CHT Indigenous peoples Bangladesh

CHT Indigenous peoples Bangladesh

Share

Indigenous peoples Bangladesh

Photos from CHT Indigenous peoples Bangladesh's post 05/09/2022

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে রাঙামাটিতে টানা ৩২ঘন্টা হরতালের ডাক দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেটেলার বাঙালি পরিষদ......
--------শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের প্রধান সমস্যা ভূমি নিষ্পত্তি করণ-------৪কোটি সেটেলার বাঙালি 3পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধভাবে জায়গায় জমি দখল করে রয়েছে,সেই জায়গায় জমি ছাড়তে নারাজ।
-----এবার শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের সাক্ষরিত ৭২টি দ্বারা বাতিল জানাবে,------৭২টি দ্বারা থেকে ২২টি আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে,সেইগুলো কার্যকর হচ্ছে না।

-(২২টি দ্বারা বাস্তবায়িত হয়েছে,সেখান থেকে বাতিল)-
১.BCS ক্যাডার পাহাড়ি কোয়াটা বাতিল ---
২.ইউনিভার্সিটি/কলেজ পাহাড়ি কোয়াটা বাতিল ---
৩.সরকারি চাকরি জন্য পাহাড়ি কোয়াটা বাতিল ---
৪.UNDP ও আন্তর্জাতিক সংস্থা অনুদান বন্ধ ----
৫.উপজাতি ক্ষুন্দ্র নৃগোষ্ঠী সনদ চালু ---
৬.বিদেশী উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা প্রবেশ নিষিদ্ধ ----
৭.পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের উপর বহির্ভূত হত্যা/হামলা/উচ্ছেদ/অত্যাচার খবর কোন টেলিভিশন মিডিয়া প্রচার করা নিষিদ্ধ ---------

-মৌলবাদীদের দখলে বাংলাদেশ শাসন,তালেবান বাংলাদেশ হবে আফগানিস্তান।-আফগানিস্তানে শাসন বাংলাদেশে প্রবাহিত করে,-বৌদ্ধ,হিন্দু,খ্রিষ্টান শূন্য করতে চাই/দেশ থেকে বিতাড়িত করতে চাই।

---বাংলাদেশে এখন পাহাড়িদের কোন নিরাপত্তা নেই,,
👉পাহাড়িরা বাঙালিদের উপর হামলা করলে,কঠিন আওতায় এনে বিচার করা হয়.......!!!
👉বাঙ্গালিরা পাহাড়িদের উপর হামলা/ধর্ষণ/হত্যা/উচ্ছেদ করলে,কোন বিচার হয় না....!!!
👉বাঙ্গালিরা পাহাড়ে কোটি কোটি টাকা দূর্নীতি করেও কোন তদন্ত করা হয় না......!!!
👉পাহাড়ি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মিথ্যা দূর্নীতি মামলায় অভিযোগ এনে হেনেস্তা কর হয়....!!

--------ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি----
যা ইহুদী'রা ফিলিস্তিনদের এতটা নির্যাতিত করছে না,,যা পাহাড়িরা নির্যাতিত হচ্ছে,উগ্রবাদী বাঙালিদের হাতে,!!!!!!!!!!!!!!!!

06/07/2022

পিসিজেএসএস( PCJSS )প্রতিনিধি, অগাস্টিনা চাকমা, 5 জুলাই 2022 তারিখে, জাতিসংঘ, জেনেভায় আদিবাসীদের ভূমি সমস্যার উপর নতুন গবেষণা পরিচালনা করার জন্য ইএমআরআইপি-কে অনুরোধ করেছেন

Jumland Army

Photos from CHT Indigenous peoples Bangladesh's post 05/07/2022

😭😭চলছে ধর্ষণ , জ্বলছে পাহাড়ি ঘরবাড়ি😭😭

আমাদের শান্তি কোথায়,জবাব চাই

Kujendra Lal Tripura ও Khagrachari District Police খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ ও Basanti Chakma MP, Bangladesh Army, Bangladesh Police

খাগড়াছড়ি মহালছড়ির মাইসছড়ি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জয়সেন পাড়া এলাকায় আজ মঙ্গলবার (৫ জুলাই ২০২২) সেটলার বাঙালিরা পাহাড়িদের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে জ্বালিয়ে ও হামলা...

এই হামলায় এক পাহাড়ি আহত তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি...

22/06/2022

বিলাইছড়িতে বমপার্টির গুলিতে নিরীহ গ্রামবাসী নিহত ৪, আহত ২

Names of 4 innocent killed and 2 injured villagers in the firing of Bawm Party found

The names of 4 innocent Tripura villagers killed and 2 injured in the brutal firing of armed terrorists of the Kuki-Chin National Front (KNF) known as Bawm Party at Saijam Para of Barthali union in Bilachari upazila of Rangamati.

At around 6:00 pm on Tuesday (June 21), four innocent Tripura villagers including three members of the same family were shot dead and two children were seriously injured by the armed terrorists at Saijam Para of Barthali union adjacent to the border of Rowangchari and Ruma upazilas of Bandarban district. A few more villagers narrowly escaped and were able to report to the surrounding area.

The villagers killed in the attack were- 1. Bichai Chandra Tripura (52), son of Badla Tripura; 2. Subhash Chandra Tripura (23), son of Bichai Chandra Tripura; 3. Bir Kumar Tripura (21), son of Bichai Chandra Tripura and 4. Dhanram Tripura (16), son of Sitaram Tripura.

According to villagers, Bichai Chandra Tripura was beheaded by the terrorists even after he was shot dead on the spot.
On the other hand, the injured children were- 1. Ananta Tripura (4), son of killed Subhash Chandra Tripura and 2. Sumana Tripura (1 year 6 months), son of Subhash Chandra Tripura. The injured children are being treated locally in nearby villages.

