11/11/2023
জানেন কি, শ্রীকৃষ্ণ এর হৃৎপিন্ডটি 5000 বছর পরেও এখনো সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে...???
রচনা :- অরিন্দম রায়।
পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করেন বাঙালী, মোটামুটি আর্থিক সচ্ছলতা আছে, অথচ জীবনে একবারও পুরীতে বেড়াতে যাননি এমনটি খুউব কমই দেখা যায়।
এখানে আপনারা যাঁরা, যাঁরা পুরীতে গেছেন তাদের উদ্দেশ্যে লিখছি,
"আচ্ছা কখনো কি আপনাদের মনে একবারে জন্যেও এই প্রশ্নটি জাগে নি, শুধু মাত্র ভারতবর্ষ কেন পৃথিবীর যেখানে, যেখানে হিন্দু মন্দির আছে সমস্ত জায়গাতেই ঈশ্বরের মূর্তির বেশীর ভাগই পাথরের আর তা না হলে ধাতব। অথাৎ, কোনো প্রকার ধাতু দিয়ে তৈরী। তাহলে শুধুমাত্র পুরীর জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রার এই 3 মূর্তি কেন কাঠের তৈরী...???
যাঁরা আর একটু বেশী জানেন তাদের জন্যে বলি, কেনই বা এই 3 মূর্তিকেই প্রত্যেক 12 বৎসর অন্তর পরিবর্তন করা হয়, যাকে জগন্নাথ দেবের "নবকলেবর" নামে অভিহিত করা হয়...???
যে শুভ লগ্ন এবং তিথিতে যখন এই 3 বিশালকায় মূর্তি কে 75 হাজার শালগ্রাম শীলা দিয়ে তৈরী সুউচ্চ বেদীর থেকে নামিয়ে এনে, মন্দিরের মধ্যেই সমাধিস্থ করা হয় এবং ঐ একই রকম দেখতে নূতন 3 মূর্তিকে ঐ শালগ্রাম শীলার সুউচ্চ বেদীতে উঠিয়ে স্থাপনা করা হয়। তখন "কেন" সমস্ত পুরী শহরের ইলেকট্রিক অথাৎ বিদ্যুতের সরবরাহ কে উড়িষ্যা সরকারের নির্দেশে বহুক্ষণ এর জন্য বন্ধ করে রাখা হয়...???
3 টি নূতন মূর্তির স্থাপনার সঙ্গে সমস্ত পুরী শহরের ইলেকট্রিক সরবরাহ কে বন্ধ করে রাখার কি সমন্ধ আছে...???
বাঙালীরা অনেকেই এই বিষয় গুলি কেউ কেউ জানেন না। বা, জানলেও কখনো এতটা গভীরে গিয়ে ভেবে দেখেনি....!!
শ্রীকৃষ্ণের জন্ম গ্রহণ করেন :- 18ই জুলাই, 3,228 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
মাস :- শ্রাবণ মাস,
দিন :- অষ্টমী তিথি,
নক্ষত্র :- রোহিণী নক্ষত্রে জন্ম,
দিন :- বুধবার,
সময় :- 00:00 A.M.(রাত বারোটা)
শ্রী কৃষ্ণ 125(১২৫) বছর, 08(৮) মাস এবং 07(৭) দিন জীবিত ছিলেন।
মহাভারতের যুদ্ধ :-
কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শুরু হয়েছিল 8(৮)ই ডিসেম্বর 3139(৩১৩৯) খ্রিস্টপূর্বাব্দ এবং শেষ হয় 25শে(২৫) ডিসেম্বর, 3,139 (৩১৩৯) খ্রিস্টপূর্বাব্দ।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ এর পরও শ্রী কৃষ্ণ 37 বছর জীবিত ছিলেন।
শ্রীকৃষ্ণের মহাপ্রয়ান হয় :-
18ই ফেব্রুয়ারি 3102 খ্রিস্টপূর্বাব্দ।
মহাভারতের যুদ্ধের ৩৬ বছর পর, গান্ধারীর দেওয়া অভিশাপ অনুযায়ী শ্রী কৃষ্ণের
