20/04/2022
জনপ্রিয় নেতা, প্রখর বক্তা, লোকসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, পদ্মভূষণ আদরণীয় শ্রী Kariya Munda জী কে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ভগবান সিংবঙ্গার কাছে আপনার সর্বদা সুস্বাস্থ্য, সুখী এবং দীর্ঘায়ু হোন এই কামনা করি।
10/03/2022
সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের প্রতিষ্ঠা দিবসে সকল সৈনিক এবং তাদের পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
Central Industrial Security Force - CISF
🇮🇳
17/01/2022
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রালয়, ভারত সরকার শ্রদ্ধেয় শ্রী অর্জুন মুন্ডা জি কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর পেলাম। আমি আপনার দ্রুত সুস্থতা ও আরোগ্য কামনা করি।
14/01/2022
मैग्सेसे,ज्ञानपीठ एवं पद्म पुरस्कार से सम्मानित सुप्रसिद्ध लेखिका एवं सामाजिक कार्यकर्ता महाश्वेता देवी जी की जयंती पर उन्हें सादर नमन।
13/01/2022
#সাগুন মকর সাঁকরাত আর পুষ্ পরব রেয়াঃ...
সবেনঃকে সিবিল জোয়ার🙏
13/01/2022
#भारत के वीर स्वतंत्रता सेनानी बाबा तिलका मांझी के पुण्यतिथि पर उन्हें कोटिशः नमन।
09/01/2022
#जालियांवाला बाग हत्याकांड से पहले भी अंग्रेजों ने झारखंड के डोम्बारी बुरु में सैकड़ों निर्दोष लोगों पर जुल्म ढाया था। 9 जनवरी 1899 को अंग्रेजों ने_ खूंटी जिले के अड़की ब्लॉक स्थित डोम्बारी बुरु में निर्दोष लोगों को चारों तरफ से घेर कर गोलियों से भून दिया था। यह स्थान भगवान बिरसा मुंडा का अंग्रेजी सरकार के विरुद्ध स्वतंत्रता उलगुलान का एक महत्वपूर्ण गवाह है। यहीं से "अबुआ: दिशुम, अबुआ: राज" का नारा बुलंद हुआ था, जिसने संपूर्ण झारखंड को एक सूत्र में पिरोया था और झारखंड से अंग्रेजी सरकार को भगाने पर मजबूर किया था। 9जनवरी 1900 का उलगुलान यहीं से प्रारंभ हुआ था। #डोम्बारीबुरु के शहीदों को शत शत नमन।
03/01/2022
ঝাড়খন্ড রাজ্যের প্রবর্তক, সংবিধান সভার সদস্য, রাজনীতিবিদ, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, 1925 এ 'অক্সফোর্ড ব্লু ' উপাধি পাওয়া, ভারত-কে প্রথম হকি অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক পাইয়ে দেওয়া টিমের ক্যাপ্টেন, আদিবাসীদের অধিকার এবং সুরক্ষা ভারতীয় সংবিধানে সুনিশ্চিত করার মূল কারিগর #মারাং_গমকে_জয়পাল_সিং_মুন্ডা এর জন্মজয়ন্তীতে ওনাকে কোটি কোটি প্রণাম।
***** মারাং গমকে জয়পাল সিং মুন্ডা *****
জয়পাল সিং মুন্ডা ১৯০৩ সালের ৩ রা জানুয়ারী ঝাড়খন্ড রাজ্যের খুঁটি জেলার টাকরা পাহানটোলিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তিনি ছোটবেলা থেকে অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী ছিলেন । পড়াশোনা ছাড়াও খেলাধূলা এবং তর্কবিতর্কে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন । খ্রিষ্টান মিশনারির সহায়তায় তিনি অক্সফোর্ডের সেন্ট জোন্স কলেজে পড়তে যান । পড়াশোনার সাথে তিনি খেলাধূলাও চালিয়ে যান । বিশেষ করে তিনি হকিতে অত্যন্ত পারদর্শী হয়ে ওঠেন এবং সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ।
জয়পাল সিং মুন্ডা ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে ( I C S ) নির্বাচিত হয়েছিলেন । কিন্তু তিনি আই সি এস এর প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে পারেন নি । কেননা তিনি ১৯২৮ সালে আমস্ট্যারডামে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকের জন্য ভারতীয় হকি দলের ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হন । ভারতীয় হকি দলের ক্যাপ্টেন হয়ে তিনি ন্যাদারল্যান্ড চলে যান । তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় হকি দল অসাধারণ পারফরম্যান্স করে এবং প্রথম বার ভারত হকিতে স্বর্ণ পদক লাভ করে ।
