Ekam Sanatan Bharat - West Bengal

Ekam Sanatan Bharat - West Bengal

Share

One and Only Hindu Organisation for Sanatani Hindus.

Karpur Gauram Karunavataram Full Song (8D Audio) । कर्पूरगौरं करुणावतारं । Devon Ke Dev Mahadev । 15/02/2024

সনাতন্ বৈদিক হিন্দু ধর্মের নারী এবং পুরুষগণ যাঁরা আমার এই পোস্টটি কে এই মূহূর্তে দেখছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলি :-

তাঁকে সম্পূর্ণ রূপে জানা এক প্রকার প্রায় অসম্ভব............
কিন্তু সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড ব্যাপী তাঁর যে অস্তিত্ব, অথবা তার থেকেও আরো আরো বহুগুণ পরিব্যাপ্ত হয়ে যে অস্তিত্ব তাঁর আছে, তার অতি সামান্য কণিকা তুল্য অবধারনা করাও আমাদের সাধারণ মানব মস্তিষ্কের ক্ষমতার বাইরে.........
তাই যে টুকু আমরা ধারণা করতে পারি তা হলো,
তিনি হলেন মায়ার অধীশ্বর, ঈশ্বরের ঈশ্বর। তাই তিনি "পরমেশ্বর"....
তিনি হলেন, দেবতাদের দেব অথাৎ আদিদেব্। তাই তিনি "মহাদেব".........
তিনি হলেন, "পঞ্চভূত" অথাৎ ক্ষিতি(মাটি বা পৃথিবী), অপ্(জল), তেজ (আগুন), মরুৎ(বায়ু), এবং ব্যোম(মহাকাশ), এই পাঁচটি আদি পদার্থের সমষ্টি।
অর্থাৎ এই জাগতিক সব কিছুই এই পঞ্চভূত দিয়ে সৃষ্ট। তাই তিনি এই পঞ্চভূতের অধীশ্বর।
অতএব তিনি হলেন, "পঞ্চভূতেশ্বর".......
তিনি হলেন স্বর্গ, মর্ত্য এবং পাতাল এই ত্রিলোকের "নাথ", তাই তিনি "ত্রৈলোক্যনাথ"......

সেই হেতু, তাঁর উদ্দেশ্যে বেদে বলা হয়েছে :-

☆কর্পূর-ওগৌরম
করুণা-ভতারম
সংসার-ওসারম্
ভূজগেন্দ্র-হারম্
সদা-বসন্তম্
হৃদয়া-রবিন্দে
ভবম্ ভবানি
সহিতম্ নমামি।☆

অথাৎ বাংলায় অনুবাদ করলে যা দাঁড়ায় :-

কর্পূর এর ন্যায় শুভ্র বা সাদা তার গাত্রবর্ণ,
তিনি হলেন, করুণার অবতার।
জগতের সার তিনি,
কণ্ঠে তার সর্পের মালা।
চির বসন্ত জুড়ে, আমার হৃদয়ে,
আমি ভগবান শিবকে
তাঁর স্ত্রী ভবানী সহ প্রণাম জানাই...🙏🏻🙏🏻🙏🏻

"কর্পূর-ও-গৌরম
করুণা-ভতারম
সংসার-ও-সারম্
ভূজগেন্দ্র-হারম্" :- এই মন্ত্রটি
আমাদের প্রাণাধিক প্রিয়, পবিত্র 4 টি বেদের মধ্যে, "যজুর্বেদ" এ উল্লিখিত আছে।

লিংক :-
https://youtu.be/Ml1hA2IqGM8?si=TvYOyBAYeJESHQej

https://youtu.be/Ml1hA2IqGM8?si=TvYOyBAYeJESHQej

Karpur Gauram Karunavataram Full Song (8D Audio) । कर्पूरगौरं करुणावतारं । Devon Ke Dev Mahadev । Please subscribe my channel🔹 comment🔹 Share🔹 Comment

কেন United Nations এতে ভারতবর্ষের Veto Power প্রয়োগের অধিকার নেই ?? 09/12/2023

কেন United Nations এতে ভারতবর্ষের Veto Power প্রয়োগের অধিকার নেই ??

কোন ভারতীয় রাষ্ট্র নেতার কারনে United Nations এতে ভারতবর্ষে Veto প্রয়োগের অধিকার নেই..?? ভারতবর্ষের কোন প্রধানমন্ত্রী Veto Power এর অধিকার কে ইচ্ছা করে চীনের হাতে তুলে দিয়ে ছিলেন ??
লেখা ও ইউটিউবে উপস্থাপনা :- অরিন্দম রায়।

কেন United Nations এতে ভারতবর্ষের Veto Power প্রয়োগের অধিকার নেই ?? কোন ভারতীয় রাষ্ট্র নেতার কারনে United Nations এতে ভারতবর্ষে Veto প্রয়োগের অধিকার নেই..?? ভারতবর্ষের কোন প্রধানমন্ত্রী Veto Power এর .....

निर्दोष थे राम | Nirdosh the Ram | Manoj Muntashir Live Latest | Hindi Poetry 03/12/2023