যাদববংশের ধ্বংস ঘটে যাবার পর, একদিন শ্রীকৃষ্ণ এক গভীর জঙ্গলে একটি গাছের নিচে যোগ সমাধিতে বসে ছিলেন। তখন জরা নামের এক ব্যাধ শিকার করতে জঙ্গলে এসেছিল। জরা নামের ঐ ব্যাধ বা, শিকারি একটি হরিণকে তাড়া করতে, করতে যেখানে শ্রীকৃষ্ণ যোগ সমাধিতে বসেছিলেন সেখানে এসে পৌঁছায়।
জঙ্গলের মধ্যে ঝোপের পেছন থেকে শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরনটুকু দেখে হরিণ হিসাবে ভুল করে এবং সে তার তীর নিক্ষেপ করে। কিন্তু কাছে গিয়েই সে তার ভুল বুঝতে পারে এবং বারংবার ক্ষমা ভিক্ষা করতে থাকে। তখন শ্রীকৃষ্ণ তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, এ ভাবেই তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত ছিল।
তখন শ্রীকৃষ্ণ বলেন যে তাঁর পূর্বজন্মের কর্ম ফলের জন্য আজ তিনি জরার হাতে নিহত হতে চলেছেন। কারন জরা পূর্ব জন্মে "বানররাজ বালি" ছিলেন আর তখন তিনি শ্রীরাম ছিলেন।
শ্রীকৃষ্ণ আরো বলেন, 'ত্রেতাযুগে মানুষ আমাকে রাম নামে চিনত। সেই জন্মে আমি সুগ্রীবের বড় ভাই ঘোর অপরাধী বানররাজ বালিকে তার কৃত কর্মের জন্য প্রাণদণ্ড দিয়ে ছিলাম। কিন্তু তা সম্মুখ যুদ্ধে নয়, একটি বৃক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে গোপন রেখে বানররাজ বালিকে আমি হত্যা করি। কিন্তু বালি যত বড় অপরাধীই হয়ে থাকুক না কেন, সে আমার কোনো ক্ষতি করেনি। তাই তিনি এই জীবনে বিগত জন্মের শাস্তি লাভ করলেন। বস্তুত, এই জন্মে ত্রেতা যুগের সেই বানররাজ বালি আজ জরা ব্যাধ রূপে তুমি জন্ম গ্রহণ করেছ।
এই বলে শ্রীকৃষ্ণ দেহ ত্যাগ করেন। শ্রী কৃষ্ণের মৃত্যুকে কলিযুগের সূচনা বলে মনে করা হয়।
খবর পেয়ে অর্জুন সহ সমস্ত পঞ্চ পান্ডব ভাতৃগন দ্বারকায় এসে পৌঁছলেন এবং তাঁরা দেখেন, শ্রীকৃষ্ণ এবং বলরাম দুজনেই ইহলোক পরিত্যাগ করেছেন। তাদের আত্মার শান্তির জন্য অর্জুন তাঁদের দুজনেরই শেষকৃত্য সম্পন্ন করে আবার ইন্দ্রপ্রস্থে ফিরে যান।
ব্যাধ জরা, শ্রী কৃষ্ণের পার্থিব দেহে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করে দাহ কার্য সম্পাদন করার পর দেখেতে পায় যে শ্রী কৃষ্ণের হৃদয় বা হৃৎপিন্ড কিন্তু দাহ করা যায়নি। কারন সেই হৃৎপিন্ডটি ছিলো সম্পূর্ণ ধাতব বা Metalic. যার থেকে তীব্র নীল জ্যোতি বেরিয়ে আসছিল। যা স্পর্শ করা মাত্রই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বা Shock হাতে লাগছিল।
আসলে এটি কোনো সাধারণ মানব হৃৎপিন্ড ছিলো না। এটি ছিলো "আর্ক রিএক্টার"(Arc Reactor)। কারন শ্রী কৃষ্ণ বা শ্রী রাম চন্দ্র বা, পরশুরাম, পিতামহ ভীষ্ম, যজ্ঞের অগ্নীর থেকে জন্ম লাভ করা দ্রৌপদি। যিনি সরাসরি 25 বছরের পূর্ণবয়স্কা নারী রূপে যজ্ঞের অগ্নীর থেকে উঠে আসেন। অথবা ঐ একই যজ্ঞের অগ্নীর থেকে জন্ম লাভ যুবক ধৃষ্টদুম্ন অথাৎ দ্রৌপদির ভাই।
এরা কেউই সাধারণ মানুষ ছিলেন না। এঁরা সকলেই ছিলেন অতিমানব অথাৎ "Super Human".
