শিকড় যদি শক্ত হয়, অতি ঝরেও নাহি ভয়।
Mintu Chakraborty
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mintu Chakraborty, Public & Government Service, KOLKATA.
🌨️শীতের সাহেব পল্টন
==================================== ডিসেম্বর মাস । রাত ১২টা পেরিয়েছে। পল্টন খাওয়া-দাওয়া সেরে কম্বলের নিচে গা ঢাকল, কিন্তু শীতের কামড়ে ঘুম আসছে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই বলছে—এবার নাকি কলকাতায় হাড়হিম ঠান্ডা পড়বে। পল্টনের স্বপ্নে তাই সারা শহর বরফে ঢেকে গেল, রাস্তা, ছাদ, গাছ—সব সাদা।
রাত বারতেই শীতের তীব্রতা টের পেলো। একটা কম্বলে কুলোচ্ছে না, আলমারি থেকে আরেকটা কম্বল টেনে গায়ে চাপিয়ে নিল। এবার সত্যি যেন সুইজারল্যান্ড নেমে এসেছে কলকাতায়। পল্টনও নিজেকে সুইজারল্যান্ড বাসি মনে করতে লাগল। শহরে হঠাৎ করে শীতের পোষাকের চাহিদা বেড়েছে, দামও চড়েছে, কিন্তু পল্টন বরাবরই সাজতে ভালোবাসে। মাথায় টুপি🤠 ,, গায়ে লং কোট 🥼 পরে অফিসে যেতেই সহকর্মীরা বলে উঠলো—“দেখো দেখো, পল্টনকে একদম সাহেবদের মতো লাগছে!”
পল্টনের মেজাজও এখন পুরো সাহেবি। অফিস ফেরত বরফ কাটা গাড়িতে বাড়ি ফেরে, যেন কলকাতার নয়, কোনো ইউরোপীয় শহরের বাসিন্দা।
তবে স্নানের সঙ্গে পল্টনের একটা লড়াই রয়েই গেছে। পল্টনের কাছে এ বরাবরই মৃত্যুর সমান। রবিবার সকালটা তাই নিজের সঙ্গে যুদ্ধ। অনেক গরম জল ঢেলে, হুড়মুড়িয়ে, কোনোভাবে স্নানটা সেরে নেয়।
এইভাবেই কলকাতার কনকনে শীতে, নিজের স্টাইল, সাহেবি ভাব আর কাঁপতে কাঁপতে বেঁচে থাকার এক অদ্ভুৎ অনুভূতিকে সঙ্গী করে নিয়েছে পল্টন। হটাৎ কলিং বেলের শব্দে পল্টনের ঘুম ভাঙ্গে । মুহূর্তেই সুইজারল্যান্ড বাসি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতার অনুভূতি ঘিরে ফেলল পল্টন কে। আবার কলকাতার গতানুগতিক জীবনযাপনে ব্যস্ত পল্টন। ====================================“শীতের সাহেব পল্টন” গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, বাস্তবের সাথে কোনো অস্তিত্ব / মিল নেই। উক্ত গল্পটি লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। 🙏নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
হারিয়ে যাওয়া পূজোর রাত
কলকাতার বাইরের উত্তর ২৪ পরগনার একটা ছোট্ট গ্রাম বাবরের হাট, — নদীর ধারে, কাঁচা রাস্তার পাশে এক মাটির ঘর।
সেই ঘরে থাকে সুখেন্দু দাস। সুখেন্দু দিনমজুরের কাজ করে, সারাটা দিন রোদে পুড়ে, ঘাম ঝরিয়ে কোনোরকমে সংসার চালায়।
তার স্ত্রী শান্তা, ছেলে বিল্টু (৯ বছর) আর মেয়ে সিউলি (৬ বছর) — এই ছোট্ট পরিবারটাই তার পৃথিবী।
দুর্গাপুজো এলে তাদের গ্রামের পুজোও হয় বটে, তবে বাচ্চাদের চোখে ছিল শুধু একটাই স্বপ্ন —
“কলকাতার বড় বড় ঠাকুর দেখা।” আলো ঝলমলে প্যান্ডেল, বিশাল প্রতিমা, আর হাজারো মানুষের ভিড়…
সুখেন্দু জানে, জামা নতুন নেই, পকেটে টাকাও বেশি নেই।
তবুও সুখেন্দু সবাইকে বললো , চল এবার পুজোতে তোদের কলকাতা নিয়ে যাই… দেখবি খুশিতে থাকবি। খাওয়া-দাওয়া নাই বা হোক, মন ভরবে।”
পঞ্চমীর সকাল।
গ্রামের কাঁচা পথ দিয়ে হেঁটে তারা বাবর হাট স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে, শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছলো। পঞ্চমী রাতের কলকাতা।
শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাঁটতে হাঁটতে বউবাজার, কলেজ স্কোয়ার, হাতিবাগান।
চারদিকে আলোর সাগর! সিউলি চোখ বড় বড় করে বলে, “বাবা, এরকম আলো আগে কখনো দেখিনি!”
