মুসলিম সমাজের দুরবস্থার মৌলিক কারণ ????,, واعتصموا بحبل الله جميعا ولا تفرقوا , অর্থাৎ হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহর রসি, অর্থাৎ আল্লাহর বলে দেওয়া রাস্তার উপর মজবুতি র সহিত একত্রিত থাকো, ভিন্ন রাস্তা অবলম্বন করবে না, (আল কুরআন), যত মত তত পথ , তাতেই ঝগড়ার সৃষ্টি হয়,যার ফলে একটি জাতি তার মৌলিক ঐক্যশক্তি কে হারিয়ে ফেলে, যার পরিপ্রেক্ষিতে অন্যান্য জাতিরা ওই জাতির উপর বলবান হয়ে নির্যাতন করতে সক্ষম হয়, এবং ঐক্য শক্তি হারিয়ে ফেলা জাতি সরাসরিভাবে নির্যাতিত হয়ে যায়,আজ যদি মুসলিম জাতির মধ্যে দেখা যায় তাহলে স্পষ্ট ভাবে আমরা দেখতে পাই যে মুসলিম জাতির কিছু পন্ডিত সকলে নিজের মত পোষণ করে কোরআন এবং হাদিসের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে আল্লাহর বলে দেওয়া একটি রাস্তার মধ্যে অনেক রাস্তাগুলোর জনম দিয়েছে ,যার ফলে আজ মুসলমানেরা শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমে নয় বরং এবাদত এর মধ্যেও অনেক রাস্তা অবলম্বন করে সমস্ত জাতিকে এমন দুর্বল করেছে যার দৃষ্টান্ত প্রকাশ্য রয়েছে কোন উদাহরণ দেওয়ার প্রয়োজন নয়,, আমাদের আসাম ততা বরাক বেলি নিয়ে যদি বিবেচনা করা হয়, তাহলে আমরা সরাসরি ভাবে দেখতে পাই , জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ , উত্তর পূর্ব ভারত নদুয়া , উত্তর পূর্ব ভারত আহলে-সুন্নাত-ওয়াল-জামাত, বিশেষ করে ওই তিনটি সংগঠন মুসলিমদের স্বার্থে কাজকর্ম করে যাচ্ছে, তবে কথা হলো এই তিনটি সংগঠন যদি মুসলিমদের স্বার্থে কাজ করে তাহলে ওরা এমন কিছু মন্তব্য কেন করে যার ফলে মুসলিম জাতি সামাজিক এবং এবাদতের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধতা হারিয়ে ফেলে,
যেমন বিয়া সদির বেলায় , ওদের সাথে সম্পর্ক করব না, ওরা মজারে চলে যায়, ওরাতো কিয়াম করে, বা ওরা তো মজারে যায় না, দাঁড়িয়ে কিয়াম করেনা, ইত্যাদি আপনারা বুঝতে পারছেন,
আর এবাদত এর বেলায় ত কখনো কখনো একে অপরকে জাহান্নামের বাসিন্দা বলে সার্টিফিকেট দিয়ে দে, এখন প্রশ্ন হল যদি প্রত্যেকটি সংগঠন দাবি করে আমরা মুসলিম সমাজের স্বার্থে কাজকর্ম করিতেছি তাহলে এই সমস্ত বিষয়বস্তু দিয়ে মুসলিম সমাজকে কেন এত দুর্বল করা হচ্ছে, এবং কেন ওদের ঐক্য শক্তিকে ধ্বংস করে একে অপরের দুশমন হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, সবচাইতে বড় কথা টা হল জান্নাত এবং জাহান্নামের ফয়সালা করার অধিকার টা আপনাকে কে দিল ? একে অপরকে যদি জাহান্নামী বলতে থাকে তাহলে জন্নতে কাহারা যাবে ?
