এস আলম যদি তার লুট করা টাকা তিন বেলা ভাতের মত খায় তবুও তার লুট করা টাকা খেয়ে শেষ করতে সময় লাগবে প্রায় ৩ হাজার ২৮০ বছর!
Jibon Mirror
জীবনের বাস্তবতা, সমাজের প্রতিচ্ছবি এবং ইসলামি মূল্যবোধের আলোকে কিছু ভাবনা।
Jibon Mirror – নিজেকে দেখার একটি আয়না।
🌍 এই পৃথিবী—একটি আমানত, শুধু বসবাসের জায়গা নয় 🌍
“তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পাহাড় স্থাপন করেছেন… এবং নদ-নদী সৃষ্টি করেছেন…” (১৬:১৫)
এই পৃথিবী কত সুন্দর করে সাজানো—
পাহাড় আমাদের স্থিরতা দেয়,
নদী আমাদের জীবন দেয়,
গাছ আমাদের শ্বাস নিতে সাহায্য করে।
এগুলো কি শুধু ব্যবহার করার জন্য?
নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো দায়িত্ব আছে?
ইসলাম আমাদের শেখায়—আমরা এই পৃথিবীর মালিক নই, আমরা এর রক্ষক।
প্রতিটি গাছ, প্রতিটি প্রাণী, প্রতিটি নদী—সবই আল্লাহর সৃষ্টি।
আজ আমরা নিজের স্বার্থে প্রকৃতিকে ধ্বংস করছি,
কিন্তু ভুলে যাচ্ছি—একদিন এই আমানতের হিসাব দিতে হবে।
চলুন, আমরা প্রতিজ্ঞা করি—
প্রকৃতিকে ভালোবাসবো, সংরক্ষণ করবো,
কারণ এটা আল্লাহর সৃষ্টি, আর আমরা এর দায়িত্বপ্রাপ্ত বান্দা।
#ইসলামিকপোস্ট
আল্লাহর উপর তাওয়াককুল।
তাওয়াককুল মানে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়—বরং নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পর ফলাফলটা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
“আর যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তিনি তার জন্য যথেষ্ট।”
— (সূরা আত-তালাক ৬৫:৩)
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওয়াককুলকারীদের ভালোবাসেন।”
— (সূরা আলে ইমরান ৩:১৫৯)
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যদি তোমরা আল্লাহর উপর যথার্থ তাওয়াককুল করতে, তবে তিনি তোমাদেরকে রিযিক দিতেন যেমন তিনি পাখিদেরকে রিযিক দেন; তারা সকালে খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”
— (তিরমিজি)
আরেক হাদিসে এসেছে—
এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, “আমি কি আমার উট ছেড়ে দিয়ে তাওয়াককুল করবো, না বেঁধে রাখবো?”
রাসুল ﷺ বললেন, “প্রথমে উট বেঁধে রাখো, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা করো।”
— (তিরমিজি)
তাই দুশ্চিন্তা না করে—
চেষ্টা করি, দোয়া করি, আর বিশ্বাস রাখি—
আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন, সেটাই আমার জন্য সবচেয়ে উত্তম।
#তাওয়াককুল #আল্লাহরউপরভরসা #হাদিস #ইসলামিকপোস্ট
হায় আমাদের লজ্জা।
হাদী ভাই আমাদের ক্ষমা করবেন 😭
20/03/2026
ঈদের দিনের সুন্নাহ।
ঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়, বরং এটি একটি ইবাদতের দিনও। আমরা যদি সুন্নাহ অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি, তাহলে আনন্দের সাথে সওয়াবও অর্জন করতে পারি ❤️
ঈদের দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহঃ
✔️ গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া
✔️ সুন্দর পোশাক ও সুগন্ধি ব্যবহার করা
✔️ নামাজের আগে কিছু খাওয়া (ঈদুল ফিতর)
✔️ তাকবির পড়া
✔️ ঈদগাহে গিয়ে নামাজ আদায় করা
✔️ এক পথে যাওয়া, অন্য পথে ফেরা
✔️ একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো
✔️ আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা
✔️ গরিবদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করা
আসুন, সুন্নাহ অনুযায়ী ঈদ পালন করি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করি।
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
🌙 ঈদ মোবারক
#ঈদমোবারক
আজ চাঁদরাত… 🌙
চারদিকে আনন্দ, ব্যস্ততা, প্রস্তুতি—
সবাই ঈদের অপেক্ষায়।
কিন্তু একটু থেমে কি আমরা ভাবি?
এই যে পুরো রমাদানটা কাটালাম—
👉 আমি কি সত্যিই বদলাতে পেরেছি?
👉 আমার ভেতরের মানুষটা কি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে?