বিল্টু খুশিতে লাফায়, মায়ের আঁচলে টান দিয়ে ঠাকুর দেখায়।
কিন্তু সেই আনন্দ বেশি ক্ষণ থাকে না। ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যায় সুখেন্দু
বাগবাজারের প্যান্ডেলে ঢোকার সময় প্রচণ্ড ভিড়। ঠেলাঠেলির মাঝে এক পলকে সিউলির হাত ছুটে যায়।, শান্তা কিছুই বুঝতে পারে না —
আর যখন বুঝতে পারে, তখন সুখেন্দু নেই।
“বাবা কই?” — বিল্টু চিৎকার করে কাঁদে।
টিউলিপ ভয়ে জড়সড়, শান্তা কাঁদছে।
বহু মানুষ, হাজারো মুখ — যেন অচেনা মানুষের সমুদ্র,কারো কাছে খোঁজখবর করতে সাহস পায় না।
পুলিশের দিকে এগোতে গিয়ে ভয় পায় —
"ওরা যদি ধরে নিয়ে যায়, যদি বলে চুরি করতে এসেছে?"।
সারারাত ধরে খোঁজ চলে — গলির পর গলি, প্যান্ডেলের পর প্যান্ডেল।
কেউ বলে শোভাবাজারে দিকে দেখুন, কেউ বলে মহিষরাজার প্যান্ডেলে একজন বসেছিল…
একটু খাবার কেনার টাকাও নেই তাদের কাছে।
ক্লান্তিতে সিউলির চোখ লাল, বিল্টু ক্লান্ত —
আর শান্তা , শুধু একটাই কথা বলে:
“আমার লোকটারে খুঁজে দাও… আমরা শুধু ঠাকুর দেখতে এসেছিলাম।”
অন্যদিকে, সুখেন্দু পথ ভুলে হেঁটে হেঁটে উত্তরে চলে গেছে। ভয়ে, আতঙ্কে, কষ্টে খোঁজখবর করতে করতে ক্লান্ত হয়ে একটা প্যান্ডেলের এক কোণে বসে —
মানুষের মুখের ভিড়ে স্ত্রী আর সন্তানদের মুখ খুঁজে বেড়ায়।
কান্না চেপে রাখে, বুকের ভেতরে ঝড়।
খাওয়া হয়নি, চোখে ঘুম নেই।
অবশেষে ক্লান্ত হয়ে, পায়ের ব্যথায় কাতর হয়ে একটা লাইটিং এর পাশে বসে ঘুমিয়ে পড়ে।
ভোরের আলোয় পুনর্মিলন
ভোর পাঁচটা বাজে।
প্যান্ডেলের লাইট নিভে এসেছে, ঢাকও থেমেছে।
সুখেন্দু হঠাৎ চোখ মেলে দেখে — পাশে তিনটা মুখ। সিউলি , বিল্টু আর তার স্ত্রী শান্তা।
চোখে জল, মুখে কথা নেই।
বিল্টু বাবার গলা জড়িয়ে ধরে, সিউলি কাঁদতে কাঁদতে বাবার গালে হাত বুলিয়ে দেয়।
শান্তা কাঁদতে কাঁদতে বলে — “তোমাকে ছাড়া আমরা প্রায় মোরেই গেছিলাম। সুখেন্দু তখনো নির্বাক , শুধু বলে—-শোনো বউ – আমাদের ভাগ্যো ভালো… ঠাকুর আমাদের একসাথে ফিরিয়ে দিলেন।” শান্তার সাথে ছেলে, মেয়েরা বলল : “বাবা আমাদের ক্ষমা করে দিও” শান্তু এগিয়ে এসে বলল = আমাদের গ্রামের মাঠের পূজো অনেক ভালো। ইচ্ছে মতন ঘুরতে পারি। এই আলোর ঝলকানির মধ্যে আমাদের কাকু,কাকিমা, জ্যাঠাই,জ্যেঠিমা, দাদা,দিদি, এমনকি গ্রামের গুরুমশাই ( পাঠশালার শিক্ষক মশাই) কেউ থাকে না। চারিদিকে অচেনা অজানার মানুষের মধ্যে কিছু দৃষ্টি অসোহায় নারীর বিশ্বাসকে যেনো অপসংস্কৃতির অন্ধকার জগতে নিয়ে যেতে চায়। এই ঝলমলে আলোর মধ্যে কিছু অন্ধকারো আছে।
সকাল আটটার ট্রেন।
শিয়ালদহ স্টেশান থেকে সুখেন্দু পরিবার নিয়ে ফিরে যায় গ্রামের দিকে।
আজ বাড়ি ফিরে সকলের কিন্তু বুকে শান্তি।
নতুন জামা নেই, ঠাকুর দেখা অসপূর্ণ — তবু একটাই জিনিস পেয়েছে…নিজদের পরিবার। একটা অটুট বন্ধন। শেষ কথা:
দুর্গাপুজো মানে শুধু আনন্দ নয়,
