ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।

ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।

Share

Humanity

30/08/2022
Democracy crushed under BCL’s boots? 01/06/2022

The Daily Star Opinion by Wasim Bin Habib

“Last week, the student wing of the ruling party, armed with sticks, iron rods and machetes, launched an attack on some leaders and activists of their arch-rival Jatiyatabadi Chhatra Dal (JCD), the student wing of BNP, near the Central Shaheed Minar when the latter tried to enter the Dhaka University campus for a scheduled programme. The attack resulted in chases and counter-chases that continued sporadically for several hours, turning the campus into a battlefield. Video footage and photographs showed how the BCL members beat up their opponents mercilessly, leaving about 30 JCD activists—including some female members—injured.”

Democracy crushed under BCL’s boots? What earned the JCD such a thrashing?

26/01/2021

Please share maximum.
তিন-চারজন মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই আজ মৃত্যুর দোরগোড়ায়। জীবন কতই না বেরহম! ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে গিয়েছিলাম এক্সিডেন্টে আহত এক আত্মীয়কে দেখতে। তার ঠিক পাশের বেডেই অল্পবয়স্ক একটা ছেলেকে শুয়ে থাকতে দেখলাম। চোখ ছলছল করছিলো তার। বাবা-মা অসহায়ের মতো পাশে বসে আছে। ছেলেটা ট্রাক চালাতো। দুটো মটরসাইকেলের তিন-চারজন আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাক নিয়ে রাস্তার পাশের গাছের উপরে মেরে দেয়। ফলস্বরূপ তার ডান পা ভয়াবহভাবে জখম হয়। এদিকে রক্তের অভাবে শরীর ফ্যাকাশে হয়ে গেছে ছেলেটার। অভাবী পরিবারের হওয়ায় তিনবেলা ভালো করে খেতেও পায় না।
আগামীকাল সকালে পায়ে অপারেশন হবে। রক্ত দরকার ২ ব্যাগ। কিন্তু সাধারণ কোনো গ্রুপ নয়। রক্তের গ্রুপ “ও নেগেটিভ”! এর আগেও পোস্ট দিয়েছিলাম রক্তের জন্য। কোনো কাজ হয়নি। শ'খানেক লোককে নক করেও জোগাড় করতে পারিনি “ও নেগেটিভ” রক্ত। আজ রাতের মধ্যে দুই ব্যাগ রক্ত ম্যানেজ না হলে কালকে হয়তো তার লাশ দেখতে হবে। সব চেষ্টা বৃথা হয়ে যাচ্ছে। চোখের সামনে ঝরে যাচ্ছে একটি প্রাণ। অথচ সে বাঁচতে চায়। সহৃদয় ভাই-বোনদের প্রতি আবেদন— ছেলেটাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। মাত্র ২ ব্যাগ “ও নেগেটিভ” রক্ত।
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল
জরুরী বিভাগ (এ ওয়ার্ড)
বেড নং- AG-37
যোগাযোগঃ
মাইনুদ্দিন- 01839499758 (রোগীর অভিভাবক)

২৬-০১-২০২১

31/07/2020

দেশ ও প্রবাসে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।ঈদ মোবারক।

30/06/2020

পুরনো মডেলের মেশিন কেনায় মিলছে না কিট
করোনা টেস্ট ও রিপোর্ট নিয়ে ভোগান্তিতে মানুষ

