12/04/2026
🟥 সরকারি নিয়োগ নিয়ে বর্তমান রাজ্য সরকারকে যত কম নম্বর দেওয়া যায় ততই ভালো।
🟥 কিন্তু যে জিনিসটা আলোচনায় থাকে না সেটা হল বিগত কয়েক বছর নিয়োগে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টে কি ধরনের নোংরামি হয়েছে ভাবা যাবে না।
🟥 ২০১৪ সালের আগে চলে যান। তখন প্রত্যেকটা ব্যাংক আলাদা করে নিয়োগ করত। সারা বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে বিপুল নিয়োগ হতো। তারপর ক্ষমতাসীন দল নতুন টোপ দিল। IBPS পরীক্ষার নামে সব ব্যাংকের পরীক্ষাগুলোকে এক ছাতার তলায় আনা হলো।। তারপর নিয়োগকে প্রায় ৮০% কমিয়ে ফেলা হয়েছে। আগে যেটা বছরে লাখের কাছাকাছি ব্যাংকে নিয়োগ হত এখন সেটা কয়েক হাজারে নেমে এসেছে। চালাকি করেই নিয়োগ কে নামিয়ে আনা হয়েছে।
🟥 একটা বড় সংখ্যক প্রান্তিক ও দরিদ্র পরিবারের পরিশ্রমী ছেলেরা আর্মিতে স্থায়ী নিয়োগ পাওয়ার ও পরিবারের স্বপ্ন পূরণের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করত। এখন চলে এসেছে
অগ্নিপথ স্কিম।। এর অধীনে মাত্র চার বছরের জন্য চাকরিতে রাখা হয় এবং তারপরেই ৭৫ পার্সেন্ট যুবককে ছেঁটে ফেলা হয় চাকরি থেকে। বেহাল নিয়োগ দশা।
🟥 কেন্দ্রীয় সরকারের স্টাফ সিলেকশন কমিশন গঠনের পর থেকে এর নিয়োগ নিয়ে কখনোই বড় কোন প্রশ্ন চিহ্ন ওঠেনি। তবে এরা সেটাও করে দেখিয়েছে। দিল্লির রাজপথে তরুণ ভারতীয় প্রজন্মকে অবস্থান ধর্নায় বসতে হয়েছে, শুধুমাত্র স্টাফ সিলেকশন কমিশনের নিয়োগের জন্য।
🟥 আগে শিক্ষিত তরুণদের কাছে একটা বড় স্বপ্ন ছিল রেলের চাকরি। সেটাও এখন বিশ বাঁও জলে। কর্মী নিয়োগ হয় না। দুর্ঘটনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে ভারতীয় রেল। বেশ কয়েকটি রিপোর্টে উঠে এসেছে দিনের পর দিন বিশ্রাম ছাড়া ডিউটি করতে গিয়ে কিভাবে কর্মীরা ক্লান্ত হয়েছেন এমনকি ঘুমিয়ে পড়েছেন।
আট ঘন্টা ডিউটি কোথাও ১০ ঘন্টা আর কোথাও বারো ঘন্টা চলছে। একই বেতনে। কর্মীর হাহাকার একাধিকবার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনগুলি বন্ধের ডাক দিলেও সরকার কর্ণপাত করেনি।
🟥 বিভিন্ন নিয়োগ গুলিতে বিপুল টাকা নেওয়া হচ্ছে। আগে চাকরির পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করতে যা খরচ হতো, এখন সেটি প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। কোন কোন পরীক্ষার শ্রেষ্ঠ ফর্ম ফিলাপ করতে গেলেই ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত লাগছে। উদ্দেশ্য একটাই, যাতে টাকার অভাবে বেশিরভাগ ছেলে মেয়ে এপ্লাই করতেই না পারে। এ কেমন নিষ্ঠুরতা!
🟥 বেসরকারি চাকরি থেকে সরাসরি UPSC পরীক্ষা না দিয়েই সিনিয়র আইএএস এর সমমানের পদে নিয়োগ করার বুদ্ধিটাও এদেরই। কারা এই কোটার চাকরি পাবে সবাই জানে।। পরীক্ষা না দিয়েই সিনিয়র আইএএস লেভেলের পদ! ভাবা যায়!!
🟥 আরেকটা নোংরামির কথা না বললে সবকিছু অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
আচ্ছা একজন মধ্যপ্রদেশের ক্যান্ডিডেট কে যদি হরিয়ানাতে পরীক্ষার সিট ফেলা হয় বা ঝাড়খণ্ডের চাকরি প্রার্থীর সিট যদি কেরালায় পড়ে তার অর্থ কি দাঁড়ায়? বিপুল খরচ করে ট্রেনের টিকিট কেটে হোটেল ভাড়া করে থেকে শুধুমাত্র একটা পরীক্ষা দিতে যেতে হবে!!! দরিদ্র ছেলে মেয়েরা এটা এফোর্ড করতে পারবেন? কি ভাবছেন এটা আবার হয় নাকি? তাহলে শুনুন এটা চলছে। ইচ্ছাকৃতভাবে করা হচ্ছে যাতে গরীব ছেলেমেয়েরা এই চাকরির পরীক্ষার জগতে আসতেই না পারে। প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে।
✅✅ এবার বলুন এদের মুখে বাংলায় ভোটের আগে এই সমস্ত দাবিগুলি মানায়?????
🟥
🟥আর একটা বিশেষ নোংরামির কথা বলতেই হবে যেটা সকলে জানেন না।