02/05/2026
🗳️ ভোট-গণনায় দলের নির্দেশ, এজেন্টরা আইডি কার্ড ও ফর্ম ১৮ নিয়ে যাবেন 🚩
আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন প্রতিটি ভোট গণনাকেন্দ্রে আমাদের এজেন্ট ও কর্মীদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। জয় নিশ্চিত করতে এবং কোনো ধরনের কারচুপি রুখতে নিচের নির্দেশিকাগুলো মন দিয়ে পড়ুন ও শেয়ার করুন:
✅ মেশিন যাচাই ও ফর্ম ১৭সি (Form 17C) 📋
গণনাকেন্দ্রে মেশিন আসার সাথে সাথে সবার আগে ফর্ম ১৭সি-এর সাথে মেশিনের সিরিয়াল নম্বর মিলিয়ে নিন। যদি সিরিয়াল নম্বর না মেলে, তবে কোনোভাবেই সেই মেশিন খোলা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে ভিভিপ্যাট (VVPAT) কাউন্টিং-এর দাবি জানাতে হবে।
🔋 ব্যাটারি পার্সেন্টেজ ও কারচুপি শনাক্তকরণ ⚡
কন্ট্রোল ইউনিট অন করার পর ব্যাটারির শতাংশ (Percentage) ভালো করে লক্ষ্য করুন।
🔸 সারাদিন ভোটগ্রহণের পর ব্যাটারি সাধারণত ৫০%-এর আশেপাশে থাকা উচিত।
🔸 যদি দেখেন ব্যাটারি ৭০% বা তার বেশি দেখাচ্ছে, তবে বুঝতে হবে মেশিনে কোনো কারসাজি হয়ে থাকতে পারে। তৎক্ষণাৎ ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলুন।
✍️ নোটবুক ও ডায়েরি ব্যবহার 📝
গণনার সময় সাথে ডায়েরি রাখুন। প্রতিটি মেশিনের সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী আমাদের প্রার্থী এবং অন্যান্য প্রার্থীরা কত ভোট পাচ্ছেন, তা নির্ভুলভাবে নোট করুন। ডেটা এন্ট্রির সময় কোনো ভুল বা গরমিল নজরে এলেই রুল নং ৫৬ (Rule 56) অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারকে (RO) লিখিত অভিযোগ জানান।
💡 লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট রুখতে পাহারা 🔦
১০ সেকেন্ডের লোডশেডিং-এ অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র এবং ট্রান্সফরমারগুলোর আশেপাশে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কাউন্টিং সেন্টারে যেন কোনোভাবেই লোডশেডিং না হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেভাগেই চিঠি দিন।
✊ ঐক্যবদ্ধ লড়াই ও শেষ মুহূর্তের সতর্কতা 🛡️
🔹 সার্টিফিকেট না পাওয়া পর্যন্ত মাঠ ছাড়া নয়: আমাদের প্রার্থী জয়ী হওয়ার সার্টিফিকেট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং হল ত্যাগ করবেন না।
🔹 এজেন্টদের বদলি: বাথরুমে বা প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে অন্য এজেন্ট টেবিলে আসার পর তবেই যান। কোনো অবস্থাতেই টেবিল খালি রাখা চলবে না।
🔹 ডান্ডা ও ঝান্ডা: সিআরপিএফ বা অন্য কোনো বাহিনীর অনৈতিক চাপের মুখে মাথা নত করবেন না। নিজেদের অধিকার রক্ষায় সাহসের সাথে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
🔹 মহিলা কর্মীদের অংশগ্রহণ: কাউন্টিং এজেন্ট হিসেবে মহিলাদের অগ্রাধিকার দিন এবং বিজেপির ওয়ার রুমের পাল্টা হিসেবে কর্মীদের সজাগ রাখুন।
🏆 জমায়েত ও পুরস্কার 🤝
গণনাকেন্দ্রের বাইরে ছাত্র, যুব, মহিলা ও ট্রেড ইউনিয়নের অন্তত ৪-৫ হাজার কর্মীর জমায়েত রাখতে হবে। মনে রাখবেন, লড়াইটা বিরোধী দলের মতো মানসিকতা নিয়ে লড়তে হবে। যারা হাতে-নাতে কারচুপি বা 'চোর' ধরবেন, তাদের বিশেষ পুরস্কৃত করা হবে।
মনে রাখবেন, এবারের লড়াই বাংলার অধিকার রক্ষার লড়াই। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে জয় ছিনিয়ে আনতে হবে! ✌️
02/05/2026
🗳️ '২০০-র বেশি আসন পাব, কাউন্টিং সেন্টার ছাড়বেন না': ভোটগণনার আগে কর্মীদের কড়া বার্তা মমতার! ✌️🚩