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেগঞ্জে। করোনা উপসর্গ নিয়ে টেস্ট করতে আসা মানুষের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। কিন্তু প্রায়ই দেশের বিভিন্ন ল্যাবে নষ্ট থাকছে করোনা টেস্টের আরটিপিসিআর মেশিন। অভিযোগ উঠেছে, ২০০৯ সালের মডেলের মেশিন গছিয়ে দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া পুরনো মডেল হওয়ায় ১১ বছর পরে এসে এই মডেলের কিটও পাওয়া যাচ্ছে না বাজারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশে করোনা সংক্রমণের পর জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানই (আইইডিসিআর) নমুনা পরীক্ষার কাজ করে আসছিল। ওই সময় আইইডিসিআরের বাইরে আরও সাতটি প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষার ল্যাব ছিল। ল্যাব বাড়াতে আরটিপিসিআর মেশিন কেনার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, নমুনা পরীক্ষার জন্য সর্বশেষ কেনা ২১টি আরটিপিসিআর মেশিন ২০০৯ সালের মডেলের। ওই মেশিনের কিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। চাহিদা থাকার পরও এসব মেশিনের কিট সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে পরীক্ষাও করা যাচ্ছে না। অভিযোগ পাওয়া গেছে, থার্মোফিশার ৭৫০০ মডেলের আরটিপিসিআর মেশিনগুলো ২০০৯ সালের পুরনো মডেলের। পরবর্তী সময়ে ওই কোম্পনির আরও কয়েকটি নতুন মডেলের মেশিন বাজারে এসেছে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী চাহিদার সুযোগ নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুরনো মডেলের মেশিনই স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে গছিয়ে দিয়েছে। তিন শিফটে উন্নতমানের মেশিনে ২৭০-২৮০টি নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু এই পুরনো মডেলের মেশিনে এর অর্ধেক টেস্টও করা সম্ভব হচ্ছে না। মেশিনের ত্রুটির কথা তুলে ধরে রাজধানীর দুটি হাসপাতালের পরিচালক তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতিও জানিয়েছিলেন। গত মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে নমুনা পরীক্ষার বিষয় নিয়ে হাসপাতাল পরিচালকদের এক ভার্চুয়াল বৈঠকে কয়েকজন পরিচালক মেশিনের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালের এক পরিচালক বলেন, এই মেশিন দিয়ে নমুনা পরীক্ষা করতে সমস্যা হচ্ছে। ২০০৯ সালের পুরনো মডেলের এই মেশিন দিয়ে এক শিফট কাজ চালানোয় মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় শিফটে কাজ করতে গেলে মেশিনে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সব রেজাল্ট নেগেটিভ কিংবা সব রেজাল্ট পজেটিভ চলে আসছে।’ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন মডেলের আরটিপিসিআর মেশিনে তিন শিফটে ২৭০টি মতো নমুনা টেস্ট করা যায়। পুরনো মডেল হলে কিছু সমস্যা তো তৈরি হবেই।’ বিভিন্ন হাসপাতালে মাঝেমাঝেই ঘটছে মেশিন নষ্ট হওয়ার ঘটনা। পুরনো মডেলের আরটিপিসিআর মেশিনে কিট পাওয়া নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে ল্যাবে জমছে নমুনার স্তূপ। নমুনা সংগ্রহের পাঁচ দিন পরে শুরু হচ্ছে অনেক জায়গায় নমুনা পরীক্ষা। রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান ইবনে তাজ বলেন, ‘রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে চার জেলার নমুনা টেস্ট করা হয়। রংপুর সিটি এলাকা থেকে প্রতিদিন ৫৮টি নমুনা সংগ্রহ করার জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে পুরাতন রোগী থাকেন ২০ জন প্রায়, পুলিশ ৩০ জন এবং বাকি উপসর্গ থাকা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৫০-৬০ জন নমুনা টেস্ট করার জন্য আগ্রহী থাকেন। কিন্তু আমরা সিরিয়াল নেওয়া রোগীদের নমুনা সংগ্রহে প্রায় পাঁচ দিন পিছিয়ে আছি। কিটের অভাবে নারায়ণগঞ্জের খানপুর তিনশ শয্যা হাসপাতালে পাঁচ দিন পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা টেস্ট বন্ধ ছিল। ফেনীতে তিন দিন ধরে নমুনা সংগ্রহ বন্ধ ছিল।

https://www.bd-pratidin.com/last-page/2020/06/30/543775?fbclid=IwAR0UCIMmkqYTgqbpR0KMM2CKTCzq15rDqSzeUgKXH3_uYnIIJPXax9zDuc0