শরীয়তের কিছু মাসলা মাসায়েল নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করাটা কোন নতুন বস্তু নয়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়ে তার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়,
কিন্তু এমন কোনো দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়নি যে বিভিন্ন মত থাকার কারনে সামাজিক বা এবাদত এর মধ্যে কোন অসুবিধা ঘটেছে, বা একে অপরকে জাহান্নামী বলে ডেকেছে,
সুতরাং যদি আমরা আমাদের মুসলিম জাতির ভবিষ্যতের সুচিন্তক হই, তাহলে আমরা আমাদের এই সমস্ত ছোট ছোট মদ গুলোকে এক সাইডে রেখে আমাদেরকে সর্বক্ষণ চিন্তা করতে হবে, আমাদের কোরআ এক, নবী এক, সুতরাং ঝগড়া করার কোন প্রয়োজন নেই, আমাদেরকে সর্বক্ষণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের জাতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে,
সব মতবাদকে ভুলে আমাদেরকে এক কাতারে দাঁড়াইতে হবে, একে অপরকে মুসলিম হিসাবে দেখতে হবে , একে অপরকে কাফের বা জাহান্নামী বলবো না, এটার ফায়সালা তো আল্লাহ করবে,
যদি আমরা আপস এর মধ্যে ভাই ভাইয়ের সম্পর্ক ভালোভাবে মজবুত করতে পারি, যেমন আল্লাহ বলছেন, انما المسلمون اخوه অর্থাৎ মুসলমান সকলএকজন অপরজনের ভাই, তাহলে অবশ্য ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের জাতিকে হেফাজত করতে পারব , এবং জাতির ভবিষ্যৎ ও উজ্জ্বল করতে পারব,, আল্লাহ আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকার তৌফিক দান করেন,আমিন ,
মাওলানা ইয়াহিয়া হাইলাকান্দি
Maulana YeahiaHkd
Like this page to know and understand Islam
Kia science ki talim jaruri nahi ?
# #পুরুষ এবং নারীর নামাজের মধ্যে পার্থক্য,,,,
এই বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হলে আমাদেরকে বিশেষ করে দুইটি জিনিস বুঝতে হবে
১,,, মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানবজাতিকে দুইটি শ্রেণীর মধ্যে বিভাজন করেছেন ১, পুরুষ ২, নারী_ অনেক ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই নারী এবং পুরুষদের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে,, তা শারীরিক, চারিত্রিক বা সামাজিক এমনকি অনেক এবাদত এর মধ্যেও আমরা দেখতে পাই, যেহেতু নামাজ হলো এবাদতে বদনী {অর্থাৎ যে ইবাদত শরীর দিয়ে করা হয়} সুতরাং আমরা সর্বপ্রথম দেখব পুরুষ এবং নারীদের শারীরিক হিসাবে শরীয়তের হুকুম-আহকাম এ কি ব্যবধান রহিয়াছে,, শারীরিক শরীয়তের হুকুম এর মধ্যে সবচাইতে বড় হুকুমটি হল পর্দা , তার মধ্যে পুরুষ এবং নারীদের অনেক ব্যবধান রয়েছে,যেমন পুরুষদেরকে শুধুমাত্র নাভি হইতে পায়ের হাটুর নীচ পর্যন্ত ঢেকে রাখা ফরজ ,, এবং নারীদের সমস্ত শরীরের অঙ্গ ঢেকে রাখা ফরজ,, অর্থাৎ শারীরিক ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নারীদের পর্দা