ন্যাদারল্যান্ড থেকে ফিরে আসার পর তাঁকে আই সি এস - এর এক বছরের প্রশিক্ষণ পুনরায় সম্পূর্ণ করতে বলা হয় । এদিকে খ্রিষ্টান মিশনারি খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারক হিসাবে তাঁকে কাজে লাগাতে চায় । কিন্তু জয়পাল সিং মুন্ডা ইংরেজের গোলামি করার পথে গেলেন না । তিনি বিহারের শিক্ষা জগতের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য তৎকালীন বিহার কংগ্রেসের অধ্যক্ষ ড. রাজেন্দ্র প্রসাদকে এ বিষয়ে একটি চিঠি লেখেন । কিন্তু তার কোন জবাব পেলেন না । ১৯৩৮ সালে তাঁকে রাঁচি এবং পাটনা যাতায়াত করতে হয়েছিল । এই সময় আদিবাসী এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের অত্যন্ত খারাপ অবস্থা দেখে তাঁর মন বিচলিত হয় । আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য তিনি রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন । এরপর তিনি আদিবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালান । এই কাজে তিনি যথেষ্ট সাফল্য লাভ করেছিলেন । যার ফলে ১৯৩৮ সালে চারশো আদিবাসী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে 'অখিল ভারতীয় আদিবাসী মহাসভা' গঠিত হয় । যার মাধ্যমে তিনি আদিবাসীদের শোষণের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক এবং সামাজিক লড়াই শুরু করেন ।
জয়পাল সিং মুন্ডা ১৯৩৮ সালের জানুয়ারীতে আদিবাসী মহা সভার সভাপতিত্ব গ্রহণ করেন । এরপর তিনি মারাং গমকে তথা মহান নেতা হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেন । তখন তিনি আদিবাসীদের শোষণ এবং বঞ্চনা থেকে রক্ষার জন্য আলাদা ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দাবী তোলেন । এরপর তিনি বিহার প্রদেশ থেকে গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কঠোর প্রয়াস করেন । 'আদিবাসী' এবং 'উপজাতি' শব্দগুলি বহু দিন ধরে তাচ্ছিল্যের সাথে বর্ণবাদের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হত। যারফলে কিছু আদিবাসী গোষ্ঠী ' আদিবাসী ' এবং ' উপজাতি ' পরিচয় থেকে মুক্তি চায় । তাতে আদিবাসী ঐক্যে ফাটল ধরে । প্রথম দিকে আদিবাসী শব্দটি বিভেদমূলক শব্দ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল । কিন্তু ১৯৩০-৪০ এর দশকে জয়পাল সিং মুন্ডার প্রচারে তা ইতিবাচক এবং ঐক্যবদ্ধতার পরিচায়ক হিসাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে ।
জয়পাল সিং মুন্ডা ছিলেন তৎকালীন ভারতীয় গণপরিষদের একজন আদিবাসী সদস্য । তাঁর জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় এল ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বর মাসে যখন নতুন সংবিধান রচনার জন্য গণপরিষদে বিতর্ক সভা শুরু হয় । স্বধীনতা আন্দোলনের প্রতিমূর্তি জওহরলাল নেহেরু , বল্লভভাই প্যাটেল , ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ , ড: বি. আর আম্বেদকর , সরোজিনী নাইডু প্রমুখ গণতন্ত্র , মৌলিক অধিকার এবং স্বাধীতার ওপর বক্তব্য রাখলেন । তারপর ১৯৪৬ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর প্রথম বার জয়পাল সিং মুন্ডা তাঁর বক্তব্য রাখেন । তাঁর অত্যাশ্চর্য বক্তব্য যা ভারতীয় সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল । তাঁর বক্তব্যটি ছিল এই রকম -
" I rise to speak on be half of millions of unknown hordes - yet very important - of unrecognized warriors of freedom , the original people of India who have variously been known as backward , tribes , primitive tribes , criminal tribes and everything else , Sir , I am proud to be a jungli , that is the name by which we are known in my part of the country . As a jungli , as an Adibasi , I am not expected to understand the legal intricacies of the Resolution . You cannot teach democracy to the tribal people , you have to learn democratic ways from them . They are the most democratic people in the earth ."
