27/06/2025
রথ মানে শরীর,
সারথি মানে মন,
রশি মানে ভক্তি🙏
আর যাত্রা মানে আত্মার ঈশ্বরের দিকে এগিয়ে চলা, তাই যখন কেউ রথ টানে সে আসলে নিজের মন আর ভক্তি দিয়ে ঈশ্বরকে নিজের জীবনে টানে।
পুরীর রথযাত্রায় বিশ্বাস করা হয়, এই একমাত্র দিন, যখন ঈশ্বর স্বয়ং জনগণের কাছে আসেন। আর আপনি তাঁকে নিজের হাতে টেনে এনে নিজের আত্মায় স্থাপন করতে পারেন।
যে রথের রশিতে একবার হাত রাখে, তার জন্ম জন্মান্তরের পাপ ক্ষয় হয়।
জয় জগন্নাথ 🙏
27/06/2025
📿
নীলাচলনিবাসায় নিতাই পরমাত্মনে।
বলভদ্র সুভদ্রারং শ্রী জগন্নাথায় তে নমঃ।
📿
🚩 আজ মহাপবিত্র রথযাত্রা।
রথের চাকার সাথে ঘুরে যাক জীবনের সমস্ত ক্লেশ,
বিনাশ হোক সকল দুঃখ ও অশুভ শক্তির।
🌼 জগন্নাথদেব সকলের জীবন মঙ্গলময় করুন।
শুভ হোক এই পবিত্র যাত্রা।🥰
সবাইকে জানাই শুভ রথযাত্রার আন্তরিক শুভেচ্ছা।🌸
জয় জগন্নাথ, জয় বলরাম, জয় সুভদ্রা..!!🙏🚩✨
25/03/2025
একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!
রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।
সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।
শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।
শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।
রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?
শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।
নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।।😌
Self Confidence
02/03/2025
🔱 হর হর মহাদেব 🔱
🚫এই সেই অগ্নি কুন্ড যাকে সাক্ষী রেখে শিব পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল।
কেদারনাথ যাওয়া - আসার পথে শোন প্রয়াগ থেকে ১২ কিমি দূরে ত্রিয়ুগীনারায়ণ নামক একটি ছোট্ট মন্দির আছে। মনে করা হয় এই মন্দিরের বর্তমান রূপ আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত। ভিতরে তিনটি যুগ (সত্য, ত্রেতা এবং দ্বাপর) ধরে প্রজ্জ্বলিত অখণ্ড অগ্নিশিখা, যা জ্বালানো হয়ে ছিল সেই বিবাহের সময়, তাই এটি 'ত্রিযুগী'। এই মন্দিরের আরাধ্য দেবতা নারায়ণ, শিব-পার্বতীর বিবাহে তিনি ছিলেন পার্বতীর ভাই এর ভূমিকায়। এই দুটি কারণে মন্দিরের নাম ত্রিয়ুগীনারায়ণ। এই মন্দির 'অখণ্ড ধুনি মন্দির' নামেও খ্যাত।