₹5 টাকায় ডাক্তার
নিয়মাবলী ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
🛑 033 2440 5178211 এই নম্বরে কল করে টিকেট করিয়ে নেবেন।
🛑এখানে 5 টাকার বিনিময়ে ডক্টর দেখানো যাবে ।
🛑যেকোনো রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসার যাবতীয় পরীক্ষা বিনামূল্যে বা 100 টাকার বিনিময়ে করানো হবে ।
🛑 OPD সময়সীমা সকাল 8 থেকে 12 টা 30 পর্যন্ত।যদি পেসেন্ট বেশি থাকে তাহলে যতক্ষণ পেসেন্ট না দেখা শেষ হয় ততক্ষণ ডক্টর দেখানো হয়।আমরা অবশ্যই সময়সীমা টাকে বাড়ানোর চেষ্টা করবো ।
🛑পারলে সকাল সকাল লাইন দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
🛑খাবার সুবন্দোবস্ত আছে।২৫ টাকার বিনিময়ে থাকা ও খাওয়া সম্পূর্ণ করতে পারবেন।
🛑যেকোনো বড়ো অপারেশন খুব খুব স্বল্প মূল্যে করা হয় এখানে।
🛑এখানে চিকিৎসার জন্য বেশিরভাগ ঔষধ বিনামূল্যে অথবা খুব খুব স্বল্পমূল্যে পাওয়া যাবে ।
🛑এটা সম্পূর্ণ রূপে খেটে খাওয়া দুস্থ গরিব মানুষদের সেবা প্রদানের স্বার্থে আমাদের একটা ছোট প্রয়াস ।কোনো দালাল বা দালাল মারফত টাকা আদান প্রদান ও বুকিং সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ।ধৈর্য সহকারে শৃঙ্খলা বজায় রেখে আপনারা আসবেন ,একজন রোগী একজন ডক্টরের কাছে ভগবান তুল্য ,আমরা আপনাদের সঠিক সেবা দানে সর্বদা সক্রিয় থাকবো ।
🛑এখানে সব রকমের চিকিৎসা হয় এবং সেটা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে।
🛑ঠিকানা এবং কন্টাক্ট নম্বর
১)211, Rash Behari Avenue, Ballygunge, Kolkata, West Bengal
033 2440 5178211, Rash Behari Avenue, Ballygunge
Kolkata, West Bengal 700019 (bharatsevashram)
২) *Ramakrishna Mission Ashrama Narendrapur,* Kolkata-700103,
West Bengal, India
৩)নিউটউন ইকোপার্ক ,WESTIN এর বিপরীতে আমার ফ্ল্যাটে ই (সাপুর্জি & THE ONE RAJARHAT ।
🟢🟢 খেটে খাওয়া মানুষের জন্য মানুষকে বাঁচানোর জন্য মানুষকে জানাবেন প্লিজ 🙏🙏🙏🙏 Share করুন ,বিষয় টি সবার কাছে পৌঁছাক ,আপনার সহায়তা বাঁচিয়ে দিক এক দুস্থ অসুস্থ মানুষের প্রাণ ।সর্বদাই আমরা মানুষের সেবা দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করবো ,ভুল ত্রুটি মার্জনীয় ,আপনাদের কে বলবো আপনারাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন ,কোন ক্ষেত্রে ,কোন দিক থেকে যে,কোন ভাবে বিষয় টি আরো ভালো করা যায় তার জন্য আপনাদের মতামত জানানোর আহব্বান করছি । উৎসাহ পেলে ভবিষ্যতে আমরা আরো BRANCH বাড়াবো।
*ডা:শুভম মুখার্জি,*
*কার্ডিওলজিস্ট,*
IPGMER and SSKM হসপিটাল ।
Revive Welfare TRUST
let's revive for a better world
Reg.No.-IV-00947
24/03/2022
ভালো ছাত্র, জিনিয়াস - এসমস্ত মন গড়া ভুয়া কথা এখনো ক্যানো যে প্রচলিত আছে আমি জানি না।
আমি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ক্লাসে সেকেন্ড লাস্ট বয় ছিলাম। ক্লাস এইট থেকে নাইন ওঠার সময় অংকে ১০০ তে ১২, বিজ্ঞান এ ১৭/১০০ আর ইংরেজিতে ২৩/১০০ পাইছিলাম। আমার পরে যে ছেলেটা ছিলো সে অসুস্থতার জন্য পরীক্ষাই দিতে পারে নাই। নইলে আমি লাস্ট বয় ই হইতাম।
ক্যাডেট কলেজে খারাপ রেজাল্ট করার যে কি অপমান তা ভুক্তভোগীই জানে। আমার একার জন্য পুরো হাউজ এর overall result খারাপ হইলো। আমার সিনিয়র রা আমাকে অনেক মারামারি করলো, বন্ধুরা টিটকারি দিলো। আর কলেজ কর্তৃপক্ষ বাইর না কইরা দিলেও তার চেয়েও বেশী অপমান করলো।
আমারে Science Group না দিয়া জোর কইরা Arts Group এ দিয়া দিলো! আমার বাবা অইদিকে বলছেন Science নিয়া পড়তে। আমারো নিজের ইচ্ছা তাই। অপমানিত, rejected, dejected, isolated শাব্বির গেলো Vice Principal এর অফিস এ। কান্নাকাটি করলাম, হাতে পায়ে ধরলাম। কিন্তু আমারে Science দিবেই না। আমি Science এর যোগ্য ই না। কয়েকদিন এর কান্নাকাটি তে একটু মন গললো উনাদের। লিখিত মুচলেকা দিলাম আমারে Science দিলে SSC HSC তে অন্তত 1st Division পাবো!
