14/06/2024
আপনার মনে হতে পারে এটা আজব বাজে কথা, কিন্তু এটা সত্যি...
গত 75 বছরে সরকারি পর্যায়ে বটগাছ, নিম গাছ ও অশ্বত্থ গাছ লাগানো বন্ধ রয়েছে।
অশ্বত্থ গাছ 100% কার্বন ডাই অক্সাইড, বট 80% এবং নিম 75% শোষক...
পরিবর্তে, লোকেরা বিদেশী ইউক্যালিপটাস রোপণ শুরু করেছিল, যা জলের জমিকে শূন্য করে দেয়...
আজ ইউক্যালিপটাস, গুলমোহর এবং অন্যান্য শোভাময় গাছ সর্বত্র দখল করে নিয়েছে...
এখন যখন বায়ুমণ্ডলে কোন রিফ্রেসার থাকবে না তো তাপ অবশ্যই বাড়বে, এবং যখন তাপ বাড়বে, জল বাষ্প হয়ে যাবে...
প্রতি 500 মিটার অন্তর একটি অশ্বত্থ গাছ লাগান,
তাহলে কয়েক বছর পর ভারত দূষণমুক্ত হবে.. 🌳🌳
যাইহোক, আমি আরও একটি তথ্য দিই...
অশ্বত্থ গাছের পাতা বড় এবং পাতলা ডালপালা থাকে, যার কারণে পাতাগুলি শান্ত আবহাওয়াতেও নড়তে থাকে এবং পরিষ্কার অক্সিজেন সরবরাহ করে...
যাই হোক, অশ্বত্থ গাছকে বলা হয় গাছের রাজা।
এর প্রশংসায় একটি শ্লোক দেখুন-
মুলম ব্রহ্মা, ত্বচা বিষ্ণু, সখা শঙ্করমেবচ।
পত্রে-পত্রেকা সর্বেদেবানাম নমস্তে।
এখন করণীয়...
এই জীবনদাতা গাছগুলোকে বেশি করে রোপণ করা, সমাজে সচেতনতা বাড়ান।
বাগান বানাও, গাছ লাগাও, বাগানকে অকেজো খেলার মাঠ না বানান... মানুষের যেমন বাতাসের সাথে জলের প্রয়োজন, তেমনি গাছ-গাছালিরও বাতাসের সাথে জলের প্রয়োজন।
একটি বটগাছ, পাঁচটি অশ্বত্থ গাছ,
ঘর ঘর নিম, এটাই আমাদের প্রাচীন সাঁচ।
পৃথিবীর তাপ চলে গেলে সবাই খুশি হবে।
পৃথিবীতে ত্রিদেব আছে বট, নিম এবং অশ্বত্থ।
🌳🌳
- সংগৃহীত
#গাছ
27/04/2024
যারা ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে গাছ লাগাবেন, তারা এই বর্ষাকাল অবধি অপেক্ষা করেন। কারণ বেস্ট সময়ে লাগালে survival rate অনেক বেশি হবে। হুজুগে লাগালেন, কিন্তু গাছ বাঁচলো না, লাভ নাই তো।
সকল গাছ সব জায়গায় লাগানোর জন্য উপযুক্ত নয়। ধরেন এমন গাছ রাস্তার divider এ লাগালেন যেগুলোর শিকড় অনেক বড় হয় বা গভীরে যায়,তাহলে হবে না। খুব বেশি শাখা প্রশাখা হয় এমন গাছ লাগালেও দেখা যাবে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হবে।
একটা লিস্ট দিচ্ছি, চাইলে ফলো করতে পারেন।
চারা সংগ্রহের সময় অবশ্যই ভালো কোয়ালিটির চারা নিবেন। এতে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে বলে আশা রাখি।
রাস্তার ধার (Roadside):
1. নিম ()
2. রেইন ট্রি ( )
3. জারুল ()
4. কদম()
5. সিলভার ওক ( )
6.সোনালু
রাস্তার বিভাজক (Road Divider):
1. জবা ()
2. কান্টিকারা ( )
3. রতনগাছ ( )
4.রাধাচূড়া ()
5.দেবদারু()
পার্ক (Park):
1. বটগাছ ( )
2. কদম ()
3. চাপালিশ ()
4. কনক চাঁপা ()
5. অশোক ()
ফুটপাথ (Footpath):
1. পারুল
2. সিঙ্গাপুরের চেরি
3. ক্রিসমাস ট্রি
4.দেবদারু
খোলা জায়গা (Open Space):
1. মেহগনি ()
2. কৃষ্ণচূড়া ()
3. শিমুল ()