সম্পদের চূড়ায় এমপি এনামুল | বাংলাদেশ প্রতিদিন 25/06/2020

নবম জাতীয় সংসদে রাজশাহী-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এনামুল হক। ২০০৮ সালের ওই নির্বাচনের সময় কমিশনে তার জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে তার ঋণ ছিল ৩৭ কোটি ৭৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। তবে তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন না। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ওই আসন থেকে নির্বাচিত হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। এ সময় জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি দাবি করেন, তার ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ঋণই নেই।

এর মাত্র পাঁচ বছর পর প্রকাশিত দেশের শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির তালিকায় পাওয়া গেল সেই এমপি এনামুলের নাম। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা তুলে ধরেন। এতে উঠে আসে রাজশাহী-৪ আসন থেকে তিনবারের নির্বাচিত এমপি এনামুল হকের প্রতিষ্ঠান ‘নর্দান পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড’-এর নাম।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী এনা প্রপার্টিজ লিমিটেড, এনা বিল্ডিং প্রোডাক্ট লিমিটেড, এনা এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড, সালেহা ইমারত এগ্রিকালচার লিমিটেড, সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড, এনা এনার্জি লিমিটেড ও নর্দান পাওয়ার সলিউশন লিমিটেডের পরিচালক রাজশাহী-৪ আসনের এমপি এনামুল হক। অবশ্য নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার এসব প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করেননি তিনি। ওই সময় তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। তবে কোন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে কত টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, তা উল্লেখ করলেও তার কোন প্রতিষ্ঠানের নামে কত টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সেসব বিস্তারিত তুলে ধরেননি এনামুল হক।
নবম জাতীয় সংসদের হলফনামা অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের সভাপতি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ, সোস্যাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড থেকে ৭০ লাখ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড থেকে ১৬ কোটি, পিপলস লিজিং থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ, ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ, ডিবিএইচ থেকে ২ কোটি, ফিনিক্স ফাইন্যান্স থেকে ১ কোটি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে ৭ কোটি ৬০ লাখ এবং কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ঋণ নেন এনামুল হক। সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডে ব্যক্তিগত ঋণ ছিল ৯ লাখ ৫০ হাজার এবং আইডিএলসিতে যৌথ ঋণ ছিল তার ৫০ লাখ টাকা।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় এনামুল হকের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগে ওঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কর ফাঁকির বিষয়টি দেখার দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর), সেখানে কিছু করার নেই দাবি করে দুদক অব্যাহতি দেয় এনামুল হককে।

২০০৮ সালে এনামুল হক ও তার ওপর নির্ভরশীলদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। প্রায় পাঁচ বছরে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৫৫ টাকা বেড়ে ২০১৪ সালে এনামুল হক ও তার ওপর নির্ভরশীলদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৯৫৫ টাকা।

এমপি এনামুল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিও। রাজনৈতিক পরিচয়ে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার আমলে রাজশাহীর সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি তিনি। এবার নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১০ বছরে তার ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়াতে দৃশ্যমান কার্যক্রম অনেক। দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমপি এনামুলের ‘এনা প্রপার্টিজ’ কাজও করছে অনেক। বেড়েছে বাড়ি-গাড়িসহ বেশকিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত হলফনামায় তার বার্ষিক আয় ২০১৮ সালের নির্বাচনে কমে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪৯ লাখ টাকা। কিন্তু ২০১৪ সালের নির্বাচনে ছিল কাঁটায় কাঁটায় অর্ধ কোটি টাকা। আবার ২০০৮ সালের নির্বাচনে ছিল ২০ লাখ টাকা। বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট বাড়লেও কৌশলে টাকার পরিমাণ দিয়ে তা উল্লেখ করা হয়। ২০০৮ সালে তার মোট কৃষিজমির মূল্য ছিল ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ২০১৪ সালে গিয়ে হয় ১ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। সর্বশেষ নির্বাচনে কৃষিজমির মূল্যের পরিমাণও কম দেখিয়ে উল্লেখ করা হয় ১ কোটি ২৬ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৯ টাকা।