আমরা নতুন কাপড়ের চিন্তা করি,
কিন্তু নতুন একটা হৃদয়ের কথা কি ভাবি?
রমাদান আমাদের শিখিয়েছে—
ধৈর্য, সংযম, সত্যবাদিতা, আল্লাহভীতি।
কিন্তু ঈদ চলে আসার সাথে সাথে—
আমরা কি সেই শিক্ষা গুলো ধরে রাখতে পারবো?
চাঁদরাত শুধু আনন্দের না,
এটা নিজেকে আয়নায় দেখার সময়ও 🪞
আজ রাতে একটা প্রশ্ন করি নিজেকে—
“এই রমাদান আমাকে কতটা বদলেছে?”
যদি সামান্য হলেও বদলাতে পারি,
তাহলেই এই রমাদান সফল 🌙
Jibon Mirror 🪞
কণ্টকাকীর্ণ পথই যখন একমাত্র পথ,
তখন এ পথেই চলার নিতে হয় শপথ।
জীবন সবসময় সহজ হয় না। কখনো সামনে শুধু কঠিনতাই দাঁড়িয়ে থাকে, চারদিকে অনিশ্চয়তা আর বাধা। কিন্তু থেমে থাকার সুযোগ থাকে না—কারণ সেই কঠিন পথটাই হয়তো আমাদের জন্য নির্ধারিত।
হাল ছেড়ে দিলে হার নিশ্চিত, আর সাহস নিয়ে এগিয়ে গেলে—কণ্টক ভেদ করেই একদিন ফুলের সুবাস পাওয়া যায়। 🌸
তাই পরিস্থিতি যেমনই হোক, পথ যতই কঠিন হোক—চলতে হবে, লড়তে হবে, নিজের স্বপ্নের জন্য।
18/03/2026
হাফিজ ইবনু রজব রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন—
রমাদানের বিদায়ে মুমিনের চোখে অশ্রু কেন ঝরবে না —
অথচ সে জানে না, তার জীবনে আর কখনো রমাদান ফিরে আসবে কিনা।
كيف لا تجري للمؤمن على فراق رمضان دموعُ ،
وهو لا يدري هل بقي له في عمره إليه رُجوع.
[লাতায়িফুল মাআরিফ, পৃষ্ঠা ২১৭]
একসময় আমাদের বাংলায় ইসলাম ধর্ম পালনে একটা উৎসবের আমেজ ছিল। আমাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের সাথে মিশে গিয়েছিল ইসলাম। এরপর ওহাবীরা এসে অনেক কিছুকে শেরেক কুফুরি বেদাত গোমরাহি আখ্যা দিয়ে সেই আমেজ নষ্ট করে দেয়। ইসলামকে বানিয়ে ফেলে কাঠখোট্টা আচারসর্বস্ব একটা মরুভূমি।
আবহমান কাল ধরে রমজান (ওহাবীদের মতে রমাদ্বান) মাসে আমাদের ঐতিহ্য ছিল হরেক পদের ইফতারি। সেখানে থাকবে ভাজাপোড়া, মিষ্টান্ন আর শরবত। বাঙালি ললনারা দুপুর থেকে আজানের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত গলদঘর্ম হয়ে সেগুলো তৈরি করত৷ খেয়ে শেষ করতে পারি আর না পারি, টেবিল ভর্তি করে নানা আইটেম রাখা থাকত। দেখতে কী সুন্দর লাগত।
ওহাবীরা এসে বলল অল্প খেলেও নাকি ইফতারি হয়ে যায়! পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাবার, এক-তৃতীয়াংশ পানি, আর এক-তৃতীয়াংশ খালি। এত অংক কষে পেট মাপামাপি করে খাওয়া আবার কোন দেশি সংস্কৃতি?
আরব বেদুইনরা অভাবে থাকত বলে অল্প রান্না করত। আমাদের নদীমাতৃক বাংলাদেশের সংস্কৃতি সেটা না। অপচয়কারী নাকি শয়তানের ভাই। আপনারাই বলেন, বাপ-দাদা চৌদ্দ গুষ্টিতে কেউ এইসব হাদিস শুনেছেন?