4. অর্জুন গাছ ()
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Institutional Areas):
1. আম ()
2. কাঁঠাল ()
3. জাম্বুল ()
4. বেল ()
5. পাকুড় ()
বাড়ির আঙ্গিনা (Homestead):
ফলের গাছ
1. আম
2. কাঁঠাল
3. লিচু
4. পেয়ারা
5. নারিকেল
6. কলা গাছ
7. পপাই
8. জাম্বুল
9. কামরাঙ্গা
10. বেল
কিছু ক্ষেত্রে বিভিন্ন সেগমেন্ট থেকে মিক্স করেও লাগাতে পারেন।
সবাই অন্তত ৫-১০ টি গাছ লাগানোর প্রস্তুতি নেই।
ধন্যবাদ 🥰
(সংগৃহীত)
13/06/2023
এমবিভার্ট (Ambivert):
আমাদের মাঝে কেউ কেউ এক্সট্রোভার্ট হয় অর্থাৎ কেউ খুব মিশুকে হয়(Extrovert) কেউ আবার নিজের মত একা থাকে(Introvert)।কিন্তু এদের মাঝামাঝি আরেক ভাগ আছে যারা কখনো ইন্ট্রোভার্ট আবার কখনো এক্সট্রোভার্ট।এদেরকে বলা হয় এমবিভার্ট।
জীবনে চলার পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা এমবিভার্টদের হয়।
যারা এমবিভার্ট তারা মাঝে মাঝে খুব হৈ চৈ করতে ভালোবাসে আবার মাঝে মাঝেই একা থাকতে ভালোবাসে।এরা সহজে সবার সাথে মিশে যায় কিন্তু তবুও এদের অনেক ফ্রেন্ড থাকেনা আবার এরা একদম একাও থাকেনা।গুটিকয়েক ফ্রেন্ড নিয়েই এরা থাকে।এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো শত কষ্ট হলেও এরা মুখ ফুটে বলবেনা কিছু আপনাকে।বরং সেই কষ্ট সহ্য করেই হাসিমুখে থাকবে।
তাই এদের মন খারাপ হলেও সেটা মুখে না বলা পর্যন্ত আপনি সেটা ধরতে পারবেননা।ওদের একটা আলাদা জগৎ থাকে।নিজেদের চারপাশে এরা একটা দেয়াল বানিয়ে নেয়।সে জগতে আপনি চাইলেই প্রবেশ করতেই পারবেননা।বরং সেখানে প্রবেশ করার চাবি হচ্ছে আপনার ভালোবাসা আর ভরসা করার মতো ব্যবহার।
এমবিভার্টরা যাকে ভালোবাসে তাকে খুব মন দিয়ে ভালোবেসে ফেলে।আর তাই কষ্টটাও বেশি পায়।কিন্তু তবুও এরা আপনার খারাপ চাইবেনা কোনোদিন।এরা আপনার প্রতি ভরপুর ফিলিংস রেখেও আপনাকে চাইলেও সেটা বুঝাতে পারবেনা।
এদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় কেউই এদের বুঝতে পারেনা।কারণ যে মানুষটা ঠিক একটু আগেই অনেক খুশি ছিলো হঠাৎ করেই সে বদলে গিয়ে একা থাকতে চাইলে কেউই সেটা ভালোভাবে নিবেনা।
তখন বেশিরভাগই তাদের ভুল বুঝে।কেউই বুঝেনা এখানে এদের কোনো হাত নাই।কেউ চাইলেও এদের এই চেঞ্জ হওয়া আটকাতে পারবেনা।
এমবিভার্টরা মাঝে মাঝে নিজেদের ভীষণ একা ভাবে।কারণ মন খুলে কথা বলার মতো কেউ হয়তো নেই।
এদেরকে শামুক বলা যায়।কারণ এরা বাহিরের দিকে শামুকের মতো শক্ত খোলস পরে থাকে কিন্তু এদের ভিতরটাও শামুকের শরীরের মতো নরম।
তাদের নিজেদের জগতে যদি আপনি একবার ঢুকে যেতে পারেন,তখন বুঝবেন সে আসলে আপনার চেনার চেয়েও কতটা অন্যরকম।তখন হয়তো আপনি তাকে আরও বেশি ভালোবেসে ফেলবেন।কিন্তু প্রবেশ করার অধিকার পেয়েও আপনি যদি তার সেই ভরসা-বিশ্বাস একবার ভেঙে ফেলেন তখন তার সেই জগৎ টা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।সে তখন ভীষণ একা হয়ে যায়।
