ঘটনা ১ - হায়দরাবাদ ইভেন্টে যখন লোকাল ফুটবলারদের হাতে মেসি ট্রফি তুলে দিচ্ছিলেন, তখন পাশ থেকে একজন প্রেজেন্টার রাহুল গান্ধীকে সামনের সারিতে এগিয়ে আসতে বলেন, যাতে বেশ ভাল একটা গ্রুপ ফটো তোলা যায়। রাহুল সঙ্গে সঙ্গে হাত বাড়িয়ে আগে বাকি ফুটবলারদের এগিয়ে আসতে বলেন। কারণ, ট্রফিটা তাদেরই প্রাপ্য। ভোটভাগ্য না থাকলেও এটুকু সভ্যতা-ভদ্রতা রয়েছে 'পাপ্পু'-র মধ্যে!
ঘটনা ২ - তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী আজ প্রায় সর্বক্ষণ মেসির সঙ্গে ছিলেন। মেসির পাশাপাশি হেঁটেছেন, ওয়ান-টাচ ফুটবল খেলেছেন, ফটোসেশন করেছেন। কিন্তু প্রত্যেক মুহূর্তে মেসির থেকে অন্তত দু-তিন হাত দূরত্ব বজায় রেখেছেন তিনি! একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও সেই ঔদ্ধত্যটা তার মধ্যে ছিল না যে মেসির সঙ্গে যা খুশি তাই করা যেতে পারে!
ঘটনা ৩ - একটা ভিডিওতে দেখলাম, গলায় আইডি কার্ড ঝোলানো এবং টুপি পরিহিত একজন ব্যক্তি (সম্ভবত ম্যানেজমেন্ট টিমেরই কেউ) দূর থেকে হাতজোর করেই মেসিকে অভিবাদন জানাচ্ছেন। তার ধারেকাছে কেউ নেই, চাইলেই হ্যান্ডশেক করে আসতে পারতেন, কিন্তু তিনিও সভ্যতা-ভদ্রতা-শিক্ষার পরিচয়টুকুই দিলেন।
আর কলকাতায়? সন্তোষ ট্রফিজয়ী বাংলা দলকে ইভেন্টে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েও শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল করে দেওয়া হয়! রাজ্যের মন্ত্রী মেসির কোমরে হাত দিয়ে এমনভাবে ছবি তোলেন যেন তারা কত বছরের বন্ধু! র্যান্ডম অজ্ঞাতপরিচয় কোনও এক কেউকেটা রডরিগো ডি পলের হাত ধরে টেনে সেলফি তোলার চেষ্টা করে! ছ্যাঃ!
মেসি আজ বেশ কয়েকটা ভলি মেরেছেন হায়দরাবাদ স্টেডিয়ামের গ্যালারির উদ্দেশে। মেসির পায়ে ছোঁয়া বল উপহার পেয়েছেন কিছু ভাগ্যবান দর্শক! সল্টলেক স্টেডিয়ামেও এমনটা হতে পারত! কিন্তু এই রাজ্যের মানুষ আসলে মেসির বল ডিজার্ভই করে না! আমাদের রাজ্যবাসীর জন্য ঐ 'খেলা হবে' মঞ্চ থেকে ছোঁড়া বলই ঠিক আছে!
থ্যাংক ইউ হায়দরাবাদ। থ্যাংক ইউ ফর নট হিউমিলিয়েটিং আস এগেইন! ❤️
West bengal congress
ভারতকে জুড়ুন, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে থাকুন।
29/10/2025
किसानों के साथ 🌾
महागठबंधन सरकार
02/10/2025
The philosophy of the RSS as articulated by Savarkar 👇
29/09/2025
Wishing everyone a vibrant and joyful Durga Puja! May the blessings of Maa Durga fill every home with happiness, health, and prosperity. Warm festive greetings from West Bengal Congress.
