14/04/2020
কনক কুমার বন্দোপাধ্যায় ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীযুক্ত বাবু কনক কুমার বন্দোপাধ্যায় এর আবক্ষ চিত্র ছবি তুলে দিচ্ছেন এই পরিবারের ই প্রতিষ্টিত বিদ্যালয় বিদ্যামন্দির সাউথ গড়িয়া যদুনাথ বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক মহাশয় ও বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতির হাতে ছবিটি তুলে দিচ্ছেন শ্রীযুক্ত কনক কুমার বন্দোপাধ্যায় এর নাতি শ্রী পরমজিৎ বন্দোপাধ্যায় যিনি এই ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সম্পাদক ট্রাস্টি এই পারিবারিক বিদ্যামন্দির যার প্রতিটি ধূলিকণায় ও উন্নয়নে শ্রীযুক্ত বাবু কনক কুমার বন্দোপাধ্যায়ের নির্যাস পরিশ্রম ও অবদান মিশে আছে এই বিদ্যালয় তার পিতামহ স্বর্গীয় জমিদার যদুনাথ বন্দোপাধ্যায় প্রতিষ্টিত তিনি এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য এবং তিনি এই বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সম্পাদক ও সভাপতি বর্তমান তিনি এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বিদ্যালয় সমিতির সভাপতি ছিলেন এই সাউথ গরিয়া যদুনাথ বিদ্যামন্দির যা কনক বাবুর অবদান চিরকাল এই বিদ্যামন্দিরের উল্লেখ্য স্মৃতি ও কর্মকান্ড হিসেবে উল্লেখিত আছে ছবিতে কনক বাবুর প্রতিকৃতি তুলে দিচ্ছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালন সমিতি সম্পাদক শ্রী সন্দীপন দাস মহাশয় ওর সঙ্গে রয়েছেন আমাদের এই অঞ্চলের মাননীয় বিধায়ক শ্রী নির্মল চন্দ্র মন্ডল মহাশয় ও জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শ্রী প্রকাশ মণ্ডল মহাশয় ছবিটি তুলে দিচ্ছেন কনক বাবুর নাতি ওই ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সম্পাদক অছি পরিষদ ট্রাস্টি শ্রী পরমজীত বন্দোপাধ্যায় মহাশয়।
27/03/2020
FROM THIS YEAR AFTER THE DEATH OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY AS PER WISH AND DIRECTION BY THE TRUST DEED AND ARPANMANA OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY TO HIS APPOINTED RECEIVER TRUSTEE AND ATTORNEY AT LAW RECEIVER OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY FOUNDATATION TRUST THE HIGEST MARKS OBTAINER IN THE SUBJECT ENGLISH AT MADHYAMIK EXMANATION OF SOUTH GARIA JADU NATH VIDYAMANDIR THE PRIZE WILL BE NAMED IN THE MEMORIES OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY KANAK KUMAR SMRITI PURASKAR IS CONTRIBUTED BY KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY FOUNDATATION TRUST ALL THROUGH FOR EVERY YEAR FOR THE CEREMONIAL PRIZE DISTRIBUTATION FUNCATATION OCCASION OF SOUTH GARIA JADU NATH VIDYAMANDIR.IN THIS SOUTH GARIA JADU NATH VIDYAMANDIR KANAK BABU HAS CONTRIBUITED FROM BEGENING TO HIS WHOLE OF THE LIFE. AT THIS FAMAILY INSTITUTION KANAK BABU IS THE FOUNDER MEMBER AS WELL AS KANAK BABU IS THE PRESIDENT AND SECETARY OF THE MANAGING COMMIETY OF THIS INSTITUTION .AND ALSO KANAK BABU IS THE PRISEDENT IN THE CENTENARY JUBILE CERIMONIAL COMMIET. IN THIS SOUTH GARIA JADU NATH VIDYAMANDIR KANAK BABU’S CONTRIBUTION AND ATTACHMENT AND DIFFERENT WORKS FOR DEVOLOPMENT IS UNFORGIVABLE AND MEMORABLE FOR ALL THE TIME.