এমপি এনামুলের অবৈধ সম্পদ ২ হাজার ১২০ কোটি টাকার : দুর্নীতি দমন কমিশনের চিঠির জবাবে এমপি এনামুল হক ও তার স্ত্রী তহুরা হক সম্মিলিতভাবে মাত্র ৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এনামুল হকের মালিকানাধীন লিমিটেড কোম্পানি, প্রোপ্রাইটরশিপ ও পার্টনারশিপে থাকা ১৪ প্রতিষ্ঠানের তথ্য গোপন করা হয়েছে। এ ছাড়া এনা প্রপার্টিজ, সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ, এনা-ডুঙ্গা লিজিং, নর্দান পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড, এনা ইন্টারন্যাশনাল, এনা কারস, এনা এনার্জি লিমিটেডসহ অন্য প্রতিষ্ঠানে তার শেয়ার বা মালিকানার বিষয়টি সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেননি। এনা প্রপার্টিজের কর্ণধার এমপি এনামুল হকের নামে ২ হাজার ১২০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নির্বাচনী হলফনামার সম্পদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে ওই পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা উপপরিচালক যতন কুমার রায়।

সূত্র জানান, অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৮-০৯ ও ২০১২-১৩ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে তিনি সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। তার নামে ১১টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে সাতটির আয়; যা দুদক আইন পরিপন্থী।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, এনা প্রপার্টিজের নিজস্ব ভবনসহ ১৭টি আবাসন প্রকল্প আছে। যার বর্তমান মূল্য ২ হাজার ১২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ অর্থের বৈধ উৎসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এনামুল হকের মালিকানাধীন এনা প্রপার্টিজে তার ও তার স্ত্রী তহুরা হকের আনুপাতিক শেয়ার ৪ : ১।

এনা প্রপার্টিজের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় জমা দেওয়া অডিট প্রতিবেদন ও ব্যাংক ঋণ নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে দাখিল করা অডিট প্রতিবেদন আলাদাভাবে তৈরি। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে তিনি ৩১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা গোপন করেছেন; যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত।

একইসঙ্গে ২০১২-১৩ অর্থবছরে দাখিল করা আয়কর রিটার্নে তার দুই ছেলেকে সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ থেকে ৩ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার প্রদান করা হয়েছে, তা আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়নি।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনামুল হকের হলফনামায় বলা হয়, ২০০৮ সালে শুধু বেতন-ভাতা থেকে তার বছরে আয় ছিল ২০ লাখ টাকা। পাঁচ বছর পরে এখন কৃষি, বাড়ি ও দোকান ভাড়া, ব্যবসা ও পেশা থেকে বছরে তার আয় হয় ৫০ লাখ টাকা। পাঁচ বছর আগে তার পরিবারের পোষ্যদের ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ টাকা বার্ষিক আয় থাকলেও এবারের হলফনামায় পোষ্যদের কোনো আয়ের উৎস নেই উল্লেখ করা হয়। তার নিজের, স্ত্রীর ও অন্যদের মোট ১৬ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার সাধারণ শেয়ার থেকে কোনো আয় নেই উল্লেখ করা হয় হলফনামায়। পাঁচ বছর আগে তার স্ত্রীর নামে থাকা ২ কোটি ৮৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকায়। নিজ নামে ব্যাংকে আছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৯১ টাকা ও স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা।

এমপি এনামুলের চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ দ্বিগুণ : এনামুল হকের স্ত্রী তহুরা হকের সম্পদের পাহাড়। সম্পদ বেড়েছে এনামুল হকেরও। নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনামুল হকের দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে প্রথমবার এমপি হন এনামুল। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন দশম সংসদ নির্বাচনে। সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি নৌকার প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হন।

২০০৮ সালে এনামুল হকের বার্ষিক আয় ছিল ২০ লাখ টাকা। ২০১৩ সালে তা গিয়ে দাঁড়ায় ৫০ লাখে। আর ২০১৮ সালের হলফনামায় এনামুল হক বার্ষিক আয় ১ লাখ টাকা কমিয়ে দেখিয়েছেন ৪৯ লাখ।