আলোর ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া অন্ধকারকেও আলোকিত করে ভালোবাসা।
সুখেন্দুর পুজোতে প্রতিমা দেখা হয়নি,
কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ ছিল —
ভোরবেলার সেই পুনর্মিলন।
আজকের গল্প লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। 🙏 নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
হারিয়ে যাওয়া পূজোর রাত
কলকাতার বাইরের উত্তর ২৪ পরগনার একটা ছোট্ট গ্রাম বাবরের হাট, — নদীর ধারে, কাঁচা রাস্তার পাশে এক মাটির ঘর।
সেই ঘরে থাকে সুখেন্দু দাস। সুখেন্দু দিনমজুরের কাজ করে, সারাটা দিন রোদে পুড়ে, ঘাম ঝরিয়ে কোনোরকমে সংসার চালায়।
তার স্ত্রী শান্তা, ছেলে বিল্টু (৯ বছর) আর মেয়ে সিউলি (৬ বছর) — এই ছোট্ট পরিবারটাই তার পৃথিবী।
দুর্গাপুজো এলে তাদের গ্রামের পুজোও হয় বটে, তবে বাচ্চাদের চোখে ছিল শুধু একটাই স্বপ্ন —
“কলকাতার বড় বড় ঠাকুর দেখা।” আলো ঝলমলে প্যান্ডেল, বিশাল প্রতিমা, আর হাজারো মানুষের ভিড়…
সুখেন্দু জানে, জামা নতুন নেই, পকেটে টাকাও বেশি নেই।
তবুও সুখেন্দু সবাইকে বললো , চল এবার পুজোতে তোদের কলকাতা নিয়ে যাই… দেখবি খুশিতে থাকবি। খাওয়া-দাওয়া নাই বা হোক, মন ভরবে।”
পঞ্চমীর সকাল।
গ্রামের কাঁচা পথ দিয়ে হেঁটে তারা বাবর হাট স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে, শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছলো। পঞ্চমী রাতের কলকাতা।
শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাঁটতে হাঁটতে বউবাজার, কলেজ স্কোয়ার, হাতিবাগান।
চারদিকে আলোর সাগর! সিউলি চোখ বড় বড় করে বলে, “বাবা, এরকম আলো আগে কখনো দেখিনি!”
বিল্টু খুশিতে লাফায়, মায়ের আঁচলে টান দিয়ে ঠাকুর দেখায়।
কিন্তু সেই আনন্দ বেশি ক্ষণ থাকে না। ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যায় সুখেন্দু
বাগবাজারের প্যান্ডেলে ঢোকার সময় প্রচণ্ড ভিড়। ঠেলাঠেলির মাঝে এক পলকে সিউলির হাত ছুটে যায়।, শান্তা কিছুই বুঝতে পারে না —
আর যখন বুঝতে পারে, তখন সুখেন্দু নেই।
“বাবা কই?” — বিল্টু চিৎকার করে কাঁদে।
টিউলিপ ভয়ে জড়সড়, শান্তা কাঁদছে।
বহু মানুষ, হাজারো মুখ — যেন অচেনা মানুষের সমুদ্র,কারো কাছে খোঁজখবর করতে সাহস পায় না।
পুলিশের দিকে এগোতে গিয়ে ভয় পায় —
"ওরা যদি ধরে নিয়ে যায়, যদি বলে চুরি করতে এসেছে?"।
সারারাত ধরে খোঁজ চলে — গলির পর গলি, প্যান্ডেলের পর প্যান্ডেল।
কেউ বলে শোভাবাজারে দিকে দেখুন, কেউ বলে মহিষরাজার প্যান্ডেলে একজন বসেছিল…
একটু খাবার কেনার টাকাও নেই তাদের কাছে।
ক্লান্তিতে সিউলির চোখ লাল, বিল্টু ক্লান্ত —
আর শান্তা , শুধু একটাই কথা বলে:
“আমার লোকটারে খুঁজে দাও… আমরা শুধু ঠাকুর দেখতে এসেছিলাম।”
অন্যদিকে, সুখেন্দু পথ ভুলে হেঁটে হেঁটে উত্তরে চলে গেছে। ভয়ে, আতঙ্কে, কষ্টে খোঁজখবর করতে করতে ক্লান্ত হয়ে একটা প্যান্ডেলের এক কোণে বসে —