লিখিত মুচলেকা!
এর পরে আবারো অপমান, টিটকারী। কত্তদিন যে বাথরুম এ, ছাদে, অন্ধকার এ রুমে কাঁদছি। ১৪ বছর বয়সের এক বাচ্চা ছেলের অপমান সহ্য করার কি ই বা ক্ষমতা?
আর পিঠ যখন দেয়ালে তখন আয়নার সামনে দাঁড়াইয়া একদিন ঠিক করলাম,না- আর না। এই অসম্ভব অপমানের জবাবটা দেয়ার সময় আসছে!
শুরু করলাম। সব কিছু ছাড়লাম। বন্ধু বান্ধব, টিভি সিনেমা, আত্নিয় স্বজন। সব কিছু। খালি বইয়ের পাতায়। কি আছে শালা এর মধ্যে? পাগল হইলাম শুধু অপমান টার উচিৎ শিক্ষা দেবার জন্য। বাংলার প্রশ্ন উত্তর তৈরী করলাম বিশ্বভারতী র বই ঘাটাঘাটি কইরা। অংকের পারমুটেশন/ কম্বিনেশন / ইন্টিগ্রেশন রিয়েল লাইফে কিভাবে কাজ করে তা জানার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইব্রেরির রেফারেন্স ঘাটলাম। ইংরেজি কবিতার কবির জীবনী আর লিখার criticism পরলাম শুধুমাত্র একটা উত্তর তৈরী করবার জন্য। ৪ বছর প্রতিদিনে ১৪-১৬ ঘন্টা খালি বই, রেফারেন্স, খাতা, - শুধুমাত্র অপমান এর জবাব দেবার জন্য। আমার খেয়াল আছে ঈদের দিন ছুটিতে শুধু নামাজ পড়তে বাইরে গেছি। সবার বাবা মা পড়তে বলে- আমার বাবা মা বলে "বাবা এইবার থাম"। আমার বন্ধুরা বলে "তুই তো কবরে"! আমি মনে মনে বলি "একটু দাঁড়া বাপ"!
৪ বছর।
শুধু HSC Syllabus ই শেষ করেছি ৭ বার! বিশ্বাস করার কোন প্রয়োজনই নাই। অবিশ্বাস করতে থাকেন।
১৯৮৬ সালের HSC পরীক্ষার ফল বের হইলো। ক্লাশের সেকেন্ড লাস্ট বয়, অংকে ১২ পাওয়া, অপমানিত হওয়া, Science না পাওয়া ছেলে!
পুরো বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় 1st Stand করলাম প্রায় ১৫০,০০০ ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে! President ডাকলো, টিভি ডাকলো, পত্রিকায় ছবি ছাপাইলো!
Sweet revenge!
এর পর আর পিছন ফিরে তাকাই নাই। আসো শা*লা কে আসবা সামনে ?!
এই সব কিছুর মধ্যে একটা জিনিশ ই শিখলাম। খুবই important lesson learnt.