03/03/2019
প্রয়াত নাট্যাভিনেতা ও চিত্রাভিনেতা দুগা'দাস বন্দ্যোপাধ্যায় -এর বসত বাড়ি। সাউথ গরিয়া, বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, প:ব:।
03/03/2019
সেটি অনেক কালের গপ্প।সাউথ গড়িয়া অঞ্চল ছিল বাদা বন অধ্যুসিত। রামরাম বন্দ্যোপাধ্যায় এসে বাস শুরু করেন এই গ্রামে।আর ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন প্রাচীন জনপদ। বানিজ্য বাড়ে। বাড়ে জমিদারির পরিধী। রামরম বাবুর পঞ্চম উত্তর পুরুষ রাম রতন বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকার উন্নতি কল্পে গড়ে তোলেন রাস্তা।ধীরে ধীরে বর্ধিত হয় গ্রাম।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উৎসব তো ছিলই।তার সঙ্গে গ্রামে এলো দোল ,দুর্গাপুজো।বৈভব ক্ষমতার প্রদর্শন।আর সেই সঙ্গে মানুষের মনে আনন্দের হিল্লোল তোলাই ছিল এর উৎস।এই গ্রামের দো ল প্রায় ২৫০বছরের পুরনো সম্ভবত বাবু রাধানাথ এবং লালমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় এই দল উৎসবের সূচনা করেন।সপ্তাহ ব্যাপী চলা এই দো ল উৎসব খুবই প্রাচীন।পরবর্তী কালে বাবু যদুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মেলার আয়োজনকে আরো সমৃদ্ধ করেন।তিনি নিজে ছিলেন গীতিকার কবি। শহর কলকাতায় তার পালাও অভিনীত হোয়েছে।এই পরিবারের কৃতি সন্তান অভিনেতা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।শোনা যায় দোল উৎসবে অংশ নেবার জন্য ছোট্ট দুর্গাদাস রাতে মায়ের শাড়ি ঝুলিয়ে নিচে নেমে আসতেন।বাজত যাত্রার conserat।আর ছিল পুতুল নাচ।তরজা।এখনও সেই ধারা অব্যাহত।স্কুলের উল্টোদিকের মহবতে বেজে উঠত সানাই।আর ছেলে বুড়ো সবাই মেতে উঠতো আনন্দে।যদুনাথ নিজেও ছিলেন শিল্পের পৃষ্ঠপোষক।আর তার সাথেই ছিলেন গ্রামের উৎসাহী মানুষ। এখন এই মেলাটি পরিচলানা করেন স্থানীয় অ্যাথলেটিকস ক্লাবের ছেলেরা।সমান উৎসাহ উদ্দীপনায় এখনও গ্রামের পথে সন্ধ্যা নামলেই মানুষের ঢল নামে। কাক ভোরে শুরু হয় দেব দোল।কেবল ওইদিনই মেয়েরা নারায়ণ শিলা স্পর্শ করতে পারে।টিনের শড এ আজও বসে তরজা।স্থানীয় সব সম্প্রদায়ের মানুষ এতে অংশ নেন। দোল এর শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনও তৎপর থাকে।এগিয়ে যাক এই দোল। লেখাটি তৈরি করতে সাহায্য পেয়েছি আমার বন্ধু প্রদীপ মুখোপাধ্যায়ের কাছে। বড় সুন্দর এই মানুষটি ২০০৫সালে একটি বড় ভালো লেখা তৈরী।করেছিলেন।বইটির প্রচ্ছদ নিচে দেওয়া হলো।এখন পুরনো বাড়িটি অতীতের স্মৃতি মাত্র।তব সময় বদলেও প্রবল এটি এখনো সজীব।আসুন মেলা উপভোগ করি।
সেটি অনেক কালের গপ্প।সাউথ গড়িয়া অঞ্চল ছিল বাদা বন অধ্যুসিত। রামরাম বন্দ্যোপাধ্যায় এসে বাস শুরু করেন এই গ্রামে।আর ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন প্রাচীন জনপদ। বানিজ্য বাড়ে। বাড়ে জমিদারির পরিধী। রামরম বাবুর পঞ্চম উত্তর পুরুষ রাম রতন বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকার উন্নতি কল্পে গড়ে তোলেন রাস্তা।ধীরে ধীরে বর্ধিত হয় গ্রাম।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উৎসব তো ছিলই।তার সঙ্গে গ্রামে এলো দোল ,দুর্গাপুজো।বৈভব ক্ষমতার প্রদর্শন।আর সেই সঙ্গে মানুষের মনে আনন্দের হিল্লোল তোলাই ছিল এর উৎস।এই গ্রামের দো ল প্রায় ২৫০বছরের পুরনো
