Centre for Social Activism CSA

Centre for Social Activism CSA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Centre for Social Activism CSA, Social service, KOLKATA.

28/10/2026

///Companion Priyanshu Dey of CSA, on the recent fascist attack on students of SRFTI at the protest meeting held at College Street, organized jointly by various organizations; 27/10/2026///
Since 2016, we have been witnessing a decline in left-wing and progressive student politics in this state. Towards the end of the Left Front government, Class Representative (CR) Council meetings began to lose their importance. As a result, student unions had, in practical terms, started becoming ineffective. Union activities had been reduced to factionalism and groupism. After 2011, under the Trinamool Congress (TMC) regime, the idea was promoted that a student union meant just the three F's - Freshers’ Welcome, Fest and Farewell, along with Saraswati Puja. The union’s role was reduced to organising these events and nothing more. On every campus, the Trinamool Chhatra Parishad (TMCP) worked to depoliticize student life. As a result, its extortion practices in the education sector continued unabated. There was no space or platform for protest. The moment students protested, student movements were portrayed as something undesirable or even dangerous. Meanwhile, the campuses were plastered with the ruling party’s festoons and banners, and student politics became entrenched in the hands of old uncles. In college governing bodies, there was only one student representative and even that person was selected, not elected. Consequently, students lost the space they needed to raise demands for improving educational institutions and the quality of teaching and learning, as well as for reforming the curriculum. Now, let us turn to the BJP. The BJP is making effective use of precisely these shortcomings. The Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad (ABVP) questions the need for General Body (GB) meetings. We have seen ABVP goons attack a GB meeting of engineering students at Jadavpur University recently. But it is important to understand what demands had prompted that meeting in the first place. According to the engineering students, campus recruitment had not been functioning properly for a long time. The GB meeting was organized to demand that campus recruitment be conducted properly. It was none other than BJP MLA Sharbari Mukherjee who came out in opposition to that meeting. Following the Assembly elections, ABVP had loudly proclaimed that student unions would be democratically elected on every campus. It is now becoming clear that all of that was nothing but empty rhetoric. ABVP and the BJP are not interested in student politics. Since their own party is in power in the administration, they want to seize control of unions through force wherever they can, following the same methods used by the Trinamool Congress. Wherever they cannot take control easily, they want everything to remain apolitical. But why? Do they lack confidence in their own ideology? Why are they unwilling to enter student unions through elections? In reality, this depoliticization is intended to pave the way for the privatization of education. We are witnessing campus after campus being forcibly taken over by ABVP goons. This appears to be a continuation of the TMC era, only in a more aggressive form. Let us, for a moment, accept the argument that politics has no place on campus and that everything should remain apolitical. In that case, what relationship does SRFTI have with those who were holding a meeting in its auditorium - an affiliate of a fundamentalist, religious-supremacist and fascist organization? We all have seen SRFTI students being beaten up. They retaliated as well. That was one round of violence. The very next day, the goons returned to the area outside the campus. In this way, they are introducing a culture of mob violence into our state. Once mob culture takes hold, a culture of lynching will follow - a phenomenon that has not historically been prevalent in our state. We are also seeing water supplies being cut off in the campus. What next? Will students no longer even be allowed to study on their own campuses? “The more they read, the more they learn, and the less they obey”. We must reclaim the progressive student politics that was once firmly established in Bengal. To do so, we need to fight for the establishment of student parliaments at every university. Representatives elected to university-level student parliament should go on to a state-level student parliament. From there, elected representatives should also be sent to a national-level student parliament. We must launch a movement to demand this entire structure. Today, we need a complex web of student unions like the one established in Chile, a country that has once served as a laboratory for neoliberalism. CR Council meetings must be revived. GB meetings must resume. Representatives must be elected to CR Councils, and student representatives must be included in governing bodies. We need a model in which governing bodies do not have just one student representative, such as the General Secretary. Instead, there must be proportional representation for all student organizations, along with independent candidates. What does a party that has strayed from its ideology want? It wants to turn campus unions into a network of obedient cadres who serve its interests. It wants to subvert student politics. We must oppose this. We must emphasize that student politics has a wider social significance. Its role is not limited to raising demands within educational institutions; student politics is also necessary at the state and national levels. Gabriel Boric emerged from the complex web of student unions established through a long struggle in Chile and was subsequently elected President of the country. In other words, national leaders can emerge from student politics. We are also seeing the Student List in Serbia challenge the authoritarian rule of Aleksandar Vučić and defeat him in the recent elections. These are lessons for us to learn. The scope of the student movement is not confined to educational institutions. Students can play a direct role in the governance of a country. Therefore, campus-based struggles alone are not enough. We must build broader networks of solidarity.
Revolutionary greetings and solidarity to everyone in struggle!

///SRFTI-এর ছাত্রছাত্রীদের উপর ফ্যাসিস্ট আক্রমণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কলেজ স্ট্রীটের প্রতিবাদ সভায় CSA-...
28/10/2026