ভালো ছাত্র/ জিনিয়াস এ সব ভুং চুং মাত্র। Only frigging Hard Work is real. আসল কথা আমি কিছু সত্যিই পাইতে চাই কিনা। আমি অইটা পাইতে চাইসি, অইটা হইতে চাইছি আর পাই নাই বা হই নাই - এইটা এখন অসম্ভব! আমি যখন কোন কিছু চাইবো অইটা পাইতেই হবে আর পাবোই। না পাওয়া মানে আমি মন থেকেই চাই নাই।
বি সি এস এ ফার্স্ট হন নাই? - আপনি আসলে চান ই নাই।
ভালো ইউনিভারসিটি তে হন নাই? - আপনি আসলে চান ই নাই।
মিলিওন ডলার ব্যবসা নাই? - আপনি আসলে চান ই নাই।
আমরা শুধু success এর চেহারটা দেখেই অভ্যস্ত! এর পেছনে যে কান্না,যে ত্যাগ, যে শ্রম, যে কস্ট সেইটা দেখি না।
একটা কিছু পাইতে/ হইতে/ করতে চাইতেছেন? না পাইলে/ হইলে/ করলে সম্পূর্ণ আপনার চাওয়ার ই অনুপস্থিতিতা। ব্যাস।
রুটিন ফুটিন বাদ দ্যান। জীবনের মাইলস্টোন প্ল্যান করেন। তারপর go for it like friggin crazy. No option B. Failure is NOT accepted. Be successful or die trying.
সৃস্টিকর্তা আমাকে সৃস্টির শ্রেষ্ঠ জীব বানাইছেন। আমার চেয়ে ভালো জিনিষ বিশ্ব ব্রক্ষ্মান্ডে নাই। আমি তো হারতে পারি না। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হারতে পারেই না।
এই পোস্টের উদ্দেশ্য অহংকার করা নয় অবশ্যই। উদ্দেশ্য আপনারা যারা নিজের ওপর এখোনো সন্দেহ প্রকাশ করছেন তাদের আংগুল তুলে ভুল ভেংগে দেয়া।
-শাব্বির আহসান
ছবি ও তথ্য সৌজন্যে : বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র
22/02/2022
#ধ্বংসের_দোরগোড়ায়
ধর্ম গ্রন্থ থেকে বিজ্ঞানী সকলেই বলে গেছেন মৌমাছি শেষ হয়ে গেলে প্রায় সমগ্র জীব জগত শেষ হয়ে যাবে
আমরা কেউ গুরুত্ব দিয়ে ভাবিনা শুধু মুখে কেউ ধর্মকথা কেউ বিজ্ঞানের যুক্তি আউরে যায়।
এবার মনে হয় শেষের শুরু হচ্ছে
হাওড়া হুগলি বিভিন্ন স্থান থেকে মৌমাছির মড়ক এর ঘটনা উঠে আসছে
শহরের দিকে তো অনেকদিন ধরেই সোডা ডিসপেনসার মেশিনের সামনে আর মিষ্টির গাদে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতো মৌমাছি গুলো
গ্রামের দিকে হয়তো কিছুটা ভালো পরিবেশ ছিল
কিন্তু ইদানিং ফলন বেশি পাওয়ার তাগিদে বাধ্য হয়ে কৃষকেরা জমিতে নিয়মিত বিষ আর রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে এসেছেন বহুদিন যাবৎ
সেই ফল মৌমাছিরা পাচ্ছে মনে হয়
মৌমাছি কমে গেলে কমে যাবে পরাগ সংযোগ
ফুল থেকে ফল হবে না
নতুন উদ্ভিদ জন্মানো কমে আসবে
স্বাভাবিক ভাবেই সমগ্র বাস্তুতন্ত্রের উপর প্রভাব পড়বে
ধীরে ধীরে ভারসাম্য নষ্ট হবে।
এই সুযোগ নেবে পুঁজিপতি, তারা ল্যাবে তৈরি করা GMO foods নিয়ে আসবে
কৃত্রিম ভাবে তৈরি বীজ আর সার ওদের কাছেই কিনতে বাধ্য হবে
যা পরিবেশ এর সাথে সাথেই মানুষের শরীরেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
একমাত্র প্রকৃতির কাছে ফিরে গেলেই হয় তো শেষের শুরু শেষ করা যেতে পারে।
ছবি ঋণ : Dr সৌরভ দোয়ারি
05/01/2022
