আসসালামু আলাইকুম
সম্মানিত সাথিও বন্ধ গন আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন,
কিন্তু ভালো নাই আমার সেই ভাইয়েরা যারা রাতে ঘুমাতে পারে নাই বাকশালি দালান দের আতংকে
তবে একটা কথা মনে রাখিস তুরা ভাই তুরাই বন্ধু।
কিন্তু আজ যা করকি তুদের ক্ষমা নাই নাই নাই
মায়ের কসম তুরা ক্ষমা পাইবি না,
বেগমগঞ্জ উপজেলায় তুরা যা দেখাইলি যা করলি যা শুনাইলি। তা তুদের থেকে আশা করা হয় নাই।
ইতালি বিএনপি
বিএনপি
30/11/2017
আওয়ামী অবৈধ সরকারের কেঙ্গারু কোর্ট কর্তৃক ১৬ কোটি মানুষের সর্বোচ্চ প্রিয় নেত্রী সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র মিথ্যা মামলা-হুলিয়া নিতে হবে তুলিয়া। হটাও হাসিনা
বাঁচাও দেশ,
খালেদ জিয়ার বাংলাদেশ ।
28/11/2017
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর রাজনীতির ভীত গভীর থেকে গভীরতর করার অন্যতম কারিগর ডঃআসাদুজজামান রিপন। যিনি আজ মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশ ও দলের জন্য সর্বোপরি শহীদ জিয়াউর রহমান এর আদর্শ ও দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছেন ।মহান আল্লাহ্ এই মেধাবী ছাত্রনেতা র সকল প্রকার আশা ইনশাললাহ পূরণ করবেন এবং ওনাকে আরও সম্মানিত করবেন। বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ। শহীদ জিয়াউর রহমান অমর হউক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
খন্দকার নাসিরুদ্দিন,
সাধারণ সম্পাদক ইতালি কেন্দ্রীয় বি এন পি
28/08/2017
জেনারেল আকবর সাহেব।
হাসিনা নিজের বিপদ আঁচ করে আপনাকে সাভারে জিওসি করে বসাইছে বুঝলাম। কিন্তু আপনি একি করছেন? ১০/১২ দিন যাবৎ ছুটি নিয়ে ঢাকায় ঘোট পাকাচ্ছেন কেনো? এরকম আরও কয়েকজন জিওসি' ছুটি নিয়ে ঢাকায় কি করছে?
গত ১৭ আগস্ট সকালে কয়েকজন জেনারেল সাথে নিয়ে আপনি আকবর প্রধান বিচারপতির বাসায় গিয়েছিলেন। কেনো? বিচারপতি সিনহাকে হুমকি দিয়ে আসছেন- ষোড়শ সংশোধনীর রায় পরিবর্তনের জন্য! হায় হায় এ কি করেছেন? ফাঁসির দড়ি এড়াবেন কি করে? এমনিতেই আপনার নামে নারী নির্যাতন এবং খুনের অভিযোগ পেন্ডিং আছে।
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=1240724305959073
আপনি কি সেনাবাহিনীতে ডিভাইডেশন করছেন, যাতে কোর্ট সরকার অবৈধ ঘোষণা করলে হাসিনার সাথে মিলে ক্যু করতে পারেন?