তাই জরার একটি সামান্য তীরের আঘাতে তাও সেটি পায়ে লেগেছিল, তাতেই শ্রী কৃষ্ণের মৃত্যু ঘটল, এটা মেনে নেওয়া যায় না।
বস্তুত, শ্রী কৃষ্ণ গভীর জঙ্গলে বৃক্ষের নীচে বসেই ছিলেন "যোগ সমাধি" নিয়ে দেহ পরিত্যাগের উদ্দেশ্যেই।
যাই হোক জরা ব্যাধ সেই আর্ক রিএক্টার টি আবারো দাহ করার চেষ্টা করে, কিন্তু তা দাহ করা সম্ভব হয় না।
পরবর্তী কালে, সেই জরা ব্যাধ শ্রীকৃষ্ণের হৃদয় অথাৎ আর্ক রিএক্টার টি বিভিন্ন সচ্ছল ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করতে থাকে।
আর্ক রিএক্টার এর অপূর্ব সুন্দর নীল আলো ক্রেতাদের আকৃষ্ট করলেও কিন্তু স্পর্শ করা মাত্রই যে ইলেকট্রিক এর শক্ খেতে হচ্ছে, এই কারনে কেউই আর্ক রিএক্টার টি কিনতে রাজী হয় না। অবশেষে জরা ব্যাধ একটি কাঠের বাক্সে সেটিকে ঢুকিয়ে আরব সাগরের জলে ভাসিয়ে দেয়।
আরব সাগর থেকে বাক্সটি ভাসতে ভাসতে বঙ্গোপসাগরের মধ্যে চলে আসে এবং অবশেষে এসে উপস্থিত হয় পুরীর সমুদ্র উপকূলে।
"বিশ্ববসু" নামে এক শবরদের রাজা তিনি সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে কাঠের বাক্সটি পুরীর সমুদ্র সৈকতে বালির মধ্যে আটকে রয়েছে, এই অবস্থায় দেখতে পান। বাক্সটি খুলে আর্ক রিএক্টার এর অপূর্ব সুন্দর মন মোহিত করা নীল আলো তার চোখে পড়ে। এবং আর্ক রিএক্টার টি স্পর্শ করা মাত্রই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বা ইলেকট্রিক শক্ অনুভব করেন। তখন তাঁর কেন জানি না মনে আসে, এটি একটি নিশ্চয়ই "ঐশ্বরিক বস্তু"। পরে যাকে আধুনিক কালের পুরীর পান্ডারা নাম দেয় "ব্রক্ষ পদার্থ"।
শবর রাজ "বিশ্ববসু" আর্ক রিএক্টার টিকে জঙ্গলের মধ্যে ছোটো একটি পাহাড়ের গুহার মধ্যে রেখে তার পূজা অর্চনা শুরু করেন। আর্ক রিএক্টার
টির নাম করণ করেন "নীলমাধব"।
-----------
স্কন্দ পুরাণ, ব্রহ্ম পুরাণ এবং পরবর্তী ওড়িয়া রচনায় পাওয়া কিংবদন্তি বিবরণে বলা হয়েছে অবন্তিকাপুরীর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন যিনি ছিলেন চন্দ্রবংশীয় রাজা ভরত ও সুনন্দার পুত্র এবং একজন মালব রাজা,
মহাভারত ও পুরাণে তাঁর উল্লেখ পাওয়া যায়।
তিনি ভগবান বিষ্ণুর একজন পরম ভক্ত ছিলেন এবং চাক্ষুষ তাঁর দর্শন পেতে চেয়েছিলেন। একদিন রাতে তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে, ভগবান বিষ্ণু তাঁকে যেন বলছেন তিনি কলিঙ্গের(উড়িষ্যা) নীলাচলে নীল মাধব রূপে পূজিত হচ্ছেন। রাজা যেন সেই নীল মাধবের সন্ধান করেন এবং তাঁকে এনে, মন্দির স্থাপন করে, দারুব্রক্ষ রূপে, একটি নিম তরুবরের(বৃক্ষ) মূর্তি নির্মাণ করিয়ে তার বক্ষ স্থলে নীলমাধব কে ঢুকিয়ে রেখে লোক চক্ষুর দৃষ্টির থেকে তাকে যেন রক্ষা করেন এবং সেই নিম তরুবরের মূর্তি জগৎ সংসারের কাছে দারুব্রক্ষ রূপে, "মহাপ্রভু জগন্নাথ" নামে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
