ভূতুড়ে আড্ডা

ভূতুড়ে আড্ডা

Share

এখানে ভুত, প্রেতাত্মা, এবং অন্যান্য অতিপ্রাকৃত ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গল্প পরিবেশন করা হয়।

15/03/2026

🕯️ গল্পের নাম:
“জঙ্গলের ভিতর কে যেনো ডাকে” 👻 (হরর স্টোরি)

রাত তখন প্রায় ১২টা। গ্রামের শেষ প্রান্তের সেই পুরোনো জঙ্গলটা আজও কুয়াশায় ঢাকা। সবাই বলে, ওই জঙ্গলে কেউ গেলে আর আগের মতো ফিরে আসে না।

সেদিন সাহস করে রাহুল ক্যামেরা নিয়ে ঢুকে পড়েছিল জঙ্গলের ভেতরে। সে ভেবেছিল রাতের জঙ্গলের ছবি তুলে ব্লগে পোস্ট করবে।

কিন্তু কিছুদূর যেতেই হঠাৎ সে শুনতে পেল—
কেউ যেন তার নাম ধরে ডাকছে…

“রাহুল… রাহুল…”

চারদিকে তাকাল, কিন্তু কাউকে দেখা গেল না। বাতাস থেমে গেল, গাছগুলো নিঃশব্দ হয়ে গেল।

হঠাৎ তার ক্যামেরার ফ্ল্যাশ নিজে থেকেই জ্বলে উঠল। ছবিতে দেখা গেল দূরে একটা কালো ছায়া দাঁড়িয়ে আছে… কিন্তু চোখে দেখলে সেখানে কিছুই নেই।

রাহুল ভয় পেয়ে দৌড়াতে লাগল। কিন্তু যত দৌড়াচ্ছে, ততই মনে হচ্ছে জঙ্গলটা শেষ হচ্ছে না।

তারপর হঠাৎ পিছন থেকে একটা ঠান্ডা হাত তার কাঁধে ছুঁয়ে বলল—
“এখানে যারা আসে… তারা আর ফিরতে পারে না…”

পরের দিন সকালে জঙ্গলের ধারে শুধু রাহুলের ক্যামেরাটা পাওয়া গেল।
ক্যামেরার শেষ ছবিতে দেখা যাচ্ছিল—
রাহুলের ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে আছে সেই অদ্ভুত ছায়া…

আর সেই ছায়ার চোখ দুটো জ্বলছে অন্ধকারের মধ্যে…

“কখনও কখনও জঙ্গল শুধু গাছপালা নয়… সেখানে লুকিয়ে থাকে এমন কিছু, যারা মানুষের নাম ধরে ডাকে…” 👻🌲

👻 Episode 2
“ক্যামেরার ভিতরের রহস্য”

রাহুল নিখোঁজ হওয়ার পর গ্রামের মানুষরা ভয়ে সেই জঙ্গলের দিকে আর যায় না।

কিন্তু রাহুলের বন্ধু অর্ণব বিশ্বাস করতে পারছিল না যে রাহুল হঠাৎ করে উধাও হয়ে গেছে।

সে সেই ক্যামেরাটা নিয়ে বাড়িতে গিয়ে ছবিগুলো দেখতে শুরু করল।

প্রথমে সব ছবিই ছিল সাধারণ—গাছ, কুয়াশা আর অন্ধকার।

কিন্তু শেষের দিকে গিয়ে অর্ণব হঠাৎ একটা ভয়ঙ্কর জিনিস দেখল…

প্রতিটা ছবিতে ধীরে ধীরে একটা কালো ছায়া রাহুলের কাছে চলে আসছে।

আর শেষ ছবিতে—

রাহুলের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে সেই ছায়া…

আর ছবির কোণে লাল অক্ষরে লেখা—

“পরের জন তুমি…”

অর্ণব হঠাৎ ঘরের পিছন থেকে একই কণ্ঠ শুনতে পেল—

“অর্ণব… তুমি কি আমাকে খুঁজছো…?”

👻 Episode 3
“জঙ্গলের অভিশাপ”

অর্ণব ভয় পেলেও ঠিক করল সে সত্যিটা জানবেই।

পরের দিন সে গ্রামের এক বৃদ্ধ লোকের কাছে গেল।

বৃদ্ধ বলল—

“এই জঙ্গলে বহু বছর আগে এক ফটোগ্রাফার হারিয়ে গিয়েছিল। সে নাকি রাতের জঙ্গলের ছবি তুলতে এসেছিল… তারপর আর কেউ তাকে দেখেনি।”

লোকেরা বলে—

তার আত্মা এখনো জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়…

আর যে কেউ রাতে ক্যামেরা নিয়ে ওই জঙ্গলে ঢোকে, তাকে সে নিজের সাথে নিয়ে যায়…

অর্ণব বুঝতে পারল—

রাহুলও সেই অভিশাপের শিকার হয়েছে।

কিন্তু সে ঠিক করল—

আজ রাতেই সে জঙ্গলে যাবে…

রাহুলকে ফিরিয়ে আনতে।

👻 Episode 4
“শেষ রাতের সত্য”

সেই রাতেই অর্ণব জঙ্গলে ঢুকল।

চারদিকে কুয়াশা আর অদ্ভুত নিস্তব্ধতা।

হঠাৎ দূরে সে দেখল—

রাহুল দাঁড়িয়ে আছে…

অর্ণব দৌড়ে তার কাছে গেল।

কিন্তু কাছে যেতেই বুঝল—

ওটা রাহুল নয়…

ওটা সেই কালো ছায়া…

যে ধীরে ধীরে মানুষের রূপ নেয়…

তারপর অর্ণবের সামনে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে বলল—

“এখন তুমি আমাদের সাথে থাকবে…”

পরের দিন সকালে গ্রামের লোকেরা জঙ্গলের ধারে আরেকটা ক্যামেরা পেল।

আর ক্যামেরার শেষ ছবিতে—

দেখা যাচ্ছিল দুটো ছায়া দাঁড়িয়ে আছে…

একটা রাহুলের…

আরেকটা অর্ণবের…

আর তারা দুজনেই অন্ধকার থেকে কারও নাম ধরে ডাকছে…

🔥 👻🌲

👻 Episode 5
“জঙ্গলের নতুন ডাক”

অর্ণব আর রাহুল নিখোঁজ হওয়ার পর গ্রামের মানুষরা জঙ্গলের পথ পুরো বন্ধ করে দেয়।

কেউ আর রাতে সেখানে যায় না।

কিন্তু কয়েকদিন পর গ্রামের এক যুবক রাতের বেলা মোবাইলে লাইভ ভিডিও করছিল।

সে মজা করে বলল—
“আজ দেখব এই জঙ্গলে সত্যিই ভূত আছে কিনা!”

সে যখন লাইভ করছিল, তখন হঠাৎ তার দর্শকরা কমেন্ট করতে শুরু করল—

“তোমার পিছনে কে দাঁড়িয়ে আছে?”

ছেলেটা ঘুরে তাকাল…

কিন্তু সেখানে কেউ নেই।

হঠাৎ তার মোবাইলের স্ক্রিনে দেখা গেল—

পিছনে দাঁড়িয়ে আছে দুইটা ছায়া…

একটা রাহুলের…
আরেকটা অর্ণবের…

👻 Episode 6
“অভিশপ্ত ক্যামেরা”

পরের দিন সেই যুবকের ফোনটা জঙ্গলের ধারে পাওয়া গেল।

কিন্তু ছেলেটাকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না।

গ্রামের একজন সাহসী মানুষ ফোনটা চালু করল।

ভিডিওর শেষ অংশে দেখা গেল—

অন্ধকার থেকে তিনটা ছায়া ধীরে ধীরে সামনে আসছে…

রাহুল…
অর্ণব…
আর সেই নতুন যুবক…

আর তারা একসাথে ফিসফিস করে বলছে—

“আমাদের সাথে এসো…”

👻 Episode 7 (Final)
“জঙ্গলের ভিতরের সত্য”

অনেক বছর পরে এক শহরের সাংবাদিক সেই জঙ্গলের গল্প শুনে তদন্ত করতে এল।

সে রাতে ক্যামেরা বসিয়ে জঙ্গলের ভিডিও রেকর্ড করছিল।

রাত ২টার সময় ক্যামেরায় অদ্ভুত কিছু ধরা পড়ল—

গাছের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে অনেকগুলো ছায়া…

আর তারা সবাই একসাথে কারও নাম ধরে ডাকছে।

হঠাৎ সেই ছায়াগুলোর মধ্যে একজন সামনে এগিয়ে এল।

সাংবাদিক দেখল—

ওটা রাহুল…

কিন্তু তার চোখ পুরো কালো…

সে ধীরে ধীরে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলল—

“এখন তুমিও আমাদের গল্পের অংশ…”

ভিডিওটা সেখানেই শেষ হয়ে যায়।

কিন্তু আজও রাতে কেউ যদি সেই জঙ্গলের কাছে যায়…

সে শুনতে পায়—

কেউ একজন তার নাম ধরে ডাকছে…

“সব জঙ্গল শুধু গাছ দিয়ে ভরা না… কিছু জঙ্গল মানুষের নাম ধরে ডাকে… আর একবার যদি সেই ডাক শোনো… তাহলে আর ফিরে আসা যায় না…” 👻🌲

#ভৌতিকগল্প
#হররস্টোরি
#সবনামেরসব
#ভুতুড়ে_জঙ্গল





#ভূতুড়েআড্ডা
#কলকাতা
#বাংলা
#বাংলাগল্প

👉 এই গল্পটার পরের পার্ট গুলির জন্য কমেন্ট করু 👻📖 আর ভালো লাগল #লাইক আর #ফলো করতে ভুলবেন না এই রকম #স্টোরি পেতে আমাদের #পেজে

24/09/2025

আজকের গল্পঃ -🩸 শেষ রাত 🩸(কিছু রোমাঞ্চকর ঘটনা ও অলৌকিক রাতের সাক্ষী!)

