30/09/2025
#জামায়াতে_ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ আবু তাহের সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা শুধু অবাক করা নয়- রাষ্ট্রবিরোধিতার শামিল। তিনি প্রকাশ্যে ভারতকে বাংলাদেশের ওপর আ/ক্র/ম/ণ করার জন্য উসকে দিয়েছেন এবং বলেছেন, “ভারত ঢুকলে ৫০ লাখ যুবক যু/দ্ধ করবে, তখন জামায়াত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হবে।”
এই বক্তব্যে দুইটি বিষয় স্পষ্ট:
#এক, ১৯৭১ সালে জামায়াত যে গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল, এখনো তার দায় স্বীকার করতে চায় না; বরং সেটি মোচনের জন্য নতুন যু/দ্ধের প্ররোচনা দিচ্ছে।
#দুই, দেশের জনগণ যখন স্থিতিশীলতা ও নির্বাচনের প্রস্তুতিতে রয়েছে, তখন এমন উসকানিমূলক বক্তব্য রাজনৈতিক ষ/ড়/য/ন্ত্রে/র/ই অংশ।
জামায়াত অতীতে আওয়ামী লীগ, এরশাদ ও বিএনপির ছায়ায় থেকে সুযোগ নিয়েছে। ১৫ বছর গ/র্তে লুকিয়ে থাকার পর এখন হঠাৎ করে ‘জি/হা/দি জোশ’-এ ফিরে আসা কেবল রাজনৈতিক সুবিধাবাদেরই প্রকাশ। ভারতবিরোধী আবেগকে ব্যবহার করে ‘দেশপ্রেমিক’ বা ‘মুক্তিযোদ্ধা’ প্রমাণ করার এই প্রচেষ্টা এক ধরণের আত্মস্বীকৃত অপরাধবোধ ও আদর্শিক দ্বিচারিতা।
যারা একাত্তরের জন্য ক্ষমা চায়নি, তারা আজো জাতির সঙ্গে প্রতারণা করছে। মনে রাখবেন, যু/দ্ধ উসকে দিয়ে ইতিহাস বদলানো যায় না।
লায়ন ডঃ এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
28/09/2025
যেসব দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত কখনো ১৮টি আসনের বেশি নির্বাচিত হতে পারেনি। বাকি দলগুলোর কত ভোট আছে তা জাতি অবগত। পিআর এর কথা বাদ দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। ঠিকমতো মাঠে কাজ করতে পারলে আপনারা অর্ধশত আসন পেতে পারেন। তবে এজন্য প্রয়োজন হবে জনপ্রিয় প্রার্থী। আপনাদের বেশিরভাগ প্রার্থী বেসরকারি কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক। এরা ভোটের মাঠে তেমন চমক দেখাতে পারবে বলে মনে হয় না।
দ্বিতীয়ত জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতাদের কথা বক্তব্য বিবৃতি ছিল গুরুগম্ভীর। ইদানিং জামায়াত নেতাদের বক্তব্য হালকা হয়ে যাচ্ছে।
পাশ করলেই চাকরি। যাকাতের টাকা বিদেশ থেকে নিয়ে আসবেন। এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে ভোট টানতে পারবেন না। মানুষ এখন অনেক সচেতন। বিগত দিনে জামায়াতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেশিরভাগ চাকরি হয়েছে দলীয় লোকদের। এগুলো সবাই জানে।
তবে হ্যাঁ আপনারা যদি পরিবর্তন আনতে পারেন। আমরা আপনাদেরকে সাধুবাদ জানাবো।
27/09/2025
'অনিদ্রার শোকচিহ্ন'
বুকের ভেতরে এই ঝড় তুমি জানবে না,
নিরুপায় ধ্বংসের মাঝে কেন এই
স্বেচ্ছাদহনে অনায়াসে স্বপ্নের সরল
সংসারখানা ভেঙ্গে ফেলি !
তুমি জানবে না , একখণ্ড মেঘের জন্যে কি বিশাল মরুভুমি অভ্যন্তরে
তুমুল সাইমুমে বিশটি চৈত্রের নিচে পুড়ে যায় অক্ষম ক্ষোভে !
এই চোখ দেখে তুমি বুঝবে না , কতোটা ভাঙনের চিহ্ন
জীবনের কতটা পরাজয় ছুঁয়ে তার বেড়েছে বয়সের মেধা ।
অভিমানে কণ্ঠ বুজে আসে , নিরপরাধ বাসনার
চোখে স্বচ্ছ কাঁচের মতো জমে থাকে জল , টলমল-
তবু ঝরেনা কখনো ...
শরীরে ঘামের ঘ্রাণে শুধু কেটে যায় বেলা ,
ক্লান্তিগুলো খুলে খুলে আগামীকে বলিঃ জননীর
অপেক্ষা নিয়ে কতোটুকু রেখেছ আমার
পৌষে নবান্নের মতো কতোটুকু সুস্থির নিশ্চয়তা?
পরাজয় ক্ষত বুকে উবু হয়ে পড়ে থাকা রাতের
শরীরে গ্লানির ক্ষরণে এসে যায় চাঁদের করুন অবয়ব
তবু তুমি কিছুই জানো না -
এশিয়ার রাত জানে কতোটুকু অনিদ্রার শোক জীবনের
দুই চোখে বেড়ে ওঠে ভয়ানক কঠিন আক্রোশে !