https://youtu.be/lm2LuBjaPy0?si=xuFjK8dZcqqq9uIP
রচনা :- অরিন্দম রায়।
●গালে সপাটে একটি ঠাস্ করে চড় কষিয়ে দিয়ে বলুন, "ওরে বরাহ নন্দন, বেশ্যা পুত্র, আজ থেকে শুনে রাখ, রামায়ণের আদি এবং প্রথম রচয়িতা ঋষি বাল্মীকি তাঁর লেখা আসল সংস্কৃত রামায়ণে এই ধরনে কোনো কাহিনী লিখেই যাননি। যে কাহিনীর অংশ "উত্তরাকান্ড" নামে পরিচিত। এটা হলো তোদের মতো বিধর্মীদের কাজ। যা তোরা ভয় দেখিয়ে, পয়সা খাইয়ে অর্থলোভী কিছু ব্রাক্ষন পন্ডিতদের দ্বারা রামায়ণের সবশেষে "উত্তরাকান্ড" নাম দিয়ে এই কাহিনীটিকে জুড়ে দিয়েছিস।●
------------
যদি প্রকৃত হিন্দু হন, হিন্দুত্ববাদী হন,
সনির্বন্ধ অনুরোধ,
এখন থেকে দুর্ধর্ষ বীর, প্রকৃত কর্তব্য পরায়ন পুত্র, প্রকৃত কর্তব্য পরায়ন একজন বড় ভাই, প্রকৃত কর্তব্য পরায়ন একজন স্বামী এবং সর্বোপরি প্রকৃত কর্তব্য পরায়ন কীর্তিমান যশস্বী রাজা এবং বিশাল যুগপুরুষ " শ্রীরামচন্দ্র এর বিষয়ে কোনো কমিউনিস্ট, কোনো ম্লেচ্ছ অথবা কোনো সাদা চামড়ার বিধর্মীরা আপনাকে এই কথায় আক্রমণ করে বলে যে, আরে তোমাদের রাজা শ্রী রাম চন্দ্র তো তাঁর গর্ভবতী স্ত্রী সীতাকে এক সাধারণ প্রজার কথায় জঙ্গলে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তাঁকে তোমরা কি ভাবে ☆মর্যাদা পুরুষোত্তম☆ বলে সম্বোধন করো, কি ভাবে মেনে নাও তিনি তোমাদের হিন্দু মনুষ্যত্বের চরমতম আদর্শ.....??
এই তো তোমাদের হিন্দুত্ববাদ এই তো তোমাদের হিন্দুত্ব...........???
তখন তাদের গালে সপাটে একটি ঠাস করে চড় কষিয়ে দিয়ে বলুন, "ওরে বরাহ নন্দন, বেশ্যা পুত্র, আজ থেকে শুনে রাখ, রামায়ণের আদি এবং প্রথম রচয়িতা ঋষি বাল্মীকি তাঁর লেখা আসল সংস্কৃত রামায়ণে এই ধরনে কোনো কাহিনী লিখেই যাননি। যে কাহিনীর অংশ "উত্তরাকান্ড" নামে পরিচিত। এটা হলো তোদের মতো বিধর্মীদের কাজ। যা তোরা ভয় দেখিয়ে, পয়সা খাইয়ে অর্থলোভী কিছু ব্রাক্ষন পন্ডিতদের দ্বারা রামায়ণের সবশেষে "উত্তরাকান্ড" নাম দিয়ে এই কাহিনীটিকে জুড়ে দিয়েছিস।
যা তোরা আমাদের আর এক পরমপুরুষ শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গেও করেছিস। এত বড় একজন মহামানব কে রাধা নামক এক অস্তিত্ব বিহীন নারীর ছবির পাশে দাঁড় করিয়ে, হাতে বাঁশি ধরিয়ে দিয়ে, পায়ে নূপুর পরিয়ে একজন "ব্যভিচারি পুরুষ" বা পলিগ্যামাস চরিত্র রূপে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছিস....!!

একটি কথা সর্বদা মনে রাখবেন, "চন্দ্র বংশীয় রাজা শ্রী রাম" এবং "যাদব বংশোদ্ভূত দ্বারকা রাজ শ্রীকৃষ্ণ" দুজনেই ছিলেন ঐতিহাসিক মহাপুরুষ।
রাজা শ্রী রামের জন্ম 10 ই জানুয়ারী 5114 খ্রিস্টপূর্বাব্দ। অযোধ্যায়।
মাস :- চৈত্র মাস।
তিথি :- নবমী তিথি।
পক্ষ :- শুক্লপক্ষ। দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে।

(এখানে অনেকের মনেই এই প্রশ্ন আসতে পারে, রামনবমী তো April মাসে পালন হয়, তাহলে 10ই জানুয়ারি থেকে এই রামনবমী April এতে পৌছে গেল কেমন করে..? প্রথমত জানাই এই তারিখ আমার Google থেকে পাওয়া। আপনারাও Check করে দেখতে পারেন। আমার যেটা মনে হয়, এক বছর মানে 365 দিন, 6 ঘন্টা, 9 মিনিট এবং 9 সেকেন্ড। এখন এই 6 ঘন্টা গুলি জুড়ে জুড়ে 4 বছর অন্তর লিপ ইয়ার হয়। সেই সেই বছরে February মাস 28 দিনের পরিবর্তে 29 দিনে হয়।
কিন্তু বাকি 9 মিনিট,
9 সেকেন্ডের এই যে হিসেবটি আছে তা, 5114 খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে এখন পর্যন্ত জুড়তে জুড়তে রামনবমী January র থেকে April এতে পৌছে গেছে...)

শ্রীকৃষ্ণের জন্ম :- জন্ম তারিখ: 18ই জুলাই, 3,228 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
মাস :- শ্রাবণ মাস,
দিন :- অষ্টমী তিথি,
দিন :- বুধবার,
সময় :- 00:00 A.M.(রাত বারোটা)

এবং এর সাথে সাথে অনান্যদেরও এই একই প্রচার করতে উৎসাহিত করুন.....

যে চরিত্র শ্রী রাম চন্দ্রের এবং শ্রীকৃষ্ণের নয়, যা তাঁরা কোনোদিনই ছিলেন না, তাঁদের এই বিকৃত কাহিনী কে মেনে নেওয়ার মানে, একজন প্রকৃত হিন্দু হয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই দুজন যুগপুরুষকে অপমান করা.......।
Please, এত বড় দুজন মহামানব সমন্ধে কমিউনিস্ট, ম্লেচ্ছ এবং বিধর্মীদের দ্বারা বানানো এবং বহু পরবর্তি কালে রামায়ণের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে সনাতন বৈদিক হিন্দু ধর্মকে ছোটো করবার যে প্রয়াস বা প্রচেষ্টা তাকে একদম মেনে নেবেন না।
সকলকে বোঝান এবং এটিকে এক জন-আন্দোলনের রূপ দিন........।
নীচের ভিডিওটি দেখুন শ্রী রাম চন্দ্রের বিষয়ে যে চক্রান্ত তা আপনাদের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে পরিষ্কার হয়ে যাবে....!!!
Link :- https://youtu.be/lm2LuBjaPy0?si=xuFjK8dZcqqq9uIP

निर्दोष थे राम | Nirdosh the Ram | Manoj Muntashir Live Latest | Hindi Poetry Click to Subscribe - http://bit.ly/ManojMuntashir #निर्दोष_थे_राम Manoj Muntashir m...