মানুষের মুখের ভিড়ে স্ত্রী আর সন্তানদের মুখ খুঁজে বেড়ায়।
কান্না চেপে রাখে, বুকের ভেতরে ঝড়।
খাওয়া হয়নি, চোখে ঘুম নেই।
অবশেষে ক্লান্ত হয়ে, পায়ের ব্যথায় কাতর হয়ে একটা লাইটিং এর পাশে বসে ঘুমিয়ে পড়ে।
ভোরের আলোয় পুনর্মিলন
ভোর পাঁচটা বাজে।
প্যান্ডেলের লাইট নিভে এসেছে, ঢাকও থেমেছে।
সুখেন্দু হঠাৎ চোখ মেলে দেখে — পাশে তিনটা মুখ। সিউলি , বিল্টু আর তার স্ত্রী শান্তা।
চোখে জল, মুখে কথা নেই।
বিল্টু বাবার গলা জড়িয়ে ধরে, সিউলি কাঁদতে কাঁদতে বাবার গালে হাত বুলিয়ে দেয়।
শান্তা কাঁদতে কাঁদতে বলে — “তোমাকে ছাড়া আমরা প্রায় মোরেই গেছিলাম। সুখেন্দু তখনো নির্বাক , শুধু বলে—-শোনো বউ – আমাদের ভাগ্যো ভালো… ঠাকুর আমাদের একসাথে ফিরিয়ে দিলেন।” শান্তার সাথে ছেলে, মেয়েরা বলল : “বাবা আমাদের ক্ষমা করে দিও” শান্তু এগিয়ে এসে বলল = আমাদের গ্রামের মাঠের পূজো অনেক ভালো। ইচ্ছে মতন ঘুরতে পারি। এই আলোর ঝলকানির মধ্যে আমাদের কাকু,কাকিমা, জ্যাঠাই,জ্যেঠিমা, দাদা,দিদি, এমনকি গ্রামের গুরুমশাই ( পাঠশালার শিক্ষক মশাই) কেউ থাকে না। চারিদিকে অচেনা অজানার মানুষের মধ্যে কিছু দৃষ্টি অসোহায় নারীর বিশ্বাসকে যেনো অপসংস্কৃতির অন্ধকার জগতে নিয়ে যেতে চায়। এই ঝলমলে আলোর মধ্যে কিছু অন্ধকারো আছে।
সকাল আটটার ট্রেন।
শিয়ালদহ স্টেশান থেকে সুখেন্দু পরিবার নিয়ে ফিরে যায় গ্রামের দিকে।
আজ বাড়ি ফিরে সকলের কিন্তু বুকে শান্তি।
নতুন জামা নেই, ঠাকুর দেখা অসপূর্ণ — তবু একটাই জিনিস পেয়েছে…নিজদের পরিবার। একটা অটুট বন্ধন। শেষ কথা:
দুর্গাপুজো মানে শুধু আনন্দ নয়,
আলোর ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া অন্ধকারকেও আলোকিত করে ভালোবাসা।
সুখেন্দুর পুজোতে প্রতিমা দেখা হয়নি,
কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ ছিল —
ভোরবেলার সেই পুনর্মিলন।
আজকের গল্প লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। 🙏 নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
আজকের গল্প 👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
“উল্টো চশমা”
পরান মুখার্জি একজন সাধারণ মানুষ—অন্তত সে নিজেকে তাই ভাবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খায়, পেপার পড়ে, অফিস যায়, অফিস থেকে ফেরে, আবার রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু সমাজ? সমাজ ভাবে, পরান বাবু একেবারেই “অস্বাভাবিক”।
পরান যা-ই করে , সমাজ তার উল্টো মানে করে।
একদিন অফিসে বসে পরান ভাবছিল,
“এই সমাজটা আমাকে উল্টো বোঝে কেন? আমি যদি বলি, ‘আজকের মিটিংটা ভালো হয়েছে’, সবাই ভাবে আমি ব্যঙ্গ করলাম। আর যদি বলি, ‘তোমার প্রেজেন্টেশনটা দুর্দান্ত ছিল’, লোকটা রাগ করে চলে যায়, ভাবে আমি কটাক্ষ করলাম!”
