26/04/2025
এই দৃঢ়তা ধারণ করে একমাত্র বামফ্রন্ট। মানুষকে বের করে আনতে হবে তৃণমূল-বিজেপির অন্ধকূপ থেকে। আমাদের হার মানার বিলাসিতা নেই। ✊🏼✊🏼
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amra Bamfront, Political organisation, KOLKATA.
The left is the only way to escape the tyranny of anarchy in the name of unemployment, workers 'rights, fair prices for farmers' crops, industry, culture and law and order.
26/04/2025
এই দৃঢ়তা ধারণ করে একমাত্র বামফ্রন্ট। মানুষকে বের করে আনতে হবে তৃণমূল-বিজেপির অন্ধকূপ থেকে। আমাদের হার মানার বিলাসিতা নেই। ✊🏼✊🏼
15/04/2025
সংবিধানের ধর্মীয় স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারভঙ্গকারী বিজেপি সংসদে পাশ করিয়েছিলো ওয়াকফ আইন। বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি পাঁচ তৃণমূল সাংসদ। এই ওয়াকফকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জ অশান্ত হয়েছে, সারাদিন আতঙ্কে কেঁপেছে বাংলা। নিজের পাড়ায় দাঙ্গা প্রতিরোধ করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন কমরেড হরগোবিন্দ দাস ও কমরেড চন্দন দাস নামের দুজন সিপিআই(এম) সমর্থক। সেই ওয়াকফ বিলকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতীয় সংবিধান, বিচারব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর সুপ্রীম কোর্টে যাচ্ছে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)। কোর্টে জেতাহারা পরের কথা, বিজেপির স্বপ্নের আধিপত্যবাদী ভারত, মুসলমানবিহীন ভারতের স্বপ্ন দেখার রাস্তা কুসুমাস্তীর্ণ হবেনা। কেউ না কেউ এই লড়াইয়ে ঠিক দাঁড়িয়ে যাবেন এই বহু ভাষা, বহু ধর্ম, বহু সংস্কৃতি, সর্বোপরি বহুত্ববাদী ভারতের হয়ে৷ এর আগে NRC-CAA-CAB যেমন পাশ করাতে পারেনি বিজেপি সরকার, তৃনমুলের সমস্ত সহযোগিতা সত্ত্বেও সংসদে পাশ করাতে পারেনি কৃষিবিল, শ্রমকোড- মানুষকে সাথে নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছে বামপন্থীরা- বহুত্ববাদী ভারতের জন্যে- আজও তার অন্যথা হবেনা। লোকসভা, বিধানসভায় এই মূহুর্তে বাংলা থেকে কোন বাম সাংসদ নেই, রাজ্যসভায় আছেন কেবলমাত্র একজন- কমরেড বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাও বারবার জানান দিয়ে যাচ্ছে মানুষের হয়ে লড়াই করা শূন্য পার্টি। পার্লামেন্টে সংখ্যা শেষ কথা বলবেনা, বলবে ভারতের সংবিধান, সাধারণ মানুষ, শেষ কথা বলবে রাস্তা।
What Parliament does, streets can undo. চলুন, আরেকবার রাস্তার লড়াইতে বামপন্থীদের শক্তিপরীক্ষা হোক৷ সে আপনারা তাদের ভোটে জেতান বা শূন্য বলে ব্যঙ্গ করুন- তাদের মিছিলের রাস্তা বাঁ দিক দিয়ে পাতাই আছে। সেই রাস্তায় দেখা হবে।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ৷ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) জিন্দাবাদ।
02/01/2025