///SRFTI-এর ছাত্রছাত্রীদের উপর ফ্যাসিস্ট আক্রমণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কলেজ স্ট্রীটের প্রতিবাদ সভায় CSA-এর পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাথী প্রিয়াংশু দে; 27/10/2026///
২০১৬ সালের পর থেকে এই রাজ্যে আমরা বাম এবং প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতিতে ভাটা দেখতে পাচ্ছি। বামফ্রন্ট সরকারের শেষ দিকে ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) কাউন্সিল মিটিংগুলো গুরুত্ব হারাতে শুরু করে। ফলে প্র্যাকটিক্যালি দেখতে গেলে, ছাত্র ইউনিয়নগুলো ইনএফেক্টিভ হতে শুরু করেছিল। ইউনিয়ন বলতে শুধুমাত্র দলবাজি-গ্রুপবাজি চলছিল। ২০১১-র পর থেকে তৃণমূল জমানায় বলা হল যে ইউনিয়ন বলতে বোঝায় শুধুমাত্র তিনটে এফ - ফ্রেশার্স, ফেস্ট আর ফেয়ারওয়েল; আর তার সাথে সরস্বতী পুজো। শুধুমাত্র এই ইভেন্টগুলো অর্গানাইজ করার কাজই হচ্ছে ইউনিয়নের। প্রত্যেকটা ক্যাম্পাসে টিএমসিপি ডিপলিটাইজেশানের কাজ করেছে। এর ফলে এডুকেশন সেক্টরে তাদের এক্সটরশন প্রক্রিয়া অব্যাহত থেকেছে। প্রতিবাদের কোনও জায়গা বা পরিসর নেই। প্রতিবাদ করলেই ছাত্র আন্দোলন খুব খারাপ ব্যাপারের প্রচার। অথচ কলেজ ক্যাম্পাসে ফলাও করে থেকেছে শাসক দলের ফেস্টুন আর ঘাঁটি গেড়েছে কাকুর বয়সী ছাত্র নেতারা। কলেজের গভর্নিং বডিতে স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ বলতে একজনই থাকত - তাও সে সিলেক্টেড, ইলেক্টেড নয়। তাই ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাঙ্গন ও পঠন-পাঠনের উন্নতির স্বার্থে এবং পাঠ্যক্রম বদলের স্বার্থে যে ডিমান্ডগুলো তোলার দরকার ছিল, সেই পরিসরই আর রইল না। এবার আসি বিজেপির কথায়। বিজেপি এই খামতিগুলোকেই ভালোমত ব্যবহার করছে। এবিভিপি বলছে যে জেনারেল বডি (জিবি) মিটিং-এর কি প্রয়োজনীয়তা আছে? আমরা দেখেছি যে সাম্প্রতিক যাদবপুর ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রদের জিবি মিটিংয়ে এবিভিপির গুন্ডারা আক্রমণ করেছিল। কিন্তু যে জিবি মিটিংটা হচ্ছিল, তা কিসের দাবিতে হচ্ছিল সেটা বোঝা দরকার। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রছাত্রীদের মতে ক্যাম্প্যাসিং দীর্ঘদিন ধরে ঠিকমত হয়নি। সেই ক্যাম্পাসিং যাতে ঠিকমত হয়, সেটারই দাবী উঠছিল ওই জিবি মিটিং-এ। সেই জিবি মিটিং-এর বিরোধিতায় নেমে পড়েন স্বয়ং বিজেপি বিধায়িকা শর্বরী মুখার্জী। এবিভিপি বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তীকালে জোর গলায় বলেছিল যে প্রত্যেকটা ক্যাম্পাসে নাকি গণতান্ত্রিকভাবে ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচিত হবে। এখন স্পষ্ট হচ্ছে যে সবই বাতেলাবাজি ছিল। এবিভিপি আর বিজেপি - নট ইন্টারেস্টেড ইন স্টুডেন্ট পলিটিক্স। অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে যেহেতু তাদের দলই আছে, তাই তারা চায় যে জায়গাগুলোতে তারা গায়ের জোড়ে ইউনিয়ন দখল করতে পারবে, সেখানে তৃণমূলের কায়দাতেই তারা তা করবে। আর যেখানে সহজে দখল করতে পারবে না, সেখানে তারা চায় সবকিছু অ্যাপলিটিক্যাল থাকুক। কিন্তু কেন? তাদের কি নিজেদের মতাদর্শের প্রতি আস্থা নেই? তারা কেন ইলেকশনের মধ্যে দিয়ে ইউনিয়নে আসতে চাইছে না? আসলে শিক্ষাব্যবস্থার বেসরকারিকরণের পথ সুগম করতেই এই বিরাজনীতিকরণ। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে একের পর এক ক্যাম্পাস এবিভিপির গুন্ডাদের দ্বারা জবরদখল করা হচ্ছে। টিএমসি যুগেরই এটা যেন কন্টিনিউয়েশন - ফর্মটা আরও উগ্র। আমরা যদি এক মিনিটের জন্য মেনেই নিই যে ক্যাম্পাসে রাজনীতি করা ভালো নয়, ক্যাম্পাসে সবকিছু অ্যাপলিটিক্যাল থাকবে, তাহলে এসআরএফটিআই-এর প্রেক্ষাগৃহে যারা মিটিং করছিল - একটা ফান্ডামেন্টালিস্ট, স্পেসিফিক রিলিজিয়াস সুপ্রিমেসিস্ট, ফ্যাসিস্ট অর্গানাইজেশনের শাখা সংগঠন - তাদের সাথে এসআরএফটিআই-এর কি সম্পর্ক? আমরা সকলেই দেখেছি যে এসআরএফটিআই-এর ছাত্রদেরকে মারা হয়েছে। তারাও পাল্টা মেরেছে। এক রাউন্ড হল। পরের দিন আবার গুন্ডারা আসছে ক্যাম্পাসের সামনে। এইভাবে তারা আমাদের রাজ্যে মব কালচারকে ইন্ট্রোডিউস করছে। মব কালচার যখন আসছে, এরপরে লিঞ্চিং কালচারও আসবে - যার চল আমাদের রাজ্যে এতকাল ধরে ছিল না। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ক্যাম্পাসে জল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এবার কি স্টুডেন্টরা ক্যাম্পাসে পড়াশোনাও করতে পারবে না? 'ওরা যত বেশি পড়ে, তত বেশি জানে, তত কম মানে'। প্রগতিশীল স্টুডেন্ট পলিটিক্স যা এক সময় প্রতিষ্ঠিত ছিল বাংলায়, তা আমাদেরকে রিক্লেইম করতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন প্রত্যেকটা ইউনিভার্সিটিতে স্টুডেন্ট পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠার লড়াই করা - ইউনিভার্সিটি লেভেলের স্টুডেন্ট পার্লামেন্টগুলো থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রাজ্য স্তরের স্টুডেন্ট পার্লামেন্টে যাবে আর সেখান থেকে নির্বাচিত হয়ে ন্যাশনাল লেভেলেও স্টুডেন্ট পার্লামেন্টে যাওয়ার দাবীতে আন্দোলন করতে হবে। আজকের দিনে আমাদের নয়াউদারবাদের গবেষণাগার চিলি দেশের মত এই কমপ্লেক্স ওয়েব অফ স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রয়োজন আছে। সিআর কাউন্সিল মিটিং আবার নতুন করে শুরু হোক, জিবি মিটিংগুলো আবার নতুন করে শুরু হোক, সিআর কাউন্সিলে নির্বাচিত হোক প্রতিনিধিরা, গভর্নিং বডিতে স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভরা থাকুক। গভর্নিং বডিতে কেবল একজন জেনারেল সেক্রেটারি নয়, যতগুলো সংগঠন আছে প্লাস ইন্ডিভিজুয়ালদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে - এরকম একটা মডেল আমাদের প্রয়োজন। মতাদর্শ বিচ্যুত পার্টি কি চায়?ট্যাব ইউনিয়নের থেকে নিজেদের তাবেদার ক্যাডার বাহিনী তৈরি করতে চায়; সে সাবভার্ট করতে চায় স্টুডেন্ট পলিটিক্সকে। আমাদের এর বিরোধিতা করতে হবে। আমাদেরকে তুলে ধরতে হবে যে স্টুডেন্ট পলিটিক্সের একটা সামাজিক গুরুত্ব আছে - শুধুমাত্র ইন্সটিটিউশনের মধ্যেকার ডিমান্ডগুলো নয়, তার সাথে স্টেট ও ন্যাশনাল লেভেলে স্টুডেন্ট পলিটিক্সের একটা প্রয়োজনীয়তা আছে। চিলিতে দীর্ঘ লড়াই করে প্রতিষ্ঠিত কমপ্লেক্স ওয়েব অফ স্টুডেন্ট ইউ্নিয়ন'স থেকে গ্যাব্রিয়েল বোরিক উঠে এসেছিলেন এবং পরবর্তীকালে চিলির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। অর্থাৎ স্টুডেন্ট পলিটিক্স থেকেই দেশের নেতারা উঠে আসে। আমরা দেখছি যে সার্বিয়াতে স্টুডেন্ট লিস্ট তাদের দেশের স্বৈরতন্ত্রী অ্যালেকজান্ডার ভুচিচকে নির্বাচনে পরাজিত করেছে। এখান থেকেও আমাদের শিক্ষা নেওয়ার আছে। স্টুডেন্ট মুভমেন্টের পরিসর শুধুমাত্র ইন্সটিটিউশনে সীমাবদ্ধ নয়, দেশ চালানোর ক্ষেত্রেও তাদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকতে পারে। তাই শুধু ক্যাম্পাস ভিত্তিক লড়াই করলে হবে না। বৃহত্তর সলিডারিটি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। সকলকে সংগ্রামী অভিনন্দন।