আজ পৃথিবীর প্রতিটি শুভবুদ্ধিসম্পন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সামনে দুটি Threats যা জানা অত্যন্ত আবশ 30/11/2023

আজ পৃথিবীর প্রতিটি শুভবুদ্ধিসম্পন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সামনে দুটি Threats যা জানা অত্যন্ত আবশ্যক।

এখনো যদি ঘুম থেকে না ওঠেন, সমস্ত সরকারি বর্ণ-প্রথা বা Caste System কে ভুলে এক হিন্দু জাতি, এক প্রাণ, এক সত্তা না হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে স্বয়ং ঈশ্বরও আমাদের রক্ষা করতে পারবেন না।
Link :-
https://youtu.be/uoLqz3m0Twg?si=TctanrSQdhUSGUr5
লেখা ও ইউটিউবে উপস্থাপনা :- অরিন্দম রায়।

আজ পৃথিবীর প্রতিটি শুভবুদ্ধিসম্পন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সামনে দুটি Threats যা জানা অত্যন্ত আবশ এখনো যদি ঘুম থেকে না ওঠেন, সমস্ত সরকারি বর্ণ-প্রথা বা Caste System কে ভুলে এক হিন্দু জাতি, এক প্রাণ, এক সত্তা না হয়ে উঠতে পারে...

সনাতন্ হিন্দু সভ্যতা, "স্থান এবং সময়" এই ২ এর সূত্র মেনে সমগ্র পৃথিবী জুড়ে পরিব্যাপ্ত ছিলো। 22/11/2023

স্থান(Space) এবং সময়(Time) এই ২ এর মধ্যে সমগ্র পৃথিবী এবং ব্রক্ষান্ড বাঁধা। যদি আমরা অনুভব করবার চেষ্টা করি, তাহলে বুঝতে পারবো, সময়(Time) প্রতিটি মূহুর্তে কিভাবে আমাদের ভবিষ্যত থেকে সুদূর ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে.....
আমরা এটি কে কোনো ভাবেই থামাতে বা দীর্ঘায়িত করতে পারি না। আমরা ফেলে আসা অস্তিত্বের ১টি মুহূর্তও পুনরুদ্ধার করতে পারি না। সময়ের প্রবাহ আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।আমরা প্রচন্ড স্রোতশীল নদীতে একটি কাঠের ভেলার মতোই অসহায়।
যদি কোনো জীবন্ত প্রাণী কে উদাহরণস্বরূপ ব্যবহার করি, তাহলে একটি মানব শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন সে কতটুকু স্থান জুড়ে অবস্থান করে, যখন তার ৬ মাস বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ?
যখন তার ৬ বছর বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ? যখন তার ১৬ বছর বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ? যখন তার ২৬ বছর বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ? যখন তার ৩৬ বছর বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ? যখন তার ৪৬ বছর বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ? যখন তার ৫৬ বছর বয়স হয়, তখন সে কতটা স্থান জুড়ে অবস্থান করে ?
অথাৎ সময় যত প্রবাহিত হচ্ছে সেই মানব শিশুটি স্থান জুড়ে থাকার পরিব্যাপ্তি তত বেশী হচ্ছে। আবার সময়ের প্রবাহের সাথে আবার সেই মানব শিশুটি যত বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সে আস্তে আস্তে শীর্ণকায় হতে হতে মৃত্যুর মাধ্যমে পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। একই ভাবে জড় বস্তু আপাতভাবে তার আকারের বেড়ে ওঠা আমরা লক্ষ করতে পারছিনা ঠিকই কিন্তু কালের গতিতে তার ভিতরে অহরহ চলছে ক্ষয়ের প্রক্রিয়া যা তাকে ক্রমাগত পুরাতন করতে করতে একসময় ধংস প্রাপ্ত করছে এবং সেও মিশে যাচ্ছে পঞ্চভূতে। এই ভাবে আসা এবং যাওয়া এই অহরহ প্রক্রিয়ার কারনে বিশ্ব ব্রক্ষান্ডে "শক্তির ভর" সবসময়ই এক অনুপাতে থেকে যাচ্ছে।
মহাবিশ্ব ক্রমাগত নিজেকে পুনরুৎপাদন করছে। এটি একটি বাস্তবতা যা ক্রমাগত পুনর্নির্মিত হয়। "অসীম" সসীমের মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। সসীমের মাধ্যমে আমরা একটি উপলব্ধির কাছে আসি, ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করি অসীমের সংজ্ঞাকে(Definition)।
অথাৎ একটি ঈশ্বরের মূর্তি বা বিগ্রহের সামনে ধ্যানস্থ হয়ে বসে সেই মূর্তি কে কেন্দ্র করে সেই অসীম অনন্ত অমূর্তকে উপলব্ধি করার প্রয়াস।
সসীম হল পরিবর্তনের একটি অসীম প্রক্রিয়ার ক্রমাগত উপস্থিত এবং অদৃশ্য হয়ে যাওয়া মুহূর্ত। সাধারণভাবে পরিবর্তন একটি বস্তুর স্থানিক, অস্থায়ী, পরিমাণগত এবং গুণগত সীমার বাইরে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
স্থান(Space) এবং সময়(Time) এই ২ এর পারস্পরিক সংজ্ঞার(Definition) মাধ্যমে ১৯৭ কোটি বছরের প্রাচীন সনাতন্ হিন্দু ধর্ম এবং সভ্যতা ও সংস্কৃতি আর তার কি বিশাল জায়গা জুড়ে পরিব্যাপ্তি তাকে আমি আমার এই ভিডিওটির মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত(Define) করবার চেষ্টা করেছি।
তাই পৃথিবীর যে দেশেই প্রত্নতাত্ত্বিক কারনে খোঁড়াখুঁড়ি হচ্ছে তার কোনো না কোনো জায়গার থেকে উঠে আসছে শিবলিঙ্গ, বিষ্ণু মূর্তি অথবা অন্য কোনো সনাতনী বিগ্রহ। সুদূর রাশিয়াতে খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে শিবলিঙ্গ।
মনে রাখবেন, মহাভারতের ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির হয়ে ছিলেন "চক্রবর্ত্তী সম্রাট" সেটি শুধু মাত্র ভারতবর্ষের জন্যে নয়। সমগ্র পৃথিবী জুড়ে তিনি ছিলেন চক্রবর্ত্তী সম্রাট।
কারন, আজ থেকে ১৯৭ কোটি বছর আগে সমস্ত পৃথিবীটাই ছিলো সনাতন্ হিন্দু ধর্ম, সভ্যতা এবং সংস্কৃতি দ্বারা পরিবৃত(Encircled)।
এই চরম সত্যটি আপনাদের কে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। না হলে আমাদেরকে ১০০০ বছর ধরে গোলামীর শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা যেত না। কোনো জাতিকে "দাস" বানিয়ে রাখতে গেলে সবার আগে তাদের গৌরবজ্বল অতীত কে ভুলিয়ে দেওয়া সবার আগে দরকার। আজও আমরা গোলাম। আজও আমরা দাস। আমাদের নিজেদেরই সেকুলার প্রজাতির লোকেরাই আমাদের গোলাম করে রেখেছে।
হিন্দু হয়েও হিন্দুস্থান টা আমাদের নয়। এটা হলো একটি সেকুলার রাষ্ট্র। সনাতনী হিন্দু ছাড়া আর সকলেরই "বাক স্বাধীনতা" আছে। নেই শুধু আমাদের। নিজ দেশে আমরা পঞ্চম শ্রেণীর নাগরিক। অথাৎ আমরা এখন "স্বতন্ত্র দেশ কি গুলাম"....
এই কথা গুলি কেউ আপনাদের বলবে না। আমি বলছি বলেই আমার ভিডিও অনেকটাই দীর্ঘ হয় যায়। যদি একটু ধৈর্য ধরে দেখেন, মনে হয় আপনাদের সময় বৃথা যাবে না....