রাত প্রায় ৩টা।
রূপার হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। ঘরটাতে এক অদ্ভুত নীরবতা, যেন সব শব্দ গিলে নিয়েছে অন্ধকার। বাইরে হাওয়া নেই, জানালার পর্দাও নড়ছে না।

রূপা প্রথমে ভেবেছিল স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু গলার পাশে হিমশীতল একটা ছোঁয়া যেন বুকটা হিম করে দিল। চমকে উঠে সে আলো জ্বালাতে গেল। হাত বাড়াতেই মনে হলো, ওর হাতের আঙুলের ওপর কারো শুকনো হাড়ের মতো আঙুল চেপে ধরেছে।

আতঙ্কে সে আলো জ্বালালো।
কিন্তু আলো জ্বলতেই রূপার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল—
ঘরে কেউ নেই!

তবু গলায় সেই বরফশীতল ছোঁয়া থেকে গেল। আর তারপর… ঘরের কোণের অন্ধকারটা যেন ঘনীভূত হয়ে ধীরে ধীরে আকার নিলো। এক কঙ্কালসার হাত, তারপর আরেকটা, তারপর আরও অনেকগুলো হাত বেরিয়ে এল সেই ছায়ার ভেতর থেকে।

ওরা এগিয়ে আসছে রূপার দিকে।

হঠাৎই দেয়ালের ফাঁক দিয়ে ভেসে আসলো অদ্ভুত ফিসফিসানি—
“আজ তোমার শেষ রাত… শেষ রাত…”

রূপা চিৎকার করতে গেল, কিন্তু গলা দিয়ে কোনো শব্দ বেরোল না।
এক একটা বরফশীতল হাত তার কাঁধ, পা, চুল আঁকড়ে ধরলো।
সে বুঝতে পারলো— এরা মানুষ নয়, এরা ছায়া নয়, এরা আসলেই মৃত আত্মা।

শেষবারের মতো রূপা চোখ তুলে দেখলো আয়নার ভেতর—
সেখানে আর রূপা নেই, বরং দাঁড়িয়ে আছে একটা শূন্যচোখ, সাদা পোশাক পরা মেয়ে… যার মুখটা রূপার মতোই!

তারপর সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল।

পরদিন সকালে রূপার ঘরের দরজা ভেতর থেকে তালা দেওয়া পাওয়া গেল।
কেউ দরজা ভাঙতে গেলে ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটা এসে সব আলো নিভিয়ে দিল।
ভেতরে শুধু একটা জিনিস পড়ে ছিল—
রূপার আয়নাটা, যেটার ভেতর থেকে কারো ফিসফিসানি শোনা যাচ্ছিল…
“আজ তোমার শেষ রাত…”

👉

🩸 শেষ রাত – পর্ব ২ 🩸

রূপার অদৃশ্য হওয়ার পর পুরো পাড়ায় তোলপাড় শুরু হলো।
কেউ কেউ বললো, ও পালিয়েছে।
কেউ বললো, প্রেমঘটিত কিছু।
কিন্তু রূপার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মিঠি জানতো, ব্যাপারটা এত সহজ নয়।

কারণ রূপা প্রায়ই ওকে বলতো—
“আমার ঘরে রাতে কেমন যেন অদ্ভুত ফিসফিসানি শুনি… আয়নার সামনে দাঁড়ালে মনে হয় কেউ আমার দিকে তাকিয়ে আছে।”

মিঠি তাই সেই রাতে রূপার ঘরে থাকার সিদ্ধান্ত নিলো।

ঘরটাতে ঢুকেই ওর শরীর কেমন কেঁপে উঠলো।
একটা ভেজা গন্ধ, ঠান্ডা বাতাস… আর জানালার কাছে রাখা পুরনো আয়নাটা যেন নিজের থেকেই ঝিকমিক করছে।

রাত বাড়লো।
ঘড়ি বাজলো ৩টা।

হঠাৎ ঘরটা অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে গেল। বাতি হালকা হালকা মিটমিট করতে লাগলো।
আর আয়নার ভেতর থেকে ধীরে ধীরে ভেসে উঠলো রূপার মুখ!

কিন্তু সেই মুখে নেই কোনো প্রাণ—শূন্য চোখ, কালো ঠোঁট, আর ফাঁকা হাসি।

রূপার কণ্ঠস্বর ফিসফিস করে উঠলো—
“মিঠি… তুই এখানে কেন এলি? পালা… ওরা আসছে…”

মিঠি ভয়ে জমে গেল।
ঠিক তখনই ঘরের কোণে আবার বেরিয়ে এল সেই কঙ্কালসার হাতগুলো।
একসাথে ফিসফিস করে উঠলো—
“এবার তোর শেষ রাত…”

মিঠি চিৎকার করে দৌড়াতে গেল, কিন্তু দরজা তখন নিজের থেকেই বন্ধ হয়ে গেল।
আয়নার ভেতর রূপা কাঁদতে কাঁদতে হাত বাড়ালো—
“মিঠি, আয়নার ভেতর থেকে আমাকে বের কর… নইলে তোরও শেষ!”

মিঠি বোঝার চেষ্টা করলো—
এটা কি ফাঁদ, না সত্যি রূপার আত্মা সাহায্য চাইছে?

ঘর ভরে উঠলো শীতল হাতের ছোঁয়ায়।
মিঠির শেষ আশা শুধু ওই আয়না।

ও কি আয়নার ভেতরে হাত দেবে?
না কি পালানোর চেষ্টা করবে?

👉

🩸 শেষ রাত – পর্ব ৩ 🩸

মিঠি বুক ধুকপুক করতে করতে আয়নার দিকে এগিয়ে গেল।
ঘরের ভেতর অন্ধকার যেন আরও ঘন হয়ে উঠছে। বাতি নিভে গিয়েছে, শুধু আয়নাটা যেন নিজের থেকে এক অদ্ভুত আলো ছড়াচ্ছে।

রূপার মুখটা কাঁদছে—
“মিঠি… প্লিজ… হাত বাড়া… আমাকে টেনে বের কর!”

মিঠির হাত কাঁপছিল, তবু ধীরে ধীরে ওর আঙুল ছুঁয়ে গেল আয়নার কাঁচে।
আর তখনই—
আয়নাটা তরলের মতো ঢেউ খেলতে শুরু করলো।

হঠাৎই বরফশীতল কয়েকটা হাত মিঠির কব্জি আঁকড়ে ধরলো, ভেতরে টেনে নিতে লাগলো!
মিঠি চিৎকার করে উঠলো, কিন্তু শব্দ আটকে গেল কণ্ঠে।
অন্ধকারের ভেতর ডুবে গিয়ে সে নিজেকে দেখতে পেলো এক অদ্ভুত জগতে।

এটা কোনো সাধারণ ঘর নয়।
সবদিকে ভাঙাচোরা আসবাব, রক্তে দাগ কাটা দেয়াল, আর অসংখ্য মুখবিহীন ছায়া ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ওরা সবাই যেন বন্দী।

হঠাৎ রূপা দৌড়ে এলো তার দিকে।
চোখ ভরা আতঙ্ক—
“মিঠি… তুই এখানে কেন এলি? পালা! এখানে থেকে কেউ ফিরে যায় না।”

মিঠি হাঁপাতে হাঁপাতে জিজ্ঞেস করলো—
“কিন্তু এটা কী জায়গা? আমাদের কেন টেনে আনলো এখানে?”

রূপা কাঁদতে কাঁদতে বললো—
“এই আয়নাটা অভিশপ্ত… প্রায় একশো বছর আগে এখানে এক তান্ত্রিক এক ভয়ঙ্কর সাধনা করেছিল। যে কেউ আয়নায় তাকায়, তাকে ধীরে ধীরে টেনে আনে এই মৃত্যুর দুনিয়ায়। আর একবার এলে… চিরকালের জন্য আটকে যায়।”

মিঠির শরীর শিউরে উঠলো।
ও বুঝলো, পালানোর উপায় খুঁজতে হবে এখনই।

ঠিক তখনই, অসংখ্য কঙ্কালসার হাত ওদের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লো।
ভেসে এলো সেই ভয়ঙ্কর ফিসফিসানি—
“আজ তোমার শেষ রাত… শেষ রাত…”

মিঠি হাত ধরে টান দিল রূপাকে—
“না! আমি তোর সাথে লড়বো। অভিশাপ যেভাবেই হোক ভাঙতেই হবে।”

কিন্তু কিভাবে?
চারদিক অন্ধকার, ভয়ঙ্কর ছায়ায় ভরা…
আর আয়নার ওপারে বাইরের পৃথিবী যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

মিঠি কি আয়নার অভিশাপ ভাঙতে পারবে?
নাকি রূপার মতো সেও চিরতরে বন্দী হয়ে যাবে?