একজন শিক্ষক তাঁর যাব্বদশায় সমাজের জন্য নিবেদিত প্রাণ থাকেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরেও তার চেতনা সমাজের কল্যাণকামী হয়ে থেকে যায়।
এরকমই এক
স্কুল শিক্ষক তথা বিশিষ্ট হোমিও প্যাথিক চিকিৎসক ডা.মানিক চন্দ্র দাস
ওনার মৃত্যুবার্ষিকী তে কোনো স্মরণসভা বা সমাজের কিছু মানুষকে ভোজন না করিয়ে ওনার সুযোগ্য দুই পৌত্র দেবব্রত সাহা ও সুব্রত সাহা
অর্ধ শতাধিক বাচ্চার হাতে
খাতা
পেন
পেন্সিল বক্স
ইরেজার
ইত্যাদি শিক্ষা সামগ্রী ও কেক এর মত শুকনো খাবার তুলে দেন।
আমরা সাধুবাদ জানাই এই মানসিকতা কে তার সাথে সাথে কামনা করি এই চেতনা যেন বাকিদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ুক।
(বি দ্রঃ - বিগত তিন বছর ধরে ওনার নামাঙ্কিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমাইপারা অঞ্চলে চলছে যেখানে আর্থিক ভাবে অসহায় অথচ মেধাবীদের জন্য বিনামূল্যে বই দেওয়ার ব্যবস্থা ও আছে)
06/12/2021
জুনিয়ার উকিল,
মতিবুর রহামান , বাড়ি - ভগবানগোলা , মুর্শিদাবাদ , তার অবস্থা এখন ভালো নেই , সে বহরমপুর নিবেদিতা নার্সিংহোমে ভর্তি আছে , ডাক্তারবাবু বলেছেন তার দুটোই কিডনি বাদ হয়ে গেছে , তাকে এখন কন্টিনিউ ডায়ালিসিস করতে হবে এবং যত তারাতারি সম্ভব Kidney Transplant করতে হবে , কারো জানা থাকলে জানাবেন কিডনি কোথায় পাওয়া যেতে পারে , বা কিভাবে ব্যবস্থা করা যেতে পারে , তার রক্তের গ্রুপ AB + , যতদিন না তার Kidney Transplant করা হবে , ততদিন রক্তের প্রয়োজন হতে পারে , আপনারা একটু সহযোগিতা করবেন , এতে অনেক খরচের ও ব্যাপার আছে ।
তাই সবার কাছে অনুরোধ যে যতোটুকু পারো মতিবুর রহমান কে সবদিক থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ো 🙏
9434932082 Google pay number .
7551056630 Phone pay number .
কারো কোন কিছু জানার প্রয়োজন হলে এটা ওদের ফ্যামিলির নাম্বার এই নাম্বারে যোগাযোগ করবে 95475 01533 , 8170878169 , না হলে আমাকে ফোন করবে ( 7001983976 ইমরান আলি ) ।
ওদের ফ্যামিলির মতামত নিয়েই এই পোস্ট টি করলাম ।.....ইমরান আলি
07/11/2021
ছবির ছেলেটার নাম অনিন্দ্য। আমার একমাত্র ভাই।বয়সে আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট। আজকের লেখাটা অনিন্দ্য কে নিয়ে এবং প্রেক্ষাপটটা আমাদের ছেলেবেলাটাকে ঘিরে।
পারসোনালিটির দিক থেকে আমি ভীষণ এক্সট্রোভার্ট একজন মানুষ। ছেলেবেলা থেকেই মানুষের সাথে মিশতে পারি সহজে। যেখানেই যাই মোটামুটি আসর জমিয়ে ফেলি বলা যায়। সোশ্যাল স্কিলস ভাল। তার উপর স্কুলে ভর্তি হবার পর বিভিন্ন ক্লাসে রেজাল্ট ও ভাল হতে শুরু করল। এই সব বৈশিষ্ট্যগুলোর কারনেই ছোটবেলায় আমি ছিলাম পরিবারের 'Favourite Child'। একেবারে 'Center of Attention' এ থাকতাম সব সময়।