লেখা ও ইউটিউবে উপস্থাপনা :- অরিন্দম রায়।
Link :- https://youtu.be/gPfBHTeZoqo?si=oGz16LmhLUhncEbY
https://youtu.be/gPfBHTeZoqo?si=oGz16LmhLUhncEbY

সনাতন্ হিন্দু সভ্যতা, "স্থান এবং সময়" এই ২ এর সূত্র মেনে সমগ্র পৃথিবী জুড়ে পরিব্যাপ্ত ছিলো। স্থান(Space) এবং সময়(Time) এই ২ এর মধ্যে সমগ্র পৃথিবী এবং ব্রক্ষান্ড বাঁধা। যদি আমরা অনুভব করবার চেষ্টা করি, তাহলে বুঝতে .....

1931 সালে হিন্দুদের দুর্বল করবার জন্য 414 টি বর্ণে ভাগ করা হয়। যা সরকারি Reservations System এর জনক। 21/11/2023

আপনার, আমার সকলের গর্ব, সকলের আত্ম পরিচয়, সকলের একমাত্র মান্যতা, আস্থা এবং বিশ্বাস হলো, 197 কোটি বছরের প্রাচীন সনাতন হিন্দু ধর্ম বা সনাতন্ হিন্দুত্ব।
যার জন্যে, আমরা আমাদের প্রাণকেও বিসর্জন দিতে রাজি আছি। কিন্তু কোনো কিছুর বিনিময়েই আমরা আমাদের হিন্দুত্ব কে পরিত্যাগ করতে পারবো না...
কারন হিন্দু হয়ে জন্মগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু অন্য কোনো মজহব্ /পন্থ / Religion থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু হওয়া যায় না।
এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো আমাদের "গোত্র" প্রথা। অথাৎ Medical Science এর ভাষায় DNA সংক্রান্ত পরিচয়।

সনাতনী হিন্দুদের দুর্বল করবার জন্য 414 টি বর্ণ ব্যবস্থায় ভাগ করা হয় 1931 সালে
মিঃ হার্ভার্ড রিশলের দ্বারা।
যা আজকের ভারতবর্ষে সরকারি Reservations System এর জনক। এর ফলে সনাতনী হিন্দুদের সঙ্ঘবদ্ধতা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে গিয়েছে।

লেখা ও ইউটিউবে উপস্থাপনা :- অরিন্দম রায়।
Link :-
https://youtu.be/FaJasUxZSZU?feature=shared
https://youtu.be/FaJasUxZSZU?feature=shared

1931 সালে হিন্দুদের দুর্বল করবার জন্য 414 টি বর্ণে ভাগ করা হয়। যা সরকারি Reservations System এর জনক। আপনার, আমার সকলের গর্ব, সকলের আত্ম পরিচয়, সকলের একমাত্র মান্যতা, আস্থা এবং বিশ্বাস হলো, 197 কোটি বছরের প্রাচীন সনাতন হ...

"সনাতন্ হিন্দু ধর্ম কোনো ধর্মই নয়" কতো বড় এক মিথ্যা Narrative চালিয়ে দেওয়া হয়েছে আজকের ভারতীয় সমাজে। 19/11/2023

আপনার, আমার সকলের গর্ব, সকলের আত্ম পরিচয়, সকলের একমাত্র মান্যতা, আস্থা এবং বিশ্বাস হলো, 197 কোটি বছরের প্রাচীন সনাতন হিন্দু ধর্ম বা সনাতন্ হিন্দুত্ব।
যার জন্যে, আমরা আমাদের প্রাণকেও বিসর্জন দিতে রাজি আছি। কিন্তু কোনো কিছুর বিনিময়েই আমরা আমাদের হিন্দুত্ব কে পরিত্যাগ করতে পারবো না...
কারন হিন্দু হয়ে জন্মগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু অন্য কোনো মজহব্ /পন্থ / Religion থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু হওয়া যায় না।
এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো আমাদের "গোত্র" প্রথা। অথাৎ Medical Science এর ভাষায় DNA সংক্রান্ত পরিচয়।

কি অবস্থা দেখুন সনাতন্ হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব কে মুছে দেবার জন্য বলা হচ্ছে :-
"সনাতন্ হিন্দু ধর্ম কোনো ধর্মই নয়।" কতো বড় এক মিথ্যা Narrative চালিয়ে দেওয়া হয়েছে আজকের ভারতীয় সমাজে...
লেখা ও ইউটিউবে উপস্থাপনা :- অরিন্দম রায়।
Link :-
https://youtu.be/n-I57Y8ou88?feature=shared

https://youtu.be/n-I57Y8ou88?feature=shared

"সনাতন্ হিন্দু ধর্ম কোনো ধর্মই নয়" কতো বড় এক মিথ্যা Narrative চালিয়ে দেওয়া হয়েছে আজকের ভারতীয় সমাজে। আপনার, আমার সকলের গর্ব, সকলের আত্ম পরিচয়, সকলের একমাত্র মান্যতা, আস্থা এবং বিশ্বাস হলো, 197 কোটি বছরের প্রাচীন সনাতন হ...

