━━━━━━━━━━━━━━━━━━
💻 COMPUTER TRAINING AT YOUR HOME 💻
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
**বাড়িতে ল্যাপটপ নিয়ে গিয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়**
📚 স্কুল ছাত্র-ছাত্রী | কলেজ স্টুডেন্ট | চাকরিপ্রার্থী এছাড়াও বয়স্ক লোকজনকে
বর্তমান ডিজিটাল যুগে কম্পিউটার জ্ঞান অত্যন্ত জরুরি।
এখন আপনার বাড়িতেই মানসম্মত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ।
🔹 Basic Computer Course
🔹 MS Word | MS Excel | PowerPoint
🔹 Online Form Fill-up Training
🔹 Government Job Application Guidance
🔹 Email | PDF | Scan | Internet Use
🔹 সম্পূর্ণ প্র্যাকটিক্যাল ভিত্তিক শেখানো
✔ ব্যক্তিগত যত্নসহ ক্লাস
✔ সুবিধাজনক সময়
✔ সাশ্রয়ী ফি
✔ অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত প্রশিক্ষক
📍 আপনার এলাকায় বাড়িতে গিয়ে ক্লাস নেওয়া হয়
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📞 যোগাযোগ করুন
📱 মোবাইল: 9907683147
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌟 “শুধু সার্টিফিকেট নয়, বাস্তব কাজ শেখানোই আমাদের লক্ষ্য।”
Dakshin Barasat দক্ষিণ বারাসাত
Dakshin Barasat, Jaynagar, South 24 Parganas, West Bengal, 743372
28/02/2026
মন মাতানো গ্রাম্য পরিবেশ দক্ষিণ বারাসাত
18/10/2025
আপনার মতামত কি?
পার্কসার্কাস স্টেশনে যাতায়াত করলে এই নিয়মগুলো মনে রাখুন, এখানে এক মুহূর্তের অসতর্কতা বড় বিপ/দের কারণ হতে পারে।
১️. ট্রেন ছাড়ার সময় থেকেই সতর্ক থাকুন:-
বালিগঞ্জ বা শিয়ালদহ থেকে ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাবধান হোন।
ছিন/তাইকারীরা আপনার গলার চেন, ব্যাগ বা মোবাইল কে/ড়ে নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকেই নে/মে যেতে পারে। তারা “রানিং ট্রেন”-থেকে লা/ফ দিতে ভয় পায় না
২️. জানালার পাশে মোবাইল ব্যবহার নয়:-
জানালার পাশে বসে ফোন টিপবেন না, ব্লুটুথ ইয়ারফোন কানে দেবেন না।
স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ছিন/তাইবা/জরা মুহূর্তে হাত ঢু/কিয়ে আপনার জিনিস উধাও করে দিতে পারে।
৩️. যত দ্রুত সম্ভব স্টেশন ছাড়ুন :-
কোনো প্রয়োজনে এলে, কাজ শেষ করে দ্রুত বেরিয়ে যান।
অযথা ঘোরাঘুরি বা দাঁড়িয়ে থাকা বিপ/জ্জনক। “পাতাখো/র” নামে কিছু লোক মাঝেমাঝে অচেনা বিপদ ডেকে আনে।
৪️. ওভারব্রিজ বা দোকানের আড়ালে দাঁড়াবেন না :-
ওভারব্রিজের ওপরে প্রায়ই নে/শাগ্রস্তদের আড্ডা থাকে।
তাদের সঙ্গে ঝামেলায় না যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
৫️. ট্রেনে ওঠার সময় মানিব্যাগ ও ফোন হাতে রাখুন :-
পকেটে রাখলে শেষ দেখা হওয়ার সম্ভাবনাই নেই।
অনেকেরই এই স্টেশনে প্রিয় ফোনের শেষ বিদায় হয়েছে!
