Qari Ahmadullah Ishaati

Call Directions

Qari Ahmadullah Ishaati Islamic quran study and learning.Islamic icon .Quran recitation.quranic tone.tajweed,maqamat,islamic lecture,speech of hadith and Quran .

এই হুজুর তার সংগ্রামপুরে কারা কারা এই হুজুর কে চেনেন একটু কমেন্টে ভুলে যাবেন!🤡🤡বিশেষ করে হুজুরের পাঞ্জাবিটা কেমন হয়েছে ...
13/10/2026

এই হুজুর তার সংগ্রামপুরে কারা কারা এই হুজুর কে চেনেন একটু কমেন্টে ভুলে যাবেন!
🤡🤡
বিশেষ করে হুজুরের পাঞ্জাবিটা কেমন হয়েছে
দয়া করে আপনার মতামতটা পেশ করবেন!

📢 *জরুরি সচেতনতামূলক ঘোষণা**সকল শিক্ষার্থী ও গ্রুপের সম্মানিত সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশনা**আসসালামু আলাইকুম ওয়া ...
10/10/2026

📢 *জরুরি সচেতনতামূলক ঘোষণা*

*সকল শিক্ষার্থী ও গ্রুপের সম্মানিত সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশনা*

*আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু*

বর্তমান পরিস্থিতিতে *দেশজুড়ে বিভিন্ন বিষয়ে উত্তেজনা ও সংবেদনশীল পরিবেশ পরিলক্ষিত হচ্ছে* পাশাপাশি সামাজিক *যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন ধরনের পোস্ট, মন্তব্য ও কার্যকলাপের ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে* বলে আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় সকলকে *অত্যন্ত সতর্কতা, সংযম ও দায়িত্বশীলতার* সঙ্গে চলাফেরা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

⚠️ *সকলের প্রতি বিশেষ অনুরোধ:*

🔹 *অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন* এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া রাজ্যের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

🔹 *সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্ক থাকুন।* যাচাই না করা কোনো খবর, ছবি, ভিডিও বা *উসকানিমূলক পোস্ট শেয়ার করবেন না।*

🔹 *অনলাইন মন্তব্যে সংযম বজায় রাখুন।* বিতর্কিত বিষয় নিয়ে *অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য,* তর্ক-বিতর্ক কিংবা উত্তেজনামূলক আলোচনায় জড়াবেন না।

🔹 *গুজব ও উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে দূরে থাকুন।* কোনো তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত না হয়ে সেটিকে প্রচার করবেন না।

🔹 *নিজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন।* পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলুন।

🔹 *সকলের প্রতি আহ্বান:* আবেগের বশবর্তী হয়ে এমন কোনো কাজ বা মন্তব্য করবেন না, যা আপনার নিজের, পরিবারের কিংবা অন্য কারও জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

⭕ *বিশেষ অনুরোধ:* নিজের রাজ্য ছেড়ে *উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট দিল্লি-সহ* বিভিন্ন রাজ্যে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার, *অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত ও সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য এড়িয়ে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে।*

*আল্লাহ তাআলা* আমাদের সকলকে যাবতীয় বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করুন, সঠিক বুঝ দান করুন এবং *শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে জীবনযাপন করার* তাওফিক দান করুন। আমিন 🤲

(*প্রচারে ' Qari Ahmadullah Ishaati
#সতর্কবার্তা

সুন্দর ইসলামিক একটি ছড়া জলসার জন্য মুখস্ত করতে পারেন!🌹🥀🌺💝🌺দুনিয়ার এই জীবন ক্ষণিকের মেলা,আজ আছে মানুষ, কাল যাবে একেলা।ধ...
05/10/2026

সুন্দর ইসলামিক একটি ছড়া জলসার জন্য মুখস্ত করতে পারেন!
🌹🥀🌺💝🌺
দুনিয়ার এই জীবন ক্ষণিকের মেলা,
আজ আছে মানুষ, কাল যাবে একেলা।
ধন-দৌলত, মান-সম্মান কিছুই যাবে না,
কবরের অন্ধকারে সাথী হবে না।

নামাজ কায়েম করো, কুরআন পড়ো,
গুনাহের পথ ছেড়ে আল্লাহকে ধরো।
তওবার দরজা এখনো খোলা আছে,
ফিরে এসো বান্দা, রবেরই কাছে।

মায়ের সেবা করো, বাবার হক দাও,
দুঃখীর মুখে হাসি ফুটিয়ে দাও।
জবানকে রাখো সদা জিকিরে ভরা,
মিথ্যা-গীবত ছেড়ে সত্য কথা ধরা।

মৃত্যু একদিন আসবেই ঘরে,
কেউ যাবে না তার হাত ধরে।
কাজ যদি ভালো হয়, ভয় কিসের?
রবের রহমত আছে মুমিনের উপর।

আজই তওবা করো, কাল নয় ভাই,
মৃত্যু কখন আসবে—কেউ জানে নাই।
আখিরাতের পথে প্রস্তুত হও,
আল্লাহর প্রিয় বান্দা হয়ে যাও।

হে মুসলিম! দুনিয়া নয় শেষ ঠিকানা,
জান্নাত হোক আমাদের চূড়ান্ত ঠিকানা।

Qari Ahmadullah Ishaati
#ইসলামিক #সুন্দর #একটি #ছড়া

(*নামাযের মাকরূহ ওয়াক্ত*)(*প্রচারে: Mufti Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)*তিনটি সময় আছে যখন যেকোনো ধরণের নামায, জানাযার না...
28/09/2026

(*নামাযের মাকরূহ ওয়াক্ত*)

(*প্রচারে: Mufti Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

*তিনটি সময় আছে যখন যেকোনো ধরণের নামায, জানাযার নামায ও সিজদায়ে তিলাওয়াত নিষেধ:*

১. সূর্য উঠার সময়।

২. সূর্য যখন মাথার ঠিক উপরে থাকে তখন। (ক্যালেন্ডারে দ্বিপ্রহর বলে এই সময়কে বুঝানো হয়)

৩. সূর্য অস্থ যাওয়ার সময়। তবে ঐদিনের আসর না পড়ে থাকলে এই মাকরূহ ওয়াক্তে পড়া যাবে।

(*আল বাহরুর রায়েক ১/৪৩২-৩৩, পৃষ্ঠা*)

*তিনটি সময় এমন আছে যখন নফল নামায পড়া মাকরূহ*। তবে ঐ সময়ে কেউ উমরী কাযা পড়তে চাইলে পড়তে পারবে।

১. ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ফজরের সুন্নাত ছাড়া অন্য কোনো সুন্নাত বা নফল পড়া যায় না। এমনিভাবে ফজরের ফরয নামায পড়ার পর থেকে নিয়ে সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত কোনো নফল নামায পড়া যায় না।

