Sagardighi Town

Sagardighi Town

Share

মানুষের জন্য, মানুষের পাশে

30/05/2026
30/05/2026

উত্তরপ্রদেশে ঝড়ে ভাঙল নির্মীয়মান সেতু, চাপা পড়ে মৃত অন্তত ৬ , ধ্বংসস্তূপে আটকে অনেকে

উত্তরপ্রদেশে ঝড়ের দাপটে আচমকা ভেঙে পড়ল একটি নির্মীয়মান সেতু। তার নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হল অন্তত ৬ জন নির্মাণ শ্রমিকের। ধ্বংস্তূপের নিচে আটকে পড়েছেন অনেকে। জীবিত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেছে প্রশাসন। যদিও পুলিশের দাবি, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার বেশি রাতে ঝড়বৃষ্টি হয় হামিরপুর জেলায়। সেতুটি সেখানকার বেতওয়া নদীর উপর তৈরি হচ্ছিল, মোরাকন্দর থেকে কানদৌর গ্রাম অবধি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাত ২টো নাগাদ প্রবল ঝড় ওঠে। ব্রিজের একটা অংশের নিচেই ঘুমোচ্ছিলেন নির্মাণকর্মীরা। একসময় তাঁদের উপরেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মান ব্রিজটি। এমন ঘটনায় সেতু নির্মাণ সংস্থার বিরুদ্ধে শ্রমিকদের নিরাপত্তার গাফলতির অভিযোগ উঠছে।
হামিরপুরে এএসপি অরবিন্দ কুমার বর্মা বলেন, “রাত দুটো নাগাদ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। সেতুর লোহার কাঠামোর একাংশ ভেঙে পড়ে। নিচে শ্রমিকর চাপা পড়েন।” স্থানীয়রা জানান, লোহার পিলারগুলি ঝড়ের ধাক্কা সামলাতে পারেনি। সেগুলি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছিল। ভয়ংকর শব্দ পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
এদিকে খবর পেয়ে রাতেই উদ্ধারকাজ শুরু করে দেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া উদ্ধারকাজ তদারকি করে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। সকালেও তা অব্যাহত রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬ জন নির্মাণ শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়ছে। বাকিদের উদ্ধারে অপারেশন অব্যাহত রয়েছে।

30/05/2026

600 কোটি টাকার প্রজেক্ট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসছে আমূল কোম্পানী। বিশ্বের সবথেকে বড়ো দই এর প্ল্যান্ট হবে পশ্চিমবঙ্গে।

30/05/2026

মোদী আমার দোকানে না এলেই ভাল হত! বললেন ঝাড়গ্রামের সেই ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম

গত ১৯ এপ্রিল ঝাড়গ্রামে ভোটপ্রচারে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কনভয় দাঁড়িয়েছিল শহরের রাজ কলেজ মোড়ে। বিক্রমের দোকান থেকে ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন মোদী।
ছিমছাম দোকান। থরে থরে সাজানো মুড়ি আর চানাচুরের প্যাকেট। দোকানের মালপত্র গোছাতে ব্যস্ত এক যুবক। গ্রাহক এসেছে দেখেই সেই কাজ ছেড়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ঝালমুড়ি বানিয়ে দেব? বললাম, হ্যাঁ। তার পর স্টিলের একটি ডিব্বায় একে একে মুড়ি, চানাচুর, বাদাম এবং ঝালমুড়ির নানা মশলা দিয়ে বানানোয় মনোনিবেশ করলেন। ইনিই সেই ঝালমুড়িওয়ালা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর দোকান থেকেই ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। আর সেই ঘটনা রাতারাতি তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছিল। ভোটপর্ব মিটেছে, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু সেই ঘটনাপ্রবাহের রেশ এখনও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়িওয়ালা বিক্রমকুমার সাউকে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল ঝাড়গ্রামে ভোটপ্রচারে এসেছিলেন মোদী। সড়কপথে ফেরার সময় তাঁর কনভয় দাঁড়িয়েছিল ঝাড়গ্রাম শহরের রাজ কলেজ মোড়ের কাছে। ‘চবনলাল স্পেশ্যাল ঝালমুড়ি’ দোকান থেকে ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই ঘটনার জেরে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে ওঠেন ঝাড়গ্রামের সেই ছাপোষা যুবক বিক্রম। কিন্তু সেই ঘটনাই এখন তাঁর জীবনকে ‘অতিষ্ঠ’ করে তুলেছে। এমনটাই জানালেন সেই যুবক। মুখে স্মিত হাসি থাকলেও চাপা একটা আতঙ্কের ছাপ লক্ষ করেছিলাম। বিক্রম নিজেও সেই আতঙ্কের কথা স্বীকার করেছেন।