👉

🩸 শেষ রাত – পর্ব ৪ 🩸

মিঠি আর রূপা দৌড়াতে লাগলো সেই অভিশপ্ত দুনিয়ার ভেতর।
কিন্তু যতই দৌড়াক, পথ যেন ঘুরে ঘুরে আবার একই জায়গায় এসে মিশে যাচ্ছে।
অন্ধকার ছায়াগুলো তাদের চারপাশে ঘুরছে, ফিসফিস করে বলছে—
“কেউ এখান থেকে বেরোতে পারে না… কেউ না…”

ঠিক তখনই হঠাৎ এক অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়লো মিঠির।
ভাঙাচোরা দেওয়ালের কোণে একটা পুরনো লোহার আলমারি।
তার দরজার গায়ে লাল রঙে লেখা—
“অভিশাপের উৎস”।

মিঠি এগিয়ে গিয়ে আলমারিটা খোলার চেষ্টা করলো।
দরজার ফাঁক দিয়ে ভেসে এল গন্ধক আর পোড়া মাংসের মতো এক ভয়ঙ্কর গন্ধ।
রূপা আঁতকে উঠলো—
“না! ওটা খোলিস না… ওখানেই তান্ত্রিকের আত্মা বন্দী আছে!”

কিন্তু মিঠির মাথায় তখন একটাই চিন্তা—
অভিশাপ ভাঙতে হলে উৎস ধ্বংস করতে হবে।

অবশেষে দরজাটা খুলে গেল।
ভেতরে একটা অদ্ভুত মূর্তি—
অর্ধেক পোড়া কঙ্কাল, চোখে আগুনের মতো জ্বলজ্বল লাল আলো।
ওই তান্ত্রিক!

সে ফিসফিস করে হেসে উঠলো—
“অবশেষে আরেকটা আত্মা এলো আমার রাজ্যে…
তোমাদের দেহে বাস করবে আমি…
তোমরা বন্দী হবে চিরকালের জন্য।”

মিঠি কাঁপতে কাঁপতে জিজ্ঞেস করলো—
“তুমি কী চাও?”

তান্ত্রিকের গলা বজ্রের মতো গর্জে উঠলো—
“আমি চিরজীবন চাই!
এই আয়নার মধ্যে যারা আসে, তাদের প্রাণ আমি খেয়ে বেঁচে থাকি।”

রূপা চিৎকার করে উঠলো—
“মিঠি! আয়নার ওপাশে একটা দীপ আছে… আমার মনে আছে, দাদুর ডায়েরিতে লেখা ছিল— সেই পবিত্র দীপ জ্বালালেই এই অভিশাপ ভাঙা যাবে।”

মিঠি দ্রুত চারদিকে তাকালো।
অন্ধকারের মাঝে সত্যিই ঝিকমিক করছে একটা পুরনো প্রদীপ।
কিন্তু সমস্যা হলো— অসংখ্য ছায়া আর কঙ্কালসার হাত সেই প্রদীপটাকে ঘিরে রেখেছে।

তান্ত্রিক গর্জন করলো—
“চেষ্টা কর… দেখিস কী হয়!
আজ তোমারও শেষ রাত।”

মিঠির সামনে এখন দুই রাস্তা—
🔹 সাহস করে প্রদীপটা জ্বালানোর চেষ্টা করবে,
🔹 নাকি রূপার মতো বন্দী হয়ে যাবে আয়নার অভিশপ্ত জগতে?

👉

🩸 শেষ রাত – পর্ব ৫ 🩸

মিঠির বুক ধুকপুক করছে।
প্রদীপটা ঠিক সামনেই, কিন্তু তার চারপাশে অসংখ্য ছায়া হাত ছড়িয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।
পিছনে দাঁড়িয়ে তান্ত্রিক গর্জন করছে—

“যাবি?
যদি প্রদীপ ছুঁস, তোর প্রাণ আমি ছিঁড়ে খাবো!”

রূপা কাঁপতে কাঁপতে বললো—
“মিঠি… ভয় পাস না। আমি তো হারিয়েই গেছি। তুই চেষ্টা কর, অন্তত তোর জীবনটা বাঁচুক।”

কিন্তু মিঠির চোখে তখন একরাশ জেদ।
সে ধীরে ধীরে মাটির একটা ভাঙা কাঠি তুলে নিলো, আর ছায়াগুলোর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লো।
অবাক ব্যাপার, কাঠিটা ছায়ার গায়ে ছুঁতেই ওরা ছিন্নভিন্ন হয়ে মিলিয়ে গেল।

মিঠি দৌড়ে গেল প্রদীপের দিকে।
ঠিক তখনই তান্ত্রিক বজ্রকণ্ঠে মন্ত্র পড়তে শুরু করলো—
অন্ধকার আরও ঘন হলো, পুরো দুনিয়াটা কেঁপে উঠলো।
মিঠির পা যেন ভারী হয়ে গেল, ও এগোতেই পারছে না।

শেষ মুহূর্তে, রূপা নিজের সব শক্তি দিয়ে মিঠিকে ধাক্কা দিল।
মিঠির হাত প্রদীপে ছুঁয়ে গেল—
এক মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলে উঠলো!

চারদিক ভরে গেল আগুনের আলোয়।
ছায়াগুলো কেঁদে কেঁদে মিলিয়ে যেতে লাগলো।
তান্ত্রিক হাহাকার করে গর্জে উঠলো—

“না-আ-আ! শতবর্ষের সাধনা! আমার রাজ্য! আমার জীবন!”

আগুনের ভেতরেই তার দেহ ছাই হয়ে গেল।

মুহূর্তের মধ্যে আয়নার ভেতরের দুনিয়া কেঁপে উঠলো।
মিঠি চোখ বন্ধ করলো… আর যখন চোখ খুললো, দেখলো সে নিজের ঘরে!
ভোরের আলো জানালার ফাঁক দিয়ে ঢুকছে।

কিন্তু… রূপা নেই।
শুধু মেঝেতে পড়ে আছে সেই পুরনো আয়নাটা— এবার সম্পূর্ণ ফেটে চুরমার হয়ে গেছে।

মিঠির চোখে জল এসে গেল।
সে জানলো, রূপা তাকে বাঁচানোর জন্য নিজের আত্মা বিসর্জন দিয়েছে।

কিন্তু ঠিক তখনই…
ভাঙা আয়নার এক টুকরো কাঁচ থেকে ভেসে এলো ক্ষীণ ফিসফিসানি—
“আমি… এখনো আছি…”

👉

🩸 শেষ রাত – পর্ব ৬ 🩸

ভোরের আলোয় মিঠি হাঁপাতে হাঁপাতে ভাঙা আয়নার টুকরোগুলো একে একে কুড়িয়ে নিলো।
ও ভাবলো— “এগুলো ধ্বংস না করলে হয়তো অভিশাপ পুরোপুরি যাবে না।”

আয়নার টুকরোগুলো একটা কাপড়ে মুড়িয়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে নদীতে ফেলে দিলো।
জল ছলছল করে গিলে নিলো টুকরোগুলো।

মনে হলো সব শেষ।
অভিশাপ ভেঙে গেছে।
মিঠি ঘরে ফিরে এলো।

কিন্তু রাত নামতেই অদ্ভুত কিছু ঘটতে শুরু করলো।
বারান্দার কোণে রাখা আয়নার এক ক্ষুদ্র টুকরো আসলে ফেলে আসেনি মিঠি—
সেটা কাপড়ের ভাঁজে লুকিয়ে ছিল।

রাত ৩টের সময় ঘরে ঠান্ডা হাওয়া বইতে লাগলো।
মিঠি ঘুম থেকে জেগে দেখলো, সেই ছোট্ট আয়নাটুকরো থেকে ধীরে ধীরে ভেসে উঠছে কারো মুখ।

মুখটা রূপার!
কিন্তু এবার আর কান্না নয়—
চোখদুটো সম্পূর্ণ কালো, ঠোঁটে বিকট হাসি।

সে ফিসফিস করে বললো—
“তুই ভেবেছিস অভিশাপ ভেঙে গেছে?
না মিঠি… এখন থেকে তুই-ই হবিস আয়নার পরের রক্ষক।”

মিঠির গলা শুকিয়ে গেল।
সে আয়নাটা ভাঙতে গেল, কিন্তু টুকরোটা যেন নিজের থেকেই হাত ফসকে তার তালুতে ঢুকে গেল।

এক মুহূর্তে আগুনের মতো ব্যথা ছড়িয়ে পড়লো পুরো শরীরে।
চোখের সামনে সব অন্ধকার হয়ে গেল।

যখন সে আবার চোখ খুললো, তখন নিজেকে দেখতে পেলো আয়নার ভেতরে!
হ্যাঁ— মিঠিই হয়ে গেছে নতুন বন্দী আত্মা।
আর বাইরের দুনিয়ায়, সেই টুকরো আয়না মাটিতে পড়ে আছে…
যেটা কুড়িয়ে নেবে পরের শিকার।

শেষবারের মতো ভেসে এলো রূপা আর মিঠির মিলিত কণ্ঠস্বর—
“আজ তোমার শেষ রাত…”