অন্যদিকে অনিন্দ্য ছিল ইন্ট্রোভার্ট। ভাবুক টাইপের ছেলে। ধীর স্থির। ভীষণ শান্ত স্বভাবের।ওর একটাই খুঁত যে ও আমার মত 'Performer' বাচ্চা ছিল না। মেহমান আসলে বাবা যখন বলতেন 'আংকেল কে একটা কবিতা শোনাও' তখন আমার মত হড়বড় করে ও কবিতা বলতে পারতো না। এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিতেও ছিল জঘন্য গোছের। একটা ছবি এঁকে মানুষকে তাক লাগাবার মত তেমন কিছু কখনোই ওর ঝুলিতে থাকতো না। তবে ওকে নিয়ে Greater Family এর সবচেয়ে বড় যে আপত্তি তা হল, ওর স্কুলের রেজাল্ট ছিল অত্যন্ত মাঝারি গোছের। যা দিয়ে কখনো ঠিক জাতে ওঠা যায়না।
ওর বয়স ৬-৭ হতে না হতেই শুরু হল আসল নাটক। অনিন্দ্য প্রতিদিন বুলিং এর শিকার হোত। কখনো আত্মীয় স্বজন কে দিয়ে, কখনো স্কুলের টিচার কে দিয়ে, কখনো বন্ধুদেরকে দিয়ে। আত্মীয় মহলে ওকে নিয়ে টিপ্পনি কাটা, হাসি তামাশা করাটাকে কেউ অপরাধ ভাবতো না। আমাদের বাবা মা ও তখন এর ইম্প্যাক্ট টা বুঝতেন না। তাই তাদেরকেও কোনদিন এসবের প্রতিবাদ করতে দেখিনি।
ওকে শুনতে হোত ও একটা স্টুপিড/গরু/গাধা/ছাগল, ও ওর বোনের মত ব্রিলিয়্যান্ট না, ওকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, বড় হয়ে ও ঢাকার রাস্তায় রিকশা চালাবে, আমার পা ধোয়া পানি ওর সকাল বিকাল ২ বেলা খাওয়া উচিত!
বয়োঃসন্ধিতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ওর আত্মবিশ্বাস মাটিতে গিয়ে ঠেকল। কথা বলতে গেলে কথা আটকে যেতো। মানুষের ওকে নিয়ে হাসাহাসি আরো তাতে সহজ হল।রাতের পর রাত ভয়ে ওর ঘুম ভেংগে যেতে দেখেছি।
এতো সব যখন চলছে তখন গল্পের নায়ক অনিন্দ্যর রেসপন্সটা ছিল ভীষণ অন্যরকম। অনেকটা মুনী ঋষি টাইপের।
ও কোনদিন কোনকিছুর প্রতিবাদ করেনি। কারো কাছে বুলিং থেকে বাঁচার জন্যে হেল্প চায়নি। এতোসবের পরেও আমি কোনদিন ওকে ছোট-বড় কারো উপর কখনো রেগে যেতে দেখিনি, বড়দের মুখের উপর একটা কথা ফেরত দিতে দেখিনি, যে ওকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছে তাকে ও কখনো হাসিমুখে সালাম দেয়া থামায়নি।
আপাতদৃষ্টিতে লেখাপড়ায় অথর্ব একটা ছেলে এতো অপমানের পরেও কোনদিন কখনো রেন্সপন্সিবিলিটি নেয়া থামায় নি। ঘরের প্রতিটা কাজে বাবা মা কে আমার চেয়ে ও বেশি হেল্প করেছে। ঘর মোছা, কাপড় ধোয়া, থালা বাসন পরিষ্কার করা সব কিছু করতো। সম বয়সী ছেলেদের মত কোন বায়না, জেদ কিচ্ছু ছিল না ওর মাঝে। অসম্ভব নীতিবান, পরোপকারী একটা মানুষ হিসেবে আমি ওকে চোখের সামনে বড় হতে দেখেছি।
সন্তান হিসেবে কে কেমন - সেই বিচার যদি করা হয়, আমি সব সময় ওকে আমার চেয়ে বেশি মার্কস দেব।
আফসোস এটাই যে, এই সমাজে সোনার টুকরো ছেলে সে ই যে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবার একটু খানি ঝলক ছেলেবেলায় তার রেজাল্টে দেখায়। অনিন্দ্যরা সত্যবাদিতার জন্যে, বিনয়ী হবার জন্যে, উপকারী হবার জন্যে কখনো প্রশংসিত হয়না।
অথচ একটা এডুকেশন, বিশেষ করে এক্সাম সিস্টেম প্রতিটা শিশুর Full Potential একে চিহ্নিত করতে এবং সেটা বের করে আনতে পারে কীনা সেই বিচার কোন কাঠগড়ায় হবে? --কেউ কি এই প্রশ্নটা তোলে?