According to local sources, an armed group of Bawm Party terrorists came to the house of the indigenous Tripura villagers of Saijam Para village at that time yesterday and fired indiscriminately at the villagers.

It is learnt that some time ago some Bawm, Pangkhoa, Khumi, Marma and Tripura families lived together in Saijam Para. Later the Bawm, Pangkhoa, Khumi and Marma families moved elsewhere. At last there were only five Tripura families living side by side.

A local elder in the area, who did not want to be named, said that without any provocation, the terrorists of the Bawm Party carried out the cowardly killing by firing on the villagers like crazy. He said it was a massacre.

At present, there is panic and anger among the villagers in and around the village.

In the immediate aftermath of the incident, the Kuki-Chin National Front-KNF, in a status posted on their Facebook account, has claimed responsibility for the killings and even expressed outrage over the massacre. They described the killing as a successful operation by their commando headhunter team.

However, in order to confuse the people and cover up their heinous terrorist activities, it has tried to portray the murdered innocent villagers as members of the so-called JLA forces of PCJSS.

The headline of the KNF status reads: “Successful operation of KNF’s Commando Headhunter Team at the newly established JSS camp at Jaijam Para”.

Thus, with the help of the army and Islamic militants, the people of Chakma, Marma, Tripura and Thanchangya communities have been started to evict them from the imaginary Kuki-Chin state of Bawm Party in 9 upazilas of Bandarban and Rangamati districts.

NEWS: Hill Voice, 22 June 2022

========================

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নের সাইজাম পাড়া গ্রামে সেনাবাহিনী মদদপুষ্ট বম পার্টি খ্যাত কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নৃশংস গুলিতে নিহত ৪ ও আহত ২ নিরীহ ত্রিপুরা গ্রামবাসীর নাম পাওয়া গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬:০০ টার দিকে বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী অত্যন্ত প্রত্যন্ত এলাকায় সংলগ্ন রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নের সাইজাম পাড়া গ্রামে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৪ নিরীহ ত্রিপুরা গ্রামবাসীকে হত্যা এবং ২ শিশুকে গুরুতর আহত করা হয়। আরো কয়েকজন পালিয়ে বেঁচে যান এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় খবর দিতে সক্ষম হন।

হামলায় নিহত গ্রামবাসীরা হলেন- ১। বিচাই চন্দ্র ত্রিপুরা (৫২), পীং-বাদলা ত্রিপুরা; ২। সুভাষ চন্দ্র ত্রিপুরা (২৩), পীং-বিচাই চন্দ্র ত্রিপুরা; ৩। বীর কুমার ত্রিপুরা (২১), পীং-বিচাই চন্দ্র ত্রিপুরা এবং ৪। ধনরাম ত্রিপুরা (১৬), পীং-সিতারাম ত্রিপুরা।

গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হওয়ার পরও সন্ত্রাসীরা বিচাই চন্দ্র ত্রিপুরাকে কুপিয়ে মাথা কেটে দিয়েছে বলে গ্রামবাসীর সূত্রে জানা গেছে।

অপরদিকে আহত শিশুরা হলো- ১। অনন্ত ত্রিপুরা (৪), পীং-নিহত সুভাষ চন্দ্র ত্রিপুরা ও ২। সুমনা ত্রিপুরা (১ বছর ৬ মাস), পীং-সুভাষ চন্দ্র ত্রিপুরা। আহত শিশুদের পার্শ্ববর্তী গ্রামে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ঐ সময়ে সাইজাম পাড়া গ্রামের আদিবাসী ত্রিপুরা গ্রামবাসীরা যে যার বাড়িতেই অবস্থান করছিল ঠিক তখনি বম পার্টি সন্ত্রাসীদের একটি সশস্ত্র দল সেখানে এসে গ্রামবাসীদের উপর এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে।

জানা গেছে, সাইজাম পাড়া গ্রামে কিছু সময় পূর্বেও বেশ কিছু বম, পাংখোয়া, খুমি, মারমা ও ত্রিপুরা পরিবার মিলে বসবাস করেছিল। পরে বম, পাংখোয়া, খুমি ও মারমা পরিবারগুলো অন্যত্র চলে চায়। সর্বশেষ সেখানে মাত্র পাঁচটি ত্রিপুরা পরিবার পাশাপাশি অবস্থান করছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্শ্ববর্তী এলাকার স্থানীয় এক মুরুব্বি বলেন, কোনো প্রকার উস্কানি ছাড়াই একেবারে ঠান্ডা মাথায় বম পার্টির সন্ত্রাসীরা পাগলের মত গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালিয়ে এই কাপুরুষোচিত হত্যাকান্ড চালিয়েছে। তিনি বলেন, এটি রীতিমত গণহত্যা।

বর্তমানে ওই গ্রাম ও আশেপাশের গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক যেমন বিরাজ করছে, তেমনি ক্ষোভও সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ঘটনার পরপরই Kuki-Chin National Front-KNF (কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফ) নামে বম পার্টির একটি ফেসবুক একাউন্টে লিখিত স্ট্যাটাসেও এই হত্যাকান্ডের দায় শিকার করা হয়েছে এবং এমনকি এই হত্যাকান্ডে একপ্রকার উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডের কাজটিকে তারা তাদের কমান্ডো হেডহান্টার টিম (মুন্ডুশিকারী দল) এর সফল অপারেশন বলে উল্লেখ করেছে।