एकम सनातन भारत दल का संसद में पहला भाषण ( Oct.24 ) - ESBD Speech that every Sanatani Deserves 14/11/2023

JM News এর Chief Editor মাননীয় শ্রী অনুপ কুমার জী, খুউব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে হিন্দুদের 7 টি স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন, যা বাস্তবিক ভাবে শুধু মাত্র সনাতনী হিন্দুদের একমাত্র সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল "একম্ সনাতন্ ভারত্ দলের" সপ্ত সিদ্ধান্তে(Manifesto) লেখা আছে। সেই সপ্তসিদ্ধান্ত কে একটি কল্পনার আকারে মাননীয় শ্রী অনুপ জী এই ভিডিওটিতে বলেছেন। যেন তিনি তা ভারতবর্ষের পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলছেন সনাতনী হিন্দুদের এই 7 টি স্বপ্ন বা, 7 টি সিদ্ধান্তকে আমরা সফল করতে সক্ষম হয়েছি।।
একটি কথা জানবেন BJP দলটি আজ তারাই করে, যাদের পকেটে মোটা অর্থ ঢোকে।
কারন আজকের BJP হলো :-
BJP = কংগ্রেস = কমিউনিস্ট = BJP = কংগ্রেস....
সত্যিকারের হিন্দুত্ববাদী BJP কার্যকর্তা যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আজ সবাই বাড়িতে বসে গেছেন হিন্দুদের প্রতি এই ধরনের চরম বেইমানি বা গদ্দারী দেখে।
আর যারা মনের দিক থেকেই হোক অথবা বয়েসের দিক থেকেই হোক তরুন প্রজন্ম, ভারতবর্ষকে বাঁচানোর জন্য এখনো লড়াই চালিয়ে যেতে চান, তাঁরা সবাই একম্ সনাতন্ ভারত্ দলে যোগদান করেছেন।
আজ এই হতাশ, বিক্ষুব্ধ হিন্দুত্ববাদীদের দলই হলো "সর্বভারতীয় একম্ সনাতন্ ভারত্ দল"। যা একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শুধু মাত্র সনাতনী হিন্দুদের সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল....
https://youtu.be/FcDowmLVCYk?si=1YmNWf56BoBD6dOr

https://youtu.be/FcDowmLVCYk?si=1YmNWf56BoBD6dOr

एकम सनातन भारत दल का संसद में पहला भाषण ( Oct.24 ) - ESBD Speech that every Sanatani Deserves This Video is a reflection of core ideology of EKAM SANATAN BHARAT DAL. This is an awareness video that defines ESBD and its core issues...

11/11/2023

জানেন কি, শ্রীকৃষ্ণ এর হৃৎপিন্ডটি 5000 বছর পরেও এখনো সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে...???

রচনা :- অরিন্দম রায়।

পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করেন বাঙালী, মোটামুটি আর্থিক সচ্ছলতা আছে, অথচ জীবনে একবারও পুরীতে বেড়াতে যাননি এমনটি খুউব কমই দেখা যায়।
এখানে আপনারা যাঁরা, যাঁরা পুরীতে গেছেন তাদের উদ্দেশ্যে লিখছি,
"আচ্ছা কখনো কি আপনাদের মনে একবারে জন্যেও এই প্রশ্নটি জাগে নি, শুধু মাত্র ভারতবর্ষ কেন পৃথিবীর যেখানে, যেখানে হিন্দু মন্দির আছে সমস্ত জায়গাতেই ঈশ্বরের মূর্তির বেশীর ভাগই পাথরের আর তা না হলে ধাতব। অথাৎ, কোনো প্রকার ধাতু দিয়ে তৈরী। তাহলে শুধুমাত্র পুরীর জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রার এই 3 মূর্তি কেন কাঠের তৈরী...???
যাঁরা আর একটু বেশী জানেন তাদের জন্যে বলি, কেনই বা এই 3 মূর্তিকেই প্রত্যেক 12 বৎসর অন্তর পরিবর্তন করা হয়, যাকে জগন্নাথ দেবের "নবকলেবর" নামে অভিহিত করা হয়...???
যে শুভ লগ্ন এবং তিথিতে যখন এই 3 বিশালকায় মূর্তি কে 75 হাজার শালগ্রাম শীলা দিয়ে তৈরী সুউচ্চ বেদীর থেকে নামিয়ে এনে, মন্দিরের মধ্যেই সমাধিস্থ করা হয় এবং ঐ একই রকম দেখতে নূতন 3 মূর্তিকে ঐ শালগ্রাম শীলার সুউচ্চ বেদীতে উঠিয়ে স্থাপনা করা হয়। তখন "কেন" সমস্ত পুরী শহরের ইলেকট্রিক অথাৎ বিদ্যুতের সরবরাহ কে উড়িষ্যা সরকারের নির্দেশে বহুক্ষণ এর জন্য বন্ধ করে রাখা হয়...???
3 টি নূতন মূর্তির স্থাপনার সঙ্গে সমস্ত পুরী শহরের ইলেকট্রিক সরবরাহ কে বন্ধ করে রাখার কি সমন্ধ আছে...???
বাঙালীরা অনেকেই এই বিষয় গুলি কেউ কেউ জানেন না। বা, জানলেও কখনো এতটা গভীরে গিয়ে ভেবে দেখেনি....!!

শ্রীকৃষ্ণের জন্ম গ্রহণ করেন :- 18ই জুলাই, 3,228 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
মাস :- শ্রাবণ মাস,
দিন :- অষ্টমী তিথি,
নক্ষত্র :- রোহিণী নক্ষত্রে জন্ম,
দিন :- বুধবার,
সময় :- 00:00 A.M.(রাত বারোটা)

শ্রী কৃষ্ণ 125(১২৫) বছর, 08(৮) মাস এবং 07(৭) দিন জীবিত ছিলেন।

মহাভারতের যুদ্ধ :-
কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শুরু হয়েছিল 8(৮)ই ডিসেম্বর 3139(৩১৩৯) খ্রিস্টপূর্বাব্দ এবং শেষ হয় 25শে(২৫) ডিসেম্বর, 3,139 (৩১৩৯) খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ এর পরও শ্রী কৃষ্ণ 37 বছর জীবিত ছিলেন।

শ্রীকৃষ্ণের মহাপ্রয়ান হয় :-
18ই ফেব্রুয়ারি 3102 খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