সম্ভবত বাবু রাধানাথ এবং লালমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় এই দল উৎসবের সূচনা করেন।সপ্তাহ ব্যাপী চলা এই দো ল উৎসব খুবই প্রাচীন।পরবর্তী কালে বাবু যদুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মেলার আয়োজনকে আরো সমৃদ্ধ করেন।তিনি নিজে ছিলেন গীতিকার কবি। শহর কলকাতায় তার পালাও অভিনীত হোয়েছে।এই পরিবারের কৃতি সন্তান অভিনেতা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।শোনা যায় দোল উৎসবে অংশ নেবার জন্য ছোট্ট দুর্গাদাস রাতে মায়ের শাড়ি ঝুলিয়ে নিচে নেমে আসতেন।বাজত যাত্রার conserat।আর ছিল পুতুল নাচ।তরজা।এখনও সেই ধারা অব্যাহত।স্কুলের উল্টোদিকের মহবতে বেজে উঠত সানাই।আর ছেলে বুড়ো সবাই মেতে উঠতো আনন্দে।যদুনাথ নিজেও ছিলেন শিল্পের পৃষ্ঠপোষক।আর তার সাথেই ছিলেন গ্রামের উৎসাহী মানুষ।
এখন এই মেলাটি পরিচলানা করেন স্থানীয় অ্যাথলেটিকস ক্লাবের ছেলেরা।সমান উৎসাহ উদ্দীপনায় এখনও গ্রামের পথে সন্ধ্যা নামলেই মানুষের ঢল নামে।
কাক ভোরে শুরু হয় দেব দোল।কেবল ওইদিনই মেয়েরা নারায়ণ শিলা স্পর্শ করতে পারে।টিনের শড এ আজও বসে তরজা।স্থানীয় সব সম্প্রদায়ের মানুষ এতে অংশ নেন। দোল এর শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনও তৎপর থাকে।এগিয়ে যাক এই দোল।
লেখাটি তৈরি করতে সাহায্য পেয়েছি আমার বন্ধু প্রদীপ মুখোপাধ্যায়ের কাছে। বড় সুন্দর এই মানুষটি ২০০৫সালে একটি বড় ভালো লেখা তৈরী।করেছিলেন।বইটির প্রচ্ছদ নিচে দেওয়া হলো।এখন পুরনো বাড়িটি অতীতের স্মৃতি মাত্র।তব সময় বদলেও প্রবল এটি এখনো সজীব।আসুন মেলা উপভোগ করি।
03/03/2019
১৭৩২ খ্রিস্টাব্দে বারাসাত থেকে এসে গৌরীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় , বারুইপুর , দক্ষিণ গড়িয়ায় এই বাড়ি তৈরী করেন , বংশবৃদ্ধির সাথে সাথে সংলগ্ন স্থানে আরো অনেক বাড়ি তৈরী হয় . সেই ঐতিহ্য আজ ও বিদ্যমান . দক্ষিণ গড়িয়ায় বসবাস কালীন এই উৎসব গুলোর প্রাণ প্রতিষ্ঠা
বর্তমানে ২৮৪ বছরে পা দিলো এই বন্দ্যোপাধ্যায় বংশের দোল উৎসব .
দোলবাড়ী
সেটি অনেক কালের গপ্প।সাউথ গড়িয়া অঞ্চল ছিল বাদা বন অধ্যুসিত। রামরাম বন্দ্যোপাধ্যায় এসে বাস শুরু করেন এই গ্রামে।আর ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন প্রাচীন জনপদ। বানিজ্য বাড়ে। বাড়ে জমিদারির পরিধী। রামরম বাবুর পঞ্চম উত্তর পুরুষ রাম রতন বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকার উন্নতি কল্পে গড়ে তোলেন রাস্তা।ধীরে ধীরে বর্ধিত হয় গ্রাম।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উৎসব তো ছিলই।তার সঙ্গে গ্রামে এলো দোল ,দুর্গাপুজো।বৈভব ক্ষমতার প্রদর্শন।আর সেই সঙ্গে মানুষের মনে আনন্দের হিল্লোল তোলাই ছিল এর উৎস।এই গ্রামের দো ল প্রায় ২৫০বছরের পুরনো
সম্ভবত বাবু রাধানাথ এবং লালমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় এই দল উৎসবের সূচনা করেন।সপ্তাহ ব্যাপী চলা এই দো ল উৎসব খুবই প্রাচীন।পরবর্তী কালে বাবু যদুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মেলার আয়োজনকে আরো সমৃদ্ধ করেন।তিনি নিজে ছিলেন গীতিকার কবি। শহর কলকাতায় তার পালাও অভিনীত হোয়েছে।এই পরিবারের কৃতি সন্তান অভিনেতা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।শোনা যায় দোল উৎসবে অংশ নেবার জন্য ছোট্ট দুর্গাদাস রাতে মায়ের শাড়ি ঝুলিয়ে নিচে নেমে আসতেন।বাজত যাত্রার conserat।আর ছিল পুতুল নাচ।তরজা।এখনও সেই ধারা অব্যাহত।স্কুলের উল্টোদিকের মহবতে বেজে উঠত সানাই।আর ছেলে বুড়ো সবাই মেতে উঠতো আনন্দে।যদুনাথ নিজেও ছিলেন শিল্পের পৃষ্ঠপোষক।আর তার সাথেই ছিলেন গ্রামের উৎসাহী মানুষ।
