I, Kolkata

I, Kolkata

Share

I, Kolkata is all about it's foods,cultures,heritages,peoples,musics...so share your views and let the world know what our city is all about...

27/12/2021

বাংলার রূপ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথীবির রূপ দেখিতে চাইনা আর।

11/10/2021
20/07/2021

মোহনবাগান ভিলা

সেকালে উত্তর কলকাতার ফড়িয়াপুকুরে প্রকান্ড এক বাগানবাড়ি ছিল যার বিস্তৃতি উত্তর-পূর্বে ফড়িয়াপুকুর (পেট্রোল পাম্প) আপার সার্কুলার রোড, দক্ষিণ-পূর্বে মোহনবাগান লেন-আপার সার্কুলার রোড, দক্ষিণ-পশ্চিমে মোহনবাগান লেন-কীর্তি মিত্র লেনের মোড়, আর উত্তর-পশ্চিমে কীর্তি মিত্র লেন ধরে ফড়িয়াপুকুর স্ট্রীট পার হয়ে বরাবর মাটির গলি পর্যন্ত। এই বিশাল চৌহদ্দি থেকেই এই বাগানের বিশালতা সহজেই অনুমান করা যায়। বাগানবাড়ির ভেতরে ছিল কয়েকটা পুকুর, খেলার মাঠ আর দুধ সাদা মার্বেলে মোড়া চার মহলা এক প্রাসাদ। এই বাগানবাড়ির মালিক ছিলেন কীর্তি মিত্র নামের উত্তর কোলকাতার এক ধনাঢ্য ব্যাক্তি। পাটের ব্যবসায় প্রচুর অর্থ উপার্জন করে উত্তর কলকাতার বড়লোক বলে পরিচিতি পেয়েছিলেন। কীর্তি মিত্র তাঁর এই বাগানবাড়ির নাম রেখেছিলেন মোহনবাগান ভিলা। আর এই মোহনবাগান ভিলার নাম থেকেই মোহনবাগান স্পোর্টিং ক্লাবের নাম হয়েছিল কারণ এই ভিলার মাঠেই ক্লাবের খেলা হতো। ভিলার প্রাসাদের উঠোনগুলো মার্বেলের হওয়ার দরুন ক্লাবের ছেলেরা ইচ্ছে মত স্কেটিং করতে পারতো। কিন্তু প্রতিটি মহলের বিশাল উঠোন গুলো ছিল যেন গোলক ধাঁধাঁর মতো তাই বের হবার পথ গুলিয়ে যাওয়ার ভয়ে মহলের ভেতরে যেতে ছেলেরা ভয় পেতো।
পরিতাপের বিষয় কীর্তি মিত্র তাঁর এই অনবদ্য বাড়িটি ব্যাবহার করতে পারেননি কারণ বাড়িটির গৃহপ্রবেশের অল্প দিনের মধ্যেই তিনি মারা যান।
কীর্তি মিত্রের মৃত্যুর পর তাঁর একমাত্র পুত্র প্রিয়নাথ মিত্র যিনি পি মিত্র নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন, এই সম্পত্তির মালিক হয়ে ১৮৮৯ সালে বিখ্যাত ব্যারিস্টার হরিদাস বসু (H D Bose) কে সঙ্গে নিয়ে মোহনবাগান স্পোর্টিং ক্লাব গঠন করেন ও ভিলার মাঠেই ক্লাবের খেলোয়াড়দের নিয়মিত খেলা অনুশীলনের ব্যাবস্থা করেন। এই মাঠটি ছিল আজকের ফড়িয়াপুকুর স্ট্রীট ও সার্কুলার রোডের মোড়ে। তিনি প্রখ্যাত পোষাক প্রস্তুতকারক সংস্থা রাংকিন থেকে খেলোয়াড়দের পোষাক আনিয়ে দিতেন। এই পি মিত্র মশাই বাগবাজারের রাজা রাজবল্লব স্ট্রীটে একটি বহু মূল্যবান তিনতলা বাড়ি তৈরি করে তার নাম দিয়েছিলেন Ashcroft Hall । প্যারিচরন সরকারের ছোট ছেলে শৈলেন্দ্র সরকারের হাই স্কুল প্রথমে এই বাড়িতেই শুরু হয়। পরবর্তী কালে শ্যামপুকুর স্ট্রীটের ঠিকানায় উঠে যায়। বরাহনগরের গোপাললাল ঠাকুর রোডেও এই পি মিত্রের খুব উঁচু পাঁচিল ঘেরা বহু মূল্যবান গাছ, বিশাল পুকুর সমেত প্রকান্ড এক বাগানবাড়ি ছিল, যার আজ আর কোন চিহ্ন নেই। সে বাগানবাড়ি ভেঙ্গে ফেলে সে জমিতে বসবাসের প্রচুর বাড়িঘর তৈরি হয়ে গিয়েছে। কীর্তি মিত্রের পুত্র পি মিত্র মশাই সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী এক বলশালী মানুষ ছিলেন। শেষ জীবনে কিন্ত এই মানুষটি সব খুইয়ে নিঃস্ব অবস্থায় নয়নচাঁদ দত্ত স্ট্রীটের একটি বাড়িতে নিভৃত জীবন কাটিয়েছিলেন।