এই গল্পের পরবর্তী ও শেষ পর্বটি চাইলে #কমেন্ট করবেন! আর আমাদের গল্পটি ভালো লাগলে #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার আর ভূতুড়ে আড্ডা পেজটিকে ফলো করে রাখবেন।

13/09/2025

🩸👁️ "শেষ রাত…"
কখনো কি ভেবেছো— রাতের অন্ধকারে হঠাৎ যদি অচেনা হাত তোমার গায়ে ছুঁয়ে যায়?
পালাতে চাইলেও পারবে না, কারণ ওরা শুধু ছায়া নয়… ওরা তোমার শেষ রাতের অপেক্ষায়! 👻🌑

😨 আসছে ভয়, অন্ধকার আর এক শীতল সত্যি…

🩸 শেষ রাত গল্পের টিজার টি দেয়া হল ভূতুড়ে আড্ডা তে.. আপনাদের কমেন্টের অপেক্ষায় থাকলাম আমরা পুরো গল্পটা পোস্ট করার জন্য ।🩸

রাত তখন প্রায় ৩টা…
হঠাৎ করেই রূপার ঘুম ভেঙে গেল। চারপাশে অদ্ভুত নীরবতা। বাতাসও যেন থম মেরে দাঁড়িয়ে আছে।

কিন্তু অন্ধকারের ভেতর থেকে হঠাৎ ঠান্ডা কিছু একটা ছুঁয়ে গেল তার গলা…
রূপা তাকাতে গিয়েই বুঝলো, সেটা কোনো মানুষ নয়… বরং একে একে চারদিক থেকে আসছে অচেনা, কঙ্কালসার, বরফশীতল হাত!

কেউ যেন ফিসফিস করে বলছে—
“আজ তোমার শেষ রাত…” 👁️👻

#শেষরাত #ভৌতিকগল্প #হাইলাইটসシ゚ #রাতের #ভুতুরে_আড্ডা #অন্ধকারেরগল্প #বাংলাভৌতিক #ভয়ঙ্কর_অভিশাপ #ভৌতিকরাত #কলকাতা #ভয় #ভয়ঙ্কর #অন্ধকার #বাংলা #ভৌতিক_রাত #অন্ধকারের_আবেশ #ছায়া #হাতে #ভয়_পাওয়ার_সময় #ভূত_প্রেত #ভূতের_ছায়া #ভূতের_গল্প #ভৌতিক #অলৌকিক #বাংলাদেশ

04/09/2025

আজকের গল্পের নামঃ ভূত প্রেত

রাত তখন গভীর। নিস্তব্ধতায় ঢাকা চারপাশ।
হঠাৎই সায়ন শুনল দরজায় টোকা পড়ছে—

"দরজায় টোকা দিচ্ছে যে… সে কি সত্যিই মানুষ?"

কেঁপে উঠল সে। সাহস সঞ্চয় করে দরজা খুলল… কিন্তু কেউ নেই। শুধু ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটা এসে তাকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিল।

কিছুক্ষণের মধ্যেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে তার বুক কেঁপে উঠল।
কারণ—

"আয়নার ভেতর যে চোখটা তাকাচ্ছে—ওটা তার নয়!"

চোখ দুটো নিস্তেজ, রক্তজবার মতো লাল, যেন মৃতের ছায়া। সায়ন দৌড়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল। কিন্তু ঘুম আসছিল না।

আর তখনই, বুক কাঁপানো এক ফিসফিসানি—

"তোমার ঘুম ভাঙলেই—ওর খেলা শুরু!"

চোখ বন্ধ করেও সে শুনতে পাচ্ছিল নিঃশ্বাসের শব্দ। মনে হচ্ছিল কেউ ঠিক পাশেই বসে আছে।

ঠিক সেই সময় তার কানে এলো শীতল এক সত্য—

"যাকে মৃত ভেবেছিলে… সে-ই কাল তোমার পাশে দাঁড়াবে!"

সায়ন উঠে বসতেই দেখল জানালার পাশে একটা অস্পষ্ট অবয়ব। ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে…
তারপর কানে বাজল হাড় শীতল করা ডাক—

"আজ রাতেই দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে… সে!"

শেষবারের মতো সায়নের চিৎকার শোনা গেল। পরদিন সকালে তার ঘর ফাঁকা পাওয়া গেল—
কিন্তু আয়নায় লেগে ছিল শুধু এক জোড়া ভৌতিক লাল চোখ…

🩸 ভূত প্রেত – পরের পর্ব
সায়নের হারিয়ে যাওয়ার পর তার ঘরে পা রাখা যেন মৃত্যুকে ডাক দেওয়া। তবুও তার বন্ধু অর্পিতা ও অরিজিৎ পুলিশকে না জানিয়ে নিজেরাই সত্য খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নিল।

ঘরে ঢুকতেই চারপাশে শীতল হাওয়া আর অদ্ভুত গন্ধ। আয়নার সামনে পৌঁছতেই দু’জনেই থমকে গেল।
আয়নার ভেতর কুয়াশার মতো ছায়া ঘুরছে। তারপর হঠাৎ—

"রাত যত গভীর, তত কাছে আসে… সে!"

ফিসফিস করে ভেসে এলো কারো কণ্ঠ।

অর্পিতা কাঁপতে কাঁপতে বলল, “শুনেছিস? কেউ যেন ঠিক আমাদের নাম ধরে ডাকছে!”
অরিজিৎ সাহস করে আয়নার দিকে হাত বাড়াতেই হাড় কাঁপানো এক দৃশ্য—

আয়নার ভেতর সায়ন দাঁড়িয়ে! কিন্তু তার চোখ রক্তলাল, মুখে ভৌতিক হাসি।

সে ঠান্ডা গলায় বলল—
"তোমরা আমাকে মৃত ভেবেছিলে… কিন্তু আমি এখন অন্য এক জগতে বন্দি। তোমাদেরও ওখানে নিয়ে যাবো!"

ঘরের বাতি নিভে গেল। চারদিক অন্ধকার।
তারপর দরজার ওপাশে জোরে টোকা পড়ল… টক… টক… টক…

অর্পিতা আর অরিজিৎ বুঝে গেল—এইবার পালাবার কোনো পথ নেই।

#ভৌতিক_রাত #ভূতের_গল্প #ভয়ঙ্কর #ভয় #ভূতের_ছায়া #ভয়ঙ্কর #অন্ধকারের_আবেশ #ভূত_প্রেত #ভয়_পাওয়ার_সময়
#ভূতের_গল্প #ভয়ঙ্কর #ভূত_প্রেত #অন্ধকারের_ছায়া #হরর #ভূতের_গল্প #ভৌতিক_রাত #হরর #অন্ধকার
#ভৌতিক_রাত #ভয়ঙ্কর #ভূতের_গল্প #হরর #ভূত_প্রেত #ভৌতিক #হরর #অন্ধকার
#ভূতের_গল্প #ভয়ঙ্কর #ভৌতিক_রাত

👉ভূত প্রেত – তৃতীয় পর্ব
দরজার টোকা যেন ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছিল… টক… টক… টক…
তারপর হঠাৎ দরজা নিজে থেকেই খুলে গেল। ঘর ভরে গেল এক শীতল কুয়াশায়।

অর্পিতা আর অরিজিৎ আতঙ্কে একে অপরের হাত শক্ত করে ধরল।
আর তখনই আয়নার ভেতর থেকে সায়নের হাত বাড়িয়ে বেরিয়ে এলো!

সে ঠান্ডা, পচা গন্ধমাখা কণ্ঠে বলল—
“এসো… আমার জগতে এসো! এখানেই তোমাদের আসল জায়গা!”

অরিজিৎ চিৎকার করে দরজা দিয়ে পালাতে চাইলো, কিন্তু দরজা কোথায়?
ঘর বদলে গেছে, চারপাশ শুধু আয়না আর আয়নায় অগণিত বিকৃত মুখ।

হঠাৎ প্রতিটি আয়নায় সায়নের ভৌতিক হাসি ভেসে উঠল—
“আয়নার ভেতর যে চোখটা তাকাচ্ছে—ওটা আর তোমাদের নয়!”

অর্পিতা বুঝতে পারল, তারা এখন আর বাস্তবে নেই…
তারা আটকে গেছে আয়নার দুনিয়ায়, যেখানে প্রতিটি ছায়া জীবন্ত, প্রতিটি নিঃশ্বাস মৃত্যুর ডাক।

দূরে কোথাও ঘণ্টাধ্বনি শোনা গেল। তারপর এক অচেনা ফিসফিস—
“আজ রাতেই তোমাদের আত্মা আমার হবে…”

অরিজিৎ কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠল—
“এটা দুঃস্বপ্ন… দয়া করে কেউ আমাকে এখান থেকে বের করো!”

কিন্তু আয়নার ভেতর থেকে শুধু এক জবাব এলো…
“এখান থেকে কেউ কোনোদিন ফিরে যায় না!”