এমবিভার্টদের ঠকানো অনেক সহজ।কারণ হাজারবার ঠকলেও এরা আপনার নামে একটা অভিযোগও করবেনা।কিন্তু সেই ঠকে যাওয়াই এদের ভীষণভাবে পালটে দেয়।তখন তারা তাদের চারপাশের জগৎ টাকে আরও ধোঁয়াশা বানিয়ে ফেলে।একদল মানুষ তখন তাদের ভুল বুঝে,ভাবে এরা ভাব নেয়।কিন্তু এরা হাসিমুখে এটার পিছনে থাকা সত্যিটা লুকিয়ে সব মেনে নেয়।
আপনাকে না জানিয়েই এরা আপনাকে সারাজীবন ভালোবেসে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।আপনি হয়তো কোনোদিন জানতেও পারবেননা দূর থেকে কেউ একজন সবসময়ই আপনার ভালো চায়।আর তার জন্যই দিনশেষে এরা ভীষণ একা,ধোঁয়াশার রাজ্যে ডুবে থাকা একদল মানুষ যাদের আমরা বলি এমবিভার্ট।
© সায়মা
17/08/2022
নিজের সম্পর্কে যে কোনো একটা অভিযোগ করে যাও!! 💫
24/07/2022
লেখা: Krishnendu Mondal
কাল যতবার ঐ টাকাগুলো দেখেছি, মনের মধ্যে অদ্ভুত অস্বস্তি হয়েছে। প্রতিটা বান্ডিল যেন প্রতিটি যোগ্যতম ক্যান্ডিডেটের বাদ পড়ে যাওয়ার প্রতিফলন। জয়েনিং এর চিঠিগুলো ওদের বাড়ি পৌঁছায়নি, বাণ্ডিলের কৃপায় চলে গেছে অন্য পথ।
বদলে পেয়েছে জীবন দুর্বিষহ করে দেওয়া একগুচ্ছ মুহুর্ত। দেখেছে তারা কিভাবে নিজের ঘরের লোক, নিজের লোকেরাই পর হয়ে যায় নিমেষে। নিজের শখ আহ্লাদগুলো
ছাই হয়ে গেছে । যা কোনোদিন তারা পেতে চায়নি, চাপে পড়ে পেতে হয়েছে সেটাই। পরিস্থিতি নাড়িয়ে দিয়েছে নিজের স্বপ্নগুলোকে। যে চিঠিটা এলে কারোর মা হয়তো বিনা চিকিৎসায় মারা যেতনা, নিজের স্বপ্নকে ভেঙে দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হতনা, নিজের প্রয়োজনে কারোর কাছে হাত পাততে হতনা, একলা ঘরের কোণায় বসে কাঁদতে হতনা।
এবার যদি ঘুরে তাকাই আবার বাণ্ডিলের দিকে, তখন সেটা উৎসর্গ হওয়া পশুর মুণ্ডর স্তূপ মনে হয়। দেখবেন অস্বস্তি লাগবে। কারণ চিঠিগুলো সঠিক জায়গায় যায়নি, বাণ্ডিলের কৃপায় গেছে অন্য পথ।
04/06/2022
পুরো কলকাতার কিছু ছবি। এগুলো ফিল্ম ক্যামেরায় বা রীল ক্যামেরায় তোলা। আছে আপনাদের কারোর কাছে এখনোও এনালগ ক্যামেরা? আপনাদের মতে কি মনে হয় - তখন শহর ও শহরের মানুষজন ভালো ছিল এখনকার থেকে? 🙂
Images: Internet
16/05/2022
ইতিহাসে পড়েছি রাজা-বাদশাহরা নিজেদের নানা উপাধি-টুপাধী দিতেন। আধুনিক যুগে উপাধি-টুপাধী হয়না, একটু কেমন কেমন ব্যাপার। এই যুগে কোনো গান্ধি নিজেকেই ভারতরত্ন দেন, কোনো চাওয়ালা নিজের নামে ক্রিকেট স্টেডিয়াম বানিয়ে ফেলেন, আবার কোনো গরীবের মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছে হলে নিজেকে শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক পুরস্কার দিয়ে ফেলেন। তেনাদেরও তো একটু প্রাইজ পেতে ইচ্ছে হয় নাকি।। - সংগৃহীত। 🙂
09/02/2022
Expiry Date....
