17/03/2026
বিধানসভা নির্বাচন 2026 এর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা। কি কি চমক? একনজরে দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা।
Welcome to The Narrative Analyst -Here we discussed socio-political & current issues in a simple way.
17/03/2026
বিধানসভা নির্বাচন 2026 এর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা। কি কি চমক? একনজরে দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা।
27/02/2026
মানবতা ও ন্যায়ের ঊর্ধ্বে স্বার্থ যখন প্রাধান্য পায়!!!
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রতিটি দেশ তার নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায় এটাই স্বাভাবিক। এখানে কোনটা ঠিক কোনটা ভুল বা সত্য-মিথ্যা বিচার করে কাউকে বন্ধু বা কাউকে শত্রু মনে করার কোনো অবকাশ নেই। সুতরাং নিজ-দেশের স্বার্থের জন্য একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তা সে হোক না যতই রক্তমাখা হাত!
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল কোর্ট 2024 সালে ওয়ার ক্রিমিনাল নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করেছে। ১২৪ ICC সদস্যযুক্ত কোনো দেশে নেতানিয়াহু পা রাখলেই তাকে অ্যারেস্ট করা হতে পারে। এইজন্য নেতানিয়াহু বর্তমানে ইউরোপের প্রায় সমস্ত দেশে ব্যান হয়ে আছে। যে সমস্ত দেশ একসময় ইজরায়েলের সঙ্গী ছিল তারাও বর্তমানে ধীরে ধীরে ইজরায়েলের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন। কিন্তু এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েল সফর ও ক্রিমিনাল নেতানিয়াহুকে জড়িয়ে ধরা, তার প্রশংসা করা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নিজের দেশেই দুর্নীতির মামলা চলছে; সেই সঙ্গে যুদ্ধের আবহে দেশটির অর্থনীতি বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়েছে। জোর করে প্যালেস্টাইনের জায়গা দখল সহ নিরীহ প্যালেস্তাইন মানুষদের হত্যার অপরাধে; বিশেষ করে লক্ষ লক্ষ শিশুকে খুন ও জেনোসাইড অপরাধে নেতানিয়াহু নিজের দেশেই প্রতিবাদের সম্মুখীন হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে মোদীর ইজরায়েল সফর করা ও ইজরায়েল কে Fatherland অর্থাৎ পিতৃভূমি সম্বোধন করা ভারত-ইজরায়েল কূটনীতিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বিশেষ বার্তা বহন করে। এরফলে নেতানিয়াহুর দিক থেকেও এটি একটি বার্তা বহন করে যে, বিশ্বের একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রশংসা করছেন ও ইজরায়েলের মতো অন্যদেশের জায়গা দখল করে তৈরি হওয়া একটি রাষ্ট্রে সফর করছেন। আর এটাই চায় বর্তমান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। যত বেশি রাষ্ট্র নেতানিয়াহুর পক্ষে থাকবে, তত বেশি সে দুর্বল রাষ্ট্রের উপর আক্রমণ করতে পারবে, তাদের জমি দখল করতে পারবে, আরো বেশি বেশি শিশু খুন করতে পারবে। এছাড়াও "হেক্সাগন অ্যালায়েন্স" গঠনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।
অন্যদিকে ভারতের স্বার্থ হলো প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র আমদানি, আয়রন ডোম মিসাইল সহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও সাইবার নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো উন্নত করা।
22/02/2026
তৃণমূল কংগ্রেসের সাফল্য নাকি সিপিএম -এর ব্যর্থতা?
প্রতীক উর রহমানের দলত্যাগ নিয়ে অনেক সমালোচনা, তর্ক বিতর্ক হচ্ছে আরো হবে। কিন্তু রাজনীতির ময়দানে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হলো ওনার দল ত্যাগে তৃণমূলের সাফল্য নাকি সিপিএমের ব্যর্থতা -কোনটা বেশি দায়ী? এই নিয়ে ব্যক্তি বিশেষে মতভেদ থাকতে পারে। এক্ষেত্রে বলা যায় অবশ্যই এটা তৃণমূলের একটা বড় সাফল্য। কিন্তু এক্ষেত্রে তারচেয়েও বেশি দায়ী সিপিএম - এর উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বরা ও অবশ্যই সাংগঠনিক স্তরের নেতৃত্বরা।
আসল যে কথাটি সেটি হলো, ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু শক্তিতে পরিণত হওয়া সিপিএম তার নেতা সমর্থকদের ধরে রাখতে পারছে না এটা অবশ্যই সিপিএমের বড় ব্যর্থতা। শুধু যে নীতি নৈতিকতা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে টিকে থাকা যায় না এটা যত তাড়াতাড়ি সিপিএম বুঝবে তত তাড়াতাড়ি এটা বাংলার বামপন্থীদের জন্য মঙ্গল। তা নাহলে প্রতীক উর রহমানের মতন করে একের পর এক যুবনেতা ও নয়া প্রজন্মের রাজনীতির মুখ গুলোকে হারিয়ে ফেলবে।