পরান গম্ভীরভাবে নিজের জীবন পর্যালোচনা করছিল। হঠাৎ জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখল, একটা ছোট ছেলে তার বাবার চশমা উল্টো করে পরে দাঁড়িয়ে হাসছে। মুহূর্তেই যেন বিদ্যুতের মতো বুদ্ধি ঢুকে গেল মাথায় পরানের।
পরান ভাবলো, আচ্ছা “আমি যদি সত্যিই চশমাটা উল্টো করে বাস্তবটাকে দেখি। তাহলে সমাজ আমার কথার মানে কী ভাবে নেবে !”
পরদিন সকালেই পরান তার পুরোনো চশমাটা নিয়ে উল্টো করে পরে ফেলল। না, চোখে কিছু দেখা যাচ্ছিল না ঠিকঠাক। কিন্তু ইচ্ছে করে সে সবকিছু উল্টো দেখার চেষ্টা করল। প্রথমেই বউকে বলল,
– “তোমাকে আজ একেবারে বিশ্রী লাগছে গো ।”
বউ হেসে বলল,
– “ওমা! তাই নাকি ? মানে আজ সত্যিই সুন্দর লাগছি আমি তাই তো?”
পরান চমকে গেল।
এরপর বাড়ির সামনে ভোরের ভ্যান-স্ববজিওয়ালাকে বলল,
– “তোমার আজকের টমেটো একেবারেই পঁচা!”
ভ্যান স্ববজিওলা বলল – “ধন্যবাদ বাবু, আপনি ছাড়া কেউই গুণ বুঝে না!”
একইভাবে অফিসে গিয়ে বসকে বলল,
– “আপনি একেবারে অকর্মণ্য!”
বস হেসে বলল,
– “তাই নাকি! তাহলে তো প্রমোশন আপনাকেই দিতে হয় পরান বাবু। আপনি তো স্পষ্টবাদী লোক!”
পরান একদিন বারান্দায় বসে ভাবে “ ভারি অদ্ভুত এই সমাজ” । সোজা বললে সমাজ উল্টো ভাবে ! আর অদ্ভুত ব্যাপার - উল্টো বললে সমাজ সোজা ভেবে নেয় ! সত্যি অদ্ভুত ! আসলে সমাজ বদলায় না, কিন্তু আপনি যদি দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান, অনেক কিছুই বদলাতে পারে। এমনকি উল্টোটাও সোজা হয়ে যেতে পারে। “সবটাই কিন্তু উল্টো চশমার জাদু!” ॥॥॥॥॥॥॥ ॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥ ॥॥॥॥ ॥॥॥॥॥॥গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোনো মিল নেই। ॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥উক্ত গল্পটি লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। 🙏নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
আজকের গল্পের নাম: “এক অদৃশ্য আশির্বাদ ”
ঝাড়খণ্ডের গিরিডি গ্রামের এক কোণে, বাঁশের খুঁটির উপর খড়ের ছাউনি দেওয়া একটি ছোট্ট ঘরে একা থাকতো এক কাঠুরী—নাম তার দিনদয়াল। প্রতিদিন ভোরে উঠে সে তার কুড়াল কাঁধে নিয়ে চলে যেতো জঙ্গলে। কাঠ কেটে এনে বাজারে বিক্রি করেই চলত তার দিন।
দিনদয়ালের চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে দায়বদ্ধতাই ছিল বেশি। তার ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না, ছিল না খাট পালঙ্ক, কিংবা মাথার উপর পাকা ছাদ । তবুও তার মনে ছিল একরাশ শান্তি, কারণ সে জানতো, সে তার সততা এবং পরিশ্রমের পথেই হাঁটছে।
একদিন বিকেলে কাঠ বিক্রি করে ফেরার পথে, হঠাৎ করে এক অচেনা লোক তার সামনে এসে দাঁড়ায়। পরনে ছেঁড়া কাপড়, মুখে একগাল দাড়ি, চোখে অনাহারের ছাপ।
লোকটি কাঁপা গলায় বলে, “ কিছু খেতে দেবে গো , দুদিন কিছুই খাওয়া হয়নি ।”