ওষুধের প্রতিটি স্ট্রিপে নির্দিষ্ট এক্সপায়ারি ডেট থাকে।
আমার প্রশ্ন, তারপরে ওষুধের ভেতরে এমনকি রাসায়নিক পরিবর্তন হয়, যার জন্য সেগুলি ব্যবহার করা যায় না।
ওই নির্দিষ্ট এক্সপায়ারি ডেটের আগে এই রাসায়নিক পরিবর্তনগুলো হয় না কেন?
খুব ইন্টারেস্টিং একটি প্রশ্ন।
ধরা যাক একটি ওষুধের expiry date ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২১!
মানে ৩১ ডিসেম্বর অব্দি ওষুধটি ঠিকঠাক কাজ করবে। আর ঠিক পরেরদিনই হয়ে যাবে অকেজো। ভারী আশ্চর্য্য তাই না ? অনেকটা সেই দুই হাজার টাকার চিপসের গল্পের মত। এমন কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন ৩১ ডিসেম্বর রাত বারোটা একে ঘটবে যাতে পয়লা জানুয়ারি রাত একটায় ওষুধটি শুধু অকেজো নয়, প্রাণঘাতী হয়ে উঠবে??
আজ্ঞে না , এসব কিছুই হবে না। আসল ব্যাপারটা একটা সুচতুর মার্কেটিং strategy। একটা আইনি ব্যাপারকে সুচতুর ভাবে নিজেদের কাজে লাগিয়ে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।
Expiry date কথাটার পুরো মানে হলো - Expiry Date of License for Marketing the Particular Product.
মানে ঐ দিন ওই কোম্পানির ওই ব্যাচটির মার্কেটিং লাইসেন্স শেষ হয়ে যাচ্ছে। এর সাথে ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাবার কোনো সম্মন্ধ নেই। কিন্তু অনেক কিছুর মত এখানেও সরকারি অজ্ঞতা কোম্পানিদের সুবিধা করে দেয়। পাবলিক/ মার্কেটকে সম্পূর্ন ঠিকঠাক ওষুধকে বেকার ফেলে দিয়ে নতুন ওষুধের ডিমান্ড তৈরি করতে। সবাই যদি expiry date না মেনে পুরোনো ওষুধ খেতে থাকতো, কত টাকার ব্যবসা নষ্ট হতো ভাবুন তো ?
তাহলে কি ওষুধ নষ্ট হয় না ?
সেটাও তো একটা রাসায়নিক পদার্থ ?
উত্তর : অবশ্যই হয়।
কিন্তু তার সাথে expiry date এর সম্মন্ধ নেই। বাজে কোয়ালিটির ঔষধ expiry date এর আগেও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নিজের চোখকে ভরসা করুন। যদি ওষুধ গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যেতে থাকে বা ফাইল খুললেই গলে যাচ্ছে এমন হয়, স্ট্রিপ বিবর্ণ হয়ে গেছে এমন হয়, আম্পুলে যদি কিছু ভাসছে এমন দেখা যায় পত্রপাঠ পরিত্যাগ করুন। যদি তা expiry date এর ভেতরেও থাকে।
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রেই এটাই RULE of THUMB.
Peace ✌️
23/01/2022
পার্সোনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট টেকনিক !
১. কথা হজম করতে শিখুন! এইটা অনেক বড় গুণ!আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে ।
২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না! এটা সময়ের অপচয়।
৩. আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন! আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশী হয় সে জিতে গেছে ভেবে! আপনি একটু হাসুন।
৪. মনে রাখবেন, কখনও কখনও জিততে হলে হারতে হবে! আর আপনার আজকের এই হারই আপনাকে বড় জয় এনে দিবে।
৫. হারতে শিখুন! সব জায়গায় জিততে নেই! এটা বোকামি।
৬. মনে রাখবেন, কথায় কাজ হবে না! তাই কাজ শুরু করুন নিরবে! আপনার কাজই কথা বলবে।
৭. আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের চিন্তা বাদ দিন! নিজেকে বিশ্বাস করুন! নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে।
৮. আপনি অনেক কিছু পারেন! কি দরকার বলে বেড়ানোর! কাজ করুন! যার প্রয়োজন সে আপনাকে এমনেতেই খুঁজে বের করবে।
৯. মনে রাখবেন, চিতা বাঘ কখনও কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না! কুকুরদের জিততে দিন! আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন।
১০. নিজের প্রয়োজনেই তর্ক এড়িয়ে চলুন! আর নিরবে কাজ করুন! আপনার কাজই আপনার কথা বলবে।
02/11/2021
#ভালো_থেকো_ভয়েজার_১
Voyger-1 নামক স্পেসক্রাফটটি পৃথিবী ত্যাগ করেছে ১৯৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বরে।
তারপর ৪৪ বছর কেটে গেছে। ৮২৫ কিলোগ্রাম ওজনের ভয়েজার-১ আর পৃথিবীর মধ্যকার দুরত্ব এখন প্রায় ১৪ বিলিয়ন মাইল!
'লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপ'এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হয়ে ভয়েজার-১ এখনও পৃথিবীর মানুষের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে!
ভয়েজার-১ বৃহস্পতি গ্রহকে অতিক্রম করেছে ১৯৭৯ সালে। যাত্রাপথে সে আমাদের পাঠিয়েছিল বৃহস্পতির ছবি। আমরা দেখেছি দানবগ্রহ বৃহস্পতির বুকে ১৮৮ বছর ধরে বয়ে চলেছে এক দানবঝড় - বৃহস্পতির দ্য গ্রেট রেড স্পট। এই ঝড়ের আয়তন তিনটে পৃথিবীর সমান!
ভয়েজার-১ শনি গ্রহ অতিক্রম করেছে ১৯৮০ সালে। ভয়েজার আমাদের জানিয়েছে শনিকে প্রদক্ষিণ করছে অনেকগুলো বরফের তৈরী চাঁদ, শনির আছে কয়েক হাজার বলয়।
ভয়েজার তাঁর সর্বশেষ ছবিটি তুলেছিল ১৯৯০ সালের ভালোবাসার দিবসে। অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। সর্বশেষ এই ছবিটি ভয়েজার তুলেছিল কার্ল স্যাগান নামক একজন খেয়ালী বিজ্ঞানীর অনুরোধে।
'কার্ল স্যাগান'-এর নামটি ভয়েজার১-এর সঙ্গে মিশে আছে একটু ভিন্নভাবে। সংক্ষেপে বলা যাক।
ভয়েজার-১ তৈরির কাজ তখন প্রায় শেষ। নাসা দ্রুত ভয়েজারকে অনন্ত মহাশূন্যের উদ্দেশ্যে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
৪০ বছর বয়েসী কার্ল স্যাগান তখন ভাবলেন একটু ভিন্ন ব্যাপার। তিনি ভাবলেন, এই স্পেসক্রাফটটি তো চলতেই থাকবে। এর গতি কমবে না, বরং বাড়বে। এক সময় এটা আমাদের সৌরজগতকে ছেড়ে চলে যাবে। হয়তো ছেড়ে যাবে আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথকেও।
এমনও সময় আসবে যখন ভয়েজার থেকে আমাদের দূরত্ব হবে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ। এই দূরতম বন্ধুর সাথে আমাদের আর কোনো যোগাযোগই তখন থাকবেনা। কে বলতে পারে এই ভয়েজার কোনও দিন কোনও বুদ্ধিমান প্রাণীর দেখা পাবে না!
কী হবে যদি কয়েক কোটি আলোকবর্ষ দূরের কোনো স্বজনের সাথে দেখা হয় ভয়েজারের!
কার্ল স্যাগান দূরতম সেই স্বজনদের জন্য বার্তা এবং উপহার পাঠাতে চাইলেন।
নাসায় কমিটি তৈরী করা হল। স্যাগান হলেন কমিটির প্রধান। এক বছর ধরে চলল ভিনগ্রহের স্বজনদের জন্য বার্তা সংগ্রহের কাজ।
৫৫ টি ভাষায় 'হাই' জানানো হলো দূরতম স্বজনদের।
প্রথম জানালেন, তৎকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব কার্ট ওয়াল্ডহেইম। তিনি বললেন, "I send greetings on behalf of the people of our planet. We step out of our Solar system into the universe seeking only peace and friendship, to teach if we are called upon, to be taught if we are fortunate."