তবে এতে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য এবং নিজেদের ঘৃণ্য সন্ত্রাসী কাজকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য নিহত নিরীহ গ্রামবাসীদের জেএসএস’এর তথাকথিত জেএলএ বাহিনীর সদস্য হিসেবে তুলে ধরার অপচেষ্টা করা হয়েছে।
কেএনএফ এর উক্ত স্ট্যাটাসের শিরোনামে লেখা হয়েছে- “জাইজাম পাড়ায় সদ্য স্থাপিত জেএসএস-এর ক্যাম্পে কেএনএফ’র কমান্ডো হেডহান্টার টিম-এর সফল অপারেশন”।

এভাবেই বর্তমানে সেনাবাহিনী ও ইসলামী জঙ্গীদের মদদে বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলার ৯টি উপজেলাকে নিয়ে বমপার্টির কল্পিত কুকি-চীন ষ্টেট থেকে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ও তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠীর লোকজনকে উচ্ছেদে নেমেছে।

খবর: হিল ভয়েস, ২২ জুন ২০২২

22/06/2022

সেনাবাহিনী কেন হেডম্যান-কার্বারী সম্মেলনের আয়োজন করে?

হেডম্যান-কার্বারী সম্মেলন করার জন্য সেনাবাহিনী কি কর্তৃপক্ষ? এটা কি তাদের কাজ?

হেডম্যান-কার্বারী সম্মেলন আয়োজনের জন্য কি সেনাবাহিনী সরকারি বরাদ্দ পেয়ে থাকে?

আমরা দেখেছি-
সত্তর-আশি দশকেও সেনাবাহিনী অনেক জুম্ম গ্রামে কার্বারী নিয়োগ দিয়েছিল! এরা মূলত: সেনাবাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করতো।

সেনাবাহিনী গত কয়েক বছর ধরে “হেডম্যান-কার্বারী” সম্মেলনের আয়োজন করছে! এসব সম্মেলনগুলোর মঞ্চের দিকে তাকালে বুঝা যায়- তাদের কার্বারীগিরি রাজনীতি!

নিশ্চয়ই অপারেশন উত্তরণ নামক সামরিক শাসন জারিকৃত বিশেষ “শান্তকরণ” প্রকল্পের অর্থ বরাদ্ধ
বৃদ্ধি পাচ্ছে....

আজ ২১ জুন ২০২২ সকাল সাড়ে ১০ টায় কাপ্তাই জোনের আওতাধীন রাজস্থলী সাব-জোনের তত্ত্বাবধানে রাজস্থলী ক্যাম্পে হেডম্যান ও কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যা হাস্যকর।

Photos from CHT Indigenous peoples Bangladesh's post 21/06/2022

নান্যাচরে সেটেলার কর্তৃক ভূমি বেদখল চেষ্টার প্রতিবাদে রাঙামাটির কুদুকছড়িতে বিক্ষোভ

সোমবার, ২০ জুন ২০২২
রাঙামাটির নান্যাচর উপজেলার নান্যাচর সদর ইউনিয়নের চিরঞ্জীত দজর পাড়া (১৭ মাইল) এলাকায় সেটলার বাঙালি কর্তৃক ভূমি বেদখল চেষ্টার প্রতিবাদে রাঙামাটি সদর উপজেলার কুদুকুছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (২০ জুন ২০২২) সকাল ১১টার সময় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ যৌথভাবে এই বিক্ষোভের আয়োজন করে।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা শাখার প্রতিনিধি নিশি চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের জেলা শাখার সভাপতি রিনিসা চাকমা, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তনুময় চাকমা ও স্থানীয় মুরব্বীরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর কায়েমী স্বার্থবাদী অংশের চক্রান্ত ও প্ররোচনায় বুড়িঘাট ইউনিয়নের বগাছড়ির বাসিন্দা সেটলার মো. রবিউল (৫০), পিতা- জয়নাল মাষ্টার নান্যাচর সদর ইউনিয়নের চিরঞ্জীত দজর পাড়ায় পাহাড়িদের জায়গা বেদখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। শাসকগোষ্ঠি একদিকে দমন-পীড়ন ও ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতে উস্কে দিচ্ছে, অন্যদিকে সেটলারদের লেলিয়ে দিয়ে পাহাড়িদের জায়গা-জমি বেদখলের চক্রান্ত করছে।

তারা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সেটলার কর্তৃক ভূমি বেদখল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার তথা রাষ্ট্র সমতল থেকে নিয়ে আসা সেটলার বাঙালিদের যুগের পর যুগ রেশন সুবিধা দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত রেখে ভূমি বেদখল, সাম্প্রদায়িক হামলাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা ভূমি বেদখলসহ অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর জন্য ছাত্র-যুব-নারী সমাজসহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তব্যদানকারী এক মুরব্বী বলেন, শাসকশ্রেণী আমাদের আন্দোলনকারী দলগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বাঁধিয়ে দিয়ে সেটলারদের ব্যবহার করে আমাদের জায়গা-জমি বেদখলের পাঁয়তারা করছে। তাই আমাদের দলগুলোকে অবিলম্বে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত পরিহার করে জায়গা-জমি ও জাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বক্তারা অবিলম্বে চিরঞ্জীত দ’জর পাড়ায় ভূমি বেদখল চেষ্টাকারী মো. রবিউলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক ভূমি বেদখল বন্ধ করা ও সেটেলার বাঙালিদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সমতলে সম্মানজনক পূনর্বাসনের দাবি জানান।

21/06/2022

"এই পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কোন দারিদ্র্য ছিল না। আমাদের দরিদ্র বানানো হয়েছে, হচ্ছে। আমাদের সম্পদ লুন্ঠন করা হচ্ছে। কারা লুন্ঠন করছে? সমতল ভূমি থেকে এসে সরকারের সহযোগিতায় আমাদের সম্পদ লুন্ঠন করা হচ্ছে। আমাদের এখান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ লুন্ঠন করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, হচ্ছে। এখানকার ব্যবসা-বানিজ্য সব বাইরের লোকদের হাতে। রাজনৈতিক ক্ষমতা বাইরের লোকদের হাতে। অফিস-আদালত, হাট-বাজার সব বাইরের লোকদের দখলে। বিশাল কাপ্তাই হ্রদ দখল করে আছে বাইরের লোকেরা। বনজ সম্পদ থেকে শুরু করে সব কিছু বাইরের লোকের দখলে। কোন সম্পদটা আমাদের হাতে আছে? যে জমিতে আমাদের বিচরণ ছিল সেটাও অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে যাচ্ছে।"

- জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা), সভাপতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।

Photos from CHT Indigenous peoples Bangladesh's post 20/06/2022

প্রথম ছবিটা সাজেকে নির্মাণাধীন মসজিদের। মুসলমান শূন্য পাহাড়ের এই ভ্যালিতে হাজার বছর ধরে বসবাস করেন ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা সহ অন্যান্য আদিবাসীরা। সাজেককে পর্যটন কেন্দ্র করার জন্য রুইলুই পাড়ায় ৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে ৬০টি আদিবাসী পরিবারকে উচ্ছেদ করেছিলো সরকার কর্তৃক জলপাই বাহিনী।

শুধু সাজেকই না; কাপ্তাই লেক থেকে ১ লক্ষ আদিবাসী উচ্ছেদ করা হয়েছিল। নীলগিরি, নীলাচল থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে ২০০ ম্রো, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা এবং মারমা পরিবারকে। থানচির সেপ্রু পাড়া থেকে ১২৯ ম্রো পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, ক্রাউডং (ডিম পাহাড়) থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে ২০২টি আদিবাসী পরিবার।

পর্যটনের নামে পাহাড়ে আগ্রাসন, ভূমিপুত্রদের উচ্ছেদ করা হলেও পাহাড়িদের জীবনমানের দিকে নজর দেয়নি কেউ। পাহাড়ে নেই পর্যাপ্ত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, এমনকি নিরাপদ পানি দুষ্প্রাপ্য। উন্নয়নের নামে পাহাড় বন প্রকৃতি ধ্বংস করে বানানো হচ্ছে কংক্রিট আর প্লাস্টিকের জঞ্জাল। হোটেল তৈরির জন্য ঝর্ণা, ঝিরি, ছড়া থেকে অবৈধ পাথর উত্তেলন করার কারণে দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট।

পাহাড়ে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ করে জলপাই বাহিনী। আর তাদের ছত্রছায়ায় ঢাকা এবং চট্টগ্রামের বসে থাকা কিছু টাকার কুমির। রিসোর্ট, হোটেল বানিয়ে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে এরা। অথচ পাহাড়ে পর্যটন হতে পারতো কাশ্মীরের মতো স্থানীয় আদিবাসীদের পুনর্বাসনের হাতিয়ার, উপার্জনের ক্ষেত্র। কিন্তু আমরা তা করিনি। আমাদের আদিবাসীরা সাজেকের রাস্তার পাশে বাদাম, চা বেচে। আর সেটাকে আমরা পাহাড়ের উন্নতি বলি। ৭০% আদিবাসী দরিদ্র। কিন্তু একসময় তারা ছিলো স্বনির্ভর।

দ্বিতীয় ছবিটাও সাজেকের। Cho Hla Marma দা'র মাসিকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে বাঁশের সঙ্গে ঝুলিয়ে পাহাড়ি ছড়া ,বনভূমির মধ্য দিয়ে; কারণ সাজেকে ভালো কোনো হাসপাতাল নেই। আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন সাজেকে কোনটা বেশি প্রয়োজন ছিলো, মসজিদ না হাসপাতাল?

সাজেকে মসজিদ বানানো হয়েছে। এরপর মাদ্রাসা বানানো হবে। তারপর আদিবাসীদের ধর্মান্তরিত করে মুসলমান বানানো হবে। দেশভাগের আগে এদেশে ৩০% সংখ্যালঘু বাস করতো। ৭১ এর পরে সেটা নেমে আসে ১৫% এ। বর্তমানে ১০% এর কম। এভাবে একদিন বাংলাদেশ ৯০% থেকে ১০০% মুসলমানদের দেশ হয়ে যাবে।

01/06/2022

উদ্ভূত সেনার পীঠে চলছে স্বদেশ

বাংলাদেশে প্রায় অর্ধ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছে সেনাবাহিনী। ব্যাংক, হোটেল, খাবার, গার্মেন্টস, ইলেকট্রনিক, রিয়েল এস্টেট, পরিবহনসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজকাল সব ধরনের ব্যবসার সঙ্গেই যুক্ত৷ আর এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো চলে ‘আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট' আর ‘সেনা কল্যাণ সংস্থা'-র অধীনে৷

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অধীনে সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানটি হলো ‘ট্রাষ্ট ব্যাংক লি.'৷ বর্তমানে সারাদেশে এদের অন্ততপক্ষে ১০০টি শাখা রয়েছে৷ প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতোই কাজ করে৷ এছাড়া ঢাকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় পাঁচতারা হোটেল র‌্যাডিসন-ও সেনাবাহিনীর মালিকানায়। রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রামেও রয়েছে তাদের আরেকটি পাঁচতারা হেটেল র‌্যাডিসন ব্লু৷ এছাড়াও দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সেনাবাহিনীর ব্যবসায়ীক নানান শাখা-উপশাখা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি জনগণের ওপর সামরিক নিয়ন্ত্রণের ধারা (Pattern) একটি আন্তঃসম্পর্কযুক্ত রণনীতি অনুসরণ করে। তন্মোধ্য-

১. ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ, যার মধ্যে রয়েছে:
ক. গুচ্ছগ্রামে জনসাধারণকে একীভূত করা।
খ. কয়েকটি এলাকায় চলাচল নিষিদ্ধ করা।