৬️. দোকানের খাবার-দাবারে সতর্ক থাকুন :
খাবার খারাপ মনে হলে শান্তভাবে দাম মিটিয়ে চলে যান, অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে।
৭️. একা বাথরুমে যাবেন না :-
টিকিট কাউন্টারের পেছনের বাথরুমে একা যাওয়া বিপজ্জ/নক।
আমার এক বন্ধুকে একবার ওখানেই খু/র দেখিয়ে পকেট খালি করেছিল এক পা/তা/খোর।
৮️. ছবি বা ভিডিও তুলবেন না :-
এই স্টেশনে মোবাইল দিয়ে ছবি তোলা বা ভিডিও করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, না জেনে করলে বিপদ ডেকে আনতে পারেন।
আমার অভিজ্ঞতা: একটি রাতের পাকসার্কাস :-
কয়েকদিন আগে রাত সাড়ে দশটায় পাকসার্কাস স্টেশনে দাঁড়াতে হয়েছিল।
স্টেশন তখন প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছে, শুধু দু-একটা দোকান খোলা। দিনের ব্যাস্ত স্টেশন তখন শান্ত হয়ে উঠেছে। অসম্ভব সুন্দর এক পরিবেশ। আমি মোবাইল বার করে রাতের দৃশ্যের ছবি তুলছিলাম।
ঠিক তখনই দুই ছেলে আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল — একজনে ইচ্ছাকৃত আমার গায়ে ধা/ক্কা মে/রে মুহূর্তে আমার ফোনটা কেড়ে নেয়
আমি অনুরোধ করতে থাকি ফোন ফেরত দিতে, কিন্তু তারা টিকিট কাউন্টারের দিকে হাঁটতে থাকে।
চারপাশের কয়েকজন মানুষ তাকিয়ে থাকে, কেউ কিছু বলে না।
আমি ওদের পিছু নিতে নিতে এক দোকানের কাছে যাই, দোকানদার এক ভদ্রমহিলা ঝা/প ফেলছিলেন।
আমি তাকে দ্রুত ঘটনা বলি।
তিনি সঙ্গে সঙ্গে ডাক দেন, ছেলেদুটোকে দাঁড় করিয়ে আমার ফোনটা উদ্ধার করে দেন
সেদিন বুঝলাম —
পুলিশ বা নিরাপত্তা যতই অনুপস্থিত থাকুক, স্টেশনের হকার ও দোকানদাররাই এখানে আমাদের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।
ওরা না থাকলে রাতের পাকসার্কাস হয়তো আরও ভয়ঙ্কর হত।
একবার ভাবুন —
রাত সাড়ে দশটায় আপনি একা দাঁড়িয়ে, চারপাশে হালকা অন্ধকার, কোনো দোকান খোলা নেই...
দুটো ছেলে এগিয়ে এসে আপনার মোবাইল কে/ড়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে
তখন কে বাঁচাবে আপনাকে?
সংগৃহীত : Pappu Roy Cyclist
দক্ষিণ বারাশতে কালী পুজাতে আপনার বাড়ির কাছে এবারে পূজার থিম কি হচ্ছে?
03/06/2025
ভোরের খালি খালি D. Barasat Bazar
15/10/2024
Dakshin Barasat Kali Puja
31/05/2024
পুরুষ মানুষের পুরুষত্ব হলো টাকায়।আমার টাকা আছে আমার কদর আছে,সম্মান আছে। টাকা নেই কদরও নেই, সম্মানও নেই। পুরুষ মানুষের সৌন্দর্য প্রেম কিংবা এক মাত্র প্রেমিকা টাকা। যে পুরুষ টাকার পাহাড়ে ঘুমায় তার গায়ের তলায় ভালোবাসা জেগে থাকে। টাকাই আপনার ভালোবাসাকে রাতের অন্ধকারে পাহারা দেয়।
আপনার টাকা আছে, সমাজ, পরিবার, আত্মীয় স্বজন,বন্ধুবান্ধব, এমনকি রাষ্ট্রও আপনার মাথায় হাত বুলাবে। আপনি যত টাকার মালিক আপনার বীরত্বের জায়গাটা ততো উঁচু।
পুরুষ মানুষ টাকা দিয়ে ভালোবাসা কিনতে পারে। পৃথিবীতে মায়ের ভালোবাসার সাথে কারো তুলনা হয় না, সেখানেও টাকাই দামী কাগজ। ধরুন আপনারা দুই ভাই এক ভাইয়ের কোন রকম সংসার চলে যায়,আর আপনি টাকার বিছানায় ঘুমান। তখন দেখবেন ভালোবাসার ভাগ দুই ভাইয়ের মাঝে এমনি কম বেশি হয়ে যাবে।
ধরুন আপনি একটা মেয়েকে প্রচন্ড ভালোবাসেন,মেয়েটাও আপনাকে ভালোবাসে। মেয়েটার পরিবার সবই জানে।আপনি মেয়েটাকে ছাড়া বেঁচে থাকলেও লাশ হয়ে বাঁচবেন৷ মেয়েটাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেন তখন দেখবেন সেখানেও আপনি পুরুষ টাকায় দামী। টাকা থাকলে আপনার ভালোবাসার মানুষকে হাসি মুখে ঘরে তুলে নিতে পারবেন। আর টাকা পয়সা না থাকলে, আপনাকে ব্যর্থতার বোঝা মাথায় করে চোখের জল দিয়ে অন্য কারো সঙ্গে, প্রিয়তমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চেয়ে চেয়ে দেখতেই হবে।।