২. সূর্য্য যখন উঠতে শুরু করে তখন থেকে ১৫ মি. পর্যন্ত নফল নামায পড়া যায় না।

৩. আসরের নামায পড়ার পর থেকে সূর্য অস্থযাওয়া পর্যন্তকোনো নফল পড়া যায় না।

(*আল বাহরুর রায়েক: ১/৪৩৭, পৃষ্ঠা*)

*واللہ اعلم بالصواب*

(*প্রচারে ' Qari Ahmadullah Ishaati *)

*••••{ জুমু'আর দিন যে সময় দু'আ কবুল হয় :  } ••••* ( *Mufti Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*) *দু'আ কবুলের মুহূর্ত কোনটি?*উ...
28/09/2026

*••••{ জুমু'আর দিন যে সময় দু'আ কবুল হয় : } ••••*

( *Mufti Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

*দু'আ কবুলের মুহূর্ত কোনটি?*

উপরের হাদীসগুলো থেকে জানা গেল, জুমু'আর দিন একটি সময় বান্দার দু'আ অবশ্যই কবুল হয়। সেই ফযীলতপূর্ণ সময়টা কখন? জুমু'আর দিনের যে সময়টিতে দু'আ কবুলের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে সেটা কোন্ সময়? এ সম্পর্কে সাহাবা, তাবেঈন ও পরবর্তী উলামায়ে কেরামের একাধিক বক্তব্য পাওয়া যায়।

হাফেয ইবনে হাজার (রাহ:) লেখেন----

*وَلَا شَكّ أَنّ أَرْجَحَ الْأَقْوَالِ الْمَذْكُورَةِ حَدِيثُ أَبِي مُوسَى وَحَدِيثُ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَامٍ.*

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে,এসব মতের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য মত হল- আবু মূসা আশআরী (রাদি:) ও 'আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহুম) এর হাদীসে উল্লেখিত দুটি মত। *(ফাতহুল বারী ২/৪৮৮)*

ইবনে হাজার আসকালানী (রাহ:) এর বক্তব্য থেকে জানা গেল, জুমু'আর দিনের সেই বিশেষ সময়টি সম্পর্কে যত মত আছে এর মধ্যে অগ্রগণ্য হল দুটি :

*এক:* যে সময়ের কথা পাওয়া যায় আবু মূসা আশআরী (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) এর হাদীসে। সেই হাদীসে এসেছে, জুমু'আর দিনের দু'আ কবুলের সময় হল, খতীব (খুতবার জন্য) মিম্বরে বসার পর থেকে নামায শেষ করা পর্যন্ত।

আবু বুরদা (রাহ:) বলেন, 'আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, জুমু'আর দিনের দু'আ কবুলের সময় সম্পর্কে আপনার পিতা আবু মূসা আশআরী (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) এর কাছ থেকে কোনো হাদীস শুনেছেন?

আমি বললাম, হাঁ, শুনেছি। তাঁকে বলতে শুনেছি, রাছুলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* বলেছেন----

*هِيَ مَا بَيْنَ أَنْ يَجْلِسَ الْإِمَامُ إِلَى أَنْ تُقْضَى الصّلَاةُ.*

সে সময়টি হল, খতীব (খুতবার জন্য মিম্বরে) বসার পর থেকে জুমু'আর নামায শেষ করা পর্যন্ত। *(সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫৩; সুনানে আবু দাউদ,হাদীস ১০৪৯; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হাদীস ১৭৩৯)*
:
:
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*
_*📋 নিজে পড়বেন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।*_

(*প্রচারে ' Qari Ahmadullah Ishaati *)

22/09/2026

(*আক্বিকার পশু বিবাহের অনুষ্ঠানে ব্যবহারের হুকুম❓*)

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati পক্ষ থেকে বার্তা*)

*প্রশ্নঃ*

*আসসালামু আলাইকুম, জনাব মুফতি সাহেব, আক্বিকার নিয়তে রাখা পশু বিবাহের অনুষ্ঠানে জবাই করে খাওয়ালে আক্বিকা হিসাবে কবুল হবে কি না❓ বা এটা করা যাবে কি না❓*

*উত্তরঃ*

*و علَيْــكُم السلام ورحمة الله وبركاته*

*بِسْــمِ اﷲِالرَّحْمَنِ الرَّحِيم*

*الجواب وبالله التوفيق حامدا ومصليا اما بعد:*

*আকিকার গোস্ত দ্বারা ওলিমা করা জায়েজ*। অতএব আপনি এরূপ করতে পারেন যে পশুটা আকিকার উদ্দেশ্যে কেনা হয়েছে তাকে আকিকার নিয়তে জবাই করে সেই পশুর গোস্ত দ্বারা আপনি ওলিমা খাওয়াতে পারেন।

(*ফতোয়া শামী, ছাপাখানা: জাকারিয়া বুক ডিপো দেওবন্দ— ৯/৪৭২, পৃষ্ঠা*)

( *ফতোয়া কাসেমিয়্যা: ২২/৫৪৩, পৃষ্ঠা*)

*في الشامية: وَلَمْ يَذْكُرْ الْوَلِيمَةَ. وَيَنْبَغِي أَنْ تَجُوزَ لِأَنَّهَا تُقَامُ شُكْرًا لِلَّهِ تَعَالَى عَلَى نِعْمَةِ النِّكَاحِ وَوَرَدَتْ بِهَا السُّنَّةُ، فَإِذَا قَصَدَ بِهَا الشُّكْرَ أَوْ إقَامَةَ السُّنَّةِ فَقَدْ أَرَادَ الْقُرْبَةَ.*

*(فتاویٰ شامی: ٩/٤٧٢)*

*واللہ اعلم بالصواب*

*উত্তরদাতা: মুফতি মাহমুদুল হাসান কাসেমী*)



*উত্তর সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন: হযরত মুফতি বশির হাসান কাসেমী*)

#ইসলামিক #মাসাইল #ইসলামিক #পোস্ট

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম(প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati )হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও এক ইহুদি র‍্য...
22/09/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

(প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati )

হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও এক ইহুদি র‍্যাবাইয়ের প্রশ্নোত্তর

একদিন হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নিজেকে একটি ইহুদি উপাসনালয়ে ইহুদি পোশাকে দেখতে পেলেন। প্রথমে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিস্মিত হলেন। কিন্তু যখন বারবার একই দৃশ্য তাঁর সামনে উপস্থিত হতে লাগল, তখন তিনি সেই স্বপ্নদর্শনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

তিনি ইহুদির পোশাক পরিধান করে তাদের উপাসনালয়ে গেলেন। সেখানে ইহুদি সম্প্রদায়ের লোকজন ও তাদের আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের প্রধান র‍্যাবাই বক্তব্য দেওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। কিন্তু দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর জিহ্বা যেন আটকে গেল; তিনি কোনো কথা বলতে পারলেন না।