এবারের শারদোৎসব - প্রভাবশালী তোষণ, ভিড় নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থা ও বামপন্থীদের বুক স্টল ভাঙচুর~ সিএসএ-এর বিবৃতি; ২১শে অক্টোবর...
21/10/2026

এবারের শারদোৎসব - প্রভাবশালী তোষণ, ভিড় নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থা ও বামপন্থীদের বুক স্টল ভাঙচুর
~ সিএসএ-এর বিবৃতি; ২১শে অক্টোবর, ২০২৬

অভয়া কাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের জামিন, চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পূজা প্যান্ডেল প্রাঙ্গণে মর্মান্তিক ঘটনা এবং যাদবপুরে বুলডোজার এনে বামপন্থীদের বুকস্টল গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রশাসনিক প্রচেষ্টা - পুরোটাই কি কাকতালীয়?

১। সকলেরই জানা যে শুধু যাদবপুর নয় বরং সারা বাংলা জুড়ে শাসকদল বিজেপির উন্মত্ত গুন্ডাবাহিনীর দ্বারা এবং অঞ্চল বিশেষে প্রশাসনিকভাবে বামপন্থীদের বুকস্টল ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবাদে প্রগতিশীল মানুষ যে আরও বেশি করে বই কিনতে এসেছে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা গেছে। বহু ক্ষেত্রে স্টল ভেঙে দিলেও ছাতা লাগিয়ে টেবিল চেয়ার পেতে বই বিক্রি চলেছে। এইরকম পরিস্থিতিতে এবারের শারদোৎসব অন্যবারের চেয়ে কতটা আলাদা সেই প্রসঙ্গ স্বাভাবিকভাবেই উঠবে।

অভয়া কাণ্ডের বিচারের দাবিকে সামনে রেখে বিজেপি নির্বাচনে লড়েছিল এবং অভয়ার মাকেই প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। সেই বিজেপির সরকার গঠনের কয়েক মাসের মধ্যেই অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষ ছাড়া পেল। এক্ষেত্রে এটা বলা হতে পারে যে ন্যায় বিচার একটি দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া, যার অংশ হিসেবে সে সাময়িকভাবে জামিন পেয়েছে। কিন্তু সমগ্র তদন্ত প্রক্রিয়ায় গাফিলতি বা ধীর গতিতে চালানোর যে ট্রেন্ড তৃণমূল আমল থেকেই চলে এসেছে, সেটাই বহাল থেকেছে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর। হাথরাস-উন্নাওয়ের ঘটনারই কি পুনরাবৃত্তি হচ্ছে? প্রভাবশালী অভিযুক্তদের তোষণ?