মহাভারতের যুদ্ধের ৩৬ বছর পর, গান্ধারীর দেওয়া অভিশাপ অনুযায়ী শ্রী কৃষ্ণের
যাদববংশের ধ্বংস ঘটে যাবার পর, একদিন শ্রীকৃষ্ণ এক গভীর জঙ্গলে একটি গাছের নিচে যোগ সমাধিতে বসে ছিলেন। তখন জরা নামের এক ব্যাধ শিকার করতে জঙ্গলে এসেছিল। জরা নামের ঐ ব্যাধ বা, শিকারি একটি হরিণকে তাড়া করতে, করতে যেখানে শ্রীকৃষ্ণ যোগ সমাধিতে বসেছিলেন সেখানে এসে পৌঁছায়।
জঙ্গলের মধ্যে ঝোপের পেছন থেকে শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরনটুকু দেখে হরিণ হিসাবে ভুল করে এবং সে তার তীর নিক্ষেপ করে। কিন্তু কাছে গিয়েই সে তার ভুল বুঝতে পারে এবং বারংবার ক্ষমা ভিক্ষা করতে থাকে। তখন শ্রীকৃষ্ণ তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, এ ভাবেই তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত ছিল।
তখন শ্রীকৃষ্ণ বলেন যে তাঁর পূর্বজন্মের কর্ম ফলের জন্য আজ তিনি জরার হাতে নিহত হতে চলেছেন। কারন জরা পূর্ব জন্মে "বানররাজ বালি" ছিলেন আর তখন তিনি শ্রীরাম ছিলেন।
শ্রীকৃষ্ণ আরো বলেন, 'ত্রেতাযুগে মানুষ আমাকে রাম নামে চিনত। সেই জন্মে আমি সুগ্রীবের বড় ভাই ঘোর অপরাধী বানররাজ বালিকে তার কৃত কর্মের জন্য প্রাণদণ্ড দিয়ে ছিলাম। কিন্তু তা সম্মুখ যুদ্ধে নয়, একটি বৃক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে গোপন রেখে বানররাজ বালিকে আমি হত্যা করি। কিন্তু বালি যত বড় অপরাধীই হয়ে থাকুক না কেন, সে আমার কোনো ক্ষতি করেনি। তাই তিনি এই জীবনে বিগত জন্মের শাস্তি লাভ করলেন। বস্তুত, এই জন্মে ত্রেতা যুগের সেই বানররাজ বালি আজ জরা ব্যাধ রূপে তুমি জন্ম গ্রহণ করেছ।
এই বলে শ্রীকৃষ্ণ দেহ ত্যাগ করেন। শ্রী কৃষ্ণের মৃত্যুকে কলিযুগের সূচনা বলে মনে করা হয়।

খবর পেয়ে অর্জুন সহ সমস্ত পঞ্চ পান্ডব ভাতৃগন দ্বারকায় এসে পৌঁছলেন এবং তাঁরা দেখেন, শ্রীকৃষ্ণ এবং বলরাম দুজনেই ইহলোক পরিত্যাগ করেছেন। তাদের আত্মার শান্তির জন্য অর্জুন তাঁদের দুজনেরই শেষকৃত্য সম্পন্ন করে আবার ইন্দ্রপ্রস্থে ফিরে যান।
ব্যাধ জরা, শ্রী কৃষ্ণের পার্থিব দেহে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করে দাহ কার্য সম্পাদন করার পর দেখেতে পায় যে শ্রী কৃষ্ণের হৃদয় বা হৃৎপিন্ড কিন্তু দাহ করা যায়নি। কারন সেই হৃৎপিন্ডটি ছিলো সম্পূর্ণ ধাতব বা Metalic. যার থেকে তীব্র নীল জ্যোতি বেরিয়ে আসছিল। যা স্পর্শ করা মাত্রই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বা Shock হাতে লাগছিল।
আসলে এটি কোনো সাধারণ মানব হৃৎপিন্ড ছিলো না। এটি ছিলো "আর্ক রিএক্টার"(Arc Reactor)। কারন শ্রী কৃষ্ণ বা শ্রী রাম চন্দ্র বা, পরশুরাম, পিতামহ ভীষ্ম, যজ্ঞের অগ্নীর থেকে জন্ম লাভ করা দ্রৌপদি। যিনি সরাসরি 25 বছরের পূর্ণবয়স্কা নারী রূপে যজ্ঞের অগ্নীর থেকে উঠে আসেন। অথবা ঐ একই যজ্ঞের অগ্নীর থেকে জন্ম লাভ যুবক ধৃষ্টদুম্ন অথাৎ দ্রৌপদির ভাই।
এরা কেউই সাধারণ মানুষ ছিলেন না। এঁরা সকলেই ছিলেন অতিমানব অথাৎ "Super Human".
তাই জরার একটি সামান্য তীরের আঘাতে তাও সেটি পায়ে লেগেছিল, তাতেই শ্রী কৃষ্ণের মৃত্যু ঘটল, এটা মেনে নেওয়া যায় না।
বস্তুত, শ্রী কৃষ্ণ গভীর জঙ্গলে বৃক্ষের নীচে বসেই ছিলেন "যোগ সমাধি" নিয়ে দেহ পরিত্যাগের উদ্দেশ্যেই।

যাই হোক জরা ব্যাধ সেই আর্ক রিএক্টার টি আবারো দাহ করার চেষ্টা করে, কিন্তু তা দাহ করা সম্ভব হয় না।