অনেকক্ষণ তিনি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকায় উপস্থিত লোকজন বিরক্ত হয়ে অভিযোগ করতে শুরু করল। তখন র‍্যাবাই বললেন,

“এই সমাবেশে হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর একজন অনুসারী উপস্থিত আছেন। তিনি আমাদের পরীক্ষা করতে এসেছেন। এ কারণেই আমি কথা বলতে পারছি না।”

এ কথা শুনে উপস্থিত ইহুদিদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হলো। তারা র‍্যাবাইয়ের কাছে অনুমতি চাইল, যেন হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর ওই অনুসারীকে হত্যা করতে পারে।

র‍্যাবাই বললেন,

“প্রমাণ ছাড়া তাকে হত্যা করা যাবে না। বরং আমাদের উচিত তার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনকভাবে কথা বলা। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

এরপর র‍্যাবাই বললেন,

“হে মুহাম্মদ ﷺ-এর অনুসারী! তোমার নবীর দোহাই দিয়ে তোমার স্থান থেকে দাঁড়াও। তুমি যদি ইসলাম সম্পর্কে আমাদের সংশয় দূর করতে পারো, তাহলে আমরা ইসলাম গ্রহণ করব। আর যদি তা না পারো, তাহলে আমরা তোমাকে হত্যা করব।”

হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি দাঁড়ালেন এবং তাদের প্রশ্ন করার অনুমতি দিলেন।

প্রশ্নোত্তর শুরু হলো

র‍্যাবাই: কোনটি এক, দুই নয়?

হযরত বায়েজিদ: আল্লাহ।

র‍্যাবাই: কোনটি দুই, তিন নয়?

হযরত বায়েজিদ: রাত ও দিন।

র‍্যাবাই: কোনটি তিন, চার নয়?

হযরত বায়েজিদ: আরশ, কুরসি ও আল্লাহর কলম।

র‍্যাবাই: কোনটি চার, পাঁচ নয়?

হযরত বায়েজিদ: তাওরাত, ইঞ্জিল, যাবুর ও কুরআন।

র‍্যাবাই: কোনটি পাঁচ, ছয় নয়?

হযরত বায়েজিদ: পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ।

র‍্যাবাই: কোনটি ছয়, সাত নয়?

হযরত বায়েজিদ: যে ছয় দিনে পৃথিবী, আকাশ এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু সৃষ্টি করা হয়েছে।

কুরআনে এসেছে: “আমি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী এবং তাদের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছি।” — সূরা ক্বাফ, ৫০:৩৮

র‍্যাবাই: কোনটি সাত, আট নয়?

হযরত বায়েজিদ: সাত আসমান।

কুরআনে এসেছে: “যিনি স্তরে স্তরে সাত আসমান সৃষ্টি করেছেন।” — সূরা আল-মুলক, ৬৭:৩

র‍্যাবাই: কোনটি আট, নয় নয়?

হযরত বায়েজিদ: আল্লাহর আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণ।

কুরআনে এসেছে: “সেদিন তাদের ওপর আটজন তাদের প্রতিপালকের আরশ বহন করবে।” — সূরা আল-হাক্কাহ, ৬৯:১৭

র‍্যাবাই: কোনটি নয়, দশ নয়?

হযরত বায়েজিদ: হযরত সালেহ আলাইহিস সালামের জাতির সেই নয়জন ব্যক্তি, যারা দেশে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।

কুরআনে এসেছে: “আর সেই নগরীতে ছিল নয়জন ব্যক্তি, যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করত এবং সংশোধন করত না।” — সূরা আন-নামল, ২৭:৪৮

র‍্যাবাই: কোনটি দশ, এগারো নয়?

হযরত বায়েজিদ: যে ব্যক্তি হজের সঙ্গে উমরাহ সম্পন্ন করে এবং কোরবানির পশু দেওয়ার সামর্থ্য রাখে না, তাকে মোট দশটি রোজা রাখতে হয়—তিনটি হজের সময় এবং সাতটি বাড়ি ফেরার পর।

কুরআনে এসেছে: “তোমরা হজের সময় তিন দিন এবং বাড়ি ফিরে সাত দিন রোজা রাখবে।” — সূরা আল-বাকারা, ২:১৯৬

এগারো, বারো ও তেরো

র‍্যাবাই: এগারো, বারো ও তেরো—আল্লাহ কোন কোন বিষয় উল্লেখ করেছেন?

হযরত বায়েজিদ:

ক. এগারো: হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের এগারোজন ভাই ছিলেন।

খ. বারো: এক বছরে বারো মাস।

কুরআনে এসেছে: “নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি।” — সূরা আত-তাওবা, ৯:৩৬

গ. তেরো: হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম স্বপ্নে এগারোটি নক্ষত্র, সূর্য ও চন্দ্রকে তাঁর জন্য সিজদারত অবস্থায় দেখেছিলেন—মোট তেরোটি।

কুরআনে এসেছে: “আমি স্বপ্নে এগারোটি নক্ষত্র, সূর্য ও চন্দ্রকে দেখেছি; তাদেরকে আমার জন্য সিজদারত দেখেছি।” — সূরা ইউসুফ, ১২:৪

যে জাতি মিথ্যা বলেছিল এবং যে জাতি সত্য বলেছিল

র‍্যাবাই: কোন জাতি মিথ্যা বলেছিল কিন্তু জান্নাতে প্রবেশ করল, আর কোন জাতি সত্য বলেছিল কিন্তু জাহান্নামে গেল?

হযরত বায়েজিদ:

ক. হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের ভাইয়েরা মিথ্যা বলেছিল—তারা বলেছিল, “আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করতে গিয়েছিলাম এবং ইউসুফকে আমাদের মালপত্রের কাছে রেখে গিয়েছিলাম; তখন তাকে নেকড়ে খেয়ে ফেলেছে।” — সূরা ইউসুফ, ১২:১৭

খ. ইহুদি ও খ্রিস্টানদের পারস্পরিক বিরোধের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষই অন্য পক্ষকে পথভ্রষ্ট বলেছিল। কুরআনে তাদের এই বিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। — সূরা আল-বাকারা, ২:১১৩

সূরা আয-যারিয়াতের শপথগুলোর অর্থ

র‍্যাবাই: সূরা আয-যারিয়াতের প্রথম চার আয়াতে যে বিষয়গুলোর শপথ করা হয়েছে, সেগুলোর অর্থ কী?

হযরত বায়েজিদ: ছড়িয়ে দেওয়া বস্তুর অর্থ বাতাস; ভার বহনকারীর অর্থ পানিভর্তি মেঘ; সহজে চলমান বস্তুর অর্থ নৌযান; আর আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী বণ্টনকারীদের অর্থ ফেরেশতাগণ, যারা রিজিক বণ্টনের কাজে নিয়োজিত।

প্রাণহীন অথচ ‘শ্বাস নেয়’

র‍্যাবাই: কোন জিনিসের কোনো প্রাণ নেই, শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে যার কোনো সম্পর্ক নেই, অথচ সে শ্বাস নেয়?