রান্নাবান্নার পিছনে এত সময় ব্যয় না করে নাকি সারাদিন ঢুলে ঢুলে কোরান তেলাওয়াত, নফল নামাজ (ওহাবীদের ভাষায় সালাত) আর জিকির করা উচিত। শালা শালী ননদ ভাসুর সহ পরিবারের সবাই অথবা বন্ধু-বান্ধবীরা মিলে (বাসায় বা রেস্টুরেন্টে) ইফতার করার যেই মজা আর ঐতিহ্য, ওহাবীদের ইসলামে সেটা নেই।
ইফতারের পর সবচেয়ে মজার কাজ ছিল শপিং। এটা ছাড়া রমজানের রাতগুলো তো জমেই না। ওহাবীরা এসে বলল তারাবির নামাজ পড়তে হবে। একদল বলে ৮ রাকাত আরেকদল বলে ২০ রাকাত, নিজেরাই একমত না৷ অথচ শপিংয়ের ব্যাপারে কোনো মতভেদ নেই। আচ্ছা তারাবি তো আমাদের বাপ-দাদারাও পড়তেন। কিন্তু ওহাবীরা নতুন নতুন কী সব নামাজের নাম বলে, তাহাজ্জত, কেয়ামতে লাইল না কী যেন।
আজীবন শুনলাম সাতাইশার রাত্রে শবে কদর। ওহাবীরা এখানেও নানারকম কথা বলে। শেষের ৫টা বেজোড় রাত, শেষ দশকের প্রত্যেক রাত, রমজানের যেকোনো রাত, এমনকি বছরের যেকোনো রাত, একেক বছরের একেক রাত নাকি সম্ভাব্য শবে কদর। তাহলে কি এখন প্রতি রাতেই হালুয়া রুটি রান্না করতে হবে? অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না।
পীর-দরবেশ-সুফির সহজিয়া ইসলামের বাংলায় এই ওহাবীদের আগ্রাসনকে কঠিনভাবে প্রতিরোধ করতে হবে।
14/03/2026
আমরা কি সত্যিই সৎ?
আমরা সবাই চাই সমাজে ন্যায়বিচার থাকুক, মানুষ সত্যবাদী হোক, অন্যায় দূর হোক। কিন্তু কখনো কি আমরা নিজের দিকে তাকাই?
রাসুল ﷺ বলেছেন: “সত্যবাদিতা মানুষকে সৎকর্মের দিকে নিয়ে যায়, আর সৎকর্ম মানুষকে জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়।”
কিন্তু বাস্তবে আমরা অনেক সময় ছোট ছোট মিথ্যাকে স্বাভাবিক মনে করি। কখনো নিজের সুবিধার জন্য সত্য লুকাই, কখনো অন্যের ক্ষতি হলেও চুপ থাকি।
সমাজ তো আমাদের দিয়েই তৈরি। যদি আমরা নিজেরাই সত্যকে গুরুত্ব না দিই, তাহলে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা হবে কীভাবে?
আজ একটু নিজের কাছে প্রশ্ন করি— আমি কি সত্যকে সত্য বলার সাহস রাখি?
🪞 #সমাজেরআয়না
#সমাজের_আয়না #সচেতনতা #চিন্তার_খোরাক
#বাস্তবতা #নিজেকে_প্রশ্ন_করুন
তেমন কিছু না।
একটু ডেমোক্রেসি, একটু ফ্রিডম—
আর তার পরেই ব্যাস!
পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়ে গেল।
09/03/2026
যুদ্ধের খবর, অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতি—এসব দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে চাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য অতিরিক্তভাবে কিনে ঘরে মজুদ করছেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে বিপদে পড়ছে।
একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে—নিজেকে নিরাপদ রাখার নামে অন্য মানুষের কষ্ট বাড়ানো ইসলামের শিক্ষা নয়।
প্রিয় নবী ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি মানুষের প্রয়োজনের সময় খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে, সে গুনাহগার।”
— সহীহ মুসলিম, হাদিস: ১৬০৫
আরেক হাদিসে এসেছে:
“যে ব্যক্তি মুসলমানদের ওপর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার জন্য খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে, আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ ও দারিদ্র্যের শাস্তিতে আক্রান্ত করবেন।”
— সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২১৫৫
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
“তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না।”
— সূরা আল-বাকারা: ১৮৮
আমরা একটু ভেবে দেখি—
আমি যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিনে ঘরে জমা করি, তাহলে হয়তো আমার পাশের মানুষটি আজ তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাবারটুকু পাবে না।
একজন প্রকৃত মুমিনের পরিচয় হলো—সে নিজের জন্য যা চায়, তার ভাইয়ের জন্যও তা-ই চায়।
তাই আসুন আমরা—
প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কিনি।
আতঙ্ক ছড়িয়ে না দিই।
বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করি।
অসহায় মানুষের কথাও ভাবি।
আল্লাহর উপর ভরসা রাখি।
মনে রাখি, রিজিকের মালিক আল্লাহ। মানুষের অধিকার নষ্ট করে কোনোদিন বরকত আসে না।
আল্লাহ আমাদেরকে ন্যায়, সংযম ও মানবিকতার সাথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Dhruma