দিনদয়াল তার দিকে তাকিয়ে বোঝে সত্যি মানুষটা অনাহারে রয়েছে, তৎক্ষণাৎ বলে, “চলো বাবা, আমার ঘরে।”আমার যা আছে দুজনে মিলেই খাবো।
গ্রামের কিছু লোকজন তাদের পাকা ঘরের 🏠 জানলা , দরজার ফাঁক থেকে উঁকি মেরে সবটা লক্ষ্য করে, কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনা। দিনদয়াল এসব কিছুই গা করলো না। লোকটিকে নিয়ে ঘরে ফিরল। সেদিনও রোজকার মতনই , সে ভাত আর আলু সেদ্ধ রান্না করল, দুজনে মিলে খেলো। তারপর মাটির মেঝেতে মাদুর পেতে দুজনে শুয়ে বিশ্রাম নিল।
এভাবে পরপর তিন দিন লোকটির সাথে দিনদয়ালের দেখা হয়, আর দুজনে আনন্দের সাথে আলু সিদ্ধ, ভাত 🍛 খেয়ে বিশ্রাম নেয়। শেষ দিনে বিশ্রামের সময় কয়েক মুহূর্তের জন্য দিনদয়ালের চোখ লেগে আসে। যখন চোখ খোলে, দেখে সেই লোকটি আর নেই। ঘরে বাইরে এদিক ওদিক খোঁজ করেও আর চোখে পরে না লোকটিকে। দিনদয়াল প্রতিদিন লোকটির জন্যে কিছুটা সময় অপেক্ষা করে, কিন্তু মাস খানেক হলো তার আর দেখা মেলে না। দিনদয়াল মনে মনে ভাবলো , আবার কখনো দেখা পেলে , লোকটাকে বলবো “ আমার কাছেই থেকে যেতে “।
পরদিন দিনদয়াল প্রতিদিনের মতো কাজে গেল। এতক্ষণে গ্রামের মানুষদের কাছে এই কয়েকদিনের ঘটনা ছরিয়ে পরে। এবং ধীরে ধীরে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে শুরু করলো। গ্রামের মানুষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আর বলে ,
“ দিনদয়াল মানুষটা গরিব হলেও মনটা বড়।”
“এমন মানুষ এই সময়ে বিরল!”
এরপর একদিন গিরিডি গ্রামের এক সমাজকর্মী দিনদয়ালের সব কথা শোনেন এবং তিনি দিনদয়ালের সাথে দেখা করে। সমাজকর্মী দিনদয়ালের সততা দেখে, বনবিভাগে তার জন্যে একটি অস্থায়ী চাকরির সুপারিশ করেন। কিছুদিনের মধ্যেই দিনদয়াল অস্থায়ী বন-সহায়ক হিসেবে কাজ পায়।
দিনদয়াল বোঝে “ এই অসম্ভব কাজ সম্ভব হয়েছে ঐ লোকটির আশির্বাদে। কয়েক মাস ধরে লোকটির খোঁজ করেও আর দেখা মেলেনি। দিনদয়াল তার ঘরটা টালির ছাউনি , পাকা দেওয়াল দিয়ে নেয়। কিন্তু মেঝেতে মাদুর পেতে বিশ্রাম করার অভ্যাসের কোনো পরিবর্তন করে না। দিনদয়াল বদলায় না। তার ভেতরের মানুষটা সেই আগের মতোই রয়ে যায়—সহানুভূতিশীল, পরিশ্রমী এবং সৎ।
আসলে মানুষের প্রকৃত মূল্য তার পোশাকে নয়, তার মন ও কর্মে প্রকাশ পায়। একটি ছোট সাহায্য অনেক বড় পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে। সততা, দয়া ও পরিশ্রম—এই তিনটি গুণ মানুষকে সত্যিকারের বড় করে। ॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥॥উক্ত গল্পটি লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। 🙏নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
👇আজকের গল্পের নাম 👇 . . লক্ষ্মী পূর্ণিমার সকাল
কোজাগরি লক্ষ্মীপুজোর দিনটা যেন এক আলাদা আনন্দ নিয়ে আসে বাড়ির সকলের মধ্যে। কাশফুলের দোল, হালকা বর্ষার পরশ আর দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই হাজির লক্ষ্মী পূর্ণিমা। আজ সেই তিথি। সকাল থেকেই বাড়ির বড়োরা, ছোটোরা এক অদ্ভুত ব্যস্ততায় মেতে উঠেছে।