পরবর্তী কালে, সেই জরা ব্যাধ শ্রীকৃষ্ণের হৃদয় অথাৎ আর্ক রিএক্টার টি বিভিন্ন সচ্ছল ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করতে থাকে।
আর্ক রিএক্টার এর অপূর্ব সুন্দর নীল আলো ক্রেতাদের আকৃষ্ট করলেও কিন্তু স্পর্শ করা মাত্রই যে ইলেকট্রিক এর শক্ খেতে হচ্ছে, এই কারনে কেউই আর্ক রিএক্টার টি কিনতে রাজী হয় না। অবশেষে জরা ব্যাধ একটি কাঠের বাক্সে সেটিকে ঢুকিয়ে আরব সাগরের জলে ভাসিয়ে দেয়।
আরব সাগর থেকে বাক্সটি ভাসতে ভাসতে বঙ্গোপসাগরের মধ্যে চলে আসে এবং অবশেষে এসে উপস্থিত হয় পুরীর সমুদ্র উপকূলে।
"বিশ্ববসু" নামে এক শবরদের রাজা তিনি সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে কাঠের বাক্সটি পুরীর সমুদ্র সৈকতে বালির মধ্যে আটকে রয়েছে, এই অবস্থায় দেখতে পান। বাক্সটি খুলে আর্ক রিএক্টার এর অপূর্ব সুন্দর মন মোহিত করা নীল আলো তার চোখে পড়ে। এবং আর্ক রিএক্টার টি স্পর্শ করা মাত্রই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বা ইলেকট্রিক শক্ অনুভব করেন। তখন তাঁর কেন জানি না মনে আসে, এটি একটি নিশ্চয়ই "ঐশ্বরিক বস্তু"। পরে যাকে আধুনিক কালের পুরীর পান্ডারা নাম দেয় "ব্রক্ষ পদার্থ"।
শবর রাজ "বিশ্ববসু" আর্ক রিএক্টার টিকে জঙ্গলের মধ্যে ছোটো একটি পাহাড়ের গুহার মধ্যে রেখে তার পূজা অর্চনা শুরু করেন। আর্ক রিএক্টার
টির নাম করণ করেন "নীলমাধব"।
-----------
স্কন্দ পুরাণ, ব্রহ্ম পুরাণ এবং পরবর্তী ওড়িয়া রচনায় পাওয়া কিংবদন্তি বিবরণে বলা হয়েছে অবন্তিকাপুরীর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন যিনি ছিলেন চন্দ্রবংশীয় রাজা ভরত ও সুনন্দার পুত্র এবং একজন মালব রাজা,
মহাভারত ও পুরাণে তাঁর উল্লেখ পাওয়া যায়।
তিনি ভগবান বিষ্ণুর একজন পরম ভক্ত ছিলেন এবং চাক্ষুষ তাঁর দর্শন পেতে চেয়েছিলেন। একদিন রাতে তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে, ভগবান বিষ্ণু তাঁকে যেন বলছেন তিনি কলিঙ্গের(উড়িষ্যা) নীলাচলে নীল মাধব রূপে পূজিত হচ্ছেন। রাজা যেন সেই নীল মাধবের সন্ধান করেন এবং তাঁকে এনে, মন্দির স্থাপন করে, দারুব্রক্ষ রূপে, একটি নিম তরুবরের(বৃক্ষ) মূর্তি নির্মাণ করিয়ে তার বক্ষ স্থলে নীলমাধব কে ঢুকিয়ে রেখে লোক চক্ষুর দৃষ্টির থেকে তাকে যেন রক্ষা করেন এবং সেই নিম তরুবরের মূর্তি জগৎ সংসারের কাছে দারুব্রক্ষ রূপে, "মহাপ্রভু জগন্নাথ" নামে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।

যাইহোক পরমেশ্বর শ্রী বিষ্ণুর স্বপ্নাদেশ শুনে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন তাঁর একজন ব্রাহ্মণ সভাসদ বিদ্যাপতিকে নিযুক্ত করেন নীলমাধব কে খুঁজে বের করার জন্য। অন্য দিকে শ্রী বিষ্ণুর যেহেতু স্বপ্নাদেশ হয়েছে, তাই তিনি যুদ্ধকালীন প্রস্তুতির মতো দ্রুত গতিতে মন্দির নির্মাণের কাজও শুরু করে দেন।

কিন্তু শবর রাজ বিশ্ববসু একটি ঘন জঙ্গলে গোপনে নীলমাধবের পূজা করতেন। বিদ্যাপতি সর্বাত্মক চেষ্টা করেও স্থানটি সনাক্ত করতে পারেন না। বিদ্যাপতি তখন বিশ্ববসুর একমাত্র কন্যা ললিতাকে নানা ভাবে তার প্রতি আকৃষ্ট করবার চেষ্টা করেন এবং শেষ পর্যন্ত ললিতা কে তার প্রণয় জালে আবদ্ধ করেন এবং বিবাহের প্রস্তাব দেন। শেষ পর্যন্ত ললিতার সাহায্যে বিদ্যাপতি, শবর রাজ বিশ্ববসুর সঙ্গে সাক্ষাত করতে সক্ষম হন এবং তার কন্যা ললিতা কে বিবাহের প্রস্তাব দেন ও বিবাহ করতে সক্ষম হন। বিদ্যাপতি লক্ষ করেন রোজ ভোরে শবর রাজ বিশ্ববসু স্নান করে কোনো এক অজানা স্থানে চলে যান আর সন্ধ্যায় যখন গৃহে ফিরে আসেন তখন তার সমগ্র দেহের থেকে এক অনিন্দ্য সুন্দর ঐশ্বরিক সুরভি বা, সুগন্ধ সমস্ত গৃহের কোনে কোনে ছড়িয়ে পড়ছে।

বিদ্যাপতি মনে মনে সবই উপলব্ধি করতে পারেন এই ঐশ্বরিক সুরভি বা সুগন্ধ স্বয়ং নীলমাধবের। শবর রাজ বিশ্ববসু সারটি দিন নীলমাধবের পূজা অর্চনায় অতিবাহিত করেন তাই এত সুরভি তার সমস্ত দেহ থেকে বার হয়।
এই সুরভি কোনো ধূপ ধুনোর সুগন্ধ নয়। এ এমনি এক সুগন্ধ যা ইহ জগৎ এতে কারোর পক্ষে প্রস্তুত করা সম্ভব নয়। এই সুগন্ধ স্বয়ং নীলমাধব এর।
বিদ্যাপতি আগের থেকে সবই জানতো তাই সে ললিতাকে বিবাহ করেছিল। তবু সে অভিনয় করে ললিতাকে বার বার জিগাস্মা করতে থাকে তার পিতা শবর রাজ বিশ্ববসু রোজ ভোর বেলায় কোথায় চলে যান এবং যখন গৃহে ফিরে তখন তার সমগ্র দেহের থেকে এক অনিন্দ্য সুন্দর ঐশ্বরিক সুরভি বা, সুগন্ধ কেন বের হয়। ললিতা প্রথম প্রথম এটা ওটা বলে প্রসঙ্গ কে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করতো শেষ পর্যন্ত বিদ্যাপতির পীড়াপীড়িতে নীলমাধবের কথা জানায় বিদ্যাপতি কে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে এটাও বলে যে তার পিতা আজ পর্যন্ত তাকেও কোনোদিন নিয়ে যায়নি নীলমাধবের দর্শনের জন্য। তাই সে নিজেও জানে না তার পিতা ঠিক কোথায় নীল মাধব কে লুকিয়ে রেখেছে। বিদ্যাপতি তার স্ত্রী কে অনুরোধ করে তার পিতাকে রাজি করাতে যাতে তাকে অন্তত একবার নীলমাধবের দর্শন করাবার জন্য। প্রথমে কন্যা ললিতার কাছ থেকে জামাতার এই অনুরোধের কথা শুনে কিছুতেই রাজি হতে চান না বিদ্যাপতি কে নীলমাধবের দর্শন করাবার জন্য। কিন্তু এক মাত্র কন্যার বারংবার অনুরোধ শেষপর্যন্ত উপেক্ষা করতে না পেরে প্রস্তাব দেন নীলমাধবের দর্শন বিদ্যাপতি কে করাবেন ঠিকই কিন্তু জামাতা বিদ্যাপতির চোখ 7 পুরু কাপড় দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাবেন যেখানে তিনি নীলমাধবের পূজা করেন।