👻😈 এবার চলুন ডুবে যাই “ভূত প্রেত”–এর আরও ভয়ঙ্কর অধ্যায়ে…

🪞 ভূত প্রেত – চতুর্থ পর্ব
অর্পিতা আর অরিজিৎ নিজেদের খুঁজে পেল এক অভিশপ্ত করিডরে। চারপাশ শুধু আয়না—কিন্তু প্রতিটি আয়নায় ভিন্ন দৃশ্য।

একটিতে তারা দেখল নিজেদেরই বিকৃত রূপ—মুখ পচে গেছে, চোখ গলছে, ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরছে।
অন্যটিতে দেখল সায়ন, মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে। তারপর ধীরে ধীরে মাথা তোলে… আর ফিসফিস করে বলে—
“তোমরা এখন আমার মতোই হবে…”

আয়নার দেয়ালগুলো ধীরে ধীরে নড়তে শুরু করল, যেন তাদের চাপা দিয়ে মেরে ফেলবে।
অর্পিতা আতঙ্কে চিৎকার করল, “এটা সত্যি হতে পারে না! এটা দুঃস্বপ্ন!”

কিন্তু তখনই মাথার ওপরে কালো ছায়া ভেসে উঠল। অসংখ্য হাত ঝুলছে, যেগুলো তাদের গলা চেপে ধরতে চাইছে।

হঠাৎ চারদিক অন্ধকার হয়ে গেল।
এরপর একটা অদ্ভুত শব্দ—ঝনঝন… ঝনঝন… যেন ভাঙা শিকল মাটিতে টেনে আনা হচ্ছে।

তারপর দেখা গেল—
এক বিশাল দেহী, চোখহীন, ছেঁড়া পোশাক পরা এক মৃতদেহ-সদৃশ অবয়ব এগিয়ে আসছে।
তার মুখ নেই, শুধু ফাঁকা গহ্বর। তবু সেখান থেকে বেরোচ্ছে কণ্ঠ—

“এখানেই শেষ… তোমরা আর আলো দেখবে না।”

অরিজিৎ কাঁপতে কাঁপতে অর্পিতার হাত ধরে বলল,
“কোনো একটা পথ থাকবেই… না হলে আমরাও শেষ।”

কিন্তু তাদের পায়ের নিচে তখন ধীরে ধীরে ফেটে যাচ্ছে মাটি… আর নিচে দেখা যাচ্ছে অসীম অন্ধকার, যেখানে লক্ষ লক্ষ বিকৃত আত্মা চিৎকার করছে—

“এসো… এসো… চিরদিনের জন্য আমাদের সঙ্গে থেকো…” 👻

🩸 ভূত প্রেত – পঞ্চম পর্ব
পায়ের নিচে মাটি ফেটে যাচ্ছে, অর্পিতা আর অরিজিৎ বুঝল—আর কয়েক মুহূর্তের মধ্যে তারা পড়ে যাবে সেই অন্তহীন অন্ধকারে, যেখানে হাজার হাজার বিকৃত আত্মা হাত বাড়িয়ে ডাকছে।

অর্পিতা কাঁপতে কাঁপতে ফিসফিস করে বলল—
“না… আমি মরতে চাই না… এভাবে নয়!”

হঠাৎই এক আয়নার ভেতর ঝলসে উঠল একটা অদ্ভুত আলো।
সেই আলোয় ভেসে উঠল সায়নের মুখ।
কিন্তু এবার সে আগের মতো ভয়ঙ্কর নয়—তার চোখ ভরা কান্না।

সে বলল—
“আমাকে বিশ্বাস করো… আমি এখানে বন্দি হয়ে আছি। পালাতে হলে তোমাদের রক্ত চাই।”

অরিজিৎ চমকে উঠল, “কি বলছিস? তুই কি আমাদের মারতে চাইছিস?”
সায়ন শুধু হেসে উঠল। তার হাসি একসাথে মানবিক আর অমানবিক, যেন এক অভিশপ্ত সুর।

আলো নিভতেই আবার অন্ধকার ঘিরে ধরল।
পেছন থেকে ভেসে এলো শিকল টানার শব্দ—ঝনঝন… ঝনঝন…
সেই চোখহীন দানব আবার আসছে, এবার আরও কাছে।

হঠাৎ অর্পিতার হাতে ধরা আয়নাখণ্ড কাঁপতে শুরু করল।
সে ভয়ে সেটি মাটিতে ছুঁড়ে ফেলতেই—
মাটি ফেটে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর দরজা তৈরি হলো।

দরজার ওপাশ থেকে ভেসে এলো ঠান্ডা বাতাস আর অস্পষ্ট কণ্ঠস্বর—
“যদি সাহস থাকে… ভেতরে এসো।”

অরিজিৎ আর অর্পিতা একে অপরের দিকে তাকাল।
পেছনে দাঁড়িয়ে চোখহীন দানব… সামনে সেই রহস্যময় দরজা।
পালানোর একমাত্র পথ হয়তো এটাই।

তারা দু’জন হাত ধরে একসাথে দরজা পার হতেই…
চারদিক কালো হয়ে গেল।

তারপর শোনা গেল এক শীতল হাসি—
“এখন তোমরা ঢুকলে… এবার আর ফেরার রাস্তা নেই।”

👁️😈 এবার শোনো “ভূত প্রেত”–এর অন্ধকারের আরও গভীর রহস্য…

🌑 ভূত প্রেত – ষষ্ঠ পর্ব
দরজা পেরিয়েই অর্পিতা আর অরিজিৎ নিজেদের খুঁজে পেল এক অদ্ভুত দুনিয়ায়।
এখানে আকাশ নেই—শুধু কালো কুয়াশায় ঢাকা শূন্যতা।
মাটি নেই—তাদের পা পড়ছে অগণিত হাড়গোড় আর শুকনো খুলির ওপরে।

দূরে দেখা গেল এক ভাঙা মন্দির। মন্দিরের ভেতর লাল আগুনের শিখা জ্বলছে, আর সেই আগুন ঘিরে নাচছে অসংখ্য ছায়ামূর্তি।
তাদের মুখ নেই, তবু একসাথে তারা ফিসফিস করে ডাকছে—

“এসো… এসো… তোমরা এখন আমাদেরই অংশ।”

অর্পিতা কাঁপতে কাঁপতে বলল, “এখানে আমরা বেশিক্ষণ থাকলে বাঁচব না।”
কিন্তু তখনই চারপাশ কেঁপে উঠল।
মাটি ফেটে বেরিয়ে এল সোনালী রঙের এক বিশাল শিকল—যা ধীরে ধীরে তাদের গায়ে পেঁচিয়ে ধরছে।

অরিজিৎ প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দেখল—শিকলের ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে… সায়ন!
কিন্তু এবার সে একেবারেই মানুষ নয়। তার শরীর থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে, চোখ দুটো রক্তের মতো জ্বলছে।

সে ভৌতিক গলায় বলল—
“আমি পালাতে চেয়েছিলাম… কিন্তু পালানোর একটাই পথ। কাউকে আমার জায়গা নিতে হবে। আর আজ… তোমরাই সেই বলি।”

হঠাৎ মন্দিরের আগুন আরও উঁচু হলো, আর ছায়ামূর্তিগুলো একসাথে চিৎকার করে উঠল—
“রক্ত চাই… রক্ত চাই… রক্ত চাই!”

অর্পিতা বুঝে গেল—এটা শুধু অভিশপ্ত জগত নয়, এটা হচ্ছে বলি দেওয়ার স্থান, যেখানে মৃত আত্মারা নতুন শিকার খুঁজে বেড়ায়।

অরিজিৎ গলা শুকিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে বলল—
“আমরা যদি কিছু না করি… এখানেই শেষ।”

তারপর হঠাৎ আগুনের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো এক কালো অবয়ব—
তার মুখ ঢাকা, কিন্তু হাতে রক্তমাখা এক ছুরি।
ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে সে ফিসফিস করে বলল—

“একজন বাঁচবে… আরেকজন মরবে। বেছে নাও…”

👉 পরের পর্বে থাকছে এই গল্পের শেষ অংশ, এই অভিশপ্ত বলির খেলায় কার ভাগ্যে কী ঘটে! 👻
আমাদের এই পেজটি কে করে রাখুন! আর like, Comment ও Shear করুন! 🙏

31/08/2025

🌑👻"মৃতদের ছায়া কি সত্যিই হারিয়ে যায়? নাকি অন্ধকারেই তারা অপেক্ষা করে… তোমার নাম ধরে ডাকতে?" 🕯️💀

#ভৌতিক_রাত #ভূতের_গল্প #ভয়ঙ্কর #অন্ধকারের #ভূত_প্রেত #রোমাঞ্চকর

👁️‍🗨️🌑"ছায়ার আড়ালে কেউ এখনো বেঁচে আছে… আর সে শুধু তোমাকেই খুঁজছে!" 👻💀

#ভূতের_গল্প #ভয়ঙ্কর #ভূত_প্রেত #অন্ধকারের_ছায়া #হরর #লাইক

👻"আজ রাতেই দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে… সে!" 🌑🕯️

#ভয় #ভূতের_গল্প #ভৌতিক_রাত #হরর #অন্ধকার
#ভৌতিকবাক্স #কমেন্ট

🕯️👁️"তোমার ঘুম ভাঙলেই—ওর খেলা শুরু!"

#ভৌতিক_রাত #ভয়ঙ্কর #ভূতের_গল্প #ভুতেরগল্পঃ #শেয়ার #ভয়ের_রাত্রি

🌑👻"যাকে মৃত ভেবেছিলে… সে-ই কাল তোমার পাশে দাঁড়াবে!"👻"রাত যত গভীর, তত কাছে আসে… সে!"