হযরত বায়েজিদ: ভোর। তার কোনো প্রাণ নেই, তবুও কুরআনে বলা হয়েছে—“শপথ ভোরের, যখন তা শ্বাস নেয়।” — সূরা আত-তাকভীর, ৮১:১৮

আল্লাহ যাদের সঙ্গে কথা বলেছেন

র‍্যাবাই: কোন চৌদ্দটি বিষয়ের সঙ্গে আল্লাহ সম্মানের সঙ্গে কথা বলেছেন?

হযরত বায়েজিদ: সাত পৃথিবী ও সাত আসমান।

কুরআনে এসেছে: “অতঃপর তিনি আকাশ ও পৃথিবীকে বললেন, ‘তোমরা উভয়ে আসো—ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়।’ তারা বলল, ‘আমরা স্বেচ্ছায় এলাম।’” — সূরা ফুসসিলাত, ৪১:১১

যে কবর তার অধিবাসীকে নিয়ে চলেছিল

র‍্যাবাই: কোন কবর তার ভেতরের মানুষকে নিয়ে চলেছিল?

হযরত বায়েজিদ: হযরত ইউনুস আলাইহিস সালামের কবরসদৃশ অবস্থান—অর্থাৎ যে মাছ তাঁকে গিলে ফেলেছিল।

কুরআনে এসেছে: “অতঃপর মাছ তাকে গিলে ফেলল।” — সূরা আস-সাফফাত, ৩৭:১৪২

যে পানি আকাশ থেকেও আসেনি, মাটি থেকেও নয়

র‍্যাবাই: কোন পানি পৃথিবী থেকে বের হয়নি এবং আকাশ থেকেও নেমে আসেনি?

হযরত বায়েজিদ: হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম বিলকিস, সাবার রাণীর কাছে যে পানি পাঠিয়েছিলেন—এটি একটি বর্ণনা অনুযায়ী ঘোড়ার ঘাম ছিল।

যে চারটি জিনিসের বাবা-মা ছিল না

র‍্যাবাই: কোন চারটি জিনিসের কোনো পিতা ছিল না এবং কোনো মায়ের গর্ভ থেকেও জন্ম নেয়নি?

হযরত বায়েজিদ: হযরত ইসমাইল আলাইহিস সালামের কোরবানির জন্য প্রেরিত দুম্বা, হযরত সালেহ আলাইহিস সালামের উষ্ট্রী, হযরত আদম আলাইহিস সালাম এবং আমাদের মাতা হাওয়া আলাইহাস সালাম।

পৃথিবীতে প্রথম কার রক্ত প্রবাহিত হয়েছিল?

র‍্যাবাই: পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কার রক্ত প্রবাহিত হয়েছিল?

হযরত বায়েজিদ: হাবিলের—যাকে তাঁর ভাই কাবিল হত্যা করেছিল।

আল্লাহ যাকে সৃষ্টি করে আবার কিনেছেন

র‍্যাবাই: কোন জিনিস আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং পরে কিনেছেন?

হযরত বায়েজিদ: মুমিনের প্রাণ।

কুরআনে এসেছে: “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের কাছ থেকে তাদের জীবন ও সম্পদ কিনে নিয়েছেন।” — সূরা আত-তাওবা, ৯:১১

আল্লাহ যে কণ্ঠস্বরকে অপছন্দ করেছেন

র‍্যাবাই: কোন কণ্ঠস্বর আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং পরে যার নিন্দা করেছেন?

হযরত বায়েজিদ: গাধার কণ্ঠস্বর।

কুরআনে এসেছে: “নিশ্চয়ই সবচেয়ে অপ্রীতিকর আওয়াজ হলো গাধার আওয়াজ।” — সূরা লুকমান, ৩১:১৯

যে সৃষ্টি থেকে ভয়ের সৃষ্টি

র‍্যাবাই: কোন সৃষ্টি আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং যার প্রভাবের মাধ্যমে ভয়ের কথা উল্লেখ করেছেন?

হযরত বায়েজিদ: নারীদের কৌশল।

কুরআনে এসেছে: “নিশ্চয়ই তোমাদের কৌশল অত্যন্ত প্রবল।” — সূরা ইউসুফ, ১২:২৮

আল্লাহ যে সৃষ্টি সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন

র‍্যাবাই: কোন জিনিস আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং পরে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন?

হযরত বায়েজিদ: হযরত মূসা আলাইহিস সালামের লাঠি।

কুরআনে এসেছে: “হে মূসা! তোমার ডান হাতে কী রয়েছে?” তিনি বললেন, “এটি আমার লাঠি।” — সূরা ত্ব-হা, ২০:১৭

সর্বাধিক পুণ্যশীলা নারী ও বরকতময় নদী

র‍্যাবাই: নারীদের মধ্যে কারা সর্বাধিক পুণ্যশীলা? আর কোন নদীগুলো বরকতময়?

হযরত বায়েজিদ: পুণ্যশীলা নারীদের মধ্যে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম, হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা, হযরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এবং হযরত ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা।

আর বরকতময় নদীগুলোর মধ্যে রয়েছে—অক্সাস, সিমউন, দজলা, ফোরাত ও নীল নদ।

সর্বাধিক বরকতময় পাহাড় ও প্রাণী

র‍্যাবাই: কোন পাহাড় এবং কোন প্রাণী সর্বাধিক বরকতময়?

হযরত বায়েজিদ: মক্কার তূর পাহাড় এবং ঘোড়া।

শ্রেষ্ঠ মাস ও শ্রেষ্ঠ রাত

র‍্যাবাই: সব মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস কোনটি এবং সব রাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ রাত কোনটি?

হযরত বায়েজিদ: রমজান মাস এবং শবে কদর।

কুরআনে এসেছে: “রমজান মাস—যে মাসে কুরআন নাজিল করা হয়েছে।” — সূরা আল-বাকারা, ২:১৮৫

আর এসেছে: “শবে কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” — সূরা আল-কদর, ৯৭:৩

বারো ডাল, ত্রিশ পাতা ও পাঁচ ফলের গাছ

র‍্যাবাই: এমন একটি গাছ রয়েছে যার বারোটি ডাল। প্রতিটি ডালে ত্রিশটি পাতা এবং প্রতিটি পাতায় পাঁচটি ফল। এর মধ্যে দুটি রোদে এবং তিনটি ছায়ায় থাকে। সেই গাছের অর্থ কী?