জয়পাল সিং মুন্ডা তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন -
" The whole history of my people is one of continuous exploitation and dispossession by the non-aboriginals of India punctuated by rebellions and disorder , and yet I take Pandit Jawaharlal Nehru at his word . I take you all at your word that now we are going to start a new chapter , a new chapter of Independent India were there is equality of opportunity , where no one would be neglected ."
১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে সংখ্যালঘু বঞ্চিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয় তাতে শুধুমাত্র দলিতদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ বিধান দেওয়া হয়েছিল । আদিবাসীদের সম্পর্কে ঐ রিপোর্টে কোন কিছুই উল্লেখ করা হয় নি । ড. আম্বেদকরের মতো মহান নেতাকে পেয়ে দলিতরা তার লাভ পেতে শুরু করেছিলেন । কিন্তু আদিবাসীদের জন্য কোন আশার আলো দেখা গেল না । এরূপ পরিস্থিতিতে জয়পাল সিং মুন্ডা সক্রিয় হস্তক্ষেপ করেন এবং সংবিধান সভায় জোরদার ভাষণ দেন । আদিবাসীদের সম্পর্কে তিনি চমৎকার গঠনমূলক বক্তব্য রাখলেন -
" आजादी की इस लड़ाई में हम सबको एक साथ चलना चाहिए । पिछले छह हजार साल से अगर इस देश में किसी का शोषण हुआ है तो वे आदिवासी ही हैं । उन्हें मैदानों से खदेड़कर जंगलों में धकेल दिया गया अौर हर तरह से प्रताड़ित किया गया , लेकिन अब जब भारत अपने इतिहास में एक नया अध्याय शुरू कर रहा है तो हमें अवसरों की समानता मिलनी चाहिए ।"
এর সাথে জয়পাল সিং মুন্ডা স্বায়ত্ব শাসনের দাবী আরও জোরদার করেন । এরফলে আদিবাসীদের স্বায়ত্ব শাসনের দাবীকে খারিজ করার উদ্দেশ্যে আদিবাসীদের সংরক্ষণ বা Reservation তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয় । যার ফলস্বরূপ চারশো আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য উপজাতির দরজা খুলে যায় । এরফলে চাকুরী লোকসভা - বিধানসভা সহ বিভিন্ন নির্বাচনে ৭.৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ সুনিশ্চিত হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের বিষয় আজও আদিবাসীদের ওপর শোষণ অব্যাহত রয়েছে ।
এরপর জয়পাল সিং মুন্ডা আদিবাসী , দলিত , পিছিয়ে পড়া শ্রেণির অধিকার রক্ষার জন্য ১৯৫২ সালে ঝাড়খণ্ড পার্টি গঠন করেন । ঐ বছর সাধারণ নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড পার্টি ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল । তাঁর দলের ৩ জন সাংসদ এবং ২৩ জন বিধায়ক জয় লাভ করেছিলেন । স্বয়ং নিজে জয়পাল সিং মুন্ডা লাগাতার চার বার লোকসভা নির্বাচনে জয় লাভ করে সংসদে পৌঁছেছিলেন । পরবর্তীকালে ঝাড়খন্ডের নামে গঠিত অনেক পার্টি তাঁর চিন্তাধারায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল । সারা জীবন আদিবাসীদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে করতে ১৯৭০ সালের ২০ শে মার্চ জয়পাল সিং মুন্ডা শেষ হয়ে গেলেন । দুর্ভাগ্যের বিষয় এরপর তাঁকে বিস্মৃত করে দেওয়া হল ।