আছে বাংলা ভাষাও। কন্ঠ দিয়েছেন মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। তিনি বলেছেন 'নমস্কার, বিশ্বের শান্তি হোক।'
পাঠানো হল বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের শব্দ, হাসির শব্দ। হেসেছিলেন কার্ল স্যাগান নিজেই।
পাঠানো হল পাখির ডাক, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, হাম্পব্যাক তিমির ডাক বা গান।
ভয়েজার-১এর সঙ্গে পাঠানো হল ৯০ মিনিট দীর্ঘ গান এবং সুর। এর মধ্যে ছিল সাড়ে তিন মিনিটের একটি ভারতীয় সুরও, গেয়েছিলেন কেশরবাঈ কেলকর।
অচেনা স্বজনদের জন্য ছবি পাঠানো হল ১১৬টি। এর মধ্যে আছে আমাদের ডিএনএ-র ছবি, হাড়ের ছবি, পাখির ছবি, সূর্যোদয়ের ছবি, সূর্যাস্তের ছবি, নারীপুরুষের ছবি, মিলনের ছবি, খাওয়ার ছবি, পান করার ছবি, শিশুকে স্তন্যপান করানোর ছবি!
যুদ্ধ আর অস্ত্রের ছবি পাঠানোর কথা থাকলেও সেসব পাঠানো হয়নি।
কার্ল স্যাগান তখন ভয়েজার-১এর জন্য 'গোল্ডেন রেকর্ড' তৈরির কাজে দিনরাত ব্যস্ত এবং ভীষণ উত্তেজিত।
একদিন ভোরবেলা তিনি তার সুন্দরী সহকর্মী অ্যান ড্রুয়ানকে ফোন করলেন। কিছুক্ষণ কথা বলার পর ফোন রেখে দিলেন।
ফোন রাখার পর স্যাগান আবিষ্কার করলেন, তিনি ড্রুয়ানের প্রেমে পড়েছেন! স্যাগান মনের কথা জানালেন ড্রুয়ানকে। ড্রুয়ান জানালেন, তিনিও...।
এরপর কার্ল স্যাগান করলেন আরেক ছেলেমানুষী কাজ। তিনি তাঁর প্রেমিকাকে এক ঘন্টা চুপচাপ শুয়ে থেকে পৃথিবীর কথা, মানব সভ্যতার কথা এবং স্যাগানের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা ভাবতে বললেন।
বেচারী ড্রুয়ান এক ঘন্টা চোখ বন্ধ করে এসব ভাবলেন। এই সময় তাঁর ব্রেইনওয়েভ রেকর্ড করা হল।
এই ব্রেইনওয়েভও জুড়ে দেওয়া হল ভয়েজার-১এর সঙ্গে।
ভয়েজার ওয়ান ৪৪ বছর ধরে ছুটছে.....
যাত্রার ১৩ বছর পর, ১৯৯০ সালে ভয়েজার-১ তখন পৃথিবী থেকে ৬ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে। আমাদের সৌরজগতকে শুভ বিদায় জানাচ্ছে এই স্পেসক্রাফট।
কার্ল স্যাগান তখন তাঁর শেষ পাগলামিটা করলেন। নাসার বিজ্ঞানীদের তিনি অনুরোধ করলেন এত দূরত্ব থেকে ভয়েজার-১ পৃথিবী নামক গ্রহের একটা ছবি তুলে পাঠাক।
অনেক বিজ্ঞানীরই আপত্তি ছিল। তাঁরা বলেছিলেন ভয়েজারের ক্যামেরা পৃথিবীর দিকে ঘোরালে সূর্যের আলোতে সেটার ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু স্যাগানের অনুরোধে শেষবারের মতো পৃথিবীর ছবি তুলেছিল ভয়েজার-১। একটা বিন্দুর চেয়েও ছোট দেখাচ্ছিল আমাদের প্রিয় পৃথিবীকে!
কার্ল স্যাগান মারা গেছেন ১৯৯৬ সালে।
ভয়েজার -১ আমাদের সৌরজগতকে চির বিদায় বলেছে ১৯৯০ সালেই। হেলিওশিথকে বিদায় বলেছে ২০১২ সালে। ভয়েজার-১ এখন আছে ইন্টারস্টেলার স্পেসে। নিঃসীম শীতল অন্ধকারে ঘন্টায় ৬২ হাজার কিলোমিটার বেগে ছুটে চলেছে ভয়েজার-১।
আর কয়েকটা বছর মাত্র। তারপর আমরা সব যোগাযোগ হারিয়ে ফেলব আমাদের দূরতম এই বন্ধুটির সঙ্গে। ...
এবং তারপর কোথায় যাবে ভয়েজার-১, কোথায় থাকবে আমাদের প্রিয় গ্রহের কয়েক কিলোবাইট স্মৃতি আমরা জানতে পারবো না কোনও দিনও!