হলফনানায় এনামুল হক তার স্ত্রী তহুরা হকের নির্দিষ্ট কোনো আয় দেখাননি। তবু তহুরা হকের হাতে নগদে ১ কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ টাকা আছে বলে উল্লেখ করেছেন। আর নিজের নামে নগদ টাকার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৮ দেখিয়েছেন তিনি।

২০০৮ সালে ৩ লাখ ৫৩ হাজার এবং ২০১৩ সালে ৫ লাখ টাকা নগদ দেখানো হয় তহুরা হকের নামে। অন্যদিকে নিজের নামে ২০০৮ সালে ৫৮ লাখ ১৯ হাজার এবং ২০১৩ সালে ১০ লাখ টাকা নগদ দেখান এনামুল হক। ২০১৮ সালে ব্যাংকে নিজের নামে ৭ লাখ ৮৭ হাজার ১১৪ এবং স্ত্রীর নামে ৪ লাখ ২ হাজার ৩২৫ টাকা জমা দেখিয়েছেন। ২০১৩ সালে ৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকা নিজের এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫০০ স্ত্রীর নামে জমা দেখান। ২০০৮ সালে কেবল এনামুল হকের নামেই ব্যাংকে জমা ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার টাকা। সেবার তার স্ত্রীর নামে কোনো টাকা জমা দেখানো হয়নি।

এর আগে স্ত্রীর নামে ২০০৮ সালে ২ কোটি ৮০ লাখ এবং ২০১৩ সালে ৮ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা শেয়ারে বিনিয়োগ দেখানো হয়। অন্যদিকে নিজের নামে ২০০৮ সালে ৯ কোটি ২০ লাখ এবং ২০১৩ সালে ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা শেয়ারে বিনিয়োগ দেখান এমপি এনামুল। গত নির্বাচনে দেওয়া হলফনামায় স্ত্রী তহুরা হকের মালিকানায় ৭ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার বিনিয়োগ দেখিয়েছেন এনামুল হক। যেখানে তার নিজের নামে শেয়ারে বিনিয়োগ এর প্রায় অর্ধেক ৪ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০০৮ সালে দুই ছেলের নামে শেয়ারে বিনিয়োগ ছিল না। এরপর ২০১৩ ও ২০১৮ সালে নির্ভরশীলদের নামে শেয়ারে বিনিয়োগ দেখান ৩ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

২০০৮ ও ২০১৩ সালে স্ত্রী তহুরা হকের নামে পোস্টাল, সেভিংস বা সঞ্চয়পত্রে কোনো বিনিয়োগ দেখাননি এনামুল। গত নির্বাচনের হলফনামায় এ খাতে স্ত্রীর নামে ৭৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৩৩ টাকা বিনিয়োগ দেখিয়েছেন। যদিও এ খাতে তার নিজের বিনিয়োগ স্ত্রীর প্রায় অর্থেক ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৯৫৬ টাকা। এর আগে ২০০৮ সালে ১৫ লাখ ৭ হাজার এবং ২০১৩ সালে ২৩ লাখ ২৬ হাজার ৩২৬ টাকা এ খাতে নিজের বিনিয়োগ দেখান এনামুল হক।

এনামুল হকের নামে আছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৯ টাকা অর্জনকালীন মূল্যের কৃষিজমি। কিন্তু কৃষি খাত থেকে কোনো আয় নেই তার। আর স্ত্রীর নামের ১৫ লাখ টাকা মূল্যের কৃষিজমির আয় দেখানো হয়নি। এর আগে ২০০৮ সালে ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার কৃষিজমি থেকে ৪০ হাজার এবং ২০১৩ সালে ১ কোটি ৫৪ লাাখ ৬৩ হাজার ২০০ টাকার কৃষিজমি থেকে ৫ লাখ টাকা আয় দেখান। ২০০৮ সালে না থাকলেও ২০১৩ সালে স্ত্রীর নামে কৃষিজমির পরিমাণ দেখান দেড় লাখ টাকার।