আরেকটা নতুন বছর এসে গেল, প্রায় সাড়ে তিন দশক পেরিয়ে আরও একটা নতুন বছর। নতুন বছরের এপ্রিল মাসে একটা দিন থাকবে, জাতীয় পথনাটক দিবস হিসেবে, ১২ই এপ্রিল কারণ ওই দিন জন্মগ্রহণ করেছিলেন সফদর হাশমি, নাট্যকার সফদর হাশমি। শুধু ১২ই এপ্রিল নয়, সফদর হাশমির নামে আছে মানবাধিকার সংক্রান্ত কাজের পুরষ্কার (আইআরডিএস, লক্ষ্ণৌ), অজস্র নাটকের দল, দুটো মূলধারার সিনেমা হয়েছে ওনার জীবনের অংশ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, চিত্রকর মকবুল ফিদা হুসেনের একটি ছবি ওনাকে উৎসর্গ করে আঁকা, বিক্রি হয়েছে এক লক্ষ ডলারে যেটা সমকালীন যেকোনো ভারতীয় চিত্রকরের আঁকা ছবির চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ছবির বিশেষণে ভূষিত। ১২ই এপ্রিল আসার আগে আসে ২রা জানুয়ারি, ওই দিনটা খুব কম লোকই মনে রাখে কারণ ওই দিনটা দিল্লীর হাসপাতালে সফদর হাশমি মারা যান কারণ ১লা জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে যখন গোটা দেশ নববর্ষের উদযাপন করতে ব্যস্ত তখন কমরেড সফদর হাশমিকে মাথার খুলিতে বাইশটা লোহার রডের আঘাত সমেত ওঁর সহকর্মীরা ওঁকে হাসপাতালে অ্যাডমিট করায়। যারা ওঁকে চেনেন কমরেড সফদর হাশমি নামে, নাট্যকার সফদর হাশমি নামে না, তারা ১লা জানুয়ারি জড়ো হয় মে ডে ক্যাফের পাশে স্টুডিও সফদরে কিম্বা দিল্লীর শাহীবাবাদের ঝাণ্ডাপুর এলাকায়, ঠিক যেখানে ওদের পথনাটক থামিয়ে ওঁকে মাটিতে ফেলে পিটিয়ে মারা হয়েছিল।
১৯৮৯ সালে ১লা জানুয়ারি দিল্লীর শাহীবাবাদের ঝাণ্ডাপুর এলাকায়, পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে স্থানীয় সিপিআইএম প্রার্থীর হয়ে প্রচারের উদ্দ্যেশে কমরেড হাশমি তাঁর দলবল নিয়ে যান, একটা পথনাটক “হাল্লা বোল” প্রযোজিত হওয়া শুরু হলে মাঝপথে কংগ্রেসের তরফ থেকে তাদের প্রার্থীর হয়ে পাল্টা মাইকিং শুরু হয় একই জায়গায় এসে। নাটকের দল থেকে কর্মীরা গিয়ে ওদের কিছু সময়ের জন্য অন্যত্র প্রচার করতে অনুরোধ করলে মাইকিং কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়েও যায়। এরপর হঠাৎই কংগ্রেস আশ্রিত গুন্ডার দল ঝাঁপিয়ে পরে নাটকের কর্মীদের উপর। সবাই পালাতে পারলেও কমরেড সফদর ওদের হাতে পড়ে যান এবং আরেক শুভাকাঙ্খী গুলিবিদ্ধ হয়ে ওখানেই মারা যান। কমরেড হাশমিকে প্রায় মৃত অবস্থাতেই ওঁর সহকর্মীরা পরে উঠিয়ে নিয়ে যায় হাসপাতালের দিকে এবং সেটাও লুকিয়ে কোনরকমে। মজার কথা হল, গোটা ঘটনায় পুলিশ ছিল একদম কাছে, দর্শকের ভূমিকায়, উপরন্তু, থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়া এক নাট্যকর্মীকেই পুলিশ গণ্ডগোল পাকানোর দায়ে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার চোদ্দ বছর পর, হাইকোর্টের নির্দেশে ১০ জনকে পুলিশ এই ঘটনার জন্য গ্রেপ্তার করে যার মধ্যে মুকেশ শর্মা নামে এক ব্যক্তি কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী হিসেবে চিহ্নিত হয়।
শুনতে হয়ত আজকের দিনে ভালো লাগবেনা কিন্তু এই কথা ঘোর বাস্তব যে আজকের ভারতের সব সমস্যার মূলে হচ্ছে জাতীয় কংগ্রেসের শাসনকালে নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্ত এবং দেশব্যাপী কংগ্রেস কর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতালিপ্সা সাথে অত্যাচার। এই দোষারোপ, বিজেপির করা দোষারোপের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই দোষারোপের পিছনে রয়েছে অকাট্য যুক্তি এবং তথ্য। দেশীয় ছোট