জেনারেল সাহেব। আপনি এবং কয়েকজন মিলে কিন্তু খুব ভুল করতেছেন। আপনাদের ঐ অবৈধ হুমকিতে কি বিচারপতি সিনহা বিচলিত? মনে রাখবেন সিনহার গোড়াঘর শক্ত আছে। একবার ধাওয়া দিলে কেউ দাড়ায়ে থাকতে পারবেন না।
আপনারা কেমন জেনারেল হইছেন? আপনারা কি বাংলাদেশ আর্মির ইতিহাস পড়েন নি? মনে কি আছে ৭ নভেম্বর রাতের কথা? কত আর্মি অফিসার প্যান্ট থুয়ে দৌড়ে পাইলাইছিলো? মনে রাখবেন মিড লেভেল অফিসার এবং সৈনিকদের হাতে কিন্তু অস্ত্র, আপনাতের হাতে কিস্সু নাই। আর তারা কিন্তু আপনাদের এসব অপকর্ম পছন্দ করছে না। ওরা রাস্তায় নেমে গেলে কিন্তু ৭ নভেম্বর ঘটে যাবে। আপনারা যে আগুণ নিয়ে খেলা শুরু করেছেন, তাতে কিন্তু পুড়ে মরবেন আপনারাই। সাবধান। ফিরে যান।
25/08/2017
27/01/2017
15/12/2016
বেগম খালেদা জিয়ার এই অসাধারণ মন্তব্যের সাথে বাস্তবতা মিলিয়ে নিন নিজ দায়িত্বে....
অস্ত্র রেখে বলে জঙ্গি ধরেছি, পরে মারা হয়- বেগম খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, অস্ত্র রেখে কিছু কিছু পুলিশ সদস্য বলে এরা জঙ্গি; এদের ধরেছি। কিছুদিন পর দেখা যায়, তাদের (জঙ্গি) গুলি করে মেরে ফেলা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। তিনি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, পদ্মা সেতু নিয়েও কথা বলেন।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘এই সরকার কথা কথায় কিছুদিন পরপর জঙ্গির ধোয়া তুলে। অমুক জায়গায় এতজন জঙ্গি পাওয়া গেছে। তারপর জঙ্গিগুলোকে ধরে, সত্যিকার জঙ্গি কি না জানি না। কিছু লোক তাদের ধরা থাকে। এগুলো না খেয়ে খেয়ে দীর্ঘদিন বন্দী করে রেখে তাদের দাড়ি-চুল বড় করে, বিদঘুটে চেহারা হয়ে যায়। তারপর তাদের জঙ্গি বলে সামনে নিয়ে আসে। আর কতগুলো পুলিশ আছে, অস্ত্রশস্ত্র সাজিয়ে বলে এরা জঙ্গি, হরকাতুল জেহাদ, এদের ধরেছি। তার কিছুদিন পর দেখা যায়, লোকগুলোকে ধরে, তাদের গুলি করে মেরে ফেলা হয়। কেন গুলি করে মেরে ফেলা হয়? দেশে আইন আছে, আদালত আছে, জিজ্ঞাসাবাদ করবে। এগুলো দুঃখজনক ঘটনা।’
বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে এক সাহসী নাম হান্নান সাহ্।যিনি যে কোন পরিস্থিতিতে অসীম সাহসী ভুমিকা রাখতে পারতেন।তার মৃত্যুতে গোটা জাতী হারিয়েছে এক আদর্শিক সৎ,সাহসী,অকুতোভয়, দক্ষ নেতাকে।আর বি.এম.পি হারিয়েছে দুঃসময়ের এমন কান্ডারীকে যেই ক্ষতি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অপূরণীয়।হান্নান শাহ্ এর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুক।
‘‘সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের প্রশ্নে আমাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স'৷ তাই সন্ত্রাসবিরোধী সকল সিদ্ধান্তে ভারতের পাশে থাকবে বাংলাদেশ৷'' ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এ কথাই বলেছিলেন শেখ হাসিনা৷ কিন্তু তাঁর সঙ্গে অধিকাংশ পাঠকই একমত নন৷
ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় পাঠক রফি হকের বক্তব্য, ‘‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের ভোটে নির্বাচিত না৷ তাই তাঁর বক্তব্য বা চিঠি বাংলাদেশের জনগণের মতামত না৷ শেখ হাসিনার জন্য সবচেয়ে ভালো হয়, এই ধরনের স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক বিষয়ে চুপ থাকা৷ তারপরও যদি বলতে হয়, তাহলে তাঁর গণভোট অথবা জনমত জরিপের মাধ্যমে জনগণের মতামত যাচাই করে বলা উচিত৷ এটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়, এটা কাশ্মীরের জনগণের স্বাধীনতা সংগ্রাম৷''
পাঠক নাহিদ হোসেনও রফিক হকের সঙ্গে পুরোপুরি একমত৷ আর পাঠক জাহেদ আহমেদের প্রশ্ন, ‘‘ভোটারবিহীন নির্বাচিত সরকার কীভাবে জনগণের মতামত ছাড়া এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়?''