২০১৮ সালে তার নিজের নামে ৬৯ লাখ ৪৮ হাজার ২০৫ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার অকৃষিজমি দেখিয়েছেন এনামুল হক। এর আগে ২০১৩ সালেই একই পরিমাণ অকৃষিজমি দেখান তিনি। তবে ২০০৮ সালে নিজের নামে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকার অকৃষিজমি দেখানো হয়।

২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত তিন মেয়াদেই নিজের নামে ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৩৪ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবাসিক ও বাণিজ্যিক দালান দেখিয়েছেন। তাদের দুজনেরই বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ২০১৮ ও ২০১৩ সালে তার বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান ভাড়া থেকে আয় দেখিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। ২০০৮ সালে এ খাতে তার কোনো আয় ছিল না।

এ ছাড়া এনামুলের ব্যবসা থেকেই ২০১৮ সালে ২৪ লাখ এবং ২০১৩ সালে ২০ লাখ টাকা আয় ছিল। তবে ২০০৮ সালে এ খাতে কোনো আয় দেখানো হয়নি। এমপি হিসেবে ভাতা থেকে ২০১৮ সালে ১৬ লাখ এবং ২০১৩ সালে ১ লাখ টাকা আয় দেখিয়েছেন এনামুল। এর আগে ২০০৮ সালে বেতন থেকে আয় দেখান ২০ লাখ টাকা। সেবার তার নির্ভরশীলদের আয় ছিল ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ টাকা।

এমপি এনামুল হকের নামে এখন দুটি টয়োটা হার্ড জিপ রয়েছে। এর মধ্যে ৬৩ লাখ ৪২ হাজার ৮০২ টাকা মূল্যের (ঢাকা মেট্রো-গ-১৩-৪২-৪০) জিপটি ২০১৩ সালেও দেখানো হয়েছে। ২০১৮ সালে যুক্ত হওয়া টয়োটা হার্ড জিপটির (ঢাকা মেট্রো গ-১৫-৩৮৫৫) মূল্য ৮৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৯৯ টাকা।

স্ত্রীর মালিকানায় থাকা ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের টয়োটা জিপটি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৬৫) দেখিয়েছেন ২০১৩ সালেও। তবে ২০০৮ সালে হলফনামায় নিজের কোনো মোটরগাড়ি দেখাননি এনামুল হক। ২০০৮ সাল থেকেই বিয়ের দান হিসেবে নিজের ৪০ তোলা এবং স্ত্রীর নামে আরও ৪০ তোলা স্বর্ণালঙ্কার দেখিয়ে আসছেন এনামুল হক।

এ ব্যাপারে জানতে এমপি এনামুল হকের মোবাইল (০১৭১১-৫২৮৩৪৬) ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সম্পদের চূড়ায় এমপি এনামুল | বাংলাদেশ প্রতিদিন নবম জাতীয় সংসদে রাজশাহী-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এনামুল হক। ২০০৮ সালের ওই নির্বাচনের সম.....

সেই দুর্জয় এখন পাওয়ার প্লান্টের মালিক | বাংলাদেশ প্রতিদিন 25/06/2020

ছিলেন একজন ক্রিকেটার। স্ত্রীসহ চাকরির আয়ে জীবিকা চলত। এমপি হওয়ার পর অদৃশ্য জাদুর ছোঁয়ায় সেই নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের হাতে চলে আসে আলাদীনের চেরাগ। রাতারাতি গড়ে ওঠে অঢেল সম্পদ আর প্রাচুর্য। এমনকি পাওয়ার প্লান্টের মালিকও হয়েছেন তিনি। দেশ-বিদেশে হরদম যাতায়াত চলে তার। মালয়েশিয়ায় গড়ে তুলেছেন নানা রকম ব্যবসা- বাণিজ্য।
বিস্তারিত

সেই দুর্জয় এখন পাওয়ার প্লান্টের মালিক | বাংলাদেশ প্রতিদিন ছিলেন একজন ক্রিকেটার। স্ত্রীসহ চাকরির আয়ে জীবিকা চলত। এমপি হওয়ার পর অদৃশ্য জাদুর ছোঁয়ায় সেই নাঈমুর রহমান দুর্জ....

Want your business to be the top-listed Government Service in Singapore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Singapore
670166