আপনার কোন আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে যান, আপনার পকেটের টাকা দেখেই চেয়ারের ধুলো মুছে বসতে দিবে। তারপর মিষ্টি কথার আসর জমিয়ে দিয়ে।আপনার জন্য মোরগ পোলাও রান্না হবে।আর আপনার পকেটে টাকা নেই, আপনি দাঁড়িয়ে থাকার উপর দেখবেন আপনার বাড়ি ফেরার টিকিট ধরিয়ে দিবে।।
যে বন্ধুটার পিছনে আপনি টাকা খরচ করছেন,কিছুদিন টাকা খরচ করা বন্ধ করে দেন, তখন দেখবেন সেই বন্ধুটা আপনার নোটিশেও আর পাত্তা দিচ্ছে না।
আপনার সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াশোনা করাতে চান সেখানেও টাকার চেনা মুখ আপনি। চাকরি বাজারে যাবেন সেখানেও আপনার ভালো রেজাল্টের ভারী ডিগ্রি এক পাশে রেখে টাকার ব্যাগ খুজবে।
আপনার পরিবারের যে মানুষটা আপনাকে বেশি জানে, বুঝে, আপনার সেই স্ত্রীকে এক বেলা থেকে দুই বেলা না খাইয়ে রেখে দেখুন, সেও আপনাকে কথার পা দিয়ে লাথি মারবে।
আপনি পুরুষ পৃথিবীতে টাকাতেই দামী। নারী সৌন্দর্য, রুপ তার অলংকারে আর পুরুষ সৌন্দর্য টাকায়। টাকা নেই আপনি পুরুষ পৃথিবীতে শূন্য ফাঁকা এবং ফাপা।
সংগ্রহীত
Barasat
31/05/2024
নারীরা পুরুষের মতো হতে গিয়ে জীবনের আনন্দ ও জীবনসঙ্গী হারিয়ে ফেলেন : প্রীতি জিনতা
তিনি বলেন, নারীরা পুরুষের মতো হতে পারে না। কারণ মেয়েদের একটা ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ রয়েছে। তাই প্রকৃতির কাছে হার মানতেই হয়।
তিনি আরো বলেন, “যেসব নারী কাজ করেন তাদের সবাইকে বলতে শুনেছি আমি সমতা চাই, আমি একজন পুরুষের মতো কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। প্রকৃতি আমাদের সেই সমতার পথে বড় অন্তরায়। কারণ মেয়েদের একটা ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ রয়েছে। তাই প্রকৃতির কাছে হার মানতেই হবে, যে কাজ করছেন সেখানে কিছুটা সময় বিরতি দিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন আমার বাচ্চারা আড়াই বছরের হয়েছে, তাই আমি আবার কাজে ফিরেছি। আমি কাজ ভালোবাসি, কিন্তু বাচ্চাদের ছেড়ে কাজ করতে গেলে এতে অপরাধবোধে ভুগতাম, বারবার মনে হতো যে সময়টা হারিয়ে ফেলছি তা আর ফিরে পাব না। আমার মেয়ে গিয়া এবং আমার ছেলে জয় আমার দিকে তাকিয়ে বলত, ‘মা, প্লিজ আমাদের সাথে থাকো’, এবং আমিও ওদের কথা শুনে কেঁদে ফেলতাম।” সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
31/05/2024
গুড়, মিছরি, চিনির ইতিহাস:
খ্রীস্টপূর্ব -৩২৩ সাল নাগাদ গ্রীকেরা ভারতে এসে আবিস্কার করলেন মিছরি, খন্ড, খন্ডসারি, গুড়, এই 'খন্ড' শব্দটি থেকেই পরে এসেছে ' ক্যান্ডি ' আর শর্করা শব্দ থেকে ' সুগার'। এক মুঠো 'খন্ড' বা গুড়ের মিছরি কে গ্রীকেরা বর্ননা করছেন ' এই অদ্ভুত স্টোন সদৃশ বস্তুটির রঙ ধুনোর( frankincense) মত, মধু এবং আঞ্জিরের তুলনায় অনেক অনেক গুন বেশি মিষ্টি "
