যারা বাংলার মুশকিল আসান, যারা বাংলার আত্মসম্মান!
তাদের মুখেই শুনে নিন বাংলার জয়গান 👇🏼
Information and Cultural Affairs Department
Information and Cultural Affairs Department, Government of West Bengal
আট থেকে আশি বাংলায় সবাই খুশি
বাংলার প্রতিটি পরিবারের জন্য খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থান নিশ্চিত করেছে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। খাদ্য সাথী যেমন প্রত্যেকটা মানুষের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে, তেমনই শারীরিক সমস্যা হলে প্রতিটি পরিবারের পাশে আছে স্বাস্থ্য সাথী। বাংলার কৃষকদের কাছে কৃষকবন্ধু যেমন একটা উপহার স্বরূপ, তেমনই কন্যাশ্রী খুলে দিয়েছে মেয়েদের উচ্চশিক্ষার দ্বার, করেছে স্বনির্ভর। বাংলার মা-বোনেদের আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি যেমন সামাজিক মর্যাদা দিয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ঠিক তেমনই প্রায় ৩২ লক্ষ পরিবারের মাথায় পাকা ছাদের ব্যবস্থা করেছে বাংলার বাড়ি। গত ১৫ বছরে যেভাবে বদলে গিয়েছে বাংলার জীবনযাত্রা, তাতে দারুণ খুশি সবাই।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে নিউটাউন আজ বাংলার গর্ব
পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনায় রূপায়িত নিউটাউন আজ এক অত্যাধুনিক নগরী। একদা এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল জলাভূমি, মানুষের বাস তেমন ছিল না। আজ তা পরিণত হয়েছে বিশ্বমানের পরিকাঠামোয় সমৃদ্ধ এক স্মার্ট সিটিতে। এখানে সুউচ্চ আবাসন, অত্যাধুনিক আইটি হাব এবং আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে ইকো পার্ক, মিউজিয়ামের মতো পর্যটন কেন্দ্র।
বিশ্ব বাংলা গেট ও কফি হাউসের মতো স্থানগুলো শহরের আভিজাত্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগের এক মিলনস্থল হিসেবে নিউটাউন আজ কেবল কলকাতার 'ক্রাউন' নয়, বরং ভবিষ্যতের এক উজ্জ্বল দিশারি। আর সবটাই সম্ভব হয়েছে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাভাবনার জন্যই।
New Town Empowering Progress | An Initiative by HCM Mamata Banerjee
পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনায় রূপায়িত নিউটাউন আজ এক অত্যাধুনিক নগরী। একদা এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল জলাভূমি, মানুষের বাস তেমন ছিল না। আজ তা পরিণত হয়েছে বিশ্বমানের পরিকাঠামোয় সমৃদ্ধ এক স্মার্ট সিটিতে। এখানে সুউচ্চ আবাসন, অত্যাধুনিক আইটি হাব এবং আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে ইকো পার্ক, মিউজিয়ামের মতো পর্যটন কেন্দ্র।
বিশ্ব বাংলা গেট ও কফি হাউসের মতো স্থানগুলো শহরের আভিজাত্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগের এক মিলনস্থল হিসেবে নিউটাউন আজ কেবল কলকাতার 'ক্রাউন' নয়, বরং ভবিষ্যতের এক উজ্জ্বল দিশারি। আর সবটাই সম্ভব হয়েছে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাভাবনার জন্যই।
বিনামূল্যে সুচারলেস হার্ট ভালভ প্রতিস্থাপনে নজির গড়ল বাংলা | Swasthya Sathi
পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবায় সূচিত হল এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ উদ্যোগে এসএসকেএম হাসপাতালে রাজ্যের মধ্যে প্রথম সফলভাবে প্রতিস্থাপিত হল অত্যাধুনিক 'সুচারলেস হার্ট ভালভ'।
সরকারি হাসপাতালে এমন জটিল অস্ত্রোপচার বাংলার চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক বিশাল মাইলফলক। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যয়বহুল পরিষেবা প্রদান করে মা-মাটি-মানুষের সরকার আবারও প্রমাণ করল, সাধারণ মানুষের সেবাই আমাদের পরম অঙ্গীকার।