13/08/2025
নিজে আক্রান্ত হয়েছি, তবুও রাহুল গান্ধীকেই সেলাম - অমিতাভ চক্রবর্তী
এই দেশ গুরু নানক- মহাত্মা গান্ধীর দেশ। গুরু নানক বিশ্বাস করতেন যে, অভ্যন্তরীণ শান্তির জন্য এবং একটি ন্যায়সঙ্গত ও বোধগম্য পৃথিবী তৈরির জন্য ক্ষমা অপিরিহার্য্য। আর মহাত্মা গান্ধী বলতেন, “দুর্বলরা কখনও ক্ষমা করতে পারে না। ক্ষমা হলো শক্তিশালীদের বৈশিষ্ট্য।" তিনি বিশ্বাস করতেন যে, ক্ষমা দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং শক্তি এবং নৈতিক সাহসের প্রদর্শন। গান্ধীর কাছে, ক্ষমা ছিল তাঁর অহিংসা এবং সত্য দর্শনের একটি মূল উপাদান।
ভারতের সংবিধান তো এইসব বিশ্বাসের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর, ভারতীয় গণ পরিষদে দেশের সংবিধান গৃহীত হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সংবিধানের ছত্রে-ছত্রে ৫০০-১০০০ বছরের ভারতের মূল ধারণাই লেখা হয়েছে।
কংগ্রেসের সংবিধান যাঁরা লিখেছিলেন তাঁরাও তো এক একজন দেশের সংবিধানের খসড়া কমিটির সদস্য ছিলেন। তাই কংগ্রেসের মূল ভিত্তি যাঁরা নিজের হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করবেন, তাঁরাই রাহুল গান্ধীকে বুঝতে পারবেন।
গতকাল সারাদিন বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম এবং আজ সংবাদপত্র গুলিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অসুস্থ সাংসদদের রাহুল গান্ধী শুশ্রূষা করছেন, সেই ছবি দেখে বাংলার কংগ্রেসের অনেকেই উষ্মা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তিনি তো রাহুল গান্ধী, যাঁর মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত কংগ্রেসের আদর্শে সংপৃক্ত। আমরা যদি এভাবে ভাবি, রাহুল গান্ধী এমনই একজন সাহসী মানুষ,যে দলের নেতারা প্রায় প্রতিদিন তাঁকে সমালোচনা করেছেন, তাঁদেরও রাহুল গান্ধী ক্ষমা করতে জানেন।
অন্যদিকে, এই রাজ্যে কংগ্রেস কর্মীদের উষ্মা প্রকাশ যে একদম অন্যায্য- সেটাও তো কেউ বলতে পারবে না। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে পৌরসভা নির্বাচন - সব নির্বাচনেই তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের তান্ডব কেউই ভোলে নি। শুধুমাত্র নিজের দলের লোকদের বাঁচাতে ‘ন্যায্য-অন্যায্য’ শিক্ষকদের তালিকা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জমা না দেওয়াতে; নির্দোষ, মেধাবী, যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি চলে গেল। আমাদের কর্মীরা যখন এগুলির সঙ্গে গতকালের ছবিগুলো মেলান, তখন তাঁদের হতাশা তো অমূলক হতে পারে না।
যাঁরা অভিমান করছেন, তাঁদের সমব্যথী তো আমি নিজেই। ১৯ই ডিসেম্বর, ২০২১, গত কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনে আমার মত ষাটোর্দ্ধ মানুষকেও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা নির্বিচারে আক্রমণ করেছিল ( ছবি দিয়ে দিলাম), সেদিন ওই সিঁড়ি দিয়ে পড়ে গেলে বেঁচে থাকতাম কিনা জানিনা। কিন্তু সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে, আমি নিজে অত্যাচারিত হয়েও গতকালের তৃণমূলের সাংসদদের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর ছবি আমাকে ব্যথিত করে না। আজ খবরের কাগজে তৃণমূলের আহত মহিলা সাংসদদের সাহায্য করতে, একদিকে রাহুল গান্ধী অন্যদিকে সিপিআই (এম) এর সাংসদ জন ব্রিটাসকে দেখলাম। কই তাই নিয়ে তো সিপিআই(এম) এর কর্মীদের কোনও ক্ষোভ দেখছি না। কালীগঞ্জের উপনির্বাচনের ফলাফলের দিন সিপিআই(এম) -এর এক কর্মীর ৯ বছরের সন্তান তামান্নাকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বোমা ছুঁড়ে হত্যা করল। তাও ওদের কয়েকজন সামাজিক মাধ্যমে রাহুল গান্ধীর পক্ষেই লিখলেন যে, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই কাজ একজন নেতার, রাহুল গান্ধী এবং জন ব্রিটাস সেই কাজটাই করেছেন। ওঁরা তো তৃণমূলের বিরুদ্ধেই লড়ছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আমাদের কেউ বারণ করেছে বলে তো আমি শুনিনি।
রাহুল গান্ধী নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শুধু ভোট চুরির অভিযোগ করেননি, তিনি সেটা প্রমান করে দিয়েছেন। আর- আমরা নিজেদের বুথে এই কাজটা না করে, শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনাই করব ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
104E, Drive Lalmohon Bhattacharjee Road
Kolkata
700014