২. রাজনৈতিক এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, এর বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে:

ক. বিভিন্ন বেসামরিক সংগঠন, জেলাপরিষদসমূহ গঠন করে উৎকৃষ্ট সেবা কর্মসূচি।

খ. উন্নয়ন কর্মসূচি বলে পরিচিত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কর্মসূচি চালু করা। যার অপর নাম 'মৈত্রী কর্মসূচি'। যার উদ্দেশ্য জনগণের হৃদয় মন জয় করা।

সম্প্রতি, খাগড়াছড়ির পানছড়ির উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী নতুন শনখোলা ও ঘিলাতলি পাড়া এলাকা থেকে সেনাবাহিনী সীমান্ত সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। তথ্যানুসারে, গত ১৯ মে ২০২২ বিজিবির পানছড়ি সদর জোনে সেনাবাহিনীর ২০ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২০ ইসিবি)-এর সিও লে. কর্ণেল রিয়াজত-এর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক মিটিঙে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। এরপর ২৬মে শনখোলা পাড়া এলাকায় বুলডোজারসহ সড়ক নির্মাণ সামগ্রি নিয়ে যাওয়া হয়। এবং ২৮ মে থেকে মাটি কাটার কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী।

সবচেয়ে আকর্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে, উক্ত সড়কটি দক্ষিণে মাটিরাঙ্গার তানাক্কা পাড়া এবং উত্তরে দীঘিনালা-সাজেকে সংযুক্ত করা হবে। তাই সড়ক নির্মাণ কাজের সুবিধার্থে ওই এলাকায় পাহাড়িদের জায়গায় জোরপূর্বকভাবে সেনাবাহিনীর ইসিবি’র একটি বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে।

তাহলে স্বাভাবিকভাবে আমাদের প্রশ্ন জাগতে পারে- কার স্বার্থে, কিসের সুবিধার্থে পাহাড় কেটে, ভূমি দখল করে, ফলজ বাগান নষ্ট করে নির্মাণ করা হচ্ছে এই সড়ক? সড়ক নির্মাণ পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ গতিতে তা বাস্তবায়ন আসলে কীসের ইঙ্গিত দেয়? এই সড়কপথ নির্মাণ কি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত? সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হলেও কিসের জন্য, কি কারণে অনুমোদিত? স্থানীয় পাহাড়িদের জনমত নেয়া হয়েছে কি? নাকি শুধুমাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের জনমানুষদের দমিয়ে রাখার জন্যে এটি সেনাবাহিনীর একাধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্র ও নীলনক্সা?

সত্তর- আশির দশকে পাহাড়ের মুক্তিকামী বিদ্রোহীদের দমনের জন্যে সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করে 'কাউন্টার ইন্সার্জেন্সির' পদক্ষেপ। পরবর্তীতে এই পদক্ষেপের মূখ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে এথনিক ক্লিনজিং বা পাহাড়ি নিধন বা নির্মূলের ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশে অন্যতম ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান সেনাবাহিনী আজ পেশাদার মুনাফা অর্জনে বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে সাজেক, নীলগিরি, নীলাচলের মতন পর্যটন নির্মাণ করেছে, বড় বড় হোটেল-মোটেল স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। নিজেদের প্রয়োজনে পাহাড় কেটেছে, রাস্তা করেছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে, মসজিদ বানিয়েছে, ক্যাম্প স্থাপন করেছে আরো কত কি! এতকিছু করার পরও সেনাবাহিনীর পিপাসা আর আকাঙ্ক্ষা যেন মিটতেই চায় না!

পাহাড় কেটে রাস্তা বানানো কর্মসূচি এথনিক ক্লিনজিং-এর একটি অংশ। এখানে স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কোন স্বার্থ নেই, যাতায়াত সুবিধা, যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকটি এখানে গৌণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনমানুষ না চাওয়া সত্বেও সেনাবাহিনীর এইরকম জোরজবরদস্তিমূলক কর্মসূচি বরাবরই পাহাড়ি নির্মূলীকরণ ষড়যন্ত্রকে সামনে টেনে আনে। বনভূমি ধ্বংস করে, পাহাড় কেটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে, পাহাড়িদের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে, আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন না ঘটিয়ে, জীবনযাত্রার মান উন্নতি না করে পাহাড়ের কোনকিছুই উন্নয়ন হতে পারে না। উন্নয়নের নামে চতুর্দিক থেকে সেনাপ্রহরা দিয়ে পাহাড় ঘিরে ফেলা- এটা পার্বত্য চুক্তির মতো নিছক একটা ছলনা ও ধোকা। সেজন্য এই সমস্ত ভূইফোঁড় উন্নয়নে আমরা তীব্র বিরোধিতা করি।

দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে সেনা নিপীড়ন নির্যাতনে সেটলার বাঙালি ব্যতীত পাহাড়ি জনমানুষ অতিষ্ঠ। আজ দিনে দুপুরে পাহাড়িদের ঘরে আগুন দেয়া হয়, জুমভূমি পুড়িয়ে দেয়া হয়, ঝিরি-ঝর্ণায়, ঘরে-বাইরে পাহাড়ি নারী, শিশুদের ধর্ষণ করা হয়, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে তল্লাশি চালানো হয় অথচ রাষ্ট্রের কিছুই করার থাকে না। তার কারণ কি? পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরের একটা অংশ বৈধতা দিতে রাষ্ট্রের প্রয়োজন হয় অথচ সেনাবাহিনী নিপীড়ন নির্যাতনের বেলায় রাষ্ট্রের কোন দায় নেই? পার্বত্য চট্টগ্রাম যদি একান্তই সেনাশাসনের প্রয়োজনে রাখা হয়, সেখানকার বনজসম্পদ, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ লুঠপাট করার জন্যে বর্ধিত হয় তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অংশ হতে পারে না, যেটি পূর্বে কোনকালেই ছিল না। পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা পাহাড় স্বতন্ত্রভাবে বেঁচে থাকার যোগ্য, স্বাধীন হওয়া যুক্তিযুক্ত।

ক্ষত বুঝতে চেষ্টা করুন, পাহাড় কারোর সম্পত্তি নয়, কোন রাষ্ট্র বা সেনাবাহিনীর সম্পত্তিও নয়। পাহাড় একান্তই পাহাড়ের আদি ভূমিপুত্রদের। সুতরাং, উদ্ভূত সেনার পীঠে স্বদেশ চললেও পার্বত্য চট্টগ্রাম চলতে পারে না!