ব্যবসায়ীদের বিদেশী পুঁজির সামনে ঠেলে দেওয়া (জাতীয় উদারীকরণ), সাম্প্রদায়িক শক্তির সামনে নমনীয় আচরণ (বাবরি মসজিদের দরজা খুলে দেওয়া), সাম্প্রদায়িক কার্যকলাপে সরাসরি লিপ্ত হওয়া (শিখ নিধন), অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় টিকে থাকা (পশ্চিমবাংলায় আধা ফ্যাসিস্ট শাসন) এই সবই কংগ্রেসের করে যাওয়া বিষয় এবং এই সবই ভারতের মাটিকে ধীরে ধীরে উর্বর করে তুলেছে আরএসএস-বিজেপি নামক একটি বিষবৃক্ষের বপন ও শ্রীবৃদ্ধির জন্য। স্বাধীনতার আগে ও পরে বহু বছর ধরে জাতীয় কংগ্রেসের বুর্জোয়া শাসন নীতির বিরোধিতা করে হাজার হাজার কমিউনিস্ট কর্মী জেল খেটেছে, ঘরছাড়া হয়েছে অথবা খুন হয়েছে এবং এই লম্বা তালিকার একটি অতি উজ্জ্বল নাম হচ্ছে কমরেড সফদর হাশমি। একটা গানে তাই লিখছে,
ইনকিলাব কা জব ভি আলখ উঠায়গা
হর সফদর নুক্কর পর মারা যায়গা...
আজকে কমরেড সফদর হাশমির মৃত্যুদিনে ঠিক করে নিন, আপনি কাকে মনে রাখবেন, কমরেড সফদর হাশমিকে নাকি নাট্যকার সফদর হাশমিকে। শুধু মনে রাখবেন যে এই মনে রাখার পিছনের ব্যাগেজটাও আপনাকেই বইতে হবে।
✒️ কম: রূপ ভট্টাচার্য
সত্য অবিনশ্বর। হাজার ধমক, লক্ষ "থ্রেট কালচার" তার মাথা নোয়াতে পারেনা। তিলোত্তমার বাড়ির মানুষ ভয় ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন আন্দোলনের পাশে দাঁড়াতে। আফসোস করছেন, সেদিন রাতে মীনাক্ষী মুখার্জির পাশে সাহস নিয়ে দাঁড়াতে পারলে অত সহজে বডিটা পুড়িয়ে দিতে পারতোনা।
মামলা কদ্দূর কী হবে জানিনা! হামলা হবে, ভয়ের মগজে। থ্রেট কালচারের চামড়া, গুটিয়ে দেব আমরা।
14/08/2024
🙈🙉🙊
08/08/2024
স্বপ্ন দেখানোর সাহস করেছিলেন উনি, কারণ উনি এমন একটা সমাজের কল্পনা করতেন যেখানে মানুষ স্বাধীন হয়ে, নিজের মত করে স্বপ্ন দেখতে পারবে, সেটাকে বাস্তবে পরিণত করতে পারবে, সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন। ছোট ছোট কুঁড়ি, ফুটে উঠবে, তারা তাদের জন্মভূমির মাটিতেই জল হাওয়া পেয়ে বড় হবে, মহীরুহ হবে এই ছিল লোকটার ইচ্ছে।
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সেই লোকটির স্বপ্নে দেখা বাংলার চিতা জ্বলছে আজ প্রায় তেরোটা বছর, বাংলার কবরে ফুল জমেছে প্রায় তেরোটা বছর। আজকে চলে গেলেন মানুষটা, চলে গেলেন শারীরিকভাবে। মানসিকভাবে চলে গেছিলেন আগেই, সেই ২০১১ সালে, তবে থেকে আর রাজ্যে কেউ বলেনা নতুন শিল্প কি করে আসবে? নতুন ছেলেমেয়েদের চাকরি কি করে হবে? জেলায় জেলায় সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ কি করে হবে? বাচ্চা ছেলেমেয়েদের শিক্ষার কি হবে? গরীব মানুষের চিকিৎসার কি হবে? বাংলার ভালো কি করে হবে, কেউ বলেনা।
লোকটির কাকা কবিতা লিখতেন, লিখেছিলেন “বলতে পারো বড় মানুষ মোটর কেন চড়বে//আর গরীব কেন সেই মোটরের তলায় চাপা পড়বে” হয়ত বা এটাও একটা কারণ ছিল সিঙ্গুরের কারখানার যাতে সস্তার মোটরগাড়ি তৈরি হয় এবং জনগণের কেনার সাধ্যের মধ্যে সেটা থাকে। আজকে সেই সেদিনের লোকটির বিরুদ্ধে করা সমস্ত দাবী নাকচ হয়ে গেছে, প্রমাণ হয়েছে স্পষ্ট যে আসলেই কার কাপড়ে রক্তের দাগ, আসলেই কাদের কলমে রক্ত লেগে আর আসলেই কাদের মুখে রক্ত লেগে আজও...