হযরত বায়েজিদ: গাছটি হলো এক বছর। বারোটি ডাল হলো বারো মাস। ত্রিশটি পাতা হলো মাসের ত্রিশ দিন। আর পাঁচটি ফল হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ—দুটি দিনের বেলায় এবং বাকি তিনটি ফজর, মাগরিব ও এশার সময় আদায় করা হয়।

প্রাণহীন যে জিনিস কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করেছিল

র‍্যাবাই: কোন প্রাণহীন বস্তু মক্কার কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করেছিল?

হযরত বায়েজিদ: হযরত নূহ আলাইহিস সালামের নৌকা। বন্যার সময় সেটি আরবভূমিতে এসে কাবা শরিফের চারপাশে প্রদক্ষিণ করেছিল বলে বর্ণিত হয়েছে।

আল্লাহ কতজন নবী পাঠিয়েছেন?

র‍্যাবাই: আল্লাহ কতজন নবীকে রাসুল হিসেবে পাঠিয়েছেন?

হযরত বায়েজিদ: এর প্রকৃত সংখ্যা আল্লাহই ভালো জানেন। তবে কিছু বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহ ১,২৬,০০০ নবী সৃষ্টি করেছেন, তাঁদের মধ্যে ৩১৩ জন ছিলেন রাসুল।

একই মূল, কিন্তু ভিন্ন রং ও স্বাদ

র‍্যাবাই: কোন চারটি জিনিসের মূল এক, কিন্তু তাদের রং ও স্বাদ ভিন্ন?

হযরত বায়েজিদ: চোখ, কান, মুখ ও নাক। চোখের পানি টক, কানের তরল ও নাকের তরল অম্লধর্মী এবং মুখের লালা মিষ্টি।

বিভিন্ন প্রাণীর আওয়াজ ও জিকির

র‍্যাবাই: গাধার আওয়াজকে কী বলা হয়?

হযরত বায়েজিদ: কর আদায়কারীদের জন্য অভিশাপ।

র‍্যাবাই: কুকুরের আওয়াজকে কী বলা হয়?

হযরত বায়েজিদ: আল্লাহর ক্রোধে জাহান্নামবাসীদের জন্য ধ্বংসের ঘোষণা।

র‍্যাবাই: গরুর জিকির কী?

হযরত বায়েজিদ:
“সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।”

র‍্যাবাই: উটের জিকির কী?

হযরত বায়েজিদ:
“হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।”

র‍্যাবাই: ময়ূরের জিকির কী?

হযরত বায়েজিদ:
“হুয়াল ওয়াদুদ, যুল ‘আরশিল আযীম।”

র‍্যাবাই: বুলবুল বা নাইটিঙ্গেলের সুন্দর তাসবিহ কী?

হযরত বায়েজিদ:
“সুতরাং সকাল-সন্ধ্যায় পবিত্র আল্লাহর স্মরণ করো।”

যে সৃষ্টির প্রতি ওহি নাজিল হয়েছিল

র‍্যাবাই: আল্লাহ এমন কোন সৃষ্টির প্রতি ওহি/ইলহাম করেছিলেন, যে মানুষ, জিন বা ফেরেশতা নয়?

হযরত বায়েজিদ: মৌমাছি।

কুরআনে এসেছে: “তোমার প্রতিপালক মৌমাছির প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন...” — সূরা আন-নাহল, ১৬:৬৮

র‍্যাবাইয়ের নীরবতা

এরপর র‍্যাবাই আর কোনো প্রশ্ন করতে পারলেন না। তিনি নীরব হয়ে গেলেন।

তখন হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বললেন,

“এখন তোমরা আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। জান্নাতের চাবি কী?”

র‍্যাবাই বললেন,

“আমি যদি এই প্রশ্নের উত্তর দিই, তাহলে এই সমাবেশের লোকেরা আমাকে হত্যা করবে।”

তখন উপস্থিত সবাই একসঙ্গে বলে উঠল,

“আমরা তোমার কোনো ক্ষতি করব না। এখন সত্য উত্তরটি বলো!”

র‍্যাবাই তখন বললেন,

“শোনো! জান্নাতের চাবি হলো—

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ

‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং হযরত মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসুল।’

এই কথা শোনার পর উপস্থিত সবাই ইসলাম গ্রহণ করল। আর হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে করতে সেখান থেকে ফিরে এলেন।

#বাইজিদ #বোস্তামী #রহিমাআল্লাহ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমমাওলানা আহমদ আলী লাহোরী (রহ.) অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদার একজন বুযুর্গ ছিলেন। তিনি লাহোরের মিয়ানি স...
21/09/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মাওলানা আহমদ আলী লাহোরী (রহ.) অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদার একজন বুযুর্গ ছিলেন। তিনি লাহোরের মিয়ানি সাহেব কবরস্থানে সমাহিত আছেন।

তাঁর একটি আমল সম্পর্কে বলা হয়—কুরআন মাজিদে ১০৬টি আয়াতে “مبين” শব্দ রয়েছে। এসব আয়াত তিলাওয়াত করে নিজের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য দোয়া করলে, ইনশাআল্লাহ সফলতা লাভ হবে।

জেদ্দায় এক মহিলা অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁর এক আত্মীয় তাঁর ৬০ হাজার রিয়াল অন্যায়ভাবে নিয়ে রেখেছেন এবং তা ফেরত দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তাঁকে “আয়াতে মুবীন”-এর খতম করার কথা বলা হয়েছিল।

তিনি অনুরোধ করেছিলেন, আয়াতগুলো খুঁজে দিতে, তিনি নিজে তা পড়বেন।

এরপর এই আয়াতগুলোর একটি সংকলন প্রস্তুত করার চেষ্টা করা হয়। সাধারণ মানুষের উপকারের জন্য ১০৬টি আয়াত এখানে দেওয়া হলো।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের প্রয়োজন পূরণ করুন, হালাল ও কল্যাণকর উদ্দেশ্যগুলো সফল করুন এবং আমাদের দোয়া কবুল করুন। আমিন।

১–১০

১. وَلا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿168 البقرة﴾

২. وَلا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿208 البقرة﴾

৩. وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿164 آل عمران﴾

৪. قَدْ جَاءَكُمْ مِنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُبِينٌ ﴿15 المائدة﴾

৫. فَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٩٢ المائدة﴾

৬. فَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿110 المائدة﴾

৭. لَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿7 الأنعام﴾

৮. مَنْ يُصْرَفْ عَنْهُ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمَهُ وَذَٰلِكَ الْفَوْزُ الْمُبِينُ ﴿١٦ الأنعام﴾

৯. وَلَا رَطْبٍ وَلَا يَابِسٍ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿59 الأنعام﴾

১০. إِنِّي أَرَاكَ وَقَوْمَكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿74 الأنعام﴾

১১–২০

১১. وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿142 الأنعام﴾

১২. وَأَقُلْ لَكُمَا إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمَا عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿22 الأعراف﴾