যাইহোক পরমেশ্বর শ্রী বিষ্ণুর স্বপ্নাদেশ শুনে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন তাঁর একজন ব্রাহ্মণ সভাসদ বিদ্যাপতিকে নিযুক্ত করেন নীলমাধব কে খুঁজে বের করার জন্য। অন্য দিকে শ্রী বিষ্ণুর যেহেতু স্বপ্নাদেশ হয়েছে, তাই তিনি যুদ্ধকালীন প্রস্তুতির মতো দ্রুত গতিতে মন্দির নির্মাণের কাজও শুরু করে দেন।
কিন্তু শবর রাজ বিশ্ববসু একটি ঘন জঙ্গলে গোপনে নীলমাধবের পূজা করতেন। বিদ্যাপতি সর্বাত্মক চেষ্টা করেও স্থানটি সনাক্ত করতে পারেন না। বিদ্যাপতি তখন বিশ্ববসুর একমাত্র কন্যা ললিতাকে নানা ভাবে তার প্রতি আকৃষ্ট করবার চেষ্টা করেন এবং শেষ পর্যন্ত ললিতা কে তার প্রণয় জালে আবদ্ধ করেন এবং বিবাহের প্রস্তাব দেন। শেষ পর্যন্ত ললিতার সাহায্যে বিদ্যাপতি, শবর রাজ বিশ্ববসুর সঙ্গে সাক্ষাত করতে সক্ষম হন এবং তার কন্যা ললিতা কে বিবাহের প্রস্তাব দেন ও বিবাহ করতে সক্ষম হন। বিদ্যাপতি লক্ষ করেন রোজ ভোরে শবর রাজ বিশ্ববসু স্নান করে কোনো এক অজানা স্থানে চলে যান আর সন্ধ্যায় যখন গৃহে ফিরে আসেন তখন তার সমগ্র দেহের থেকে এক অনিন্দ্য সুন্দর ঐশ্বরিক সুরভি বা, সুগন্ধ সমস্ত গৃহের কোনে কোনে ছড়িয়ে পড়ছে।
বিদ্যাপতি মনে মনে সবই উপলব্ধি করতে পারেন এই ঐশ্বরিক সুরভি বা সুগন্ধ স্বয়ং নীলমাধবের। শবর রাজ বিশ্ববসু সারটি দিন নীলমাধবের পূজা অর্চনায় অতিবাহিত করেন তাই এত সুরভি তার সমস্ত দেহ থেকে বার হয়।
এই সুরভি কোনো ধূপ ধুনোর সুগন্ধ নয়। এ এমনি এক সুগন্ধ যা ইহ জগৎ এতে কারোর পক্ষে প্রস্তুত করা সম্ভব নয়। এই সুগন্ধ স্বয়ং নীলমাধব এর।
বিদ্যাপতি আগের থেকে সবই জানতো তাই সে ললিতাকে বিবাহ করেছিল। তবু সে অভিনয় করে ললিতাকে বার বার জিগাস্মা করতে থাকে তার পিতা শবর রাজ বিশ্ববসু রোজ ভোর বেলায় কোথায় চলে যান এবং যখন গৃহে ফিরে তখন তার সমগ্র দেহের থেকে এক অনিন্দ্য সুন্দর ঐশ্বরিক সুরভি বা, সুগন্ধ কেন বের হয়। ললিতা প্রথম প্রথম এটা ওটা বলে প্রসঙ্গ কে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করতো শেষ পর্যন্ত বিদ্যাপতির পীড়াপীড়িতে নীলমাধবের কথা জানায় বিদ্যাপতি কে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে এটাও বলে যে তার পিতা আজ পর্যন্ত তাকেও কোনোদিন নিয়ে যায়নি নীলমাধবের দর্শনের জন্য। তাই সে নিজেও জানে না তার পিতা ঠিক কোথায় নীল মাধব কে