ঝাড়গ্রামের কলেজ মোড়ে কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশনের কাছেই বিক্রমের ঝালমুড়ির দোকান। দোকানের সামনে এক পুলিশকর্মীকে বসে থাকতে দেখা গেল। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম যে, বিক্রমের নিরাপত্তার জন্য এই আয়োজন। শুধু পুলিশ নয়, পুলিশের তরফে দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরাও লাগিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিক্রম এখন নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। দোকানে কিসের জন্য আসা, সব কিছু ওই পুলিশকর্মীকে জানিয়েই তবে বিক্রমের কাছে পৌঁছোনো যায়। কিন্তু হঠাৎ কেন এমন আয়োজন?
বিক্রম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়ে যাওয়ার পর থেকে নানা রকম হুমকি পাচ্ছেন। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে টেক্সট মেসেজ এবং হোয়াটস্‌অ্যাপে ধারাবাহিক ভাবে হুমকি পেয়েছেন তিনি। ঝাড়গ্রাম থানায় অভিযোগ করেছেন। তার পর থেকেই তাঁর নিরাপত্তার এই আয়োজন। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে দোকান। দোকান খোলা থেকে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত পুলিশি নিরাপত্তা থাকে বিক্রমের দোকানে।
বিক্রমরা ২০ বছর ধরে এখানে আছেন। ব্যবসা করছেন। পরিবারে রয়েছেন বাবা, মা, স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের ছেলে। দোকান থেকে মিনিট ১৫ দূরত্বে একটি ভাড়াবাড়িতে থাকেন। পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া। বিক্রমেরা আদতে বিহারের গয়ার বাসিন্দা। আগে ঠেলাগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন। কিন্তু পাঁচ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে কলেজ মোড়ে দোকানটি কিনেছেন। তার পর থেকেই পাকাপাকি ভাবে এই দোকানে ঝালমুড়ি বিক্রি করছেন বিক্রম। বাবা-মা তাঁকে হাতে হাতে সাহায্যও করেন। বিক্রমের কথায়, ‘‘মোদী যদি আমার দোকানে না আসতেন, তা হলে ভাল হত।’’ প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খেতে আসবেন, সেটা তিনি আগে থেকে কিছুই জানতেন না। হঠাৎ করে দোকানের সামনে এসে দাঁড়ান। তার পর ঝালমুড়ি দিতে বলেন বলে জানালেন বিক্রম। সেই ঘটনার পর থেকে ক্রমাগত হুমকি ফোন পাচ্ছেন। ফলে তাঁর গোটা পরিবার আতঙ্কে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা হলেও স্বস্তিতে থাকতে পারছেন না ঝাড়গ্রামের এই ঝালমুড়ি বিক্রেতা। শুধু হুমকি ফোন-ই নয়, সেই ঘটনার পর থেকে তাঁর দোকান, এমনকি বাড়ির সামনে লোকজনের ভিড় লেগেই থাকে। তাঁর কথায়, ‘‘জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।’’

বিক্রম জানিয়েছেন, মোদীর দেওয়া সেই ১০ টাকা তিনি সযত্নে আলমারিতে রেখে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে এসে ঝালমুড়ি খেয়েছেন, তার পর থেকে তাঁর সঙ্গে যে সব ঘটনা ঘটছে, তা নিয়ে যথেষ্ট আতঙ্কিত বলেই দাবি বিক্রমের। পাশাপাশি ঝাড়গ্রামের ঝালমুড়িওয়ালা এটাও জানিয়েছেন, রাজ্যে সরকার যদি বদল না হত, তা হলে হয়তো এখান থেকে সব কিছু গুটিয়ে বিহারে চলে যেতে হত। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খাওয়ার পর থেকে ‘বিজেপির লোক’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি বিক্রমের বাবা এবং মা। বিক্রম জানিয়েছেন, ১০ টাকার ঝালমুড়ি তাঁর জীবন বদলে দিলেও, আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বিক্রম যেখানে ভাড়া থাকেন, এক প্রতিবেশী রুনা ভকত জানিয়েছেন, সাউ পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন। খুবই ভাল পরিবার। ছেলে হিসাবে বিক্রমও যথেষ্ট ভাল। প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খাওয়ার পর থেকে পাড়ায় লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে।

29/05/2026

বোদিল করা হলো মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত অধিকারীকদের।

Want your business to be the top-listed Government Service in Murshidabad?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sagardighi
Murshidabad
742226