লোকটি নিজের পূর্বসূরীর ঐতিহ্য ধরে রেখেই বলেছিলেন, দাঙ্গা করতে এলে মাথা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেব, এই রকম করে আর কেউ বলেনা, আর কেউ বলবে না কারণ এই শব্দ উচ্চারণ করতে যে ঘরানা লাগে সেই ঘরানার রাজনীতিকে আজ বেশিরভাগ পশ্চিমবঙ্গবাসী প্রত্যাখ্যান করেছে।
আজকে যারা বাংলাকে খুন করেছে এবং কটা টাকার লোভে যারা এই খুনকে উপভোগ করছে, খুনের উদযাপন করছে রোজ, যারা খুনের থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর কাজে রত, সেই তৃণমূল কংগ্রেস, সেই বিজেপি, সেই আনন্দবাজার পত্রিকা, সেই বর্তমান পত্রিকা ও পোষা বুদ্ধিজীবীর দল, সেই তাদের মুখেই উঠে আসবে এই মানুষটির সম্পর্কে নানা ভালো ভালো কথা, নানা সুখস্মৃতি, নানা প্রশস্তি, কারণ পশ্চিমবঙ্গে এখন দেখনদারি, ধান্দাবাজি, লুটে খাওয়া খুব জনপ্রিয় একটা বিষয়।
এই লেখা কোনো শপথের নয়, কারণ সেসবের পাট চুকেছে অনেক আগেই। এই লেখা হাহাকারের শেষ প্রতিধ্বনি শোনার, পেটে চাকু গেঁথে যাওয়ার পরে শেষ গোঙানি... ক্লু ক্লুকস্ ক্ল্যান
27/07/2024
কমরেড বিশ্বনাথ চৌধুরী লাল সেলাম
কমরেড বিশ্বনাথ চৌধুরী অমর রহে ✊🏼
27/05/2024
জোরে হাওয়া দিচ্ছে, সাথে মারাত্মক বৃষ্টি, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে প্রসব করেছে “রেমাল”..
আমফানের সময়, রাজ্যের শাসকদলের আইটি সেল একটা ছবি বাজারে ছেড়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী নাকি দাঁড়িয়ে আছেন, সাইক্লোন আটকে দেবেন। দেখা গেল, ঝড় দূর্গত দের ত্রাণ সামগ্রী সবচেয়ে আগে চুরি করল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজনরাই। শূন্য পাওয়া দলের একজন “বোকা বুড়ো” কিছু জোয়ান ছেলেপুলেদের জুটিয়ে লেগে গেলেন ত্রাণের কাজে আর মজার ব্যাপার মানুষ যেন কান্তি গাঙ্গুলির এলাকার বিধায়ক সাংসদদের চেয়ে ওই কান্তি গাঙ্গুলীকেই অন্ধের যষ্টির মত খুঁজছিল।
আবার একটা লোকসভা নির্বাচন চলছে, এবং এরই সাথে রাজ্যের দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে আরেকটা সাইক্লোন, রেমাল। হয়ত সে ভেতরে আসবেনা, হয়ত পাশের বাড়ি বাংলাদেশ চলে যাবে কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থেকে এখনও মুক্ত হতে পারছেন না কেউ। তৃণমূল কংগ্রেসের এই মুহূর্তে লক্ষ্য দুটো, উপরতলার লক্ষ্য যে এই সুযোগে ত্রাণের মাধ্যমে কিছু বেনিফিশিয়ারি বানিয়ে নেওয়া যাতে ভোট নিশ্চিত হয়, আর নিচুতলার লক্ষ্য আদি অকৃত্রিম চাল ত্রিপল ইত্যাদি চুরি করা। এই দুই বিপরীত মেরুর লক্ষ্যের সামঞ্জস্য করতে বেশ বেগ পেতে হবে বোঝাই যায়।