২। বিগত কয়েক বছর ধরেই তৃণমূল সরকার ব্রাহ্মণ্যবাদী ধর্মীয় অ্যাজেন্ডাগুলোকে বিভিন্নভাবে বাস্তবায়ন করতে করতে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে আজকে তা সকলের গা সওয়া হয়ে গেছে এবং বর্তমানে এই অ্যাজেন্ডারই উগ্র অগ্রগতির বাস্তবায়ন হচ্ছে। চোরবাগানের ঘটনায় সাধারণ মানুষের ওপর দোষ চাপানোর একটা চেষ্টা চলছে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিজেপি বিভিন্ন মিউনিসিপ্যালিটিগুলোতে জোর করে ভয় দেখিয়ে পূর্বের নির্বাচিত বোর্ডগুলিকে অকার্যকর করে দিয়েছে এবং নিজেদের গুন্ডাদেরকে অগণতান্ত্রিকভাবে আপাতত তদারকির দায়িত্ব দিয়েছে। ফলে এই বোর্ডগুলোর কার্যত কোনো বৈধতা নেই এবং কাজ চলছে স্রেফ কেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক নির্দেশের মাধ্যমে। একই পরিস্থিতি দেখা গেছে পুজো কমিটিগুলোর ক্ষেত্রে। বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলোকেও খুবই দ্রুততার সাথে জবরদখল করেছে বিজেপির বাহিনী। চোরবাগানও তার বাইরে নয়। শোনা যাচ্ছে, চোরবাগান পুজো কমিটির সাথে যুক্ত রয়েছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো দেবদীপ অধিকারী, জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা এবং কলকাতা জেলা বিজেপি সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। ফলে এই পুজো কমিটির সাথে বিজেপির নেতৃত্ব ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। এক ভাইপোর হাত থেকে মুক্তি পেয়ে সাধারণ মানুষ কি আরেক ভাইপোর কবলে পড়ল? আর চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনায় সাধারণ মানুষের উপর দোষ চাপাতে একটি অঞ্চল বিদ্বেষী বক্তব্য রাখা হচ্ছে যে সাউথ ক্যালকাটার মানুষের থেকে নর্থ ক্যালকাটার মানুষ বেশি বিশৃঙ্খল, তাই নাকি এই ঘটনা ঘটেছে! এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে পুজোর সময় যখন মানুষ ঠাকুর দেখতে বেরোয়, তখন সাউথ কি নর্থ, সকল এলাকার মানুষই মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। আমরা দাবী জানাচ্ছি যে চোরবাগানের ঘটনার সম্পূর্ণ দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

চোরবাগান পুজো কমিটির সিকিউরিটি ল্যাপস বা মিসম্যানেজমেন্ট অবশ্যই ছিল তবে তারা সামগ্রিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ারই অংশ ছিল। এবার একটি অদ্ভুত টাইপের পিআর ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে যার অবশ্যম্ভাবী ফল হিসেবে দেখা গেছে যে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের ভিড় কম হচ্ছে এবং কিছু কিছু জায়গায় এমন হাইপ তৈরি করা হচ্ছে যে সেখানে ভিড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার ফলেই এক সময়ে সবচেয়ে বড় দুর্গার অ্যাড দিয়ে দেশপ্রিয় পার্কে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল কিন্তু সেই সময় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সুযোগে পুলিশ অনায়াসেই সেই মণ্ডপ দর্শন বন্ধ করে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছিল। কিন্তু এবারে তা করা হল না। এই পিআর ম্যানেজমেন্ট প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষকে পরিণত করা হয়েছে কেবল সংখ্যায়; যে সংখ্যা অ্যাডভার্টাইজমেন্টের প্রদেয় অর্থের ইজ্জত রক্ষা করবে। মানুষের জীবনের দাম তাই নেমে এসেছে মাত্র ২৫ লক্ষ টাকায় এবং পরিবারের একজনের গ্রুপ ডি সরকারি চাকরিতে।

আহত ব্যক্তিদেরকে সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে নিয়ে যাওয়ার পরে তাদের পরিবারকে বেসরকারি হাসপাতালে আহতদের স্থানান্তরিত করার অপশান দেওয়া হয়েছে। উল্টোদিকে ডাক্তারী ছাত্ররা ওই সরকারি হাসপাতালে তাদের রোগীদেরকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা এবং সেখানকার উন্নত পরিকাঠামোর প্রসঙ্গ তুলে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে পুলিশি প্রশিক্ষণ কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের একই গুরুত্বের সাথে দেওয়া হয়েছিল? পুজো শুরুর কিছুদিন আগেই বহু মানুষ পুলিশের চাকরি পেয়েছেন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছিল দু’তিন বছর ধরে এবং তৃণমূলের গড়িমসির ফলে এতদিন ধরে সকল পরীক্ষার্থীরা নিয়োগপত্র পাননি। বিজেপি ক্ষমতায় এসে শুধু সেই কাজটাই করেছে। বাৎসরিক নিয়োগ হচ্ছে না এবং এর ফলস্বরূপ পুলিশ সেক্টরের মধ্যেও বিপুল শূন্যপদ তৈরি হয়েছে, যে স্থানে কন্ট্রাকচুয়াল নন-পার্মানেন্ট সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।