১৮৯০ সালে প্রিয়নাথ মিত্র মশাই এই মোহনবাগান ভিলা বিক্রি করতে চাইলে শ্রী ভূপেন বসু, নিমাই বসু ও অপর এক বন্ধু মিলিতভাবে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকায় মোহনবাগান ভিলা কিনে নেন। সে বছরই কলকাতায় কংগ্রেসের অধিবেশন হয় টিভোলি পার্কে । বাংলার বাইরের প্রতিনিধিদের থাকার ব্যবস্থা মোহনবাগান ভিলায় করা হয়েছিল। পরের বছর ১৮৯১ সালে মোহনবাগান ভিলা ভেঙে ফেলা হয়।
আজ ঐ অঞ্চলের ঘরবাড়ি, দোকান-পাট সদা ব্যস্ত রাস্তাঘাট দেখে সেদিনের প্রকান্ড বাগানবাড়ি মোহনবাগান ভিলার কথা গল্প বলে মনে হওয়াই স্বাভাবিক।
মোহনবাগান ভিলা ভেঙে যাওয়ার পর শ্যামপুকুর স্ট্রীটের একটি মাঠে ক্লাবের খেলা চলতো। অনেকে শ্যাম স্কোয়ারের মাঠে খেলার কথা বললেও তা তথ্য নির্ভর নয় কারণ শ্যাম স্কোয়ার তৈরিই হয়েছে ১৯০২-১৯০৩ সালে আনন্দ কৃষ্ণ বসুর ভাই যোগেন্দ্র কৃষ্ণ বসুর প্রচেষ্টায়।

(সংগৃহীত)

18/07/2021

শ্বেত শুভ্র অস্বচ্ছ তরল অতীব সরু লৌহ নালিকা হইতে আমার বাম হস্তের বাহুতে প্রেরিত হইলো। বাহু সামান্য ভারি বলিয়া অনুভুব করিলাম।
মনে মনে ভাবিলাম এইবার বাকি মিত্রদের ন্যায় আমিও নিজের ছবি উঠাইয়া সামাজিক মাধ্যমে ছাড়িয়া দিব। কিন্তু আমি একাকী হাসপাতালে গিয়াছিলাম এবং ছবি তুলিবার উপযুক্ত স্থান ও পাত্র তাহাতে কোথাও খুঁজিয়া পাইলামনা।
দেখিতে পাইলাম এই প্রাচীন প্রযুক্তিকে। Grandfather clock । সেই মুহূর্তে ছবি তুলিবার ইহার চেয়ে ভালো কোনো বস্তু পাইলামনা।
জানিনা কত বৎসর পূর্বে প্রযুক্তিগত ভাবে ইহা থামিয়া গিয়াছে, তথাপি ইহা থামে নাই। দিনে নিয়ম করিয়া দুইবার ইহা সঠিক সময় দেখাইয়া থাকে।
সত্যি কথাই, সময় কখনো থামিয়া থাকেনা।

-ঈশান শ্রীমানী। ১৮.০৭.২০২১।

18/07/2021

পার্কের মৃদুমন্দ হাওয়া খেতে খেতে প্রেমিকার সাথে গল্প করছিলাম। হেমন্তের সুন্দর বিকেল, সপ্তাহান্তের ছুটির দিন, মনটা বড়ই মনোরম হয়েছিল।

আমাদের সম্পর্কের অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আলোচনায় নিমজ্জিত দুজন প্রথমে খেয়াল করিনি বাচ্চা ছেলেটাকে। কাছেই দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে কি যেন একটা বলছিল। এমন আবেগঘন মুহূর্তে কেই বা অবান্তর 'ব্যাগড়া' পছন্দ করবে?