#হরর #ভূত_প্রেত #অন্ধকার #ভূতেরপোস্ট #ভয়ঙ্কর_অভিশাপ

💀🕷️"আয়নার ভেতর যে চোখটা তাকাচ্ছে—ওটা তোমার নয়!"🩸
🌒"দরজায় টোকা দিচ্ছে যে… সে কি সত্যিই মানুষ?"


এই গল্পটি আসছে আজ রাত এ! তাই চোক রাখুন ভূতুড়ে আড্ডা তে! এই গল্পে প্রতিটি পর্ব খুব রোমাঞ্চকর ও গা ছম ছম এ করে তুলবে আপনার প্রতি নিশ্বাস এ!এই রকম গল্পঃ পেতে #ফলো করে রাখুন আমাদের এই পেজ টি! আর আমাদের গল্পঃ ভালো লাগলে পেজটি কে আর করবেন আপনার কাছের মানুষদের যারা এই রকম গল্পঃ ভালোবাসেন!

25/08/2025

আজকের গল্প: কেউ আছে ওখানে 🕯️👻

রাত প্রায় বারোটা বাজে। অর্পিতা জানালার পাশে বসে অন্যমনস্ক হয়ে মোবাইল স্ক্রল করছিল। হঠাৎই যেন কানে এলো একটা মৃদু ফিসফিসানি—

“...অর্পি... অর্পি... দরজা খোলো...”

চমকে উঠল সে। চারপাশে কেউ নেই। বাড়িতে বাবা-মা ঘুমিয়ে পড়েছেন অনেক আগেই। অর্পিতা ভেবেছিল হয়তো কল্পনা করছে। কিন্তু ঠিক তখনই জানালার কাঁচে ধোঁয়ার মতো একটা হাতের ছাপ দেখা গেল। হাতটা বাইরের দিক থেকে কাঁচ ঘষে নামছে...

অর্পিতা গলার স্বর শুকিয়ে গিয়ে কেঁপে উঠল। হঠাৎই ফোনের স্ক্রিন নিভে গেল। ঘর অন্ধকারে ডুবে গেল, শুধু জানালার ওপাশে সেই ফিসফিসানি আরও জোরালো—

“তুমি জানো না... এখানে কে আছে...”

অর্পিতা সাহস করে জানালা খোলার চেষ্টা করল। কিন্তু হাত বাড়াতেই কাঁচের ভেতর থেকে যেন আরেকটা হাত ছুঁয়ে ধরল ওকে। ঠাণ্ডা, বরফের মতো জমাট হাত।

সাথে সাথেই সারা ঘর ভরে গেল অদ্ভুত গন্ধে—আর্দ্র মাটির আর পোড়া মোমবাতির মিশ্রণ। জানলার বাইরে তাকাতেই দেখা গেল অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে একটা ছায়ামূর্তি। মুখ দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু দুটো চোখ যেন জ্বলছে আগুনের মতো।

মূর্তিটার ঠোঁট নড়ল—

“আমি বহু বছর ধরে অপেক্ষা করছি... তোমার জন্য। তুমি এ বাড়ির মেয়ে নও... তুমি এখানে কিভাবে?”

অর্পিতা কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেল। ঘরের বাতাস জমাট বাঁধছে। জানালার পর্দা নিজে থেকেই নড়ছে। আর সেই ফিসফিসানি ঘর ভরিয়ে তুলছে—

“তুমি একা নও... কেউ আছে ওখানে...”

ভুতুড়ে গল্প: কেউ আছে ওখানে – পর্ব ২ 🕯️👻

অর্পিতা জানালার সামনে দাঁড়িয়ে যেন পাথরের মূর্তি। চোখ ফেরাতে পারছে না। বাইরের সেই ছায়ামূর্তির চোখদুটি আগুনের মতো লাল হয়ে জ্বলছে।

হঠাৎই কাঁচে ঠকঠক শব্দ হলো, যেন ভেতরে ঢুকতে চাইছে। অর্পিতা চিৎকার করতে গিয়েও পারল না— গলা শুকিয়ে গেছে, শব্দ বেরোচ্ছে না।

ঠিক তখনই ঘরের কোণে রাখা পুরনো কাঠের আলমারি থেকে আস্তে আস্তে কিঞ্চিৎ আওয়াজ শোনা গেল—
“খুলে দাও... ওকে ঢুকতে দিও না...”

অর্পিতা ভয়ে তাকাল। আলমারির ভেতরে কি কেউ আছে? সে ধীরে ধীরে এগোতেই ভিতর থেকে যেন নখ ঘষার আওয়াজ বেরোতে লাগল।

জানালার বাইরের ছায়ামূর্তি এবার ধীরে ধীরে হাসতে শুরু করল। দাঁতের শব্দ যেন কানে কাঁটার মতো বিঁধছে। সে হাত বাড়িয়ে জানালার কাঁচ ঠেলতে লাগল।

হঠাৎই কাঁচ ফেটে গেল! ভাঙা কাঁচের ফাঁক দিয়ে সেই ঠাণ্ডা বরফ-শীতল হাত ঘরের ভেতরে ঢুকে এলো।

অর্পিতা চিৎকার করে উঠে পেছনে সরে গেল। ঠিক তখনই আলমারির দরজা নিজে থেকেই খুলে গেল। ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো এক বৃদ্ধা মহিলার ছায়া। চোখ দুটো ফাঁপা, চুল এলোমেলো, ঠোঁট কাঁপছে—

সে ফিসফিস করে বলল—
“তুই জানিস না, ও কারা... ওরা প্রতি রাতেই ফিরে আসে... এই বাড়ি তোর নয়... তুই ভুল করে ঢুকে গেছিস...”

অর্পিতা কেঁপে উঠে জিজ্ঞেস করল—
“আপনি কে? জানালার বাইরে ওটা কে?”

বৃদ্ধা ছায়াটি মাথা নিচু করে বলল—
“ও আমার ছেলে... যে আজও বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছে... কিন্তু ও আর মানুষ নেই... ও এখন শুধু... ‘ওখানে’।”

এবার হঠাৎ ঘরের বাতি নিভে গেল। চারদিক অন্ধকার। জানালার বাইরে থেকে সেই ভুতুড়ে কণ্ঠস্বর গর্জে উঠল—
“অর্পি... এবার আমার সাথে চল...”

ভুতুড়ে গল্প: কেউ আছে ওখানে – পর্ব ৩ 🕯️👁️

অর্পিতা চুপচাপ দাঁড়িয়ে, বুকের ভেতর ঢাকের মতো ধুকপুকানি। বাইরে সেই ভয়ঙ্কর গলা যেন আরও কাছে—
“অর্পি… তুই লুকিয়ে থাকিস না… আমি জানি তুই আছিস…”

জানালার ভাঙা ফাঁক দিয়ে ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকে ঘর হিম হয়ে উঠল। পর্দা দুলছে, আর মেঝেতে যেন কারও ভেজা পায়ের ছাপ পড়ছে—ধীরে ধীরে জানালা থেকে ভেতরে এগিয়ে আসছে!

অর্পিতা পিছিয়ে গিয়ে দরজার দিকে দৌড়াতে গেল। কিন্তু দরজাটা যেন ভেতর থেকে তালা মারা। যতই চাপ দিল, খুলল না।

ঠিক তখনই বৃদ্ধা ছায়াটা আবার ফিসফিস করে বলল—
“ওকে ডাকিস না… ও তোর জন্য নয়… ও ফিরে এসেছে শুধু প্রতিশোধ নিতে…”

অর্পিতা কাঁপতে কাঁপতে জিজ্ঞেস করল—
“কিসের প্রতিশোধ? আমি তো কাউকে কিছু করিনি!”

বৃদ্ধা ছায়াটা ধীরে ধীরে কাছে এগিয়ে এল। তার চোখের ফাঁপা গর্ত থেকে কালো ধোঁয়া বেরোচ্ছে। সে বলল—
“এই বাড়ির ইতিহাস জানিস না… বহু বছর আগে, এই বাড়ির এক ঘরে ওকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। তখন থেকে প্রতি রাতে, ও জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে ডাক দেয়। যে উত্তর দেয়, তার প্রাণ… আর ফেরত যায় না…”

অর্পিতা চিৎকার করে উঠল—
“না! আমি কিছু শুনিনি, আমি কিছু বলিনি!”