থিম পুজোর জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে, এমন বক্তব্য রাখা হচ্ছে। কিন্তু সারা কলকাতা জুড়ে বিভিন্ন জায়গাতেই থিম পুজো হয়ে থাকে আর সেখানে এরকম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় না। তবে এটা লক্ষণীয় যে থিম পুজোর বিরোধিতা এবার পুজোর এক মাস আগে থেকেই আরএসএস-এর বিভিন্ন শাখা সংগঠন করে এসেছে এবং সাত্ত্বিক পুজোর নামে ব্রাহ্মণ্যবাদী ধর্মীয় অ্যাজেন্ডাকে এখানে আনার চেষ্টা করেছে। উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর মধ্যেও তান্ত্রিক উপাচারের প্রাবল্য স্পষ্ট। ফলে অষ্টমীর দিনকে জোর করে নিরামিষ ভোজনের দিন হিসেবে তুলে ধরে এবং মদ্যপান বন্ধ রাখার প্রক্রিয়া চালিয়ে বিজেপি একটি নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রিত উত্তর ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদী প্রক্রিয়ার মধ্যে সাধারণ মানুষকে ঢোকানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

এবারের দুর্গোৎসবে ১৩,০০০ নতুন পুজো সরকারি খাতায় নথিভুক্ত হয়েছে কিন্তু টেলিগ্রাফের একটি প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে বড় ব্যবসায়ীদের পৌষ মাস এবং ছোট ব্যবসায়ীদের তথাকথিত সর্বনাশ। আর বড় পুজো কমিটিরা তাদের অ্যাডভার্টাইজমেন্টের রেট প্রায় ২০% বাড়িয়ে তুলতে পেরেছে কিন্তু ছোট পুজো কমিটিদের অ্যাডভার্টাইজমেন্টের এরিয়ার প্রায় ৩০% খালি থেকে গেছে। তৃণমূল আমল থেকেই শুরু হওয়া এবং এই বিজেপি আমলেও বহাল থাকা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় যে সরকারি অনুদান প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে, তার ফলে ছোট পুজো কমিটিগুলোর এলাকাগত চাঁদা তুলতেও অসুবিধা হয়েছে। সাধারণ মানুষ আর চাঁদা দিতে চাইছে না। যে সমস্ত পুজো কমিটিতে বিজেপি বিরোধী লোকজনের সংখ্যাধিক্য রয়েছে, তাদের অনেককেই এই অনুদান দেওয়া হয়নি। অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বড় পুজো কমিটির এর দরকার নেই এবং তারা চাইলে তা নাও নিতে পারে কিন্তু ছোট পুজো কমিটিদের দেওয়া হবে। লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে শুরু করে অন্যান্য সরকারি অনুদান প্রকল্প সকলকে দেওয়ার দরকার নেই, যাদের প্রকৃতই দরকার কেবল তাদেরকেই দেওয়ার প্রচার চালিয়ে আসলে বিজেপি নিজেদের সমর্থক বাহিনী ছাড়া অন্য কাউকে অনুদান না দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই একই প্রক্রিয়া তারা পুজোর অনুদানের ক্ষেত্রেও শুরু করেছে। ছোট পুজো কমিটিগুলোর কোমর ভেঙে দেওয়া হচ্ছে।

অর্গানাইজড রিটেল ও ই-কমার্সের ব্যবসা প্রায় ২০% বেড়েছে। টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী এলইডি স্ক্রিন শহরের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে লাগানোর ভিত্তিতে বোঝা যাচ্ছে যে কোথায় ইনভেস্টমেন্ট বেশি হচ্ছে আর কোথায় কম। তারা উল্লেখ করেছে যে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর নির্বাচনী কেন্দ্রে এলইডি স্ক্রিনের প্রাবল্য যথেষ্ট বেশি। সরকার চাইছে বড় পুঁজির দালালি করতে এবং তার জন্য মাঝারি এবং ছোট পুঁজির কোমর ভেঙে দেওয়া হচ্ছে; হকার উচ্ছেদ এরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফাটকা বাজারের বিভিন্ন জনবিরোধী প্রক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে সারা বিশ্ব জুড়ে যে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিচ্ছে, এই ছোট এবং মাঝারি ব্যবসায়ীরা সেই শেয়ারের শকের দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হওয়ার কথা নয়। ফলে সরকারের উচিৎ ছিল তাদেরই সাহায্য করা যাতে তারা সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনৈতিক সংকটের সময় বিকল্প কেন্দ্র হিসেবে দেখা দিতে পারে কিন্তু সেই উদ্দেশ্যে এই সরকার চলছে না।

৩। বিজেপির গুন্ডাবাহিনী বামপন্থীদের স্টল যেমন ভাঙতে এসেছে, তেমনি প্রশাসনিকভাবেও এই প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে। গণনার দিনের বিভিন্ন ঘটনা বিজেপির ক্ষমতায় আসার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সন্দেহের উদ্রেক ঘটায়। তবে এটা অনস্বীকার্য যে তৃণমূল সরকারের ব্যাপক দুর্নীতি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চাকরি না দেওয়ার নয়াউদারবাদী প্রেসক্রিপশন ফলো করাই তাদের পতন ঘটিয়েছে। তবে এই বিজেপি সরকার যে সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছে তা থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে তাদের পায়ের তলার মাটি এখনো শক্ত নয়। আগামী মিউনিসিপ্যালিটি এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন যতক্ষণ না সম্পন্ন হচ্ছে ততক্ষণ তারা তাদের গুন্ডাবাহিনীদেরকে বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে বৈধভাবে বসানোর প্রক্রিয়া চালাতে পারছে না; তাই তাদের তৃণমূল স্তরের সংগঠন যথেষ্ট ছন্নছাড়া হয়ে রয়েছে। তবে এই ছন্নছাড়া হয়ে থাকার একটি সুবিধা রয়েছে; বুক স্টল ভাঙতে আসা গুন্ডাবাহিনীর দায় অনায়াসেই অস্বীকার করছে বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কিন্তু তার এই বক্তব্যের আদতে যে কোনো মানে নেই সেটা আজকে আর আলাদা করে বোঝানোর দরকার নেই। আর শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যের বিপরীতে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অন্যান্য তৃণমূল থেকে আগত বিজেপি নেতাদের মতই প্রমাণ করতে চাইছেন যে তিনি কতটা কমিউনিস্ট বিরোধী।