ছবিঃ ইন্টারনেট।

31/05/2022

অতীত ইতিহাস বলে, যেখানে রাস্তা বানানো হয়েছে সেখানে সেনাবাহিনী ক্যাম্প বসেছে, সেনাবাহিনী ক্যাম্প বসার পর সেনাবাহিনীরা সেটলার বাঙালি বসায় দিয়েছে ওই জায়গাগুলোতে। ওই জায়গাগুলো কার জানেন? শত শত বছর ধরে কষ্ট করে চেষ্টা করে বসবাসের ও চাষবাসের উপযোগী করে তোলা পাহাড়িদের জায়গা। যেখানে উড়ে এসে জুড়ে বসবে সেটলার বাঙালিরা সেটা কোন আইনে আছে বাংলাদেশ সংবিধানে বা কুরআনের কোন আয়াতে আছে যে, বিধর্মীদের বসবাসের বা চাষবাসের জায়গা কেড়ে নিতে হবে? আর যে সেনাবাহিনী ক্যাম্পগুলো বসানোর প্ল্যান করতেছে ওগুলো ওই সেটলার বসিয়ে দেয়া মাটিরাঙ্গা, রামগড়সহ অধ্যুসিত সেটলার বাঙালি জায়গার ক্যাম্পগুলো উঠিয়ে পাহাড়ি বসতি বা চাষাবাদের জায়গায় ক্যাম্প বসিয়ে সেটলার বসিয়ে দেয়ার প্ল্যান। এটা আপনি উন্নয়ন বলছেন, কিন্তু এটা তো উন্নয়ন না এটা তো আগ্রাসন যেটা দেশের সংবিধানের পরিপন্থী এবং কুরআনের কোন আয়াতে নেই, সোজা কথায় হারাম কাজ। আর আপনি যে সন্ত্রাসীর কথা বলছেন, তারা সেনাবাহিনীরই বানানো যাতে এলাকায় অশান্তি-বিভাজন সৃষ্টি হয়, সেই সন্ত্রাসীগুলো সেনাবাহিনীর গাড়িতেই ঘুরে বেড়ায়, আমরা দেখি এগুলো, আপনারা দেখেন না বাইরে থেকে। সেনাবাহিনী ধোয়া তুলসি পাতা হয়ে বসে আছে দেশে কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে কি করছে শুধু আমরাই জানি। সন্ত্রাসী দূর হোক সেটা আমরাও চাই, কারণ চাঁদা দেয়া লাগে, চাঁদা না দিলে গুম। সেই চাঁদার ভাগ পায় সেনাবাহিনীর অফিসাররা। এখন পাহাড়ে সেনাবাহিনীর অফিসারদের পোস্টিং পড়লেই লাভ, আগের মত যুদ্ধ তুদ্ধ করতে হয় না আর কিন্তু চাঁদার টাকা ভাগ পায়। যেখানে সন্ত্রাসী দূর করার কথা সেখানে সন্ত্রাসী পালন করে আর আমাদের পাহাড়িদের ভেতর কোন্দল লাগায় দিয়ে রাখছে আর জায়গা কেড়ে নিচ্ছে। তারা বসে বসে রেশন, চাঁদা না খেয়ে প্রকৃত কাজ করুক, সন্ত্রাসী মারুক। আমরা চায় সন্ত্রাসী নির্মুল করুক তারা, দেখি করে কিনা! বিষয়টা সত্য কিন্তু তিতা

28/05/2022

👊👊👊

28/05/2022

পাহাড়ে ৩০ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়কে ভয় কিংবা বিপদ হিসেবে না ভেবে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে সঞ্চারিত করুন ✊ ✊✊
----------------------------------------------------------------------------------

১. প্রকাশ্যে কথা বলাঃ

আমার মতে, মি. জিওসির মত এত দক্ষ অফিসার পেনশনের আগ মুহুর্তে পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে পাহাড়ে এসে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে গেছেন। সেই সাথে তিনি জুম্ম জণগণের মাঝে সময় উপযোগী কথাবার্তা বলে গেছেন। যেটা এর আগে কেউ প্রকাশ্যেভাবে স্মমুখে এই ধরনের ভাষ্য বলে যাননি। তাইতো জিওসির কথাতে বুঝা যায়, সরকার পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিতে অনীহা এবং তিনি আমাদেরকে যথাযথভাবে দাবা খেলার গুটির মতন ব্যবহার করে যাচ্ছেন। এতদিন রসুন- পেয়াজ, আলু- কচু দিয়ে নাকানিচুকানি খাওয়ালে তিনি যে নাকচ্যাপ্টাদের জন্য ভাত আর নাপ্পীটা দিতে চাননি।