অনিন্দ্য বাংলা, ধর্ম, সমাজ, কৃষিশিক্ষায় পেতো ৫০-৬০। এই ছেলেটাই ইংলিশ-অংক-বিজ্ঞানে পাচ্ছে ৯০-১০০। মোট নাম্বারের দিক থেকে ক্লাসে হয়তো অবস্থান ৩০ তম। অথচ ওর রিপোর্ট কার্ডের নাম্বার তো কন্সট্যান্টলি ইংগিত দিচ্ছিল যে, ওর ইন্টারেস্ট আসলে সাইন্সে। আর মজার ব্যাপার এটাই যে, ক্লাস নাইনে সাইন্সে যাবার পরেই ওর রেজাল্ট ভাল হতে শুরু করে। এস এস সি তে Golden GPA 5 পাবার পরই সবাই নড়েচড়ে বসে, ওকে সিরিয়াসলি নিতে শুরু করে।
সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩.৮৪ (যতদূর মনে পড়ে) পেয়ে ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে। এরপর দেশের বাইরে চলে যায়। ওখানে গিয়ে ও নতুন করে নিজের পোটেনশিয়ালটা এক্সপ্লোর করার সু্যোগ পায়। এবং সত্যিকার অর্থে একাডেমিক্যালি প্রশংসা পেতে শুরু করে।এরপর এম এস সি তেও ভাল রেজাল্ট করে পাশ করে। PhD এর জন্যে Canada এর McGill University তে সিলেক্টেড হয়। যেটা ওয়ার্লড র্যাংকিং এ তখন সম্ভবত ছিল ৩২(যদিও পরে সব কিছু না মেলায় যাওয়াটা ক্যান্সেল হয়)। Now he is planning to start his PhD.
একটা brutally bullied ছেলের এই হল চলার পথ।
এই গল্পের সবচেয়ে বড় টুইস্ট হল, আমার ভাই ছোটবেলা থেকে এভাবেই বিশ্বাস করতে প্রোগ্রামড হয়ে গেছে যে - He Is Not Good Enough! এবং এই Inner Voice টা এতো deep, এতোটাই deep এবং raw যে ওর কাছে মনে হয়ে এটা একটা ছায়ার মত ওর পিঠের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে। কোন অর্জন ওর আত্মায় শান্তি দেয়না। ওর সবসময় মনে হয় ও সেরা টা করতে পারেনি। এই ফিলিংসটা বয়ে বেড়ানো ভীষণ দুঃসহ। কোন মোটিভেশন, কোন কাউন্সিলিং ওকে কনভিন্স করেনা। কিছুদিন ভাল রাখে কিন্তু ওর বুকের ভেতরের অদৃশ্য ঝড়টা টা পুরোপুরি থামে না।
ওকে আমি জিগ্যেস করেছি, তোমার বুকের মধ্যে কি অনেক ঘৃণা? ও হেসে জবাব দিয়েছিল, "একেবারেই না আপু! ঘৃণার বোঝা তো অনেক ভারি, আমি সবাইকে অনেক আগেই ক্ষমা করে দিয়েছি।"
আমার যতদূর মনে পড়ে ও দেশের বাইরে যাবার পর ওর একটা ডায়েরি বাবা খুঁজে পান। যেটা ভর্তি ছিল কবিতা দিয়ে। কোনদিন আমরা জানিনি ও কবিতা লিখতে জানে, কোনদিন ও মানুষকে দেখায় নি। সেদিন আমার বাবা মা দু'জনেই অনেক কেঁদেছিলেন। মা বলছিলেন, আমার ছেলেটাকে আমি কষ্ট থেকে আগলে রাখতে পারিনি। আমি যখন ছোটবেলায় আম, বটগাছ, সূর্যাস্তের ছবি আঁকতাম ও আঁকতো 3D shapes, Alien - বাক্সের বাইরের এই পাগলামিগুলো আশেপাশ থেকে কোন উৎসাহ পেতো না। জানিনা অনিন্দ্য এখনো কবিতা লেখে কীনা, স্পেসশিপের ছবি আঁকে কীনা!
আমরা অনিন্দ্যদের সময় থাকতে চিনি না!
এই লেখাটা হয়তো অনিন্দ্যর মত অনেকেই পড়ছে, আমরাই হয়তো আমাদের শব্দ দিয়ে, বাক্য দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার অনিন্দ্যর বুক ভেংগে দিচ্ছি। এবং ওদের বুকের ভেতরে তৈরি করছি ক্ষত। বছরের পর বছর পেরোয় কিন্তু সেই ক্ষতটা শুকায় না। মাঝে মাঝেই সেখান থেকে রক্ত ঝরে। কখনোবা দুঃস্বপ্ন হয়ে রোজকার জীবনের অংশ হয়ে যায়।
একটা শিশু Validation চায়, Acceptance চায়। তার সকল গুণের জন্যে প্রশংসা তার প্রাপ্য। Introversion কখনোই কোন দূর্বলতা না। অন্যের সাথে তুলনা করে প্রতিদিন একটা সত্তাকে ক্ষতবিক্ষত করার কেন কোন বিচার হবে না?