কে লক্ষ রাখা হয়েছে ,, এ আলোচনা হইতে আমরা বুঝতে পারলাম যে নারীদের প্রত্যেক অবস্থায় পর্দা কে লক্ষ্য রাখতে হবে , যেহেতু নামাজ হলো এমন একটি এবাদত যার সম্পূর্ণ সম্পর্ক শরীরের সঙ্গে,, অর্থাৎ শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিয়ে তাকে পুরা করতে হয়, সুতরাং পুরুষদের মত ডিল ডোল না করে একটু সংকোচিত হিসাবে নারীদেরকে নামাজ পড়া টাই উত্তম হবে ,,
২,,, যেকোনো মাসলা-মাসায়েল কে আমরা যখন বিশ্লেষণ করি তখন কোরআন এবং হাদীস কে আমাদের প্রথমে দেখতে হয়,, যেহেতু নামাজ সম্পর্কে অনেক বিশ্লেষণ কোরানের মধ্যে নেই সুতরাং আমরা এ সম্পর্কে হাদীস শরীফের মধ্যে দেখব,, হদিশ দেখার ক্ষেত্রে আমরা বিশেষ করে দুইটি ভুল করে নেই,, যে ভুলের কারণে অনেক সময় অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়,
১, অনেক লোকেরা মনে করে যে শুধুমাত্র বুখারী মুসলিম বা মাদ্রাসার মধ্যে যে সমস্ত হাদিসের কিতাব পড়ানো হয় এরমধ্যে যদি হাদিস পাওয়া যায় তাহলে তা বিশুদ্ধ অন্যত্রে কোন হাদীসকে কবুল করা হবে না,,২'অনেক লোকেরা শুধুমাত্র একটি হাদীসের উপর ভিত্তি করে ফতোয়া দায়ের করে দেয়, এ সম্পর্কে অন্য কোন হাদীসকে দেখতে পছন্দ করে না ,,
এক্ষেত্রে আমাদের কে বুঝতে হবে , মাদ্রাসার মধ্যে যে ছয়টি কিতাব পড়ানো হয়, সম্পূর্ণ হাদিসে রাসুল এই কিতাব সকলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং অন্য আরও অনেক কিতাব রয়েছে , যে কিতাব গুলোর মধ্যে ও বিশুদ্ধ হাদীস গুলো রহিয়াছে,, যেমন,, সুনানে আহমদ,, তিবরানী,, আল মোয়াজ্জাম উল কাবীর,, আস সুনানুল কুবরা লিল বয় হকি,, ইত্যাদি আরো অনেক বিশুদ্ধ হাদিসের কিতাব রয়েছে,,
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আমাদেরকে বুঝতে হবে শুধুমাত্র একটি হাদীসের উপর ভিত্তি করে কোন ফতোয়া দায়ের করাটাই ঠিক হবে না এ সম্পর্কে অন্যান্য কিতাবের মধ্যে আর ও হাদীস থাকতে পারে সুতরাং আমাদেরকে অনেক কিতাব দেখে দীর্ঘ আলোচনা করে যেকোনো সম্পর্কে মন্তব্য করাটাই উত্তম হবে,,
এখন আসতেছি আমি আমার মূল বিষয়ের উপর
আমাদের মা বোনেরা যেভাবে পর্দা কে লক্ষ্য রেখে হাত উঠানোর বেলায় , বা নামাজের মধ্যে বসার বেলায় , একটু সংকোচিত হিসেবে নামাজ আদায় করে, তার সম্পূর্ণ হাদীসের ভিত্তিতে
১,, হযরত ওয়াইল ইবনে হাজর রা: হইতে বর্ণিত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ওহে ওয়াইল যখন তুমি নামাজ পড়বে তখন তোমার দুইটি হাত কান পর্যন্ত উঠাবে এবং যখন নারীরা নামাজ পড়বে তখন ওরা যেন ওদের দুটি হাত সিনা অর্থাৎ বুকের ঊর্ধ্ব ভাগ পর্যন্ত উঠায়,,আল মুয়াজ্জামুল কবির লিত তিবরানী,,
২,, হযরত ইয়াজিদ ইবনে হাবীব রা: বলেছেন ,, দুজন স্ত্রীলোক নামাজ পড়িতে ছিলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওই দুই জনের নামাজ কে দেখে বললেন, যখন তোমার সাজিদা করবে তখন শরীরের কিছু অংশ জমিনের সঙ্গে মিশিয়ে রাখবে, কেননা সাজিদা র মধ্যে নারীদের হুকুম পুরুষদের মত নয়,, আচ্ছা না নুল কোবরা লিল বয় হকি ,,,