১৩. قَالَ الْمَلَأُ مِنْ قَوْمِهِ إِنَّا لَنَرَاكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿60 الأعراف﴾

১৪. فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُبِينٌ ﴿107 الأعراف﴾

১৫. أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا مَا بِصَاحِبِهِمْ مِنْ جِنَّةٍ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿184 الأعراف﴾

১৬. قَالَ الْكَافِرُونَ إِنَّ هَٰذَا لَسَاحِرٌ مُبِينٌ ﴿2 يونس﴾

১৭. وَلَا أَصْغَرَ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرَ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿61 يونس﴾

১৮. فَلَمَّا جَاءَهُمُ الْحَقُّ مِنْ عِنْدِنَا قَالُوا إِنَّ هَٰذَا لَسِحْرٌ مُبِينٌ ﴿76 يونس﴾

১৯. وَيَعْلَمُ مُسْتَقَرَّهَا وَمُسْتَوْدَعَهَا كُلٌّ فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿6 هود﴾

২০. لَيَقُولَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿7 هود﴾

২১–৩০

২১. وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ إِنِّي لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿25 هود﴾

২২. وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿96 هود﴾

২৩. الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿١ يوسف﴾

২৪. إِنَّ الشَّيْطَانَ لِلْإِنْسَانِ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿5 يوسف﴾

২৫. وَنَحْنُ عُصْبَةٌ إِنَّ أَبَانَا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿8 يوسف﴾

২৬. قَدْ شَغَفَهَا حُبًّا إِنَّا لَنَرَاهَا فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿30 يوسف﴾

২৭. تُرِيدُونَ أَنْ تَصُدُّونَا عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ آبَاؤُنَا فَأْتُونَا بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿10 ابراهيم﴾

২৮. الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ ﴿1 الحجر﴾

২৯. إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ مُبِينٌ ﴿18 الحجر﴾

৩০. فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُبِينٍ ﴿79 الحجر﴾

৩১–৪০

৩১. وَقُلْ إِنِّي أَنَا النَّذِيرُ الْمُبِينُ ﴿٨٩ الحجر﴾

৩২. خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ نُطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُبِينٌ ﴿4 النحل﴾

৩৩. فَهَلْ عَلَى الرُّسُلِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٣٥ النحل﴾

৩৪. فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٨٢ النحل﴾

৩৫. لَسَانُ الَّذِي يُلْحِدُونَ إِلَيْهِ أَعْجَمِيٌّ وَهَٰذَا لِسَانٌ عَرَبِيٌّ مُبِينٌ ﴿103 النحل﴾

৩৬. لَٰكِنِ الظَّالِمُونَ الْيَوْمَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿38 مريم﴾

৩৭. قَالَ لَقَدْ كُنْتُمْ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿54 الأنبياء﴾

৩৮. خَسِرَ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ ذَٰلِكَ هُوَ الْخُسْرَانُ الْمُبِينُ ﴿١١ الحج﴾

৩৯. قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿49 الحج﴾

৪০. ثُمَّ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ وَأَخَاهُ هَارُونَ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿45 المؤمنون﴾

৪১–৫০

৪১. لَّوْلَا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا هَٰذَا إِفْكٌ مُّبِينٌ (12 النور)

৪২. وَيَعْلَمُونَ أَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ الْمُبِينُ ﴿٢٥ النور﴾

৪৩. وَإِنْ تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٥٤ النور﴾

৪৪. تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ الشعراء﴾

৪৫. قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَيْءٍ مُبِينٍ ﴿30 الشعراء﴾

৪৬. فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُبِينٌ ﴿32 الشعراء﴾

৪৭. تَاللَّهِ إِنْ كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿97 الشعراء﴾

৪৮. إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿115 الشعراء﴾

৪৯. بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ {195 الشعراء}

৫০. طس تِلْكَ آيَاتُ الْقُرْآنِ وَكِتَابٍ مُبِينٍ ﴿1 النمل﴾

৫১–৬০

৫১. فَلَمَّا جَاءَتْهُمْ آيَاتُنَا مُبْصِرَةً قَالُوا هَٰذَا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿13 النمل﴾

৫২. إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ الْفَضْلُ الْمُبِينُ ﴿١٦ النمل﴾

৫৩. لَأُعَذِّبَنَّهُ عَذَابًا شَدِيدًا أَوْ لَأَذْبَحَنَّهُ أَوْ لَيَأْتِيَنِّي بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿21 النمل﴾

৫৪. وَمَا مِنْ غَائِبَةٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿75 النمل﴾

৫৫. فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّكَ عَلَى الْحَقِّ الْمُبِينِ ﴿٧٩ النمل﴾

৫৬. تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ القصص﴾

৫৭. قَالَ هَٰذَا مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ عَدُوٌّ مُضِلٌّ مُبِينٌ ﴿15 القصص﴾

৫৮. قَالَ لَهُ مُوسَىٰ إِنَّكَ لَغَوِيٌّ مُبِينٌ ﴿18 القصص﴾

৫৯. قُلْ رَبِّي أَعْلَمُ مَنْ جَاءَ بِالْهُدَىٰ وَمَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ 85 القصص﴾

৬০. وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٨ العنكبوت﴾

৬১–৭০

৬১. وَقَالُوا لَوْلَا أُنزِلَ عَلَيْهِ آيَاتٌ مِّن رَّبِّهِ ۖ قُلْ إِنَّمَا الْآيَاتُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ (50 العنكبوت)

৬২. بَلِ الظَّالِمُونَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿11 لقمان﴾

৬৩. وَلَا أَصْغَرُ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿3 سبإ﴾

৬৪. وَإِنَّا أَوْ إِيَّاكُمْ لَعَلَىٰ هُدًى أَوْ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿24 سبإ﴾

৬৫. وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلْحَقِّ لَمَّا جَاءَهُمْ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿43 سبإ﴾

৬৬. وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَاهُ فِي إِمَامٍ مُبِينٍ ﴿12 يس﴾

৬৭. وَمَا عَلَيْنَا إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٧ يس﴾

৬৮. إِنِّي إِذًا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿24 يس﴾

৬৯. إِنْ أَنْتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿47 يس﴾

৭০. أَنْ لَا تَعْبُدُوا الشَّيْطَانَ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿60 يس﴾

৭১–৮০

৭১. إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْآنٌ مُبِينٌ ﴿69 يس﴾

৭২. أَوَلَمْ يَرَ الْإِنْسَانُ أَنَّا خَلَقْنَاهُ مِنْ نُطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُبِينٌ ﴿77 يس﴾

৭৩. وَقَالُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿15 الصافات﴾

৭৪. إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ الْبَلَاءُ الْمُبِينُ ﴿١٠٦ الصافات﴾

৭৫. وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِنَفْسِهِ مُبِينٌ ﴿113 الصافات﴾