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের মহারণ শেষ! এবার অপেক্ষা শুধু ফলাফলের। আগামী সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ভোটগণনা। তার ঠিক আগেই আজ দলের প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে দীর্ঘ ৩ ঘণ্টার এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 🖥️🤝
বৈঠক থেকে কর্মীদের মনোবল বাড়াতে এবং সতর্ক করতে একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছেন নেত্রী। একনজরে দেখে নিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান বার্তাগুলি:
✅ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ও পুরস্কারের ঘোষণা: "মনে রাখবেন আমরাই জিতছি। ২০০-র বেশি আসন পাব আমরাই। খুব কষ্ট করে লড়াই করেছেন আপনারা, জিততে হবে। যাঁরা কষ্ট করেছেন, আক্রান্ত হয়েছেন, দল তাঁদের পুরস্কৃত করবে।" 🏆💪
✅ গণনাকেন্দ্রে অনড় থাকা: "রাত ২টো বাজলেও কাউন্টিং সেন্টার ছাড়বেন না। যতক্ষণ না আমি বলব, কেউ বেরোবেন না। ভোর ৫টার মধ্যে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছে যেতে হবে।" 🕒📍
✅ সতর্ক নজরদারি: "ইভিএম খোলার সাথে সাথে ডায়েরিতে নোট করবেন। ডেটা ঠিকমতো কম্পিউটারে তোলা হচ্ছে কি না, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। আপনার ভোট অন্য কারও ঘাড়ে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে।" 📝👁️
✅ রিকাউন্টিংয়ের দাবি: "মার্জিনাল সিটগুলোতে নজর দিন। ২০০-৩০০ ভোটের ব্যবধানে কোথাও সন্দেহ হলে তৎক্ষণাৎ রিকাউন্টিংয়ের দাবি তুলবেন।" 🗳️🔄
✅ খাবার ও স্বাস্থ্যের যত্ন: কাউন্টিং এজেন্টদের সতর্ক করে নেত্রী বলেন, "বাইরের খাবার একদম নয়! বাড়ি থেকে হালকা খাবার নিয়ে যাবেন। কেউ খাবারে কিছু মিশিয়ে দিতে পারে। আগের দিন থেকে পান-জর্দা ছোঁবেন না।" 🍱🚫
"দুর্বল হলে তৃণমূল করার দরকার নেই"—এই কড়া বার্তায় কর্মীদের স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন যে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা! 🦁🔥
02/05/2026
🔴 ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ফের চাঞ্চল্য! সিসিটিভিহীন ঘরে ব্যালট বক্স ঢোকানোর অভিযোগ 🗳️
শহর কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা যেন থামতেই চাইছে না। এবার অভিযোগ আরও গুরুতর— ভোর ৪টে নাগাদ সিসিটিভি নজরদারি নেই এমন একটি ঘরে ৮টি ব্যালট বক্স ঢোকানো হয়েছে! এই ঘটনার একটি ভিডিও পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)।
🔍 ঘটনার প্রেক্ষাপট:
📌 বৃহস্পতিবারের উত্তেজনা: গত বৃহস্পতিবার এই স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে তড়িঘড়ি পৌঁছে গিয়েছিলেন বেলেঘাটার প্রার্থী কুণাল ঘোষ ও শ্যামপুকুরের প্রার্থী ডঃ শশী পাঁজা। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধর্নাও দেন তাঁরা।
📌 কমিশনের সাফাই: সেই সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পোস্টাল ব্যালট আলাদা করার কাজ চলার কারণেই এই মুভমেন্ট।
📌 নিরাপত্তা বৃদ্ধি: শুক্রবার সকাল থেকেই স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের নতুন বিতর্ক।
🚨 বর্তমান পরিস্থিতি:
আজ ভোর ৪টে নাগাদ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতার বাইরে থাকা একটি ঘরে ৮টি ব্যালট বক্স নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল শিবিরের দাবি, এই ঘটনা নির্বাচনী স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার এমন অভিযোগে স্বভাবতই রাজনৈতিক মহলে পারদ চড়ছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন নজর সবার। 🕒