২. জুম্ম জনগণকে উত্তপ্ত করাঃ

সম্মানিত জিওসি সাহেব কালকে কথা বলার পর হয়তো অনেক জুম্ম তরুণ, ছাত্রনেতা, পাহাড় প্রেমী, বিপ্লবী নেতাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছেন। এই ধরনের অফিসারের মুখ থেকে এই ধরনের কথা সত্যিই বেমানান আর সবার জন্য হতাশাজনক। অপরপক্ষে তার এই ধরনের অমায়িক কথা বলার মাঝে জুম্ম জনগণ তার লাগামহীন ব্যথাতে বুঝতে পারবে। তিনি যে এত সৎ- সাহস করে হুমকিস্বরূপ উক্তি দিয়ে গেছেন তাতে জুম্ম জণগণের মাঝে আঘাত লাগার কথা। যার ফলে অনেক মানুষ সহ্য করতে না পেরে প্রতিক্রিয়াশীল মন্তব্য করতে বাধ্য হয়েছেন।

৩. শান্ত পাহাড়কে অশান্ত করে তোলাঃ

আমাদের পাহাড় একদিন শান্ত ছিল, নদীর বুকে পাহাড়ের ঝিরিঝিরি ঝর্ণার মাঝে পাহড়ির সহজ- সরল মন মানসিকতা সবকিছু পরিপূর্ণ ছিল। কিন্ত হুট করে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সমতল থেকে উড়ে আসা সেটেলাররা সব অশান্ত করে দিল। ইতিহাস সাক্ষী, পার্বত্য চট্টগ্রামে যতকিছু গণহত্যা কিংবা বিভিন্ন ধরনের পাহাড়ি- বাঙালির মাঝে যেসব সাম্প্রদায়িক দাঙা হয়েছিল তার পার্শ্ব চরিত্রে ছিল নিরাপত্তা বাহিনীরা। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই, একে তো আগুন লাগিয়ে দেয় অপরদিকে আগুন নিভিয়ে দেয়। এই তো তাদের অশান্তির চক্র যেটা এখন জুম্মদের মাঝে খোলাসে বিবর্ণ অবস্থায়।

৪. ৩ - ৪ টি দলে বিভক্ত করে দেওয়াঃ

ব্রিটিশ সরকারের রেখে যাওয়া রুল, ভাগ কর শাসন কর এই অনুযায়ী এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম ঘুরপাক খায়। শান্তি চুক্তির পর বাংলাদেশ সরকার এখন তা হারে হারে করছে যেটা চুক্তিটা বাস্তবায়ন না করার অবধারিত লক্ষ্যে ছিল। পাহাড়ি মানুষের মাঝে ৩-৪ টি গ্রুপে বিভক্ত করে দিয়ে এখন শান্তি- চুক্তির ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নায়িত করছে। আসলে গণতান্ত্রিক দেশ হলে ও এই দেশে কোনো মানুষের বাক স্বাধীনতা নাই, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার মানুষের মাঝে রমরমাকার। সমতলে এক ধরনের আইন প্রয়োগ হলে ও পার্বত্য চট্টগ্রামে সামরিক শাসন বিদ্যমান। প্রতিনিয়ত চলে রক্তপাতের ঝন-ঝনানি৷ কিন্ত দিনশেষে সবগুলো তাদেরই সৃষ্টি।

৫. ৩০ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ের উল্টো দাবানলঃ

মাননীয় জিওসি সাহেব ৩০ মিনিটের যে শব্দটা পাহাড়িদের মাঝে বিষাক্ত তেজের মতো বলে গেছেন হয়তো তার কথার মাঝে প্রাসঙ্গিক থাকতে পারে৷ বিশেষ করে সেটেলার বাঙালিদের মাঝে আনন্দের স্বাদ এবং গ্রহণযোগ্যতা দিতে পারে৷ কিন্ত মাননীয় জিওসি সাহেবের জানা থাকা দরকার- অহংকার পতনের মুল; ঘূর্ণিঝড় যে-কোন মুহুর্তে দাবানলে পরিণত হতে পারে। আর তিনি তার অভিধানে এই ও ভুলে গেছেন যে, গেরিলা নামের কোনো এক আক্রোশ শব্দ। যেই শব্দটি কালের বিবর্তনে মাও সেতুং থেকে শুরু করে হোচি- মিন, বিপ্লবের বরপুত্র আর্নেস্তো চে- গুয়েভারারা পরিপূর্ণতা দিয়েছেন। আজ যদি চে- গুয়েভারা বেচেঁ থাকতেন হয়তো তিনি ও বলতেন আমি জুম্ম জনগণের হয়ে লড়াই করবো। তিনি সবসময় বলতেন, বিপ্লবীরা যেখানে আমি ও সেখানে, অন্যায়- অত্যাচার যেখানে আমি ও সেখানে, নিপীড়িত - নির্যাতিতরা যেখানে আমি ও সেখানে, তিনি সবসময় মুক্তিগামী শান্তু- সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে স্বপ্ন দেখতেন। তার বিখ্যাত উক্তি যখন পৃথিবীর বুকে দোলিত হয়- শাসকবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধই হল সমগ্র জনগণের যুদ্ধ৷ যেহেতু গেরিলা যুদ্ধের বড় শক্তি সাধারণ জনগণের সমর্থন৷ মি. জিওসি দেখেছেন কিংবা শুনছেন ৭০-৯০ দশকে যে পাহাড়ের বিবর্ণ রূপ। তার পূর্বসূরীরা যেটা ৩০ বছরে করতে পারেননি তিনি ৩০ মিনিটে বাস্তবায়ন করার স্বপ্ন দেখছে। সেজন্য বলার আগে ভাবতে শিখা দরকার।

