13/02/2026
ইল্লু আর পিঙ্কুর দেশে ফেরা হচ্ছে না।বহু চেষ্টা করার পরেও জামায়েতকে তারা জিতাইতে পারলো না।
এখন ইনকিলাব জিন্দাবাদ হবে,না হারাপাট্টি জিন্দাবাদ হবে..?
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Expatriate Awami League Supporter's, Political Party, Kuala Lumpur, Kuala Lumpur.
আপনাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এটি একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রবাসী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থক এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ। সকল আওয়ামী লীগ সমর্থক এই পেজটি ফলো দিয়ে পাশে থাকুন,ধন্যবাদ🤝🛶😊
13/02/2026
ইল্লু আর পিঙ্কুর দেশে ফেরা হচ্ছে না।বহু চেষ্টা করার পরেও জামায়েতকে তারা জিতাইতে পারলো না।
এখন ইনকিলাব জিন্দাবাদ হবে,না হারাপাট্টি জিন্দাবাদ হবে..?
13/02/2026
আজকে সকাল ১০ ঘটিকায় জামায়াত আমিরকে শপথ পাঠ করাবেন পিনাকী ভট্টাচার্য। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনুষ্ঠিত হবে।
06/02/2026
দেশ আজ ক্লান্ত।
দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত।
দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা।
এই দখলদার ইউনুস শুধু অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেনি, দেশের প্রতিটি সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। প্রতিটি মানুষের জীবন, নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ সবকিছুর ওপর আঘাত করেছে এই দখলদার ইউনুস।
এই অমানবিক বাস্তবতা থেকে বের হতে হলে, ক্যান্সারে আক্রান্ত ধুকতে থাকা প্রিয় স্বদেশকে বাঁচাতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসবে, আসতেই হবে। এটা আজ কোনো রাজনৈতিক দাবি না, এটা দেশপ্রেমিক মুক্তিকামী বাঙালি জাতির আকুল আবেদন।
আইনশৃঙ্খলা:
দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাস্তাঘাটে মানুষ নিরাপদ না, ঘরে মানুষ নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাতে পারছে না। মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হামলা সবকিছু এতোটাই নিয়মিতভাবে ঘটছে যে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। কবরের লাশ পর্যন্ত এখন অনিরাপত্তায় ভোগে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আজ অসহায়। মানুষ সন্তানকে বাইরে পাঠাতে ভয় পায়। ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে, সুস্থভাবে বাসায় ফিরতে পারবে কিনা সেই নিশ্চয়তা নেই। এই অনিরাপদ বাংলাদেশে আবার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব দরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই অরাজকতা থামানোর কেউ নেই।
দ্রব্যমূল্য:
ইউনুসের দখলদার শাসনে চাল-ডাল-তেল-সবজির দাম আকাশচুম্বী। বাজারে গিয়ে মা হিসাব করে, আজ কী বাদ দেবে? সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে খাবার কমাতে হয়। কোনভাবে বাজার করে বাসায় ফিরলেও রান্না করে খাওয়ার উপায় নেই, গ্যাস নেই। রান্নাঘরের আগুন আজ রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ। এই লাগামহীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে শক্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা দরকার যেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ছাড়া সম্ভব না।
অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান:
দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে কারখানা বন্ধ, ব্যবসা ধুঁকছে, বিনিয়োগ থেমে গেছে, তরুণদের হাতে কাজ নেই। শিক্ষিত যুবক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে না, পরিবার তার দিকে তাকিয়ে হতাশ। অর্থনীতি যখন ভেঙে পড়ে, তখন শুধু টাকা না মানুষের স্বপ্নও ভেঙে পড়ে। একসময় যে পুরো সংসারের হাল ধরেছিল, সে-ই এখন সংসারের বোঝা! এই অর্থনৈতিক ধ্বংস থামাতে হলে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরীক্ষিত রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরতেই হবে।
মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক অধিকার:
ইউনুসের শাসনে মানুষ শুধু অনিরাপদ না, প্রতিটি পদে পদে মানুষ অপমানিত, নির্যাতিত, অসহায়। বিনা অপরাধে মামলা, গ্রেপ্তার, মাসের পর মাস কারাগারে বন্দিত্ব, প্রিয়জনের জানাজায় যাওয়ার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। বাবা লাশ হয়ে সন্তানের কাছে আসে, সন্তান বাবার কবর পর্যন্ত যেতে পারে না, এই দৃশ্য কোনো সভ্য রাষ্ট্রের হতে পারে না। এই অমানবিকতা বন্ধ করতে হলে একজন মানবিক রাষ্ট্রনায়ক দরকার। বাংলাদেশকে আবার মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত করতেই জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন।
সীমান্ত ও জাতীয় নিরাপত্তা:
দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে সীমান্তে গোলা পড়ছে, মানুষ আহত হচ্ছে, সমুদ্রে জেলেরা অপহৃত হচ্ছে, পরিবারগুলো মাসের পর মাস সন্তানের অপেক্ষায় বসে আছে। কিন্তু তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। রাষ্ট্র যখন তার নাগরিককে রক্ষা করতে পারে না, তখন সে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এই জাতীয় নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে দৃঢ় ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতৃত্ব দরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো।
আজ এই দেশ আর পরীক্ষা চায় না, নাটক চায় না, অবৈধ দখলদারিত্ব চায় না।
এই দেশ চায় শান্তি।
এই দেশ চায় নিরাপত্তা।
এই দেশ চায় কাজ।
এই দেশ চায় ভাত।
এই দেশ চায় নিরাপদ ভবিষ্যৎ।
আর সেই ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনতে, মানুষের দুর্দশার অবসান ঘটাতে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনা ফিরে আসবে। তাকে আসতেই হবে।