কিন্তু ঠিক তখনই জানালার বাইরে সেই আগুন-চোখের ছায়া ভেতরে পা বাড়াল। ভাঙা কাঁচে কাটতে কাটতেই সে ঘরে ঢুকল। ঠান্ডা শরীরের গন্ধে ঘর ভারী হয়ে উঠল।

সে ধীরে ধীরে অর্পিতার দিকে এগিয়ে এসে বলল—
“তুই তো উত্তর দিয়েছিস… তুই জানালার দিকে তাকিয়েছিস… এখন তুই আমার…”

হঠাৎ ঘর জুড়ে কেঁপে উঠল অদ্ভুত এক গর্জন। বাতাসে আলো নিভে গেল। অর্পিতা অনুভব করল—কেউ তার কাঁধে হাত রেখেছে…

ভুতুড়ে গল্প: কেউ আছে ওখানে – পর্ব ৪ 🌑👁️‍🗨️

অর্পিতা স্থির হয়ে গেল। তার কাঁধে রাখা হাতটা বরফের মতো ঠান্ডা… কিন্তু অদ্ভুতভাবে ভারী। ধীরে ধীরে পিছনে তাকাতেই শিউরে উঠল সে—

পেছনে দাঁড়িয়ে আছে সেই ছায়ামূর্তি! চোখদুটো লাল অগ্নিগোলার মতো জ্বলছে, ঠোঁটে এক ভয়ঙ্কর হাসি।

সে ফিসফিস করে বলল—
“তুই জানিস না অর্পি… তোর শরীরটাই আমার দরকার।”

হঠাৎ বাতাস থেমে গেল, পুরো ঘরে নিস্তব্ধতা। অর্পিতা চিৎকার করতে গিয়েও পারল না—তার গলা যেন আটকে গেছে।

ঠিক তখনই বৃদ্ধা ছায়া আবার ভেসে উঠল ঘরের কোণে। সে গর্জে উঠল—
“না! ওকে নিতে পারবি না!”

দু’জনের মধ্যে যেন এক অদ্ভুত সংঘর্ষ শুরু হলো। জানালার বাইরে কালো ঝড় উঠল। পর্দা ছিঁড়ে উড়ে গেল, কাঁচের টুকরো ঘরের ভেতর ঘুরতে লাগল।

অর্পিতা দেখল, বৃদ্ধা ছায়াটা সেই ভয়ঙ্কর ছেলেটির সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটি গর্জে উঠল—
“তুই আমাকে আটকে রাখতে পারবি না! আমার প্রতিশোধ এখনো শেষ হয়নি!”

অর্পিতা কাঁপতে কাঁপতে এক কোণে দাঁড়িয়ে পড়ল। হঠাৎ তার চোখে পড়ল—আলমারির ভেতরে একটা পুরনো লাল ডায়েরি রাখা। ডায়েরিটা যেন আলো ছড়াচ্ছে।

অর্পিতা অজানা টানে দৌড়ে গিয়ে ডায়েরিটা তুলে নিল। খোলার সাথে সাথেই ভেতরে লেখা দেখা গেল—

"যদি কেউ ফিরে আসে… যদি সে জানালায় দাঁড়িয়ে ডাকে… তার নাম ধরে তিনবার ডেকে ফিরিয়ে দিতে হবে। না হলে সে নতুন প্রাণ দাবি করবে…"

অর্পিতার হাত কাঁপছে। ডায়েরির শেষ পাতায় একটা নাম লেখা—
“অর্ণব।”

হ্যাঁ! এটাই সেই ছেলেটির নাম!

অর্পিতা কাঁপা গলায় উচ্চারণ করল—
“অর্ণব… অর্ণব… অর্ণব…”

হঠাৎ ঘর কেঁপে উঠল, মেঝে ফেটে ধোঁয়া বেরোতে লাগল। আর সেই মুহূর্তেই অর্ণবের লাল চোখে এক অদ্ভুত আলো ঝলসে উঠল।

সে ধীরে ধীরে অর্পিতার দিকে তাকাল… আর ফিসফিস করে বলল—
“তুই আমার নাম জানলি… এখন তুই পালাতে পারবি না।”👻

পরের পর্বের জন্য আমাদের পেজটিকে ভূতুড়ে আড্ডা ফলো করে রাখুন আর ভালো লাগলে #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার করুন। খুব শীঘ্রই আসবে পরবর্তী পর্ব।

24/08/2025

**অর্পিতার জানালায় প্রতি রাতে কে যেন ফিসফিস করে… ‘নিশির ডাক’ আবার শুরু হলো! 🌃💭👻

আসছে খুব শীঘ্রই ভুতুড়ে আড্ডা পেজে গল্পের নাম "কেউ আছে ওখানে"

আপনি যদি ভুতুড়ে গল্প ভালবাসেন তাহলে এই গল্পটি থাকবে আপনার জন্য খুব ভয় কাল্পনিক রহস্য ও রোমাঞ্চ করে মোরা এই গল্পটি!

#ভৌতিকবাক্স #ভয়ের_রাত্রি #ভয়ের_অভিশাপ #ভূতেরপোস্ট #হাইলাইটসシ゚ #ভয়ঙ্কর_অভিশাপ #ভুতেরগল্পঃ #ওয়েস্টবেঙ্গাল #ভয়ঙ্কর_রাত্রি #ফলো

24/08/2025

আজকের গল্পঃ - এক পুরানো বাক্স…🥡
👁️ এর ভেতর আছে শুধু অন্ধকার…
💀 আর এক শেষ না হওয়া ভয়ের অভিশাপ…
🕯️ আপনি কি সাহস করবেন বাক্সটা খুলতে…?

#ভুতেরগল্প #ভয়ের_রাত্রি #ভয়ঙ্কর_অভিশাপ #ভৌতিকরহস্য

আজকের গল্পের শুরু হচ্ছে 🕯️👻 পুরোনো বাক্স

এক পুরানো পরিত্যক্ত বাড়ির পাশের মাঠে… অন্ধকারে ঢাকা, মাঠের এক কোণে এক বাক্স পড়ে আছে বছরের পর বছর।
লোকজন বলে, “এক পুরানো বাক্স… খুললেই শেষ!”

গ্রামের মানুষ শতবার সাবধান করেছে—কেউ যেন বাক্সের কাছে না যায়। কারণ, শোনা যায় এর ভেতরে অভিশপ্ত অন্ধকার লুকিয়ে আছে।

এক রাত, কৌতূহল নিয়ে শুভ সেই বাক্সের দিকে এগোল। ম্লান আলোয় সে স্পষ্ট দেখতে পেল বাক্সটার গায়ে অদ্ভুত আঁকিবুঁকি—যেন কারও চোখ তাকিয়ে আছে… “যে খুলবে, তার নিশ্বাস থেমে যাবে ভয়ে।”

শুভ কাঁপতে কাঁপতে হাত রাখল বাক্সের ঢাকনায়।
মুহূর্তেই হাড়-হিম করা ঠান্ডা বাতাস ঘরে ঢুকে পড়ল।
কান পাততেই শুনতে পেল অদ্ভুত ফিসফিস—
“বাক্সটা বন্ধ থাকলেই নিরাপদ… খোলা মানেই সর্বনাশ…”

কিন্তু সতর্কতা উপেক্ষা করে সে ঢাকনা একটু খুলতেই…
চারপাশের অন্ধকার যেন জীবন্ত হয়ে ছুটে এলো।
এক ঝলকেই শুভর চোখের দৃষ্টি নিভে গেল।

এখন গ্রামবাসীরা বলে—
“অভিশাপের ছায়া ছড়িয়ে পড়ছে ধীরে ধীরে…”
যে বাক্স একবার খোলে, সে আর কখনো ফিরে আসে না।

🌑 পুরোনো বাক্স – পর্ব ২
শুভর হারিয়ে যাওয়ার পর গ্রামে ভয়ের ছায়া আরও ঘনীভূত হলো।
কেউ রাতে বাড়ি থেকে বের হয় না, আর ওই পরিত্যক্ত বাড়ির দিকে তো তাকিয়েও দেখে না।

একদিন অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল—
বাক্সটার ঢাকনা নাকি নিজে থেকেই একটু খুলে আছে।
কেউ বলেনি, কেউ গিয়েও খুলেনি…
তবুও বাক্স থেকে যেন কালো কুয়াশা বের হতে লাগল।

গ্রামের বয়স্ক লোকেরা ফিসফিস করে বলল—
🕯️ “বাক্সের ভিতরে শুধু অন্ধকার নেই, আছে এক অভিশপ্ত আত্মা।”
👁️ “সে আত্মা নতুন শরীর খুঁজছে… শুভ হয়তো তার প্রথম শিকার।”

রাতে লোকেরা শোনে—
পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর থেকে কারো কণ্ঠস্বর ডাকছে,
“বাঁচাও… আমাকে এই অন্ধকার থেকে বাঁচাও…”

গ্রামের লোকজন ভাবে—এটা শুভর গলা।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
ওটা কি সত্যিই শুভর গলা?
নাকি বাক্সের ভিতরের অভিশপ্ত ছায়া তাদের ডেকে নিচ্ছে নতুন শিকারের জন্য?