তবে এই ব্যস্ততা ক্লান্তিকর নয়, বরং অনেক বেশি আনন্দময়। বাড়ির গৃহিণী, লাল পাড়ের সাদা শাড়ি পরে ভোগ রান্নার সরঞ্জাম নিয়ে ব্যাস্ত। বাড়ির বৌমা এবং কন্যার উপর দায়িত্ব ঠাকুর ঘরের। সকাল থেকে ঠাকুর ঘরের সাজসজ্জা, পদ্মফুল আর দেবীর পায়ের ছাপের আলপোনা , নিপুণ হাতে আঁকা চলচ্ছে। সুন্দর সাজসজ্জায় যেন ধীরে ধীরে স্বর্গের এক কোণ হয়ে উঠছে বাড়িটা ।
রান্নাঘর থেকে তখন ফুলকপি, নারকেল, আলু দিয়ে বানানো খিচুড়ি, লাবড়া , আলু ফুলকপির তরকারি, চাটনি, পায়েসের সাথে ভেসে আসছে — বেগুন , কুমরো, কাঁকরোল, পটল, আলু গোলগোল আঁকারে ভাজার ঘ্রাণ । বাড়ির গৃহিণীর সাথে তার বৌমা এবং কন্যা নির্জলা উপবাসে থেকেও দেবীর আরাধনার কোনও খামতি রাখেনি।
বাড়ির একমাত্র বৌমার নিপুণ হাতের স্পর্শে ঠাকুরঘরের সৌন্দর্য আজ আলাদা রুপ নিয়েছে, পদ্মফুল, শোলা দিয়ে বানানো সাজসজ্জা আর ধূপধুনোর গন্ধে ঠাকুর ঘরের সাথে পুরো বাড়িটা যেন মায়াময় হয়ে উঠেছে।
এদিকে বাড়ির কন্যা Work from home এর ফাঁকে ফাঁকে দেবীর আরাধনার মূল আকর্ষণ “নাড়ু” তৈরী প্রস্তুতির জন্যে নারকেল কুঁড়িয়ে চলেছে,
ঠাকুর ঘরের সাজসজ্জা আর রান্নাঘরের রান্নার কাজে বাড়ির গৃহিণীর সাথে বৌমার ব্যস্ততায় সারাটা দিন পেরিয়ে সন্ধে ঘনিয়ে আসে। 🪔 জ্বলে ওঠে, শঙ্খ বাজে, উলুধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে পাড়ায় পাড়ায়। দেবীর সামনে সবাই একত্রিত হয়। প্রদীপ, পুষ্প, নাড়ু , খিচুড়ি, তরকারি, রকমারি ভাজা , পায়েস,ফল, মিষ্টি— একের পর এক দেবীকে নিবেদন করা হয়। বাড়ির সকলে একসাথে ঠাকুর ঘরের সামনে শ্রদ্ধা ভক্তি নিয়ে বসে পরে। বরাবরের মতন এবারেও বাড়ির গৃহিণী নতুন রুপে সেজেগুজে আসন পেতে বসে দেবীর আরাধনা শুরু করে, তবে এবারে গৃহিণীর সাথে পূজোয় বসেছে বৌমাও। পূজো শেষে “মহালক্ষ্মীর পাঁচালি” পরে দেবীর আরাধনা সম্পুর্ন হয়।
আরাআসলে এই পুজো শুধু দেবীর আরাধনা নয়, ঘরের মেয়েদের সৃষ্টিশীলতা, নিষ্ঠা, আর ভালবাসারও পূজো। তাদের হাত ধরেই ঘরে লক্ষ্মী দেবী আসেন— আলো নিয়ে, শান্তি নিয়ে, আশীর্বাদ নিয়ে।🙏
উক্ত গল্পটি লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। 🙏 নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
০৬/১০/২০২৫
📱 মোবাইল স্ক্রিনে ভূত।😈
নীলাদ্রি , একজন কলেজপড়ুয়া ছাত্র , মুর্শিদাবাদের এক গ্রামে থাকে।, নতুন মোবাইল কিনেছে। দামি ফোন । বন্ধুদের সঙ্গে সেলফি তোলা, ছবি তোলা—এসব ছিল তার নিত্যদিনের কাজ।
একদিন নীলাদ্রি, বন্ধুদের সাথে মুর্শিদাবাদের এক পুরনো পোড়োবাড়ি দেখতে যায়। বন্ধুরা বলে , ওখানে আগে নাকি জমিদারের পরিবার থাকত। একটা দুর্ঘটনায় পুরো পরিবার মারা যায়। এরপর থেকে নাকি জায়গাটা অভিশপ্ত।
নীলাদ্রি উড়িয়ে দেয়—“ভুত বলে কিছু নেই ভাই, ওসব গাঁজাখুরি গল্প !”