"শেখ হাসিন আসবে, বাংলাদেশ হাসবে" এটা এখন কোন স্লোগান নয়, এটা দখলদার ইউনুসের দুঃশাসনে জর্জরিত অসহায় একটি জাতির কান্না।
05/02/2026
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আপোষহীন লড়াইয়ে দখলদার বাহিনীর হাতে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ নেতা অনিক অভির এর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ প্রবাসী আওয়ামী লীগ সমর্থক ।
05/02/2026
অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কানাডা শাখার উদ্যোগে প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে ক্যাম্পেইন।
কাতারের মাটিতে ছাত্রলীগের স্লোগান তুল্য সবাই মিলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধ
05/02/2026
ইউনুসের সংস্কার : তিন হাজার কোটি টাকায় গণতন্ত্রের লাশ কেনা
নির্বাচন কমিশনের বাজেট শাখা থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তথাকথিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে একই দিনে গণভোট আয়োজনের নামে ছয়টি মন্ত্রণালয় প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বাগিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় একাই ৪৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, এলজিইডি নিচ্ছে ৭২ কোটি, আর বাকি চার মন্ত্রণালয় মিলে আরও প্রায় ২২ কোটি টাকা। নির্বাচন কমিশন নিজেও গণভোট প্রচারে খরচ করছে চার কোটি টাকা। মোট নির্বাচনী ব্যয় দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্যই বরাদ্দ চৌদ্দশ কোটি টাকা।
প্রশ্ন হলো, কোন গণভোট? কাদের জন্য এই গণভোট? '২৪ এর জুলাই মাসে যে সরকার দেশব্যাপী দাঙ্গা, হত্যা আর সহিংসতার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই সরকার এখন জনগণের মতামত জানতে চাইছে গণভোট করে? যে সরকারের নিজেরই কোনো নির্বাচনী বৈধতা নেই, যারা ক্যু করে ক্ষমতায় এসেছে, তারা গণতন্ত্রের নামে গণভোট আয়োজন করবে, এর চেয়ে বড় প্রহসন আর কী হতে পারে?
নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ স্বীকার করেছেন যে প্রথমে জাতীয় নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা। পরে সরকারের নির্দেশে গণভোট যুক্ত করায় আরও এক হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। এই অতিরিক্ত খরচের কোনো যৌক্তিকতা কি আছে? বিশেষ করে যখন দেশের মানুষ খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব আর অর্থনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে, তখন ১৪০ কোটি টাকা খরচ করে গণভোট প্রচার চালানোর দরকার কী?
বিদেশী অর্থায়নে পরিচালিত এই তথাকথিত গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী সাজতে চাইছে। ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সহায়তায় যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, এখন সেই শক্তিগুলোই সংস্কারের নামে দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সামরিক বাহিনীর সমর্থন আর মদদে যে সরকার টিকে আছে, তারা কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হতে পারে?
সুদী মহাজন ইউনুসের এই অবৈধ সরকার সংস্কারের নামে যা করছে তা আসলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করার এক সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনকে পুতুলের মতো ব্যবহার করে, মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৪৬ কোটি টাকা দিয়ে কী প্রচার করবে? ধর্ম মন্ত্রণালয় সাত কোটি টাকা দিয়ে কীভাবে গণভোটের পক্ষে মানুষকে প্রভাবিত করবে? এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর নেই।
গণভোটের বিষয়বস্তু কী, তা নিয়েও কোনো স্পষ্টতা নেই। কোন প্রশ্নে জনগণের মতামত নেওয়া হবে, তা কি জানানো হয়েছে? গণতন্ত্রে গণভোট একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া হওয়া উচিত, যেখানে জনগণ জানে তারা কিসের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিচ্ছে। কিন্তু এই সরকার যেভাবে গোপনীয়তা আর অস্বচ্ছতার মধ্যে কাজ করছে, তাতে মনে হচ্ছে এটা গণভোট নয়, বরং জনগণের সাথে আরেকটি প্রতারণা।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এনওসির ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় টাকা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিজেরই জানা নেই কীভাবে এই প্রচারণা হচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব আলী নেওয়াজ স্বীকার করেছেন যে তারা জানেন না মন্ত্রণালয়গুলো কীভাবে আর কাকে দিয়ে প্রচার করছে। এর চেয়ে বড় উদাহরণ আর কী হতে পারে যে এই পুরো প্রক্রিয়াটাই একটা জালিয়াতি?
জনগণের করের টাকা দিয়ে অবৈধ সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠার এই চেষ্টা হাস্যকর। ইউনুস আর তার দোসরদের সংস্কার মানে হলো প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা, জনগণকে প্রতারিত করা আর বিদেশী প্রভুদের সেবা করা। তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে একটা নির্বাচন আর গণভোটের নাটক করা হচ্ছে, অথচ দেশের মানুষ তিন বেলা খেতে পারছে না।
এই তথাকথিত সংস্কার প্রক্রিয়া আসলে দেশকে আরও পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের নামে যে প্রহসন চলছে, তা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। ইউনুসের এই অবৈধ সরকার যত দিন থাকবে, ততদিন দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না, উন্নয়ন হবে না, আর জনগণের ভোগান্তি বাড়বে।
05/02/2026
❤️🩹
04/02/2026
দেশবাসী বেঁধেছে জোট,
নৌকা ছাড়া কিসের ভোট?
অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বর্জনের দাবিতে রাজধানীতে
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের উদ্যোগে পোস্টারিং ক্যাম্পেইন।