পরিবারের Performer বাচ্চার জন্যেই সব ভালোবাসা, সব ইনভেস্ট এমনটা থাকলে আজই বদলে ফেলুন।
যারা Childhood Trauma থেকে বিভিন্ন আসক্তিতে চলে যায়, আচরণ খারাপ হয়ে যায়, বেপরোয়া জীবন যাপন শুরু করে অনিন্দ্য তাদের জন্যে একটা ক্ল্যাসিক এক্সাম্পল হতে পারে যে, কিভাবে ম্যাচিউরলি কাজের মাধ্যমেই নিজেকে প্রমাণ করতে হয়। এবং রাগ থেকে মানবিক গুণগুলো থেকে স্খলিত না হলে Self Love বাড়ে। এবং দায়িত্বশীল হবার মাধ্যমে Confidence। যে কোন অবস্থায় ভাল মানুষ হবার কোন বিকল্প নাই।
আমার আদরের পুতুল অনিন্দ্যর জন্যে সবাই দোয়া করবেন।
নিচের লেখাটুকু অনিন্দ্যর জন্যে।
--------------------------------
অনিন্দ্য, Raquib Ehsan
আমি আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করেও তোমাকে পুরোপুরি রক্ষা করতে পারিনি। আমার জন্যে তোমার অনেক কষ্ট হয়েছে এজন্যে আমার ভীষণ একটা অপরাধবোধ কাজ করে। এটা মৃত্যু অবধি থাকবে।
তোমাকে আজকে ২ টো সিক্রেট বলি,
১. আজ থেকে ৪ বছর আগে আমি প্রথম পজেটিভ প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব নিয়ে কথা বলা শুরু করি যখন এই শব্দটাও কেউ জানতো না। আজ দেশের লাখ লাখ মানুষ আমার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে এই শব্দটা নিয়ে নতুন করে ভাবছে।
খেলনার দোকানে 'সাজানো সুন্দর শৈশব' কিনতে পাওয়া গেলে আমি পৃথিবীর যে প্রান্তেই সেটা থাকুক আমি তোমার জন্যে কিনে আনতাম! সেটা তো পারব না! তবে আমার ভিডিওগুলো আমি কন্টিনিউ করব ইন শা আল্লাহ। তুমি যেটা জান না সেটা হল, আমার পুরো মিশনটার একমাত্র অনুপ্রেরণা তুমি। আমি চাই, যারা আমার ভিডিও দেখে তারা তোমার নামটা জানুক।
তোমার মত হাজার অনিন্দ্যর জীবনটা আমি সুন্দর করতে চাই।
২. I know this one will sound silly for sure! আমি কোনদিন কোন ক্লাসে First হইনি। হয় সেকেন্ড বা থার্ড বা ফোর্থ হয়েছি। আম্মু আব্বু কোনদিন মিলাতে পারতো না কেন আমি জানা প্রশ্ন ইচ্ছে করে ১ টা বা ২ টা ছেড়ে দিয়ে আসতাম।
আমি কখনো কোনদিন জিততে চাইনি। প্রথম হবার উছ্বাস আমি কোনদিন পেতে চাইনি, পরিবারে দিতে চাইনি। আমি অনেক চেষ্টা করেছি যতটুকু হারলে এটা বিশ্বাসযোগ্য হয়। 'I am not the best ' - I strongly wanted to make everyone convinced with this.
রেজাল্টের দিন তোমার মলিন মুখের স্মৃতি আমার জন্যে আজ ও দুঃসহ।
Its an absolute honour for me having you as my sibling.
আমি জানি রিসেন্টলি তুমি ভয়ংকর একটা বিপদের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছ। নিয়মিত নামাজ পড়বে। আল্লাহর কাছে সাহায্য চাবে। জীবনটা কষ্টের। সৎ মানুষ হিসেবে এটা কাটিয়ে দেও। আর বিশ্বাস কর, Allah will be enough for you.
I pray for you a beautiful place in Jannah. & I wish, I were your neighbour there! It is such a visual treat & contentment of my heart being reared up with an amazing pure soul like you. I dont want to miss that chance in hereafter too.
Much love as always.