লুকিয়ে রেখেছে। বিদ্যাপতি তার স্ত্রী কে অনুরোধ করে তার পিতাকে রাজি করাতে যাতে তাকে অন্তত একবার নীলমাধবের দর্শন করাবার জন্য। প্রথমে কন্যা ললিতার কাছ থেকে জামাতার এই অনুরোধের কথা শুনে কিছুতেই রাজি হতে চান না বিদ্যাপতি কে নীলমাধবের দর্শন করাবার জন্য। কিন্তু এক মাত্র কন্যার বারংবার অনুরোধ শেষপর্যন্ত উপেক্ষা করতে না পেরে প্রস্তাব দেন নীলমাধবের দর্শন বিদ্যাপতি কে করাবেন ঠিকই কিন্তু জামাতা বিদ্যাপতির চোখ 7 পুরু কাপড় দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাবেন যেখানে তিনি নীলমাধবের পূজা করেন।
যখন শবর রাজ বিশ্ববসু তার জামাতা বিদ্যাপতি সহ নীলমাধবের দর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলেন, তখন বিদ্যাপতির স্ত্রী ললিতা গোপনে বিদ্যাপতির কাপড়ের সীমানায় কিছু সরিষার দানা বেঁধে দিয়ে ছিলেন এবং পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সেগুলিকে পথ চিহ্নিত করার জন্য নীচে ছড়াতে ছড়াতে যান।
কিছুদিন পর বীজ অঙ্কুরিত হয়, যা তাকে পরে গুহাটি খুঁজে বের করতে সক্ষম করে। তাঁর কথা শুনে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন অবিলম্বে দেবতাকে দেখতে ও পূজা করার জন্য সেই স্থানে যান এবং শ্রী বিষ্ণুর স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী অত্যন্ত যত্ন সহকারে আর্ক রিএক্টার টি সংগ্রহ করে এনে নূতন স্থাপিত মন্দিরে একটি নিম তরুবরের(বৃক্ষ) মূর্তি নির্মাণ করিয়ে তার বক্ষ স্থলে নীলমাধব কে ঢুকিয়ে রেখে লোক চক্ষুর দৃষ্টির থেকে তাকে সুরক্ষিত করেন এবং সেই নিম তরুবরের মূর্তি
দারুব্রক্ষ রূপে জগৎ সংসারে "মহাপ্রভু জগন্নাথ" নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে।
শ্রী কৃষ্ণের হৃদয় অথাৎ আর্ক রিএক্টার টি এখনও পুরীর ভগবান জগন্নাথ মন্দিরে, জগন্নাথ দেবের মূর্তির বক্ষের মধ্যে গোপন কুঠুরিতে প্রতিষ্ঠিত। আজ পর্যন্ত কেউ তা দেখেনি। নবকলেবর উপলক্ষে, যখন ১২ বছরের ব্যবধানে যখন মূর্তি পরিবর্তন করা হয়, তখন প্রধান পুরোহিতের চোখ কে 22 ফেট্টি কাপড় দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয় এবং দুটি হাতেও
22 ফেট্টি কাপড় দিয়ে দস্তানার(Gloves) মতো করে জড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রধান পুরোহিত কারেন্টের ঝটকা বা ইলেকট্রিক শক অনুভব করতে পারেন না।
2015 তে সর্বশেষ নবকলেবর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী নবকলেবর হবে 2027 এতে।
