোধে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা পালন করবে।
11/05/2026
অভিজিৎ ভাই চতুর্থ বার রক্ত দান করলেন। ভালো থেকো সুস্থ থেকো
05/05/2026
পেশেন্ট সুনিতা নার্সিংহোমে ভর্তি আছে (ডোমকল) নাম - শিলা বিবি, হসপিটাল মোড় ,ডোমকল । প্রেগনেন্সি সেই রোগীকে A পজেটিভ রক্ত দান করলেন রক্তদাতা - অমিত হাসান ( ডাক্তার বাবু) গোপালপুর থেকে ডোমকল হসপিটাল ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে । সহযোগিতায়- মহানুভতার দেওয়াল ।
05/05/2026
অল্টারনেট O পজেটিভ রক্ত টা ডোমকল হসপিটাল ব্লাড ব্যাংকেই VBD করে দিলাম । আমরা সর্বদাই মানুষের সাথে মানুষের পাশে ।।
05/05/2026
থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত , নাম- জুবায়েদ শেখ, ভগবানগোলা । লালবাগ হসপিটালে ভর্তি আছে সেই পেশেন্টকে A পজেটিভ রক্তদান করলেন হাফিজুল ভাই ,নাজিরপুর, ইসলামপুর থেকে গিয়ে লালবাগ হসপিটাল ব্লাড ব্যাংকে । সহযোগিতায় - শাহু ভাই , নাজিরপুর ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kolkata