প্রতীক-উর রহমান নিজে তাঁর পদত্যাগপত্রে সুনির্দিষ্ট ভাবে কোনো কারণ উল্লেখ না-করলেও মহম্মদ সেলিম ও হুমায়ুন আহমেদের মধ্যে বৈঠক নিয়ে তিনি যে ক্ষুদ্ধ হয়েছিলেন এটা তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। সিপিএমের তরফে যদিও বলা হয়েছে বৈঠকটা শুধুমাত্র হুমায়ূনের 'মনবোঝা’র জন্য ছিল। কিন্তু এই প্রেক্ষাপটে প্রতিক উর রহমানের দল ত্যাগের সিদ্ধান্ত জনমানসে আলোচিত হলেও এটাই যে একমাত্র কারণ নয় তা সহজেই অনুমেয়। প্রতীক উর রহমান সিপিআইএম দলের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব ও তার গুরুত্ব না পাওয়া একটি অন্যতম কারণ। এছাড়াও ব্যক্তিগত অনেক কারণ থাকতেই পারে। যেগুলো আমরা ভবিষ্যতে তৃণমূলে থেকে প্রতীক উর রহমানের কার্যকলাপ কেমন হয় তা দেখার পরেই জানতে পারবো।
যদিও বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে এটা বলা যায় যে, প্রতীক উর রহমান তৃণমূলে যোগদানে সিপিএমের নতুন করে কোনো ক্ষতি হয়নি। উনি সিপিএমে থেকেও সিপিএম শুন্য, আবার সিপিএম ছেড়ে যাওয়াতেও সিপিএম সেই শুন্যই। বরং ওনার তৃণমূলে যোগদানে তৃণমূলের অনেক বেশি লাভ হয়েছে। কারণ, বর্তমানে তৃণমূল দলটিতে কোন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মুসলিম মুখ নেই। যে কজন আছেন তারা দূর্নীতিতে বিদ্ধ তাদের গ্রহণযোগ্যতা নেই বললেই চলে। ফলে তৃণমূলের থেকে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধীরে ধীরে অন্য দলে শিফট হতে শুরু করেছে। এই ভোট ব্যাংক টা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ভাঙ্গর সহ ক্যানিং এবং দক্ষিণ 24 পরগনার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে নওশাদ সিদ্দিকি ও ISF -এর উত্থান এর একটা বড় উদাহরন। এছাড়াও মুর্শিদাবাদ ও মালদা তো বরাবরই কংগ্রেসের গড় নামে পরিচিত। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস গত লোকসভা নির্বাচনে ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করে বহরমপুর কেন্দ্রে জিতিয়ে এনেছেন তবুও বলা যায় বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক শিফট হতে শুরু করেছে ISF -এর দিকে বা অন্যান্য দল গুলির দিকে। সুতরাং প্রতীক উর রহমানের মতন একজন স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন যুবক, যার নামে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই এমন নেতাকে তৃণমূল কংগ্রেসে যুক্ত করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুসলিম ভোট টাকে পুরোপুরি তৃণমূলের দিকে টানতে এবং সংখ্যালঘুদের একজন স্বচ্ছ মুখ হিসেবে দেখানোর একটা ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে এটা বোঝার অপেক্ষা থাকে না।
নেতার চেয়ে নীতি বড়, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। এটাই হল মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির সারকথা। বামপন্থী মতাদর্শ মেনে চলা সিপিআইএম পার্টি লাইনের সঙ্গে নেতা-নেত্রীদের বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন মত তৈরি হয়েছে। কিন্তু কঠোর অনুশাসনের মধ্যে বাঁধা সিপিআইএম বরাবরই দলীয় লাইনকেই মান্যতা দিয়েছেন। তার ফলে অনেক সময় বহিষ্কৃত হতে হয়েছে বহু বড় বড় লাল- ঝান্ডাধারী নেতাকেও। আবার দলীয় লাইনের সঙ্গে মতানৈক্যের কারণে নিজে থেকে দল ছেড়ে দেওয়ার নজিরও সিপিএমে রয়েছে। আর সেই নজিরে আরেক নাম যুক্ত হলো প্রতীক উর রহমান।
18/02/2026
Isn't it an International shame for us? 😞
হ্যাঁ, আমাদের জন্য এটা একটা আন্তর্জাতিক লজ্জা।
চায়নার বানানো রোবটকে নিজেদের বলে দাবি করে Galgotias University. আমাদের মন্ত্রীমশাই আবার সেটাকে টুইট করেন গর্বের সহিত। চুরি করে ধরা পড়ার পরে চোর কি কখনও নিজে স্বীকার করে? তাই খুব সুচতুর ভাবে Galgotias University -র অধ্যাপিকা নিজেদের দোষকে এড়িয়ে গিয়ে মিডিয়ার সামনে বাইট দিচ্ছেন। এদেরকেই বলে শিক্ষিত চোর। ঘটনা হলো চায়নার বানানো রোবট নিজেদের বলে দাবি করে ধরা পড়েন গলগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়; ফলে থেকে stall তুলে দেওয়া হয়। এইতো আমাদের দেশে শিক্ষার হাল।
আমাদের আত্মসমালোচনা ভীষন জরুরী। আমাদের দেশে শিক্ষা চুরি, স্বাস্থ্য চুরি, সার্টিফিকেট চুরি, মার্কশিট চুরি, ডিগ্রি চুরি, চুরি করে PhD'ও হচ্ছে; এখন টাকা দিয়ে সব কিছু কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের সরকারের দুর্নীতি ও অব্যবস্থার ফলে দেশের প্রতিভাবানরা বিদেশে চলে যাচ্ছে উন্নত শিক্ষা লাভের আশায়; উন্নত প্রযুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার আশায়। অথচ আমরা সরকারকে ভরে ভরে ট্যাক্স দিচ্ছি। কিন্তু আমাদের ট্যাক্সের টাকা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি খাতে ব্যয় করা হয় না। হলেও সেটা খুব সামান্য, বিন্দু মাত্র। এই দেশে চাল চোর দেখেছি, রেশন চোর দেখেছি, কয়লা-বালি চোর দেখেছি, চাকরি চোর দেখেছি, এবার রোবট চোর দেখলাম। এ লজ্জা ঢাকি কোথায়?