ভয়েজার-১ মিশনের ৪৪ বছর পূর্ণ হয়েছে। নাসা তাদের ওয়েব সাইটে ১৪ বিলিয়ন মাইল দূরের বন্ধুর স্মরণে পোস্টার প্রকাশ করেছে:
"ভালো থেকো ভয়েজার-১
তোমার জন্য ভালোবাসা" ...।
(সংগৃহীত)
23/10/2021
ঔরঙ্গজেবের বাবার নাম জানতে চাইলে ৯৯% লোক পুরো খানদানের পরিচয় দিয়ে দেবে...
ঔরঙ্গজেবের আগের রাজা ছিল শাহজাহান, শাহজাহানের আগের রাজা ছিল জাহাঙ্গীর, জাহাঙ্গীরের আগের রাজা ছিল আকবর, আকবরের আগের রাজা ছিল হুমায়ুন, হুমায়ুনের আগের রাজা ছিল বাবর।
এদের নামগুলো ঠিকঠাক মনে রাখার জন্য আমাদেরকে ছোটবেলায় শেখানো হয়েছিল "বাবার হল আবার জ্বর সারলো ঔষধে"।
১. আচ্ছা হর্ষবর্ধনের পিতার নাম ও তাঁর
পাঁচ পুরুষ আগের বংশধরদের নাম
আমরা জানি?
২. আচ্ছা পৃথীরাজ চৌহানের পিতার নাম
ও তাঁর পাঁচ পুরুষ আগের বংশধরদের
নাম আমরা জানি?
৩. আচ্ছা সম্রাট অশোকের পিতার নাম ও
তাঁর পাঁচ পুরুষ আগের বংশধরদের
নাম আমরা জানি?
৪. আচ্ছা মহারাণা প্রতাপের পিতার নাম ও
তাঁর পাঁচ পুরুষ আগের বংশধরদের
নাম আমরা জানি?
৫. আলেকজান্ডারের সেনাপতির নাম
৯০%লোক জানে, আচ্ছা মহারাণা উদয়
সিং এর সেনাপতির নাম আমরা জানি?
৬. কোন রাজাকে "আলেকজান্ডার অফ
ইন্ডিয়া" বলা হতো আমরা জানি?
৭. ভারতবর্ষে সব চেয়ে বেশীদিন রাজত্ব করা
সাম্রাজ্যের নাম চোল। একজন চোলরাজার
নাম আমরা কজন জানি?
৮. আমরা দাঙ্গা বলতে গুজরাটের নামই জানি।
অথচ কাশ্মীর genocide এর ব্যাপারে কজন
ও কতটুকু জানি ?
#ব্যাপারটা এরকম কেন হল? আমার আপনার মনে এরকম প্রশ্ন কেন এল না? কেন ইতিহাসের পাতায় এই প্রশ্নের কোনও উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না।
বেশীরভাগ মানুষ বলতে পারবে না, কারণ ভারতের প্রকৃত ইতিহাস #ইচ্ছাকৃতভাবে জানতে দেওয়া হয়নি। পাঠান - মুঘলদের ইতিহাসই অগ্রাধিকার পেয়েছে পাঠ্যপুস্তক গুলিতে। এর পুরো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিল সেকুলারপন্থী ও প্রগতিশীলেরা।
কংগ্রেস বরাবর সেকুলারপন্থী দল। যে কারনে নেতাজির মত মানুষকে আলাদা করে আজাদ হিন্দ বাহিনী গঠন করতে হয়েছিল।
1947--1977 কংগ্রেস সরকারের অধীনে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীঃ
1)মৌলনা আজাদ।
2)হুমায়ুন কবির।
3)মো: করিম।
4)ফকরুদ্দিন আলী।
5)নুরুল হাসান..
এবার বুঝেছেন কেন আকবর, বাবর, খলজী, ঔরঙ্গজেব, তৈমুরলঙ, টিপু সুলতান,শাহজান রুপী ভারত আক্রমণকারী ও লক্ষ লক্ষ ভারতীয়দের হত্যাকারীরা আজ ভারতবর্ষের ইতিহাসের বইয়ের পাতায় মহান ?