খ্রীস্টপূর্ব ১০০০ সাল নাগাদ আমাদের এই বাংলার, মুলত গৌড়ের কারিগর রা আবিস্কার করে ফেলেছেন আঁখ মাড়াই করে, তাল এবং খেজুরের রস থেকে গুড় মিছরি এবং শর্করা ( সুগার) বানানোর টেকনিক। বলদ দিয়ে টানা আঁখ মাড়াইয়ের কলে আঁখের রস নিষ্কাশন করে, তাকে ছেঁকে, লোহার কড়াইয়ে আঁখের ছিবড়ে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করর স্লো আঁচে বানিয়ে ফেলা হোত গুড়, গুড়ের জলীয় পদার্থ আরো বাস্পীভুত করে, কনসেন্ট্রেড করে গুড়ের মিছরি এবং ব্রাউন শর্করা। শর্করা একটি সংস্কৃত শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ বালু সদৃশ্য,এই ক্ষেত্রে শর্করা মানে বালু সদৃশ্য গুড় বা ব্রাউন সুগার। আর গুড় শব্দটাই এসেছে গৌড় থেকে - গৌড় বাংলার জমিতে হোত ভারতের সেরা প্রজাতির আঁখের চাষ সাথে খেজুর এবং তাল।
এর পরে মুঘলেরা পারস্য'র টেকনিক ব্যাবহার করে 'ব্রাউন সুগার' কে রিফাইন করে সাদা বানানোর পদ্ধতি আবিস্কার করেন -ষোড়শ শতাব্দী নাগাদ। ১৬১৫ সালে মুঘল গর্ভনর বৃটিশ ডিপ্লোম্যাট স্যার টমাস রো কে যে সমস্ত উপহারাদি দিচ্ছেন তার মধ্যে অন্যতম a loaf of Sugar "as white as Snow". ইউরোপ তখনো শর্করা গুড় বা রিফাইন্ড সুগার বানানোই শেখেনি, জানেইনা।
এর পরের ইতিহাস তো জানেন ই। নব্য কলোনি ক্যারাবিয়ান ল্যান্ড আঁখ চাষের জন্য উপযুক্ত এই জ্ঞানার্জনের পরে পরেই মাইলের পর মাইল ক্যারাবিয়ান জমিতে আঁখ চাষ শুরু হয়ে গেল আর স্কিল্ড লেবার হিসাবে বিহার উত্তরপ্রদেশের চম্পারন ছাপড়া ভাগলপুর আরা বালিয়া থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ কে কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজে চাপিয়ে ভিটেমাটি উচ্ছেদ করে নিয়ে যাওয়া হোল ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে। আঁখ চাষ করলেই তো হোলনা - তা কে মাড়াই করে গুড় /সুগার তৈরী করবেন কারা? এই হতভাগ্য দেশের স্কিল্ড অথচ বন্ডেড লেবার রা।
এর পরে আমরা আমাদের এই গৌড় বাংলার ৩০০০ বছরের ঐতিহ্য, আবিস্কার ভুলে কারখানায় প্রস্তুত রিফাইন্ড সূগার /সুগার কিউব খেতে থাকলাম, ক্যান্ডি চুষলাম। কিন্তু তবুও আমার গ্রামীন বাংলায় হারিয়ে যেতে যেতে, ক্রুড টেকনোলজি এবং বংশ পরম্পরার স্কিল নির্ভর করে টিঁকে থাকলো ' শিউলি রা'। যাদের হাত ধরে শীতকালে কিছুদিন খেজুর গুড় আর গরমে অল্পস্বল্প তালের গুড় আমরা খেয়ে থাকি বটে - কিন্তু মেইনস্ট্রীমে আমাদের নিত্য ব্যবহারে আনিনা।
নিচের ছবিতে চিনি। যেটি আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের সাথে মিশে গেছে।©
25/05/2024
11/05/2024
আপনার নামের সিম অন্য কেউ ব্যবহার করছে না তো? থাকলে যা করতে হবে দেখুন
১.প্রথমে tafcop.sancharsaathi.gov.in-এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
২.এখানে নিজস্ব বৈধ মোবাইল নম্বর এবং ক্যাপচা কোড বসিয়ে ক্লিক করুন।
৩.এবার আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি আসবে।
৪.এই ওটিপিটি সঠিকভাবে স্ক্রিনের নির্দিষ্ট জায়গা পুট করে লগইন অপশনে ক্লিক করুন।
৫.এরপর আপনার সামনে নতুন একটি পেজ দেখতে পাবেন। যেখানে লেখা থাকবে “Mobile number register in your name”.
৬.এর আওতায় একটি তালিকা দেখতে পাবেন, যেখানে আপনার নামে যতগুলি মোবাইল নম্বর আছে সেগুলি পরপর দেখাবে।
৭.এক সময় আপনি ব্যবহার করতেন কিন্তু এখন আর করেন না, তেমন মোবাইল নম্বর যদি এই তালিকায় থাকে তবে সেই নম্বরটির পাশে থাকা “not my number” অপশনে ক্লিক করুন। এরপর report অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৮.আপনার প্রক্রিয়া মিটে গেল। এবার একটি পপ আপ ম্যাসেজ দেবে। পরের ধাপে আপনার ব্যবহার না করা সেই সিম কার্ডটি বন্ধ হয়ে যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dakshin Barasat
Kolkata
743372