যখন শবর রাজ বিশ্ববসু তার জামাতা বিদ্যাপতি সহ নীলমাধবের দর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলেন, তখন বিদ্যাপতির স্ত্রী ললিতা গোপনে বিদ্যাপতির কাপড়ের সীমানায় কিছু সরিষার দানা বেঁধে দিয়ে ছিলেন এবং পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সেগুলিকে পথ চিহ্নিত করার জন্য নীচে ছড়াতে ছড়াতে যান।
কিছুদিন পর বীজ অঙ্কুরিত হয়, যা তাকে পরে গুহাটি খুঁজে বের করতে সক্ষম করে। তাঁর কথা শুনে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন অবিলম্বে দেবতাকে দেখতে ও পূজা করার জন্য সেই স্থানে যান এবং শ্রী বিষ্ণুর স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী অত্যন্ত যত্ন সহকারে আর্ক রিএক্টার টি সংগ্রহ করে এনে নূতন স্থাপিত মন্দিরে একটি নিম তরুবরের(বৃক্ষ) মূর্তি নির্মাণ করিয়ে তার বক্ষ স্থলে নীলমাধব কে ঢুকিয়ে রেখে লোক চক্ষুর দৃষ্টির থেকে তাকে সুরক্ষিত করেন এবং সেই নিম তরুবরের মূর্তি
দারুব্রক্ষ রূপে জগৎ সংসারে "মহাপ্রভু জগন্নাথ" নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে।

শ্রী কৃষ্ণের হৃদয় অথাৎ আর্ক রিএক্টার টি এখনও পুরীর ভগবান জগন্নাথ মন্দিরে, জগন্নাথ দেবের মূর্তির বক্ষের মধ্যে গোপন কুঠুরিতে প্রতিষ্ঠিত। আজ পর্যন্ত কেউ তা দেখেনি। নবকলেবর উপলক্ষে, যখন ১২ বছরের ব্যবধানে যখন মূর্তি পরিবর্তন করা হয়, তখন প্রধান পুরোহিতের চোখ কে 22 ফেট্টি কাপড় দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয় এবং দুটি হাতেও

22 ফেট্টি কাপড় দিয়ে দস্তানার(Gloves) মতো করে জড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রধান পুরোহিত কারেন্টের ঝটকা বা ইলেকট্রিক শক অনুভব করতে পারেন না।
2015 তে সর্বশেষ নবকলেবর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী নবকলেবর হবে 2027 এতে।
জানা যায় যে, আজ থেকে 50 বছর আগে অথাৎ 60 এর দশকে তৎকালীন যে প্রধান পুরোহিত ছিলেন, তিনি যে কোনো ভাবেই হোক তার চোখের 22 ফেট্টি কাপড় আগের থেকেই একটু ঢিলে করে রেখেছিলেন। তাই যখন আর্ক রিএক্টার টি পুরাতন মূর্তির বুক থেকে বার করে নূতন মূর্তির হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে ঢুকিয়ে রাখছিলেন তখন তিনি দেখে নেন আর্ক রিএক্টার টি ঠিক কি রকম দেখতে হয়। পরে এই খবরটি তিনি খবরে কাগজের দপ্তরে জানান। কিন্তু তখন যেহেতু আজকের মতো এতো T.V. Channel, Social Media, Digital News এর ছড়াছড়ি ছিলো না, তাই খবরটি সেই ভাবে মানুষের নজরে আসেনি।
Mr. Praveen Mohan নামক একজন দক্ষিণ ভারতীয় Youtuber আছেন। যার Subscribers এর সংখ্যা সমস্ত পৃথিবী ব্যাপী 1.83 Million.
অথাৎ 18,30,000 জন।
অতএব ধারনা করতে পারছেন মিস্টার প্রবীন মোহন কত বড় একটি ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছেন। এই মিস্টার প্রবীন মোহন সারা পৃথিবীতে ঘুরে ঘুরে বেড়ান। যেখানেই সনাতন্ হিন্দু ধর্মের কোনো প্রাচীন ঐতিহাসিক মন্দিরের সন্ধান পান তখনই ছুটে যান সেখানে। আবিষ্কার করেন, সনাতন্ হিন্দু ধর্মের মধ্যে লুকিয়ে থাকা, অত্যন্ত উন্নত বিজ্ঞানের খোঁজ। এবং তা পেয়ে গেলেই সেটির ইংরেজি ও হিন্দিতে ভিডিও বানিয়ে You Tube এতে Upload করে দেন।
এই মিস্টার প্রবীন মোহন
কোনো ভাবে জানতে পারেন, 1966/67 সালে তৎকালীন কোনো এক প্রধান পুরোহিতের দেখে ফেলা এই আর্ক রিএক্টার এর কথা যা আজও জগন্নাথ দেবের মূর্তির হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে সযত্নে রক্ষিত হয়ে চলেছে। এবং মিস্টার প্রবীন মোহন এই তথ্যটি প্রথম তার হিন্দি চ্যানেল এতে দেন। যার Subscribers এর সংখ্যা :- 56,900 ব্যক্তি।

পরে Upload করেন তার ইংরেজি চ্যানেলে।
আগেই উপরে লিখেছি তাঁর ইংরেজি চ্যানেল এর Subscribers এর সংখ্যা সমস্ত পৃথিবী ব্যাপী 1.83 Million. অথাৎ 18,30,000 মানুষ।

হিন্দি Link :-
https://youtu.be/WrheFC9so5w?si=_1pGrVqv34PC0l02

Description :-

The secret of Jagannath temple related to Krishna's heart?
कृष्ण के दिल से जुड़ा जगन्नाथ मंदिर का रहस्य ?
Praveen Mohan Hindi

569K Subscribers.

7.3K Likes

140,483 Views.

Video Published on :-
2022,18th April.



#प्रवीणमोहन

ইংরেজি Link :-
https://youtu.be/8OAn6BmDBRU?si=NSnbSmuaiwlscQQg

Description :-

'Brahma Padartha' - Krishna's Heart is an Ancient Arc Reactor? Mystery of Puri Jagannath Temple

PraveenMohan
1.83M Subscribe.

95K Likes.

2,614,042Views.

Comments 10K.

2020, 18th May.





জয় মা দূর্গা দুর্গতি নাশিনী।
হর হর মহাদেব।
🙏🏻🚩🙏🏻🚩🙏🏻🚩

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


B. B. Ganguly Street
Kolkata
700009.