কেন ভারতীয়দের ভুলতে বাধ্য করা হল --
1) 600 বছরের মৌর্য সাম্রাজ্য।
2) 650 বছরের অহম সাম্রাজ্য।
3) 650 বছরের চালুক্য সাম্রাজ্য।
4) 500 বছরের সাতবাহন সাম্রাজ্য।
5) 1000 বছরের চোল সাম্রাজ্য।
6) 800 বছরের পাড্রু সাম্রাজ্য।
7) 400 বছরের চন্ডিল্য সাম্রাজ্য।
8 ) 600 বছরের গুপ্ত সাম্রাজ্য।
9) 600 বছরের পল্লব সাম্রাজ্য।
আজ তাই ভারতের নিজস্ব গৌরবময় ইতিহাস জানার ও জানানোর দিন এসেছে ! আমাদের পাঠ্যক্রমের মধ্যে ভারতের ইতিহাস এর দিকগুলি বিস্তারিত ভাবে লেখার ও ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সময় এসেছে অদ্বিতীয় গ্রন্থ বিশ্বের সমস্ত মনীষীদের আকাঙ্খিত গ্রন্থ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা'র যথার্থ ভাষ্য "যথার্থ গীতা"কে রাষ্ট্রীয় গ্রন্থ ঘোষণা করার ! আর এই দাবি ভারতীয়দের অস্তিত্ব রক্ষার দাবি!!
?
06/10/2021
নিচের লেখাটা আমার নয়, পাওয়া, আজ আজ সকালের ভাবনার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, তাই কপি-পেস্ট করছি! আপনারা কি এটার সঙ্গে সহমত?
হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীদের কাছে মহালয়া হল মানুষের প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করার দিন।
তাকে wish করে শুভেচ্ছা জানানোর কোনও কারণ থাকতে পারে না।
কিন্তু মোবাইলধারী জনগণ sms-এর মাধ্যমে এবং Facebook account ওয়ালারা wallএ wallএ মহালয়ার শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে এটা করে থাকেন।
এই ভুল ধারণার প্রধান কারণ হল, মহালয়ার ভোরে আকাশবাণীর মহিষাসুরমর্দিনী গীতিআলেখ্য প্রচার।
১৩৩৯ বঙ্গাব্দের (১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ) আশ্বিন মাস। দুর্গাপুজোর মহাষষ্ঠীর ভোরে তৎকালীন ‘ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং সার্ভিস’ নামে খ্যাত কলকাতা বেতার কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার হল এক অভিনব আগমনী গীতি-আলেখ্য ‘মহিষাসুরমর্দিনী। রচনা: বাণীকুমার, সুর সংযোজনা: পণ্ডিত হরিশচন্দ্র, রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। স্ত্রোত্র পাঠ: বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র।
বেতার সম্প্রচারের ছিয়াশি বছরের ইতিহাসে এই রকম অনুষ্ঠান আর দ্বিতীয় নির্মিত হয়নি, যার জনপ্রিয়তা এর ধারেকাছে আসতে পারে। ১৯৭৬-এ একবার, মাত্র একবারই মহালয়ার ভোরে বেজে উঠেছিল এক নতুন গীতি-আলেখ্য, কিন্তু সে পরিবর্তন বাঙালি মেনে নেয়নি। প্রত্যাখ্যানের সুর এতটাই চড়া ছিল যে বাদ পড়েননি বাঙালির ‘ম্যাটিনি আইডল’ উত্তমকুমারও, যিনি ছিলেন ওই অনুষ্ঠানের গ্রন্থক। সেই ‘জরুরী অবস্থা’-র জমানাতেও জনগণের প্রবল প্রতিবাদে মহাষ্ঠীর সকালে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ সম্প্রচার করতে বাধ্য হয়েছিল সরকারি প্রচার মাধ্যম ‘আকাশবাণী’।
প্রথম বছর অর্থাৎ, ১৯৩২-এ দুর্গাষষ্ঠীর ভোরে সম্প্রচারিত হলেও পরের বছর থেকে তা মহালয়ার ভোরে সরিয়ে আনা হয় একটাই কারণে যে, মানুষজন ওই অনুষ্ঠান শোনার জন্য ভোরে ঘুম থেকে উঠবেন এবং তার পর তর্পণ করতে বেরোবেন।
মহালয়া পিতৃপুরুষকে জলদান করার তিথি, এর সঙ্গে দুর্গাপুজোর কোনও যোগ নেই, যোগ নেই মহিষাসুরমর্দিনী’ গীতিআলেখ্যটিরও।
নেহাতই morning alarm হিসেবে এটি সম্প্রচার করা হয়ে থাকে। অতএব, মহালয়া উপলক্ষে একে অপরকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানোর কোনও প্রয়োজন নেই।