04/05/2026
এই হলো অবস্থা 🤣🤣🤣🤣
সবাই লাইকএন্ড ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন আমি জাতীয়তাবাদের একজন কর্মী হিসেবেই আপনাদের পাশে থাকতে চাই...?
04/05/2026
এই হলো অবস্থা 🤣🤣🤣🤣
03/05/2026
চিরন্তন সত্য......
26/04/2026
এসব ভূলের খেসারত বি এন পি কেই একদিন দিতে হবে......
😄😄😄😄
24/04/2026
গুপ্তই যার অবস্থান --তাদের বাড়ি পাকিস্তান...
10/04/2026
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস না হলে আবার দলীয় প্রতীকে ফিরে যেতে হবে এবং আবার বিনা ভোটে যারা আওয়ামী লীগের মেয়র কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ৷
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬ উপস্থাপনের করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমার সহকর্মী বন্ধু এ বিলের বিরোধিতা করতে গিয়ে কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেঞ এমন কি বিশেষ পরিস্থিতি এখন তৈরি হয়েছে যে পরিস্থিতির কারণে আমরা এই সমস্ত সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করেছি।
এক নাম্বার বিশেষ পরিস্থিতি এটাই এ আইন এখনো পাস হয়নি। আইন পাস না হওয়া পর্যন্ত যেহেতু নির্বাচন দেওয়া যাচ্ছে না এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতি।
এ কারণেই আমরা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছি। দ্বিতীয় বিষয় অন্তবর্তী সরকারের সময় এমনকি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে বিশেষ পরিস্থিতিতে উত্তর সিটি করপোরেশনে এজাজ আহমেদকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এমনকি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে তারা হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টকে অবমাননা করে আমাদের সহকর্মী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক (ইশরাক হোসেন) মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং নির্বাচন কমিশন থেকে তার গ্যাজেট হয়েছিল ৷ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে শপথের জন্য নির্দেশনা দেওয়া ছিল ৷ আজকে বিরোধী চিফ হুইপ সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন ৷ কি বিশেষ পরিস্থিতিতে সেদিন তাকে শপথ করানো হয়নি ৷ আজকে তারা বিরোধিতার খাতিরে যদি বিরোধিতা করে সেটি অন্য কথা৷এ বিলের মধ্যে এ আইনটি যদি পাস না হয় তাহলে পুরাতন জুলুমবাজরা আবার ওই চেয়ারে ফিরে আসবে৷দ্বিতীয়ত এ আইনে বলা আছে দলীয় প্রতীকে ধানের শীষসহ জাতীয় প্রতীক যেগুলো রয়েছে এ প্রতীকে আর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে না। এ আইনেও রয়েছে। তাহলে এই আইনটি যদি পাস না হয় তাহলে আমাদেরকে আবার দলীয় প্রতীকে ফিরে যেতে হবে। আমাদেরকে আবার ওই যে বিনা ভোটে যারা আওয়ামী লীগের মেয়র কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে ওই চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমার বন্ধু তার বক্তব্যে একটি ইঙ্গিত করেছেন আজকে দুটি উপনির্বাচন হয়েছে বগুড়া এবং শেরপুর৷ সংসদ সদস্য তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে সেখানে নাকি ভোট কারচুপি হয়েছে ৷ আমি বলতে চাই বিকেল চারটার পরে আপনারা বুঝলেন ভোট কারচুপি হয়েছে ৷ ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন আপনারা বিকেল চারটার পর যখন আপনারা নিশ্চিত হয়েছেন আপনাদের পরাজয় নিশ্চিত ৷ তারপরে আপনার সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ৷
আমি আমি বিরোধী দলের বন্ধুদের বলতে চাই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে নির্বাচন বয়কটের পুরান রেওয়াজ থেকে সরে আসুন ৷ যেহেতু অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন এ বিএনপি সরকারের সময় হচ্ছে ৷ ৪৫ দিনের মাথায় বিএনপির একটা টেস্ট ম্যাচ ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি টেস্ট ম্যাচ যে ৪৫ দিনের ফলাফল কি? এই ফলাফল বাংলাদেশের জনগণ যখন ধানের শীষের পক্ষে দিচ্ছিল তখন তারা ঠিক বিকেল চারটার পরে নির্বাচন বর্জন করে কি প্রমাণ করতে চাইছে ৷ এটা আমার জানা নেই ৷
10/04/2026
জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। এখন থেকে নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে তেল নিতে হবে চালকদের।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর দুটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে সেবা চালু হয়েছে। স্টেশন দুটি হলো তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন এবং আসাদগেটের সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন। আপাতত শুধু মোটরসাইকেল চালকেরাই এই সুবিধা পাচ্ছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সনাতন বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে তেল বিতরণের কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি একাধিকবার লাইনে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন। যা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।
নতুন এই কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ চালু হলে প্রতিটি যানবাহনের জন্য নির্ধারিত বরাদ্দ নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রিয়েল-টাইম মনিটরিং বা তাৎক্ষণিক নজরদারির সুযোগ তৈরি হবে। ফলে অনিয়ম কমে আসবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
এই তো সেইদিন.....
ফিরে দেখা...