আবেগে ছেদ পড়লো, যখন বাচ্চাটা আমাদের আরো কাছে এগিয়ে এলো। এবারে ওর দিকে তাকাতেই হলো। বয়স বোধহয় আট কিংবা নয়, পরনে শুধু একটা ময়লা হাফ প্যান্ট, বোধহয় হাঁটুর কাছটা ছেঁড়াও ছিল। রোগা হাড় জিরজিরে চেহারা, ময়লা শরীর, নিয়মিত না খেতে পাওয়ার স্পষ্ট প্রমান সারা দেহে। শুধু চোখদুটো বাদে। সেটা আমাদের থেকেও বোধহয় উজ্জ্বল ছিল।শিশুকালের উজ্জ্বল চোঁখের কারণটা আমি বড় হয়ে ভুলে গেছি, তাই একটা নোংরা রাস্তার শিশুর চোঁখের ভাষাটা বুঝতে পারিনি।

আপনারা পারছেন কি??

স্বাভাবিক ভাবেই বাচ্চাটা আমাদের মনোযোগের সাথে বিরক্তি বিনামূল্যে পেলো। কিন্তু পরক্ষনেই বুঝলাম, ও একটা গোলাপ আমাদের বিক্রি করতে চায়। ওর হাতে সম্ভবত পাঁচ-ছটা গোলাপ ফুল ছিল। ফুল গুলো সকালের দিকে বেশি টাটকা ছিল তা বোঝা যায়। প্রতিটা গোলাপের ডাঁটি রুপোলি রাংতাই মোরা।

আমার সেই মুহূর্তের 'সহধর্মিনী' আমার হাত ছেড়ে বাচ্চাটাকে জিজ্ঞেস করলো -"কত করে"?

বাচ্চাটা বললো -"দশ টাকা করে"।

প্রেমিকা বাচ্চাদের ভালোবাসে। সে একটা কড়কড়ে নতুন একশো টাকার নোট বার করলো ওর ব্যাগ থেকে। আমি হা করে ঘটে যাওয়া ঘটনা দেখতে থাকলাম। বাচ্চাটাকে হাত ধরে নিজের কাছে টেনে নিয়ে বললো-"এটা রাখ"।

বাচ্চাটা বললো -"আমার কাছে খুচরো নেই"।

প্রেমিকা বললো -"তোকে বাকিটা ফেরত দিতে হবে না, আর ফুল গুলোও রাখ। তোকে টাকাটা এমনিই দিচ্ছি"।

নতুন সন্ধের নবাগত অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে প্রেমিকার হাতটা হালকা করে টিপে কানের কাছে ফিসফিস করে বললাম -"বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। ওতো টাকা দেওয়ার দরকার কি"?

প্রেমিকা আমায় পাল্টা ফিসফিসানিতে বললো -"ছাড়োনা, গরিব ছেলে। ওর ভালো লাগবে"।

আমি বললাম -"তুমি জানোনা, এগুলো ওদের চাল। বেছে বেছে আমাদের মতো অল্প বয়সীদের কাছে এসে হাত পাতে (এ কিন্তু হাত পাতেনি), যাতে আমরা সিমপ্যাথি দেখিয়ে কিছু টাকা ওদের দিয়ে দি"।

আমাদের এইসব কথোপকথন বাচ্চাটার সামনেই হচ্ছিল। ও শুনতেও পাচ্ছিল আমাদের কথা। কিন্তু ওর অস্তিত্বের সামনে ওরই অপমান করতে আমার একটুও বাঁধেছিলোনা। কারণ ওতো আমার কাছে তখনও ফেলনা। ও কিন্তু শুধু একবার আমার দিকে তাকাচ্ছিল আর একবার আমার প্রণয়ীর দিকে।

আমার প্রেমিকা আর সময় নষ্ট না করে বাচ্চাটার ডান হাতটা টেনে নিয়ে একশো টাকার নোটটা গুঁজে দিলো।