নাস্তিক হয়ে বামপন্থীরা কেন দুর্গা পুজোর সময়ে বইয়ের স্টল দেবে, এই নিয়ে তর্জা করতে গিয়ে মুখ পুড়েছে আরএসএস-এর। নাস্তিক্যবাদ যে ভারতীয় দর্শনেরও অংশ তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। তাছাড়া উৎসবের সময়ে খাবার বা কেনাকাটার জিনিষপত্রের পাশাপাশি বইয়ের স্টলও কেউ দিতেই পারে।

এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অবস্থানও ন্যক্কারজনক। প্রথমে কোর্টের তরফ থেকে কেউ বুক স্টল দিতেই পারে বলা হলেও পরবর্তীতে একটি লুপহোল বানিয়ে বলা হয় যে যাদের যাদের পারমিশন দেওয়া হয়েছে তারাই কেবল বুক স্টল দিতে পারবে। উল্লেখ্য, পুলিশকে যখনই কোনো রাস্তায় প্রোগ্রাম করার অনুমতি চাওয়া হয়, তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো উত্তর দেয় না। পারমিশান দিতে না চাইলে তা উল্লেখ করে শেষ মুহূর্তে তারা জানিয়ে দেয় যে তাদের নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর বুক স্টলের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া উচিৎ ছিল যে যথাযথ কারণ দর্শে কারা অনুমতি পাচ্ছে আর কারা পাচ্ছে না তার তালিকা বের করতে হবে। এটা সকলেই জানে যে শাসক দল নিজেদের বুক স্টলকে পারমিশন দিচ্ছে আর বিরোধীদের দিচ্ছে না। আর আরএসএস-এর পত্রপত্রিকার তো অভাব নেই কিন্তু সাংগঠনিক দুর্বলতা ও লুম্পেন কর্মীবাহিনীর কারণে বহু জায়গায় তাদের স্টল হয়ে উঠেছে ফাঁকা বসার জায়গা কিংবা ফুচকার স্টল।

যেদিন চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, ঠিক সেইদিনই কিছু বুক স্টল ভাঙার জন্য পুলিশ-র‍্যাফ-বুলডোজার ইত্যাদি রাস্তায় নামানো হচ্ছে, সারা রাত ধরে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকছে এবং ভোর ছ'টার সময় যখন প্রতিরোধকারীদের সংখ্যা একটু কম, সেই সুযোগ বুঝে চারটে স্টলের মধ্যে দুটো স্টলের ক্ষতি সাধন করা হচ্ছে। অর্থাৎ প্রশাসনিক উদ্দেশ্য হল ভয় দেখানো ও বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করার বিষয়ে তাদের মাথাব্যথা আছে কি?

বহু মানুষ যারা কোনো পার্টি সরাসরি করে না কিংবা যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল, তারা পর্যন্ত স্টল ভাঙা এবং বই ছুঁড়ে ছুঁড়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার ঘটনায় বিরক্ত হয়েছে। অবস্থা খারাপ বুঝে স্বয়ং অর্থমন্ত্রীকে নিজের দলের গুন্ডাগিরির নিন্দা করতে হয়েছে।

মানুষের স্বার্থকে বাদ রেখে সরকার চালানোর যে প্রক্রিয়া সারা দেশ জুড়ে চালানো হয়েছে, তার ফলে মানুষ ক্ষেপে উঠেছে। অবশ্য এটাও উল্লেখ্য যে বাংলায় বিজেপি সরকার সদ্য ক্ষমতায় এসেছে এবং দেশের অন্যান্য প্রান্তে বিজেপি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে যে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটা বাংলায় স্বাভাবিকভাবেই থাকার সম্ভাবনা কম। বাংলার জেন আলফাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য স্কুল স্তরে আরএসএস যথেষ্ট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই বামপন্থীরা যদি মনে করে যে অর্থনৈতিক সংকট বা সারা দেশজুড়ে সিজেপির আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাতেও অতি সহজেই পট পরিবর্তন হতে পারে, তবে তারা স্বপ্নের জগতে বাস করছে।

আরএসএস-এর প্রজেক্ট হচ্ছে, বিজেপি যদি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরকার থেকে সরেও যায়, সেক্ষেত্রে তাদের নতুন দার্শনিক এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বাংলাকে তুলে আনা। এই প্রোজেক্টকে প্রতিরোধ করতে হলে দরকার প্রকৃত বাম ঐক্য। বুক স্টল ভাঙা চলাকালীন বিভিন্ন বামপন্থী পার্টি, ছাত্র সংগঠন, ছোট পত্রিকা এবং ব্যক্তিরা, সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরস্পরের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছে। প্রকৃত অর্থে বামপন্থী রাজনৈতিক কেন্দ্র বঙ্গ সমাজে প্রতিষ্ঠা করা আজ সময়ের দাবি।