৭৬. أَمْ لَكُمْ سُلْطَانٌ مُبِينٌ ﴿156 الصافات﴾

৭৭. إِنْ يُوحَىٰ إِلَيَّ إِلَّا أَنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿70 ص﴾

৭৮. أَلَا ذَٰلِكَ هُوَ الْخُسْرَانُ الْمُبِينُ ﴿١٥ الزمر﴾

৭৯. فَوَيْلٌ لِلْقَاسِيَةِ قُلُوبُهُمْ مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿22 الزمر﴾

৮০. وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿23 مؤمن﴾

৮১–৯০

৮১. وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ الزخرف﴾

৮২. إِنَّ الْإِنْسَانَ لَكَفُورٌ مُبِينٌ ﴿15 الزخرف﴾

৮৩. أَوَمَنْ يُنَشَّأُ فِي الْحِلْيَةِ وَهُوَ فِي الْخِصَامِ غَيْرُ مُبِينٍ ﴿18 الزخرف﴾

৮৪. بَلْ مَتَّعْتُ هَٰؤُلَاءِ وَآبَاءَهُمْ حَتَّىٰ جَاءَهُمُ الْحَقُّ وَرَسُولٌ مُبِينٌ ﴿29 الزخرف﴾

৮৫. أَفَأَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ أَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿40 الزخرف﴾

৮৬. وَلَا يَصُدَّنَّكُمُ الشَّيْطَانُ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿62 الزخرف﴾

৮৭. وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ الدخان﴾

৮৮. فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ ﴿10 الدخان﴾

৮৯. أَنَّىٰ لَهُمُ الذِّكْرَىٰ وَقَدْ جَاءَهُمْ رَسُولٌ مُبِينٌ ﴿13 الدخان﴾

৯০. وَأَنْ لَا تَعْلُوا عَلَى اللَّهِ إِنِّي آتِيكُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿19 الدخان﴾

৯১–১০০

৯১. وَآتَيْنَاهُمْ مِنَ الْآيَاتِ مَا فِيهِ بَلَاءٌ مُبِينٌ ﴿33 الدخان﴾

৯২. فَيُدْخِلُهُمْ رَبُّهُمْ فِي رَحْمَتِهِ ذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْمُبِينُ ﴿٣٠ الجاثية﴾

৯৩. قَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلْحَقِّ لَمَّا جَاءَهُمْ هَٰذَا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿7 الأحقاف﴾

৯৪. إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَىٰ إِلَيَّ وَمَا أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿9 الأحقاف﴾

৯৫. أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿32 الأحقاف﴾

৯৬. وَفِي مُوسَىٰ إِذْ أَرْسَلْنَاهُ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿38 الذاريات﴾

৯৭. فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿50 الذاريات﴾

৯৮. وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿51 الذاريات﴾

৯৯. فَلْيَأْتِ مُسْتَمِعُهُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿38 الطور﴾

১০০. فَلَمَّا جَاءَهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ قَالُوا هَٰذَا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿6 الصف﴾

১০১–১০৬

১০১. وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿2 الجمعة﴾

১০২. فَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَإِنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٢ التغابن﴾

১০৩. قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿26 الملك﴾

১০৪. فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿29 الملك﴾

১০৫. قَالَ يَا قَوْمِ إِنِّي لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿2 نوح﴾

১০৬. وَلَقَدْ رَآهُ بِالْأُفُقِ الْمُبِينِ ﴿٢٣ التكوير﴾

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাঁর রহমত ও হেদায়েত দান করুন এবং আমাদের নেক দোয়া কবুল করুন। আমিন।

আমাদেরও আপনাদের দোয়ায় স্মরণ রাখবেন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
Qari Ahmadullah Ishaati

(*ব্যাংক ডিপোজিটের প্রকারভেদ ও তার শরয়ী বিধান*)(*প্রচারে: Mufti Ahmadullahপক্ষ থেকে বার্তা*) (*ব্যাংকিং পরিভাষায় ব্যাংক ...
19/09/2026

(*ব্যাংক ডিপোজিটের প্রকারভেদ ও তার শরয়ী বিধান*)

(*প্রচারে: Mufti Ahmadullahপক্ষ থেকে বার্তা*)



(*ব্যাংকিং পরিভাষায় ব্যাংক ডিপোজিট চার প্রকার:*)

*১.* কারেন্ট একাউন্ট (Current Account) বা চলতি হিসাব।

*২.* সেভিংস একাউন্ট (Savings Account ) বা সঞ্চয়ী হিসাব।

*৩.* ফিক্সড একাউন্ট (Fixed Deposit) বা নির্ধারিত মেয়াদি সঞ্চয়।

*৪.* লকার *(Locker)* তথা ব্যাংক থেকে লোহার বক্স ভাড়া নিয়ে তাতে টাকা পয়সা বা মূল্যবান সামগ্রী রেখে তা ব্যাংকের নিকট আমানত রাখা।

(*ফিকহী মাকালাত: ৩/১৩-১৫, পৃষ্ঠা*)

(*ব্যাংক ডিপোজিটগুলোর শরয়ী অবস্থান:*)

(*প্রথম তিন প্রকার করজের হুকুমে দুটি শর্তের কারণে:*)

এক. এই তিন প্রকারের (কারেন্ট, সেভিংস ও ফিক্সড) ডিপোজিটারগণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে তাদের অর্থের যামিন বা জিম্মাদার বানায়।

দুই. ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে তাদের গচ্ছিত অর্থের যথেচ্ছা ব্যবহারের সার্বিক ক্ষমতা প্রদান করে থাকে।

চতুর্থ প্রকার তথা লকার (*Locker*) এটা *বর্তমান প্রচলন ও শরয়ী দৃষ্টিকোণ উভয় বিবেচনায় আমানত হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই*।

(*ফিকহী মাকালাত: ৩/১৮, পৃষ্ঠা*)

(*সাধারণ ব্যাংগুলোতে অর্থ রাখার শরয়ী হুকুম:*)

*১.* জান ও মালের নিরাপত্তার খাতিরে কারেন্ট একাউন্টে টাকা রাখা *জায়িয আছে*। যেহেতু কারেন্ট একাউন্ট হোল্ডারদেরকে ব্যাংক কর্তৃক কোন মুনাফা প্রদান করা হয় না। বরং তাদের থেকে উল্টা সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য চার্জ কাটা হয়। অতএব, কারেন্ট একাউন্টে টাকা রাখলে *সুদি লেন-দেনে অংশগ্রহণ গণ্য হবে না*। সুতরাং *তা জায়িয আছে*।