✍️ Dr. Shusama Reza 💗
04/11/2021
🛑🛑🛑𝙂𝙧𝙚𝙚𝙣 𝘾𝙧𝙖𝙘𝙠𝙚𝙧𝙨 বা পরিবেশবান্ধব বাজি🛑🛑🛑
💥💥💥ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (National Environmental Engineering Research Institute) সর্বপ্রথম এমন বাজি তৈরির কথা চিন্তাভাবনা করে যাতে দূষণকারী রাসায়নিক পদার্থ কম থাকবে এবং পরিবেশ দূষণ ও কম হবে, সেখান থেকেই এই গ্রীন ক্র্যাকার্স এর ধারণা জন্মায়।
সাধারণ বাজি তে যেরকম অ্যালুমিনিয়াম, পটাশিয়াম বা বেরিয়াম বা পটাশিয়াম নাইট্রেট থাকে, গ্রীনক্র্যাকার্স এ সেগুলো সাধারণত থাকেনা। বেরিয়াম নাইট্রেট ব্যবহারের কারনে সাধারণ বাজি থেকে এতো ধোঁয়া ও দূষণ ছড়ায়, কিন্তু এই গ্রীন ক্র্যাকার্সে বেরিয়ম নাইট্রেট সামান্য পরিমাণে থাকে বা থাকেনা বললেই চলে, তাই CSIR এর মতে, গ্রীন ক্র্যাকার্স ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষণ প্রায় শতকরা ৩০ ভাগ কম হয় (বাজিতে সবুজরং আনার জন্য এই বেরিয়াম ব্যবহৃত হয়, অত্যন্ত বিষাক্ত জিনিস এই বেরিয়াম)। এছাড়াও সাধারণ শব্দবাজি তে যেমন ১৬০ ডেসিবেল এর আশেপাশে শব্দ হয়, গ্রীন ক্র্যাকার্স এর ক্ষেত্রে তা মোটামুটি ১১০-১২৫ ডেসিবেল এর মাঝে থাকে। সাধারণত তিন ধরনের গ্রীন ক্র্যাকার্স পাওয়া যায় - SWAS, STAR এবং SAFAL। এই SWAS, STAR এবং SAFAL ফাটালে জলীয় বাষ্প নির্গমন হবে যাতে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা দ্রবীভূত হয়ে দূষণ কম হবে।
SWAS এর পুরো নাম safe water releaser,SAFAL এর পুরো নাম safe minimal aluminum এবং STAR এর পুরো নাম safe thermite cracker। SWAS এবং STAR ব্যবহারে সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গমন অন্তত শতকরা ত্রিশ ভাগ কমে, এছাড়া পটাশিয়াম নাইট্রেট ও সালফার ও এতে কম ব্যবহৃত হয়, এদের ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা১০৫-১১০ ডেসিবেল এর মধ্যে থাকে। SAFAL এর ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা থাকে ১১০-১১৫ ডেসিবেল এর মধ্যে। SAFAL এ অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার অত্যন্ত নগণ্য হওয়ায়, কণা নির্গমনের পরিমান অন্তত শতকরা ৩৫ ভাগ হ্রাস পায়।
সবাই এই গ্রীন ক্র্যাকার্স বা পরিবেশবান্ধব বাজি তৈরি করতে পারবেনা, যারা CSIR-NEERI এর সাথে নন-ডিসক্লোজার (non-disclosure agreement বা সংক্ষেপে NDA) চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই এই বিশেষ বাজি তৈরির অনুমতি পাবে। গ্রীন ক্র্যাকার্স এর বাক্সের গায়ে একটি বিশেষ লোগো এবং একটি কিউআর কোড থাকবে যেটি স্ক্যান করলে ঐ নির্দিষ্ট বাজিতে কি কি রাসায়নিক কতোটা পরিমানে ব্যবহৃত হয়েছে এবং দূষণের পরিমান কিরকম হবে তা জানা যাবে। দক্ষিণের রাজ্যে সবুজ বাজি কিছু পরিমানে বানানো হলেও, এ রাজ্যে সবুজ বাজির চল নেই বললেই চলে, তাই অতিরিক্ত পরিবহন খরচের কারনে আমাদের রাজ্যে সবুজ বাজির দাম একটু বেশি হয়।
আজ এই অব্দিই, সবাইকে শুভ দীপাবলির শুভেছা।
-দেবারুন ব্যানার্জী
তথ্যসূত্রঃ
১) CSIR
২) jagranjosh
৩) Hindustan Times
৪) The Hindu
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Murshidabad