‘‘ভারত কখনও আমাদের ভালো চায়নি৷ আশা করছি বাংলাদেশের জনগণ চিন্তা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে৷'' এ মন্তব্য ডয়চে ভেলের পাঠক সালাউদ্দিন মন্সির৷
মনির খানেরও এক কথা৷ তিনি ভারতে পাশে নেই বলে জানিয়েছেন৷
শাহবাজ চৌধুরীর প্রশ্ন, ‘‘বাংলাদেশ বলতে কী বোঝায়? আওয়ামী লীগ সরকার নাকি জনগণ?''
মো. মনিরের ধারণা, ‘‘এটা আওয়ামী লীগের কথা, জনগণের মতামত না৷''
বলা হয় দেশবিভাগের পর পাকিস্তান থেকে আগত উপজাতিক যোদ্ধারা কাশ্মীর আক্রমণ করে৷ তখন কাশ্মীরের মহারাজা ভারতের সাথে সংযোজনের চুক্তি করেন, যা থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়৷
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐ কথার সঙ্গে বাংলাদেশের মাত্র ২০ ভাগ মানুষের সমর্থন থাকতে পারে ধারণা করছেন সাইফুল আমিনের৷
তবে সিদ্ধার্থ সিধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে একমত৷ ডিডাব্লিউ-র ফেসবুক পাতায় তিনি লিখেছেন, ‘‘সঠিক সিদ্ধান্ত৷ একাত্তরে ভারত যেমন আমাদের পাশে ছিল, তেমনি ভারতের বিপদে বাংলাদেশও পাশে থাকবে৷''
প্রায় একই বক্তব্য তুলে ধরেছেন ফেসবুকে পাঠক বাপ্পা ঘোষও৷ তিনি বাকিদের প্রশ্ন করেছেন, ‘‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস কি পড়া নেই?''
উৎসঃ ডয়েচে ভেলে
প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে
শেখ হাসিনার যুক্তরাজ্য সফরকে কেন্দ্র করে লন্ডনে বিক্ষোভ করেছে যুক্তরাজ্য বিএনপি ও জামাতপন্থিসহ সরকার বিরোধী সংগঠন গুলো । স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বাকিংহামশায়ার স্টক পার্ক কাউন্টি হোটেলের বাইরে তারা এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।
এসময় যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক বলেন, ‘যারা এই সরকারের আমলে অত্যাচার, নির্যাতন ও গুমের স্বীকার হয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাই আজকে এখানে এসেছেন। তারাই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করছেন।’
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে আগেই এই কর্মসূচি ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য বিএনপি। ফেসবুকে ব্যাপকভাবে প্রচারও করা হয় । দুপুর ১২টা থেকে পূর্ব লন্ডনের আলতাফ আলী পার্ক জমায়েত হতে থাকেন দলের নেতা কর্মীরা। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কোন হোটেলে উঠছেন বিষয়টি সম্পর্কে তার নিশ্চিত ছিলেন না। দুই দুটি হোটেলের বুকিং বাতিল করে শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বাকিংহামশায়ারের স্টক পার্ক কাউন্টি হোটেলে অবস্থানের সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ করে।
এর আগে হিল্টন পার্ক হোটেল ও হিথ্রো বিমানবন্দর সংলগ্ন সোফিকের হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর বুকিং বাতিল করা হয়। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার নিশ্চিত করার জন্য ওই দুটি হোটেলের বুকিং বাতিল করা হয়
Clicca qui per richiedere la tua inserzione sponsorizzata.
Ubicazione
Digitare
Sito Web
Indirizzo
Milan
