15/08/2021
❤️
Khejuri was a famous port till 18 th century. Raja Rammohon Roy left for England from this port. The first Telegraph line (1851-52) of India was establish.
15/08/2021
❤️
27/05/2021
আমাদের 'খেজুরী 'ও দিঘার মতো ভীষণভাবে আঘাত পেয়েছে 'ইয়াসের' তাণ্ডবে। আমরা কয়েকজন মিলে একটু চেষ্টা করছি রিলিফ সেন্টার থেকে লোকেরা বাড়িতে পৌঁছলে তাদের (প্রায় ৩০ টি পরবারকে) ত্রিপল, ওষুধ আর কিছু শুকনো খাবার দিয়ে সাহায্য করবো। আমাদের হিসেবে প্রায় হাজার ১৫ মতো টাকা খরচ হবে৷ /
তাই আপনাদেরকে অনুরোধ, আপনারা যতটা পারবেন আমাদের সাহায্য করে 'খেজুরী'র পাশে দাঁড়ান।
/ প্লিজ আপনার সাহায্য পৌঁছে দিতে আমাদের Paytm / Gpay করুন -7063029326 এ।
Phonepay : 9547692132
Ac no. 1105010457781
Ifsc : UTBI0BSGD64
Name: Subhrajit Panda
আপনিও প্লিজ আমাদের এই ফান্ড রাইজিং এ হেল্প করুন। এই পোস্টটা আপনার চেনাপরিচিত মানুষদের সাহায্য করতে পারেন৷
ভয়ংকর অবস্থা খেজুরীর৷
26/05/2021
বন্যা কবলিত নিজকশবা অঞ্জলের ভয়াবহ দৃশ্য।
09/05/2021
আজকে পৌঁছে গেছিলাম শ্যামপুর। সবার কাছে এগুলো পৌঁছে দিয়ে যতটা সম্ভব সতর্কতার সাথে মানুষকে সচেতন করার কাজ করেছি৷
যে যেভাবে পারবেন সাহায্য করবেন৷ যারা সবাই এগিয়ে এসে সাহায্য করেছেন তাদেরকে অনেক ধন্যবাদ আবার চেষ্টা করবো আপনাদের জানাবো আপনারা সাহায্য করবেন এইভাবে আমাদের আশা করি৷ সাবধানে থাকবেন৷
Khejuri
04/05/2021
Share and care..!!
জাহাজে করে প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র খেজুরি বন্দরে আসত বলে খেজুরিতেই গড়ে উঠেছিল প্রথম ডাকঘর বা কেডগিরি পোস্ট অফিস।’’
মহেন্দ্রনাথ করণের ‘খেজুরি বন্দর’ ও যোগেশ্চন্দ্র বসুর ‘মেদিনীপুরের ইতিহাস’ সূত্রে জানা যায়, ‘খেজুরি বন্দর থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রতিদিন ডাক যাতায়াতের জন্য ছোট ছোট ছিপে করে ডাকনৌকা বা ব্যবস্থা ছিল। দ্রুতগামী এই ডাকনৌকা নামধারী ছিপে করেই ডাক পাঠানো হত। বিলেত থেকে জাহাজ খেজুরি বন্দরে পৌঁছান মাত্র কলকাতার বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিনিধিরা বিলাতি সংবাদ সংগ্রহ করে দ্রুতগামী ছিপে করেই কলকাতায় যেতেন।
খেজুরি বা কেডগিরি পোস্ট অফিসের দোতলা থেকেই ১৮৫১-৫২ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক উইলিয়াম ওশাগনেশির আবিস্কৃত যন্ত্র সাহায্যে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার, ডায়মন্ডহারবার থেকে কুঁকড়াহাটি ও কুঁকড়াহাটি থেকে খেজুরি পর্যন্ত ভারতবর্ষের প্রথম টেলিগ্রাফ লাইন চালু হয়। ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত এই যন্ত্র পদ্ধিতিতে টেলিগ্রাফ চালু থাকার পর ওই বছর বিলেত থেকে আমদানি করা মর্স সাহেবের ডট ও ড্যাসের বর্ণমালা যুক্ত টেলিগ্রাফ চালু হয়। ১৮৬৩ সাল পর্যন্ত খেজুরি বন্দরের অস্তিত্ব থাকার পর ১৮৬৪ সালের বিধ্বংসী বন্যায় খেজুরি বন্দরের বিলুপ্তি ঘটে