27/09/2026

অন্নপূর্ণা ভান্ডার ও আবাস যোজনার টাকা, ১২৫ দিনের কাজ, ভাঙড় চুক্তি অনুযায়ী হিমঘর ও নদী সংস্কার, স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবীতে জমি জীবিকা বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির বিডিও অফিস অভিযান কর্মসূচীতে সিএসএ-এর পক্ষে বক্তব্য রাখলেন সাথী অনন্যা দেব; ২৫/০৯/২০২৬

25/09/2026

Special Intensive Revision (SIR)-কে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে যে তথ্য সাম্প্রতিক সময়ে সামনে এসেছে, তা ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে যে তথ্য সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে তিন জনের মধ্যে দু’জন নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী গত দশ মাসে অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া নিয়ে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের আপত্তির মধ্যে ভোটার অন্তর্ভুক্তি, ভোটার বাদ দেওয়া, ইলেক্টোরাল ডেটাবেস-এর কেন্দ্রীকরণ এবং SIR-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিষয় রয়েছে। তাদের আপত্তিকে উপেক্ষা করে জ্ঞানেশ কুমারের নেওয়া পদক্ষেপগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি Form 6-এর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ঘোষণার বৈধতা নিয়েও নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। অর্থাৎ কেবল প্রশাসনিক ভুল বা তথ্যের অমিলের বিষয় নয়, এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি নিয়েই আবারও জনমানসে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। এর পাশাপাশি “logical discrepancy” সংক্রান্ত নোটিস দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও প্রশ্ন উঠেছে। এই নোটিসগুলি অনেক ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই-এর বদলে কেবল প্রযুক্তি ব্যবহার করেই দিয়ে দেওয়া হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও এসেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় কোনও পোলিং বুথ-এর মোট ভোটারের ২%-এর বেশি নাম বাদ পড়লে অতিরিক্ত Senior-level cross-verification-এর বিধান রয়েছে। তা মানা হয়েছে কি?
আমাদের সংগঠন প্রথম থেকেই বলে এসেছে যে মৃত ব্যক্তি, ডুপ্লিকেট এন্ট্রি বা স্থানান্তরিত ভোটারের তথ্য অনুযায়ী ভোটার তালিকা সংশোধন করা নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ। এর জন্য পূর্বের Intensive Revision প্রক্রিয়ার পদ্ধতি পুনরায় অবলম্বন করাই যথেষ্ট কিন্তু ১১টার মধ্যে একটি নথি চাওয়া SIR প্রক্রিয়ার দুরভিসন্ধি প্রথম থেকেই সকলের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে এই প্রক্রিয়া নাগরিকত্ব যাচাই এবং সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর কল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সাম্প্রতিক প্রকাশিত ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন এটাই দেখাচ্ছে যে টি এন সেশানের যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলির দ্বারা মহিমান্বিত নির্বাচন কমিশন আজ জ্ঞানেশ কুমারের আমলে এসে বিজেপির অ্যাজেন্ডার কাছে মাথা নুইয়ে দিয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া যদি এমনভাবে পরিচালিত হয় যার ফলে একজন নাগরিক তাঁর ভোটাধিকার হারান এবং একইসঙ্গে নাগরিক হিসেবে সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের বাধার মুখোমুখি হন, তাহলে তা দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক কাঠামোর উপর ফ্যাসিস্ট আক্রমণকেই দর্শায়। এই পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা এবং নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন সুনিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
এই বিষয়ে বিভিন্ন মঞ্চের অবস্থানে ভিন্নতা রয়েছে। নিজস্ব কর্মসূচীর পাশাপাশি বাদ যাওয়া ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে পুনর্বহাল করার ন্যূনতম দাবী রাখা বিভিন্ন মঞ্চের কর্মসূচীতেও আমরা অংশগ্রহণ করছি।

Centre for Social Activism-এর অবস্থান:
১. মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তার বিরুদ্ধে উঠে আসা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া চলতেই পারে কিন্তু নাগরিকত্ব যাচাইকারী SIR প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে। SIR পরবর্তী সমস্ত নির্বাচনী ফলাফল বাতিল করে পূর্ববর্তী ভোটার তালিকার ভিত্তিতে পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. SIR বাতিলের দাবী স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার মেনে নেবে না এবং তাদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় আন্দোলন চলবে। এমতাবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন পরিস্থিতিতে SIR-এর মাধ্যমে যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়ায় সক্রিয়তা এনে তাঁদের অতি দ্রুত ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার এবং নাগরিকত্বের অধিকার সুনিশ্চিত করার দাবী প্রগতিশীল মহলকে তুলতে হবে।
৪. সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে SIR-এর লিস্টে নাম থাকার পূর্বশর্ত রাখা যাবে না।
৫. যে সমস্ত বুথে ২%-এর বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেই সমস্ত ডিলিশানের কারণ, যাচাই, অনুমোদনের নথি এবং ব্যবহৃত সফটওয়্যারের অডিট জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
৬. চিফ ইলেকশান কমিশনার নির্বাচনের কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, কেন্দ্রের সরকার পক্ষের একজন, সর্ববৃহৎ বিরোধী দলের একজন এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দলের একজনকে রাখতে হবে।
৭. ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশন বা কোনও আধিকারিক যাতে স্বেচ্ছাচারীভাবে বা সাংবিধানিক অধিকারের বাইরে গিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে না পারে, তার জন্য বিরোধী দলেদের সংসদে শক্তিশালী নয়া আইন আনার দাবী রাখতে হবে।
৮. নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট অডিট, ডেটাবেস-এর অডিট ট্রেইল এবং একজন নাগরিকের অ্যাপিলের অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে।

Centre for Social Activism (CSA)
২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ট্রাইব্যুনালে আটকে থাকা ৩২ লক্ষ ডিলিটেড ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবীতে সংগ্রামী গণমঞ্চ-এর তরফে রাম লীলা ময়দান থে...
02/09/2026