৬. হঠে পারে কূটনীতিক তৎপারতাঃ

অগাস্টিনা চাকমা জাতিসংঘের আদিবাসী ফোরামে পার্বত্য চট্টগ্রামের সে সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন তা হয়তো এই যাবতকাল প্রতিনিধিত্ব করলে ও সেই রকম ভাবে কেউ উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি কথা বলার পর যে আর শাসকগোষ্ঠীরা সুযোগ পাচ্ছিলেন না যে আর এই কথা কীভাবে ঝাড়া যায়। সবার মনে হয়তো ভীতি- ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। সেজন্য হয়তো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সবাই যে যার ইচ্ছেমতো পার্বত্য চট্টগ্রামে হুমকি প্রয়োগ করলেন। কিন্ত তাই বলে পাহাড়ের মানুষ দমে যাবে তা ঠিক না, উল্টো সেটাকে শক্তি হিসেবে গ্রহণ করে বর্হিবিশ্বে ছড়িয়ে দেবে। কারণ সত্য কোনোদিন চাপা থাকে না সে যতই কারচুপি করুক। একদিন না একদিন মুখোশ বের হয়।

৭. মন্ত্রী- এমপিদের নিরব ভূমিকা পালন করাঃ

এই যাবত কালে পাহাড় থেকে যত মন্ত্রী আসছে কেউ স্পষ্টভাবে পাহাড়ের সমস্যা- সমাধানে এগিয়ে আসেনি। উল্টো সরকারের লেজুড়বৃত্তি কর্মকান্ড তাদেরকে পাওয়ার হাউস বানিয়ে দিয়েছে। খাগড়াছড়ি এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা মহোদয় তার বক্তব্য স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যে, পাহাড়ি জায়গা অনেক খালি সেখানে সেটেলার বাঙালিদের স্থায়িত্ব করার কথা ভাবছে। এই হলো আমাদের মন্ত্রীদের বেহাল দশা।

৮. সরকারের আন্তরিকতার অভাবঃ

পাহাড়ে যতই দল সৃষ্টি হউক না কেন, সরকারের আন্তরিকতা ও সদইচ্ছা থাকলে চুক্তিটা সম্পাদন করে দিতে পারতো। সরকার যেহেতু চুক্তিটা করছে, এই চক্তির জন্য আন্তজার্তিক মহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে, মানবতার অ্যাওয়ার্ড ও পাইছে, কিন্ত এখন সেই মানবতা মন থেকে উঠে গেছে। হারিয়ে যাচ্ছে সত্যতা। আর এই চুক্তির মাঝে লিখিত আছে পাহাড়ি মানুষের শান্তির বিধান, চুক্তিটা দিলে পাহাড়ে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। কিন্ত সব আশা শেষ, উল্টো পার্বত্য চট্টগ্রাম একনায়কতন্ত্র হওয়ার পথে।

৯. সবাইকে একত্রিত হতে হবেঃ

একতাই শক্তি- একতাই বল। সময় এখন গর্জে ওঠার, সময় এখন রণাঙ্গনে প্রস্তুত হওয়ার, সময় এখন সব বিভেদ ভুলে জাতির অস্তিত্ব ঠিকে রাখার। অতীতকে ভুলে বর্তমানকে প্রাধান্য দেওয়া এখন গুরুত্বপূর্ণ সময়। যা হয়তো আপনাদের চাইতে কেউ বুঝবে না। সবাই আমরা জুম্ম, পাহাড়ি, নাক চ্যাপ্টা, নাপ্পি খায়, সবার শরীরে শিরায় শিরায় একি রক্ত প্রবাহমান তাইতো মোরা হবো কেন বিভেদমান। এখন গোটা জুম্ম যুব সমাজ আপনাদের একত্রিত হওয়ার জন্য দেখার অপেক্ষায় আছে। আপনারা যদি একত্রিত হন যুব সমাজ রাজনীতির ময়দানে নামবে, সারা রাজপথ আকাশে বাতাসে কম্পিত হবে বিদ্রোহের তীব্র সুরের ধ্বনি। পূর্ব - পুরুষদের রেখে যাওয়া স্বপ্ন লালিত হবে এই ধরিত্রীর বুকে। তখন মরে গিয়ে ও যে শান্তি বইবে কোনো এক কোণায়। পরপার থেকে দেখার ইচ্ছে করবে কেমন আছে আমাদের প্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রাম।।।।

পরিশেষে, আবারও ধন্যবাদ জানাই মাননীয় জিওসি মহোদয়কে, তিনি হয়তো ৩০ মিনিটের কথা না বললে জুম্ম জনগণের মনে এতগুলো কথা, চিন্তা- ভাবনা মাথায় আসত না। যেহেতু তিনি কথা সবার মাঝে খোলাসে বলে গেছেন, তাইতো পাহাড়ির মানুষের কথা ও প্রকাশ্যে সুপষ্ট। বানিয়ে কোনো কথা পাহাড়ের মানুষ বলতে পছন্দ করেন না। আর মানুষ এতদিন এই ধরনের কথা বলার সুযোগ পেলে ও বলতে না পারার ব্যর্থতা। অবশেষে সব জুম্ম জণগণের প্রতি আমার অনুরোধ, ৩০ মিনিট আমাদের হতাশা না, ব্যর্থতা না এটি আমাদের সফলতা- মুক্তির পরিত্রাণের পথ এর মাঝে নিহিত আসে। তাই আমার অনুরোধ, আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে কাজ করি, রাজপথ রঞ্জিত করি, পাহাড়ের স্রোত তৈরি করি, জুম্ম জাতির অস্তিত্ব রক্ষায় এগিয়ে আসি। কারোর দয়ায় আমরা ঠিকে না থেকে নিজেকে নিজের পথের সমস্যা সমাধানের জবাব দিতে হবে। কারণ স্যার আলবার্ট আইনস্টাইন বলে গেছেন, এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের কর্মের কারণে ধ্বংস হবে না, যারা খারাপ মানুষের কর্ম করে ও কিছু করে না তাদের জন্য ধ্বংস হবে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Seoul?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Seoul