বন্ধুরা যেতে অস্বীকার করায় , নীলাদ্রি পিছু হটার পাত্র নয় , সে নিজেই চললো। জমিদার বাড়ির সামনে গিয়ে ঘুরে ঘুরে চারিপাশ দেখে, শেষে তার নতুন মোবাইলে পোড়োবাড়ির একটা ছবি তোলে। ছবিটা তুলেই অবাক হয়। ছবিটা এমনি দেখলে পোড়োবাড়ির ছবি দেখছে। কিন্তু যখনি ছবিটা একটু যুম করছে , তখনি অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে, ছবিতে যেন একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে, চোখে লাল জ্যোতি। অথচ নর্মাল ছবিতে এসব কিছুই দেখছে না।
নীলাদ্রি দেরি না করে বাড়ি ফিরে আসে।
নীলাদ্রি বাড়ি ফিরে সারাটা দিন চুপচাপ বসে মোবাইল নিয়ে চিন্তা করতে থাকে। সন্ধ্যায় ক্লাবে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে বাড়ি ফিরে , খাওয়া দাওয়া সেরে শুয়ে পরে। নীলাদ্রি কাউকেই মোবাইল এর এই অদৃশ্য চমকপ্রদ ঘটনার কথা বললো না। রাত ১২ টা। পুরো পাড়া তখন সুনসান। বাড়ির সকলে আলো বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছে । নীলাদ্রি তখনো বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছে। রাত ১ টা। চেস্টা করেও ঘুমোতে পারছে না নীলাদ্রি। অবশেষে মোবাইল খুলে আবারও পোড়োবাড়ির ছবিটা আস্তে আস্তে যুম করে দেখতে থাকে। আবারও সেই অদৃশ্য চমক। যতবারই যুম করছে , ততবারই সেই মেয়েটার মুখ স্পষ্ট হতে থাকে। এভাবে পাঁচ ছয় বার দেখার পরে , নীলাদ্রি মোবাইল বন্ধ করে দেয়। মোবাইল পাশের রুমে রেখে আসবে বলে বিছানা থেকে সবে উঠতে যাচ্ছে, হঠাৎ নীলাদ্রির মোবাইল নিজের থেকেই খুলে গেলো , পোড়োবাড়ির ছবিটা এবার নিজের থেকেই যুম হয়ে গেলো। নীলাদ্রি বিছানায় বসে ভয়ে ভয়ে মোবাইলের দিকে তাকাতেই, যুম করা স্ক্রিনে, “ মেয়েটি ঠোঁট নাড়িয়ে বলে ওঠে”
“আমাকে ফিরিয়ে দাও… আমার শেষ ছবি মুঝে দিও না…”
নীলাদ্রি চিৎকার করে মোবাইল ফেলে দেয়। রাতভর ঘুম হয় না। ততক্ষণে ভোরের আলো জানলায় ফুটে উঠেছে। নীলাদ্রি সকাল থেকে যতবার পোড়োবাড়ির ছবিটা মোছার ( ডিলিট) চেষ্টা করে—ততবারই কিন্তু মোবাইল হ্যাং করে যায়।
প্রতিদিন সকালে উঠে সে দেখে, মোবাইল গ্যালারিতে ঐ মেয়েটির নতুন নতুন ছবি! কখনো জানালার পাশে, কখনো দরজার কাছে।
একদিন মধ্য রাতে নীলাদ্রির ভয়ঙ্কর চিৎকারে , বাবা , মা উঠে পড়ে। তারা ছুটে এসে দেখে, নীলাদ্রির চোখ লাল, মুখে কোনো সারা নেই। গলায় ফোনটা যেনো চেপে ধরা। ততক্ষণাৎ নীলাদ্রিকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময় , নীলাদ্রি একটা কথাই শুধু বলল: “মোবাইলে তোলা ছবি সব সময় স্মৃতি হয়ে থাকতে চায় না ………। কিছু ছবি গোপনেই থাকতে চায়…”
================================ আজকাল আমরা যত্রতত্র ছবি তুলি—কারোর অনুমতি আছে কি নেই———তা না ভেবেই।
প্রত্যেকটি স্থানে, বিশেষত ইতিহাস-জড়িত বা পরিত্যক্ত জায়গায় ছবি তোলার আগে ভেবে দেখা উচিত—স্মৃতি রাখতে গিয়ে আমরা কারও শান্তি নষ্ট করছি না তো?
================================আজকের সম্পূর্ণ কাল্পনিক কাহিনি “ মোবাইলে ভূত “গল্পটি লেখার উদ্দেশ্য কিন্তু Just time pass আর কিছুই নয়। উক্ত কাল্পনিক গল্পের সাথে বাস্তবের কোনো অস্তিত্ব/ মিল নেই। 🙏নমস্কার। সকলে ভালো থাকবেন। মিন্টু চক্রবর্তী।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kolkata
700146

09/10/2025