এখন এই মেলাটি পরিচলানা করেন স্থানীয় অ্যাথলেটিকস ক্লাবের ছেলেরা।সমান উৎসাহ উদ্দীপনায় এখনও গ্রামের পথে সন্ধ্যা নামলেই মানুষের ঢল নামে।
কাক ভোরে শুরু হয় দেব দোল।কেবল ওইদিনই মেয়েরা নারায়ণ শিলা স্পর্শ করতে পারে।টিনের শড এ আজও বসে তরজা।স্থানীয় সব সম্প্রদায়ের মানুষ এতে অংশ নেন। দোল এর শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনও তৎপর থাকে।এগিয়ে যাক এই দোল।
লেখাটি তৈরি করতে সাহায্য পেয়েছি আমার বন্ধু প্রদীপ মুখোপাধ্যায়ের কাছে। বড় সুন্দর এই মানুষটি ২০০৫সালে একটি বড় ভালো লেখা তৈরী।করেছিলেন।বইটির প্রচ্ছদ নিচে দেওয়া হলো।এখন পুরনো বাড়িটি অতীতের স্মৃতি মাত্র।তব সময় বদলেও প্রবল এটি এখনো সজীব।আসুন মেলা উপভোগ করি।
03/03/2019
১৭৩২ খ্রিস্টাব্দে বারাসাত থেকে এসে গৌরীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় , বারুইপুর , দক্ষিণ গড়িয়ায় এই বাড়ি তৈরী করেন , বংশবৃদ্ধির সাথে সাথে সংলগ্ন স্থানে আরো অনেক বাড়ি তৈরী হয় . সেই ঐতিহ্য আজ ও বিদ্যমান . দক্ষিণ গড়িয়ায় বসবাস কালীন এই উৎসব গুলোর প্রাণ প্রতিষ্ঠা
বর্তমানে ২৮৪ বছরে পা দিলো এই বন্দ্যোপাধ্যায় বংশের দোল উৎসব .
দোলবাড়ী
06/02/2019
voucher of kanak kumar bandopdhyay foundatation trust
02/02/2019
FROM THIS YEAR AFTER THE DEATH OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY AS PER WISH AND DIRECTION BY THE TRUST DEED AND ARPANMANA OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY TO HIS APPOINTED RECEIVER TRUSTEE AND ATTORNEY AT LAW RECEIVER OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY FOUNDATATION TRUST THE HIGEST MARKS OBTAINER IN THE SUBJECT ENGLISH AT MADHYAMIK EXMANATION OF AMIYABALA BALIKA VIDYALAYA THE PRIZE WILL BE NAMED IN THE MEMORIES OF KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY KANAK KUMAR SMRITI PURASKAR IS CONTRIBUTED BY KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY FOUNDATATION TRUST ALL THROUGH FOR EVERY YEAR FOR THE CEREMONIAL PRIZE DISTRIBUTATION FUNCATATION OCCASION OF AMIYABALA BAILAKA VIDYALAYA.IN THIS AMIYABALA BALIKA VIDYALAYA KANAK BABU HAS CONTRIBUITED FROM BEGENING TO HIS WHOLE OF THE LIFE. AT THIS FAMAILY INSTITUTION KANAK BABU IS THE FOUNDER MEMBER AS WELL AS KANAK BABU IS THE PRESIDENT AND SECETARY OF THE MANAGING COMMIETY OF THIS INSTITUTION .AND ALSO KANAK BABU IS THE PRISEDENT IN THE PLATINAM JUBILE CERIMONIAL COMMIET. IN THIS AMIYABALA BALIKA VIDYALAYA KANAK BABU’S CONTRIBUTION AND ATTACHMENT AND DIFFERENT WORKS FOR DEVOLOPMENT IS UNFORGIVABLE AND MEMORABLE FOR ALL THE TIME.
01/02/2019
KANAK KUMAR BANDOPHADHYAY FOUNDATATION TRUST VISITTING CARD