ট্রাইব্যুনালে আটকে থাকা ৩২ লক্ষ ডিলিটেড ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবীতে সংগ্রামী গণমঞ্চ-এর তরফে রাম লীলা ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মিছিল হল এবং হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হল
⭐ট্রাইব্যুনালের কাজে গতি আনতে হবে
⭐গরীব, সংখ্যালঘু ও মহিলাদের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে দিকে দিকে প্রতিবাদ গড়ে তুলুন
⭐ক্ষেতে কিষাণ, কলে মজুর, জোট বাঁধো, তৈরি হও

বুলডোজার মে মাসের পর থেকে এই রাজ্যে 'উন্নয়ন(!)'-এর নয়া প্রতীক হয়ে উঠলেও এর একটা ধারাবাহিকতা আছে। আলিপুরদুয়ারের ইস্ট ওয়েস...
22/08/2026

বুলডোজার মে মাসের পর থেকে এই রাজ্যে 'উন্নয়ন(!)'-এর নয়া প্রতীক হয়ে উঠলেও এর একটা ধারাবাহিকতা আছে। আলিপুরদুয়ারের ইস্ট ওয়েস্ট করিডোর প্রকল্পের অধীন রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকদের জমি অধিগ্রহণের ঘটনা এমনই এক উদাহরণ। ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তৎকালীন রাজ্য সরকার অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় হাত লাগায়। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের বিজেপি ও রাজ্যের তৃণমূলের সৌহার্দ্যে ভাটা আসে। আবার ২০২৬-এর শুরু থেকেই প্রক্রিয়া শুরু। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দোকানের সামনে মাটি ফেলে ঢোকার পথ অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর মে মাস থেকে ডবল ইঞ্জিনের বিজয় রথ এগিয়ে চলে এবং আগস্টের শেষে চাপড়ের পার অঞ্চলে হাই কোর্টের নির্দেশিকা আংশিক উপেক্ষা করে ভেঙে ফেলা হয় দোকানগুলো। রাস্তা সম্প্রসারণ হতেই পারে কিন্তু তা আইন মেনে হওয়া উচিৎ। সেক্ষেত্রে Right to Fair Compensation and Transparency in Land Acquisition, Rehabilitation and Resettlement Act, 2013 মেনে যথার্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিৎ। শুরু থেকেই NHAI কর্তৃপক্ষ সে পথে হাঁটতে চায়নি। তাই ব্যবসায়ী সমিতি কোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা চলাকালীন দোকানের সামনে মাটি ফেলার ঘটনাকে অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সার্কিট বেঞ্চ রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ বজায় রাখার রায় দিলেও এটাও বলে যে "...The proceeding initiated by the authorities shall be decided according to law. ...National Highway Authority and the State Authority shall ensure that the ingress and egress to the shop of the appellant..., is free from obstructions"। কিন্তু এর পরিণতি কি হল? মাটি তোলার সাথে সাথে দোকানগুলোও ভাঙা পড়ল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা হাল ছাড়েননি। তাঁরা তাঁদের ন্যায্য প্রাপ্যের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। সিএসএ এবং ওয়ার্কিং পিপলস অ্যালায়েন্স-এর তরফে অ্যাডভোকেট সপ্তর্ষি ব্যানার্জী ব্যবসায়ী সমিতির লড়াইয়ের পাশে রয়েছে।
সিঙ্গুর আন্দোলনে যথার্থ ক্ষতিপূরণ অনেক দাবীর মধ্যে একটি ছিল। পরবর্তীতে কারখানার স্থানান্তর হওয়া এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের বেহাল দশা এমন একটা বাতাবরণ তৈরি করেছে যে প্রতিটা আইন না মানা উচ্ছেদ ও অধিগ্রহণকেই সমর্থন করার মানসিকতা তৈরি হয়েছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের বাসস্থান ও জীবিকা নির্বিচারে হটিয়ে দেওয়া হচ্ছে আর কর্মসংস্থানের কোনও বালাই নেই। কারখানা এলেই কর্মসংস্থান হয় না আর উচ্ছেদ করে উন্নয়ন আসে না। তাই কার স্বার্থে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে সেটা খুঁজে বের করাটাই আজকের দিনে নির্বাণ লাভ।
নীচে রইল আন্দোলনের কালপঞ্জিঃ
১। ২০২১-এর আন্দোলনঃ https://thediligent2018.blogspot.com/2021/02/blog-post_6.html
https://www.facebook.com/share/p/1JkefPZ49k/
২। সিএসএ-এর তথ্যানুসন্ধান রিপোর্টঃ https://thediligent2018.blogspot.com/2021/05/fact-finding-report.html
৩। ২০২২-এর আন্দোলনঃ https://www.facebook.com/share/p/1BfYb1hkdJ/
৪। ২০২৬-এর আন্দোলনঃ https://thediligent2018.blogspot.com/2026/03/blog-post.html

ট্রাইব্যুনালে আটকে থাকা ২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটার ও আরও ৫ লক্ষ ডিলিটেড ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবীতে সংগ্রামী গণমঞ্...
22/08/2026

ট্রাইব্যুনালে আটকে থাকা ২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটার ও আরও ৫ লক্ষ ডিলিটেড ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবীতে সংগ্রামী গণমঞ্চের তরফে আগামী ২রা সেপ্টেম্বর হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে রাম লীলা ময়দান থেকে বেলা ১২ঃ৩০-এ মিছিলের প্রচারে CSA-এর পক্ষে কলকাতার রাজপথে পোস্টারিং ও লিফলেটিং

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Centre for Social Activism CSA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share