*২.* ফিক্সড ডিপোজিট ও সেভিংস একাউন্টে টাকা রাখা *জায়িয নেই*। কারণ এই উভয় প্রকার একাউন্ট হোল্ডারদেরকে ব্যাংক কর্তৃক মুনাফা প্রদান করা হয় এবং এই উভয় একাউন্টে গচ্ছিত টাকা উম্মতের ঐক্যমতে করজের হুকুমে। আর করজের বিনিময়ে লাভ হাসিল করা শরীয়তে সূদ। অতএব ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডারদেরকে মূল টাকার অতিরিক্ত যে টাকাই প্রদান করবে তা স্পষ্ট *সূদ হবে*। আর *সূদ বৈধ হওয়ার কোন সুরত নেই*।

সুতরাং যে ব্যক্তি উল্লেখিত একাউন্টে টাকা রাখবে সে *ব্যাংকের সাথে হারাম লেন-দেনে শরীক হয়ে যাবে*। এ কারণে কোন মুসলমানের জন্য এই দুই প্রকার (সেভিংস এবং ফিক্সড ডিপোজিট) *একাউন্টে টাকা রাখা জায়িয নেই* । কেউ রেখে থাকলে সুযোগ থাকলে সে একাউন্ট পরিবর্তন করে চলতি হিসাব খুলে সেখানে টাকা রাখবে। আর যদি কোন কারণে চলতি হিসাব খুলতে অপারগ হয় এবং জান ও মালের নিরাপত্তার জন্য সেভিংস একাউন্ট খুলতে বা জারী রাখতে বাধ্য হয়, তাহলে সে ইস্থিগফার করতে থাকবে এবং ঐ একাউন্টে যে সূদ আসবে তা সাওয়াবের নিয়ত ছাড়া মিসকিনদেরকে বা মসজিদ মাদরাসার বাথরুম নির্মাণের জন্য (কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে) দিয়ে দিবে।

(*ইসলামী ব্যাংকগুলোর হুকুম:*)

ইসলামী ব্যাংক একটি মহত উদ্যোগ। উদ্যোক্তাদের আমরা ধন্যবাদ জানাই। যদি এটিকে তারা পূর্ণ ইসলাম অনুযায়ী পরিচালনা করেন। যার জন্য জরুরী হলো;

*(ক)* বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই মর্মে অনুমতি না নিয়ে থাকলে অনুমতি নিবে যে, ব্যাংক সরাসরি নিজে বাণিজ্যিক মাল আমদানি ও রপ্তানি করবে।

*(খ)* প্রত্যেক শাখার কারবার প্রত্যক্ষ করার জন্য একজন বিজ্ঞ আলেমে দ্বীন থাকবে এবং সর্বময় কর্তৃত্ব ম্যানেজারের নয়, মজলিসে শূরার হাতে থাকবে।

(*ইসলাম আওড় জাদীদ মায়ীশাত : ১২৬, পৃষ্ঠা*)

*১.* ইসলামী ব্যাংকের কারেন্ট একাউন্ট সাধারণ ব্যাংকের কারেন্ট একাউন্টের মত *জায়িয আছে*।

*২.* ইসলামী ব্যাংকগুলো সেভিংস এবং ফিক্সড ডিপোজিটারদের সাথে টাকা বিনিয়োগের বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাত দেখিয়ে যে চুক্তি করে থাকে তাকে *শরিয়তের পরিভাষায় আকদে মুযারাবাহ বলে*। আর ডিপোজিটারদের পরস্পরের মাঝে হয় আকদে মুশারাকাহ বা অংশীদারিত্বের চুক্তি। যারা সকলে মিলে তাদের অর্থ ও শ্রম ব্যাংকের নিকট সোপর্দ করেছে লাভ-লোকসানের মধ্যে শরীক হওয়ার ভিত্তিতে। ব্যাংক তাদেরকে নির্দিষ্ট পার্সেন্টিস হিসেবে লাভ দিবে। আর ক্ষতি হলে মুনাফা দ্বারা তা পূরণ করা সম্ভব না হলে ডিপোজিটারকেও তার অংশ অনুপাতে লোকসানের বোঝা নিতে হবে। বাস্তবে এমনটি হলে তা জায়িয হবে। কিন্তু সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, ইসলামী ব্যাংকগুলো সূদী ব্যাংকগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে সূদী লেন-দেনের সাথেই বেশী জড়িত। তারা মুখে মুখে হালাল মুনাফা প্রদানের কথা বললেও সহীহ তরীকায় ইনভেস্ট করে না তথা বেচা-কেনার মধ্যে শরীয়ত যে-সব শর্ত আরোপ করেছে তা সঠিকভাবে রক্ষা করে না। খাতা কলমে ঠিক দেখালেও বাস্তবে করে খামখেয়ালী এবং জনবল না থাকার দোহাই দিয়ে থাকে যা অগ্রহণযোগ্য।

তাই প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকগুলোতেও সেভিংস এবং ফিক্সড ডিপোজিট একাউন্ট খোলা জায়িয হবে না। যতক্ষণ না তারা তাদের কার্যক্রম বাস্তব ক্ষেত্রেও শরয়ী পন্থায় নিয়ে আসে এবং বাস্তব অভিজ্ঞতায় তাদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ *শরীয়ত ভিত্তিক প্রমাণ করতে না পারে*।

(*আল মাবসূত লিস্ সারাখসী: ২২/১৩৩, পৃষ্ঠা*)

(*অমুসলিম দেশের ব্যাংকের হুকুম:*)

অমুসলিম দেশের অমুসলিম মালিকদের ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় সূদ গ্রহণের ব্যাপারে ফুকাহায়ে কিরামের সমর্থন রয়েছে। যেহেতু তারা এই টাকা মুসলমানদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করে এবং এর মাধ্যমে তারা মুসলমানদেরকে দুর্বল করার বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে। কাজেই সূদের টাকা ব্যাংকে না ছেড়ে উঠিয়ে নিবে। তার পর সাওয়াবের নিয়ত না করে মিসকিনদেরকে দিয়ে দিবে।

(*ফিকহী মাকালাত: ৩/২২, পৃষ্ঠা*)

(*সূদী টাকার হুকুম:*)

যারা শরয়ী বিধান না জানার কারণে শরীয়ত বিরোধী পন্থায় লেন-দেন করার কারণে কিছু সূদী টাকা তার মালিকানায় চলে এসেছে কিংবা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধি-বিধানের পাবন্দি ছিলনা। কিন্তু এখন সে তাওবা করে সূদ থেকে মুক্তি পেতে চাচ্ছে, তারা সাওয়াবের নিয়ত ছাড়া ঐ টাকা ফকীর-মিসকিন অথবা কোন কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে দিবে।

(*ফিকহী মাকালাত: ৩/২২, পৃষ্ঠা*)

*واللہ اعلم بالصواب*

(*প্রচারে ' Qari Ahmadullah Ishaati *)

Address

Mango Point
Nainital

Telephone

+917584065459

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qari Ahmadullah Ishaati posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category