💀 পুরোনো বাক্স – পর্ব ৩
গ্রামের ভয় সত্ত্বেও, এক রাতে তিনজন কিশোর—আরিফ, রাহুল আর সুদীপ—নির্ভীক হয়ে ঠিক করল বাক্সটার রহস্য ভেদ করবে।
তাদের কৌতূহল ছিল অদম্য…
“শুভর কী হল, সেটা না জানলে ঘুম আসবে না।”

অন্ধকার রাত। হাতে একটা টিমটিমে লন্ঠন।
তারা ঢুকল সেই পরিত্যক্ত বাড়ির ভিতরে।

বাড়ির দেয়াল ভেজা, স্যাঁতসেঁতে গন্ধ,
মেঝেতে পায়ের শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল যেন কারো হাঁটার আওয়াজ মিলিয়ে যাচ্ছে।
আর দূরে দাঁড়িয়েই তারা দেখতে পেল বাক্সটা—
ঢাকনা আধখোলা, আর ভিতর থেকে আসছে কালো ধোঁয়ার মতো কুয়াশা।

হঠাৎ…
👁️ ভেতর থেকে দুটো চোখ জ্বলে উঠল।
একটা অদ্ভুত ফিসফিসানি কানে বাজল—
“আমি বের হবো… তোমাদের শরীরই আমার পথ…”

রাহুল ভয়ে কেঁপে উঠল, কিন্তু আরিফ এগিয়ে গেল ঢাকনাটা পুরো খুলতে।
সেই মুহূর্তে বাতাস হু হু করে বইতে লাগল, লন্ঠন নিভে গেল, আর চারপাশ অন্ধকারে ডুবে গেল।

তারপর শুধু শোনা গেল তিনজনের হাড়হিম করা চিৎকার—
যা ভোরের আলো ফোটার পরও থামেনি।

পরের দিন গ্রামবাসীরা দেখল—
বাক্সটা বন্ধ।
কিন্তু বাক্সের চারপাশে তিনটা ছায়া দাঁড়িয়ে আছে…
যেন কেউ একে আঁকতে চেয়েছিল ভেজা রক্ত দিয়ে।

🌑 পুরোনো বাক্স – পর্ব ৪
তিন কিশোরের নিখোঁজ হওয়ার পর গ্রামটা যেন মৃত্যুশূন্য নীরব হয়ে গেল।
কেউ কথা বলে না, রাত নামলেই সবাই দরজা জানালা বন্ধ করে ফেলে।

কিন্তু ভয় এখানেই শেষ নয়…
প্রতি রাতেই সেই বাড়ি থেকে শোনা যায় তিনজনের কণ্ঠস্বর—
একবার আরিফের, একবার রাহুলের, আবার কখনও সুদীপের…
তারা যেন সাহায্য চাইছে—
“আমাদের বের করো… বাক্সটা খুলো…”

গ্রামের পুরনো পণ্ডিত হরিদাস তখন সবাইকে এক গোপন সত্য বলল—

“এই বাক্সের ভেতরে বন্দি আছে এক অভিশপ্ত আত্মা, নাম তার ছায়ামুখ।
শত বছর আগে কালো যজ্ঞ করে তাকে বন্দি করা হয়েছিল।
তার একটাই উদ্দেশ্য—
প্রতি একশো বছরে নতুন শরীর খুঁজে বেরিয়ে আসা।”

গ্রামবাসীরা শিউরে উঠল।
তাহলে? শুভ আর ওই তিন কিশোর কি তবে ছায়ামুখের খপ্পরে?

সেদিন রাতে হরিদাস একা মন্ত্র পড়ে বাড়িটার দিকে এগোল।
বাক্সটার সামনে পৌঁছে সে তাবিজ ছুঁড়তেই হঠাৎ বাক্সটা কেঁপে উঠল!
ভেতর থেকে আসতে লাগল বিকট গর্জন আর ফিসফিস—

“আমাকে থামাতে পারবে না… আমি ইতিমধ্যেই তাদের ভেতর ঢুকে গেছি…”

হরিদাস কাঁপতে কাঁপতে বুঝল—
বাক্সটা এখন শুধু একটা কফিন নয়, বরং তিনটা নতুন শরীরের সঙ্গে ছায়ামুখের আস্তানা।

এবং তখনই…
তিনটা পরিচিত ছায়া তার দিকে এগিয়ে এল—
তাদের মুখ শুভ, আরিফ, রাহুল… কিন্তু চোখে শুধু কালো শূন্যতা।

💀 পুরোনো বাক্স – পর্ব ৫
হরিদাস তাবিজ হাতে দাঁড়িয়েছিল, কিন্তু সামনে দাঁড়ানো ছায়াগুলো—শুভ, আরিফ আর রাহুলের দেহে এখন কেবল ছায়ামুখের অন্ধকার।
তাদের চোখে কোনো আলো নেই, শুধু কালো গভীর গহ্বর…

“ফিরে যাও…! তোমরা মানুষ নও এখন!” — চিৎকার করল হরিদাস।
কিন্তু ছায়ারা একসাথে ফিসফিস করে উঠল—
“আমরা মুক্ত… আমরা এখন তার সন্তান…”

এক ঝাপটায় তিনজন একসাথে হরিদাসের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ল।
তাবিজ থেকে আগুনের মতো আলো বেরোল, তাদের আক্রমণ থেমে গেল কিছুক্ষণ।

তখন বাক্সটার ঢাকনা নিজে থেকেই ধীরে ধীরে খুলে গেল।
ভেতর থেকে এক অদৃশ্য অন্ধকার ধোঁয়ার ঢেউ ছুটে বেরোল।
তার ভেতর থেকে একটা বিকৃত কণ্ঠ শোনা গেল—

“হাজার বছর আমি বন্দি… এখন আমি পুরোপুরি মুক্ত হবো…”

হরিদাস কাঁপতে কাঁপতে মন্ত্র পড়তে লাগল।
হঠাৎ ঘরের মেঝে ফেটে গেল, কালো কুয়াশার ভেতর থেকে একটা অবয়ব গড়ে উঠতে লাগল—
দীর্ঘ দেহ, মুখ নেই… শুধু ফাঁপা শূন্যতা আর দাত বের করে হাসির শব্দ।

এটাই ছায়ামুখ।

সে গর্জে উঠল—
“আমাকে থামাতে চাইলে তোমাদের সবাইকে আমি গিলে নেবো…”

হরিদাস শেষ চেষ্টা করল—নিজের রক্ত দিয়ে মন্ত্র লিখে বাক্সটার গায়ে আঁকল।
কিন্তু ছায়ামুখ হেসে বলল—
“তোমাদের মন্ত্রে আমার আর কিছু হবে না… আমি ইতিমধ্যেই পৃথিবীতে পা রেখেছি…”

হঠাৎ পুরো বাড়িটা কেঁপে উঠল, চারদিকে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ল…
আর গ্রামবাসীরা দূর থেকে শুধু দেখল—
পরিত্যক্ত বাড়িটার ভেতরে এক ভয়ঙ্কর কালো আগুন জ্বলে উঠেছে!

🌑 পুরোনো বাক্স – পর্ব ৬
পরিত্যক্ত বাড়িটার ভেতর কালো আগুন জ্বলছিল।
চারদিক যেন গিলে নিচ্ছিল সেই অন্ধকার।
গ্রাম থেকে ভয়ে মানুষ দূরে দাঁড়িয়ে শুধু দেখছিল—
বাড়িটার ভেতর থেকে চিৎকার, হাসি আর ভয়ঙ্কর গর্জনের শব্দ ভেসে আসছে।

হরিদাস শেষ চেষ্টা চালাচ্ছিল।
মন্ত্র পড়তে পড়তে নিজের বুক থেকে তাবিজ খুলে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলল।
কিন্তু তাবিজ আগুনে গলে গেল মুহূর্তেই।

হঠাৎ ছায়ামুখের অট্টহাসি ভেসে এল—
“তোমাদের যুগ শেষ… এখন পৃথিবী হবে আমার অন্ধকারের রাজ্য…”

বাক্সটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।
যেই মুহূর্তে সেটা ভাঙল,
আকাশ ঢেকে গেল কালো মেঘে, বাতাসে ছড়িয়ে পড়ল দুর্গন্ধ,
আর নদীর পানি পর্যন্ত কালো হয়ে উঠল।

গ্রামের লোকজন পালাতে চাইলো, কিন্তু দেখে…
তাদের চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে শুভ, আরিফ, রাহুল—
কিন্তু তারা আর মানুষ নয়।
তাদের মুখ বিকৃত, চোখ শূন্য, কণ্ঠে শুধু একটাই শব্দ—
“আমরা ছায়ার সন্তান… তোমরাও হবে আমাদের মতো…”

লোকেরা দৌড়াতে লাগল, তবু যতই দৌড়ায়,
তাদের পেছনে অন্ধকার ছায়া তাড়া করতে লাগল।

হরিদাস শেষবারের মতো চিৎকার করে উঠল—
“কেউ যদি সত্যিকারের সাহসী হয়, তবে বাক্সের ছাই নদীতে ফেলো… এটাই শেষ আশা…!”

#ভুতেরগল্প #ভুতুড়ে #রিক্যাট #ফলো #ভয়ঙ্কর_রাত্রি #ভূতেরপোস্ট #ভয়ের_অভিশাপ #ভৌতিকবাক্স #বাংলা #কলকাতা #হাইলাইটসシ゚ #ভূত #অলৌকিক #ভয় #প্রেত #রহস্য #ভুতেরগল্পঃ #ভুতের #লাইক #ওয়েস্টবেঙ্গাল #বিরল #পুরানো #বাস্কো #ফোলো

🤔কিন্তু প্রশ্ন হলো—
কে সেই সাহস দেখাবে?
কারণ বাক্সটা এখন আর বাক্স নেই—🥡
🫥এটা হয়ে গেছে ছায়ামুখের হৃদয়…

🥡 এই গল্পের পরের পর্ব জন্য কমেন্ট করুন শুধুমাত্র আমাদের এই পেজ এ #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার #ফলো করে রাখুন আর রকম গল্পের জন্য !

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kolkata