এখানে আমাদের করণীয় কি? ঐতিহ্য পালন করা, ত্রাণের ঐতিহ্য, রিলিফের ঐতিহ্য। প্রসঙ্গত এইটা মে মাস, গতকাল ২৫শে মে, ভারতীয় গণনাট্য সংঘের ৮২তম জন্মদিন গেছে। মন্বন্তরে ধুঁকতে থাকা বাংলার মুখে খাবার তুলে দিতে, গণনাট্যের বেঙ্গল স্কোয়াড গোটা দেশে তাদের প্রযোজনা নিয়ে ঘুরেছিল, খিদেয় মরতে থাকা মানুষের গল্প শুনিয়েছিল “নবান্ন” নাটক দিয়ে, পারফর্ম করে পাওয়া টাকার রিলিফ ফান্ডে গেছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরে এসেছিল রেড ভলেন্টিয়ার হয়ে অতিমারীর সময়ে, আমফানের সময়ে। ওই একই কাজ আমাদের আবার করতে হবে। আমাদের মানুষের কাছে দায় রয়েছে, আমরা এই কাজ বারবার করবো। যাদের চুরি, জোচ্চুরি, ডাকাতির দায় তারা সেটা করবে, আর আমাদের হাতেই তাদের মৃত্যু অনিবার্য...
14/05/2024
ঝাড়্গ্রাম | সোনামণি মুর্মু টুডু প্রত্যেকদিন তুলে আনছেন বিকল্প বাংলার কথা। যে জঙ্গলের রাস্তা সাথীদের লাশে রাঙা পথে হায়েনার আনাগোনায় ঘেরা থাকতো, সেই জঙ্গলের মধ্যে থেকে উঠে আসছেন সোনামণি মুর্মু টুডু, উঠে আসছে মৃত্যুঞ্জয়ী সিপিআই(এম)।
12/05/2024
বিজেমূল আছে। বিজেমূল ছিলো। বিজেমূল থাকবে।
বামফ্রন্ট নামক সফল রাজনৈতিক জোটকে কাউণ্টার করার একমাত্র মডেল বিজেমূল।
05/05/2024
“The history of all hitherto existing society is the history of class struggles” – ইতিহাস দেখতে হবে, শিখতে হবে, পড়তে হবে, এমনকি গড়তেও হবে শ্রেণী সংগ্রামের আতসকাঁচে সমাজকে পর্যবেক্ষণ করে। অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় ছেঁকে নিতে হবে শ্রেণীর অভিমুখ। আর শ্রেণীকে চিনতে হলে বারবার ফিরতে হবে মানুষের কাছে। মানুষের মাঝে। ব্যাক টু মাস, ব্যাক টু মার্ক্স। বিপ্লবের ট্র্যাকে ফিরতে হলে ফিরতে হবে গণ অভিমুখে। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। পুঁজির কাল্পনিক চাহিদায় মানুষ যখন বিভ্রান্ত হবে, শ্রেণী যখন ঠগ জোচ্চুরির শিকার হবে, তখন মানুষকে, শ্রেণীকে আগলে রাখাই একমাত্র করণীয়। পুঁজির ধান্দাবাজি থেকে মানুষকে উদ্ধারের দলিল মার্ক্স অনেকদিন আগেই দিয়ে গেছে। আমাদের কাজ শুধু প্রয়োগ করা। মার্ক্সবাদের সঠিক প্রয়োগ। তার আগেও যেটা জরুরি, সেটা হলো মার্ক্সবাদের সঠিক উপস্থাপন! একবার বেলাইন হলে সব কেঁচে গন্ডুষ। তাই যখন পুঁজিবাদের দালালেরা পুরো সিস্টেমটাকেই আর্টিফিশিয়াল করে তুলতে চায়, তখন আমাদের কর্তব্য জাগতিক বাস্তবতাকে বারবার তুলে ধরা। মানুষকে বারবার তুলে ধরা। এটাই মার্কসের চাওয়া। কমিউনিস্ট পার্টির চাওয়া। এটুকুই অনির্দিষ্টকাল জিইয়ে রাখবে দাড়িবুড়োর তত্ত্বকে। দাড়িবুড়োকে।
লং লিভ মার্ক্স। লং লিভ মার্ক্সবাদ।