৩,, হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা: বলেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদেরকে নামাজের সিজদার মধ্যে দুটো রান কে পেট হইতে আলগ রাখার জন্য বলতেন,, এবং নারীদের কে দুটো রান পেটের সঙ্গে মিশিয়ে সেজদা করার জন্য বলতেন،এবং পুরুষদের কে বাম পা বিছিয়ে তার ওপর বসতে এবং ডান পা খাড়া রাখার জন্য বলতে, এবং স্ত্রীদেরকে চারজানু বসার জন্য বলতেন,,অ্যাসানানুল কুবরা লিল বৈহাকি,,ইত্যাদি আরো অনেক হাদীস গুলো রয়েছে যার মধ্যে পুরুষ এবং নারীদের নামাজের মধ্যে কিছু পার্থক্য পাওয়া যায়
সুতরাং শুধু একটি হাদীসের উপর ভিত্তি করে ,,,, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমরা এমন ভাবে নামাজ পড়ো যেমন ভাবে আমাকে নামাজ পড়িতে দেখো,, এই কথা বলে দেওয়া যে পুরুষ এবং নারীদের নামাজের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই এটা ঠিক নয়,,,Maulana yeahia alqasmi HKD
বিবাহের আগে যদি কেহ অবৈধ প্রেম জালে ফেঁসে যায় তাহলে তার করণীয় কি ?
""পরিবারে যদি শান্তি চাও"'
১, মাতা পিতা বা আরো যদি মুরব্বি থাকেন তাহলে ওদেরকে শ্রদ্ধা করবে
২, স্ত্রীকে শুধুমাত্র ঘরের কাম কাজের জন্য না ভেবে নিজের জীবনের একটি অংশ হিসাবে মেনে নিয়ে তাকেও আদর স্নেহ এবং শ্রদ্ধার চোখে দেখবে
৩, শিশুদেরকে প্রয়োজনীয় শিক্ষা দান করবে
৪, ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেলে ঘরের কিছু বিষয়ে ওদের কাছ হইতে ও পরামর্শ নেবে
৫,, ছেলেমেয়েদের সম্মুখে কখনো নিজের স্ত্রী অথবা মাতা পিতা অথবা ঘরের কোন মুরব্বির প্রতি কটুক্তি করবেন না
৬,, মেয়ে যখন পূর্ণবয়স্ক হয়ে যাবে তখন তাকে নিজের ওপর ভুজ না ভেবে একজন নারী হিসেবে তাকে শ্রদ্ধা করবে
৭,ছেলে যখন বড় হয়ে যাবে তখন তাকে শুধুমাত্র পয়সা কামানোর মিশিন না ভেবে একজন পুরুষ হিসাবে তাকে ও শ্রদ্ধা করবে
৮, সর্বদা নিজের মনকে নরম রাখবে এবং নিজের চরিত্রকে ভালো রাখবে
৯, ছেলেমেয়েদেরকে সর্বদা সমান চোখে দেখবে কখনো ভিন্ন চোখে দেখবেন না
১০,,পরিবারের সকল লোক মিলেমিশে একসাথে বসে খানা খাওয়ার চেষ্টা করবে
Mo yeahia HKD
স্ত্রীকে কখনো
মাথার টুপিভেবে চড়িয়ে,পায়ের জুতা ভেবে ফেলে রাখবেন না, স্ত্রীর জায়গাটি হল মনে,সুতরাং মনেরমধ্যে আদরে থামিয়ে রাখবেন
সন্তানের সম্মুখে কখনো নিজের স্ত্রীর উপর হাত উঠাবেন না
কারণ সন্তানের জান্নাত হলমায়ের পদতলে,আপনার একটি ভুল সন্তানের মনে জান্নাতের প্রতি শ্রদ্ধা কমিয়ে দিবে,
100%right
Speech about Gurunanak ji by Maulana yeahia
Like this page to know and understand Islam
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Muzaffarnagar