জানা যায় যে, আজ থেকে 50 বছর আগে অথাৎ 60 এর দশকে তৎকালীন যে প্রধান পুরোহিত ছিলেন, তিনি যে কোনো ভাবেই হোক তার চোখের 22 ফেট্টি কাপড় আগের থেকেই একটু ঢিলে করে রেখেছিলেন। তাই যখন আর্ক রিএক্টার টি পুরাতন মূর্তির বুক থেকে বার করে নূতন মূর্তির হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে ঢুকিয়ে রাখছিলেন তখন তিনি দেখে নেন আর্ক রিএক্টার টি ঠিক কি রকম দেখতে হয়। পরে এই খবরটি তিনি খবরে কাগজের দপ্তরে জানান। কিন্তু তখন যেহেতু আজকের মতো এতো T.V. Channel, Social Media, Digital News এর ছড়াছড়ি ছিলো না, তাই খবরটি সেই ভাবে মানুষের নজরে আসেনি।
Mr. Praveen Mohan নামক একজন দক্ষিণ ভারতীয় Youtuber আছেন। যার Subscribers এর সংখ্যা সমস্ত পৃথিবী ব্যাপী 1.83 Million.
অথাৎ 18,30,000 জন।
অতএব ধারনা করতে পারছেন মিস্টার প্রবীন মোহন কত বড় একটি ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছেন। এই মিস্টার প্রবীন মোহন সারা পৃথিবীতে ঘুরে ঘুরে বেড়ান। যেখানেই সনাতন্ হিন্দু ধর্মের কোনো প্রাচীন ঐতিহাসিক মন্দিরের সন্ধান পান তখনই ছুটে যান সেখানে। আবিষ্কার করেন, সনাতন্ হিন্দু ধর্মের মধ্যে লুকিয়ে থাকা, অত্যন্ত উন্নত বিজ্ঞানের খোঁজ। এবং তা পেয়ে গেলেই সেটির ইংরেজি ও হিন্দিতে ভিডিও বানিয়ে You Tube এতে Upload করে দেন।
এই মিস্টার প্রবীন মোহন
কোনো ভাবে জানতে পারেন, 1966/67 সালে তৎকালীন কোনো এক প্রধান পুরোহিতের দেখে ফেলা এই আর্ক রিএক্টার এর কথা যা আজও জগন্নাথ দেবের মূর্তির হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে সযত্নে রক্ষিত হয়ে চলেছে। এবং মিস্টার প্রবীন মোহন এই তথ্যটি প্রথম তার হিন্দি চ্যানেল এতে দেন। যার Subscribers এর সংখ্যা :- 56,900 ব্যক্তি।
পরে Upload করেন তার ইংরেজি চ্যানেলে।
আগেই উপরে লিখেছি তাঁর ইংরেজি চ্যানেল এর Subscribers এর সংখ্যা সমস্ত পৃথিবী ব্যাপী 1.83 Million. অথাৎ 18,30,000 মানুষ।
হিন্দি Link :-
https://youtu.be/WrheFC9so5w?si=_1pGrVqv34PC0l02
Description :-
The secret of Jagannath temple related to Krishna's heart?
कृष्ण के दिल से जुड़ा जगन्नाथ मंदिर का रहस्य ?
Praveen Mohan Hindi
569K Subscribers.
7.3K Likes
140,483 Views.
Video Published on :-
2022,18th April.
#प्रवीणमोहन
ইংরেজি Link :-
https://youtu.be/8OAn6BmDBRU?si=NSnbSmuaiwlscQQg
Description :-
'Brahma Padartha' - Krishna's Heart is an Ancient Arc Reactor? Mystery of Puri Jagannath Temple
PraveenMohan
1.83M Subscribe.
95K Likes.
2,614,042Views.
Comments 10K.
2020, 18th May.
জয় মা দূর্গা দুর্গতি নাশিনী।
হর হর মহাদেব।
🙏🏻🚩🙏🏻🚩🙏🏻🚩