জয়পাল সিং মুন্ডার প্রচেষ্টায় আদিবাসীরা কিছু সাংবিধানিক অধিকার লাভে সক্ষম হয়েছেন । ২০০০ সালে ঝাড়খণ্ড রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে তাঁর আংশিক স্বপ্ন পূরণ করা হয় । কিন্তু তত দিনে রাজ্যে আদিবাসীর সংখ্যা কমে ২৬ শতাংশে নেমে আসে । যেখানে ১৯৫২ সালে আদিবাসী বাস করত প্রায় ৫১ শতাংশ । বাস্তবে আদিবাসীদের ওপর শোষণ এবং উচ্ছেদ এখনও সমান ভাবে জারি রয়েছে । আদিবাসীরা যা চেয়েছিলেন তা তো তাদের দেওয়া হয় নি । পরিবর্তে অ-আদিবাসীরা নিজেদের মতো করে এক তরফা ভাবে ভারতীয় সংবিধানে আদিবাসীদের জন্য যে সব অধিকার দিয়েছেন , তাও আদিবাসীরা আজও পেল না ।
5 th schedule , 6th schedule , PESA Act এর প্রকৃত অধিকার আজও কেন আদিবাসীরা পেল না ? জণগণের উন্নয়নই দেশের উন্নয়ন । সংখ্যা গরিষ্ঠ জণগণকে বঞ্চিত করে দেশের উন্নয়ন অসম্ভব । ভারত নানা গোষ্ঠী , নানা বর্ণ , নানা ধর্ম , নানা ভাষাভাষী মানুষের মিলন ক্ষেত্র । তাই মুষ্টিমেয় মানুষের উন্নয়ন ঘটিয়ে মহান ভারত গড়া সম্ভব নয় । তার জন্য মজবুত ভিত গড়ে তোলা খুব জরুরী । যাতে কেউ শোষিত ও বঞ্চিত না হয় । মহান ভারত গড়ার জন্য চাই সকল মানুষের অধিকারকে মর্যাদা দেওয়ার মতো মানসিক জোর । আর ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ নির্মূল করতে জয়পাল সিং মুন্ডার চিন্তাধারাকে অনুসরণ করা খুব প্রয়োজন ।
জয়পাল সিং মুন্ডা ছিলেন একাধারে বিখ্যাত হকি খেলোয়াড় , চিন্তাশীল লেখক , সাংবাদিক এবং দক্ষ রাজনীতিবিদ । এরকম বহুমুখী প্রতিভাশালী ব্যক্তিত্ব ভারত বর্ষে খুব কম জন্ম গ্রহণ করেছেন । দলিত পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য যাঁরা লড়াই করেছিলেন , তাঁদের বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে খুঁজে বের করে নতুন করে ইতিহাস লেখা শুরু হয়েছে । কিন্তু দুঃখের বিষয় বর্তমান প্রজন্ম জয়পাল সিং মুন্ডার নাম পর্যন্ত জানতে পারলো না, তাঁর চিন্তাধারা জানা তো দূরের কথা। আজকের দিনে ছোটখাটো রাজনৈতিক নেতারা এমনকি শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য যে খেলোয়াড়রা খেলে তারা পর্যন্ত ভারত রত্ন পেয়ে যায়। সেখানে জয়পাল সিং মুন্ডা তাঁর যোগ্য সম্মানটুকু আজও পেলেন না যা অত্যন্ত বিস্ময়কর।
01/01/2022
केंद्रीय मंत्री आदरणीय श्री Arjun Munda जी के धर्मपत्नी आदरणीया Smt.Meera Munda जी को जन्मदिन की हार्दिक बधाई एबं शुभकामनाए। आप सदैब स्वस्थ, सुखीं एबं दीर्घायु रहे यही कामना करती हूँ।