আধুনিক পরিকাঠামো আর মানবিক সংকল্পে বিশ্বমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা এখন বাংলার মানুষের হাতের নাগালে।
কর্মসংস্থানের প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে যুবসাথী | Yuva Sathi
কর্মসংস্থানে উৎসাহ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার চালু করেছে 'বাংলার যুবসাথী' প্রকল্প। এই প্রকল্পে প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা (বছরে ১৮,০০০ টাকা) করে প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।
যুবসাথী প্রকল্প তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি ও চাকরির প্রস্তুতির এক বড় অবলম্বন। এর মাধ্যমে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে উৎসাহী হবে যুব সমাজ। এভাবেই এগিয়ে চলেছে বাংলা।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে এখন আরও লক্ষ্মীলাভ মহিলাদের l Lakshmir Bhandar | Government of West Bengal
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলার সরকার 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পে মহিলাদের নববর্ষের উপহার দিয়েছে। এবার থেকে আরও ৫০০ টাকা বেশি পাচ্ছেন 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পের উপভোক্তারা। বাংলার সমস্ত নারীদের আরও স্বনির্ভর করে তুলতে, মা-মাটি-মানুষের সরকার আর্থিক সাহায্যের অঙ্ক বৃদ্ধি করেছে।
এখন থেকে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা পাচ্ছেন মাসে ১,৫০০ টাকা অর্থাৎ বছরে ১৮,০০০ টাকা। আর তপশিলি জাতি ও জনজাতির মহিলারা পাচ্ছেন মাসে ১,৭০০ টাকা, বছরে যেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ২০,৪০০ টাকা। এমন প্রকল্প সত্যিই মানুষকে ভালো না বাসলে কখনও রূপায়ণ করা যায় না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে তাই বাংলার মহিলারা আজ সত্যিই স্বনির্ভর।
যুব প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে বাংলার যুবসাথী প্রকল্প l Yuva Sathi
বাংলার প্রতিটি মানুষের পাশে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। বাংলার যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের কর্মসংস্থানে সাহায্য করার জন্য, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক অসাধারণ প্রকল্প শুরু করেছেন। বাংলার যুবসাথী প্রকল্পে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ২১-৪০ বছর বয়সিদের প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যতদিন না তাঁদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে।
জীবন-জীবিকার লড়াইয়ে মা-মাটি-মানুষের সরকারের এমন মানবিক উদ্যোগ হাসি ফুটিয়েছে বাংলার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মুখে। বাংলার যুবক-যুবতীরা তাই সগর্বে বলতে পারছেন, 'দিদির সরকার, আমার সরকার।'
স্বনির্ভর ক্ষেতমজুর, স্বনির্ভর বাংলা | ₹4,000 in Two Installments for Agricultural labourers
স্বনির্ভর যুব, স্বনির্ভর বাংলা | বাংলার যুবসাথী প্রকল্প | Banglar Yuva Sathi
স্বনির্ভর নারী স্বনির্ভর বাংলা | বাংলার মহিলাদের জন্য দিদির নববর্ষের উপহার | Lakshmir Bhandar
বাংলার বাড়ি দিয়েছে নিশ্চিন্ত আশ্রয় l Banglar Bari
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক প্রয়াসে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের মাধ্যমে আজ বাংলার ৩২ লক্ষেরও বেশি পরিবার পেয়েছে নিশ্চিন্ত আশ্রয়। মুখে হাসি ফুটেছে বহু মানুষের। দিদি পাশে আছেন চিন্তা কী! আর তাই তো,
স্বনির্ভর পরিবার
স্বনির্ভর বাংলা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Nabanna 9th Floor 325, Sarat Chatterjee Road Howrah
Kolkata
711102