বাচ্চাটা হতভম্বের মতো খানিক্ষণ আমাদের কাছে দাঁড়িয়েছিল। স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম ওর বুদ্ধি দ্বিধা বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু বিভক্ত হয়ে যাওয়া চিন্তা গুলো কি কি, সেই মুহূর্তে মাথায় আসেনি। আপনারা বুঝতে পারলে আমায় অবশ্যই বলবেন। আমি যদিও পরে গালে হাত রেখে ভেবেছি। গালে হাত রেখে কেন ভেবেছি সেটা একদম গল্পের শেষে বলবো।

পাশে আমার প্রেমিকা আবার বললো -"টাকাটা তোকে দিলাম, ফুল গুলো আমাদের লাগবেনা"।

কয়েক সেকেন্ডের ভাবনা। তারপর হঠাৎ বাচ্চাটা আমাদের অবাক করে দিয়ে হাতের সবকটা গোলাপ ফুল আমাদের মাঝে রেখে দিয়ে একশো টাকার নোটটা নিয়ে এক ছুটে আমাদের চোঁখের সামনে থেকে উধাও হয়ে গেলো।

প্রায় মিনিট খানেক আমরা চুপ। শিশুটির ব্যাবহার আমার প্রেমিকাকে মুগ্ধ করেছিল। আর আমার গালে মেরেছিলো একটা অদৃশ্য থাপ্পড়।

ভিখারি কে?

পুনশ্চঃ, আমি গালে হাত দিয়ে কেন এই ঘটনাটা বার বার ভাবি, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

-ঈশান শ্রীমানী। ১৮.০৭.২০২১।

30/05/2020

ইতিহাসের সারি

31/12/2017

Shohorer onno ekti dik...

23/03/2017

i, kolkata is starting a series, call HOW KOLIKATA BECAME THE KOLKATA...
today is the INTRODUCTION

E1

Can a newly born baby treated as a Would be Queen who have no parental reference whatsoever? Or whatever identity it has just because of its negative aspects? Well one day one person (when he was actually running away to save his own and his friends life) witnessed the beauty of that baby and after few years of political and diplomatic tug-of-war that baby got his foster parent and an official name CALCUTTA.

The quality of chintz and muslin of bengal bought the Europeans to the eastern part of India. Starting from the Portuguese then Dutches and French and after few years British. Unlike the other raiders Mughals were thinking of having an empire all over the India. And they had their dynasty for long 235 years (1526-1761). As we can witness from the world history that “Change is the only constant”, it was quite evident that there will be an end of the mughals and a new era will begin.

Vasco Da Gama the Portuguese explorer is the first person from Europe or can say from the west part of the world who reached the land of India. He started business from India supplying the Indian raw materials to the entire Europe but at a great high cost. Which became a headache for the British Raj. So they start thinking of having their own business.

In the year 1599 Sir John Mildenhall set off for India to have their own business relation (that was the basic plan at that time) with the Indian empire The Mughals. As they are going to the eastern part of the country the organization they incorporate for the business named it The East India Company. After having a long cumbersome journey they landed at the banks of Lahore (presently in Pakistan) in 1603.

That was the beginning of a new dynasty. A start of a new era which will bring a giant wave to the world history, which will going to give birth to such a nation which will evolve like a volcano and will start playing a significant role in the future world history. But who knew those at that time other than the Destiny?

17/03/2017

hello friends... hope you guys are all doing well and enjoying your time with your beloved city. well how good you know your home town?? lets ask you guys a question....
well we all celebrate our birthdays right??
but do you know when is our kolkata's birthday?
Well it's 24th august 1690...
what you wanna know more about it?
is starting a series on kolkata where you will get to know more of this sort of information..
so stay connected and see you soon.

04/03/2017

Hey kolkatans... after a long time once again. How you guys are doing..??
We sometimes came to know few inhuman incident in our daily life. Like some elderly person is dyeing on the street in clear vivid day light and no one is showing a single courage to save that soul. And guess what... I have witnessed quite a same thing.

Well yesterday I came to know another side of my city. I was travelling yesterday on metro, I was going to master da surya sen station. I took the stairs to get down from the platform but not the escalator. Suddenly I slipped and fell on the stairs. I skipped 4/5 steps and got cramp in thigh muscle.
But that is not the issue. The issue is no one came for help. I was sitting on the stairs constricting my leg. And hell no one came. Well I was not waiting for any help though...

But I believe if I would have been a female... I was quite sure that I'd have got at least 20 hands of help.
But as the matter of fact.... I love Kolkata... and I always will be..

Photos 01/03/2017

Transformation...

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Kolkata
700026